Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সাম্প্রদায়িকতা – বদরুদ্দীন উমর

    বদরুদ্দীন উমর এক পাতা গল্প115 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৪. সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা

    সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা

    সাম্প্রদায়িক মনোবৃত্তির চূড়ান্ত পরিণতি সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায়। একই এলাকাভুক্ত দুই সম্প্রদায়ের লোকদের পারস্পরিক বিরোধীতা ও তিক্ততা জান্তব এবং অস্বাভাবিক পর্যায়ের অবনমিত হলে তখনি সম্পূর্ণ হয় সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার মানসিক প্রস্তুতি। এ অবস্থায় অনেক সাধারণ মানুষও লিপ্ত হয় অস্বাভাবিক আচরণে। এজন্যই সাধারণ জীবনযাত্রায় মানুষ ভালমন্দ, সৎ অসৎ এবং হিতাহিতের যে তারতম্য করে তার কোটিকেই দাঙ্গারত মানুষ আর রক্ষা করতে সক্ষম হয় না। মানুষের মধ্যে মনুষ্যত্বের হয় সম্পূর্ণ নিবৃত্তি। হিন্দু, মুসলমান অথবা শিখ যেই হোক না কেন সাধারণ জীবনযাত্রারত মানুষের পক্ষে দাঙ্গার মানসিকতা স্বাভাবিক নয়। আদিম এবং জান্তব হিংস্রতা বহু সাধনায় অতি মনুষ্যত্বকে অল্প সময়ের জন্য পরাভূত এবং বিধ্বস্ত করলেও সাধারণ মানুষ নিজেদের মনুষ্যত্বের এ পরাভবকে দীর্ঘস্থায়ী হতে দেয় না। তাদের প্রকৃতিই এর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে। ফলে অকস্মাৎ অসাম্প্রদায়িক হয়ে না উঠলেও তারা প্রকৃতিস্থ হয়। কাটিয়ে ওঠে দাঙ্গার উন্মত্ততা।

    ২

    কিন্তু সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় মানুষ এমন উন্মত্ত হয় কেমন করে? এর উত্তর লাভের জন্য প্রয়োজন জনমত কিভাবে গঠিত হয় তার বিশ্লেষণ।

    জনমত গঠনের কতকগুলি প্রচলিত মাধ্যম আছে। যেমন সংবাদপত্র, সভাসমিতি, বেতারযন্ত্র, টেলিভিশন, ইশতাহার এবং অন্যান্য প্রচারপত্র। যে কোন নীতি অথবা কর্মপদ্ধতির সপক্ষে জনমতকে উপযুক্তভাবে গঠন করতে হলে এগুলির সবগুলি না হলেও অন্ততঃ কতকগুলিকে নিয়োগ ও নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজন অপরিহার্য্য। শুধু আমাদের ঘরের কাছাকাছি নয়, পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে বিদারাত্রি যা ঘটছে তার সংবাদ লাভের জন্য আমরা প্রচার মাধ্যমগুলির, বিশেষতঃ সংবাদপত্র এবং বেতারের উপর নির্ভরশীল যে কোন ব্যাপারে জনমত গঠনের জন্য এই সংবাদ সরবরাহ প্রতিষ্ঠানগুলির দায়িত্ব এবং গুরুত্ব সে জন্যেই খুব বেশী।

    প্রচার মাধ্যমগুলি শুধু যে সংবাদ সরবরাহ করে তাই নয়। সংবাদের ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ করে জনমতকে নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী গঠন ও চালনা করাও তাদের সাধারণ কার্যক্রমের অন্তর্গত। এজন্য জনমত যখন কোন ব্যাপারে গঠিত হয় তখন তার জন্য প্রচারযন্ত্রসমূহের দায়িত্বকে অস্বীকার করা চলে না।

    সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার ক্ষেত্রেও এর ব্যতিক্রম নেই। সেজন্য কোন দেশে, প্রদেশে, শহরে অথবা পল্লী অঞ্চলে যখনই দাঙ্গার সূত্রপাত হয় তখনই তার কার্যকারণ সূত্রের সন্ধানের জন্য প্রয়োজন জনমত গঠনকালীন এই প্রচারযন্ত্রগুলির প্রচারকার্যের বিশ্লেষণ। যেখানে এই প্রচারকার্যকে উপযুক্তভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হয়, সেখানে সাম্প্রদায়িকতা জনসাধারণের মধ্যে যতই প্রবল হোক মানুষকে সে মনোবৃত্তি দাঙ্গার পথে চালনা করে না।

     

     

    সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা যেখানেই ঘটে সেখানেই তাই সংবাদপত্র, বেতার, রাজনৈতিক সভাসমিতি ইত্যাদির গুরুত্ব অনেক। কিছুসংখ্যক নিম্নচরিত্রের লোকজন ছাড়া সমাজের অধিকাংশ মানুষই শান্তিপ্রিয়। এই শান্তিপ্রিয় জনসাধারণের একাংশ হঠাৎ রক্তপাতের অথবা অন্যের সম্পত্তি নাশের নেশায় উন্মুক্ত হয়ে ওঠে না। তার জন্য প্রয়োজন হয় অনেকখানি মানসিক প্রস্তুতির। এ প্রস্তুতির সম্পূর্ণ দায়িত্ব তাদেরই যারা এই প্রচারযন্ত্রসমূহকে আংশিক অথবা সম্পূর্ণভাবে নিয়ন্ত্রণ করে।

    ৩

    যে প্রচারমাধ্যমগুলির উল্লেখ করা হলো সেগুলিকে নিয়ন্ত্রণ করে কারা? এবং কোন্ স্বার্থের তারা প্রতিনিধি? সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার চরিত্রকে যথাযথভাবে বোঝার জন্য একথা জানা প্রয়োজন।

    আমাদের দেশের উল্লেখযোগ্য রাজনৈতিক দলসমূহ এখনো মোটামুটিভাবে মধ্যবিত্ত অর্থাৎ বুর্জোয়া স্বার্থের প্রতিনিধি। মধ্যবিত্তের মধ্যে অবশ্য অনেক স্তরভেদ আছে। কাজেই মধ্যবিত্তের প্রতিনিধিত্ব বলতে সবক্ষেত্রে একই জিনিষ বোঝায় না। কোন কোন রাজনৈতিক দলের মধ্যে নিম্নমধ্যবিত্ত, কোনটির মধ্যে মধ্যবিত্ত আবার কোনটির মধ্যে হয়তো উচ্চ মধ্যবিত্তের প্রাধান্য। এজন্য সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার ক্ষেত্রে সকল রাজনৈতিক দলের অথবা মধ্যবিত্ত শ্রেণীভুক্ত লোকদের দায়িত্ব সমান থাকে না। তবে একথা বললে খুব বেশী ভুল হয় না যে, যে সকল রাজনৈতিক দলের মধ্যে উচ্চ মধ্যবিত্তের প্রাধান্য বেশী দাঙ্গার দায়িত্বও তাদের সেই তুলনায় অধিকতর। কারণ বৃহত্তম মাধ্যমে সচেতনভাবে এবং পরিকল্পনা অনুযায়ী উচ্চবিত্তের স্বার্থকেই তারা পরিপুষ্ট করে। সারা পাক-ভারত উপমহাদেশের ক্ষেত্রেই একথা সাধারণভাবে প্রযোজ্য।

     

     

    উচ্চমধ্যবিত্ত স্বার্থ-প্রধান রাজনৈতিক দলগুলিই অধিকাংশ সংবাদপত্র এবং অন্যান্য প্রচার মাধ্যমসমূহের সমর্থক, মালিক এবং নিয়ন্ত্রেতা। এ জন্য এগুলির মাধ্যমে শুধু দাঙ্গার ক্ষেত্রেই নয় জীবনের সকল ক্ষেত্রেই উচ্চমধ্যবিত্তস্বার্থ সূক্ষ্মভাবে রক্ষার ব্যবস্থা হয়। এজন্যই দেখা যায় সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার ক্ষেত্রে দেশের সকল সংবাদপত্রের ভূমিকা এক হয় না, কোন কোন সংবাদপত্র হয়তো দাঙ্গা মনোবৃত্তির বিরোধীতা করে। কিন্তু জনমত গঠনে তাদের প্রভাব অন্যগুলির তুলনায় থাকে অপেক্ষাকৃতভাবে অনেক দুর্বল।

    ৪

    কিন্তু উচ্চমধ্যবিত্ত স্বার্থরক্ষার জন্য সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার প্রয়োজন কি? এর উত্তর খুবই সহজ। এ প্রয়োজন হয় রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক দ্বিবিধ কারণেই। দেশ শাসন এবং দেশের বিভিন্ন কার্য পরিচালনার ক্ষেত্রে উচ্চমধ্যবিত্ত শ্রেণীই তার আর্থিক শক্তির প্রতাপে সব থেকে প্রতিপত্তিশালী। এই প্রতিপত্তির মাধ্যমে তারা যা কিছু করে তার অধিকাংশই নিজেদের শ্রেণীস্বার্থ উদ্ধারের উদ্দেশ্যে। কিন্তু দেশের অগণিত জনসাধারণকে তাদের শাসন এবং শোষণের সত্যিকার চরিত্র এবং তাৎপর্যকে বুঝতে না দেওয়া তাদের নিজেদের কাজকে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য নিতান্ত প্রয়োজন। শুধু দুঃখ দুর্দশার মধ্যে জীবন যাপন করলে এবং অন্যের দ্বারা শোষিত হলেই মানুষের মনে গণতান্ত্রিক এবং বৈপ্লবিক চেতনার সঞ্চার হয় না। এ চেতনার জন্য প্রয়োজন তারা যেভাবে এবং যাদের দ্বারা শোষিত হয় তার সম্পর্কেও উপযুক্তভাবে সচেতন এবং অবহিত হওয়া। সমাজ জীবনে এটা যাতে না ঘটে তার জন্য মধ্যবিত্ত বা বুর্জোয়া স্বার্থ সর্বদাই জাগ্রত ও সচেষ্ট থাকে। এজন্য বৃহত্তর রাজনৈতিক জীবনে মানুষ যাতে সুস্থ চিন্তার অবকাশ না পায় তার জন্য তারা ইচ্ছাকৃতভাবে সৃষ্টি করে চলে নানা বিভ্রান্তির জাল। অসাবধানী এবং বিশ্বাসপ্রবণ জনসাধারণ তার দ্বারা সহজেই হয় প্রতারিত এবং বিপথগামী।

     

     

    মধ্যবিত্ত শ্রেণী সকল সময়ে সচেষ্ট হয় নিজের স্বার্থের সাথে দেশের স্বার্থকে এক করে দেখতে। এ প্রচেষ্টায় তারা সাধারণত বিফল হয় না। কিন্তু কোন কোন ক্ষেত্রে অসুবিধার আশঙ্কা দেখা দিলে অথবা সত্যিকার কোন অসুবিধা সৃষ্টি হলে তখনই তারা চাতুর্যের সাথে রচনা করে কোন না কোন রাজনৈতিক বিভ্রান্তি। আমাদের দেশের এই বিভ্রান্তিসমূহের মধ্যে সাম্প্রদায়িকতা এখনো সর্বপ্রধান, সর্বাপেক্ষা কার্যকরী এবং সর্বাপেক্ষা মারাত্মক। সাম্প্রদায়িকতার মাধ্যমে মধ্যবিত্ত শ্ৰেণী চেষ্টা করে অন্যান্যদের শ্রেণী চেতনাকে বিনাশ করতে। স্বাধীনতাপূর্ব যুগে সাম্প্রদায়িকতার প্রয়োজন ছিল অন্য সম্প্রদায়ভুক্ত মধ্যবিত্তের প্রতিযোগিতা থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার জন্য। কিন্তু স্বাধীনতা উত্তরকালে সাম্প্রদায়িকতার প্রয়োজন নিজেদের সম্প্রদায়ভুক্ত নিম্নবিত্ত লোকদের শ্রেণী-চেতনার কণ্ঠরোধ করার জন্য। সম্প্রদায়গত মধ্যবিত্ত স্বার্থের প্রতিষ্ঠা এবং সম্প্রসারণ দুই ক্ষেত্রেই সাম্প্রদায়িকতার মুনাফা তাই পর্বতপ্রমাণ। এজন্যই এ হাতিয়ার আজ পর্যন্ত সমগ্র পাক-ভারতীয় উপমহাদেশে মধ্যবিত্ত স্বার্থ উদ্ধার কার্যে ব্যবহারযোগ্য।

    ৫

    মধ্যবিত্তের বৃহত্তর আর্থিক ও রাজনৈতিক স্বার্থ দাঙ্গার মাধ্যমে কিভাবে রক্ষিত হয় সেটা যে কোন সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার কার্যকারণ এবং ফলাফলের বিশ্লেষণ করলে বোঝা যাবে। এর জন্যে এখানে মাত্র দুটি উদাহরণ উল্লেখ করা গেল।

     

     

    প্রথমটি হলো ১৯৪৬ সালে সংঘটিত বিহার সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা। এ দাঙ্গায় মুসলিম লীগের হিসাবে বিশ থেকে ত্রিশ হাজার, হিন্দু চরমপন্থীদের (কংগ্রেস এবং হিন্দু মহাসভাভুক্ত) হিসাবে দুই থেকে তিন হাজার এবং ইংরেজদের হিসাবে সাত থেকে আট হাজার মুসলমান নরনারী এবং শিশু নিহত হয়।[১] ১৯৪৬ সাল পর্যন্ত এত বড় হত্যাকাণ্ড কলকাতা ছাড়া অন্য কোথাও ঘটেনি। গ্রামাঞ্চলের সেটাই অবশ্য ছিল বৃহত্তম হত্যাকাণ্ড।

    এ দাঙ্গার উপর লিখতে গিয়ে বৃটিশ সেনাবাহিনীর তৎকালীন পূর্বাধিনায়ক (যিনি সে সময়ে ভারতবর্ষের পূর্বাঞ্চলের সামরিক তত্ত্বাবধানের দায়িত্বে নিযুক্ত ছিলেন) লেফটেনেন্ট জেনারেল স্যার ফ্রান্সিস টাকার বলেন যে, এই হত্যাকাণ্ড একটি সুগঠিত পরিকল্পনা অনুযায়ী সংঘটিত হয়।[২] কারা এ পরিকল্পনার সাথে জড়িত ছিল সে বিষয়ে অবশ্য প্রথম দিকে তিনি নিজের অজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। কিন্তু অন্যত্র আবার তিনি বলেছেন যে ঘটনার বেশ কয়েক সপ্তাহ পরে তাঁরা গুজব শুনেছিলেন যে কলকাতার দাঙ্গায় যে সমস্ত মাড়োয়ারী এবং হিন্দু ব্যবসায়ীরা কলকাতাস্থ বিহারী মুসলমানদের দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল তারাই এ পরিকল্পনা প্রস্তুত এবং কার্যকর করে। তাঁর নিজের মতে এ দাঙ্গা হিন্দু মহাসভার দ্বারা সংগঠিত হয়।[৩] ফ্রান্সিস টাকারের এই স্বীকারোক্তির মধ্যে দুটি জিনিস উল্লেখযোগ্য। প্রথমতঃ তিনি আংশিকভাবে স্বীকার করেছেন যে এই দাঙ্গায় উচ্চমধ্যবিত্ত শ্রেণীর হিন্দু ব্যবসায়ীদের হাত ছিল এবং হিন্দুমহাসভাই এতে প্রধান অংশ নিয়েছিল। দ্বিতীয় জিনিষটি অধিকতর উল্লেখযোগ্য। টাকারের মতে এই হত্যাকাণ্ড পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী হলেও এর খবর তাঁদের একেবারেই জানা ছিল না। শুধু তাই নয়। তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেছেন যে, এই দাঙ্গার সময় বিহারের অভিজ্ঞ গভর্ণর স্যার হিউ যাও ৩১ শে অক্টোবর থেকে ৫ই নভেম্বর (অর্থাৎ ঠিক দাঙ্গার সময়টিতে!) বিহারে অনুপস্থিত থাকার ফলে অবস্থা আওতাধীনে আনা সেখানকার সামরিক কর্তৃপক্ষের দ্বারা সম্ভব হয়নি। সামরিক কর্তৃপক্ষের ব্যর্থতার জন্য তিনি বিহারের মন্ত্রীসভাকে দোষারোপ করেই ক্ষান্ত হয়েছেন।[৪]

     

     

    বৃটিশ রাজত্বে গোয়েন্দা বিভাগের যোগ্যতা দক্ষতা এবং কর্মতৎপরতা সর্ববিদিত। এহেন গোয়েন্দা বিভাগের কর্মচারীগণ সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার এত বিস্তৃত পরিকল্পনা এবং পরিকল্পনার বাস্তবায়ন সম্পর্কে একেবারে অজ্ঞ ছিল একথা সম্পূর্ণ অবিশ্বাস্য। যে বৃটিশ গোয়েন্দা বিভাগ সন্ত্রাসবাদীদের সতর্কতা এবং সাবধানতা সত্ত্বেও সন্ত্রাসবাদী আন্দোলনের সময় তাদেরকে গোপন স্থানগুলি থেকে একটি একটি করে খুঁজে বের করতে সতর্ক ছিল সেই গোয়েন্দা বিভাগ বিহার দাঙ্গার এত সুবিস্তৃত প্রস্তুতির কোনই খবর সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়নি এ যুক্তি নিতান্ত্রই অক্ষম। এর অসারতা প্রমাণের জন্য বেশী আলোচনা নিষ্প্রয়োজন। ভারতবর্ষকে নিজেদের পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী বিভক্ত করার কাজকে সহজ এবং ত্বরান্বিত করার জন্য ভারতবাসীর চেতনায় যে বিভ্রান্তি সৃষ্টির প্রয়োজন ছিল সে বিভ্রান্তি তারা দাঙ্গার মাধ্যমেই সৃষ্টি করেছিল সম্পূর্ণ এবং চরমতমভাবে। কংগ্রেস লীগের নেতৃবৃন্দকে নানাভাবে আলোচনার গণ্ডীর মধ্যে আবদ্ধ রেখে এবং প্রয়োজনমতো সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা ঘটিয়ে তারা নিজেদের পরিকল্পনার উপযোগী ক্ষেত্র প্রস্তুত করতে সমর্থ হয়েছিল। এজন্য ১৯৪৭ সালের আগষ্ট মাসে ভারতবর্ষ যেভাবে বিভক্ত হলো সেটা কংগ্রেস লীগের যৌথ পরিকল্পনা অনুযায়ী নয়। দেশ বিভক্ত হলো ইংরেজের পরিকল্পনা অনুযায়ী। তার ফলে তারা শুধু ভারতবর্ষকে ‘ভারত ও ‘পাকিস্তানে’ বিভক্ত করলো তাই নয়। তারা বিভক্ত করলো বাঙলাদেশ। বিভক্ত এবং বিধ্বস্ত করলো পাঞ্জাব। অনেক কৌশলে তারা বিভক্ত করলো কাশ্মীর (এ ব্যাপারে মাউন্টব্যাটেনের দক্ষতা প্রশংসনীয়!) এবং তার মাধ্যমে আজ পর্যন্ত পাক-ভারতীয় উপমহাদেশে সাম্প্রদায়িকতাকে রাখলো অনির্বাণ।

     

     

    ৬

    ১৯৪৭ সালের আগষ্ট মাসে পাঞ্জাবে সমগ্র উপমহাদেশের ইতিহাসে জঘন্যতম এবং বিস্তৃততম সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা সংঘটিত হয়। এই দাঙ্গায় লক্ষ লক্ষ হিন্দু মুসলমান শিখ নরনারী এবং শিশু নিহত, আহত এবং উদ্বাস্তু হয়। এ সম্পর্কে ধম্বন্তরী এবং পুরাণচন্দ্র যোশী পাঞ্জাব দাঙ্গার সময়কার অবস্থা সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করে লিখিত তাঁদের একটি বইয়ে বলেন যে, বৃটিশ শাসনে প্রতিপালিত জাতীয়তা বিরোধী প্রতিক্রিয়াশীল শক্তিগুলিই সেক্ষেত্রে সর্বাপেক্ষা জঘন্য ভূমিকা পালন করেছিলো। নিজ নিজ সম্প্রদায়ের মধ্যে তারাই ছিল এ ব্যাপারে সর্বপ্রধান আসামী। এ প্রসঙ্গে তারা আরও বলেন :

    পাঞ্জাবের দেশীয় রাজারা নিজ নিজ সম্প্রদায়ের দলবদ্ধ গুণ্ডাদের অস্ত্রশস্ত্র যুগিয়েছেন। ন্যাশনাল গার্ডদের অস্ত্র যুগিয়েছে ভাওয়ালপুর রাজ্য; আকালীদের দিয়েছে পাতিয়ালা ও ফরিদ কোট। গ্রামাঞ্চলে বড় বড় জমিদারেরা নিজেরাই বড় বড় সশস্ত্র গুণ্ডাদল পরিচালনা করে সংখ্যালঘুদের হত্যা করেছে, উৎখাত করে নিজেরা তাদের ঘরবাড়ি জমিজমা হাত করেছে, কৃষকদের মধ্যে সাম্প্রদায়িক বিভেদ করেছে এবং এইভাবে নিজেদের সামন্ততান্ত্রিক শাসনের বুনিয়াদ পাকা করে ফেলেছে।

     

     

    শহরে যে সব ব্যবসায়ীরা যুদ্ধের মধ্যে চোরাকারবারে পয়সা করেছে, তারাই নিজ নিজ সাম্প্রদায়িক সংগঠনগুলির পৃষ্ঠপোষক, তারাই অজস্র টাকা পয়সা যুগিয়েছে। কারখানার হিন্দু মালিকেরা মুসলমান শ্রমিকদের বরখাস্ত করেছে; আবার মুসলমান মালিকদের দ্বারা হিন্দু শ্রমিকেরা পাইকারীভাবে ছাঁটাই হয়েছেন।

    যে সমস্ত ধনিকেরা যুদ্ধের মধ্যে পয়সা করে বড়লোক হয়েছে তাদের উদ্দেশ্যে-ব্যবসা ও শিল্পের ক্ষেত্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বী ব্যবসায়ীদের হটিয়ে দিয়ে বাজারে একচেটিয়া প্রভূত্ব স্থাপন করা।

    দাঙ্গা অধ্যুষিত পাঞ্জাবে গত ছয় মাস ধরে যে বিশৃঙ্খল অবস্থা চলছে, তার মাঝে প্রতিক্রিয়াশীল সাম্প্রদায়িক নেতারা জনপ্রিয়তা অর্জন করবার জন্য কার্যক্ষেত্রে নেমে পড়েছে। এদের সাহায্য ছাড়া অগ্নিসংযোগকারী বৃটিশ আর তাদের অনুচর কায়েমী স্বার্থবাদীদের চক্রান্ত কখনো সফল হত না।[৫]

    পূর্ব পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বর্তমান জেনারেল অফিসার কমাণ্ডিং মেজর জেনারেল ফজল মুকিম খান পাকিস্তান সৈন্য বাহিনীর উপর লিখিত একটি বইয়ে পাঞ্জাব দাঙ্গার সম্পর্কে একটা সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেছেন। সেখানে তিনি এ কথা উল্লেখ করেছেন যে ১৯৪৭ সালের আগষ্ট মাসের এবং তার পূর্বের দাঙ্গার বিস্তৃত প্রস্তুতির সমস্ত খবর ‘ক্রিমিনাল ইনভেসটিগেশন ডিপার্টমেন্ট’ বৃটিশ ভারতীয় সরকারের কাছে পেশ করেছিল। কিন্তু তা সত্ত্বেও বড়লাট মাউন্টব্যাটেন এবং পাঞ্জাবের গভর্ণর জেঙ্কিস্ দাঙ্গা রোধ করার কোন ব্যবস্থাই গ্রহণ করেননি।[৬]

     

     

    পাঞ্জাবের দাঙ্গার ক্ষেত্রে মাউন্টব্যাটেনের প্রত্যক্ষ ব্যক্তিগত দায়িত্ব যে কত গভীর ছিল একথা কিছুদিন পূর্বে প্রকাশিত একটি বইয়ে একজন ইংরেজ লেখকও স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছেন।[৭]

    উপরে বর্ণিত বিহার এবং পাঞ্জাবের সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা থেকেই বোঝা যাবে দাঙ্গায় সক্রিয় অংশ থেকে কাদের এবং এর দ্বারা লাভবান হয় কারা।

    ৭

    পাক-ভারতীয় উপমহাদেশে মধ্যবিত্তশ্রেণীই এখন ইংরেজের উত্তরাধিকারী। এ উত্তরাধিকার সূত্রে তারা যে এদেশে শুধু ব্যবসাবাণিজ্য শিল্পের এবং শাসনের অধিকারই লাভ করেছে তাই নয়। এ সূত্রে তারা ইংরেজের ব্যবহৃত বিভেদ সৃষ্টির হাতিয়ারগুলিও যথার্থভাবে ব্যবহার করতে শিখেছে। এজন্যই প্রয়োজনমতো রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক স্বার্থ সিদ্ধির জন্য সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার আশ্রয় নিতে তারা দ্বিধা অথবা কুণ্ঠাবোধ করে না।

    একথা যে কোন সাধারণ বালকের পক্ষেও সহজবোধ্য যে পাকিস্তানের সংখ্যালঘুদেরকে হত্যা করা অথবা তাদের উপর অন্যান্য অত্যাচার করার অর্থ ভারতের সংখ্যালঘু অর্থাৎ মুসলমানদেরকে হত্যা করা এবং তাদের উপর অত্যাচার করার জন্য ভারতীয় হিন্দু সাম্প্রদায়িকতাবাদীদেরকে সুযোগ দেওয়া। আবার ভারতে সংখ্যালঘুদেরকে হত্যা করা অথবা তাদের উপর অন্যান্য অত্যাচার করার অর্থ পাকিস্তানের সংখ্যালঘু অর্থাৎ হিন্দুদেরকে হত্যা করা এবং তাদের উপর অত্যাচার করার জন্য পাকিস্তানী মুসলমান সাম্প্রদায়িকতাবাদীদের সুযোগ দেওয়া। অর্থাৎ ভারতীয় মুসলমানদের দুঃখে বিগলিত হয়ে যারা পাকিস্তানে সংখ্যালঘুকে বিনাশ করতে চায় তারা ভারতীয় মুসলমানদের শত্রু। এবং পাকিস্তানী হিন্দুদের দুঃখে বিগলিত হয়ে যারা ভারতে সংখ্যালঘুকে বিনাশ করতে চায় বাস্তবতঃ তারা পাকিন্তানী হিন্দুদের শত্রু।

     

     

    কিন্তু স্বাভাবিক অবস্থায় একজন সাধারণ বালকের পক্ষে যা বোধগম্য সে কথা সাম্প্রদায়িক প্রচারণা এবং উন্মত্ততার মধ্যে অনেক শুভবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষেরও বোধগম্য হয় না। সাম্প্রদায়িকতার বাস্তব ভিত্তি স্বাধীনতাপূর্ব যুগের থেকে বর্তমানে অনেক দুর্বলতর হলেও তার মানসিক ভিত্তি এখানে পর্যন্ত পূর্ব প্রভাবে অনেক শক্তিশালী। স্বাধীনতা-উত্তরকালে পাক-ভারতীয় উপমহাদেশে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার হিসাব নিলে এ বিষয়ে সন্দেহের আর কোন অবকাশ থাকে না।

    ৮

    সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার মাধ্যমে তাই কোনমতেই ধর্মের গৌরব বর্ধন অথবা হিন্দু মুসলমান সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তার ভিত্তি দৃঢ়তর হয় না। উপরন্তু এর মধ্যে দিয়ে ধর্মের অবমাননা এবং সংখ্যালঘুদের দুঃখ দুদর্শাকে দীর্ঘস্থায়ী এবং অধিকতর নিদারুণ করার পথই প্রশস্ত হয়। শুধু তাই নয়। সাম্প্রদায়িকতা এবং সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার মাধ্যমে ভারত এবং পাকিস্তানের অগণিত অসংখ্য দরিদ্র কৃষক শ্রমিক এবং নিম্ন মধ্যবিত্তের নিজেরা লাভবান না হয়ে উচ্চ মধ্যবিত্তের শ্রেণীস্বার্থ রক্ষার্থে কল্পনাতীতভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়।

     

     

    পাক-ভারতীয় উপমহাদেশের জীবনে সাম্প্রদায়িকতাকে উচ্ছেদ করতে হলে তার জন্য শুধু ভারত অথবা পাকিস্তানের জনসাধারণের একক প্রচেষ্টাই যথেষ্ট নয়। কারণ এ সমস্যাটি এক হিসাবে পশ্চিম পাকিস্তানের ক্যানাল জলের সমস্যা অথবা পূর্বপাকিস্তানের বন্যা নিয়ন্ত্রণ সমস্যার সাথে তুলনীয়। এ সমস্যার সমাধানের জন্য প্রয়োজন দুই দেশের সরকার এবং জনসাধারণের শুভেচ্ছা এবং যৌথ প্রচেষ্টা।

    ভারতীয় সাম্প্রদায়িকতাবাদীরা, বিশেষ করে দাঙ্গা সংগঠনকারীরা, পাকিস্তানী সাম্প্রদায়িকতাবাদীদের এবং দাঙ্গা সংগঠনকারীদের বন্ধু এবং হিতাকাঙ্ক্ষী। এ দুই দেশের জনসাধারণ যে পর্যন্ত না এই পরম সত্যকে যথার্থভাবে উপলব্ধি করবে এবং স্ব-স্ব সম্প্রদায়ভুক্ত সাম্প্রদায়িকতাবাদীদেরকে শত্রু হিসাবে গণ্য করে নির্ণয় করবে তাদের নীতি সে পর্যন্ত এ উপমহাদেশে সার্থক এবং ব্যাপক গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক আন্দোলনের উদ্বোধন হবে না।

    ***

    ১. Sir Francis Tuker, While Memory Serves, p. 182

     

     

    ২. Ibid p. 181 – 82

    ৩. Ibid p. 182

    ৪. Ibid p. 181

    ৫. ধন্বন্তরী ও পূরণচন্দ্র যোশী, রক্তক্ষয়ী পাঞ্জাব, পৃ ৪৮-৪৯

    ৬. ‘All these happenings were extensively (বাঁকা নির্দেশ আমার নিজস্ব – বউ) reported to the Government by the Criminal investigation Department of the Police. These alarming reports, together with the events of the year preceding Independence made it all too clear what was to follow. Yet the Viceroy and Governor of the Punjib paid no attention to them’. Major General Fazal Muqeem Khan SQA, The story of the Pakistan Army. p. 63

    ৭. Leonard Mosley, The last days of the British Raj. p 245-47 and 261-65 Jaico Publishing House, Bombay.

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসংস্কৃতির সংকট – বদরুদ্দীন উমর
    Next Article দশটি কিশোর উপন্যাস – বিমল কর

    Related Articles

    বদরুদ্দীন উমর

    সংস্কৃতির সংকট – বদরুদ্দীন উমর

    October 30, 2025
    বদরুদ্দীন উমর

    সাংস্কৃতিক সাম্প্রদায়িকতা – বদরুদ্দীন উমর

    October 30, 2025
    বদরুদ্দীন উমর

    পূর্ব বাঙলার ভাষা আন্দোলন ও তৎকালীন রাজনীতি ১ – বদরুদ্দীন উমর

    October 30, 2025
    বদরুদ্দীন উমর

    চিরস্থায়ী বন্দোবস্তে বাঙলাদেশের কৃষক – বদরুদ্দীন উমর

    October 29, 2025
    বদরুদ্দীন উমর

    পূর্ব বাঙলার ভাষা আন্দোলন ও তৎকালীন রাজনীতি ২ – বদরুদ্দীন উমর

    October 29, 2025
    বদরুদ্দীন উমর

    বাঙলাদেশে কমিউনিস্ট আন্দোলনের সমস্যা – বদরুদ্দীন উমর

    October 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }