Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প218 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কুইক বয় – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    কুইক বয়

    বর্ষাকালে এবার প্রায় নিয়মিত ভাবেই রোজ বৃষ্টি হচ্ছে। বিশেষত সন্ধ্যার দিকটাতে, ঠিক যখন শ্রীপর্ণার অফিস থেকে তার ফ্ল্যাটে ফেরে, তখন। এসপ্লানেড থেকে ফেরার সময় অফিসের গাড়ি তাকে এসে নামিয়ে দিয়ে যায় বৈষ্ণব নগরের মোড়ে। সেখান থেকে শ্রীপর্ণা মিনিট পাঁচেক হাঁটলেই পৌঁছে যায় গলির ভিতর ভাড়া নেওয়া ফ্ল্যাট বাড়ির সামনে।

    ফার্স্ট ফ্লোর অর্থাৎ দোতলায় শ্রীপর্ণার ফ্ল্যাট। কিন্তু এটুকু রাস্তাও তাকে প্রায়ই ভিজে ফিরতে হচ্ছে ক’দিন ধরে। এত জোরে এসময় বৃষ্টি নামে যে ছাতা খুলে মাথা বাঁচানো গেলেও শরীর ভিজে যায়। এদিনও তার ব্যতিক্রম হল না।

    সন্ধ্যার কিছু সময় পর সাতটা নাগাদ শ্রীপর্ণা যখন গাড়ি থেকে নামল, তার কিছু সময় আগে থেকেই মুশলধারে বৃষ্টি নেমেছে। ছাতা খুলে ব্যাগটাকে বুকে জড়িয়ে গলিতে ঢুকে তার ফ্ল্যাটের দিকে এগোল শ্রীপর্ণা। তখন তার খেয়াল হল বাড়িতে কোনও খাবার নেই। সাধারণত সকালে রান্না সেরে রাখে সে। রাতে ফিরে তা গরম করে খায়।

    সারা দিন অফিসের চাপ সামলে ক্লান্ত শরীরে ঘরে ফিরে আর কিচেনে যেতে তার ভালো লাগে না। তাই দুবেলার রান্না সে সকালেই সেরে ফেলে। কিন্তু এদিন অফিসে বিশেষ কাজ থাকার জন্য ভোরবেলায় ফ্ল্যাট থেকে বেরোতে হয়েছিল তাকে। তাই রান্না করার সুযোগ হয়নি। এ কথাটা মনে পড়ার পরই তার মনে হল অবশ্য এতে চিন্তার কিছু নেই, ‘কুইক ফুড সার্ভিস’-এর মাধ্যমে সে রাতের খাবার আনিয়ে নেবে। যেমন সে রাতে মাঝেমধ্যেই আনায়। কখনও রাতের খাবার ঘরে না থাকার কারণে, আবার কখনও বা হোটেলের ভালো-মন্দ-খাবার খাওয়ার ইচ্ছা হলে।

    মোবাইল ফোনে অনলাইন অর্ডার দিলেই আধ ঘণ্টা থেকে চল্লিশ মিনিটের মধ্যেই গরম খাবার পৌঁছে দিয়ে যায় ‘কুইক বয়’ রা। তাদের মধ্যে একটা ছেলে প্রায়সই খাবার দিতে আসে। শ্রীপর্ণার সে ছেলেটার সঙ্গে মৃদু পরিচয়ও হয়ে গেছে। পল্লব নাম তার। শ্রীপর্ণার থেকে বেশ কিছু ছোটই হবে ছেলেটা। গোলগাল হাসিখুশি চেহারা। সাদা ক্যারিব্যাগে ঝোলানো খাবার হাতে ধরিয়ে চলে যাবার আগে একগাল হেসে রোজ বলে যায়, ‘রেটিং-টা প্লিজ করে দেবেন ম্যাডাম।’

    ওই রেটিং-এর ওপরই নাকি ওদের প্রাপ্যর ব্যাপারটা নির্ভর করে। কুইক ফুড সার্ভিসের মাধ্যমে খাবার অর্ডার দেবার কথা ভাবার পর হঠাৎই ছেলেটার মুখটা মনে পড়ে গেল শ্রীপর্ণার।

    ভিজতে ভিজতে ফ্ল্যাট বাড়িটার কাছে পৌঁছে গেল শ্রীপর্ণা। বাড়িটাতে ঢোকার মুখেই রাস্তার গায়ে একটা বাইক দাঁড়িয়ে বৃষ্টিতে ভিজছে। তাকে পাশ কাটিয়ে বাড়ির ভিতর প্রবেশ করে, ছাতা বন্ধ করে সিঁড়ি বেয়ে দোতালায় উঠতে উঠতেই সে শুনতে পেল তার ঠিক মুখোমুখি ফ্ল্যাটের মিসেস মজুমদার বেশ জোরালো গলায় কার সঙ্গে যেন কথা বলছেন। দোতালাতে উঠে নিজের ঘরের সামনে পৌঁছতেই শ্রীপর্ণা দেখতে পেল তার ফ্ল্যাটের ঠিক উল্টো দিকের ফ্ল্যাটের দরজা খুলে দাঁড়িয়ে মিসেস মজুমদার। আর তার সামনে দাঁড়িয়ে সেই কুইক বয় পল্লব। ছেলেটার গায়ের পুরোনো রেনকোট আর পিঠে নেওয়া কুইক ফুডের লোগো আঁকা খাবার রাখার চৌক ব্যাগটা থেকে জল ঝরছে। তার হাতে ধরা খাবারের প্যাকেট সহ সাদা ক্যারি ব্যাগ। ভদ্রমহিলা ছেলেটার উদ্দেশ্যে ঝাঁঝালো গলায় বললেন, ‘ইয়ার্কি মারার জায়গা পাওনি! আধ ঘণ্টার মধ্যে খাবার পৌঁছবার কথা, এক ঘণ্টা পর হাজির হলে!’

    ছেলেটা নরম গলাতে হাতের প্যাকেটটা ভদ্রমহিলার উদ্দেশ্যে এগিয়ে বলল, ‘রাগ করবেন না ম্যাডাম, প্লিজ খাবারটা নিয়ে নিন। আমি বৃষ্টিতে ভিজলেও খাবারটা গরম আছে।’

    তার অনুরোধে কর্ণপাত না করে মিসেস মজুমদার বললেন, ‘বললাম তো খাবার নেব না। অর্ডার ক্যানসেল করে দিচ্ছি। আধ ঘণ্টার মধ্যে খাবার আনার কথা আর বাবু এলেন এক ঘণ্টা পরে!’

    মিসেস মজুমদারের কথা শুনে ছেলেটা বিনীতভাবে বলল, ‘এমন করবেন না ম্যাডাম। খাবারটা নিন। হ্যাঁ, আধ ঘণ্টার মধ্যে খাবার পৌঁছনোর কথা ছিল। হ্যাঁ, দেরি কিছুটা হয়েছে সেটা দশ মিনিট। এক ঘণ্টা সময় লাগেনি। আসলে এত জোরে বৃষ্টি হচ্ছিল যে বাইক চালানো যাচ্ছিল না। তাই রাস্তাতেই দশ মিনিট দাঁড়িয়ে পড়তে হয়েছিল। বলছি তো তার জন্য আমি দুঃখিত।’

    ছেলেটার কথার জবাবে মিসেস মজুমদার বলে উঠলেন, ‘একে তো ঠিক সময় এলে না। তার ওপর আমাকে ঘড়ি দেখা শেখাচ্ছে?’ শ্রীপর্ণার মনে হল ভদ্রমহিলা একটু টলছেন। নেশাগ্রস্থ তিনি।

    পল্লব নামের ছেলেটা বলল, ‘না, ম্যাডাম, আমি ঘড়ি দেখা শিখতে বলিনি। আমি শুধু বলতে চাইছি এতটা দেরি হয়নি। রাগ করবেন না প্লিজ। খাবারটা রাখুন।’

    তাদের দুজনের কথোপকথন শুনতে শুনতে নিজের ফ্ল্যাটের তালা খুলতে শুরু করেছিল শ্রীপর্ণা। চাবির গোছার শব্দ কানে যেতেই পিছনে ফিরে তাকাল ছেলেটা। তারপর শ্রীপর্ণাকে দেখতে পেয়ে মিসেস মজুমদারকে বলল, ‘এই ম্যাডামকেও আমি খাবার পৌঁছে দিই। ওনাকে জিগ্যেস করুন, আমি কোনও দিন খাবার পৌঁছে দিতে দেরি করেছি কিনা?’

    কদিন আগে সিঁড়ির মুখে মিসেস মজুমদারের ফাঁকা বিয়ারের বোতল রাখা নিয়ে শ্রীপর্ণা আপত্তি জানিয়েছিল। তাই সম্ভবত শ্রীপর্ণার ওপর মনে মনে চটেছিলেন ভদ্রমহিলা। কুইক বয় কথাটা বলতেই তিনি আরো বেশি খেপে গেলেন। চিৎকার করে বললেন, ‘অন্যায় করে আবার অন্যকে সাক্ষি ডাকা হচ্ছে! জানো, তিনি কত বড় সরকারি চাকরি করেন? আমি খাবার তো নেবই না, তিনি ফিরলে তোমার ব্যবস্থা করছি।’—এই বলে ছেলেটাকে আর কোনও কথা বলার সুযোগ না দিয়ে মিসেস মজুমদার দড়াম করে তার মুখের ওপর দরজা বন্ধ করে দিলেন।

    শ্রীপর্ণা তখন ঘরের তালা খুলে ফেলেছে। মিসেস মজুমদার আর দরজা খুলবেন না বুঝতে পেরে এবার পল্লব নামের ছেলেটা ফিরে দাঁড়াল শ্রীপর্ণার দিকে। শ্রীপর্ণা তা দেখে দরজা খুলে ঘরের ভিতর ঢুকতে গিয়েও দাঁড়িয়ে পড়ল।

    ছেলেটার মুখে কেমন যেন একটা অসহায়ভাব ফুটে উঠেছে। যে রেনকোটটা সে গায়ে পরে আছে তার চেনটা ছেঁড়া। তার বুকের কাছটা অনেকটা ফাঁক হয়ে গেছে। আর তার ভিতর দিয়ে দেখা যাচ্ছে কুইক ফুড কোম্পানির ভিজে যাওয়া লাল শার্টটা। শ্রীপর্ণা তার দিকে তাকাতেই ছেলেটা যেন কষ্ট করেই পরিচিত হাসিটা ফুটিয়ে তুলল।

    মিসেস মজুমদারের সঙ্গে ছেলেটার যা ঘটল তা নিয়ে পল্লব নামের কুইক বয়কে কিছু বলা উচিত হবে কিনা তা শ্রীপর্ণা ঠিক বুঝে উঠতে পারল না। যদিও মিসেস মজুমদারের ছেলেটার প্রতি আচরণ তার মোটেও ভালো লাগেনি। ছেলেটা মুখে হাসি ফুটিয়ে তুলতেই শ্রীপর্ণাও হেসে বলল, ‘ঘরে ঢুকে আপনাদের ওখানেই ফোন করব রাতের খাবারের জন্য।’

    ছেলেটা শুনে বলল, ‘আমি তো বেশ কয়েকটা খাবারের অর্ডার নিয়ে বেরিয়ে পড়েছি ম্যাডাম। তবে আমি না এলেও নিশ্চয়ই কেউ খাবার পৌঁছে দেবে। ম্যাডাম আপনি চিন্তা করবেন না।’

    ছেলেটা এরপর সিঁড়ির দিকে পা বাড়িয়ে বলল, ‘রেটিং-টা প্লিজ করে দেবেন ম্যাডাম।’

    এবার ছেলেটার কথা শুনে মৃদু হাসি পেল শ্রীপর্ণার। ছেলেটা তো এখন তাকে খাবার দিতে আসেনি। শ্রীপর্ণার মনে হল, ‘অভ্যাস বশতই সম্ভবত, চলে যাবার সময় ছেলেটা তাকে কথাটা বলে ফেলল!’ কিন্তু ছেলেটা মনে হয় কোনও কারণে ধরতে পারল শ্রীপর্ণার মনের ভাবনা। থমকে দাঁড়িয়ে পড়ে সে বলল, ‘আমি না আসলে তো আমার মতোই কেউ আসবে এই ঝড়-জল মাথায় নিয়ে আপনাকে খাবার দিতে। আমি তার কথা ভেবেই আপনাকে অনুরোধ জানিয়ে গেলাম। তাতে ছেলেটার সুবিধা হবে।’—এ কথা বলে সিঁড়ি বেয়ে নীচে নেমে গেল কুইক বয়।

    শ্রীপর্ণাও এরপর ঘরে ঢুকে পড়ল। ফ্রেশ হয়ে নেবার পর কুইক ফুডের মাধ্যমেই সে খাবার অর্ডার দিল। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই অন্য একজন কুইক বয় এসে তার হাতে খাবার তুলে দিল। সে লোকটা রেটিং-এর কথা বলার আগেই পল্লবের কথা মনে পড়ে যাওয়াতে শ্রীপর্ণা তাকে বলল, ‘চিন্তা নেই। আপনার রেটিং আমি এখনই করে দিচ্ছি।’

    ‘থ্যাঙ্ক ইউ ম্যাডাম’, বলে চলে গেল লোকটা।

    কুইক ফুডের দেওয়া খাবার খেয়েই রাতে শুয়ে পড়ল শ্রীপর্ণা।

    দুই

    দুদিন পর এদিন বৃহস্পতিবার। যে সংবাদপত্রর অফিসে শ্রীপর্ণা চাকরি করে সে অফিসে বৃহস্পতিবার তার অফ-ডে থাকে। অর্থাৎ ছুটির দিন। একটু বেলা করে ঘুম ভাঙার পর সে দেখতে পেল বাইরে সকাল থেকে বৃষ্টি শুরু হয়েছে। এই ছুটির দিন দুপুরে মাঝে মাঝে সে কুইক ফুডের মাধ্যমে খাবার আনায়। প্রথমে সে তাদের মাধ্যমেই খাবার আনাবে ভেবেছিল, কিন্তু একথা ভাবার পরই শ্রীপর্ণার খেয়াল হল গত সন্ধ্যায় ফেরার সময় সে নিউ মার্কেট থেকে ইলিশ মাছ কিনে এনেছে। এই বর্ষার দিনে জমিয়ে খিচুড়ি আর ইলিশ মাছ ভাজা খাওয়া যাবে।

    ঘরের নানা টুকিটাকি কাজ সেরে, স্নান সেরে খিচুড়ি চাপাল সে। বাইরে বৃষ্টির বিরাম নেই। খিচুড়ি শেষ হলে সবে সে নুন হলুদ মাখিয়ে দুটো মাছ ভেজে তুলেছে, তার ছোট্ট ফ্ল্যাটটা মাছ ভাজার গন্ধে আমোদিত হচ্ছে, বেলা সাড়ে বারোটা নাগাদ এমন সময় জোর বেল বাজল। গায়ে হাউসকোট জড়িয়ে দরজাটা খুলে বেশ একটু অবাক হয়ে গেল সে। পল্লব নামের ছেলেটা এসে দরজার সামনে দাঁড়িয়ে আছে। দুর্যোগ মাথায় নিয়েই এসেছে ছেলেটা। মাথায় চুল আর ছেঁড়া রেনকোট থেকে জল ঝরছে। রেনকোটের বুকের কাছটা আজ আরো বেশি খোলা বা ছেঁড়া। আগের দিনের মতোই রেনকোটের ভিতর তার ভিজে জামা দেখা যাচ্ছে। তাকে দেখে শ্রীপর্ণা বলল, ‘আমি তো আজ কোনও খাবারের অর্ডার দিইনি।’

    পল্লব নামের কুইক বয় বলল, ‘না, ম্যাডাম, আমি আজ খাবার দিতে আসিনি। আপনার সঙ্গে একটু কথা বলতে এসেছিলাম।’

    শ্রীপর্ণা এবার খেয়াল করল ছেলেটার পিঠে এখন কুইক ফুড কোম্পানির সেই চৌকোনা ঢাউস ব্যাগটা নেই, অর্থাৎ সে খাবার দিতে বেরোয়নি। মৃদু বিস্মিত ভাবে শ্রীপর্ণা প্রশ্ন করল, ‘কী কথা বলবেন ভাই?’

    তার প্রশ্ন শুনে কুইক বয় একবার মিসেস মজুমদারের বন্ধ দরজার দিকে তাকিয়ে একটু ইতস্তত করে বলল, ‘ম্যাডাম যদি একটু ভিতরে ঢুকে কথা বলার অনুমতি দেন তবে ভালো হয়। জানি এ অনুরোধ জানানো উচিত নয়, তবে কিছুটা বাধ্য হয়েই অনুরোধ করছি।’

    ছেলেটার হাবভাব দেখে শ্রপর্ণা অনুমান করল, সম্ভবত মিসেস মজুমদার যদি দরজা খুলে ঘরের বাইরে আসেন, সেই আশঙ্কাই প্রশ্ন করছে ছেলেটা।

    শ্রীপর্ণা এই কুইক বয়ের মধ্যে বেচাল কিছু কোনওদিন দেখেনি। তাছাড়া ছেলেটার মুখমণ্ডলে একটা ভদ্রঘরের ছাপ আছে। শ্রীপর্ণা তাই বলল, ‘আসুন ভাই, ভিতরে আসুন।’

    ভিতরে ঢোকার আগে ছেড়া রেনকোটটা গা থেকে খুলে বাইরে রাখল সে। গায়ের শার্টটা তার পুরোটাই জলে ভেজা। ভিতরে ঢোকার পর একটু জড়োসড়ো হয়ে দাঁড়াল সে। দরজাটা ভেজিয়ে দিয়ে একটা ফাইবার চেয়ার তার দিকে এগিয়ে দিয়ে শ্রীপর্ণা বলল, ‘বসুন।’

    ইতস্তত করে কুইক বয় পল্লব চেয়ারটাতে বসল। আর একটা চেয়ার ঠেলে ছেলেটার মুখোমুখি বসে শ্রীপর্ণা জানতে চাইল, ‘বলুন কী বলবেন?’

    মৃদু চুপ করে থেকে ছেলেটা বলল, ‘দু-দিন আগের ঘটনা তো আপনি নিজের চোখেই দেখলেন। আমি তো বেশ কয়েকবার আপনাকেও খাবার দিতে এসেছি। আমাকে কোনও সময় কোনও খারাপ আচরণ করতে দেখেছেন কি?’

    শ্রীপর্ণা বলল, ‘না, কোনও খারাপ আচরণ আপনি আমার সঙ্গে করেননি। তবে সেদিন আপনাদের দুজনের কথাবার্তার মধ্যে আমার কথা বলা উচিত ছিল না বলে আমি কিছু বলিনি।’

    ছেলেটা বলল, ‘মজুমদার ম্যাডামের স্বামী আমাদের কোম্পানিতে ফোন করে কমপ্লেন করেছেন। আমি এক ঘণ্টা দেরিতে খাবার পৌঁছেছি, এ কথাই শুধু তিনি বলেননি। তিনি আমার বিরুদ্ধে যে মূল অভিযোগ করেছেন তা হলে আমি নাকি ভদ্রমহিলার সঙ্গে অত্যন্ত খারাপ আচরণ করেছি, তাকে অশ্লীল গালি দিয়েছি।’—এ কথা বলে থেমে গেল ছেলেটা।’

    ‘তারপর?’ জানতে চাইল শ্রীপর্ণা।

    ছেলেটা বলল, ‘বিশ্বাস করুন সেদিন দশ মিনিটের বেশি আমি লেট করিনি। অনেক সময় অনিচ্ছাকৃতভাবেই আমাদের কিছুটা লেট হয়। কখনও ট্রাফিক জ্যামের কারণে, কখনও আগের কাস্টমার ডেলিভারি নিতে দেরি হবার কারণে, আবার কখনও খুব ঝড়বৃষ্টি হলে। সবাই তো আর আমাদের সমস্যা বোঝেন না। একটু দেরি হলে অনেক কাস্টমার বকাঝকা করেন, কোম্পানিতে আমাদের নামে কমপ্লেন করেন, আর তার জন্য কোম্পানি থেকেও আমাদের বকুনি খেতে হয়। কিন্তু এ ব্যাপারটা অন্যরকম। ভদ্রমহিলার স্বামী কমপ্লেন করেছেন, আমি তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে মিসবিহেভ করেছি, তাকে অশ্লীল গালাগাল করেছি। আর এই গুরুতর অভিযোগের কারণে কোম্পানি কাল থেকে আমাকে বসিয়ে দিয়েছে।’

    শ্রীপর্ণা কথাটা শুনে মৃদু বিস্মিত ভাবে বলল, ‘চাকরি চলে গেছে?’

    পল্লব নামের কুইক বয় আশঙ্কিত ভাবে বলল, ‘না, এখনও যায়নি। তবে হয়তো যাবে। কোম্পানি পনেরো দিনের জন্য আমাকে বসিয়ে দিয়েছে। তারা তদন্ত করবে, তারপর আমাকে ফাইনালি জানিয়ে দেবে আমার কাজ থাকবে কিনা? তবে এসব ক্ষেত্রে দেখছি কোম্পানি কাস্টমারদের বক্তব্যকেই বেশি গুরুত্ব দেয়। আর মহিলা কাস্টমাররা এ অভিযোগ জানালে কাজ যাওয়াটাই স্বাভাবিক। কারণ, এর ওপর কোম্পানির গুড উইল নির্ভর করে। প্রায়সই আমাদের নানান জায়গাতে খাবার দিতে যেতে হয় যেখানে মহিলারা একা থাকেন। তাই এসব অফিযোগের ক্ষেত্রে কড়া ব্যবস্থা নেয় কোম্পানি। কুইক বয়দের বসিয়ে দেওয়া মানেই তার চাকরি আর ফেরে না।’

    একটানা কথাগুলো বলে থামল ছেলেটা। বাইরের বর্ষণসিক্ত আকাশের মতোই তার মুখেও কালো মেঘের ছায়া। তা দেখে বেশ খারাপ লাগল শ্রীপর্ণার। সে বলল, ‘ঘটনাটা দুঃখজনক। কিন্তু এ ব্যাপারে আমি কী করতে পারি।’

    কুইক বয় বলল, ‘আমি আপনাদের ম্যানেজারকে ফোনে ধরে দিচ্ছি। আপনি শুধু ওনাকে যা দেখেছেন, শুনেছেন তাই বলবেন। ব্যস, এইটুকু বললেই হবে। হয়তো বা তা হলে আমার চাকরিটা থেকে যেতে পারে।’—একটা কাতর আবেদন ঝরে পড়ল বছর পঁচিশের ছেলের গলা থেকে।

    এরপর পল্লব বলল, ‘আমি বি. কম অনার্স পাশ করেছি। পয়সার জন্য এম.কম না পড়ে এই কুইক বয়ের কাজে ঢুকেছি। বাঘাযতীনে বাড়ি। বাবার কোম্পানি অনেকদিন বন্ধ হয়ে গেছে। বুড়ো বয়সে কাজ করার ক্ষমতা তার আর নেই। তাছাড়া কেই-বা তাকে কাজ দেবে। বোনের বিয়ে হয়নি। মা অসুস্থ। তাই এ কাজে যোগ দিয়েছি। সে পুরনো বাইকটা কাজের জন্য কিনেছি তার ধার এখনও পুরো শোধ করা হয়নি। এখন কাজটা গেলে কী হবে জানি না? আমি বাড়ির ঠিকানা দিতে পারি। খোঁজ নিতে পারেন সত্যি বলছি কিনা?’

    ছেলেটার কথা শুনে শ্রীপর্ণার মনে হল, ‘মিথ্যা বলছে না সে। তার প্রস্তাব নিয়ে ভাবতে ভাবতে শ্রীপর্ণা প্রশ্ন করল, ‘একটা কথা জানতে চাই। মিসেস মজুমদার হঠাৎ এতটা খেপে গেলেন কেন? আগেও কি আপনি ওনাকে দেরি করে খাবার দিয়েছিলেন? বা তাঁর সঙ্গে আপনার কোনওদিন বাদানুবাদ হয়ছিল?’

    কুইক বয় বলল, ‘না, হয়নি। অনেক সময় কাস্টমাররা আমাদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন। তবুও আমরা হাসি মুখে সব সামাল দেবার চেষ্টা করি। কারণ, সেটাই আমাদের কাজের অন্যতম শর্ত। এর আগেও আমি বেশ কয়েক বার আপনার সামনের ফ্ল্যাটের ভদ্রমহিলাকে খাবার দিতে এসেছি, ঠিক সময়ই এসেছি। তাকে আমি কোনও বাজে কথা বলিনি। তবে…।’ কিছু একটা বলতে গিয়েও সঙ্কোচ বশে থেমে গেল ছেলেটা।

    শ্রীপর্ণা বলল, ‘তবে কী?’

    কুইক বয় প্রশ্নের জবাব না দিয়ে মাথা নীচু করে রইল।

    তা দেখে শ্রীপর্ণা বলল, ‘দেখুন ভাই, পুরো ব্যাপারটা খোলসা না করে বললে তো আমি আপনাকে সাহায্য করতে পারব না।’

    ছেলেটা এবার যেন একটু নিরুপায় হয়ে বলল, ‘আমি যা বলছি তা কাউকে বলবেন না ম্যাডাম। তা হলে গণ্ডগোল বাড়বে। ব্যাপারটা আপনি বিশ্বাস করবেন কিনা জানি না, আট দশ দিন আগে আমি দুপুরবেলা দুটো নাগাদ ভদ্রমহিলাকে খাবার দিতে এসেছিলাম। তিনি দরজা খুলতেই আমি বুঝতে পারলাম তিনি নেশা করে আছেন। আমি তার হাতে খাবারের ব্যাগটা দিতেই তিনি আমাকে বললেন, ‘এখন আমার বাড়িতে কেউ নেই। এসো ভিতরে এসো। আমি তোমার সঙ্গে সময় কাটাতে চাই। তুমিই হয়তো খাবার দিতে আসবে বলে আমি খাবারের অর্ডার দিয়েছি। এমনিতে আমার খাবারের কোনও দরকার ছিল না।’

    ভদ্রমহিলার ইঙ্গিত ভালো ছিল না। আমি তাই কোনও রকমে খাবারটা তাকে দিয়েই চলে যাই। কোম্পানিকে তো আর এ কথা বলা যায় না। কারণ, আমার কাছে এ ঘটনার কোনও প্রমাণ নেই। আর কোম্পানির ম্যানেজারকে তাই আমি এ-ও বলতে পারিনি যে অমুক বাড়িতে আমি খাবার পৌঁছতে পারব না। কাজেই তারপরও আমি সেদিন সন্ধ্যায় খাবার দিতে এসেছিলাম।’

    মিসেস মজুমদার নিয়মিত মদ্যপান করে তা জানে শ্রীপর্ণা। সে নিজে মদ্যপান না করলেও এ ব্যাপারে তার ছুৎমার্গ নেই। কিন্তু কুইক বয় যা বলল, তা শুনে বেশ বিস্মিত হল শ্রীপর্ণা। মিসেস মজুমদারের বয়স অন্তত পয়তাল্লিশ হবে। কুইক বয় তার থেকে বয়সে কুড়ি বছরের ছোট হবে। ছেলেটার কথা শুনে শ্রীপর্ণার মনে হল না সে মিথ্যা কথা বলছে। তাই একটু ভেবে নিয়ে শ্রীপর্ণা সিদ্ধান্ত নিয়ে নিল সে কথা বলবে কুইক বয়ের ম্যানেজারের সঙ্গে।

    পল্লব নামের কুইক বয় তার নিজের মোবাইল থেকে তাদের ম্যানেজারের লাইনটা ধরিয়ে দিল শ্রীপর্ণাকে। সে বলল, ‘আমি শ্রীপর্ণা বসু। আপনাদের কুইক বয়ের বিরুদ্ধে যিনি কমপ্লেন করেছেন আমি ঠিক তার উল্টো দিকের ফ্ল্যাটের বাসিন্দা। আপনাদের একজন কাস্টমারও বটে। দু’দিন আগে পুরো ঘটনাটা আমার চোখের সামনে ঘটেছে। আপনাদের কুইক বয় কোনও মিসবিহেভ করেনি মিসেস মজুমদারের সঙ্গে। বরং, তিনিই কিছুটা রুক্ষ ব্যবহার করেছেন কুইক বয়ের সঙ্গে। এই কুইক বয়ের থেকে আমিও বেশ কয়েকবার খাবার ডেলিভারি নিয়েছি।’

    ওপাশ থেকে ম্যানেজার ভদ্রলোক হাই তুলে বললেন, ‘ও আপনি মজুমদার ম্যাডামের উল্টোদিকে থাকেন। আমাদের কাছে কমপ্লেনটা খুব ইনফ্লুয়েনশিয়াল জায়গা থেকে এসেছে। তা আপনি কী করেন?’

    ম্যানেজার হাই তুলে এমন ঢঙে কথাগুলো বললেন, যেন তিনি শ্রীপর্ণার কথায় খুব একটা পাত্তা দিচ্ছেন না। শ্রীপর্ণা ব্যাপারটা বুঝতে পেরে গলা একটু শক্ত করে বলল, ‘আমি কী করি যদিও তা বলার প্রয়োজন আছে বলে মনে করি না তবু আপনি জানতে চাইছেন বলে বলছি, আমি একটা সংবাদপত্রে চাকরি করি।’

    এ কথা বলার পর সংবাদপত্রের নামটাও বলল শ্রীপর্ণা।

    শ্রীপর্ণাদের কাগজটা একটা নামি বাংলা দৈনিক সংবাদপত্র। সবাই তার নাম জানে। সে নিজের পরিচয় দেওয়াতে কাজ হল। ম্যানেজার চমকালেন কথাটা শুনে। তিনি এবার সিরিয়াস ভঙ্গিতে বললেন, ‘হ্যাঁ ম্যাডাম, কী বলছেন, বলুন বলুন? আমি শুনছি আপনার কথা।’

    শ্রীপর্ণা গাম্ভীর্য বজায় রেখে বলল, ‘আমার কথা তো বললামই। কুইক বয় কোনও মিসবিহেভ করেননি মিসেস মজুমদারের সঙ্গে। অভিযোগটা মিথ্যা।’

    ওপাশ থেকে ম্যানেজার বললেন, ‘আপনি যখন বলছেন তখন তাই হবে। তবে আমার অনুরোধ, এ খবর যেন খবরের কাগজে না আসে। আমি দেখছি কী করা যায়?’

    শ্রীপর্ণা বলল, ‘হ্যাঁ, দেখুন। নইলে আমাকেই ব্যাপারটা সিরিয়াসলি দেখতে হবে।’—এ কথা বলে ফোনের লাইন কেটে দিল শ্রীপর্ণা।

    পল্লব বিস্মিতভাবে তাকিয়ে আছে সুপর্ণার দিকে। সুপর্ণা মোবাইলটা তার হাতে ফেরত দিতেই সে বলল, ‘ম্যাডাম আপনি সাংবাদিক।’

    সুপর্ণা মৃদু হেসে বলল, ‘না ঠিক সাংবাদিক নই। সংবাদপত্রর অফিসে অ্যাকাউন্টস ম্যানেজার। দিন-রাত অনেক সাংবাদিকের সঙ্গেই দেখা হয়। তবে সংবাদপত্র অফিসে কাজ করি শুনে আপনার ম্যানেজার একটু ঘাবড়ে গেছে বলেই মনে হল। দেখা যাক কী হয়?’

    পল্লব নামের কুইক বয় ছেলেটা উঠে দাঁড়িয়ে বলল, ‘আপনাকে যে কী বলে ধন্যবাদ দেব জানি না ম্যাডাম। আমি এবার যাই। আর সময় নষ্ট করব না আপনার।’

    পল্লব নামের ছেলেটা এরপর দরজা খুলে বাইরে বেরোল। একপাশে রাখা ছিল তার রেনকোটটা। সেটা তুলে নিয়ে গায়ে দিতে গিয়েই যেন রেনকোটের বুকের কাছটা আরও একটু ছিড়ে অনেক বেশি ফাঁক হয়ে গেল। সেটা শ্রীপর্ণার চোখে পড়েছে বুঝতে পেরে মৃদু লজ্জিত ভাবে বলল, ‘একটা নতুন কেনা দরকার, কিন্তু কিনতে পারছি না। এদিকে বর্ষা শেষ হতে আরও অনেক দেরি। সেদিন ছেঁড়া রেনকোট দিয়ে গায়ে জল ঢুকে যাচ্ছিল বলেই রাস্তা দশ মিনিট দাঁড়াতে হয়েছিল।’—কথাগুলো বলে সিঁড়ির দিকে এগোল কুইক বয়।

    তিন

    আজ শ্রীপর্ণার জন্মদিন। অফিস থেকে ছুটি নিয়েছে শ্রীপর্ণা। রাতে কয়েকজন বন্ধু আসবে সেলিব্রেট করতে। তাদের জন্য রাঁধতে হবে তাকে। ঘুম থেকে উঠে মোবাইলে আসা একগুচ্ছ উইশ মেসেজের জবাব দেবার পর কাছেই বাজারে গিয়ে চিকেন ইত্যাদি কিনে আনল শ্রীপর্ণা।

    রান্না ইত্যাদি কাজ সারার পর তার মনে হল, লোকজন আসবে তাই ঘরটা একটু গুছিয়ে রাখা প্রয়োজন। অন্তত বিছানায় একটা ভালো বেডশিট, টেবিলে একটা ভালো টেবিল কভার পাতা, এটুকু করা প্রয়োজন।

    আলমারি খুলে টেবিল ক্লথ বার করতে গিয়ে হঠাৎই একটা জিনিস হাতে উঠে এল তার। এক সেট নতুন রেনকোট। ছেলেদের জামা ও পা ওয়ালা রেনকোট। বছর খানেক আগে শ্রীপর্ণাই তার বাবার জন্য রেনকোটটা কিনে এনেছিল। শ্রীপর্ণার বাবা-মা এসে সে সময় বেশ কয়েক মাস মেয়ের কাছে ছিলেন। সে সময়টাও বর্ষাকাল ছিল। বাবাকে যাতে বৃষ্টিতে ভিজে বাজারে যেতে না হয় সেজন্যই শ্রীপর্ণা রেনকোটটা কিনেছিল। কিন্তু তার বাবার লম্বা-চওড়া শরীরে রেনকোটটা মাপে একটু খাটো হওয়াতে তিনি আর ব্যবহার করেননি সেটা। নতুন অবস্থাতেই পড়ে আছে রেনকোটটা।

    আলমারি থেকে রেনকোটটা বার করে হাতে নিয়ে হঠাৎই শ্রীপর্ণার মনে পড়ে গেল কুইক বয় পল্লবের ছেঁড়া রেনকোটটার কথা। শ্রীপর্ণা ভাবল, এ রেনকোটটা তো তাকে দেওয়াই যেতে পারে। ছোটখাট চেহারা ছেলেটার। নিশ্চয়ই এটা গায়ে ফিট হবে তার। জিনিস ফেলে রেখে নষ্ট করার থেকে কাউকে দিলে তা তার কাজে লাগে, উপকার হয়। ছেলেটা হয়তো বা পয়সার অভাবেই রেনকোট কিনতে পারছে না। শ্রীপর্ণা ভাবল, এরপর ছেলেটা এলে একবার রেনকোটের ব্যাপারটা সে তাকে বলে দেখবে যে ছেলেটা উপহার হিসাবে রেনকোটটা সে নিতে রাজি হয় কিনা?’

    ছেলেটা দুপুরে আসার পর আরও তিন দিন কেটে গেছে। তার কাজের জায়গায় ব্যাপারটা শেষ পর্যন্ত কী হল তা অবশ্য জানা নেই শ্রীপর্ণার। ছেলেটার কোন ফোন নম্বরও জানা নেই তার। রেনকোটের প্যাকেটটা সে বাইরে বের করে রেখে ঘর সাজাবার কাজে মন দিল।

    দুপুর গড়িয়ে বিকেল, তারপর সন্ধ্যা নামল এক সময়। সারা দিন ধরে মাঝে মাঝে কিছুক্ষণ থামার পরই আবার বৃষ্টি শুরু হচ্ছে। তেমনই সন্ধ্যা থেকে আবারও বৃষ্টি নামল। তবে অবশ্য তাতে শ্রীপর্ণার তিন-চারজন বন্ধুর সমস্যা হবে না। একজন বন্ধু তার গাড়িতে সবাইকে আনবে। অফিস থেকে বাড়ি ফিরে তৈরি হয়ে আসতে তাদের রাত আটটা বাজবে। তেমনই জানিয়েছে তারা।

    সন্ধ্যা সাতটা নাগাদ স্নান সেরে বার্থ ডে গার্ল-এর নতুন পোশাক পরে বন্ধুদের আগমনের জন্য তৈরি হয়ে নিল শ্রীপর্ণা। এর পর সে রান্না ঘরে গিয়ে যখন অতিথি আপ্যায়নের জন্য শেষ কিছু কাজ সারছে তখন ডোর বেল বাজল।

    তার বন্ধুরা কী তবে আগেই চলে এল? তাড়াতাড়ি গিয়ে সে দরজা খুলতেই দেখতে পেল কুইক বয় পল্লব এসে উপস্থিত হয়েছে। তার পরনে সেই ছেঁড়া রেনকোট, পিঠে কুইক বয়দের সেই ঢাউস ব্যাগ, আর হাতে ধরা সাদা রঙের ক্যারি ব্যাগ। জল ঝরছে তার শরীর থেকে। ভিতরের জামাটাও ভেজা। যদিও তার পিঠে কোম্পানির ব্যাগ তবুও প্রথমে তাকে দেখে কেমন যেন বিষণ্ণ বলে মনে হচ্ছে! কুইক বয় মুহূর্তের মধ্যে তার মুখে হাসি ফুটিয়ে বলল, ‘আপনাকে কৃতজ্ঞতা জানাবার ভাষা নেই ম্যাডাম। আপনার জন্যই আমার কাজটা বেঁচে গেল। ওই যে আপনি বলেছেন যে আপনি সংবাদপত্রের অফিসে চাকরি করেন, তা শুনেই ঘাবড়ে গেছে ওরা। কাল থেকে কাজে যোগ দিয়েছি আমি।’

    কথাটা শুনে শ্রীপর্ণা হেসে বলল, ‘ভালো লাগল খবরটা শুনে। আপনি যে কাজে যোগ দিয়েছেন তা আপনার পিঠের ব্যাগটা দেখেই অনুমান করেছিলাম। নিন এবার আগের মতো কাজ শুরু করে দিন। এ সব নিয়ে আর ভাববেন না।’

    পল্লব নামের কুইক বয় এরপর তার হাতের ক্যারি ব্যাগটা শ্রীপর্ণার দিকে বাড়িয়ে দিয়ে বলল, ‘এটা ধরুন ম্যাডাম।’

    শ্রীপর্ণা বলল, ‘কই আমি তো কোনও খাবার অর্ডার দিইনি।’

    ছেলেটা মৃদু হেসে বলল, ‘অর্ডার নয় ম্যাডাম। এর মধ্যে একটা ছোট কেক আছে। এর থেকে বেশি আমার আর ক্ষমতা নেই ম্যাডাম।’

    শ্রীপর্ণা বলল, ‘আপনি আমার জন্য কেক আনতে গেলেন কেন? যা উচিত মনে হয়েছে আমি তাই করেছি।’

    শ্রীপর্ণার কথা শুনে কুইক বয় তাকে অবাক করে দিয়ে বলল, ‘দয়া করে এটা নিন ম্যাডাম। আজকের দিনে কুইক বয়ের উপহার হিসাবে এটা নিন। হ্যাপি বার্থ ডে ম্যাডাম।’

    বিস্মিত শ্রীপর্ণা জানতে চাইল, ‘আজ যে আমার বার্থ ডে, তা আপনি জানলেন কীভাবে?’

    ছেলেটা মৃদু লজ্জিত ভাবে বলল, ‘অপরাধ নেবেন না দিদি। আপনার ফেসবুক প্রোফাইলটা সেদিন এখান থেকে কথা বলে বাড়ি ফেরার পর খুঁজে পেয়েছিলাম আমি। সেখানেই আপনার জন্মদিনের তারিখ লেখা আছে। আজ দেখলাম অনেকে উইশও করেছেন আপনাকে। একবার ভাবলাম আমিও করি। তারপর ভাবলাম এখানে এসেই চমকে দেব আপনাকে।’

    ছেলেটা এই প্রথম ম্যাডামের পরিবর্তে ‘দিদি’ বলে শ্রীপর্ণাকে সম্বোধন করল।’

    কুইক বয়ের থেকে কেকটা না নিলে ছেলেটা মনে দুঃখ পাবে। তাকে ফেরানো উচিত হবে না। তাই সেটা তার থেকে নিয়ে শ্রীপর্ণা বলল, ‘থ্যাঙ্কু, ভাই।’

    ছেলেটা এরপর বলল, ‘আমি এবার আসি। শুভ জন্মদিন ভালো করে সেলিব্রেট করুন।’

    কুইক বয় পল্লব যখন খাবার দিতে আসে, তখন প্রতিবার ফেরার সময় বলে ‘রেটিং-টা করে দেবেন ম্যাডাম।’

    এ কথা মনে পড়ায় শ্রীপর্ণা তার উদ্দেশ্যে একটা মজা করে বলল, ‘কেকের জন্য রেটিং-টা কোথায় করব?’

    তার প্রশ্ন শুনে ছেলেটা নির্মল হেসে বলল, ‘ভালোবাসার উপহারের কি কোনও রেটিং হয় দিদি? তাছাড়া আমি আর কোনওদিন কোনও কাস্টমারকে রেটিং দিতে বলব না।’—এ কথাগুলো বলে সিঁড়ি বেয়ে নীচে নেমে গেল সে।

    ছেলেটা চলে যাবার পর দরজা বন্ধ করে কেকের প্যাকেটটা ঘরের টেবিলে রাখার সময় হঠাৎই শ্রীপর্ণার খেয়াল হল রেনকোটটা তো তাকে দেওয়া হল না! আসলে ছেলেটা এত আকস্মিকভাবে এসে উপস্থিত হল যে রেনকোট তাকে দেবার কথা শ্রীপর্ণার মাথাতেই আসেনি। ছেলেটা আজও ভিজতে ভিজতেই এসেছিল ছেঁড়া রেনকোট পরে। সম্ভবত তাকে রেনকোটটা দিলে সে ফেরাত না। আর তার ফোন নম্বর নিয়ে রাখার কথাও শ্রীপর্ণার মনে ছিল না। যাই হোক সামনের কোনও দিন ছেলেটা এলে মনে করে তাকে রেনকোটটা দিতে হবে।—এ কথাটা ভেবে রাখল শ্রীপর্ণা। এরপর শ্রীপর্ণা কাজে ব্যস্ত হয়ে গেল। নির্ধারিত সময় তার বন্ধুরা এসে উপস্থিত হল। কুইক বয় পল্লবের দেওয়া কেকটাও কেটে খাওয়া হল সবাই মিলে।

    চার

    পরদিন অফিসে শ্রীপর্ণার খুব ব্যস্ততার মধ্যে কাটল। আগের দিন জন্মদিন উপলক্ষে অফিস কামাই করাতে বাড়তি কাজ জমে গেছিল। অফিস থেকে বাইরে বেরোতে সন্ধ্যাও হয়ে গেল তার। গত রাতে বন্ধুরা ফিরে যাবার পর বেশ দেরি করেই ঘুমিয়েছিল শ্রীপর্ণা। তার ওপর সারাদিন অফিসের প্রচণ্ড কাজের চাপ। এ কারণে গাড়িতে উঠে বসার পরই শ্রীপর্ণা ঘুমে তলিয়ে গেল যা অন্যদিন হয় না।

    এক সময় একটা অদ্ভুত স্বপ্ন দেখল শ্রীপর্ণা। ফ্ল্যাটের দরজা খুলে শ্রীপর্ণা দাঁড়িয়ে, আর তার সামনে দাঁড়িয়ে কুইক বয় পল্লব। তার হাত থেকে খাবারের প্যাকেট নিয়ে শ্রীপর্ণা বলল, চিন্তা নেই, রেটিং করে দেব।’

    ছেলেটা বলল, ‘না, রেটিং-এর দরকার নেই।’

    শ্রীপর্ণা জানতে চাইল, ‘কেন দরকার নেই?’

    এ কথার জবাব না দিয়ে হাসতে থাকল ছেলেটা। শ্রীপর্ণা যতবার তাকে এই প্রশ্ন করতে থাকল ততবারই তার কথার জবাব না দিয়ে হাসতে লাগল কুইক বয়।

    আর এর পরই ড্রাইভারের ডাকে ঘুম ভেঙে সে দেখল বাড়ির কাছে পৌঁছে গেছে!

    বেশ কদিন পর এদিন আর বৃষ্টি হয়নি। অদ্ভুত স্বপ্নটার কথা ভাবতে ভাবতে গাড়ি থেকে নামার পর বাড়ির পথ ধরল সে।

    ঘরে ফেরার পর স্নান সেরে শ্রীপর্ণা ফ্রেশ হল ঠিকই, কিন্তু তার ক্লান্তিভাব দূর হল না। ফ্রিজে যা আছে তা খেতে ইচ্ছা হল না তার। আর এই ক্লান্ত দেহে নতুন কিছু রান্না করার ইচ্ছাও হল না শ্রীপর্ণার। সে ভাবল কুইক ফুড থেকে একটা ভেজ বা চিকেন বিরিয়ানির অর্ডার করলেই সব ঝামেলা মিটে যায়। তাছাড়া পল্লব যদি খাবারটা দিতে আসে তবে রেনকোটটাও তাকে দিয়ে দেওয়া যাবে। সামনেই সেটা রাখা আছে। এ কথা ভেবে মোবাইলে শ্রীপর্ণা কুইক ফুডে খাবারের অর্ডার দিয়ে দিল।

    খাবার অর্ডার দিয়ে সোফায় শুয়ে একটু চোখ বুজে গেছিল তার। আধ ঘণ্টা পর কলিং বেলের শব্দে উঠে পড়ল সে। কুইক ফুড থেকে কুইক বয় এসেছে বিরিয়ানি নিয়ে। যদি পল্লব এসে থাকে তবে তাকে দেবে বলে রেনকোটের প্যাকেটটা হাতে নিয়েই শ্রীপর্ণা দরজা খুলল।

    না। পল্লব নয়, অন্য একজন কুইক বয় খাবারের প্যাকেট নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে।

    শ্রীপর্ণার হাতে খাবারের প্যাকেটটা তুলে দিল সে। শ্রীপর্ণা সেটা নতুন ছেলেটার হাত থেকে নিয়ে বলল, পল্লব নামের যে কুইক বয় আছে, তার ফোন নাম্বারটা আপনার কাছে আছে?’

    পল্লবের নামটা শুনেই মৃদু বিস্মিতভাবে এই নতুন কুইক বয় বলল, ‘হ্যাঁ, আছে। কিন্তু কেন বলুন তো?’

    শ্রীপর্ণা বলল, ‘ওর সঙ্গে আমার একটা দরকার ছিল। এদিকে কোথাও খাবার দিতে এলে তাকে আমার সঙ্গে দেখা করে যেতে বলতাম।’

    শ্রীপর্ণার কথা শুনে কুইক বয় বলল, ‘সে আর খাবার পৌঁছতে আসবে না ম্যাডাম।’

    কথাটা শুনে শ্রীপর্ণা বলে উঠল, ‘খাবার পৌঁছতে আসবে না কেন? সে যে আমাকে বলে গেল তার কাজের জায়গাতে সব ঝামেলা মিটে গেছে, সে আবার কাজের জায়গাতে যোগ দিয়েছে?’

    কুইক বয় বলল, ‘হ্যাঁ, সে আপনাকে ঠিকই বলেছিল।’

    শ্রীপর্ণা বলল, ‘তবে সে আসবে না কেন?’

    কুইক বয় কয়েক মুহূর্ত চুপ করে থেকে বলল, ‘গতকাল দুপুরে একটা খাবারের অর্ডার এসেছিল। খাবার দেবার জন্য বেরিয়ে ছিল সে। পার্টি বার বার করে ফোন করে খাবারের জন্য তাড়া দিচ্ছিল। প্রচণ্ড বৃষ্টি হচ্ছিল সে সময়। সদ্য সে গন্ডগোল থেকে মুক্ত হয়েছিল। ঠিক সময় খাবার পৌঁছে দিতে না পারলে যদি আবার কাস্টমার কমপ্লেন করে বসে সে জন্য বৃষ্টির মধ্যেই বাইক নিয়ে খাবার ডেলিভারি দিতে রওনা হয়েছিল পল্লব। হয়তো বা জোরেই বাইক চালাচ্ছিল নির্ধারিত সময়ের মধ্যে খাবার ডেলিভারির দেবার জন্য। ভেজা রাস্তাতে সম্ভবত বাইকের চাকা পিছলে গেছিল তার। তারপর সে উল্টো দিক থেকে আসা একটা বাসের তলায় ঢুকে গেছিল। একেবারে স্পট ডেড।’

    বিষণ্ণভাবে কথাগুলো বলে থামল ছেলেটা।

    কুইক বয়ের কথা শুনে হতভম্ব শ্রীপর্ণা বলে উঠল, ‘ঘটনাটা ঠিক দুপুরে হয়েছিল, নাকি রাতে?’

    ছেলেটা জবাব দিল, ‘দুপুরেই ম্যাডাম। যে কারণে তারপর সারা দিন আমাদের খাবার ডেলিভারি দেওয়া বন্ধ ছিল। শ্মশানের কাজ মিটতে আমাদের ভোর হয়ে গেল।’

    এ কথা বলার পর নতুন কুইক বয় অভ্যস্ত স্বরে যাবার আগে বলে গেল, ‘গুড নাইট ম্যাডাম। কাইন্ডলি রেটিং-টা একটু করে দেবেন।’

    কুইক ফুডের প্যাকেটটা নিয়ে শ্রীপর্ণা বাকরুদ্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে রইল। তার চোখের সামনে ভেসে উঠল কুইক বয় পল্লবের হাসি মুখ। কানে বাজতে লাগল তার বলে যাওয়া শেষ কথাগুলো—’ভালোবাসার উপহারের কি কোনও রেটিং হয় দিদি? তাছাড়া আমি আর কোনও দিন কোনও কাস্টমারকে রেটিং দিতে বলব না।’

    শ্রীপর্ণার বুকের মধ্যে একটা অব্যক্ত যন্ত্রণা যেন মোচড় দিয়ে উঠল, সেই কুইক বয়ের জন্য। খাবারের প্যাকেটটা খসে পড়ল তার হাত থেকে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট
    Next Article গ্রীকদের চোখে ভারতবর্ষ – নির্বেদ রায়

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    আঁধার রাতের বন্ধু – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সূর্যমন্দিরের শেষ প্রহরী – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }