Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমি নকুবাবু – সুশীলকুমার চট্টোপাধ্যায়

    January 17, 2026

    বিশ্বমনা : রবীন্দ্রনাথ – সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়

    January 17, 2026

    গল্পে বারভূঁইয়া – সতীশ চন্দ্র গুহ

    January 17, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সাদা আমি কালো আমি (১ম খণ্ড) – রুণু গুহ নিয়োগী

    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা এক পাতা গল্প492 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সাদা আমি কালো আমি – ১.৪

    ৪

    দেবীবাবু আর মনাদার কাছ থেকেই আমরা সোর্স তৈরি করে তাকে কিভাবে লালনপালন করতে হয় তার বিশেষ কায়দা শিখেছি। যখন কাজের চাপ কম থাকত তখন মনাদার কাছ থেকে আমরা অতীতের গোয়েন্দাগিরির গল্প শুনতাম। তাঁরা কি কি উপায়ে জটিল সব কেসের সমাধান করেছেন, কিভাবে দুর্ধর্ষ আসামীদের গ্রেফতার করেছেন, সেইসব মন দিয়ে শুনতাম, শিখতাম। মনাদার কথা মনে পড়লেই এখনও শ্রদ্ধায় মাথা নুয়ে আসে। তখন দেবীবাবু আর মনাদাই ছিলেন গোয়েন্দা দফতরের প্রাণপুরুষ। তাঁদের যুগলবন্দিতে কঠিন কাজটাও সহজ হয়ে যেত। কোথায়, কোন স্তরে ছিল না তাঁদের সোর্স! আমরা যখন ষাটের দশকে গোয়েন্দা দফতরে এসেছিলাম, তার আগে তো বটেই, পরবর্তীকালেও আমাদের নিজস্ব সোর্স তৈরি করার আগে পর্যন্ত গোয়েন্দা বিভাগ প্রায় পুরোপুরি ওদের সোর্সের খবরের ওপর নির্ভরশীল ছিল। আমরাও তো আর চটজলদি একদিনেই সোর্সের জাল বুনতে পারিনি, ধীরে ধীরে একটু একটু করে গড়ে তুলেছিলাম। তখনও পর্যন্ত দেবীবাবু আর মনাদার সোর্সই ছিল সম্বল। মনাদা আমাদের প্রত্যেকের কাছেই ভীষণ প্রিয় ছিলেন। মনোরঞ্জন ব্যানার্জির নাম জানত না এমন কোনও ক্রিমিনাল কলকাতা বা তার আশেপাশে ছিল না। অথচ আমরা অবাক হয়ে দেখেছি, এরকম এক দক্ষ কর্মীর বিরুদ্ধেও কিভাবে হিংসার জ্বালায় বদনাম রটাচ্ছে পুলিশেরই কেউ কেউ। তখনকার দিনে সাংবাদিকরা কুৎসা রটনার ব্যাপারে এত উৎসাহী ছিলেন না বলে মনাদা আক্রমণের হাত থেকে বেঁচে গেছেন। মনাদা অবশ্য ওই সব গুজব রটনাকে আমলই দিতেন না। নিজের মত নিজের কাজ নিয়েই থাকতেন। যেমন পূর্ববাংলার ভাষাটা তিনি কোনদিনও ত্যাগ করেননি, ঠিক তেমনি কাজের বেলাতেও কোনদিন অবহেলা করেননি।

    সেই মনাদাই হঠাৎ একদিন বিপাকে পড়ে গেলেন। আর বিপাক বলে বিপাক! তখন ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল আর তার আশেপাশে সমাজবিরোধীদের একটা দল খুব সক্রিয় হয়েছিল। মাঠে যেসব প্রেমিক প্রেমিকা মশগুল হয়ে গল্পগুজব করত, ওই গুণ্ডারা তাদের কাছে এসে নানারকম ভয় দেখিয়ে, হুমকি দিয়ে টাকাপয়সা আদায় করত। তাদের দৌরাত্ম্যে প্রেমিক প্রেমিকারা অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল। গোয়েন্দা বিভাগ থেকে ঠিক করা হল ‘ওই সব সমাজবিরোধীদের হাতে নাতে ধরা হবে। সেই অনুযায়ী তিনজন করে পুরুষ ও মহিলা পুলিশ অফিসারকে প্রেমিক প্রেমিকা সাজিয়ে ভিক্টোরিয়ায় পাঠান হত রোজ। সমাজবিরোধীরা তাদের কাছে এসে টাকাপয়সা চাইলেই হাতেনাতে গ্রেফতার করা হত। এইভাবে বেশ কজনকে ধরা হলেও অত্যাচার কিন্তু চলতেই লাগল। এদিকে আমাদের অভিযানও অব্যাহত রইল।

    একদিন মনাদার ওপর প্রেমিক সাজার দায়িত্ব পড়ল। তাঁর সঙ্গে মহিলা অফিসার শোভা দেবীর প্রেমিকা সাজার ডিউটি। মনাদা ও শোভা দেবী অন্য দুজোড়া প্রেমিক প্রেমিকা অফিসারের সঙ্গে লালবাজার থেকে বিকেলে বেরিয়ে গেলেন। যাওয়ার সময় মনাদা দোকান থেকে একটা লাল গোলাপ কিনে নিয়ে গেলেন, যাতে জমিয়ে ‘প্রেম প্রেম’ খেলাটা করা যায়। ভিক্টোরিয়ার কাছে এসে আলাদা হয়ে এক এক জোড়া এক এক দিকে গেলেন। মনাদা ও শোভা দেবী ভিক্টোরিয়ার মাঠে ঢুকে একটা গাছতলায় মুখোমুখি বেশ গুছিয়ে বসলেন। মনাদা গোলাপ ফুলটা ঘাসের ওপর রেখে একটা সিগারেট ধরালেন। বললেন, “এ বয়সে কি আর এইসব পোষায়?” মনাদার বেশ বলিষ্ঠ চেহারা ছিল। তিনি বেশিরভাগ সময়ই হাফহাতা জামা পরতেন। সেদিনও তাই-ই পরেছিলেন। তবু পঞ্চাশ বছর পার, বয়সের একটা ছাপ তো পড়বেই। শোভা দেবীরও মোটামুটি বয়স হয়েছিল। বয়স্ক প্রেমিক প্রেমিকার অভিনয়ে তাঁদের বেশ সুন্দর মানিয়েও গিয়েছিল। হয়তো দূর থেকে ছেলে ছোকরারা তাঁদের দেখলে মন্তব্যও করছিল, “বুড়ো বয়সের ভীমরতি।” মনাদা সিগারেটটা শেষ করে টুকরোটা দূরে টস করে ছুঁড়ে দিয়ে বললেন, “আপদগুলান কি ঝামেলা যে পাকাইল, অখন মাঠে আইসা বইসা থাক।” শোভা দেবী বললেন, “ভালই তো, এমনিতে তো আর মাঠে আসেন না, এই সুযোগে একটু অক্সিজেন টেনে নিন।” মনাদা উত্তরে বললেন, “অক্সিজেন না ছাই, কেউ যদি আমাগো দেইখ্যা ফেলে তখন কি হইবো।”

    মনাদা এবার হাতে গোলাপ ফুলটা তুলে নিলেন, তারপর মাস্তানদের তাড়াতাড়ি কাছে টানার জন্য শোভা দেবীর গালে গোলাপফুলটা বোলাতে লাগলেন। ভালই জমেছিল, হঠাৎ তড়াক করে উঠে “আমি না, আমি না” বলে ছুটতে শুরু করলেন মনাদা। শোভা দেবী ওই ছোটাটাকে অভিনয়ের বিশেষ কৌশল ভেবে মনাদার পেছন পেছন, “ওগো কি হল গো, এমন করে ছুটছ কেন, বল না, কি হল তোমার” বলতে বলতে ছুটতে লাগলেন। মনাদা তবু বলেই চলেছেন, “আমি না, আমি না।” শোভা দেবীও হাঁপাতে হাঁপাতে বললেন, “আরে থাম, এমন কোর না, আমি যে আর ছুটতে পারছি না।”

    মনাদা ছুটতে ছুটতে বেশ খানিকটা গিয়ে দাঁড়িয়ে পড়লেন, গোলাপ ফুলটা তখন কোথায় পড়ে গেছে। শোভা দেবীও ছুটে মনাদার কাছে পৌঁছলেন, প্রায় সঙ্গে সঙ্গে ওঁদের সামনে হাজির, না, কোন গুণ্ডা নয়, দুজন ভদ্রমহিলা। সঙ্গে এক যুবক। ভদ্রমহিলাদের মধ্যে একজন মধ্যবয়স্কা, অন্যজন অল্পবয়সী, সম্ভবত সঙ্গের যুবকের স্ত্রী। শোভা দেবী কোনমতে হাঁপিয়ে হাঁপিয়ে বললেন, “আরে আমাকে ফেলে ছুটছ কেন?” মনাদা শোভা দেবীকে প্রায় ধমকের সুরে বললেন, “চুপ করেন তো।” শোভা দেবী তখনও অভিনয়ের ঘোরেই রয়েছেন। অবাক হয়ে একটু কান্না কান্না ভাব করে বললেন, “সে কি তুমি আবার আমাকে আপনি আপনি করে কথা বলছ কেন?” মনাদার তখন নিজের মাথার চুল টেনে ছেঁড়ার অবস্থা। মধ্যবয়স্কা ভদ্রমহিলাকে দেখিয়ে বললেন, “শোভা, ইনি আমার স্ত্রী, আর এরা আমার শালা আর শালার বৌ।” মনাদার কথা শুনে শোভা দেবী ভীষণ লজ্জায় পড়ে গিয়ে দুহাত জড়ো করে বললেন, “তাই? নমস্কার বৌদি।” মনাদার স্ত্রী মানে আমাদের বৌদির মাথায় তখন আগুন, শোভা দেবীর দিকে সেই আগুন চোখ ছিটিয়ে দিয়ে মনাদার দিকে তাকিয়ে বললেন, “আজ বাড়ি এস, দেখছি। ছি ছি, ডিউটির নাম করে এসব করে বেড়ান হচ্ছে। রোজ সকালে বেরনর সময় ভাত দিতে একটু দেরি হলে বল, তাড়াতাড়ি দাও, আমার দেরি হয়ে যাচ্ছে। কিসের দেরি তা তো বুঝতেই পারছি। বাড়ি চল, বুড়ো বয়সের ভিমরতি আজ আমি ছাড়াচ্ছি।”

    শোভা দেবী মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছেন, মনাদা বৌদিকে বোঝানর চেষ্টা করে যাচ্ছেন, “বিশ্বাস কর, এটা আমাগো ডিউটি, ইনিও পুলিশ অফিসার, আরও কজন আশে পাশেই আছে।” কিন্তু বৌদি কোনও কথাই শুনছেন না। বললেন, “ছাড়, কি ডিউটি তা তো আমি বুঝতেই পারছি। ভাগ্যিস ভাই আজ বাড়ি এসে বলল, চল দিদি একটু ভিক্টোরিয়ার দিকে বেড়িয়ে আসি, আমিও ওর কথায় রাজি হলাম। নয়তো জানতেই পারতাম না ডুবে ডুবে কত জল খাও তুমি।” শোভা দেবী মনাদার অবস্থাটা বুঝে বৌদিকে বোঝানর চেষ্টা করলেন, “বিশ্বাস করুন বৌদি, সত্যিই আজ আমাদেব এখানে ডিউটি পড়েছিল।” কিন্তু কে কার কথা শোনে, বৌদি ভাই, ভাইয়ের স্ত্রীকে নিয়ে গজরাতে গজরাতে এগিয়ে যেতে লাগলেন। মনাদা বৌদিকে শান্ত করার শেষ চেষ্টা করলেন, ছুটে গিয়ে পেছন থেকে বললেন, “শুনছ, তোমরা কিছু খাইবা?” বৌদি মনাদার কথার কোনও উত্তর তো দিলেনই না, এমন কি পেছন ফিরে তাকালেনও না পর্যন্ত। যেমন হাঁটছিলেন, তেমনভাবেই চলে গেলেন।

    অগত্যা মনাদা আর শোভা দেবী গুটিগুটি লালবাজারে ফিরে এলেন। বিধ্বস্ত মনাদা অফিসে এসে চেয়ারে ধপ করে বসে পড়লেন। অন্য দুজোড়া অফিসার যাঁরা মনাদার সঙ্গে ভিক্টোরিয়ায় গিয়েছিলেন, তাঁরা তখনও ফেরেননি। শোভা দেবী তাঁর ঘরের দিকে চলে গেছেন। মনাদা চেয়ারে বসে একটা সিগারেট ধরিয়ে বললেন, “এ হালার ডিউটি আর করুম না, বুড়া বয়সে কি উৎপাত।” আমরা কয়েকজন অফিসার ওখানে ছিলাম, বুঝলাম, বিশেষ কিছু একটা হয়েছে, নয়তো মনাদার মত ডিউটি অন্ত প্রাণ মানুষের মুখ থেকে ওই রকম কথা বেরবে এটা ভাবাই যায় না। আমাদের মধ্যে থেকে একজন মনাদাকে জিজ্ঞেস করলেন, “কেন মনাদা কেউ কি আপনাদের দেখে আওয়াজ দিয়েছে?” মনাদার গলাটা প্রায় খুঁজে এল, “আওয়াজ ফাওয়াজ না, তার জন্য তো রেডিই ছিলাম, এ তার চেয়ে অনেক বড় বিপদ।” আমি প্রশ্ন করলাম, “কিসের বিপদ?”

    এতক্ষণে মনাদা খাঁটি মাতৃভাষা ফিরে পেলেন, “আর কইয়ো না, যাওনের সময় আমি একটা গোলাপফুল কিইন্যা লইয়া গেছিলাম। তা ভিক্টোরিয়ার একটা গাছের তলায় আমি আর শোভা গিয়া বইস্যা রইছি, বদমাইসগুলান যাতে তাড়াতাড়ি আইসা আমাগো ধরে তার জইন্য আমি শোভার গালে ফুল বুলাইতে লাগলাম, হঠাৎ মুখ তুইল্লা দেখি কি সামনেই তোমাগো বৌদি!” আমি বিস্ময়ের সাথে প্রশ্ন করলাম, “বৌদি, ওখানে?” মনাদা হতাশ স্বরে বললেন, “হ, নয়ত আর কইলাম কি? তার ভাই, ভাইয়ের বৌয়ের লগে আর জায়গা পায় নাই ওইখানেই বেড়াইতে গেছে। ওগো দেইখ্যাই আমি আর কোনও দিকে না তাকাইয়া দৌড় দিছি, শোভা ভাবছে আমার দৌড়টাও বোধহয় অভিনয়, সেও ওগো শুনছ, ওগো শুনছ, পলাইও না, পলাইও না কইরা বকতে বকতে আমার পিছন পিছন ছুট দিল। তারপর অ্যাঙ্কারে বাঘের মুখে। তোমাগো বৌদি কোনও কথাই বিশ্বাস করে নাই, বাড়ি গেলে কি যে হইব।” মনে মনে মনাদার ওই হেনস্থার দৃশ্যটা ভেবে আমার হাসি পাচ্ছিল। মুখে বললাম, “ভাববেন না, কিছু হবে না, আমরা সবাই আজ একসঙ্গে আপনার বাড়ি যাব, সবাই মিলে বৌদিকে বুঝিয়ে আসব, আপনি সত্যিই ওখানে ডিউটিতে গিয়েছিলেন, অন্য কোনও ব্যাপার নয়।” মনাদা নিচু স্বরে বললেন, “বোঝলে হয়।”

    রাত নটা নাগাদ আমরা পাঁচজন অফিসার মনাদাকে নিয়ে ওঁর বাড়ি গেলাম। দরজা খুললেন মনাদার শালা। আমরা হাসতে হাসতে ঘরে ঢুকলাম। ঢুকেই বললাম, “বৌদি কোথায়? বৌদিকে একটু ডাকুন তো।” মনাদাও আমাদের সঙ্গে বসে রইলেন। বৌদি এলেন, মুখ থমথমে। আমি বললাম, “বৌদি আমরা আসামী ধরে নিয়ে এসেছি, যা শাস্তি দেবার দিন, বুড়ো বয়সে পদস্খলন, শাস্তি তো পেতেই হবে।” বৌদি ধরা গলায় বললেন, “বুড়ো বয়সে এইসব, আগে কি করেছে কে জানে, তখন তো টের পাইনি, ডিউটির নাম করে রাতবিরেতে কোথায় কোথায় যেত কে জানে।” মনাদা ছাড়া আমরা সবাই বৌদির কথা শুনে মুখ টিপে টিপে হাসছি। আমাদের মুখ দেখে বৌদি বোধহয় আরও রেগে গেলেন, কড়া গলায় প্রশ্ন করলেন, “আপনারা বুঝি ওর হয়ে ওকালতি করতে এসেছেন?” আমি হাসতে হাসতে উত্তর দিলাম, “ওকালতি কেন? আমরা তো আসামীকেই গ্রেফতার করে এনেছি। আপনি বসুন, বিচার করুন, আমরা সাক্ষী দেব।” মনাদা পরিবেশটা একটু হাল্কা করার জন্য শালাকে বললেন, “দেখ তো, এদের জন্য একটু চায়ের ব্যবস্থা করা যায় কিনা।”

    আমি এবার বললাম, “বৌদি বসুন।” বৌদি কি বুঝলেন জানি না, সোফায় বসলেন। আমি বৌদিকে তখন আদ্যোপান্ত ঘটনাটা বুঝিয়ে বললাম। এতক্ষণে মেঘ সরল। বৌদি আমার কথা শুনে হেসে ফেলেছেন। জিজ্ঞেস করলেন, “তখন ছুটল কেন?” তারপর হাসতে হাসতে বললেন, “আরে আমি তো প্রথম দেখিনি, আমার ভাই দেখেছে, হঠাৎ আমাকে ভাই বলল, আরে দিদি দেখ দেখ, জামাইবাবু কিরকমভাবে ছুটছে। আমি দেখলাম, তাই তো। আবার পেছন পেছন ওকে ধরার জন্য একজন মহিলাও ছুটছে। তখন আপনারাই বলুন, আমার কি অবস্থা, ভাই, ভাইয়ের বৌয়ের কাছে লজ্জায় মাথা হেঁট হয়ে যাচ্ছে। ভাবছি, এমন তো কখনও শুনিনি, ভাবিনি ও কোনদিন, অথচ চোখের সামনেই দেখছি।” আমি বললাম, “আসলে শোভা দেবী মনাদার ছোটাটাকে অভিনয় ভেবে পেছন পেছন ছুটেছিলেন, তিনি তো বোঝেননি মনাদা প্রাণভয়ে ছুটছেন।”

    বৌদি আমার কথা শুনে বোধহয় একটু লজ্জা পেলেন। ততক্ষণে আমাদের চা এসে গেছে। বৌদি তখনও হাসছেন, “আবার জানেন, আমি যখন চলে আসছি, পেছন থেকে ছুটে এসে আমাকে বলে কিনা, তোমরা কিছু খাইবা?” বৌদির কথা শুনে আমরা হো হো করে হেসে উঠলাম। তারপর হাসি থামিয়ে বললাম, “আপনি খেলেন না, আমরা কিন্তু একদিন জমিয়ে খাব।” বৌদি বললেন, “নিশ্চয়ই, আপনারা কবে আসবেন বলুন।” আমরা চা শেষ করে উঠে দাঁড়িয়েছি। বললাম, “ঠিক আসব, মনাদাকে দিয়ে খবর পাঠাব।”

    সেই খাওয়াটা কাজের চাপে আজও খাওয়া হয়নি। যন্ত্রের সাথে তাল মেলাতে গিয়ে মানুষ নিজেও যন্ত্র হয়ে যাচ্ছে। যন্ত্র সভ্যতার জমকালো রঙিন স্বপ্নে বিভোর মানুষ হারিয়ে যাচ্ছে মানুষের কাছ থেকে। আমিও পারছি কই নাগপাশ থেকে মুক্ত হয়ে আগের মত ওই খোলামেলা ঘুরে বেড়াতে? আগে যতই কাজ থাকুক বিজয়ার পর সব সিনিয়র অফিসারের বাড়িতে গিয়ে পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করে আসতাম। যদিও অফিসে আমাদের রোজই দেখা হত কিন্তু বিজয়া অফিসে কখনও সারতাম না, বাড়িতে গিয়ে প্রণাম করতাম। তখনকার দিনে সিনিয়র অফিসার, জুনিয়র অফিসার বা অন্যান্য কর্মচারীদের মধ্যে সম্পর্কটা ছিল দাদা-ভাইয়ের মত। তাই প্রতিটা কাজেই আমরা একসঙ্গে ঝাঁপিয়ে পড়তাম। কে কত ভাল কাজ করতে পারে সেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল ঠিকই, কিন্তু সেখানে ঈর্ষার কালো চোখ ছিল না। “ভাল, আরও ভাল কাজ দেখানর” সুস্থ স্বাভাবিক গঠনমূলক ও বন্ধুত্বপূর্ণ পেশাদারী প্রতিযোগিতা ছিল সেটা।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবিদ্যাসাগর-জীবনচরিত – শম্ভুচন্দ্র বিদ্যারত্ন
    Next Article গল্পে বারভূঁইয়া – সতীশ চন্দ্র গুহ

    Related Articles

    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা

    আমি নকুবাবু – সুশীলকুমার চট্টোপাধ্যায়

    January 17, 2026
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা

    বিশ্বমনা : রবীন্দ্রনাথ – সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়

    January 17, 2026
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা

    গল্পে বারভূঁইয়া – সতীশ চন্দ্র গুহ

    January 17, 2026
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা

    বিদ্যাসাগর-জীবনচরিত – শম্ভুচন্দ্র বিদ্যারত্ন

    January 17, 2026
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা

    পাকদণ্ডী – লীলা মজুমদার

    January 17, 2026
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা

    কৃষ্ণসাধিকা মীরাবাঈ – পৃথ্বীরাজ সেন

    January 17, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমি নকুবাবু – সুশীলকুমার চট্টোপাধ্যায়

    January 17, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমি নকুবাবু – সুশীলকুমার চট্টোপাধ্যায়

    January 17, 2026
    Our Picks

    আমি নকুবাবু – সুশীলকুমার চট্টোপাধ্যায়

    January 17, 2026

    বিশ্বমনা : রবীন্দ্রনাথ – সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়

    January 17, 2026

    গল্পে বারভূঁইয়া – সতীশ চন্দ্র গুহ

    January 17, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }