Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সায়েন্স ফিকশন সমগ্র ৪ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল এক পাতা গল্প1092 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৩. গ্রুস্তান পরিবার

    ৩. গ্রুস্তান পরিবার

    রিহান বাটি থেকে চুমুক দিয়ে স্যুপটা শেষ করে খালি বাটিটা ত্রানাকে ফেরত দিল। ত্রানার বয়স দশ যদিও তাকে দেখে আরো কম মনে হয়। সে খালি বাটিটা হাতে নিয়ে সাথে সাথে চলে গেল না, রিহানের কাছাকাছি দাঁড়িয়ে রইল। রিহান চোখ মটকে জিজ্ঞেস করল, কী হল ত্রানা, তুমি কিছু বলবে?

    ত্রানা মাথা নাড়ল, বলল, উঁহু।

    তোমাকে দেখে মনে হচ্ছে তুমি কিছু একটা জিজ্ঞেস করতে চাও, লজ্জা করো না, জিজ্ঞেস করে ফেলো।

    ত্রানা ইতস্তত করে জিজ্ঞেস করল, তোমার পা যে শিকল দিয়ে বেঁধে রেখেছে তোমার ব্যথা করে না?

    রিহান শিকল দিয়ে বাঁধা ডান পাটি নাড়িয়ে বলল, নাহ। অভ্যাস হয়ে গেছে।

    ত্রানা এদিক-সেদিক তাকিয়ে গলা নামিয়ে বলল, তোমাকে বেঁধে রেখেছে কেন? তুমি কি খুব ভয়ংকর?

    রিহান মুখে হাসি টেনে আনার চেষ্টা করে বলল, তোমার কী মনে হয়?

    আমি জানি না। ত্রানা তার মুখে বয়সের তুলনায় বেশি গাম্ভীর্য ফুটানোর চেষ্টা করে বলল, বাবা বলেছে তুমি খুব ভয়ংকর সেজন্যে তোমাকে শিকল দিয়ে বেঁধে রেখেছে।

    রিহান কী বলবে বুঝতে না পেরে বিস্ময়াভিভূত বাচ্চাটির মুখের দিকে তাকিয়ে থাকে। ব্রানা গলা নামিয়ে ষড়যন্ত্রীদের মতো বলল, বাবা বলেছে তুমি নিশ্চয়ই তোমার কমিউনে কাউকে খুন করে পালিয়ে এসেছ। তোমার কমিউনের লোকেরা তোমাকে নিশ্চয়ই খুঁজছে।

    রিহান হেসে বলল, আমি যদি আসলেই ভয়ংকর হতাম তা হলে কি তোমার বাবা তোমার মতো এরকম একটা ছোট মেয়েকে দিয়ে স্যুপ পাঠাত?

    ত্রানা ব্যাপারটা বোঝার চেষ্টা করে মাথা নেড়ে বলল, সেটা তুমি ঠিকই বলেছ।

    আসলে আমাকে তো কেউ চেনে না তাই সবাই ভয় পায়। অচেনা মানুষকে সবাই ভয় পায়।

    ত্রানা কিছুক্ষণ রিহানের দিকে তাকিয়ে থেকে বলল, বাবা যখন তোমাকে এনেছিল আমরা সবাই ভেবেছিলাম তুমি মরে যাবে?

    আমিও তাই ভেবেছিলাম।

    তুমি কি তোমার কমিউন থেকে পালিয়ে এসেছ?

    সেটা অনেক বড় গল্প।

    ত্রানার চোখ চকচক করে ওঠে, তার খুব গল্প শোনার শখ। রিহানের আরেকটু কাছে এসে বলল, আমাকে গল্পটা বলবে?

    রিহান ত্রানার মাথায় হাত বুলিয়ে বলল, নিশ্চয়ই বলব। কিন্তু তুমি কাউকে বলে দেবে না তো?

    জানা দ্রুত মাথা নেড়ে বলল, কাউকে বলব না। ঈশ্বরী প্রিমার কসম!

    ঈশ্বরী প্রিমা! রিহানের বুকের ভেতর হঠাৎ ধক করে ওঠে, প্রভু ক্লডের হাত থেকে সে কোনোভাবে বেঁচে এসেছে, এখানে আছেন ঈশ্বরী প্রিমা। আবার কি নূতন করে কোনো বিপদে পড়বে? ঈশ্বরী প্রিমা যখন তার সম্পর্কে জানবে তখন কী হবে তার?

    জানা একটু অধৈর্য গলায় বলল, কী হল? বলবে না?

    হ্যাঁ বলব। আরো কয়দিন যাক তারপর বলব।

    ত্রানার খানিকটা আশাভঙ্গ হল, কিছু একটা বলতে যাচ্ছিল কিন্তু ঠিক তখন কন্টেইনারের দরজায় ছোট ছোট কয়েকটা ছেলেমেয়ে ভিড় করে এসে ডাকাডাকি রু করে দেয়। তাদের খেলার সময় হয়েছে এবং ত্রানাকে ছাড়া খেলা কিছুতেই জমে ওঠে না!

    ত্রানা চলে যাবার পর রিহান উঠে দাঁড়ায়, তাকে কয়েক মিটার লম্বা একটা শিকল দিয়ে বেঁধে রাখা হয়েছে, কন্টেইনারের ভেতরে সে একটু হাঁটাহাঁটি করতে পারে, খোলা দরজার কাছাকাছি বসে বাইরে তাকাতে পারে কিন্তু এর কেশ কিছু করতে পারে না। রিহান কন্টেইনারের ভেতর পায়চারি করতে থাকে, ত্রানাকে বলেছে পায়ের মাঝে শিকল দিয়ে বাঁধা থাকতে তার অভ্যাস হয়ে গেছে কিন্তু আসলে অভ্যাস হয় নি। একজন মানুষ সম্ভবত অন্য। অনেক কিছুতে অভ্যস্ত হতে পারে কিন্তু শেকল বাঁধা অবস্থায় বেঁচে থাকতে কখনো অভ্যস্ত হয়ে ওঠে না।

    .

    তালা খোলার শব্দে রিহান ঘুম থেকে জেগে ওঠে। গ্রুস্তান কন্টেইনারের তালা খুলে ভিতরে এসে ঢুকেছে। এখন খুব সকাল, ভালো করে দিনটি শুরু হয় নি। গ্রুস্তান রিহানের পায়ে বাধা শিকলটির অন্য মাথায় তালাটি খুলে বলল, চল।

    রিহান আগেও লক্ষ করেছে গ্রুস্তান খুব কম কথার মানুষ। এর আগেও রিহান তার সাথে কথা বলার চেষ্টা করেছে কিন্তু সুবিধে করতে পারে নি। তার প্রাণ রক্ষা করার জন্যে সে অনেকবার কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে, গ্রুস্তানের কোনো ভাবান্তর হয় নি। শেকল দিয়ে তাকে বেঁধে রাখার ব্যাপারটি নিয়ে রিহান অনেকবার কৌতূহল কিংবা আপত্তি প্রকাশ করেছে গ্রুস্তান সেখানেও কখনো কোনো কথা বলে নি, তার ভাবভঙ্গি দেখে মনে হয়েছে একজন মানুষকে পশুর মতো শেকল দিয়ে বেঁধে রাখা সম্ভবত খুব স্বাভাবিক একটি ব্যাপার।

    রিহান উঠে দাঁড়িয়ে বলল, কোথায়?

    গ্রুস্তান উত্তর না দিয়ে তাকে এগিয়ে যেতে ইঙ্গিত করে।

    রিহান নিজের শেকলের দিকে ইঙ্গিত করে বলল, আমাকে আগে খুলে দাও।

    না।

    কেন নয়?

    আমাদের আক্রমণ করতে আসছে, তোমাকে যুদ্ধ করতে হবে।

    রিহান ভয়ংকরভাবে চমকে উঠল, মাথা ঘুরিয়ে গ্রুস্তানের দিকে ভালো করে তাকাল, চুপচাপ ঠাণ্ডা ধরনের মানুষটির চেহারার মাঝে এক ধরনের অস্থিরতা। রিহান কান পেতে শুনতে পেল বাইরে মানুষজন ছোটাছুটি করছে, নীরব এক ধরনের ব্যস্ততা, কোনো একটা কমিউনে যখন বাইরের কোনো দল আক্রমণ করে তখন এরকম অস্থির একটা পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

    রিহান জিজ্ঞেস করল, আমাকেও যুদ্ধ করতে হবে?

    হ্যাঁ।

    শেকল দিয়ে বেঁধে রাখলে কেমন করে যুদ্ধ করব?

    তুমি যেহেতু পালাতে পারবে না তাই জানপ্রাণ দিয়ে যুদ্ধ করবে। তা ছাড়া—

    তা ছাড়া কী?

    তোমাকে আমরা চিনি না। তোমার সম্পর্কে আমরা কিছুই জানি না, এমনও হতে পারে যারা আসছে তারা তোমাদেরই মানুষ।

    রিহান হতবুদ্ধি হয়ে গ্রুস্তানের দিকে তাকিয়ে রইল, কিছু একটা বলতে যাচ্ছিল কিন্তু গ্রুস্তান সুযোগ দিল না, শেকলে টান দিয়ে বলল, চল। তাড়াতাড়ি।

    রিহান কন্টেইনারের বাইরে পা দিয়ে চারদিকে তাকায়। ট্রাকগুলো গোল করে সাজানো হয়েছে। মানুষেরা অস্ত্র হাতে ছোটাছুটি করছে। একটা ট্রাকের ছাদে দাঁড়িয়ে একজন মানুষ বাইনোকুলার দিয়ে দূরে দেখার চেষ্টা করছে। রিহান কান পেতে অনেক দূর থেকে ভেসে আসা মোটরবাইকের ইঞ্জিনের মৃদু গর্জন শুনতে পায়, মনে হয় বেশ বড় একটা বহর এদিকে আসছে।

    গ্রুস্তান একজন মধ্যবয়স্ক মানুষের হাতে রিহানের শিকলটা ধরিয়ে দিয়ে বলল, একে তোমাদের সাথে নিয়ে যাও। ফ্রন্ট লাইনে কোনোকিছুর সাথে বেঁধে রেখো।

    ঠিক আছে।

    এর কাছাকাছি থেকে তোমরা।

    থাকব।

    মধ্যবয়স্ক মানুষটিকে একটু নার্ভাস দেখায়, সে কাঁপা গলায় বলল, ঈশ্বরী প্রিমা কী বলেছেন?

    এখনো কিছু বলেন নি। তোমরা ফ্রন্ট লাইনে চলে যাও ঈশ্বরীর নির্দেশ আসা মাত্রই জানিয়ে দেব।

    ঠিক আছে।

    মধ্যবয়স্ক মানুষ দুজন কঠোর চেহারার মেয়েকে নিয়ে সামনের দিকে হেঁটে যেতে থাকে। রিহানের পায়ে বাধা শিকলটা গুটিয়ে নিয়ে একজন মেয়ে তার হাতে একটা মাঝারি শক্তির স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র দিয়ে বলল, এটা হাতে রাখ। ফ্রন্ট লাইনে গিয়ে কেমন করে চালাতে হয় শিখিয়ে দেব।

    রিহান অস্ত্রটা একনজর দেখল, আমাকে শিখাতে হবে না। আমি এটা চালাতে জানি।

    মেয়েটা একটু অবাক হয়ে রিহানের দিকে তাকাল, রিহান বলল, তোমার ভয় পাওয়ার কিছু নেই। চল।

    পাথুরে রাস্তা দিয়ে রিহান এবং অন্য তিনজন এগিয়ে যায়। প্রায় কয়েক শ মিটার দূরে বড় বড় কিছু পাথরের কাছে এসে সবাই দাঁড়াল। মধ্যবয়স্ক মানুষটি এদিক–সেদিক তাকিয়ে একটা পুড়ে যাওয়া লরির এক্সেলের সাথে রিহানের শেকলটা বেঁধে দেওয়ার জন্য এগিয়ে গেল। রিহান বলল, আমাদের আরো সামনে যাওয়া দরকার।

    মানুষটি অবাক হয়ে রিহানের দিকে তাকাল। তুরু কুঁচকে বলল, কী বললে?

    বলেছি, আমাদের আরো সামনে যাওয়া দরকার।

    কেন?

    মোটরবাইকগুলোকে তা হলে আমরা সামনাসামনি পাব। একেবারে খোলা টার্গেট। এখানে থাকলে সেগুলো হঠাৎ করে চলে আসবে আমরা প্রস্তুত হবারও সময় পাব না।

    মধ্যবয়স্ক মানুষটি খানিকক্ষণ বিস্ফারিত চোখে রিহানের দিকে তাকিয়ে রইল, তারপর বলল, আমাদের কী করতে হবে সেটা তোমার কাছ থেকে শোনার কোনো প্রয়োজন নেই। সেজন্যে ঈশ্বরী প্রিমা আছেন।

    রিহান অপমানটা গায়ে মাখল না, একটু পরেই এখানে একটা রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ শুরু হবে, এখন মান–অপমান নিয়ে মাথা ঘামিয়ে লাভ নেই। রিহান তার বুকের ভেতর ভয় এবং অস্থিরতার এক ধরনের কাপন অনুভব করে। বহু দূরে ধুলো উড়িয়ে মোটরবাইকগুলো আসছে, মোটরবাইকের গুঞ্জন এবারে বেশ স্পষ্ট শোনা যাচ্ছে। রিহান কান পেতে কিছুক্ষণ শুনে একটু উত্তেজিত হয়ে বলল, বেভাস্টিসি ৪৩!

    মধ্যবয়স্ক মানুষটি বলল, কী হয়েছে?

    বেভাষ্টিসি ৪৩ মোটরবাইক। দুই হাজার সিসির ইঞ্জিন!

    তুমি কেমন করে জান?

    শব্দ শুনে বোঝা যায়। আমি চালিয়েছিলাম একবার, খুব শক্তিশালী মেশিন!

    মধ্যবয়স্ক মানুষ এবং মেয়ে দুটি রিহানের উচ্ছাসে কোনো অংশ না নিয়ে দুই পাশে সরে যেতে থাকে। রিহান তবু দমে গেল না, বলল, বেভাস্টিসি ৪৩-এর খুব বড় গোলমাল আছে

    মধ্যবয়স্ক মানুষটি ক্রুদ্ধ হয়ে বলল, কোনো যন্ত্রপাতি নিয়ে তুমি কোনো অশোভন উক্তি করবে না। খবরদার।

    রিহান থতমত খেয়ে বলল, আমি কোনো অশোভন উক্তি করছি না। যেটা সত্যি সেটা বলছি। গ্যাসোলিন ট্যাংকটা অরক্ষিত। হালকা এলুমিনিয়ামের মান্ড। বারো গ্রামের এক্সপ্রেসিভ বুলেট দিয়ে গুলি করলে উড়িয়ে দেওয়া যাবে।

    মধ্যবয়স্ক মানুষটি তার অন্য দুইজন সঙ্গীর দিকে তাকাল এবং সবাই মিলে রিহানকে পুরোপুরি উপেক্ষা করে আশপাশে অস্ত্র বসানোর ভালো জায়গা খুঁজতে শুরু করে। বড় একটা। পাথরের উপর স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রটি দাঁড় করিয়ে মধ্যবয়স্ক মানুষটি মাথা নিচু করে সেটার প্রতি সম্মান দেখাল, বিড়বিড় করে কিছু একটা উচ্চারণ করে অস্ত্রটির ব্যারেলে হাত দিয়ে স্পর্শ করে কপালে ছোঁয়াল।

    ঠিক এরকম সময়ে গ্রুস্তানকে দৌড়ে আসতে দেখা যায়। পাথরের উপর দিয়ে লাফিয়ে লাফিয়ে সে কিছু একটা বলতে বলতে ছুটে আসছে। কাছাকাছি এসে গ্রুস্তান হাঁপাতে হাঁপাতে বলল, ঈশ্বরী প্রিয়ার নির্দেশ এসে গেছে।

    মধ্যবয়স্ক মানুষটা খুশি হয়ে গেল, জয় হোক ঈশ্বরী প্রিমার। পাশে দাঁড়িয়ে থাকা মেয়ে দুইজনের একজন বলল, কী বলেছেন ঈশ্বরী প্রিমা?

    বলেছেন এগুলো বেভাষ্টিসি ৪৩ মোটরবাইক। এর গ্যাসোলিন ট্যাংক হালকা এলুমিনিয়ামের মোন্ড। বারো গ্রামের এক্সপ্রেসিভ বুলেট দিয়ে গুলি করতে বলেছেন।

    মধ্যবয়স্ক মানুষ এবং তার সাথের মেয়ে দুজন কেমন যেন ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে দাঁড়িয়ে রইল, তাদের মুখ দেখে মনে হল তারা গ্রুস্তানের কথা বুঝতে পারছে না। গ্রুস্তান একটু অবাক হয়ে বলল, কী হল তোমাদের?

    না–না–কিছু না। বলে মধ্যবয়স্ক মানুষটি রিহানের দিকে তাকাল। হঠাৎ করে তার চোখে এক ধরনের ভীতি ফুটে উঠেছে। সে এখনো বিশ্বাস করতে পারছে না ঈশ্বরী প্রিমার কথাটুকু রিহান আগেই বলে দিয়েছে।

    গ্রুস্তান অবিশ্যি সেটা বুঝতে পারল না, সে বলল, ঈশ্বরী বলেছেন তোমরা আরো সামনে যাও। তা হলে মোটরবাইকগুলোকে সামনাসামনি আক্রমণ করতে পারবে। একেবারে খোলা টার্গেট হিসেবে পেয়ে যাবে, যাও দেরি করো না।

    গ্রুস্তান যেভাবে ছুটে এসেছিল ঠিক সেভাবে পাথরের উপর লাফিয়ে লাফিয়ে কমিউনের দিকে ফিরে গেল। রিহান তার হাতের অস্ত্রটি হাত বদল করে বলল, এখন আমার কথা বিশ্বাস হল?

    মধ্যবয়স্ক মানুষটি কোনো কথা না বলে কিছুক্ষণ রিহানের দিকে তাকিয়ে রইল, তারপর বলল, তুমি কেমন করে জেনেছ?

    রিহান কাঁধ ঝাঁকুনি দিয়ে বলল, সেটা নিয়ে পরে কথা বলা যাবে। এখন তাড়াতাড়ি চল। দেরি হলে সর্বনাশ হয়ে যাবে।

    মানুষটি পোড়া লরির দিকে এগিয়ে গিয়ে শেকলের তালা খুলে আনে। সেটা শক্ত করে ধরে রেখে কঠোর দৃষ্টিতে রিহানের দিকে তাকিয়ে বলল, সামনে এগিয়ে যাও। একটু যদি বাড়াবাড়ি কর তা হলে আমি কিন্তু তোমাকে খুন করে ফেলব। ঈশ্বরী প্রিমার কসম।

    শক্ত চেহারার মেয়েটি রিহানকে পিছনে ধাক্কা দিয়ে সামনে নিয়ে যেতে যেতে বলল, যুদ্ধ শেষ হলে ঈশ্বরী প্রিমার কাছে তোমাকে রিপোর্ট করতে হবে।

    অন্য মেয়েটি বলল, রিপোর্ট করতে হবে না। ঈশ্বরী প্রিমা নিজেই জেনে যাবেন।

    মধ্যবয়স্ক মানুষটি বলল, জয় হোক ঈশ্বরী প্রিমার।

    অন্য দুজন যন্ত্রের মতো বলল, জয় হোক।

    .

    দুই শ মিটার দূরে খানিকটা উঁচু চালে রিহান এবং অন্য তিনজন স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রগুলো তাক করে নিয়ে মোটরবাইকগুলোর জন্যে অপেক্ষা করতে থাকে। মুখ খুললে পরে বিপদ হতে পারে নিশ্চিত জেনেও রিহান বলল, রেঞ্জের ভিতরে না আসা পর্যন্ত গুলি করবে না। লেজার লক গ্যারান্টি হবার পর ট্রিগারে হাত দেবে। তার আগে নয়।

    এটি ঈশ্বরী প্রিমার নির্দেশ নয়, তারপরেও মধ্যবয়স্ক মানুষ এবং সাথের মেয়ে দুজন সেটি গোমড়া মুখে মেনে নিল। তারা বুঝে গিয়েছে রিহানের ভেতরে কিছু একটা আছে যেটা তাদের নেই। সেটা কী তারা ধরতে পারছে না সেজন্যে তারা খুব অস্বস্তিতে আছে। রিহানের কথামতো তারা ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করে এবং মোটরবাইকের বহরটি যখন খুব কাছাকাছি হাজির হয়েছে তখন টার্গেট লক ইন করে তারা ট্রিগার টেনে ধরল, সাথে সাথে পুরো পরিবেশটি ভয়ংকর হয়ে উঠল। চোখের পলকে তিনটি মোটরবাইক প্রচণ্ড বিস্ফোরণে ধ্বংস হয়ে গেল। মানুষের চিৎকার, গোলাগুলি এবং বারুদের গন্ধে পরিবেশটি নারকীয় হয়ে ওঠে। আক্রমণকারী দলটি বেপরোয়া, দলের অর্ধেক যোদ্ধাই মহিলা, তারা স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র নিয়ে বারবার তাদের ব্যুহ ভেদ করে চলে আসতে চেষ্টা করছিল। গ্রুস্তান আরো কিছু মানুষ নিয়ে তাদের সাহায্য করার জন্যে এগিয়ে। আসে। ভয়ংকর গোলাগুলিতে পুরো এলাকাটা প্রকম্পিত হতে থাকে।

    যুদ্ধটা যেরকম প্রায় হঠাৎ করে শুরু হয়েছিল সেরকম হঠাৎ করে শেষ হয়ে গেল। আক্রমণকারী দলটি হঠাৎ করে পিছিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিল। মোটরবাইকে তাদের আহত পুরুষ এবং মেয়েদের তুলে নিয়ে গুলি করতে করতে ধুলো উড়িয়ে তারা দিগন্তে অদৃশ্য হয়ে যায়। বড় ধরনের কোনো ক্ষতি ছাড়াই শত্রুকে থামিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে সবার ভেতরে এক ধরনের স্বস্তি ফিরে এসেছে। মোটামুটিভাবে পুরো এলাকাটা একটা উৎসবের মতো আনন্দে মেতে উঠল। সবাই কমিউনে ফিরে যাবার পর রিহান আবিষ্কার করল সে একা এখানে রয়ে গেছে। শেকল দিয়ে তাকে একটা ট্রাকের এক্সেলের সাথে বেঁধে রাখা হয়েছিল, তাকে খুলে নিয়ে যাবার কথা কারো মনে নেই।

    রিহান অবিশ্যি তাতে খুশিই হল। কন্টেইনারের ছোট ঘুপচি ঘরে সে দীর্ঘদিন থেকে আটকা পড়ে আছে। বাইরে খোলা প্রান্তরে বসে থাকতে তার খারাপ লাগছে না। রিহান একটা বড় পাথরে হেলান দিয়ে দূরে দিগন্তের দিকে তাকিয়ে থাকে। ঠিক জানা নেই কেন তার মনটা বিষণ্ণ হয়ে আসছে। কতক্ষণ এভাবে বসে ছিল জানা নেই, হঠাৎ শুনল রিহান।

    বাচ্চা মেয়ের গলার স্বর। রিহান মাথা ঘুরিয়ে তাকাল, ত্রানা ছোট একটা পানীয়ের বোতল নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। রিহান নরম গলায় বলল, কী খবর ত্রানা!

    তুমি এখানে একা একা কেন বসে আছ?

    আমাকে এখানে বেঁধে রেখেছে।

    ও! ত্রানা কয়েক মুহূর্ত অপেক্ষা করে তার দিকে পানীয়ের বোতলটি এগিয়ে দেয়, এইটা তোমার জন্যে এনেছি।

    তোমাকে অনেক ধন্যবাদ ত্রানা। রিহান পানীয়ের বোতলটা খুলে ঢকঢক করে গলায় খানিকটা উত্তেজক পানীয় ঢেলে বলল, আমার কথা সবাই ভুলে গেছে মনে হয়।

    উঁহু। ত্রানা মাথা নাড়ল, ভোলে নি।

    রিহান একটু অবাক হয়ে তাকাল, তুমি কেমন করে জান?

    আমি বাবাকে অন্যদের সাথে কথা বলতে শুনেছি।

    কী কথা বলছে?

    ত্রানা মাথা নাড়ল, বলল, জানি না। তোমাকে মনে হয় ঈশ্বরী প্রিমার কাছে নিয়ে যাবে।

    রিহান চমকে উঠে বলল, কী বললে?

    ত্রানা ভুরু কুঁচকে রিহানের দিকে তাকিয়ে বলল, তুমি খুব ভয়ংকর, তাই না?

    রিহান কোনো কথা বলল না, সে মোটেই ভয়ংকর নয়। সে অন্যরকম। অন্যরকম মানে ভয়ংকর নয়। কিন্তু এই কথাটি সে কেমন করে অন্যদের বোঝাবে?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleতারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    Next Article কাবিল কোহকাফী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    Related Articles

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    ছোটগল্প – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সাদাসিধে কথা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মেকু কাহিনী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    আমার বন্ধু রাশেদ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ১ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    টুনটুনি ও ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }