Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমি নকুবাবু – সুশীলকুমার চট্টোপাধ্যায়

    January 17, 2026

    বিশ্বমনা : রবীন্দ্রনাথ – সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়

    January 17, 2026

    গল্পে বারভূঁইয়া – সতীশ চন্দ্র গুহ

    January 17, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সাদা আমি কালো আমি (১ম খণ্ড) – রুণু গুহ নিয়োগী

    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা এক পাতা গল্প492 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সাদা আমি কালো আমি – ১.২১

    ২১

    দেখার চোখ থাকলে সবই দেখা যায়। তবে সেই দেখাটা দেখতে হয় হৃদয় দিয়ে, বুদ্ধি দিয়ে। গোয়েন্দা দফতরের কাজে এই দেখাটাই আসল। আমি যখন গোয়েন্দা দফতরের ডাকাতি দমন শাখার অন্যতম প্রধান হিসাবে ছিলাম, তখন আমরা একটা সুবিন্যস্ত টিম হিসাবে তৈরি হয়েছিলাম, সেই হিসাবেই আমরা কাজ করতাম।

    আমাদের সময় চল্লিশটা ডাকাতি হয়েছিল কলকাতা ও তার আশেপাশে। আমরা তার মধ্যে উনচল্লিশটার মীমাংসা করতে পেরেছিলাম, একটা পারিনি। অর্থাৎ সাড়ে সাতানব্বই শতাংশ। কেন আমরা ওই একটা ডাকাতির কিনারা করে একশভাগ সফল হলাম না তা নিয়ে এখনও আমরা সব সহকর্মীরা হা-হুতাশ করি, নিজেদের ব্যর্থ মনে করি!

    রাজ্য পুলিশের সি. আই. ডি. দফতরের সাথে আমাদের দারুণ সুসম্পর্ক ছিল, খবরের আদান প্রদানের জন্য আমরা যেমন তাঁদের ভবানী ভবনের কেন্দ্রীয় দফতরে যোগাযোগ করতাম, তাঁরাও ঠিক তেমনি লালবাজারে আমাদের সাথে যোগাযোগ করতেন। একদিকে যেমন তাঁদের সঙ্গে ছিল সহযোগিতার সম্পর্ক, অন্যদিকে ছিল প্রতিযোগিতার, কারা আগে ধরতে পারে আসামীদের।

    আমাদের টিমটা ডাকাতি ধরার ক্ষেত্রে এমন পারদর্শী হয়ে উঠেছিল যে, সারা পশ্চিমবঙ্গে পুলিশের মধ্যে আমাদের সুনাম তো হয়েছিলই, এমন কি মুখ্য তথা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আমাদের প্রতি তাঁর আস্থার কথা বিধানসভায় পর্যন্ত ঘোষণা করেছিলেন।

    একদিন বর্ধমান শহরে একটা ব্যাঙ্কে ডাকাতি হয়ে গেল। সাধারণভাবে শান্ত শহর বর্ধমান। ব্যাঙ্ক ডাকাতিতে সবাই চমকে উঠলেন। খবর শুনে এস. পি. সমেত সমস্ত অফিসাররা ব্যাঙ্কে গিয়ে পৌঁছলেন। বর্ধমানের তৎকালীন এস. পি. ছিলেন এস. আই. এস. আহমেদ। সমস্ত কিছু খতিয়ে দেখে তাঁর মনে হল, ডাকাতরা সব কলকাতা শহরের। কারণ কলকাতা শহরে যে কায়দায় ডাকাতি হয়, এই ডাকাতিটা অনেকটা সেই কায়দায় করা হয়েছে।

    তিনি তখন সেখানে প্রাথমিক তদন্ত সেরে, অন্য তদন্ত শুরু করার আগে সময় নষ্ট না করে ব্যাঙ্কের সমস্ত কর্মচারীকে প্রাইভেট গাড়িতে তুলে সোজা কলকাতায় আমাদের লালবাজারের ডাকাতি দমন শাখায় নিয়ে এলেন। কারণ তাঁরাই ছিলেন প্রত্যক্ষদর্শী এবং তাঁদের দেওয়া বিবরণটা আমাদের কাজে লাগবে ভেবেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিলেন।

    এস. পি. সাহেব বর্ধমানের ব্যাঙ্ক কর্মচারীদের যখন আমাদের দফতরে নিয়ে এসেছিলেন, তখন আমি দফতরের বাইরে অন্য কাজে গিয়েছিলাম। তিনি সন্ধের সময় এসেছিলেন, দফতরে অনেক কর্মচারীই তখন এদিক ওদিক ছিলেন। তবে যাঁরা তখন দফতরে ছিলেন তাঁরা প্রত্যেকেই খুব দক্ষ। তিনি তাঁর আসার উদ্দেশ্য তাঁদের কাছে সবিস্তারে বললেন। তাঁরা এস. পি. সাহেবের কথা মন দিয়ে শুনে নিজেদের মধ্যে যখন আলোচনায় ব্যস্ত, তখন আমি দফতরে ফিরে আসি। দফতরে এসে বর্ধমানের এস. পি. সাহেবকে দেখি, উনিও আমাকে তাঁর আসার উদ্দেশ্য বললেন।

    আমরা আলোচনা করে ঠিক করলাম, ব্যাঙ্ক কর্মচারীদের প্রত্যেককে আলাদাভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করে ডাকাতির কথা ও ডাকাতদের চেহারার বর্ণনা শুনব। এবং জিজ্ঞাসাবাদের পর সবাই যেখানে বসে আছেন সেখানে না গিয়ে অন্যত্র গিয়ে অপেক্ষা করবেন। আমরা এস. পি. সাহেবকে আমাদের প্রস্তাব দিতে উনি সাথে সাথে রাজি হয়ে গেলেন। কথা মত আমাদের অফিসাররা তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করলেন একজন একজন করে।

    প্রথমেই ডাকা হল ওই ব্যাঙ্কের এক মহিলা কর্মচারীকে। আমরা ছজন অফিসার ছিলাম। তাঁর চোখে মুখে তখনও আতঙ্কের ছাপ। বর্ধমান থেকে লালবাজারে আসার ধকল স্পষ্ট। রাজকুমার তাঁকে অভয় দিয়ে প্রশ্ন করল, “আচ্ছা দিদিমণি, আপনি এর আগে কখনও কি ডাকাতি দেখেছেন?”

    ভদ্রমহিলা আঁৎকে উঠে বললেন, “না—না।” এমনভাবে তিনি বললেন যেন মনে হল ডাকাতরা এখনও ব্যাঙ্কেই রয়েছে।

    রাজকুমারই জানতে চাইল, “এই ডাকাতির কথা কি আপনি জীবনেও ভুলতে পারবেন?” তিনি সাথে সাথে বললেন, “এ কি ভোলার জিনিস? কখনও ভুলব না।”

    বললাম, “তাহলে চোখ বুজে একবার দেখে নিন তো ডাকাতির সেই দৃশ্যগুলো, তারপর বলুন কি কি হয়েছিল।”

    ভদ্রমহিলা সত্যিই চোখ বুজে ভাবতে থাকলেন। আমরা সবাই বসে আছি। আসলে প্রত্যক্ষদর্শীদের কাছ থেকে ঘটনার বিবরণ নেওয়ার এটা একটা কৌশল। ঘটনা যখন দ্রুত ঘটে যায় তখন তারা আতঙ্কিত চোখে দেখে, মস্তিষ্ক ঠিক মত কাজ করে খুব কম লোকেরই। তাই ঘটনার বর্ণনা দেওয়ার সময় বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আতঙ্কিত চোখে দেখা আতঙ্কিত মনের বিবরণ হয়ে যায়। সে সময় তাকে শান্ত হওয়ার জন্য সময় দিয়ে চোখ খুঁজে ফ্ল্যাশ ব্যাক দেখতে দিতে হয়, যাতে পূর্বাপর দৃশ্যগুলো তার মনের পর্দায় ভেসে ওঠে। এবং সেই অনুযায়ী বিবরণ দিতে পারে। প্রত্যক্ষদর্শীর তুচ্ছাতিতুচ্ছ কথাও আমাদের কাজে এসে যায়। বিবরণের সত্যমিথ্যার পার্থক্য বোঝা যায়।

    অনেক সময় মিথ্যা ঘটনার কথা বলে, মিথ্যা বিবৃতি দিয়ে আমাদেরও কেউ কেউ ফাঁদে ফেলে নিজের কুকর্মকে আড়াল করে বাঁচতে চায়।

    একদিন সন্ধেবেলা লালবাজারে এসে দেখি আমার চেম্বারের সামনে একজন বেশ স্বাস্থ্যবান মধ্যবয়স্ক লোক বসে আছে। চুলগুলো উসকো খুসকো, চোখ উদভ্রান্ত। কাছেই ছিল রাজকুমার। তাকে জিজ্ঞেস করলাম, “কে ইনি, কি কারণে বসে আছেন?”

    রাজকুমার বলল, “লোকটা ডায়মন্ড হারবারের কাছে থাকে। আজ সকালে ওর দাদা ওকে আশি হাজার টাকা দিয়েছিল, নিউ আলিপুরের একটা ব্যাঙ্কে জমা দিতে। সে টাকাটা একটা থলিতে করে নিয়ে যাচ্ছিল। মাঝেরহাট ব্রিজের ওপর বাস থেকে নেমেছিল। তারপর ব্রিজ থেকে নেমে নিউ আলিপুরের দিকে যখন যাবে, সে সময় ব্রিজের নিচে চার পাঁচজন ছেলে ওকে মেরে থলি নিয়ে চম্পট দেয়। এখন আপনার কাছে এসেছে একটা কিছু ব্যবস্থা করতে।”

    লোকটার কাছে জানতে চাইলাম, “কটার সময়?” লোকটা বলল, “বারোটা-সাড়ে বারোটা হবে।”

    আমি তার উত্তর শুনে রাজকুমারের দিকে তাকিয়ে বললাম, “ওর থেকে আর কি কি জেনেছিস?”

    আমার ইশারা বুঝে রাজকুমার তাকে প্রশ্ন করল, “আপনার বাড়িতে কে কে আছেন?”

    সে জানাল।

    রাজকুমারের প্রশ্ন, “আপনি কি প্রায়ই কলকাতায় আসেন?”

    সে বলল, “প্রয়োজন পরলেই আসি।”

    রাজকুমার বলল, “যেমন আজ এসেছেন।”

    সে বলল, “হ্যাঁ।”

    “বাসে আসতে কত সময় লাগে?” রাজকুমারের প্রশ্ন।

    সে বলল, “ঘণ্টা দুয়েক।”

    রাজকুমার এবার জানতে চাইল, “আজ কখন বাড়ি থেকে বের হয়েছিলেন?”

    সে জানাল, “আটটা নাগাদ।”

    আমি তখন রাজকুমারকে বললাম, “রাজু একটু পর একে আমার ঘরে নিয়ে আয়, তুই একটা ডাণ্ডা নিয়ে আসিস।” আমি চেম্বারে ঢুকে গেলাম।

    রাজকুমার মিনিট পাঁচেক পর হাতে একটা “রুল” নিয়ে লোকটাকে নিয়ে আমার সামনে হাজির।

    লোকটা কাঁপতে কাঁপতে হঠাৎ হাউমাউ করে কেঁদে উঠে আমার পা জড়িয়ে ধরে বলল, “আমায় বাঁচান রুণুবাবু, আমায় বাঁচান।”

    আমি পা ছাড়িয়ে নিয়ে বললাম, “উঠে বস, ভেবেছিলি, আমাদের মিথ্যা ঘটনার কথা বলে, দাদার টাকাটা মেরে দিবি? আমরাও তোর কথায় ধিতাং ধিতাং নেচে এদিক ওদিক ছুটে দেখাব, সত্যিই টাকাটা চোট।”

    লোকটা কাঁদতে কাঁদতেই বলল, “সত্যি আমি মারিনি।” জানতে চাইলাম, “তবে কে মেরেছে?” সে বলল, “মহিলাটা, ওই মহিলাটা, ওর ভীষণ লোভ।”

    প্রশ্ন করলাম, “কোন মহিলাটা? কোথায় থাকে?” সে তখন কান্না থামিয়ে বলল, “থাকে ঠাকুরপুকুরে, ওকে আমি রেখেছি।” রাজকুমার সে কথা শুনে লোকটাকে কিছু গালাগালি দিয়ে দিল। আমি থামিয়ে দিলাম। গালাগালি খেয়ে লোকটার বোধহয় একটু লজ্জা হয়েছে, সে বলল, “আজ সকালে ওর কাছে যাব প্রথমে ভাবিইনি। বাসে করে আসছিলাম, জোকা পেরিয়ে ঠাকুরপুকুর আসতেই হঠাৎ মাথায় কি ক্যাঁড়া ঢুকল, বাস থেকে নেমে ওর বাড়ি গেলাম। বাড়িতে ও একাই থাকে। বাড়িটাও আমি বানিয়ে দিয়েছি। সেখানে গিয়ে ওর সাথে খাওয়াদাওয়া করার পর আমি বাথরুম থেকে ফিরে এসে দেখি টাকার থলিটা ঘরে নেই। থলিটা কোথায় জানতে চাইলে সে বলল, থলিটা সে আর ফেরত দেবে না। তারপর আমাকে জোর করে বাড়ি থেকে বের করে দেয়।”

    রাজকুমার বলল, “ তারপর এখানে আমাদের বুদ্ধ বানাতে এসেছিস? তুই কি ভেবেছিস, সময়ের অসঙ্গতি স্যার ধরতে পারবে না?”

    লোকটা আমায় বলল, “না স্যার, আমি কোন উপায় না দেখে ভবানীপুরে আমার এক বন্ধুর কাছে যাই, সে তখন ওই মাঝেরহাটের গল্পটা বানিয়ে আপনার কাছে এসে বলতে বলল।”

    বললাম, “তবে এখন বাড়ি যা।” সে আবার কেঁদে উঠে বলল, “বাড়ি যাব কি করে? দাদা আমায় আস্ত খেয়ে নেবে।”

    ওই নোংরা চরিত্রের লোকটার আমাদের বোকা বানাতে আসার সাহস দেখে এমনিতেই ওর ওপর প্রচণ্ড রাগ ধরছে, সেই রাগের স্বরেই বললাম, “তা আমরা কি করব?”

    বেহায়া লোকটা বলল, “ওর কাছ থেকে যদি উদ্ধার করে দেন।” বললাম, “কে কোথায় যাবে, আর টাকা দিয়ে আসবে, সেটা গিয়ে আমরা উদ্ধার করে আসব, এ জন্য কি এখানে বসে আছি? অন্য কোন কাজ নেই?”

    লোকটা কাঁদতে কাঁদতেই বলল, “কিন্তু টাকাটা না পেলে আমি আর বাঁচব না স্যার, এমনিতে অনেক জমি জায়গা বিক্রি করে ওকে দিয়েছি। এবার কি করব জানি না।”

    কি আর করি? রাজকুমারকে বললাম, “দুজন কনস্টেবল নিয়ে দেখ, উদ্ধার করতে পারিস কিনা।” রাজকুমার আমার নির্দেশ শুনে লোকটাকে নিয়ে বেরিয়ে গেল।

    রাজকুমাররা যখন ঠাকুরপুকুরে সেই বাড়ির কাছে পৌঁছল তখন রাত দশটা বাজে প্রায়। নির্জন, গ্রাম্য মত পরিবেশ। গিয়ে দেখল, বাড়ির সামনে তালা ঝুলছে। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করার পর রাজকুমার যখন ভাবছে ফিরে আসবে, সে সময় একটা ট্যাক্সিতে অন্য একটা লোকের সঙ্গে টাল খেতে খেতে মহিলা নামল।

    মহিলা রাজকুমারদের সাথে লোকটাকে দেখেই গালাগালি করতে লাগল। সঙ্গের পুরুষটা রাজকুমারদের ভেবেছে মাস্তান, সে বীরত্ব দেখাতে চেষ্টা করল। মাতলামি যখন চূড়ান্ত পর্যায়ে, তখন রাজকুমার তার কলারটা চেপে ধরে বলল, “আমরা লালবাজার থেকে এসেছি, একটাও কথা বলবি না। তাহলে তুলে নিয়ে যাব।”

    রাজকুমারের কঠিন, রক্ত হিম করা গলা শুনে মাতালের নেশা মাথা থেকে নেমে পায়ে গিয়ে পৌঁছল।

    মহিলা ততক্ষণে অশ্রাব্য ভাষায় লোকটার সাথে ঝগড়া করতে করতে দরজার তালা খুলে ঘরে ঢুকল।

    রাজকুমাররা টাকার থলিটা উদ্ধার করল। কিন্তু তাতে দেখা গেল কুড়ি হাজার টাকা কম। লোকটা মহিলাকে জিজ্ঞেস করল, “কেন কুড়ি হাজার টাকা কম?” মহিলা বলল, “আমার ব্যবসার টাকা থেকে ভাইকে দিয়েছি ব্যবসা করতে।”

    রাজকুমার বের হয়ে এল। লোকটা থলি নিয়ে চলে গেল।

    তাই ঘটনার বিবরণ নেওয়ার সময় মাথা খুব ঠাণ্ডা রেখে প্রত্যক্ষদর্শীকে বলতে দিতে হয়। প্রশ্নের পর প্রশ্নের জালে জড়িয়ে ঘাবড়ে দিতে নেই। করার মত প্রশ্ন থাকলে তবেই প্রশ্ন করতে হয়।

    বর্ধমান ব্যাঙ্কের ভদ্রমহিলা চোখ বুজে ফ্ল্যাশ ব্যাক দেখে নিয়ে ঘটনার বিবরণ দিয়ে গেলেন। কখন ডাকাতিটা হল, কিভাবে ডাকাতরা এসে সবাইকে হুমকি দিয়ে টাকা নিয়ে চলে গেল। তিনি জানালেন, ডাকাতরা সংখ্যায় ছ-সাতজন ছিল, বয়স সব তিরিশের আশেপাশে।

    তাঁর কথা শেষ হলে প্রশ্ন করলাম, “তাদের মধ্যে নিশ্চয়ই কাউকে মনে হয়েছে সেই-ই লিডার, অর্থাৎ ডাকাতিটার নেতৃত্ব সে দিচ্ছে?” তিনি সাথে সাথে বললেন, “হ্যাঁ, তা মনে হয়েছে।” জানতে চাইলাম, “তার চেহারাটা কেমন?” এবার তিনি বললেন, “বেঁটে, কালো, মাঝারি ধরনের স্বাস্থ্য।” আবার আমাদের প্রশ্ন, “তার মুখটা নিশ্চয়ই মনে আছে, আচ্ছা তার মুখের আদলটা কেমন ছিল বলতে পারেন, তা কি গোলাকার না চৌকো, না কি অন্যরকম, ধরুন লম্বা বা কি ধরনের?” ভদ্রমহিলা ভাবতে লাগলেন, আমি বললাম, “দাঁড়ান, আমি আসছি।” তারপর আমার কাছে রাখা বিভিন্ন রকম মুখের ফটো এনে টেবিলের ওপর রেখে বললাম, “এবার বলুন, কোন রকম।” তিনি দেখালেন। বললাম, “ঠিক আছে আপনি যান।” মহিলা চলে গেলেন অন্য ঘরে।

    এবার অন্য এক ভদ্রলোককে ডাকা হল, তাকেও ওই একই প্রশ্ন করা হল। তিনি উত্তর দিলেন, “ছেলেটার মুখ একটা অদ্ভুত ধরনের, সচরাচর দেখা যায় না। ত্রিকোণ টাইপের।” তাঁকেও ফটোগুলো দেখালাম। তিনিও ভদ্রমহিলা যে ফটোটা চিহ্নিত করেছেন, সেটাই দেখালেন। মুখটা অনেকটা ইংরেজি “ভি” অক্ষরের মত। আমরা প্রশ্ন করলাম, “ঠিক বলছেন তো?” তিনি দ্রুত বললেন, “হ্যাঁ, হ্যাঁ।”

    ভদ্রলোককে ছেড়ে দিয়ে আমরা নিজেরা কিছুক্ষণ আলোচনা করে নিলাম। তারপর একে একে চারজন ব্যাঙ্ক কর্মচারীকে ডেকে সেই ফটোগুলো দেখিয়ে প্রশ্ন করা হল, ডাকাত সর্দারের মুখের আদলটা কেমন। তারাও সবাই “ভি” আদলের ফটোর মুখটা দেখিয়ে দিল।

    তখনও আটজনকে আমাদের প্রশ্ন করা বাকি ছিল। কিন্তু আমরা ঠিক করলাম আর কাউকে প্রশ্ন করব না। সেই অনুযায়ী আমি এস. পি. সাহেবকে গিয়ে বললাম, “স্যার, আপনি ব্যাঙ্কের কর্মচারীদের বর্ধমানে ফিরে যেতে বলতে পারেন, আমাদের যা জানার জেনে নিয়েছি। আপনাকে আমরা দুচার দিনের মধ্যেই খবর দিচ্ছি কতদূর কি করতে পারলাম, আর প্রয়োজন হলে আমরা আপনার সাথে যোগাযোগ করে নেব।” এস. পি. আহমেদ সাহেব ব্যাঙ্কের কর্মচারীদের নিয়ে লালবাজার থেকে চলে গেলেন।

    আমাদের জানা এক “ডি” আদল মুখের ডাকাত ছিল। তাকে অনেক আগেই দুটো ডাকাতির মামলায় ধরেছিলাম। সে জেল থেকে ছাড়া পেয়ে তার গড়িয়ার বাড়িতে বাস করত। “ভি” আদলের আর কোনও ডাকাতকে আমরা জানতাম না। আমাদের কাছে রাখা, সেই ডাকাতের জবানবন্দি নিয়ে আসলাম, সেটা পড়ে আমরা আলোচনা করে ওর গতিবিধি ও মোডাস অপারেন্ডি খুঁটিয়ে দেখে নিলাম। দিন কয়েক আগে আমরা এক সোর্সের কাছে খবর পেয়েছিলাম, সে গোসাবায় এক গরুর মেলায় চরকির জুয়া চালাচ্ছে। তবুও আমরা সিদ্ধান্ত নিলাম তাকেই আগে গ্রেফতার করা হবে। তখন যদি দেখা যায় সে ওই ডাকাতির সঙ্গে যুক্ত নয়, তারপর নতুন করে সিদ্ধান্ত নিয়ে তদন্তে এগিয়ে যেতে হবে। এস. পি. সাহেব বর্ধমান থেকে এসে যখন আমাদের শরণাপন্ন হয়েছেন, তখন তাঁর সম্মানটা তো আমাদের রাখতেই হবে।

    সেদিন রাতেই আমাদের অফিসাররা সেই “ভি” মুখের ডাকাতের গড়িয়ার বাড়িতে হানা দিল। বাড়ি ঘিরে ফেলতে, ডাকাতের বৌদি আর স্ত্রী ঘর থেকে বেরিয়ে এসে বলল, যাকে আমরা খুঁজছি সে বেশ কিছুদিন হল বাড়িতে নেই। সে তার দাদার শালীকে নিয়ে কোথায় গেছে কেউ বলতে পারল না।

    তার একটা বিশেষ কৌশল ছিল, ডাকাতি করার কদিন আগে সে নিজের বাড়ি থেকে অন্য জায়গায় চলে যেত, কোথায় যেত কাউকে বলত না। এমন কি বাড়ির লোকজনকেও জানাত না। এবারও গিয়ে যখন পাওয়া গেল না, তখন ধারণা হল, সে এবারও একই কৌশল নিয়ে আগের থেকেই আস্তানা পাল্টেছে। ওই বাড়িতে দক্ষিণ ভারতীয় এক ভদ্রলোক পেয়িং গেস্ট হিসাবে থাকতেন। আমাদের অফিসারেরা তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য লালবাজারে নিয়ে এলেন।

    তাঁরা তাকে এই বিশ্বাসে আনলেন যে, যেহেতু সে দক্ষিণ ভারতীয়, তাই ভয়ে আমাদের কাছে অন্তত মিথ্যা বলবে না। সেই ভদ্রলোককে প্রশ্ন করাতে তিনিও বললেন, যাকে খুঁজছি, সে এখন নিজের স্ত্রীকে ছেড়ে দাদার শালীকে নিয়ে থাকে। কোথায় এখন আছে, তিনি সঠিক বলতে পারবেন না। তবে সে মাঝে মধ্যে কোন্নগর যেত এক ভদ্রলোকের বাড়িতে, কেন যেত তা তিনি জানেন না। কোন্নগরের ঠিকানাটা তার পুরনো বিবৃতি থেকে আমরা সেটা পেয়ে গেলাম।

    আমাদের অফিসাররা পরদিন বিকেলেই কোন্নগর গিয়ে পৌঁছল। কোন্নগরে সেই বাড়িতে সে একটা মেয়ের কাছে যেত। তাকে না পেয়ে তার ভাইকে লোকটার গতিবিধি সম্পর্কে প্রশ্ন করাতে সে বলল, “তাদের বাড়িতে সে ইদানীং কমই আসত, কিন্তু ওই পাড়ার প্রদীপ নামে এক চাল বিক্রেতার কাছে সে আসত, সেই প্রদীপ হয়ত কিছু জানলেও জানতে পারে।”

    সেদিন ছিল কালীপুজোর রাত। রাত তখন প্রায় নটা বাজে। ছেলেটা প্রদীপের বাড়ি দেখিয়ে দিলে, অফিসাররা প্রদীপের বাড়িতে গিয়ে জানতে পারল, প্রদীপ নেই। কোথায় আছে কেউ বলতে পারবে না।

    কালীপুজোর রাত, চারিদিকে বাজি পুড়ছে, ফাটছে, বাচ্চারা হৈ চৈ করে আনন্দে মত্ত। অফিসাররা ফিরে না এসে প্রদীপের পাড়ার কালীপুজোর প্যান্ডেলের দিকে এগিয়ে গেল। সঙ্গে সেই ছেলেটা, কারণ প্রদীপকে তো আমাদের কেউ চেনে না। তাই ছেলেটার সাহায্যের দরকার। আমাদের লোকেরা চুপিসাড়ে কায়দা করে প্যান্ডেলটা মোটামুটি ঘিরে ফেলল, যাতে প্রদীপ থাকলে পালিয়ে না যেতে পারে। প্যান্ডেলে গিয়ে প্রদীপের খোঁজ করতে প্যান্ডেলে বসে থাকা ছেলেগুলো জানাল, প্রদীপ সেখানে আসেইনি। এমন সময় রাজকুমার লক্ষ্য করল, একটা ছেলে প্যান্ডেলের পাশ দিয়ে হামাগুড়ি দিয়ে প্যান্ডেল থেকে পালানোর চেষ্টা করছে। রাজকুমার আস্তে আস্তে প্যান্ডেলের পেছন দিক দিয়ে গিয়ে অন্ধকারে দাঁড়িয়ে রইল।

    ছেলেটা প্যান্ডেলের কাপড় তুলে যেই বের হল, রাজকুমার খপ করে ওকে ধরে ফেলে বলল, “কি রে প্রদীপ পালাচ্ছিস যে খুব, ভেবেছিস আমরা তোকে চিনি না, এখন চল, আমাদের সাথে লালবাজার।”

    রাজকুমার প্রদীপকে সত্যিই চিনত না, কিন্তু ওর হামাগুড়ি দিয়ে পালানোর চেষ্টা দেখেই সন্দেহ হয়েছিল, আর তখনই ওকে ঝপ করে ধরে আন্দাজে ঢিল মারল। আর তাতেই প্রদীপ কাৎ। সে কোনমতে বলল, “আমি কিছু জানি না, আমায় কেন ধরছেন আপনারা?” রাজকুমার জানতে চাইল, কিছু যদি না জানিস, তবে পালানোর চেষ্টা করছিলি কেন? ঠিক আছে কি জানিস না জানিস পরে বোঝা যাবে। প্যান্ডেল থেকে চল, তোকে আমাদের দরকার।”

    রাজকুমার ও অন্য অফিসাররা প্রদীপকে প্যান্ডেলের বাইরে নিয়ে এসে জানতে চাইল, যার সন্ধানে ওখানে তারা গিয়েছে সে এখন কোথায়? প্রদীপ বলল, “জানি না। সে অনেকদিন হল আমার কাছে আসেনি।” রাজকুমার বলল, “ঠিক আছে, তবে চল, আমাদের সাথে। সেখানে গিয়ে বলবি, কি জানিস না জানিস।” প্রদীপকে নিয়ে এসে তারা লালবাজার লকআপে ঢুকিয়ে যে যার বাড়ি চলে গেল।

    পরদিন সকালবেলা, প্রদীপকে লকআপ থেকে নিয়ে আসা হল। তাকে আমি জিজ্ঞেস করলাম, “প্রদীপ, সে কোথায় আছে বল, নয়ত, তার বদলে তোকেই ডাকাতির কেসে চালান করে দেব।” শেষের কথাটা ওকে ভয় পাইয়ে দেওয়ার জন্য বললাম। কাজ হল, প্রদীপ হাউমাউ করে কেঁদে ফেলে বলল, “আমি ডাকাতির কিছু জানি না, সে খুব সম্ভবত ব্যান্ডেলে আছে।” প্রশ্ন করলাম, “ব্যান্ডেলে কোথায় আছে বল?” প্রদীপ বলল, “ব্যান্ডেল স্টেশনের রেল কোয়ার্টারের পাশে একটা ঘরে।” বললাম, “ঠিক আছে, তুই আমাদের সাথে যাবি, দূর থেকে দেখিয়ে দিবি, সে বুঝতেই পারবে না যে তুই ওর বাড়িটা দেখিয়ে দিয়েছিস। সুতরাং তোর কোনও ভয় নেই।”

    সেই অনুযায়ী আমাদের লোকেরা দুটো গাড়ি নিয়ে প্রদীপকে সাথে তুলে ব্যান্ডেলের উদ্দেশে রওয়ানা হয়ে গেল। ব্যান্ডেলে পৌঁছে স্টেশনের পাশে রেলের চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীদের কোয়ার্টারের পাশে একটা দরমার বাড়ি দেখিয়ে প্রদীপ বলল, “ওই বাড়িতে সে দিন পনেরো হল দাদার শালীর সাথে ঘর ভাড়া নিয়ে আছে।”

    প্রদীপকে গাড়িতে বসিয়ে আমাদের বাহিনী ওই দরমার বাড়িতে হানা দিল, এবং তাকে পেয়ে গেল। পুলিশ দেখে সে তো ভূত দেখার মত চমকে তাকিয়েই অভিনয় শুরু করল। প্রথমেই সে প্রশ্ন করল, “আপনারা?”

    রাজকুমার তার প্রশ্নের জবাব না দিয়ে বলল, “সুভাষ মজুমদার, তুই নিজেকে খুব চালাক মনে করিস, না? প্রতিবার ডাকাতির আগে ঠেক পাল্টে ভাবিস তোকে আমরা খুঁজে পাব না, এবারও ভেবেছিস বর্ধমানে ডাকাতি করে এখানে এসে পার পেয়ে যাবি, না?” সে বলল, “আমি কিছুই জানি না স্যার, আমি কোনও ডাকাতিই করিনি।” ততক্ষণে ওর নতুন সংসারে আমাদের লোকেরা তল্লাশি শুরু করেছে, জিনিসপত্র সব নতুন, কিন্তু ডাকাতির কোনও কিছুই পাওয়া যাচ্ছে না।

    অফিসাররা ধন্দে পড়ে গেল, সত্যিই কি সুভাষ বর্ধমানে ডাকাতি করেনি, আমরাই কি ভুল করলাম? কিন্তু এতসব নতুন বিছানাপত্র, থালাবাসন আর অন্যান্য জিনিস ঘরে সাজান, তা কেনার এত টাকা একসঙ্গে পেলই বা সে কি করে? কেনই বা সে ব্যান্ডেলে এসে থাকতে শুরু করেছে? কেনই বা তার বাড়ির লোককে না বলে সে আত্মগোপন করে আছে ব্যান্ডেলে? দাদার শালীকে নিয়ে যে থাকে, তা তো তার বাড়ির লোকজন সবই জানে। সেই মহিলাও আছে, তার শরীর দেখে সবাই বুঝল মহিলা সন্তানসম্ভবা এবং খুব সম্ভবত মাসখানেকের মধ্যেই মা হতে চলেছে।

    অত সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে সেখানে দাঁড়িয়ে না থেকে তারা সুভাষকে লালবাজারে নিয়ে এসে জিজ্ঞাসাবাদ করাই শ্রেয় মনে করে বলল, “ঠিক আছে, চল, তুই যদি ডাকাতি নাই করে থাকিস, তবে ওখান থেকে তোকে ছেড়ে দেব, এখন আমাদের সাথে তোকে যেতে হবে।” সুভাষ আমাদের জানে। ফালতু কথা বাড়িয়ে লাভ নেই। বিনয়ের সাথে বলল, “চলুন, যেতে যখন হবে।” সুভাষকে ঘর থেকে নিয়ে আসার সময় সুভাষের দ্বিতীয় স্ত্রী চুপ করে দাঁড়িয়েছিল। রাজকুমার ভাবল, এই মহিলাকে এই অবস্থায় একা এখানে ফেলে রাখা ঠিক হবে না। একেও কলকাতায় নিয়ে যাওয়া উচিত। সে মহিলাকে বলল, “আপনিও চলুন আমাদের সাথে।” মহিলা ভ্যাবাচাকা খেয়ে প্রশ্ন করল, “আমি, আমি যাব?” রাজকুমার বলল, “হ্যাঁ।”

    রাজকুমারের ছ’ফুটের ওপর বলিষ্ঠ চেহারার সামনে সেই মহিলা আর কি উত্তর দেবে, তাড়াতাড়ি বেরনর জন্য তৈরি হয়ে নিল, তারপর মাটির বারান্দায় রাখা একটা ঘুঁটের বস্তা ঘরে টেনে নিয়ে গেল। তা দেখে, রাজকুমারের সন্দেহ হল, সে ঘুঁটের বস্তাটা এক টানে উপুড় করে দিল। ঝপঝপ করে ঘুঁটে পড়তে পড়তে হঠাৎ টাকার বান্ডিল পড়তে লাগল। সে একটা বান্ডিল তুলে দেখল তখনও বর্ধমানের ব্যাঙ্কের স্লিপ তাতে লাগান।

    রাজকুমার একটু হেসে সুভাষকে জিজ্ঞেস করল, “কিরে সুভাষ তুই নাকি বর্ধমানে ডাকাতি করিস নি? লালবাজারে গিয়ে তো রুণুবাবুর কাছে সবই বলে দিতিস ফটফট করে, তখন আমাদের আবার ঝামেলা হত, তোকে নিয়ে আবার ব্যান্ডেলে আসতে হত এই টাকাগুলো নিতে। আমাদের তো চিনিস। ঠিক আছে, চল।” “ভি” আদলের মুখের মালিক সুভাষ মজুমদার তখন মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছে।

    তারপর তারা সুভাষের বাড়িতে পাওয়া টাকা ও অন্যান্য জিনিসের সিজার লিস্ট বানিয়ে সুভাষ ও সেই মহিলাকে নিয়ে কলকাতার দিকে রওনা দিল। লালবাজারে পৌঁছে তাকে আমার কাছে নিয়ে এল।

    আমি বর্ধমানের এস. পি. আহমেদ সাহেবকে টেলিফোনে যোগাযোগ করে বললাম, “স্যার, আপনার মূল আসামীকে ডাকাতির টাকা সমেত আজ আমাদের অফিসাররা গ্রেফতার করে এনেছে, আপনি এসে নিয়ে যান।” পরদিন বর্ধমান থেকে এস. পি. সাহেব সঙ্গে অন্যান্য, অফিসার ও সিপাই নিয়ে এসে হাজির। আমরা তাদের হাতে সুভাষ মজুমদারকে ও ব্যাঙ্কের ডাকাতির টাকা তুলে দিলাম। ডাকাতির ধরন দেখে তাঁর সন্দেহটা সঠিক হয়েছিল বলেই খুব তাড়াতাড়ি টাকা সমেত ডাকাত ধরা পড়ল।

    আমরা সুভাষের দ্বিতীয় স্ত্রীকে ছেড়ে দিলাম, কারণ তখন সে মা হতে চলেছে। যদিও আইনের চোখে সেও অপরাধী, কারণ ডাকাতির টাকা লুকিয়ে রাখার অপরাধ সে তখন করে বসেছে, তার বিরুদ্ধেও সাজাযোগ্য মামলা হতেই পারে। কিন্তু মানবিক কারণটাকেই আমরা প্রাধান্য দিলাম।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবিদ্যাসাগর-জীবনচরিত – শম্ভুচন্দ্র বিদ্যারত্ন
    Next Article গল্পে বারভূঁইয়া – সতীশ চন্দ্র গুহ

    Related Articles

    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা

    আমি নকুবাবু – সুশীলকুমার চট্টোপাধ্যায়

    January 17, 2026
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা

    বিশ্বমনা : রবীন্দ্রনাথ – সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়

    January 17, 2026
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা

    গল্পে বারভূঁইয়া – সতীশ চন্দ্র গুহ

    January 17, 2026
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা

    বিদ্যাসাগর-জীবনচরিত – শম্ভুচন্দ্র বিদ্যারত্ন

    January 17, 2026
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা

    পাকদণ্ডী – লীলা মজুমদার

    January 17, 2026
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা

    কৃষ্ণসাধিকা মীরাবাঈ – পৃথ্বীরাজ সেন

    January 17, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমি নকুবাবু – সুশীলকুমার চট্টোপাধ্যায়

    January 17, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমি নকুবাবু – সুশীলকুমার চট্টোপাধ্যায়

    January 17, 2026
    Our Picks

    আমি নকুবাবু – সুশীলকুমার চট্টোপাধ্যায়

    January 17, 2026

    বিশ্বমনা : রবীন্দ্রনাথ – সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়

    January 17, 2026

    গল্পে বারভূঁইয়া – সতীশ চন্দ্র গুহ

    January 17, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }