Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সামনে সমুদ্র নীল – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    নীহাররঞ্জন গুপ্ত এক পাতা গল্প115 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সামনে সমুদ্র নীল – পরিচ্ছেদ ৫

    ০৫.

    এক সময় থমকে দাঁড়াল অনুরাধা।

    সমুদ্রের নির্জন তীর ধরে হাঁটতে হাঁটতে ইতিমধ্যে কখন যেন সে হোটেল থেকে অনেকটা দূরে চলে এসেছে, এখন বাঁয়ে অশান্ত কল্লোলিত সমুদ্র একটানা গর্জন করে চলেছে, অন্যদিকে ধু ধু বালিয়াড়ি, কোন লোকালয়ের চিহ্নমাত্রও নেই। ভিজে বালির উপর দিয়ে হাঁটছিল অনুরাধা। এবারে সেখানেই বসে পড়ল, পা দুটো ক্লান্ত। মধ্যে মধ্যে ঢেউগুলো এসে পায়ের পাতা ভিজিয়ে দিয়ে যাচ্ছে। মাথায় আঁচলটা ঘোমটার মত তুলে দিয়ে চপ্পলজোড়া পা থেকে খুলে হাতে তুলে। নিয়েছিল অনুরাধা। রৌদ্রের তাপটা যেন কেমন এখন ঝিমিয়ে এসেছে। আকাশের দিকে তাকাল অনুরাধা, সেই হাল্কা ইতস্তত ছড়ানো টুকরো টুকরো মেঘগুলো কখন যেন পরস্পরের সঙ্গে মিলেমিশে আর অনেকখানি আকাশের গায়ে জুড়ে বসেছে। কি ভেবে ফিরল অনুরাধা। আর এগুনো হয়ত ঠিক হবে না।

    এ দুই বৎসর অনুরাধাদের সংসারেরও অনেক পরিবর্তন হয়ে গিয়েছে। আকস্মিকভাবেই বৎসরখানেক আগে মধুছন্দার বিয়েটা হয়ে গেল। রিটায়ার্ড জজ যোগেশবাবু হাঁটতে হাঁটতে লেক থেকে ফিরবার পথে অনেক দিন মধুছন্দাকে দেখেছেন, কারণ তার বাড়িও ছিল ঐ রজনী সেন স্ট্রীটেই! একমাত্র ছেলে তার ইলেকট্রিক্যাল ইনজিনিয়ার, ভিলাইতে চাকরি করছিল, স্ত্রীর অনেক দিন আগেই মৃত্যু হয়েছিল, ছেলে যেবার আই. আই. টি.-তে ভর্তি হয়। সংসারে বাপবেটা ছাড়া কোন তৃতীয় ব্যক্তি ছিল না। ছেলের বিবাহ দেবেন বলে যোগেশবাবু পাত্রী দেখছিলেন, মধুছন্দাকে দেখে তার ভাল লাগে, তিনি নিজে তার মা সরোজিনীর সঙ্গে দেখা করে বিবাহের প্রস্তাব তোলেন।

    মা-ও হাতে স্বর্গ পান। তাছাড়া কিছুদিন থেকে পেটের একটা যন্ত্রণায় মা খুবই কষ্ট পাচ্ছিলেন, প্রায়ই শয্যাশায়ী হয়ে থাকতে হত তাকে এবং আরও একটা কথা—অনুরাধার কথা ভেবে তার মনের সমস্ত শান্তি চলে গিয়েছিল। মেয়ে অনু চাকরি নেবার কয়েক মাস পর থেকেই যেন তার মধ্যে একটা পরিবর্তন লক্ষ্য করতে শুরু করেছিলেন ওদের মা সরোজিনী দেবী।

    অনুরাধা প্রায়ই তার অফিসের বড় সাহেবের সঙ্গে আজ দিল্লী, পরশু বোম্বাই, তরশু মাদ্রাজ যেতে শুরু করল কখনও সাত দিন, কখনও দশ দিন পরে ফিরত। অবিবাহিতা বয়সের মেয়ে, আদৌ ভাল লাগছিল না ব্যাপারটা সরোজিনীর। একদিন আর না থাকতে পেরে প্রশ্নই করলেন, অনু, সরিৎকে আর দেখি না কেন রে? সেই যে যার সঙ্গে তোর পরিচয় ছিল, এখানে প্রায়ই আসত–

    তা আসে না কেন আমি জানব কি করে।

    সরিৎ তো তোকে বিয়ে করবে বলেছিল—

    সে বিয়ে হবে না।

    বিয়ে হবে না? কেন? সে বলেছে বিয়ে করবে না?

    না—আমার বস দত্ত মজুমদার চান না তার সঙ্গে আমি কোন সম্পর্ক রাখি।

    সে আবার কিরকম কথা?

    মিঃ দত্ত মজুমদারকেই আমি বিয়ে করছি—

    দত্ত মজুমদারকে বিয়ে করবি? লোকটার তো অনেক বয়েস হয়েছে বলছিলি!

    তাতে কি হয়েছে, ব্যাচিলার এখনও।

    সরোজিনীর ব্যাপারটা আদৌ ভাল লাগল না, কিন্তু তিনি আর কোন কথা বললেন না।

    সরিৎশেখর যে গত দুই বৎসর অনুরাধাকে কখনও পথে যেতে আসতে দেখেনি তার কারণ সে দত্ত মজুমদারের গাড়িতেই সর্বদা যাতায়াত করত। সকালে দত্ত মজুদারের গাড়ি এসে তাকে নিয়ে যেত, ফিরে আসতে আসতে প্রায়ই রাত এগারোটা সাড়ে এগারোটা হয়ে যেত।

    সরোজিনী মেয়েকে কখনও আর কোন প্রশ্নই করেননি। অনুরাধা অফিসে চাকরি করে, মোটা মাইনে পায়, নিত্য নতুন দামী দামী শাড়ি ব্লাউজ—সবই দেখতেন সরোজিনী, কিন্তু কোন কথা বলতেন না। তবে মেয়ের হালচাল দেখে অনেক কিছুই অনুমান করতে তার কষ্ট হয়নি। তাই যোগেশবাবুর প্রস্তাবে সঙ্গে সঙ্গে সম্মত হয়ে গেলেন সরোজিনী। পরের মাসেই মধুছন্দার বিবাহ হয়ে গেল। সে চলে গেল তার স্বামীর কাছে দিল্লীতে। সেই মধুছন্দাই দিন কয়েকের জন্য কলকাতায় এসে তার মাকে দিদি সম্পর্কে অনেক কথা বলে গেল।

    বললে, সবাই জানে মা, দিদির দত্ত মজুমদারের সঙ্গে বিয়ে হয়নি।

    বিয়ে হয়নি!

    না। আমি ভাল করে খোঁজ নিয়ে জেনেছি, দিদি দত্ত মজুমদারের রক্ষিতার মত আছে। দত্ত মজুমদারের স্ত্রী আছে। তাহলেই বুঝে দেখ ব্যাপারটা।

    সরোজিনী অস্ফুট একটা চিৎকার করে উঠলেন, মধু!

    হ্যাঁ মা, ঐ দত্ত মজুমদারটা একটা স্কাউড্রেল—

    সরোজিনী যেন পাথর হয়ে গেলেন। অনুরাধা সে-সময় কলকাতায় ছিল না। দিল্লীতেই ছিল। চার দিন পরে অনুরাধা যখন ফিরে এল, ব্যথায় সরোজিনী শয্যাশায়ী। সলিল দত্ত মজুমদার সব শুনে অনুরাধাকে পরামর্শ দিলেন, মাকে নার্সিং হোমে ভর্তি করে দাও-খরচপত্র যা লাগে। আমিই দেব।

    কি জানি কেন অনুরাধা আর কোন আপত্তি করল না। সরোজিনীও আপত্তি করলেন না। কিন্তু নার্সিং হোমে পেট ওন করে দেখা গেল ক্যানসার। এবং রোগ তখন অনেক ছড়িয়ে গিয়েছে, করবার আর কিছু নেই।

    তিন মাস বাদে ঐ নার্সিং হোমেই সরোজিনী শেষ নিঃশ্বাস নিলেন। এবং তারই কিছুদিন পরে সেই বিচিত্র ঘটনাটা ঘটল।

    এক শনিবার বেলা তখন সোয়া তিনটে হবে, অফিস ছুটি হয়ে গিয়েছে। অনুরাধা ঘরে একা বসে একটা চিঠি টাইপ করছিল। পাশেই দত্ত মজুমদারের ঘরে একটা তর্কাতর্কি চেঁচামেচি তার কানে এল। কড়া-গলায় দত্ত মজুমদার ও অন্য এক ব্যক্তি পরস্পরের সঙ্গে তর্কাতর্কি করছেন।

    আমি জানতে চাই সলিল, মুকুল কোথায়? পুরুষকণ্ঠে প্রশ্ন।

    আমি তোমার প্রশ্নের কোন জবাব দেব না জীমূতবাহন—

    দিতে তোমাকে হবে, মুকুল আমার বোন—তোমার বালিগঞ্জের ফ্ল্যাটে সে নেই, সেখানে অন্য ভাড়াটে–

    সে আমার স্ত্রী, আমার স্ত্রী সম্পর্কে সব কিছু তোমার এক্তিয়ারের বাইরে—

    হ্যাঁ, স্ত্রীর মর্যাদা তো তাকে যথেষ্ট দিয়েছ!

    এখান থেকে চলে যাও—

    জবাব না নিয়ে আমি যাব না। আমি জানতে চাই, তুমি আবার বিয়ে করেছ কিনা?

    আমি আবার বিয়ে করেছি? হ্যাঁ করেছি।

    তবে শুনে রাখ, I shall drag you to the court. পলিগেমির শাস্তি কি সেটা জানতে তোমার দেরি হবে না।

    I say get out—দত্ত মজুমদারের হাতে পিস্তল, তার ড্রয়ারে সব সময়ই একটা পিস্তল থাকত, সেটা তখন তিনি বের করেছেন Get out of this room!

    ঠিক আছে আমি যাচ্ছি, তবে আবার আমাদের দেখা হবে, লোকটা চলে গেল।

    পাশের ঘরে অনুরাধার মাথাটা তখন ঘুরছে। পায়ের তলার মাটি সরে যাচ্ছে। একটু একটু করে নিজেকে সামলে নিয়ে সোজা অফিস থেকে বের হয়ে একটা ট্যাক্সি নিল অনুরাধা।

    রাত তখন দশটা।

    রজনী সেন স্ট্রীটের বাড়িতে তার ঘরে ঝিম মেরে বসে ছিল অনুরাধা।

    ঝি বেলার মা সেদিন আবার কাজে আসেনি, সে-ই রান্না করে রেখে যেত, ঐ দিন রাত্রে স্থির ছিল বাইরের হোটেলে সে ও দত্ত মজুমদার ডিনার করবে।

    সিঁড়িতে জুতোর শব্দ।

    ঘরের দরজাটা খোলাই ছিল। দত্ত মজুমদার এসে ঘরে ঢুকলেন, অনু—

    ফ্যাকাশে অসহায় বোবা দৃষ্টি তুলে তাকাল অনুরাধা দত্ত মজুমদারের দিকে।

    তুমি হঠাৎ অফিস থেকে আমায় না বলে চলে এলে কেন অনু? চল চল, ডিনার খেতে যাবে না?

    না। তারপরই অনুরাধা বললে, তুমি–তুমি বিবাহিত?

    কে বললে?

    যেই বলুক কথাটা সত্যি কিনা তাই শুধু জানতে চাইছি!

    না, সত্যি নয়—

    সত্যি নয়? তুমি বিবাহিত নও—তোমার স্ত্রীর নাম মুকুল নয়?

    হ্যাঁ, তার নাম মুকুলই ছিল। মানে অনেককাল আগে একজনকে বিয়ে ঠিক নয় লাইফ কম্প্যানিয়ান হিসাবে ছিল, সেই মুকুল।

    ছিল মানে?

    সে বেঁচে নেই। দুই বৎসর আগে তার মৃত্যু হয়েছে, She is dead.

    আমি কথাটা বিশ্বাস করি না। তুমি মিথ্যুক—

    আমার কথা তুমি বিশ্বাস করো না রাধা?

    না—না—না–করি না, তুমি চলে যাও–

    কেন কেলেঙ্কারি করবে, নীচের ভাড়াটেরা সব জেনে যাবে, চল আমার পার্ক স্ট্রীটের ফ্ল্যাটে চল।

    না, যাব না আমি।

    দুজনের মধ্যে মনোমালিন্যের সূত্রপাত ওখানেই।

    যায়নি সেদিন অনুরাধা সলিল দত্ত মজুমদারের পার্ক স্ট্রীটের ফ্ল্যাটে। কিন্তু তারপর কটা দিনই বা, নিজের অপমান লজ্জা ও কেলেঙ্কারির ভয়ে অনুরাধাকে কয়েকদিন পরেই আবার। সলিল দত্ত মজুমদারের ফ্ল্যাটে গিয়ে ঢুকতে হয়েছিল। কিন্তু মনের মধ্যে যে চিড় খেয়েছিল সেটা আর জোড়া লাগল না। ক্রমশ সেটা গভীর থেকে গভীরতর হয়ে চলেছিল। একটা অজগর যেমন তার শিকারকে গ্রাস করে, দত্ত মজুমদার যেন তেমনি করেই তাকে গ্রাস করেছিল। বের হয়ে আর আসতে পারেনি অনুরাধা সেই গ্রাস থেকে।

    কিন্তু আজ আজ আবার অনেক দিন পরে সরিৎকে দেখে অনুরাধার মনের মধ্যে যেন–একটা ওলটপালট হয়ে গিয়েছে। সে যেন এই দুর্বিসহ বন্দী জীবন থেকে বেরুবার একটা ইঙ্গিত পেয়েছে। মনের কোথায় যেন একটা মুক্তির বাঁশি শুনতে পেয়েছে।

    তার এই দুই বৎসরের বন্দীজীবনে কতবার ভেবেছে সরিৎশেখরের কাছে সে ছুটে যায়, কিন্তু কেন যেন সাহস হয়নি।

    ঐ দত্ত মজুমদার মানুষটা হয়তো তাহলে সরিৎশেখরকেও নিষ্কৃতি দেবে না, ভয়ংকর চরিত্রের ঐ মানুষটা, ওকে বিশ্বাস নেই।

    অনুরাধা মনে মনে স্থির করে, আজ সে বলবে, সরিৎকে সব কথা বলবে। বলবে, বাঁচাও আমাকে সরিৎ, আমাকে বাঁচাও। বালুর উপর বসেছিল অনুরাধা, উঠে দাঁড়াল, হাতঘড়িটার দিকে তাকিয়ে দেখল বেলা একটা বেজে গিয়েছে। সূর্য দেখা যাচ্ছে না, আকাশে মেঘ জমেছে, একটা কালো শান্ত ছায়া যেন আকাশ ও সমুদ্রে ছড়িয়ে পড়েছে। অনুরাধা আবার হোটেলের দিকে হাঁটতে শুরু করল।

    অনুরাধা যখন হোটেলের ১৬নং ঘরে এসে ঢুকল, সলিল দত্ত মজুমদার তখন একটা চেয়ারে বসে ঐ দ্বিপ্রহরে নির্জলা হুইস্কি পান করছিল। কাল রাত্রে যে বোতলটা খুলেছিল, আজ দুপুরের আগেই সেটা প্রায় তলানিতে এসে ঠেকেছে।

    অনুরাধাকে ঘরে ঢুকতে দেখে সলিল দত্ত মজুমদার ওর দিকে চোখ তুলে তাকাল। চোখ দুটো লাল, মাথার চুল রুক্ষ।

    এতক্ষণ কোথায় ছিলে? সলিল প্রশ্ন করল।

    অনুরাধা কোন জবাব দিল না।

    আমার কথার জবাব দিচ্ছিস না কেন হারামজাদী! কথার জবাব দে—যেন একটা বিষাক্ত কেউটে রাগে হি হি করে।

    অনুরাধা নির্নিমেষ চেয়ে আছে ঐ লোকটার দিকে।

    পুরানো নাগর দেখে পীরিত উথলে উঠেছিল, তাই না? আবার গর্জে উঠল সলিল দত্ত মজুমদার, জবাব দে।

    মনে রাখবেন এটা হোটেল। পাশের ঘরে লোক আছে।

    Shut up! চেঁচিয়ে উঠল সলিল দত্ত মজুমদার।

    অনুরাধা ঘর থেকে বের হয়ে যাবার জন্য দরজার দিকে এগিয়ে গেল। সলিল দত্ত মজুমদার চেঁচিয়ে উঠল, দাঁড়া, এক পা এগুবি তো কুকুরের মত গুলি করে মারব। হারামজাদী, বেশ্যা!

    কি কুৎসিত দেখাচ্ছিল দত্ত মজুমদারের মুখটা, যেন একটা কালো নেকড়ে বাঘ। রক্তাক্ত চোখের চাউনি থেকে যেন কুটিল হিংস্রতা বিচ্ছুরিত হচ্ছিল।

    স্তম্ভিত বিস্ময়ে অনুরাধা লোকটার মুখের দিকে নির্বাক তাকিয়েছিল, ঘৃণায় লজ্জায় যেন অনুরাধা ঐ মুহূর্তে পাথর হয়ে গিয়েছে। এইটাই বোধ করি ঐ মানুষটার সত্যিকারের পরিচয়।..

    পাশের ১৭নং ঘরে ছিল কিরীটী। পাশের ১৬নং ঘরের দেওয়াল ভেদ করে যেন সলিল দত্ত মজুমদারের প্রত্যেকটি কথা স্পষ্ট তার কানে যাচ্ছিল। আর একজনও শুনতে পাচ্ছিল—চন্দ্রকান্ত ঘাই, একটু আগে যে ১৫নং ঘরে এসে ঢুকেছে। তারও কানে যায় কথাগুলো। সে দেওয়ালে কান পেতে দাঁড়ায়। ঐ গলাটা তার চেনা। তাহলে এই হোটলের ঠিক পাশের ঘরেই ঐ লোকটা এসে উঠেছে! চন্দ্রকান্ত ঘাই মনে মনে হাসে। সংবাদটা তাহলে মিথ্যা নয়? চন্দ্রকান্ত ঘরে ঢুকে চেয়ারে বসল। তারপর পকেট থেকে একটা বিড়ি নিয়ে দেশলাই দিয়ে বিড়িটা ধরাল। তারপর যেন পরম নিশ্চিন্তে বিড়িটায় সুখটান দিতে লাগল।

    কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকে অনুরাধা বলল, আমি আজকের ট্রেনেই কলকাতায় ফিরে যাব।

    কি বললি! ফিরে যাবি?

    ভদ্রভাবে কথা বলুন, অনুরাধা বলল! নতুবা এখুনি আমি নীচে গিয়ে তোক জড়ো করব—থানায় যাব।

    জোঁকের মুখে নুন পড়লে যেমন হঠাৎ গুটিয়ে যায়, থানার নাম শুনে সেও যেন চুপসে গেল সঙ্গে সঙ্গে। বার দুই কেবল হেঁচকি তুলল উ উ শব্দে।

    আমি নীচে গিয়ে লোক জড়ো করে তাদের বলব, আপনি আমাকে জোর করে এখানে ধরে রেখেছেন—

    তুমি আমার স্ত্রী-মিনমিনে গলায় সলিল দত্ত মজুমদার বললে।

    না, কোন দিনই আপনার স্ত্রী ছিলাম না, আজও নই।

    কিন্তু আমাদের বিয়ে হয়েছে–

    সে বিয়ে আইনত অসিদ্ধ, আদালতে গেলেই তা প্রমাণ হবে। অনুরাধা যেন কুঁসছিল। আরও সে কিছু বলত কিন্তু বন্ধ দরজার গায়ে করাঘাত পড়ল।

    দত্তবাবু, দত্তবাবু–

    কে?

    আমি চাদু, হোটেলের বেয়ারা।

    সলিল উঠে গিয়ে দরজাটা খুলে দিল, কি চাই?

    ম্যানেজারবাবু বলে পাঠালেন, আপনার ট্যাক্সি ঠিক হয়ে গিয়েছে। ট্যাক্সিওয়ালা জিজ্ঞাসা করছে আপনি কখন বেরুবেন।

    চল, আমি নীচে যাচ্ছি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমানসী তুমি – নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    Next Article যুগলবন্দী – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    Related Articles

    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ১ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ১৩ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ২ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ১২ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ৩ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ৪ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }