Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সামনে সমুদ্র নীল – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    নীহাররঞ্জন গুপ্ত এক পাতা গল্প115 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সামনে সমুদ্র নীল – পরিচ্ছেদ ৮

    ০৮.

    ১৫নং ঘরের দরজা বন্ধ তখনও।

    সাহুই বন্ধ দরজার গায়ে কয়েকবার ধাক্কা দিয়ে চেঁচালেন, দরজাটা খুলুন, শুনছেন মশাই, দরজাটা খুলুন!

    কিন্তু সাড়াশব্দ পাওয়া গেল না। সাহু আবার ধাক্কা দিলেন আরও জোরে।

    প্রায় মিনিট তিনেক ধাক্কাধাক্তির পর ঘরের দরজা খুলে গেল।

    কে? কি চাই? কিন্তু ঐ পর্যন্তই—আর কথা বেরুল না চন্দ্রকান্তর গলা থেকে!

    একমাথা ঝাকড়া আঁকড়া কাঁচাপাকা এলোমেলো চুল, মুখভর্তি কাঁচাপাকা দাড়ি, পরনে একটা মলিন স্ন্যাকস ও গায়ে একটা ততোধিক ময়লা ও ছেড়া গেঞ্জি। গেঞ্জিটা যে কতদিনের পুরানো ও ময়লা কে জানে!

    সাহুই প্রশ্ন করলেন, কি নাম আপনার?

    আপনার নাম দিয়ে কি হবে?

    সাহু এবার বেশ একটু কড়া গলাতেই বললেন, যা জিজ্ঞাসা করছি তার জবাব দিন বলে চন্দ্রকান্তকে আর জবাবের অবকাশ না দিয়ে তাকে ঠেলেই যেন একপ্রকার সকলে ঘরের মধ্যে ঢুকে পড়ল। ঘরের মধ্যে এলোমেলো একটা শয্যা, গোটা দুই ধেনো মদের শূন্য বোতল মেঝেতে গড়াচ্ছে, এখানে ওখানে মেজেতে আধপোড়া সিগারেটের টুকরো ছড়ানো।

    একপাশে মেঝেতে একটা ছোট সুটকেস, দেওয়ালের আলনায় একটা ময়লা হাফ হাতা হলদে রংয়ের টেরিকটের শার্ট ঝুলছে।

    সাহু আবার প্রশ্ন করলেন, কি নাম আপনার?

    চন্দ্রকান্ত ঘাই। ভাঙাভাঙা কর্কশ কণ্ঠে জবাব এল।

    কোথা থেকে আসেছেন?

    কলকাতা থেকে।

    তা কি করা হয়?

    কাজকর্ম কিছু করি না, তবে পেলে করি—

    কিছু করেন না!

    রিটায়ার করেছি বছর কয়েক হল, রিটায়ার করার পর থেকে এখানে ওখানে ঘুরে ঘুরে বেড়াই।

    কিরীটী একদৃষ্টে চন্দ্রকান্তর মুখের দিকে তাকিয়ে ছিল।

    একমুখ কাঁচাপাকা দাড়িগোঁফ থাকলেও কেন যেন তার মনে হচ্ছিল ঐ মুখের সঙ্গে কোথায়। একটা ক্ষীণ সাদৃশ্য আছে তার দেখা কোন একটা মুখের। কিন্তু কিরীটী ঠিক যেন স্মরণ করতে পারে না ঐ মুহূর্তে।

    চন্দ্রকান্ত বললে এবারে, কিন্তু এভাবে ডাকাডাকি করে আমার ঘুমটা ভাঙালেন কেন দারোগা সাহেব, বলবেন কি?

    আপনার ঠিক পাশের ঘরেই একজন ভদ্রলোক ও একজন স্ত্রীলোক থাকতেন, নিশ্চয়ই জানেন মিঃ ঘাই? সাহুর প্রশ্ন।

    না।

    জানেন না?

    না। হোটেলে উঠেছি, আজ না হয় কাল চলে যাব, আমার পাশের ঘরে কে আছে না আছে। সে খবর জেনে আমার কি হবে—আর তার দরকারটাই বা কি!

    আপনার পাশের ঘরের মহিলাটিকে কাল রাত্রে কেউ হত্যা করেছে—

    কি–কি বললেন—খুন?

    হ্যাঁ, খুন। নৃশংসভাবে খুন করা হয়েছে, কিরীটী বললে। কথাটা বলে কিরীটী তীক্ষ্ণদৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে চন্দ্রকান্তর মুখের দিকে। চন্দ্রকান্তর দুচোখের তারায় একটা স্পষ্ট ভীতি।

    বেশ কিছুক্ষণ চুপ করে রইল চন্দ্রকান্ত, তারপর একটা ঢোক গিলে বলল, তা আমার কাছে কেন এসেছেন আপনারা?

    কাল রাত্রে আপনি তো পাশের ঘরেই ছিলেন—

    দোহাই আপনাদের, আমি কিছু জানি না।

    কিরীটী ঘরের এদিক ওদিক তাকাচ্ছিল অনুসন্ধানী দৃষ্টিতে, হঠাৎ প্রশ্ন করল, ঐ সুটকেসটা আপনার?

    হ্যাঁ, আমার—

    কি আছে ওটার মধ্যে?

    জামাকাপড়, বোধ হয় একটা রামের বোতল, আর কিছু টুকিটাকি জিনিস।

    দেখতে পারি?

    হ্যাঁ, দেখুন না।

    কিরীটী এগিয়ে গিয়ে সুটকেসের ডালাটা খুলতেই থমকে দাঁড়াল। জামা কাপড়ের ওপরে একটা তীক্ষ্ণধার রক্তমাখা ভোজালি।

    এটা কার?

    ভোজালি! সে কি? ওটা কোথা থেকে এল আমার সুটকেশের মধ্যে।

    কিরীটী রুমাল বের করে সন্তর্পণে ভোজালিটা তুলে নিল। মিঃ সাহু, দেখুন! হেমন্ত সাহু কিরীটীর হাতের দিকে তাকালেন। মাঝারি সাইজের সুন্দর চমৎকার হরিণের শিঙেয়ের তৈরি বাঁটওয়ালা একটা ভোজালি।

    কিরীটী বললে, দেখুন, এখনও রক্তের কালো দ্রাগ শুকিয়ে আছে ভোজালিটার গায়ে। আর দেখছেন–

    হ্যাঁ, একটা কালো লম্বা চুল। সাহু বললেন।

    আমার অনুমান যদি মিথ্যা না হয়, তো—কিরীটী মৃদুকণ্ঠে বললে, এই ভোজালিটার সাহায্যেই হত্যাকারী অনুরাধা দেবীকে হত্যা করেছিল।

    সাহু চন্দ্রকান্তর মুখের দিকে এবার যেন পূর্ণ দৃষ্টিতে তাকালেন।

    চন্দ্রকান্ত স্থির পাষাণের মত দাঁড়িয়ে আছে। বিস্ফারিত দুটি চোখের দৃষ্টি স্থির, ঠোঁটটা যেন ঝুলে পড়েছে নীচের দিকে।

    চন্দ্রকান্তবাবু—সাহু প্রশ্ন করলেন, এটা কার?

    জানি না। শুকনো গলায় যেন ফিস ফিস করে জবাব দিল চন্দ্রকান্ত।

    জানেন না?

    না। একটু–একটু জল–

    সাহুই এগিয়ে গিয়ে এক কোণে ছোট্ট একটা টুলের উপরে রাখা কাঁচের জাগ থেকে গেলাসে জল ঢেলে চন্দ্রকান্তর সামনে ধরলেন।

    কম্পিত হাতটা বাড়িয়ে জলের গ্লাসটা নিয়ে এক চুমুকে চো চো করে সবটুকু জল পান করে নেয় চন্দ্রকান্ত, এবং তার পরমুহূর্তেই চন্দ্রকান্তর কম্পিত শিথিল হাত থেকে শূন্য কাঁচের গ্লাসটা মাটিতে পড়ে ঝনঝন করে ভেঙে গেল।

    চন্দ্রকান্ত কেমন বোকা বিহুল দৃষ্টিতে তাকাল ওদের মুখের দিকে।

    তা যেন হল, কিন্তু অস্ত্রটা আপনার সুটকেসের মধ্যে কোথা থেকে এল?

    কি করে বলব। আমি কিছুই জানি না।

    আপনি তো ঘরের দরজার চাবি নিয়ে শুয়েছিলেন?

    চাবি।

    হ্যাঁ হ্যাঁ, চাবি। দরজার গডরেজের তালার চাবিটা কোথায়?

    কোথায় চাবিটা! কতকটা যেন স্বগতোক্তির মত চন্দ্রকান্ত উচ্চারণ করলে।

    দেখুন তো, আপনার পকেটেই হয়তো আছে।

    পকেটে হাত দিয়ে চন্দ্রকান্ত বললে, পকেটে? কই পকেটে তো নেই।

    আরে এই তো চাবিটা, বলতে বলতে হেমন্ত সাহু দরজার একপাশে মেঝে থেকে গডরেজের চাবি তুলে নিলেন, দেখুন তো মিঃ রায়, এই চাবিটা বোধ হয়!

    পরীক্ষা করে দেখা গেল ঐ চাবিটাই দরজার চাবি।

    কিরীটী আবার বললে, তাহলে চন্দ্রকান্তবাবু, আপনি বলতে পারছেন না, আপনার সুটকেসের মধ্যে এই ভোজালিটা কি করে এল?

    আমি আগে কখনও এটা দেখিনি, বিশ্বাস করুন। বিশ্বাস করুন আপনারা! চন্দ্ৰকান্তের গলার স্বরে করুণ মিনতি।

    সাহু কিরীটীর মুখের দিকে তাকিয়ে বললেন, আমি স্থিরনিশ্চয় করে বলতে পারি মিঃ রায়, এই লোকটিই কাল রাত্রে কোন এক সময় পাশের ঘরে গিয়ে অনুরাধা দেবীকে হত্যা করেছে।

    চন্দ্রকান্ত হাউমাউ করে কেঁদে উঠল, না না, আমি কাউকে খুন করিনি।

    সাহু উচ্চকণ্ঠে দরজার বাইরে প্রহরারত জমাদারকে ডাকলেন। রঘুনন্দন জমাদার ঘরের মধ্যে ঢুকে সেলাম দিল।

    ইসকো হাতমে হাতকড়া লাগাও।

    কেন কেন—আমার হাতে হাতকড়া পরাবে কেন, আমি কাউকে খুন করিনি। চন্দ্রকান্ত প্রতিবাদ জানাবার চেষ্টা করে কিন্তু তার প্রতিবাদে কর্ণপাত করা হয় না। পকেট থেকে একজোড়া হাতকড়া কথা বের করে চন্দ্রকান্তর হাতে পরিয়ে দিল জমাদার রঘুনন্দন!

    যাও, একে নিয়ে নীচে অফিসঘরে গিয়ে অপেক্ষা কর রঘুনন্দন, আমরা আসছি। চন্দ্রকান্তকে নিয়ে রঘুনন্দন নীচে চলে গেল।

    ভাগ্যে আপনি ছিলেন মিঃ রায়—হেমন্ত সাহু গদগদ ভাবে বললেন, খুনের ফয়সালা এত তাড়াতাড়ি হয়ে গেল—ঐ সুটকেস দেখার কথাটা কখনও আমার মনেই হত না।

    কিরীটী বললে, আপনি সুটকেসটা ভাল করে লক্ষ্য করেননি, করলে নজরে পড়ত বন্ধ ডালাটার ওপাশ থেকে একটু কাপড়ের অংশ বের হয়েছিল—কিরীটী এগিয়ে গিয়ে একটা রক্তমাখা রুমাল তুলে বলল, এই দেখুন, এই রুমালের একটা অংশ আমার নজরে পড়েছিল।

    এটা তো দেখছি একটা লেডিজ রুমাল।

    কিরীটী রুমালটা পরীক্ষা করতে করতে বলল, হ্যাঁ, লেডিজ রুমাল, দেখুন এর এক কোণে ইংরেজী অক্ষর এ লাল সুতো দিয়ে লেখা আছে।

    কার এই রুমালটা বলুন তো?

    ‘এ’ অনেকেরই নামের আদ্যক্ষর হতে পারে। কিরীটী বলল, অনুরাধা দেবীরও হতে পারে। একটা সূক্ষ্ম সেন্টের গন্ধ এই রুমালটা থেকে পাচ্ছেন?

    হ্যাঁ।

    চলুন তো একবার পাশের ১৬নং ঘরে।

    হেমন্ত সাহু ও কিরীটী এসে আবার পাশের ঘরে ঢুকল। ঘরের সামনে একজন সেপাই দাঁড়িয়ে ছিল, সে সরে দাঁড়াল ওদের ঘরে ঢুকতে দেখে।

    কিরীটী এগিয়ে গিয়ে সমুদ্রের দিকের জানালা খুলে দিতেই এক ঝলক রৌদ্র এসে ঘরের মেঝেতে লুটিয়ে পড়ল।বাইরে ইতিমধ্যে মেঘ কেটে গিয়ে যে সূর্যের আলো প্রকাশ পেয়েছে। তা ওরা জানতে পারেনি।

    কিরীটী আর একবার ঘরের চারপাশে তাকাল।

    পাশাপাশি দুটো চামড়ার সুটকেস, দুটোই তালাবন্ধ। একটা সাইজে বেশ বড়, অন্যটি মাঝারি। সাইজের। ছোট সুটকেসটার গা-তালার সঙ্গে একটা চাবির রিং ঝুলছে। চাবি ঘোরাতে গিয়ে দেখা গেল চাবিটি খোলা। ডালা তুলতেই নজরে পড়ল কিছু দামী দামী শাড়ি, আরও কিছু স্ত্রীলোকের ব্যবহার্য টুকিটাকি, একপাশে একটা দামী সেন্টের সুদৃশ্য শিশি। সেটার ছিপি খুলে নাকের কাছে ধরতেই রুমালের গন্ধটা পাওয়া গেল। তার পাশে একটা লেডিজ ব্যাগ। ব্যাগটা খুলল কিরীটী।

    একটা কমপ্যাক্টের সুদৃশ্য কৌটো-ছোট মিরার, একটা চিরুনি, একটা লেডিজ রুমাল, বেশ কিছু একশো টাকার নোট, খুচরো কয়েন।

    কিরীটী অনুরাধার মতৃদেহটার দিকে তাকাল। বীভৎস, নৃশংস।

    ডেড্‌ বডিটা এবার মর্গে পাঠাবার ব্যবস্থা করুন মিঃ সাহু।

    হ্যাঁ। চলুন এবারে থানায় যাওয়া যাক। হেমন্ত সাহু বললেন।

    সরিৎশেখর আর সলিল দত্ত মজুমদারকে আরও কিছু জিজ্ঞাসাবাদ করার আছে মিঃ সাহু–কিরীটী বলল।

    চলুন না ওদের থানায় নিয়ে যাই, যা জিজ্ঞাসা করবার সেখানেই করবেন। তারপর না হয় ছেড়ে দেওয়া যাবে—খুনীই যখন ধরা পড়ে গিয়েছে!

    আপনার তাহলে ধারণা ঐ চন্দ্রকান্ত ঘাই—

    নিশ্চয়ই। ঐ ভদ্রলোকই মার্ডারার। কেন, আপনার কোন সন্দেহ আছে নাকি তাতে? কথাটা বলে হেমন্ত সাহু কিছুটা যেন গর্বিত ও উদ্ধত দৃষ্টিতে তাকালেন কিরীটীর মুখের দিকে—এখন পর্যন্ত যে সব এভিডেন্স আমরা পেয়েছি, সেটাই কি প্রমাণ করে না!

    তা হয়তো করে, কিন্তু একটা ব্যাপার লক্ষ্য করেছেন কি মিঃ সাহু, ১৫ নং ঘরের মেঝেতে দুটো ধেনোর শূন্য বোতল গড়াগড়ি দিচ্ছিল!

    ধেনোর বোতল। কিছুটা যেন বিস্ময়ের সঙ্গেই মিঃ সাহু তাকালেন কিরীটীর মুখের দিকে।

    দু-বোতল ধেনো গিলে একটা মানুষের অবস্থা কি হতে পারে, নিশ্চয়ই আমাদের কথাটা একবার ভাবতে হবে–

    নিশ্চয়ই ভেবেছি বৈকি। সাহু জবাব দিলেন, যা-তা ব্যাপার তো নয়, একটা লোককে মার্ডার করা—মনটাকে সেজন্য প্রস্তুত করবার জন্যই হয়তো দু-দুটো বোতলের প্রয়োজন হয়েছিল! .

    তা বটে—কিরীটী মৃদু হাসল।

    বুঝতে পারছেন না মিঃ রায়, লোকটা একটা কোল্ড-ব্লডেড মার্ডারার।

    আমার কিন্তু মনে হল–কিরীটী বলল, লোকটা অসম্ভব ভীতু–

    ভীতু লোকেরা কি খুনখারাপি করে না মিঃ রায়? আমি তিন-তিনটে কেস জানি—অসম্ভব ভীতু—অথচ নৃশংসভাবে খুন করেছিল।

    ঠিক আছে, আপনি লোকটাকে অ্যারেস্ট করুন, তবে একটা কাজ যদি করতে পারেন আপনি, মনে হয় আপনার identification-এর খুব সুবিধা হবে।

    বলুন না কি করতে হবে?

    একটা নাপিত ডাকিয়ে, থানায় নিয়ে গিয়ে লোকটার দাড়ি-গোঁফ কামিয়ে মাথার চুলগুলো ছোট ছোট করে হেঁটে দিতে পারেন?

    কয়েকটা মুহূর্ত সাহু হাঁ করে কিরীটীর মুখের দিকে তাকিয়ে রইলেন, মনে হল ব্যাপারটা যেন তিনি আদৌ হৃদয়ঙ্গম করতে পারেননি।

    দাড়ি-গোঁফ কামিয়ে দেব। তার মানে কি বলতে চাইছেন আপনি?

    মনে হচ্ছে ওটা ওর স্বাভাবিক ব্যাপার নয়, সযত্নে রক্ষিত ও বর্ধিত, এবং সেই সযত্ন প্রয়াসের মধ্যে কোন বিশেষ অভিসন্ধি–

    ঠিক আছে, বলছেন যখন–

    কি জানেন মিঃ সাহু, ভাল করে চেয়ে দেখবেন ওর মুখের দিকে, লোকটাকে ঐ দাড়িগোঁফ যেমন কুৎসিত দেখাচ্ছে ঠিক তেমনটি হয়তো লোকটা দেখতে নয়।

    অতঃপর মৃতদেহ মর্গে পাঠাবার ব্যবস্থা করে থানা থেকে জীপ আনিয়ে চন্দ্রকান্তকে হাতকড়া পরিয়ে হেমন্ত সাহু প্রস্থান করলেন।

    কিরীটী এসে অফিস-ঘরে ঢুকল। সলিল দত্ত মজুমদার একটা চেয়ারে স্তব্ধ হয়ে বসে ছিল। সারামুখে তার বিরক্তি।

    ভবেশ অধিকারী তার চেয়ারে বসে একটা বিড়ি ধরিয়ে নিঃশব্দে টানছিলেন। কিরীটীর পিছনে আট-দশজন বোর্ডার এসে ঘরে ঢুকলেন।

    একসঙ্গে সবাই বলে ওঠেন, আমাদের বিল দিন, আমরা আর এ হোটেলে এক মুহূর্ত থাকব না।

    ভবেশ অধিকারীর ধূমপান সঙ্গে সঙ্গে বন্ধ হয়ে যায়। জ্বলন্ত ও অর্ধদগ্ধ বিড়িটা মুখে চেপে ধরে থাকেন।

    কিন্তু এই মুহূর্তে তো আপনাদের কারোরই এ হোটেল থেকে যাওয়া হবে না কথাটা শান্ত গলায় বললে কিরীটী।

    যাওয়া হবে না! কেন? অনেকগুলো কণ্ঠস্বর যেন একঝাক তীরের মত কিরীটীর প্রতি বর্ষিত হল।

    ১৬নং ঘরে একজন ভদ্রমহিলা খুন হয়েছেন, দাবোগাবাবুর হুকুম, তার এনকোয়ারি শেষ হওয়া পর্যন্ত হোটেল ছেড়ে কেউ যেতে পারবেন না।

    একজন বলে উঠলেন, দারোগাবাবুর কি ধারণা, আমাদের মধ্যে তাকে কেউ খুন করেছে।

    সেটা আপনারা দারোগাবাবুকেই জিজ্ঞাসা করবেন, কিরীটী বললে।

    কোথায় দারোগাবাবু?

    থানায়।

    চল হে, আমরা তাহলে থানায় যাই—একজন আবার বললেন।

    কিন্তু এ অন্যায়, বেআইনী জুলুম–বললেন সলিল দত্ত মজুমদার।

    কিরীটী সলিল দত্ত মজুমদারের কথায় কান না দিয়ে দোরগোড়ার সমাগতদের দিকে তাকিয়ে। বললে, থানায় আপনাদের কাউকেই যেতে হবে না। মনে হয় কাল-পরশুর মধ্যেই দাবোগাবাবুর। তদন্ত শেষ হয়ে যাবে, তারপর আর উনি আপনাদের যেতে বাধা দেবেন না। একটা বা দুটো দিন হঠাৎ একটা দুর্ঘটনা ঘটে গিয়েছে, ম্যানেজারবাবু তো কিছু ইচ্ছা করে আপনাদের অসুবিধা সৃষ্টি করছেন না। তাছাড়া দেখছেন তো, উনি নিজেও কম বিব্রত হননি!

    সমাগতদের একজন তীক্ষ্ণকণ্ঠে প্রশ্ন করলেন, জানতে পারি কি আপনি কে মশাই এ হোটেলে?

    কৃষ্ণকায় এক ভদ্রলোক বলে উঠলেন, চিনতে পারছেন না—উনি কিরীটী রায়।

    কিরীটীবাবু! অন্য একজনের প্রশ্ন।

    হ্যাঁ, বিখ্যাত সত্যসন্ধানী—শোনেননি ওঁর নাম—

    ধীরে ধীরে ভিড় পাতলা হয়ে গেল।

    সলিল দত্ত মজুমদার তাঁরই সোনার সিগ্রেট কেসটা পকেট থেকে বের করে একটা লাইটারের সাহায্যে একটা সিগ্রেটে অগ্নিসংযোগ করলেন।

    সরিৎশেখর ঐ সময় অফিস-ঘরে এসে প্রবেশ করল। সলিল দত্ত মজুমদার ক্রুদ্ধ দৃষ্টিতে সরিশেখরের দিকে তাকালেন।

    বসুন বসুন ডঃ সেন, আপনি এসেছেন ভালই হল, ভাবছিলাম আপনার ঘরে যাব।

    ডঃ সেন একটা চেয়ার টেনে বসল। তারপর বললে, আমিও আপনাকে কিছু বলব বলেই এসেছি মিঃ রায়।

    সলিল দত্ত মজুমদার সহসা উঠে দাঁড়াল, ম্যানেজারবাবু, আমার জন্য একটা ঘরের ব্যবস্থা করে দিন।

    নীচের তলায় সিঁড়ির কাছে ১১নং ঘরটা খালি আছে—

    থাকতে যখন হবে, যেখানেই হোক থাকবার একটা ব্যবস্থা করুন। আর কলকাতায় আর্জেন্ট একটা ট্রাংককল বুক করুন, বলে নম্বরটা বললেন সলিল দত্ত মজুমদার।

    কিরীটী বললে, উনি তো আই. জি.–

    হা মিঃ গুপ্ত, আমার বন্ধু-সলিল দত্ত মজুমদার গর্বিত কণ্ঠে বললেন, আপনারা আমাকে নিয়ে খেলা করবেন আর আমি তাই সহ্য করে যাব যদি ভেবে থাকেন তো ভুল করেছেন! আমি একটা বিরাট কনসার্নের জি. এম.!

    মিথ্যে আপনি রাগ করছেন মিঃ দত্ত মজুমদার। কিরীটী বললে।

    মিথ্যে? আমার কোন প্রেসটিজ নেই বলতে চান?

    আচ্ছা মিঃ দত্ত মজুমদার, হঠাৎ কিরীটী প্রশ্ন করল, আপনাদের কোম্পানির কাজে আপনি জামসেদপুরে নিশ্চয়ই গিয়েছেন কখনও না কখনও?

    বহুবার গিয়েছি, তাছাড়া আমার বাবা আর এল দত্ত মজুমদার টিসকোর একজন বড় অফিসার ছিলেন। রাঁচিতে আমি আই. এস-সি পড়েছি, তারপর বি. এস-সি পাস করে বিলেত যাই। তা হঠাৎ ও কথা কেন?

    আপনি ক্ষিতীন্দ্র চট্টোপাধ্যায় নামে জামসেদপুরের কাউকে চেনেন?

    ক্ষিতীন্দ্র চট্টোপাধ্যায়! কেমন যেন একটু চমক দত্ত মজুমদারের গলার স্বরে। কিন্তু কথায় সেটা প্রকাশ পেল না।

    হ্যাঁ, টিসকোতেই কাজ করতেন, পরে রিটায়ার করেন–কিরীটী বললে।

    না, ঠিক মনে করতে পারছি না। কিন্তু কেন বলুন তো?

    না ভাবছিলাম, আপনার বাবা তো ওখানেই থাকতেন আর আপনারও সেখানে যাতায়াত ছিল। জামসেদপুর বিহারের কতটুকুই বা একটা টাউন—চিনলেও হয়ত ভদ্রলোককে চিনতে পারেন। আরও একটা কথা, সেই ভদ্রলোক তিন বৎসর আগে এই হোটেলেই আত্মহত্যা করেছিলেন ঐ দোতলার ১৭নং ঘরে—

    গোপী এসে দাঁড়াল দরজার সামনে, বললে, ১১ নং ঘর ঠিক করে দিয়েছি ম্যানেজারবাবু।

    যান মিঃ দত্ত মজুমদার গোপীর সঙ্গে যান—ভবেশবাবু বলেন।

    সলিল দত্ত মজুমদার আর মুহূর্তও দেরি করেন না। গোপীর সঙ্গে সে ঘর থেকে বের হয়ে গেলেন একটু যেন দ্রুতপদেই।

    কিরীটী যেন কেমন অন্যমনস্ক। মনে হল সে যেন কি ভাবছে।

    মিঃ রায়।

    সরিশেখরের ডাকে কিরীটী ফিরে তাকাল।

    গতকাল অনুরাধার সঙ্গে আমার অনেক কথা হয়েছিল, আমার মনে হচ্ছে আপনার সব কথা জানা প্রয়োজন।

    কিরীটী উঠে দাঁড়াল। চলুন ডঃ সেন, আমার ঘরে চলুন। ভবেশবাবু দুকাপ চা পাঠিয়ে দেবেন আমার ঘরে ১৭ নম্বরে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমানসী তুমি – নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    Next Article যুগলবন্দী – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    Related Articles

    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ১ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ১৩ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ২ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ১২ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ৩ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ৪ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }