Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সাম্প্রদায়িকতা – বদরুদ্দীন উমর

    বদরুদ্দীন উমর এক পাতা গল্প115 Mins Read0
    ⤶

    ৭. একটি সাম্প্রদায়িক সমালোচনার জবাবে

    একটি সাম্প্রদায়িক সমালোচনার জবাবে

    ডক্টর সৈয়দ সাজ্জাদ হোসায়েন[১] আমার সাম্প্রদায়িকতা নামক বইয়ের উপর যে আলোচনা করেছেন সেটা পড়ে মনে হয় তিনি একজন কাল্পনিক প্রতিপক্ষ খাড়া করে তার কতকগুলি উদ্ভট মতামত খণ্ডন করতে উদ্যত হয়েছেন। তিনি প্রথমেই মন্তব্য করেছেন যে, আমার প্রবন্ধগুলি পড়ে তাঁর মনে হয়েছে তিনি যেন তিরিশ বছর ‘আগেকার অতীতে ফিরে গেছেন। কিন্তু তাঁর এ আলোচনা পড়ে যে কোন সুবুদ্ধিসম্পন্ন পাঠকেরই মনে হবে যে আমরা প্রায় চৌদ্দশো বছর আগের পৃথিবীতে ফিরে গেছি। কাজেই এ নিয়ে আলোচনা নিষ্প্রয়োজন। বিশেষ করে সহজ হিসাবে চৌদ্দশোর কাছে তিরিশ বছর যখন নিতান্তই তুচ্ছ।

    তাঁর এই প্রাথমিক মন্তব্যের পর তিনি আমার বইয়ের মূল বক্তব্যের একটা সার দেবার চেষ্টা করে কিছু কথা বলেছেন যেগুলিকে অস্বীকার না করলেও তাকে বইটির একটা বিশ্বস্ত সার বলে গ্রহণ করা চলে না। কিন্তু পরবর্তী আলোচনায় আমার বক্তব্যের নামে তিনি মাঝে মাঝে স্বরচিত কিছু বক্তব্য আমার উপর যেভাবে আরোপ করেছেন সেটা আমার বইয়ের যে কোন সাধারণ পাঠকের কাছেই অত্যন্ত আপত্তিকর মনে হবে। তাঁর এই সমস্ত কাল্পনিক বক্তব্যগুলি সম্পর্কেই এখানে কিছু আলোচনা প্রয়োজন।

    সৈয়দ সাজ্জাদ হোসায়েন আলোচনাকালে নিশ্চিতভাবে ধরে নিয়েছেন যে বইটিতে আমি শুধু মুসলমান সাম্প্রদায়িকতার কথাই বলেছি, মুসলমানদেরকেই সবকিছু বিপর্যয়ের জন্য দায়ী করেছি। শুধু তাই নয়। আমার বক্তব্য তাঁর কাছে নাকি হিন্দু মহাসভার বক্তব্যের মতই মনে হয়েছে। কার মনে কখন কি কারণে কোন্ চিন্তা উদয় হয় সেটা মন্তস্তত্ত্ব এবং শিক্ষাতত্ত্বের বিচার্য বিষয়।

    কিন্তু এক্ষেত্রে তাঁর এই ধারণার যে ভিত্তি নেই সেটা আমার বই-এর যে-কোন পৃষ্ঠায় নজর দিলেই ধরা পড়বে।

    সৈয়দ সাজ্জাদ হোসায়েন বলেছেন, পাকিস্তানী জাতীয়তাবাদকে আমি সাম্প্রদায়িকতা আখ্যা দিয়েছি এবং কংগ্রেস ও হিন্দু মহাসভার ভারতীয় জাতীয়তাবাদকে অসাম্প্রদায়িক ইত্যাদি বলে বর্ণনা করে তার ওকালতী করেছি। তাঁর বক্তব্য যে কতখানি বিকৃত এবং তিনি যে কতখানি কল্পনাশ্রেয়ী সেটা নীচের উদ্ধৃতি থেকে বোঝা যাবে।

    মধ্যবিত্তের শ্রেণীগত দুর্বলতার জন্য হিন্দু মধ্যবিত্ত নিজের স্বার্থ রক্ষা করতে গিয়ে মুসলমান মধ্যবিত্তের স্বার্থকে অনেকাংশ ক্ষুণ্ন করলো। ঠিক অনুরূপবাবে মধ্যবিত্তের শ্রেণীগত দুর্বলতার জন্য হিন্দু মধ্যবিত্ত নিজের স্বার্থ রক্ষা করতে গিয়ে মুসলমান মধ্যবিত্তের স্বার্থকে অনেকাংশে ক্ষুণ্ণ করলো। ঠিক অনুরূপভাবে মধ্যবিত্তের শ্রেণীগত দুর্বলতার কারণে মুসলমান মধ্যবিত্ত নিজের স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য দুর্বলতর প্রতিযোগী হিসাবে হয়ে দাঁড়াল অধিকতর ধর্মাশ্রয়ী। হিন্দু সমাজও তাই একদিকে ইংরেজ এবং অন্যদিকে মুসলমান স্বার্থের বিরুদ্ধতায় তার মধ্যবর্তীকালীন আপেক্ষিক ধর্ম-নিরপেক্ষতাকে বহুতরভাবে শিথিল করে জাতীয় আন্দোলনের মধ্যে আবার নতুন করে আনল ধর্মীয় জটিলতা। হিন্দু মহাসভা ইত্যাদি সাম্প্রদায়িক সংগঠন, এমনকি কংগ্রেসের এক শক্তিশালী অংশ পর্যন্ত বিভোর হলো রামরাজত্বের স্বপ্নে। এ জটিলতার ফলে ভারতীয় জাতীয়তাবাদ আর সত্য অর্থে ধর্মনিরপেক্ষ রইলো না। বিকৃতরূপ ধারণ করে তা পরিণত হলো সাম্প্রদায়িকতায়।

     

    আরও দেখুন
    বই
    ট্রেন টু পাকিস্তান
    গীতবিতান
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    ডিজিটাল বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি টিউটোরিয়াল
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ
    বইয়ের
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ

     

    সৈয়দ সাজ্জাদ হোসায়েন বলেছেন যেমন সাংস্কৃতিক আত্মনিয়ন্ত্রণের ভিত্তিতে মুসলিম লীগের যে দ্বিজাতিতত্ত্ব তাকে অস্বীকার করলেও জাতি বলতে কি বোঝায় সে সম্পর্কে আমি কিছুই বলিনি। তাঁর এ অভিযোগের যুক্তিসঙ্গত কারণ নেই। এ জন্য যে বইটিতে জাতিতত্ত্বের উপর দ্বিজাতিতত্ত্বকে দাঁড় করানোর চেষ্টা হয় তার সম্পর্কে বইটিতে ‘সাম্প্রদায়িকতা ও ধর্মীয় রাষ্ট্র’ এবং ‘মুসলিম জাতীয়তাবাদ ও মুসলিম সংস্কৃতি’ নামক প্রবন্ধে আলোচনা করা হয়েছে। মুসলমানদের মতো হিন্দুদের মধ্যেও ধর্মীয় প্রভাব যে প্রায় একই কারণে অনেক বিভ্রান্তির সৃষ্টি করেছিল সে কথাও মোটামুটিভাবে আলোচিত হয়েছে।

    এই দুই পৃষ্ঠায় যা বলা হয়েছে তা থেকেই বোঝা যাবে যে কোন কুসংস্কার অথবা হিন্দু বা মুসলমান ধর্মের প্রতি পক্ষপাতদুষ্ট কোন দৃষ্টিভঙ্গী থেকে সাম্প্রদায়িক সমস্যায় আলোচনার প্রচেষ্টা বইটিতে করা হয়নি। কিন্তু সৈয়দ সাজ্জাদ হোসায়েন এর মধ্যেও হিন্দু মহাসভার দর্শন আবিষ্কার করেছেন। এতেও বিস্মিত হওয়ার কিছু নেই কারণ তাঁর আলোচনা থেকে মনে হয় মুসলমান সমাজের অগ্রগতির ইতিহাস পর্যালোচনাকালে মুসলমানেরা ভাল এবং হিন্দুরা খারাপ (যদিও ভাল মন্দের প্রশ্ন এ জাতীয় বিশ্লেষণের ক্ষেত্রে অবাস্তব) এই কথা দম্ভের সাথে ঘোষণা করলেই যে কোন লেখকের বক্তব্য ‘অন্ধ’, ‘কল্পনাশ্রয়ী’, হিন্দু মহাসভাপন্থী’ ইত্যাদি হতে বাধ্য। তাঁর এবং তাঁর সমর্থকদের এ মনোভাব এবং অনুভূতি যে একটি মনস্তাত্ত্বিক ঘটনা একথা অস্বীকার করেছি বলেও তিনি অভিযোগ করে বলেছেন, ‘এই স্বাতন্ত্র্যবোধ মুসলমানের মধ্যে যে ছিল এই ঐতিহাসিক সত্য অস্বীকার করার উপায় আছে কি?’ কিন্তু আমি কি বাস্তব সত্যকে সত্যিসত্যিই অস্বীকার করেছি? নিচে উদ্ধৃতি দিলাম:

     

    আরও দেখুন
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন
    সংগীত
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    বাংলা হস্তলিপি কুইল
    বই
    পিডিএফ
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন
    বই ডাউনলোড

     

    তাঁরা শুধু ধরে নিয়েছিলেন ভারতীয় হিন্দুর সংস্কৃতি এক এবং মুসলমানের সংস্কৃতি এক এবং মুসলমানের সংস্কৃতি অন্য। কাজেই মুসলমানদের স্বতন্ত্র বিকাশের জন্য তারা প্রয়োজন বোধ করেছিলেন স্বতন্ত্র রাষ্ট্র পাকিস্তানের। এ দাবী তাঁদের পক্ষে ছিল অত্যন্ত স্বাভাবিক কারণ সাম্প্রদায়িক স্বার্থ বলতে সাধারণত আর্থিক স্বার্থ (যেমন চাকরী, ব্যবসা-বাণিজ্য ইত্যাদি স্বার্থ) বোঝালেও সাম্প্রদায়িক স্বার্থের একটা সাংস্কৃতিক দিকও ছিল এবং পাকিস্তান আন্দোলনে সেই দিকটিই রচনা করলো আন্দোলনের আবেগ অনুভূতির ভিত্তিভূমি।

    সৈয়দ সাজ্জাদ হোসায়েন আমার জন্য বলেছেন : ‘আশা করি তিনি স্বীকার করবেন যে জাতীয়তাবাদ মূলত একটা অনুভূতি। ভাষা নৃতত্ত্ব এর কোনটা দিয়েই তার পরিমাপ করা চলে না।’ সমাজ-বিজ্ঞানসম্মত চিন্তার শাসনসীমা যাঁরা বিনা দ্বিধায় লঙ্ঘন করেন তাঁদের পক্ষে এ জাতীয় অনুভূতিবাদ প্রচার অস্বাভাবিক নয়। তাঁদের ধারণা মানুষের ইতিহাসের বিভিন্ন পর্যায়ে মানুষ যা কিছু চিন্তা এবং অনুভব করে তার কোন বাস্তব ভিত্তি নেই। তার সাথে আর্থিক, সামাজিক, শিক্ষাগত এবং অন্যান্য কোন কিছুর যোগ নেই। অনুভূতি শুধুই অনুভূতি, অন্য কিছুর সাথে তার কোন কার্যকরণ সম্পর্ক নেই। কাজেই মুসলমানেরা হঠাৎ মনে করলো তারা এক জাতি এবং মূলত সেই অনুভূতির মাহাত্ম্যেই তারা সৃষ্টি করলো নোতুন রাষ্ট্র পাকিস্তান। ইতিহাসের এমন চিত্তপ্রসারী ব্যাখ্যা রাষ্ট্রবিজ্ঞান এবং ইতিহাস-চর্চার ক্ষেত্রে অচল হলেও মহাকাব্য রচনা ক্ষেত্রে যে তা বিশেষ উপযোগী তাতে সন্দেহের অবকাশ নেই।

     

    আরও দেখুন
    বইয়ের
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি টিউটোরিয়াল
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ
    উপন্যাস সংগ্রহ
    PDF
    বই
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন
    লেখকের বই
    বই পড়ুন

     

    সৈয়দ সাজ্জাদ হোসায়েনের যুক্তি অনুসারে মসজিদের সামনে নামাজের সময় বাজনা বাজালে আসলে তার মধ্যে আপত্তিকর কিছু নেই। কারণ এর দ্বারা কিছু গোলমাল বাড়ায়, জীবন বিঘ্নিত হলেও সত্য অর্থে ইসলামের কোন অবমাননা হয় না। অর্থাৎ ইসলামের অবমাননা হবে কি না হবে সেটা নির্ভর করে কোন্ সম্প্রদায়ভুক্ত লোকে সেই কাজ করছে তার উপর এ মনোবৃত্তিকেই আমার বইয়ে আমি সাম্প্রদায়িকতা আখ্যা দিয়েছি, কারণ এ জাতীয় লোকের ধর্মের প্রতি কোন সত্যিকার আনুগত্য নেই। ধর্মের নামে পোলাও-কোর্মা-কোফতা – কালিয়া খাওয়া’ মুসলমানদের ঐহিক স্বার্থ রক্ষার জন্যই তাঁদের এত চিৎকার এবং গলাবাজি। এ জন্যই নামাজের সময় পর্যন্ত মুসলমানরাই ঢাকায় মসজিদের সামনে আজকাল বাজনা বাজালেও তাঁদের মনে ইসলাম সম্পর্কে ‘একটা নিরাপত্তার ভাব’ পরম নিশ্চিন্তে রাজত্ব করছে। একটু বিশ্লেষণ করলেই দেখা যাবে যে সৈয়দ সাজ্জাদ হোসায়েন অন্তরে যে নিরাপত্তা বোধ করেছেন সেটা ইসলাম সম্পর্কে নয়, নিরাপত্তা সর্বতোভাবে উচ্চ মধ্যবিত্ত পাকিস্তানী মুসলমানের সাম্প্রদায়িক স্বার্থের সম্পর্কে। এ জাতীয় মনোবৃত্তির প্রতি লক্ষ রেখেই আমি বলেছি:

    ধর্মনিষ্ঠার সাথে সম্পর্ক আছে ধর্মীয় তত্ত্ব এবং আচার-বিচারের। সাম্প্রদায়িকতার যোগ হচ্ছে সম্প্রদায়ের সাথে। অর্থাৎ ধর্মনিষ্ঠার ক্ষেত্রে ব্যক্তির নিজের আচরণ এবং ধর্ম বিশ্বাসের গুরুত্ব বেশী। সাম্প্রদায়িকতার ক্ষেত্রে নিজের ধর্মীয় সম্প্রদায়ের প্রতি বিশেষ এক জাতীয় আনুগত্যের গুরুত্ব বেশী। এ ছাড়া সত্যিকার ধর্মনিষ্ঠা পরকালমুখী। পরকালেই তার সত্যিকার পুরষ্কারের আশা। সাম্প্রদায়িকতার মুনাফা ইহলোকে। ধর্মনিষ্ঠার জন্য অন্যের বিরুদ্ধাচরণের প্রয়োজন নেই। অন্যের বিরুদ্ধাচরণ এবং ক্ষতিসাধনের প্রচেষ্টার মধ্যেই সাম্প্রদায়িকতার বিকাশ এবং পরিণতি। ধর্মের সাথে তাই সাম্প্রদায়িকতার কোন প্রয়োজনীয় তত্ত্বগত সম্পর্ক নেই। ধর্মীয় তত্ত্ব এবং আচার-আচরণকে ভিত্তি করে যে সমাজ ও সম্প্রদায় গঠিত হয় সেই সম্প্রদায়ের ঐহিক স্বার্থ সাম্প্রদায়িকতার জনক। সাম্প্রদায়িকতা এ অর্থে পুরোপুরি ধর্মনিরপেক্ষ।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি
    অনলাইনে বই
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ
    বই ডাউনলোড
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বই পড়ুন
    অনলাইন বুকস্টোর
    গান
    বাংলা সাহিত্য

     

    শিক্ষাক্ষেত্রে অনগ্রসরতাই মুসলিম সাম্প্রদায়িকতার প্রধান কারণ-আমার এই বক্তব্যকে সৈয়দ সাজ্জাদ হোসায়েন একটা আবিষ্কার বলে ব্যঙ্গ করেছেন। শিক্ষাক্ষেত্রে অনগ্রসরতা প্রধান কারণ, না অন্যতম প্রধান কারণ, না গৌণ কারণ এ নিয়ে অনেক বিতর্ক হতে পারে- এটা স্বীকার করতে আমার দ্বিধা নেই। কারণ যা লিখেছি সেগুলি সবই যে সম্পূর্ণ অভ্রান্ত এবং অপরিবর্তনীয় এ দাবী করার মতো জাগ্রত অনুভূতি আমার নেই। কিন্তু সৈয়দ সাজ্জাদ হোসায়েনের ব্যঙ্গোক্তি থেকে মনে হয় শিক্ষাক্ষেত্রে অনগ্রসরতাকে তিনি সাম্প্রদায়িকতা এবং মুসলমানদের রাজনৈতিক স্বাতন্ত্র্য বোধের অন্যতম কারণ হিসাবে বিবেচনা করতে সম্মত নন। তিনি যদি ঊনিশ শতকের ভারতবর্ষের শিক্ষা ব্যবস্থা এবং বিস্তারের সাথে পরিচিত হতেন তাহলে তাঁর জ্ঞানের শাসনেই তিনি এ ব্যঙ্গোক্তি থেকে বিরত থাকতেন। কিন্তু তিনি তো স্বাতন্ত্র্যের ‘অনুভূতি’ ব্যতীত অন্য কিছুকেই আমল দিতে নারাজ। কাজেই সে স্বাতন্ত্র্যবোধের কার্যকারণ অনুসন্ধানে তার প্রয়োজন কোথায়?

    সৈয়দ সাজ্জাদ হোসায়েন এ প্রসঙ্গে আরও বলেছেন, ‘সমাজের কোন অংশ অনগ্রসর হয়ে থাকলে সমাজ দুর্বল হয়, কিন্তু তার ফলে সেই অনগ্রসর অংশের মধ্যে স্বাতন্ত্র্যবোধ জেগে ওঠে একথা বিশ্বাস করা বড় শক্ত। তফসিলভুক্ত হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে কোন স্বাতন্ত্র্যবোধ উদ্ভব হয় নি কেন? তার তো মুসলমানের চেয়েও বেশি অনুগ্রসর ছিল।’ এই হাস্যকর বক্তব্য এবং প্রশ্নের জবাবে বলতে বাধ্য হচ্ছি যে ভারতবর্ষে তফসিলীদের মধ্যে যথেষ্ট স্বাতন্ত্র্যবোধ ছিল; তারা ১৯৩৫ সালের ভারত-শাসন আইনে পৃথক নির্বাচন ব্যবস্থা লাভ করেছিল; ডক্টর আম্বেদকর তাদের অধিকার নিয়ে অনেক সংগ্রাম করেছেন; মুসলমানদের মতো তারাও যাতে শেষ পর্যন্ত সরে না পড়ে তার জন্য গান্ধীজী ‘হরিজন’ পত্রিকা এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠান ও সমাজসেবামূলক কাজের মাধ্যমে তাদেরকে সাথে রাখার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করেছিলেন; এবং তফসিলী ফেডারেশন নামে তাদের স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান ছিল যার প্রতিনিধিরা পূর্ব পাকিস্তানের অনুপস্থিত ছিলেন না। এই প্রসঙ্গে সৈয়দ সাজ্জাদ হোসায়েন ভারতীয় নাগা, শিখ এবং দক্ষিণীদের কথাও ‘নিরাপদে’ স্মরণ করতে পারেন।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা হস্তলিপি কুইল
    গান
    বই পড়ুন
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ
    নতুন বই
    PDF বই
    বইয়ের
    ই-বই পড়ুন
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    অনলাইনে বই

     

    সাধারণতঃ মুসলমানেরা ধর্মীয় এবং সামন্ততান্ত্রিক বিভ্রান্তিবশতঃ মোগল সাম্রাজ্যকে নিজেদের সাম্রাজ্য বলে ধরে নিয়ে তার পতনকে নিজেদের পতন বলে ভুল করার কথা বলায় সৈয়দ সাজ্জাদ হোসায়েন আমাকে ‘নূতন আবিষ্কারের মোহে কল্পনাশ্রয়ী’ এবং আমার মতকে ‘ভারতীয়বাদ’ বলে ভূষিত করেছেন। আমার বক্তব্যকে ‘ভারতীয়বাদ’ বলে ধরে নিয়ে উত্তেজিত হওয়ার ফলে তিনি আমাকে কল্পনাশ্রয়ী ইত্যাদি বলে আরবী, ফারসী, কোরমা পোলাও নিয়ে অনেক আলোচনা করেছেন। কিন্তু আমার বক্তব্যের সাথে আসলে ভারতীয়বাদের কোন সম্পর্ক নেই। আমি মুসলমানদের ধর্মীয় এবং সামন্ততান্ত্রিক বিভ্রান্তির কথা মোগলরা ভারতীয় ছিল না এ কারণে বলিনি। বলেছি এ জন্য যে মোগল সাম্রাজ্যের দ্বারা যে মুসলমানেরা লাভবান হয়েছিল এবং তার পতনের পর যারা স্বভাবতঃই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল তারা ছিল অন্যশ্রেণীর মানুষ – যারা কোর্মা-পোলাও খেত এবং আরবী ফারসীতে কথা বলত। ডাল, ভাত, মাছ খাওয়া এবং বাঙলায় কথা বলা সাধারণ মুসলমানের স্বার্থ, পাঠানযুগ ইংরেজযুগ সব সময়েই ছিল সম্পূর্ণ উপেক্ষিত। কাজেই সে সাম্রাজ্যের পতনকে নিজেদের পতন মনে করাটা ধর্মীয় এবং সামন্ততান্ত্রিক প্রভাবসৃষ্ট বিভ্রান্তি ছাড়া আর কিছুই নয়। ওয়াহাবী আন্দোলন, যার ভূমিকাকে সৈয়দ সাজ্জাদ হোসায়েন ‘সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী’ বলে বর্ণনা করেছেন, সে আন্দোলনের উৎপত্তি, বিকাশ এবং পরিণতির কারণ এবং ইতিহাসের সাথে ভালভাবে পরিচিত হলে তিনি সহজেই উপলব্ধি করতেন যে সে আন্দোলন আসলে সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী নয়, সামন্ততন্ত্রবিরোধী। এ জন্যেই ভারতবর্ষের উচ্চশ্রেণীর কোর্মাপোলাও খাওয়া মুসলমানদের আন্দোলন সেটা ছিল না। সে আন্দোলন ছিল ডাল, ভাত খাওয়া মুসলমানদের আন্দোলন, যেটা পরিশেষে অনেকখানি ইংরেজবিরোধী হয়েছিল ইংরেজদের সাথে কিছু কিছু সামন্ততান্ত্রিক শক্তির বোঝাপড়ার ফলে। এসবের সাথে ধর্মীয় প্রশ্ন অবশ্যই জড়িত ছিল এবং এটাই মূলতঃ তার প্রতিক্রিয়াশীল চরিত্রের জন্মদাতা। কারণ এই সাধারণ মুসলমানেরা ইংরেজ এবং সামন্ততান্ত্রিক শক্তিসমূহের অত্যাচারে জর্জরিত হয়ে স্বপ্ন দেখেছিল দারুল ইসলামের। সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী আন্দোলন বলতে যা বোঝায় তার কোন লক্ষণই ওয়াহাবী আন্দোলনের মধ্যে উপস্থিত ছিল না। কাজেই তার সেই ভূমিকাকে ‘বিলকুল চাপা দেওয়া’র প্রশ্ন ওঠে না।

     

    আরও দেখুন
    PDF
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স
    বাংলা কৌতুক বই
    ট্রেন টু পাকিস্তান
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    সংগীত
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বুক শেল্ফ

     

    পাকিস্তান আন্দোলন সম্পর্কে আমি যা কিছু বলেছি তার মধ্যে সৈয়দ সাজ্জাদ হোসায়েনের মতে সবচেয়ে বিভ্রান্তিমূলক হচ্ছে লাহোর প্রস্তাব সম্বন্ধে আমার মন্তব্য। তিনি বলেছেন যে প্রস্তাবে বহুবচনের ব্যবহার থাকলেও সে কথা কারও মনে ছিল না এবং সেটাকে কেউ কোন গুরুত্ব দেয়নি। কিন্তু সেই সঙ্গে তিনি আবার বলেছেন, ‘মুসলিম লীগের ইতিহাসে লাহোর Resolution শেষ কথা নয়। ঊনিশশো চল্লিশ সালে লাহোর প্রস্তাবের পর দিল্লীতে ১৯৪৩ সালে লীগ সদস্যদের কনভেনশনে এই Resolution পরিবর্তিত হয় এবং ভবিষ্যতে যাতে এ নিয়ে কোন বাকবিতণ্ডা না হতে পারে সেজন্য এক বছরে State কথাটাই ব্যবহার করা হয়।’ এখন প্রশ্ন হলো বহুবচন ব্যবহারের যদি কোন গুরুত্ব কেউ না দিয়ে থাকে এবং এসব নিয়ে কোথাও কোন আলোচনা না হয়ে থাকে তাহলে হঠাৎ সে প্রস্তাবকে ‘ভবিষ্যৎ বাকবিতণ্ডা’ থেকে মুক্ত রাখার জন্য পরিবর্তন করার প্রয়োজন দেখা দিল কেন? এ বিষয়ে অনেক কিছু বলা যেতে পারে। কিন্তু সৈয়দ সাজ্জাদ হোসায়েন তাঁর প্রশ্নের উত্তর এখানে নিজেই দিয়েছেন কাজেই এ নিয়ে কথা বাড়িয়ে লাভ নেই।

    আমার প্রবন্ধগুলো পড়ে ডক্টর সৈয়দ সাজ্জাদ হোসায়েন খুবই নিরাশ হয়েছেন। এ জন্য আমি দুঃখিত। পরিশেষে তিনি যে কথা বলে আলোচনা শেষ করেছেন তাঁর সেই কথা উদ্ধৃত করেই আমি তাঁর সমালোচনা সম্পর্কে আলোচনা শেষ করব ‘পাকিস্তানের আদর্শ এবং ইতিহাস সম্বন্ধে আলোচনা হোক এটা আমরা আশা করি। তবে আলোচনা যেখানে তথ্যের উপর প্রতিষ্ঠিত নয় সেখানে এ ধরনের আলোচনা শুধু বিভ্রান্তির সৃষ্টি করতে পারে।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    পোর্টেবল স্পিকার
    গান
    পিডিএফ
    গল্প, কবিতা
    ডিকশনারি
    কৌতুক সংগ্রহ
    Library
    ডিজিটাল বই
    নতুন বই

     

    ***

    ১. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের প্রাক্তন অধ্যক্ষ এবং পরে রাজশাহী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যায়ের উপাচার্য।

    পরিশিষ্ট

    সামাজিক পটভূমির উপর দৃষ্টি রেখে সাহিত্যকে বোঝার চেষ্টা করলে অনেক বিষয়ে আমাদের ধারণা পরিচ্ছন্ন হয়। ভারতবর্ষে সাম্প্রদায়িকতার উৎপত্তি এবং ইতিহাসকে বোঝার জন্য একথা বিশেষভাবে প্রযোজ্য। ঊনিশ শতকের সাহিত্যে সর্বক্ষেত্রেই ধর্মীয় প্রভাব অত্যন্ত স্পষ্টভাবে চোখে পড়ে। ধর্মকে বাদ দিয়ে সে সময়ে প্রকৃতপক্ষে কোন চিন্তাই সম্ভব ছিল না। ডিরোজীওর ব্যক্তিত্ব এবং ভাবাদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে ‘ইয়ং বেঙ্গল’ আন্দোলন যাঁরা গঠন করেছিলেন সংখ্যায় অল্প হলেও তাঁরা অবশ্য এদিক থেকে অনেকখানি ব্যতিক্রম। কিন্তু এই ‘ইয়ং বেঙ্গল’ দলের সকলেই ছিলেন হিন্দু সমাজের অন্তর্ভুক্ত। মুসলমানদের মধ্যে এ জাতীয় কোন আন্দোলন সে সময়ে গঠিত হয়নি। এর অন্যতম প্রধান কারণ ঊনিশ শতকে শিক্ষাক্ষেত্রে মুসলমানদের অনগ্রসরতা। এটাই একটা বড় কারণ যার জন্য মুসলমান সম্প্রদায়ের মধ্যে মধ্যবিত্তশ্রেণী গঠিত হতে হিন্দুদের তুলনায় সময় লেগেছে অনেক বেশী। ব্যবসা-বাণিজ্য, জমিদারী ইত্যাদির ক্ষেত্রে তাঁরা মুসলমান আমলেও হিন্দুদের থেকে অনেক পশ্চাতে ছিলেন। বাঙলাদেশের ক্ষেত্রে একথা বিশেষভাবে প্রযোজ্য। সে আমলের বাঙলায় মুসলমানেরা অধিক সংখ্যায় নিযুক্ত থাকতেন সামরিক বিভাগে, আইন আদালতে এবং অন্যান্য সরকারী দপ্তরে। এসব ক্ষেত্রে ইংরেজদের সময় তাঁদের অবস্থা পূর্বের তুলনায় ভালো তো হলোই না উপরন্তু শিক্ষাক্ষেত্রে পিছিয়ে থাকার ফলে তাঁরা আইন আদালত এবং বহুপ্রকার সরকারী চাকরী থেকেও ধীরে ধীরে অপসারিত হলেন। সামরিক বিভাগের উচ্চ পদ থেকে অবশ্য হিন্দু মুসলমান উভয়েই হলেন সম্পূর্ণভাবে বহিষ্কৃত।

     

    আরও দেখুন
    উপন্যাস সংগ্রহ
    ডিকশনারি
    মিউজিক
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    স্বাস্থ্য টিপস
    বইয়ের তালিকা
    গল্প, কবিতা
    বই
    পিডিএফ
    কৌতুক সংগ্রহ

     

    এই বিষয়ে প্রায় সকলেই একমত যে ঊনিশ শতকে শিক্ষাক্ষেত্রে মুসলমানদের অনগ্রসরতাই মুসলমান মধ্যবিত্তের সংখ্যাল্পতা এবং অনগ্রসরতার জন্য দায়ী। শিক্ষাক্ষেত্রে মুসলমানদের এই অনগ্রসরতার সঠিক কারণ কি সেটা নির্ধারণ করার ঐতিহাসিক গুরুত্ব তাই খুব বেশী।

    আনিসুজ্জামান তাঁর ‘মুসলিম মানস ও বাঙলা সাহিত্যে’[১] এর কারণ নির্ধারণের কিছুটা চেষ্টা করেছেন। এ বইটি বাঙলা সাহিত্যের উপর হলেও সাহিত্যক্ষেত্রে সামাজিক পটভূমির গুরুত্ব উপলব্ধি করে লেখক প্রথমদিকে আঠারো শতক থেকে মুসলমানদের সামাজিক অবস্থার একটা পর্যালোচনা করেছেন। সাহিত্যকে সমসাময়িক সমাজের পটভূমিকায় বিচার করার প্রচেষ্টা আমাদের সাহিত্য-সমালোচনায় অত্যন্ত বিরল। সেদিক থেকে আনিসুজ্জামানের প্রচেষ্টা খুবই উল্লেখযোগ্য।

    বইটি সম্পর্কে দীর্ঘ আলোচনা এখানে সম্ভব নয়। তবে একটি জিনিষ এখানে সংক্ষেপে এবং সাধারণভাবে আলোচনা করা যেতে পারে। শিক্ষাক্ষেত্রে মুসলমানদের অনগ্রসরতার জন্য সাধারণতঃ তিনটি কারণ উল্লেখ করা হয়। যথা : মুসলমানদের আর্থিক অসঙ্গতি, ধর্মীয় এবং রাজনৈতিক কারণে তাদের ইংরেজী শিক্ষার বিরোধীতা এবং ইষ্ট ইণ্ডিয়া কোম্পানী ও বৃটিশ সরকারের শিক্ষানীতি। কোন লেখকই অবশ্য এগুলির উপর সমান গুরুত্ব আরোপ করেন না। আনিসুজ্জামানও সেটা করেননি। ‘ধর্মীয় গোঁড়ামি বা ইংরেজ শাসনের প্রতি ঘৃণাবশতঃ এদেশের মুসলমানেরা ইংরেজী শিক্ষা প্রত্যাখ্যান করেছিলেন বলে যে ধারণা প্রচলিত আছে, তার পুনর্বিচার’ করতে গিয়ে তিনি বলেছেন,

     

    আরও দেখুন
    বাংলা বই
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ
    বাংলা অডিওবুক
    ই-বই পড়ুন
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা সাহিত্য
    PDF বই
    PDF
    ট্রেন টু পাকিস্তান

     

    মিশনারী স্কুলে মুসলমানরাও পড়ত-তার প্রমাণ পাই চুঁচুড়া অঞ্চলে স্থাপিত রবার্ট মে’র স্কুলগুলোয় মুসলমান শিক্ষার্থীর সমাবেশে। ১৮১৭ সালে প্রতিষ্ঠিত কলকাতা স্কুল বুক সোসাইটিতে হিন্দু ও মুসলমান, উভয় সম্প্রদায়ের সদস্য ছিলেন। পরবর্তী বৎসরে প্রতিষ্ঠিত কলকাতা স্কুল বুক সোসাইটির দেশীয় সদস্যদের মধ্যে প্রথমে মুসলমান ছিলেন অধিক, পরে হিন্দু ও মুসলমান সদস্য সংখ্যা সমান করা হয়। সোসাইটি পরিচালিত স্কুলসমূহ মুসলমান ছাত্রেরা হিন্দুর তুলনায় সংখ্যাতে কম হলেও-পড়াশোনা করতো। এমনকি এ যুগে মুসলমান মেয়েদের শিক্ষালাভও অজ্ঞাত ছিল না। [পৃ ৩০-৩১]

    তাঁর মতে বাঙলাদেশের মুসলমানদের আর্থিক দুর্গতির জন্যই শিক্ষাক্ষেত্রে তাঁরা এত অনগ্রসর ছিল। কিন্তু এ সত্ত্বেও তিনি যে এ ব্যাপারে নিশ্চিতভাবে তার মত স্থির হতে পেরেছেন সেটা মনে হয় না। একদিকে তাই তিনি বলছেন,

    আর্থিক সঙ্গতির অভাবই বাঙালী মুসলমানের ইংরেজী শিক্ষা গ্রহণের পথে প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর এই সঙ্গতি ছিল বলেই যুক্ত প্রদেশের মুসলমানেরা এক্ষেত্রে অগ্রসর হতে পেরেছিলেন-ধর্মীয় গোঁড়ামী বা আত্মাভিমান বাঙালী মুসলমানদের চাইতে তাঁদের কম ছিল না। [পৃ ৩২]

     

    আরও দেখুন
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    লেখকের বই
    বইয়ের
    গ্রন্থাগার
    গান
    গল্প, কবিতা
    Library
    সংগীত
    বুক শেল্ফ
    রেসিপি বই

     

    আবার অন্যদিকে বলছেন,

    ঊনবিংশ শতাব্দীতে বাঙলার নবজাগরণের সূচনা হয়েছিল রামমোহনের ধর্ম আন্দোলনে। বাঙলায় ও বাঙলার বাইরে মুসলমান সমাজেও ধর্ম আন্দোলন দেখা দিয়েছিল। কিন্তু সে আন্দোলন আধুনিক শিক্ষা ও সংস্কৃতির সঙ্গে তার যোগ ঘটায় নি — সে আন্দোলন তাকে নিয়ে গিয়েছিল রক্ষণশীলতার সুরক্ষিত দুর্গের অভ্যন্তরে। এই রক্ষণশীলতা থেকে আধুনিকতায় আসতে তার প্রয়োজন হয়েছিল অনেক সময়ের এবং আরো একটি ভাব আন্দোলনের। [পৃ ৩৬]

    আর্থিক দুর্গতির জন্য মুসলমানেরা ইংরেজী শিক্ষা গ্রহণ করতে সক্ষম হয়নি একথা যেমন সত্য ইংরেজী শিক্ষা গ্রহণ না করায় যে তাদের আর্থিক দুর্গতির কারণ হয়েছিল একথাও ঠিক তেমনি সত্য। মুসলমান সমাজের পশ্চাদপদত্বের এই দ্বিবিধ কারণ আবার কতখানি বৃটিশ শিক্ষা নীতির উৎপত্তি সেটাও এ ক্ষেত্রেও বিশেষভাবে বিচার্য। আনিসুজ্জামানের মত কাজী আবদুল মান্নানও সাহিত্যে সামাজিক পটভূমির গুরুত্ব নির্ণয়ের প্রচেষ্টা করেছেন।[২] তাঁর মতে শিক্ষাক্ষেত্রে মুসলমানদের অনগ্রসরতার জন্য ইংরেজ সরকারের শিক্ষা নীতিই প্রধানতঃ দায়ী। কারণ হিন্দুদের শিক্ষার জন্য সরকার যে পরিমাণ অর্থ ব্যয় করেছিলেন তার তুলনায় মুসলমানদের জন্য তাঁরা তেমন কিছুই করেননি। এমনকি হাজী মহম্মদ মহসীন হুগলী মাদ্রাসার জন্য যে বিপুল পরিমাণ অর্থ দান করেন তার একটা খুব বড় অংশ ব্যয় করে সরকার হুগলীতে একটি ইংরেজী কলেজ পরিচালনা করতেন এবং একমাত্র হিন্দু ছেলেরাই উক্ত কলেজে পড়াশোনা করত। [পৃ ৫১-৫৩]

     

    আরও দেখুন
    বাইশে শ্রাবণ
    বাংলা ই-বুক রিডার
    ডিজিটাল বই
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    নতুন বই
    ই-বই পড়ুন
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বই

     

    হুগলীতে ইংরেজী কলেজ স্থাপিত হওয়া সত্ত্বেও মুসলমানেরা ইংরেজী শিক্ষার সুযোগ কেন গ্রহণ করতে পারেনি সে সম্পর্কে কাজী মান্নান আবার মুসলমান ছাত্রদের আর্থিক দুর্গতির উল্লেখ করেছেন। তাঁর মতে হুগলী শহরে এসে পড়াশোনার খরচ চালান তাদের দ্বারা সম্ভব ছিল না। [পৃ ৫৫] এ ছাড়া তিনি আরও বলেছেন যে,

    এতকাল তারা ফারসীর মাধ্যমে যে-শিক্ষা গ্রহণ করে আসছিল, ইংরেজ সরকার তার আর্থিক অবলম্বনগুলোকে আত্মসাৎ ক’রে যখন ইংরেজীর মাধ্যমে শিক্ষার নতুন ব্যবস্থা প্রবর্তন করলো, তখন তারা সরকারের উদ্দেশ্য সম্বন্ধেই সন্দিহান হয়ে উঠলো। এটাকে তারা মনে করলো তাদের ধর্মের ব্যাপারে বিদেশী জাতির হস্তক্ষেপ। [পৃ ৩৬]

    ডাক্তার আজিজুর রহমান মল্লিক মুসলমানদের শিক্ষা সম্পর্কে বিশদ আলোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন যে, প্রথম দিকে কোম্পানী ভারতীয়দেরকে শিক্ষা দেওয়ার ব্যবস্থা করেছিল কলকাতায় যেখানে ছিল হিন্দুদের প্রাধান্য। পূর্ব এবং উত্তর বঙ্গের মুসলমান প্রধান অঞ্চলগুলি এ ব্যাপারে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিল অনেক পরে। ডাক্তার মল্লিক মুসলমানদের আর্থিক দুর্গতির কথাও এ প্রসঙ্গে আলোচনা করেছেন। ৩ কান্টওয়েল স্মিথের বক্তব্যেও অনেকটা এ ধরণের। বৃটিশদের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা এ দেশের আর্থিক ক্রিয়াকর্মকে ক্ষতিগ্রস্ত করে পরিশেষে শুধু কৃষি ব্যতীত অন্য সব ক্ষেত্রে নিজেদেরকে প্রতিষ্ঠিত করেছিল। তাছাড়া নৌপথে ভারতবর্ষে আসার জন্য যে সব এলাকায় তাদের ব্যবসা-বাণিজ্য শিল্প ইত্যাদি প্রসার লাভ করেছিল সেগুলি ছিল মুসলমান কর্মকেন্দ্রগুলি থেকে অনেক দূরে- কলকাতা, মাদ্রাজ এবং বোম্বাইয়ে। তাঁর মতে মুসলমানদের আর্থিক উন্নতি এবং শিক্ষা দীক্ষা এ কারণেই অনেকাংশে বাধাপ্রাপ্ত ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। ৪ কিন্তু এ কারণের গুরুত্ব সীমাবদ্ধ। বাঙলাদেশের থেকে যুক্ত প্রদেশের মুসলমানদের তুলনামূলক অগ্রসরতাকে আবার এর দ্বারা ব্যাখ্যা করা চলে না। তবে মুসলমান আমলে ক্ষমতার কেন্দ্রস্থল যুক্তপ্রদেশে অবস্থিত থাকার ফলে সেখানকার মুসলমানদের অবস্থা এমনিতেই বাঙলার মুসলমানদের তুলনায় অনেক ভাল ছিল।

    কলকাতায় মুসলমানদের ইংরেজী শিক্ষার কোন ব্যবস্থাই প্রকৃতপক্ষে করা হয়নি। কলকাতা মাদ্রাসায় যে সামান্য প্রচেষ্টা হয়েছিল সেটাও সফল হয়নি। কারণ সেখানে যারা শিক্ষার জন্য যেতো তারা মোটামুটিভাবে ছিল অত্যন্ত রক্ষণশীল। ইংরেজী শিক্ষার প্রতি তারা বিরূপ ছিল। একথা সংস্কৃত কলেজ সম্পর্কেও প্রযোজ্য কারণ সেখানে ইংরেজী শিক্ষার যে প্রচেষ্টা করা হয় সেটাও সফল হয়নি। ফলে ১৮৩৫ খৃষ্টাব্দে সংস্কৃত কলেজ থেকে ইংরেজী শিক্ষা ব্যবস্থা একেবারে তুরে দেয়া হয়। রক্ষণশীল হিন্দুরা এই সিদ্ধান্তের জন্য সরকারকে অভিনন্দন জানান।[৫]

    সংস্কৃত কলেজ থেকে ইংরাজী শিক্ষা তুলে দেওয়ায় কলকাতায় সাধারণভাবে হিন্দুদের ইংরেজী শিক্ষার কোন অসুবিধা ছিল না। কারণ হিন্দু কলেজেই তাঁরা সে সুযোগ লাভ করতেন। মুসলমানদের জন্য সে রকম কোন স্বতন্ত্র ব্যবস্থা না করায় সরকার কলকাতা মাদ্রাসায় ইংরেজী শিক্ষা প্রচেষ্টা সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ হলেও সেখানে ইংরেজী বিভাগ তুলে না দেওয়ার সিদ্ধান্ত করেন। ইংরেজী শিক্ষার ক্ষেত্রে মুসলমানেরা কতদূর পশ্চাদপদ ছিল তার উদাহরণ দিতে গিয়ে সালাহউদ্দীন আহমদ বলেছেন যে ১৮৩৫ খৃষ্টাব্দে কলকাতা মেডিকেল কলেজ স্থাপিত হলে দেখা গেল যে সেখানে আবেদকারীদের মধ্যে উপযুক্তমতো ইংরেজী শিক্ষিত এমন একজনও ছিল না, যাকে ভর্তি করা যেতে পারতো।[৬]

    মুসলমানদের ইংরেজী শিক্ষাক্ষেত্রে পিছিয়ে থাকার ইতিহাসের সাথে পাকভারতীয় উপমহাদেশের সাম্প্রদায়িকতার ইতিহাস ওতপ্রোতভাবে জড়িত। এজন্যই এক্ষেত্রে আমাদের ধারণাকে পরিচ্ছন্ন করার প্রয়োজন অত্যন্ত বেশী।

    **

    ১. আনিসুজ্জামান, মুসলিম মানস ও বাঙলা সাহিত্য, লেখক সঙ্ঘ প্রকাশনী, ১৯৬৪

    ২. কাজী আবদুল মান্নান, আধুনিক বাঙলা সাহিত্যে মুসলিম সাধনা, বাঙলা বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।

    ৩. A. R. Mallik, British Policy and the Muslims of Bengal, p. 193

    ৪. W. C. Smith, Modern Islam in India, p. 164

    ৫. A. F. Salahuddin Ahmed, Social Ideas and Social Change in Bengal 1818-1835, p. 196

    ৬. Ibid, P. 147

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসংস্কৃতির সংকট – বদরুদ্দীন উমর
    Next Article দশটি কিশোর উপন্যাস – বিমল কর

    Related Articles

    বদরুদ্দীন উমর

    সংস্কৃতির সংকট – বদরুদ্দীন উমর

    October 30, 2025
    বদরুদ্দীন উমর

    সাংস্কৃতিক সাম্প্রদায়িকতা – বদরুদ্দীন উমর

    October 30, 2025
    বদরুদ্দীন উমর

    পূর্ব বাঙলার ভাষা আন্দোলন ও তৎকালীন রাজনীতি ১ – বদরুদ্দীন উমর

    October 30, 2025
    বদরুদ্দীন উমর

    চিরস্থায়ী বন্দোবস্তে বাঙলাদেশের কৃষক – বদরুদ্দীন উমর

    October 29, 2025
    বদরুদ্দীন উমর

    পূর্ব বাঙলার ভাষা আন্দোলন ও তৎকালীন রাজনীতি ২ – বদরুদ্দীন উমর

    October 29, 2025
    বদরুদ্দীন উমর

    বাঙলাদেশে কমিউনিস্ট আন্দোলনের সমস্যা – বদরুদ্দীন উমর

    October 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }