Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সামনে সমুদ্র নীল – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    নীহাররঞ্জন গুপ্ত এক পাতা গল্প115 Mins Read0
    ⤶

    সামনে সমুদ্র নীল – পরিচ্ছেদ ১১

    ১১.

    ক্ষিতীন্দ্রর সুটকেসের মধ্যেই একটা দীর্ঘ চিঠি পাওয়া গেল।

    চিঠিটা দিনদশেক আগে তার স্ত্রী মালতী দেবীকেই লেখা, কিন্তু শেষ পর্যন্ত পোস্ট করা হয়নি।

    মালতী,

    আমি বেঁচে আছি। তিন বৎসর পূর্বে পুরীর হোটেলে যে মৃতদেহকে তুমি তোমার স্বামী বলে সনাক্ত করেছিলে পুলিসের সামনে, সে আমি নই। আমার বৈমাত্রেয় ভাই জীমূতবাহন চট্টোপাধ্যায়।

    ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস দেখ, আমরা দুভাই একই রকম দেখতে হয়েছিলাম। দুই মায়ের গর্ভে জন্মালেও। তুমি তো তাকে কোন দিন দেখইনি, আমিও ছোটবেলায় মাত্র একবার দেখেছিলাম তাকে!

    দাদাকে তার মামারা আসতে দেননি কোন দিন বাবার কাছে, দাদাও আসেননি, মনের মধ্যে একটা ঘৃণা তার মামারা বাবার প্রতি সঞ্চার করেছিল।

    আর তুমি হয়তো জান না দাদার এক বোনও ছিল।

    তার নাম মুকুল। দাদার থেকে ১৮ মাসের ছোট, তার জন্মের পরই আমাদের সেই মা মারা যান। সেই মার জীবনের শেষের একটা বছর বাবার কাছ থেকে তিনি দূরেই ছিলেন, ছোট বোন, মুকুল তখন মার গর্ভে। বাবাও জানতেন না কথাটা, মা তো তাকে কথাটা জানতেই দেননি।

    স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মনোমালিন্য হওয়ায় দুজনে পৃথক হয়ে যান। মনোমালিন্যের কারণ যতদূর জানা যায়, বাবার অত্যধিক মদ্যপানের অভ্যাস।

    আমি তোমাকে অতীতের সব কথা জানাচ্ছি, কারণ তাহলেই তুমি বুঝতে পারবে, কেন তিন বৎসর পূর্বে জীবিত থেকেও আমাকে মৃত্যুর মিথ্যা সংবাদকে মেনে নিতে হয়েছিল। কেন এই দীর্ঘ তিন বৎসর আত্মগোপন করে থাকতে হয়েছে আমাকে।

    আমি আবার সংসারে তোমাদের সকলের মাঝখানে ফিরে যেতে চাই মালতী। নতুন করে আবার তোমাদের নিয়ে বাঁচতে চাই। তাই কিছুই গোপন করব না, সব বলব অকপটে।

    সলিল দত্ত মজুমদার নামে এক ভদ্রলোককে মুকুল ভালোবাসে, এবং তাদের বিয়েও হয়। মুকুলের সঙ্গে সলিলের বিবাহে অবিশ্যি দাদার পূর্ণ মত ও সহযোগিতা ছিল। দাদা আর সলিল উভয়ে ছিল ঘনিষ্ঠ বন্ধু। সেই সূত্রেই মুকুলের সঙ্গে সলিলের আলাপ।

    দাদা আমারই মত ম্যাট্রিক পাস করে আই. এ. পড়তে পড়তে পড়া ছেড়ে দেয়। মামারা তখন তাকে ঘর থেকে বের করে দেয়, কারণ ঐ বয়সেই দাদা স্মাগলারদের দলে ভিড়ে গিয়েছিল।

    আর ওই স্মাগলিংয়ের সূত্রেই সলিল দত্ত মজুমদারের সঙ্গে দাদার আলাপ ও ঘনিষ্ঠতা। সলিল দত্ত মজুমদার বিলাতফেরত ও একজন বড় অফিসার হওয়া সত্ত্বেও স্মাগলিংয়ে জড়িত ছিল।

    লোকটার টাকার নেশা ছিল প্রচণ্ড। মুখোশ ছিল তার বড় একটা কোম্পানিতে বড় একটা পোস্টের চাকরি। তার অন্ধকারের জীবনটা বোধ করি ঐ চাকরি ও পজিশনের দরুণই ধরাছোঁয়ার বাহিরে ছিল।

    বিবাহের পর মুকুল যখন তার ঘরে এল সে কিন্তু ঘুণাক্ষরেও এই সব কিছু না জেনেই এসেছিল।

    আগেই বলেছি মুকুল ছিল সত্যিই সুন্দরী। দলের একজন হোমরাচোমরা ছিল ইসমাইল খান, লোকটা জাতিতে পাঠান, একদিন মুকুলকে দেখে সে পাগল হয়ে উঠল।

    সোজাসুজিই সে সলিলকে কথাটা বললে। সলিল দত্ত মজুমদারকে ইসলাইমের প্রস্তাবে রাজী হতে হল, কারণ তা ছাড়া তার উপায় ছিল না। এক রাত্রে ঘুমন্ত মুকুলের শয়নকক্ষে ইসমাইলকে ঢুকিয়ে দিল সলিল।

    কিন্তু ইসমাইল খান জানত না মুকুল কি প্রকৃতির মেয়ে, সে ধর্ষিতা হল বটে কিন্তু তাকে শেষ পর্যন্ত মুকুলের হাতেই প্রাণ দিতে হল পিস্তলের গুলিতে।

    তারপর সেই পিস্তলের সাহায্যেই মুকুল আত্মহত্যা করার চেষ্টা করে, কিন্তু পারে না। অবশেষে তার মস্তিষ্ক বিকৃতি ঘটে। সব ব্যাপারটা ঘটে সলিল দত্ত মজুমদারের দেওঘরের বাড়িতে।

    রাতারাতি ইসমাইলের মৃতদেহটা সলিল দত্ত মজুমদার পাচার করে দিল। আর মুকুলকে পাঠিয়ে দিল রাঁচীর পাগলা গারদে। সে এখন বদ্ধ উন্মাদ।

    কোন প্রমাণই ছিল না। সলিল দত্ত মজুমদার রটিয়ে দিল মুকুল নিরুদ্দিষ্টা।

    দাদা কিন্তু খুঁজে বেড়াতে লাগল মুকুলকে।

    ঐ সময় অনুরাধা এল আকস্মিক ভাবে সলিল দত্ত মজুমদারের জীবনে। অনুরাধা একজনকে ভালবাসত কিন্তু সলিল দত্তর চাতুরিতে কিছুটা এবং কিছুটা একটা সাচ্ছল্যের জীবনের জন্য সে ভুলে গেল সব কিছু।

    দাদা বরাবরই সলিল দত্তর উপর নজর রেখেছিল, হঠাৎ সে সংবাদ পেল সলিল দত্ত পুরীতে আসছে। সঙ্গে সঙ্গে দাদা স্থির করে সে পুরীতেই যাবে এবং তার সঙ্গে শেষবারের মত দেখা করবে। মুকলের ব্যাপারে একটা হেস্তনেস্ত করবে। কিন্তু একা সম্ভব নয়, তাই সে জামসেদপুরে গিয়েছিল আমার সঙ্গে দেখা করতে। আমি সেরাত্রে বঙ্কিমের গৃহে তাকে চিনেও না চেনবার ভান করলাম। দাদা সেখান থেকে বের হয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গেই আমিও উঠে পড়লাম। আমি বুঝেছিলাম আমার সঙ্গে দেখা না করে ও কথা না বলে দাদা যাবে না। ঠিক তাই হল, মাঝপথেই তার সঙ্গে আমার দেখা হল।

    ক্ষিতি!

    কে? দাঁড়ালাম আমি। থমথমে অন্ধকার রাত। পথে জনমিনিষ্যি নেই।

    দাঁড়া। আমি জীমুত—

    কি চাই? কেন এসেছ? আমি শুধালাম।

    মুকুলের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে।

    কোথায় সে? বেঁচে আছে তাহলে?

    হ্যাঁ, বদ্ধ উন্মাদ। আছে রাঁচীর পাগলা গারদে।

    কি করে জানলে?

    ইসমাইল খানের ব্যাপারটা আমাকে বলে গেল জীমূতবাহন।

    শুধালাম, কি করে এসব কথা জানলে?

    দলের লোকেদের কাছ থেকেই জেনেছি। শোন যেজন্য এসেছি, আজ শুক্রবার, সামনের বুধবার তুই চলে আয় পুরী। আমি ঐদিনই পুরী পৌছাব। সলিল পুরীতে যাচ্ছে, মুখোমুখি একটা মোকাবিলা করতে হবে ঐ শয়তানটার সঙ্গে। আমি একা থাকলে হবে না—তুইও আসবি।

    আমি রাজী হয়ে গেলাম। আর তিন দিন বাদেই পুরী রওনা হলাম।

    হোটেলে পাশাপাশি ঘরে আমরা ছিলাম। আমি ও দাদা ১৭নং ঘরে, আর ১৮নং ঘরে সলিল দত্ত মজুমদার। যে রাত্রে পুরীতে পৌঁছাই, সেই রাত্রেই ঘটনাটা ঘটল।

    সলিলের হাতে ঘুমের মধ্যে জীমূতবাহন নিহত হল।

    পিছন থেকে তার গলায় ধারাল অস্ত্র চালিয়ে তাকে হত্যা করা হয়।

    সেরাত্রে খুব বেশী মদ্যপান করে নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছিলাম, দুই ভাইয়ে মিলে দুবোতল প্রায় শেষ করেছিলাম। তখনও জানি না, সলিল পাশের ঘরেই আছে। আমি জানতাম সে তখনও হোটেলে এসে পৌঁছায়নি।

    শেষরাত্রের দিকে ঘুমটা ভেঙে যেতে দেখি ঐ বীভৎস দৃশ্য। দাদা নিহত।

    ভয়ে পালালাম আমি। পাছে আমাকেই পুলিস খুনী বলে ধরে।

    দাদার কথা শুনে পুরীতে এসে ভুল করেছিলাম, আবারও ভুল করলাম পালিয়ে গিয়ে সেই শুরু হল আমার অজ্ঞাতবাস। এই তিনটে বছর যে আমার কিভাবে কেটেছে বেঁচেও মরে আছি আমি।

    শেষ পর্যন্ত এই ব্যাপারের একটা হেস্তনেস্ত—

    ব্যাস, ঐখানেই চিঠি শেষ। চিঠিটা ঐ পর্যন্তই লেখা—আর লেখা হয়নি।

    চিঠিটা হাতে করে কিরীটী বসে রইল অনেকক্ষণ। তারপর একসময় চিঠিটা পকেটে নিয়ে বের হয়ে এল। রাত তখন প্রায় সোয়া নটা।

    ১৭নং ঘরে মালতী ছিলেন। কিরীটী তার ঘরেই থাকবার ব্যবস্থা করেছিল মালতীর এবং নিজে নীচের একটা ঘরে শিট করেছিল।

    দরজা বন্ধ দরজার গায়ে টোকা দিতেই সাড়া এল।

    কে?

    মালতী দেবী, আমি কিরীটী রায়–দরজাটা খুলুন।

    মালতী দরজা খুলে দিল।

    ঘরে আসতে পারি?

    আসুন। দরজা ছেড়ে দিলেন মালতী।

    এই চিঠিটা পড়ে দেখুন।

    কার চিঠি? কিসের চিঠি? মালতী শুধালেন।

    চিঠিটা আপনার স্বামীর লেখা আর আপনাকেই লেখা–চিঠিটা শেষ করতে পারেননি, তাই হয়তো পোস্ট করেননি।

    কোথায় পেলেন এটা?

    আপনার স্বামীর সুটকেসে। পড়ে দেখুন–আপনার সমস্ত প্রশ্নেরই উত্তর এর মধ্যে পাবেন।

    মালতী হাত বাড়িয়ে চিঠিটা নিলেন।

    মালতী কিরীটীর হাত থেকে চিঠিটা নিলেন বটে কিন্তু মনে হল তার জন্য যেন মনের মধ্যে। কোন তাগিদ ছিল না। কোন ইচ্ছা বা আগ্রহও না।

    কিরীটী আর দাঁড়াল না।

    কিরীটী স্থির করেছিল পরের দিনই সে চলে যাবে। মালতী দেবীর কাজটুকু যখন শেষ হয়ে। গিয়েছে, পুরীতে থাকা তো আর প্রয়োজন নেই।

    কেবল একটা কাজ বাকি। হোটেলের বোর্ডারদের গতিবিধির উপর যে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছিল, হেমন্ত সাহুকে বলে তার একটা ব্যবস্থা করে দেওয়া। হোটেল থেকে এখনও কেউ যাননি।

    রাত্রে আহারাদির পর নিজের ঘরে বসে বসে কিরীটী সেই কথাটাই ভাবছিল। রাত তখন গোটা দশেক হবে।

    থানা থেকে হেমন্ত সাহুর লোক এল তার একটা চিঠি নিয়ে।

    সাব, হুজুর আপনাকে একবার থানায় যেতে বলেছেন।

    কিরীটী আর দেরী করে না। উঠে পড়ল। লোকটা একটা সাইকেল-রিকশা এনেছিল। উঠে বসল কিরীটী সাইকেল-রিক্‌শায়।

    শ্রাবণের আকাশটা আজ পরিষ্কার, কোথাও কোন মেঘের চিহ্নমাত্রও নেই। ঝকঝক করছে। আকাশভরা একরাশ তারা।

    সমুদ্রের একটানা গর্জন, বাতাস হু-হু করে ভেসে আসছে। কালো কালো ঢেউগুলো শুভ্র। ফেনার মুকুট মাথায় বালুবেলার ওপরে ভেঙে ভেঙে পড়ছে।

    থানার অফিসঘরেই হেমন্ত সাহু বসেছিলেন, আর তার সামনে মুখখামুখি বসেছিল যে লোকটা তাকে দেখে কিরীটীর ওষ্ঠপ্রান্তে একটা ক্ষীণ হাসির রেখা জেগে ওঠে-সলিল দত্ত মজুমদার।

    এই যে আসুন মিঃ রায়, হেমন্ত সাহু বললেন।

    কিরীটী একটা চেয়ার টেনে নিয়ে বসল।

    আমি জানতে চাই দারোগাবাবু-সলিল দত্ত মজুমদার বললে ভুবনেশ্বরের হোটেল থেকে আমাকে এখানে এভাবে ধরে আনা হল কেন?

    জবাব দিল কিরীটীই, দাবোগাবাবুর কঠিন নির্দেশ সত্ত্বেও আপনি গতকাল কাউকে কিছু না। বলে হোটেল থেকে পালিয়েছিলেন কেন?

    পালিয়েছিলাম। কে আপনাকে বললে?

    যেভাবে চলে গিয়েছিলেন সেটা পালানো ছাড়া আর কি!

    আমি কারও হুকুমের চাকর নই।

    কিন্তু আইন যে কোন সময় আপনার গতি রুখতে পারে–

    অন্যায় আইন—

    ন্যায়-অন্যায়ের বিচারটা পরে হবে, আপনি পালিয়েছিলেন কেন তাই বলুন?

    আবারও বলছি, আমি পালাইনি—চলে গিয়েছিলাম।

    কিন্তু আপনার বোঝা উচিত ছিল ঐভাবে চলে গেলেই আইনের হাত থেকে নিষ্কৃতি পাওয়া যায় না। শুনুন, আপনাকে অ্যারেস্ট করে আনা হয়েছে।

    অ্যারেস্ট। শুনতে পারি কি কিজন্য?

    আপনার বিরুদ্ধে তিন-তিনটি হত্যার অভিযোগ!

    কি পাগলের মত আবোলতাবোল বকছেন?

    তিন বৎসর আগে পুরীর হোটেলে এক রাত্রে জীমূতবাহন চট্টোপাধ্যায়কে হত্যা করেন আপনি, এবং তিন বৎসর পরে আরও দুজনকে পর পর হত্যা করেন—প্রথমে অনুরাধা দেবী ও পরে ক্ষিতীন্দ্রবাবুকে–

    মশাই গাঁজা-টাজা সেবন করেন নাকি?

    আপনি বলতে চান আপনি ঐ হত্যাগুলি করেননি?

    নিশ্চয়ই না–সলিল দত্ত মজুমদারের কণ্ঠস্বরে এতটুকু কোন দ্বিধা বা সংকোচমাত্রও নেই, শান্ত, নিরুদ্বিগ্নতা ঐ অদ্ভুত আজগুবি চিন্তাটা আপনাদের উর্বর মস্তিষ্কে কি করে এবং কেনই বা এল জানতে পারি কি?

    নিশ্চয়ই। কিরীটীও অনুরূপ শান্ত গলায় জবাব দিল, জানতে পারেন বৈকি।

    বক্র হাসি দেখা গেল সলিল দত্ত মজুমদারের ওষ্ঠপ্রান্তে, আমিই যে তাদের হত্যা করেছি তার কোন প্রমাণ কি আপনাদের কাছে আছে?

    প্রমাণ ছাড়া কি দাবোগাবাবু আপনার বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করেছেন?

    তাই নাকি? তা কি প্রমাণ আছে আপনাদের হাতে বলুন তো?

    মোটামুটি যে চারটি প্রমাণ—

    চারটি প্রমাণ।

    হ্যাঁ। কিরীটী শান্তগলায় বললে, যে রাত্রে অনুরাধা দেবীকে হত্যা করা হয়–

    সেরাত্রে তো হোটেলের ত্রিসীমানায়ও আমি ছিলাম না। আমি ভুবনেশ্বরে গিয়েছিলাম, ম্যানেজার ভবেশবাবুকে জিজ্ঞাসা করলেই জানতে পারতেন।

    সে অ্যালিবাইটা আপনার ধোপে টিকবে না, কারণ সেরাত্রে আপনি আদৌ ভুবনেশ্বরে যাননি। আর জগন্নাথ পাণ্ডাই সে সাক্ষ্য দেবে। মনে হল আপনি যেন একটু চমকে উঠলেন : মিঃ দত্ত মজুমদার, আপনার একটা কথা জানা প্রয়োজন, জগন্নাথ পাণ্ডা আপাতত নিরাপদ জায়গাতেই অবস্থান করছে—আদালতেই যা বলবার সে বলবে; তারপর ২ নং প্রমাণ আপনার ব্যবহৃত বিলেত থেকে আনা রেইনকোট, মানে ওয়াটারপ্রুফটা—যেটা আপনি সেরাত্রে জলঝড়ের মধ্যে ব্যবহার করেছিলেন—তারপর আপনার কাজকর্ম চুকে যাবার পর হোটেল থেকে বের হয়ে গিয়ে সমুদ্রতীরে একটা কাঁটাঝোপের মধ্যে ফেলে দিয়ে এসেছিলেন। সেটার স্থানে স্থানে এখনও যথেষ্ট রক্তচিহ্ন আছে—যে রক্ত কেমিক্যাল অ্যানালিসিসে প্রমাণ করবে অনুরাধা দেবীরই রক্ত, সেটা এখন সেরাত্রের হত্যাকাণ্ডের অন্যতম প্রমাণ হিসাবে থানায়-ই আছে।

    শেষের কথাগুলো শুনতে শুনতে কিরীটীর মনে হল যেন সলিল দত্ত মজুমদারের মুখের চেহারাটা কেমন পালটে যাচ্ছে।

    এবার আসা যাক তৃতীয় প্রমাণে—আপনার পিস্তলটা, যেটার সাহায্যে তৃতীয় দিন রাত্রে আপনি আপনার হতভাগ্য নির্বোধ সম্বন্ধী ক্ষিতীন্দ্রবাবুকে হত্যা করেছিলেন, সেই পিস্তলটা আজ শেষরাত্রে একজন জেলে সমুদ্রের কাছে কুড়িয়ে পেয়েছে—ঐ পিস্তলের নম্বরটাই প্রমাণ দেবে, ঐ পিস্তলের লাইসেন্স হোল্ডার কে!

    কিরীটীর মনে হল, সলিল দত্ত মজুমদারের থুতনীটা যেন ঝুলে পড়েছে।

    বলছিলাম না চারটি প্রমাণ আপাতত আমাদের হাতে আছে, চতুর্থ প্রমাণ হল ক্ষিতীন্দ্রবাবুর অসমাপ্ত একখানা চিঠি। সারাটা জীবন ধরে নির্বুদ্ধিতা করে করে বোধ হয় মৃত্যুর আগে ঐ একটিমাত্র বুদ্ধির কাজ করতে উদ্যত হয়েছিলেন ক্ষিতীন্দ্রবাবু তার স্ত্রী মালতী দেবীকে ঐ চিঠিটা লিখতে বসে—এখন বুঝতে পারছেন দত্ত মজুমদার সাহেব, গরল আর পাপ কখনও চাপা থাকে না, তিন বৎসর আগেকার চাপা পাপও আজ এতদিন পরে প্রকাশ হয়ে পড়ল!

    সলিল দত্ত মজুমদার একেবারে চুপ। কেমন যেন অসহায় বোবাদৃষ্টিতে তাকিয়ে আছেন কিরীটীর মুখের দিকে।

    সেইদিনই হয়তো আপনি ধরা পড়তেন, যদি না নির্বোধ ক্ষিতীন্দ্রবাবু প্রাণের ভয়ে পালিয়ে আত্মগোপন করে থাকতেন। অবিশ্যি আপনাকে পরোক্ষভাবে ক্ষিতীন্দ্রবাবুর অতি চালাক ও বুদ্ধিমতী স্ত্রী মালতী দেবীও কিছুটা সাহায্য করেছিলেন। তার নিজের স্বামী বলে জীমূতবাহনের দেহটা identify করে। যাক গে সেকথা, সে রাত্রে জীমূতবাহনের মুখ বন্ধ করবার জন্য তাকে কি ভাবে হত্যা করেছিলেন তা আমরা জানতে চাই না, জানবার আর প্রয়োজনও নেই, যে দুটি হত্যার প্রমাণ আমাদের হাতে আছে তাই যথেষ্ট। কিন্তু আমার প্রশ্ন : আপনি তো ভাল করেই জানতেন, অনুরাধা দেবীকে ডঃ সেন ভালোবাসেন। তা জানা সত্ত্বেও ভদ্রলোকের কাছ থেকে অনুরাধাকে অমন করে ছিনিয়ে এনেছিলেন কেন?

    হঠাৎ ঐ সময় সলিল দত্ত মজুমদার হাঃহাঃহাঃ করে উচ্চকণ্ঠে হেসে উঠলেন।

    মিঃ দত্ত মজুমদার–কিরীটী ডাকল।

    কিন্তু দত্ত মজুমদার তখনও হাসছে হাঃ হাঃহাঃ! থানার ঘরের দেওয়ালগুলোতে যেন সেই হাসির শব্দ প্রতিহত হয়ে ঠিকরে ঠিকরে যেতে লাগল।

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমানসী তুমি – নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    Next Article যুগলবন্দী – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    Related Articles

    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ১ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ১৩ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ২ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ১২ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ৩ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ৪ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }