Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সামনে সমুদ্র নীল – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    নীহাররঞ্জন গুপ্ত এক পাতা গল্প115 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সামনে সমুদ্র নীল – পরিচ্ছেদ ১০

    ১০.

    পরের দিনই রাত আটটা নাগাদ মালতী দেবী স্বর্গদ্বার হোটেলে এসে পৌঁছলেন। কলকাতা থেকে প্লেনে তাকে পাঠিয়ে দিয়েছেন পুলিসের লোকই।

    কিরীটী তার ঘরেই ছিল। বোধ করি মালতীর আগমনের প্রতীক্ষাতেই ছিল।

    মালতী দেবী একজন সাধারণ পোশাকের পুলিস অফিসারের সঙ্গে অফিসে এসে কিরীটীর খোঁজ করতেই ভবেশ অধিকারী নিজে এসে মালতীকে কিরীটীর ঘরে পৌঁছে দিয়ে গেলেন।

    এই ভদ্রমহিলা আপনার খোঁজ করছিলেন মিঃ রায়।

    মালতী দেবী, আসুন আসুন–বসুন।

    কি ব্যাপারমালতী বললেন, এত জরুরি তলব দিয়ে আমাকে এখানে নিয়ে এলেন কেন?

    আপনার স্বামীর সন্ধান পেয়েছি—

    পেয়েছেন?

    হ্যাঁ।

    মালতী কিছুক্ষণ অতঃপর গুম হয়ে বসে রইলেন, তারপর ক্ষীণগলায় প্রশ্ন করলেন, কোথায়

    সে?

    এখানেই আছেন। থানার হাজতে—

    থানায়? কেন?

    ওর মাথার ওপর একটা খুনের চার্জ ঝুলছে।

    সে কি! কাকে আবার সে খুন করল?

    অনুরাধা দেবীকে।

    সে কে?

    সব বলব, তার আগে কয়েকটা প্রশ্ন ছিল আপনাকে আপনার স্বামীর কি আর কোন ভাই ছিলেন?

    কিরীটীর আচমকা প্রশ্নটা যেন মালতী দেবীকে একেবারে পাথরে পরিণত করে, কেমন যেন বোবা অসহায় দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকেন মালতী দেবী।

    মালতী দেবী আমার প্রশ্নের জবাব দিলেন না তো!

    আছে, তার এক সৎভাই—

    সৎভাই!

    হ্যাঁ আমার শ্বশুরের দুই বিয়ে—প্রথম যাকে বিয়ে করেছিলেন তার একটি ছেলে ছিল, তারপর তার হঠাৎ সর্পদংশনে মৃত্যু হওয়ায় দ্বিতীয়বার বিবাহ করেন, তারও একটি মাত্র ছেলে, এবং বিবাহের দুই বৎসরের মধ্যে সেই স্ত্রীরও সর্পদংশনেই মৃত্যু হয়।

    দুজনারই সর্পদশংনে মৃত্যু! কিরীটী প্রশ্ন করল, আশ্চর্য তো!

    এর সবটাই পরবর্তীকালে আমার স্বামীর মুখ থেকে শোনা। প্রথমবারের ছেলেকে আমার শ্বশুরমশায়ের কাছ থেকে তার দিদিমা নিয়ে যান। কখনও আর তিনি তার বাপের কাছে আসেননি। শ্বশুরমশাইও যতদিন জীবিত ছিলেন সে ছেলের আর কোন সন্ধান নেননি তিনি। সে ছেলে দেখতে কেমন, কি করতেন, এখনও বেঁচে আছেন কিনা কিছুই জানি না।

    কিরীটী ধীরে ধীরে বললে, মস্ত বড় একটা জট আমার খুলে গেল মিসেস চ্যাটার্জী। আমি যেন এখন সবকিছু অনুমান করতে পারছি।

    কি অনুমান করতে পারছেন কিরীটীবাবু? প্রশ্ন করলেন মালতী।

    বর্তমান রহস্যের গতিবিধি। ঠিক আছে, চলুন এবারে আমার সঙ্গে।

    কোথায়?

    থানায়। সেখানে আপনার স্বামী ক্ষিতীন্দ্রবাবু আছেন।

    মালতী যেন নেহাৎ অনিচ্ছার সঙ্গেই উঠে দাঁড়ালেন।

    কিন্তু তাদের আর বেরুনো হল না।

    ঝড়ের মতই থানা-অফিসার হেমন্ত সাহু এসে ঘরে ঢুকলেন।

    মিঃ রায়–

    কি খবর—এই যে ক্ষিতীন্দ্রবাবুর স্ত্রী মালতী দেবী জামসেদপুর থেকে এখানে এসে পৌঁছেছেন। ওঁকে নিয়ে আমি থানাতেই আপনার কাছে যাচ্ছিলাম।

    ক্ষিতীন্দ্রবাবু তো নেই—শুকনো গলায় উচ্চারণ করলেন হেমন্ত সাহু।

    নেই, নেই মানে কি?

    থানা থেকে পালিয়েছেন!

    পালিয়েছেন? কেমন করে? তাকে তো হাজতে রাখা হয়েছিল?

    বেলা চারটে নাগাদ হঠাৎ উনি পেটের ব্যথায় ছটফট করতে থাকেন। ক্রমশ ব্যথা নাকি বাড়তে থাকে। আমি থানায় ছিলাম না, সন্ধ্যানাগাদ ফিরে সব শুনে সিভিল সার্জেনকে কল দিই। ডাক্তার চৌধুরী এসে হাজতঘরে ঢুকে তাকে পরীক্ষা করছেন, হঠাৎ এক লাফে আমাদের ধাক্কা দিয়ে ফেলে খোলা দরজা-পথে ছুটে বের হয়ে গেলেন।

    তারপর?

    তারপর এই ঘণ্টাতিনেক আশেপাশে সর্বত্র খুঁজেছি—আমি নিজে ও সেপাইরা চারপাঁচজন, কিন্তু কোথাও তার সন্ধান পেলাম না—তাই হোটেলে দেখতে এলাম, আপনাকেও কথাটা জানাতে এসেছি

    পাগল নাকি! পালিয়েই যদি থাকেন তো হোটেলে আসতে যাবেন কেন?

    এখন বুঝতে পারছেন তো মিঃ রায়, অনুরাধা দেবীর হত্যাকারী আর কেউ নয়—ঐ ক্ষিতীন্দ্রবাবুই?

    না।

    এখনও বলবেন, ক্ষিতীন্দ্রবাবু অনুরাধা দেবীর হত্যাকারী নন?

    হ্যাঁ, তিনি নন। কিরীটীর কণ্ঠস্বরে একটা সুস্পষ্ট দৃঢ়তা ফুটে ওঠে।

    তবে তিনি পালালেন কেন?

    মনে হচ্ছে মৃত্যুই তাকে টেনেছে, কি জানেন মিঃ সাহু, এইরকম কিছু যে একটা ঘটতে পারে সেটা পূর্বেই অনুমান করতে পেরেছিলাম বলেই তাকে অ্যারেস্ট করে হাজতে রাখায় কোন বাধা দিইনি—আপত্তি জানাইনি। কিন্তু ভাবছি কোথায় যেতে পারেন তিনি?

    কিন্তু তিনি যদি হত্যাকারী নাই হবেন, তবে—

    কিরীটী বললে, ভদ্রলোক কেবল নির্বোধ নন, প্রচণ্ড ভীতুও।

    কিরীটী কথায় হেমন্ত সাহু যেন একটু বিরক্তই হলেন। বললেন, কি জানি মিঃ রায়, আপনার সঙ্গে আমি একমত হতে পারছি না। তার ঐভাবে থানার হাজতঘর থেকে পালানোটাই প্রমাণ করে দিয়েছে অনুরাধা দেবীর হত্যাকারী তিনিই। আর কেউ নয়। খুঁজে তাকে আমি বের করবই, পালাবেন কোথায় তিনি! সর্বত্র তার চেহারার একটা ডেসক্রিপশন দিয়ে ওয়ারলেসে মেসেজ পাঠিয়ে দিয়েছি। চললাম।

    বের হয়ে গেলেন হেমন্ত সাহু ঘর থেকে একটু দ্রুতপদেই। আর একটু পরেই নীচে জীপের শব্দ পাওয়া গেল, বোঝা গেল, হেমন্ত সাহু প্রস্থান করলেন।

    মালতী দেবী এতক্ষণ একটা কথাও বলেননি। চুপচাপ বসে সব শুনছিলেন। এবার তিনি কিরীটীকে প্রশ্ন করলেন, সত্যিই আপনার ধারণা কিরীটীবাবু, ও খুন করেনি।

    তাই। ক্ষিতীন্দ্রবাবু খুন করেননি।

    তবে কে খুন করল মেয়েটিকে।

    দুটি হত্যাই একই সূত্রে বাঁধা, তিন বৎসর পূর্বে এই হোটেলেই জীমূতবাহনকে যে হত্যা করেছিল, তিন বৎসর পরে সেই আবার ঘটনাচক্রে অনুরাধাকেও হত্যা করেছে। কেবল দুটি ঘটনার মধ্যে অলক্ষ্যে যে যোগসূত্রটা রয়ে গিয়েছে সেটা খুঁজে বের করতে পারলেই সব কিছুর মীমাংসা হয়ে যাবে।

    কিরীটীর কথাগুলো শুনে মনে হল, মালতী দেবীর মুখের ওপরে যেন একটা হতাশা ফুটে উঠেছে।

    কিরীটী বললে, একটা কথা বলব মালতী দেবী, মনে কিছু করবেন না, আপনি বার বার আমাকে বলেছেন আপনার স্বামী একান্ত স্বার্থপর, আত্মকেন্দ্রিক, নিজের সুবিধা ছাড়া অন্য কিছু ভাবেন না, নিজেকে ছাড়া দুনিয়ার কাউকে ভালোবাসেন না, নিঃসন্দেহে তার চরিত্রের ওটা একটা দিক, তার চরিত্রের সর্বাপেক্ষা বৈশিষ্ট্য যেটা সেটা হচ্ছে তার নির্বুদ্ধিতা। বুদ্ধি বলে কোন কিছুই তার মধ্যে নেই, একের নব্বরের নির্বোধ। তাই সর্বদা বড় বড় কথা বলে নিজের বিরাটত্ব প্রমাণ করতে গিয়ে সকলের কাছে আরও হাস্যস্পদ হয়ে যান, আর এ সব কিছুর জন্যে দায়ী আপনিই।

    আমি?

    তাই। সে বিরাটত্ব প্রমাণ করার জন্য তিনি বার চরম নির্বুদ্ধিতা, প্রকাশ করে এসেছেন, অন্যের কাছে হাস্যাস্পদ হয়েছেন, সে বিরাটত্ব তার ওপরে আরোপ করেছেন আপনিই, এবং কার্যক্ষেত্রে তাঁর জীবনের ব্যর্থতার জন্য আপনিও বহুলাংশে দায়ী—আর তার মধ্যেই সুপ্ত ছিল তাঁর প্রতি আপনার বিরাগ, আপনাদের পরস্পরের মধ্যে অশান্তির অঙ্কুর। আপনি যদি সত্যিকারের স্ত্রীর মত স্বামীর ঐ নির্বুদ্ধিতাকে শোধরাবার চেষ্টা করতেন, তবে হয়তো আপনাদের জীবনের আজকের ট্র্যাজেড়িটাকে এড়াতে পারতেন।

    মালতী দেবী মাথা নীচু করে বসে থাকেন।

    যাক, অবশ্যম্ভাবীর গতিরোধ কেউ করতে পারে না।

    কিন্তু লোকটা কোথায় গেল? ক্ষীণ স্বরে বললেন মালতী।

    আমার মনে হয় এখনও তিনি পুরীতেই আছেন। আপনি কিন্তু হুট করে পুরী ছেড়ে চলে যাবেন না।

    কিন্তু থাকব কোথায়?

    এই হোটেলেই থাকুন, ম্যানেজারবাবুকে আমি বলে দেব।

    পরের দিন প্রত্যুষে ক্ষিতীন্দ্রর মৃতদেহ পাওয়া গেল সমুদ্রের ধারে বালির উপরে, স্বর্গদ্বার থেকে মাইলখানেক দূরে, পৃষ্ঠদেশে তাঁর গুলির চিহ্ন।

    বোঝা গেল কেউ তাকে পশ্চাৎ থেকে গুলি হত্যা করেছে। একদল বায়ুসেবী তরুণ মৃতদেহটা আবিষ্কার করে। এবং তারাই থানায় সংবাদ দেয়।

    ক্ষিতীন্দ্রর মৃতদেহটার আইডেনটিফিকেশনের জন্য থানা থেকে ডাক এল মালতী দেবীর।

    কিরীটী থানাতেই ছিল। তারই পরামর্শনুযায়ী হেমন্ত সাহু মালতী দেবীকে ডেকে পাঠিয়েছিলেন হোটেল থেকে থানায়। অবিশ্যি মালতী তখনও জানেন না কেন তাকে থানায় যেতে বলা হয়েছে।

    স্বভাবতই হেমন্ত সাহু বিশেষ চিন্তিত। সমস্ত ঘটনাটা যে ঐভাবে অকস্মাৎ মোড় নেবে হেমন্ত সাহুর কল্পনারও যেন বাইরে ছিল এবং উভয়ের মধ্যে ক্ষিতীন্দ্রর মৃত্যুকে নিয়েই আলোচনা চলছিল।

    মৃতদেহের হাত-পাঁচেক দূরে একটা ছোট কাঁটাঝোপের মধ্যে একটা ছোট জার্মান-মেক পিস্তল পাওয়া গিয়েছিল। তার ছয়টি চেম্বারের একটি চেম্বারে গুলি নেই। পিস্তলটা খুঁজে বের করেছে একজন সেপাই।

    পিস্তলটা সামনের টেবিলের ওপরেই ছিল। কিরীটী বলছিল, ঐ পিস্তলটির সাহায্যেই আপনি হত্যাকারীকে সনাক্ত করতে পারবেন মিঃ সাহু।

    কেমন করে? বিরস বদনে প্রশ্ন করেন হেমন্ত সাহু।

    ঐ পিস্তলে একটা নম্বর আছে—ঐ নম্বরের পিস্তলের লাইসেন্স যার নামে আছে, সেটা আলিপুরের লাইসেন্স ডিপার্টমেন্ট খুঁজলেই তো পেয়ে যাবেন।

    যদি অন্য কোথাও লাইসেন্সটা করানো হয়ে থাকে?

    কিরীটী বললে, না। সম্ভবত আলিপুরের কোর্টেই লাইসেন্স করানো হয়েছিল। আমার অনুমান, হত্যাকারী এবং ঐ পিস্তলের যিনি অধিকারী, ওঁর—

    কিরীটীর কথা শেষ হল না, মালতী এসে ঘরে প্রবেশ করলেন।

    আসুন মালতী দেবী। কিরীটী বললে।

    আমাকে ডেকেছেন কেন? মালতী বললেন।

    একটা মৃতদেহ সনাক্ত করবার জন্য।

    মৃতদেহ! কার?

    পাশের ঘরেই আছে, চলুন।

    কিরীটী, হেমন্ত সাহু ও মালতী এসে পাশের ঘরে প্রবেশ করলেন।

    মেঝের উপরে আগাগোড়া বস্ত্রাবৃত একটা মৃতদেহ পড়েছিল। হেমন্ত সাহুই নীচু হয়ে দেহের মুখের উপর থেকে বস্ত্রখণ্ড টেনে নিতেই মালতীর কণ্ঠ হতে একটা অস্ফুট চীৎকার নির্গত হল।

    কিরীটী শান্ত গলায় মালতীর দিকে তাকিয়ে বললে, এবারে আর মিথ্যা নয়, সত্যি-সত্যিই ক্ষিতীন্দ্রবাবু এবারে তার মৃত্যুর মধ্য দিয়ে প্রমাণ করে গিয়েছেন তিনি আর বেঁচে নেই, সত্যি সত্যিই মারা গেছেন।

    মালতী পাথরের মতই দাঁড়িয়ে থাকে।

    কি—আপনার স্বামী ক্ষিতীন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ই তো? হেমন্ত সাহু প্রশ্ন করলেন।

    মালতী দেবী পূর্ববৎ পাথরের মতই দাঁড়িয়ে রইলেন।

    ঐসময় একজন সেপাই এসে ঘরে প্রবেশ করল।–স্যার!

    কি খবর বৈজুপ্রসাদ, সেই ভদ্রলোক কোথায়? আসেননি?

    তাকে হোটেলে পাওয়া গেল না। সে কি! হোটেলেই নেই?

    না! দরজার লকটা বন্ধ ছিল, ড়ুপলিকেট চাবি দিয়ে লক খুলে দেখা গেল ঘরের মধ্যে কেউ নেই—ঘর খালি।

    কিরীটী বললে, মিঃ সাহু, এখনি সর্বত্র ওয়ারলেস মেসেজ পাঠান চেহারার একটা ডেসক্রিপসন দিয়ে, কুইক, আর দেরি করবেন না। প্রত্যেক স্টেশনে ভুবনেশ্বর এয়ারপোর্ট, সিকিউরিটি পুলিসকে।

    হেমন্ত সাহু সঙ্গে সঙ্গে ঘর থেকে বের হয়ে গেলেন।

    আপনার মনের মধ্যে আজ আর কোন সন্দেহ নেই তো মিসেস চ্যাটার্জী, উনিই আপনার স্বামী ক্ষিতীন্দ্রবাবু?

    মালতী মাথা তুলে কিরীটীর মুখের দিকে তাকিয়ে দৃষ্টি নত করলেন।

    এবার বলবেন কি, তিন বৎসর আগে যে মৃতদেহটা সনাক্ত করবার জন্য এখানে এসেছিলেন। সে মৃতদেহটা যে আপনার স্বামীর নয় তা বুঝতে পেরেও কেন আপনার স্বামীর মৃতদেহ বলেই সনাক্ত করেছিলেন?

    মালতী দেবী নীরব।

    একটা মিথ্যার ভিতর দিয়ে মুক্তি পেয়ে গেছেন বলেই বোধ হয়, তাই নয় কি?

    মালতী পূর্ববৎ নীরব।

    সেদিন যদি মিথ্যাটাকে সত্য বলে না মেনে নিতেন, তবে হয়তো আজ এমনি করে মৃত্যুবরণ করতে হত না ক্ষিতীন্দ্রবাবুকে। প্রত্যক্ষভাবে না হলেও পরোক্ষভাবে আপনিই আপনার স্বামীর মৃত্যুর জন্য দায়ী মালতী দেবী।

    মালতী তখনও নীরব।

    আপনি হয়তো ছেলেমেয়ে ও অন্যান্য সকলের দিক থেকে বেঁচে গেলেন, কিন্তু নিজের মনের কাছে জবাব দেবার মত কিছুই তো রইল না। আপনার স্বামীর কোন দোষ ছিল না তা আমি বলছি না। ছিল—তার অনেক দোষ ত্রুটিই ছিল, এবং সব কিছুর উপরে ছিল তার নির্বুদ্ধিতা, তবু বলব আপনার কাছ থেকে একটু সহানুভূতি পেলে হয়তো আপনাদের দুজনারই

    জীবনটা এইভাবে নষ্ট হয়ে যেত না।

    কিরীটী লক্ষ্য করল, মালতী দেবীর দুচোখের কোণ বেয়ে অশ্রু গড়িয়ে পড়ছে।

    হেমন্ত সাহু ঘরে ঢুকলেন।

    সিগন্যাল মেসেজ পাঠাবার ব্যবস্থা করে দিয়ে এলাম মিঃ রায়।

    ঠিক আছে, চলুন এবারে হোটেলের দিকে যাওয়া যাক। কিরীটী বললে!

    আপনি কি মনে করেন মিঃ রায়, দত্ত মজুমদার হোটেলে ফিরে আসবেন?

    কিরীটী মৃদু হাসল, বললে, তার জন্য ভাববেন না। পালিয়ে আর কোথায় যাবেন দত্ত। মজুমদার, ধরা তাকে পড়তেই হবে। একবার ক্ষিতীন্দ্রবাবুর—মানে আপনাদের মৃত চন্দ্রকান্তবাবুর সুটকেসটা ভাল করে উলটে-পালটে সবকিছু দেখতে হবে।

    কিরীটী উঠে দাঁড়াল। চলুন মালতী দেবী।

    কোথায়?

    হোটেলে।

    কেন?

    ডেড বডির ময়নাতদন্ত না হওয়া পর্যন্ত আর ডেড বডি পাচ্ছেন না। পেতে পেতে হয়তো কাল পরশু–

    আমি কিন্তু আজই ফিরে যেতে চাই, অবশ্যই আপনাদের অনুমতি পেলে–মালতী বললেন।

    স্বামীর মৃতদেহের সক্কার না করেই চলে যাবেন?

    মালতী মাথা নিচু করলেন।

    ভদ্রলোক সত্যিই হতভাগ্য, ছোটবেলায় মাকে হারিয়েছেন, বাপের স্নেহ কোন দিন পাননি, আপনিও সারাটা জীবন বিমুখ হয়ে ছিলেন, অন্তত শেষ কাজটুকু করুন। পরলোক বলে যদি কিছু থাকে তো, হয়তো একটু শান্তি পাবেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমানসী তুমি – নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    Next Article যুগলবন্দী – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    Related Articles

    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ১ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ১৩ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ২ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ১২ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ৩ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ৪ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }