Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সায়েন্স ফিকশন সমগ্র ৪ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল এক পাতা গল্প1092 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৩. রাজকুমারী রিয়া

    রাজকুমারী রিয়া

    আমি চোখ খুলে দেখতে পেলাম আমাকে ঘিরে তিনজন মানুষই দাঁড়িয়ে আছে। নিরানন্দ সরীসৃপের মতো মানুষটিকে হঠাৎ করে প্রাণবন্ত মানুষের মতো দেখাচ্ছে। লালচে চুলের বিরক্ত মানুষটিকেও কেমন জানি সহৃদয় মানুষ মনে হচ্ছে। যে মানুষটিকে পুরুষ না মহিলা বলে নিঃসন্দেহ হতে পারছিলাম না এখন হঠাৎ করে তাকে বেশ সুন্দরী একজন মহিলা মনে হল। নিশ্চয়ই আমার মস্তিষ্কে কিছু একটা করা হয়েছে যে কারণে গোমড়ামুখী নিরানন্দ তিনজন মানুষকেই হঠাৎ করে মোটামুটি সহৃদয় মানুষ বলে মনে হচ্ছে।

    মহিলাটি আমার ওপর ঝুঁকে পড়ে বলল, তোমার এখন কেমন লাগছে?

    আমি মহিলাটির চোখের দিকে তাকালাম। মহিলাটির চোখে সত্যিকারের এক ধরনের উদ্বেগ। আমার জন্যে হঠাৎ করে এই মমত্ববোধ কেমন করে এল? আমি বললাম, জানি না।

    নিরানন্দ মানুষটি বলল, জানার কথা নয়। বুঝতে একটু সময় লাগবে।

    আমি মহিলাটির দিকে তীক্ষ্ণ চোখে তাকিয়ে থেকে হঠাৎ করে তাকে জিজ্ঞেস করলাম, তোমার নাম কী?

    আমার নাম রিকি।

    তোমাকে আগে যখন জিজ্ঞেস করেছিলাম তুমি তোমার নাম বলতে চাও নি।

    রিকি অন্য দুজনের দিকে তাকিয়ে শব্দ করে হাসল, হেসে বলল, আগে আর এখনের মাঝে একটা বড় পার্থক্য আছে।

    কী পার্থক্য?

    আগে তুমি ছিলে ট্রাকিওশান সরানো একজন ফালতু মানুষ শব্দটার জন্যে কিছু মনে করো না।

    এখন?

    এখন তোমার মস্তিষ্কে একটা ট্রাইকিনিওয়াল ইন্টারফেস বসিয়ে তোমার পুরো নিউরাল কানেকশান ম্যাপ করে নিয়েছি–তুমি এখন ফালতু মানুষ নও। রীতিমতো গুরুত্বপূর্ণ মানুষ।

    তার মানে আমার আর একটা অস্তিত্ব তৈরি করে নিয়েছ।

    বলতে পার।

    এটা বেআইনি। এটা তোমরা করতে পার না।

    অন্য কারো বেলায় সেটা সত্যি তোমার জন্যে নয়। তুমি ভুলে যাচ্ছ শরীর থেকে ট্রাকিওশান সরিয়ে তুমি মানুষ হিসেবে তোমার সমস্ত অধিকার নিজে থেকে ছেড়ে দিয়েছ।

    লাল চুলের মানুষটা সহৃদয় ভাবে হেসে বলল, তুমি ওসব নিয়ে মাথা ঘামিও না। ট্রাইকিনিওয়াল বসিয়ে মস্তিষ্ক ম্যাপ করা হলে শরীরের ওপর খুব বড় অত্যাচার হয়।

    আমি কিছু বললাম না।

    তোমার শরীর এখন কেমন লাগছে?

    আমি উঠে বসার চেষ্টা করে বললাম, একটু দুর্বল লাগছে।

    মহিলাটি আমাকে ধরে সোজা করে বসিয়ে দিয়ে বলল, হঠাৎ করে উঠে বোসো না। ধীরে ধীরে ওঠ।

    আমি চারদিকে তাকালাম, সবকিছুই আগের মতো আছে তবুও কোথায় যেন সবকিছুকে একটু অন্যরকম দেখাচ্ছে। আমার মস্তিষ্কের মাঝে নিশ্চয়ই কিছু একটা পরিবর্তন করে দিয়েছে। আমি মাথার পেছনে হাত দিয়ে সেখানে ছোট একটা ধাতব টিউব অনুভব করলাম। জিজ্ঞেস করলাম, এটা কী?

    ট্রাইকিনিওয়াল ইন্টারফেস। ভেতরে ছোট ক্ষতটুকু শুকিয়ে গেলে খুলে নিতে পারবে।

    আমার শরীর শিরশির করে ওঠে, মস্তিষ্কের সাথে সরাসরি সংযোগ করার জন্যে সেখানে একটি পোর্ট খুলে রেখেছে ব্যাপারটি চিন্তা করে আমার সারা শরীর গুলিয়ে ওঠে।

    মহিলাটি উদ্বিগ্ন গলায় বলল, তুমি নিজে থেকে ইন্টারফেসটা খোলার চেষ্টা করো না কিন্তু মস্তিষ্কের সাথে লাগানো আছে–চিকিৎসক রোবট ছাড়া আর কেউ খুলতে পারবে না।

    আমার রেগে ওঠার কথা ছিল কিন্তু কোনো একটা বিচিত্র কারণে আমি কেন জানি রেগে উঠতে পারলাম না। ভেতরে ভেতরে আমি কেমন জানি অবসন্ন এবং উদাসীন অনুভব করতে থাকি।

    মহিলাটি লাল চুলের মানুষটিকে বলল, শিরান, তুমি ত্রাতুলকে দাঁড় করিয়ে দাও।

    ঠিক আছে, ক্লিশা। শিরান নামের লাল চুলের মানুষটি আমাকে ধরে দাঁড় করিয়ে দিল। আমার প্রথমে মনে হল হাঁটুতে কোনো জোর নেই, আমি পা ভেঙে প্রায় পড়ে যাচ্ছিলাম কিন্তু দুই পাশ থেকে দুজন আমাকে সময়মতো ধরে ফেলল। খানিকক্ষণ চেষ্টা করার পর আমি নিজের পায়ের উপর দাঁড়াতে পারলাম। দেয়াল ধরে ঘরের ভেতরে একটু ঘুরে এসে আমি তিনজন মানুষের দিকে তাকালাম, বললাম, রিকি, শিরান এবং ক্লিশা–তোমরা আমাকে একটা সত্যি কথা বলবে?

    ক্লিশা একটু ব্যাকুল চোখে বলল, অবশ্যই বলব।

    তোমরা আমাকে কেন এনেছ? আমাকে কী করেছ? এখন আমাকে দিয়ে কী করবে?

    ক্লিশা অন্য দুজনের দিকে তাকিয়ে একটা নিশ্বাস ফেলে বলল, দেখো ত্রাতুল, একটি খুব বড় প্রজেক্টে মানুষের কিছু অস্তিত্বের প্রয়োজন। আইন খুব কঠিন তাই আমরা সবার মস্তিষ্ক ম্যাপ করতে পারি না। তোমার ট্রাকিওশান নেই বলে তোমারটা করেছি। এর বেশি কিছু নয়।

    আমার মস্তিষ্কের ম্যাপ মানে আমি। যার অর্থ এখন আমার দুটো অস্তিত্ব।

    বলতে পার।

    আমার অন্য অস্তিত্ব এখন কোথায়?

    একটি বিশাল তথ্য কেন্দ্রে আছে।

    কীভাবে আছে? সে কি কষ্টে আছে?

    ক্লিশা হাসল, বলল, না সে কষ্টে নেই। তাকে কোনো ক্ষেত্র দেওয়া হয় নি। তার শরীর নেই, ইন্দ্রিয় নেই, কোনো কিছু অনুভব করার ক্ষমতা নেই।

    আমি একটু উত্তেজিত হয়ে বললাম, কিন্তু সেটি নিশ্চয়ই ভয়ংকর একটি অনুভূতি। একজন মানুষের কোনো কিছু অনুভব করার ক্ষমতা নেই আমি তো চিন্তাও করতে পারি না।

    শিরান নামের লাল চুলের মানুষটি আমার পিঠে থাবা দিয়ে বলল, এখন এসব চিন্তা করে লাভ নেই। দেখো কত তাড়াতাড়ি নিজের পায়ের ওপর দাঁড়াতে পার। যত তাড়াতাড়ি তুমি দাঁড়াতে পারবে তত তাড়াতাড়ি তুমি তোমার নিজের জগতে যেতে পারবে।

    সবকিছু এখনো আমার কাছে খানিকটা দুর্বোধ্য মনে হতে থাকে। আমি অবিশ্যি সেটি নিয়ে মাথা ঘামালাম না। শিরান নামের মানুষটি সত্যি কথাই বলেছে, আমার মস্তিষ্কের আরেকটা কপি কোথাও থাকলেই কী আর না থাকলেই কী? আমি এখান থেকে বের হয়ে যাব–যত তাড়াতাড়ি সম্ভব।

    কিছুক্ষণের মাঝেই আমি মোটামুটিভাবে হাঁটতে শুরু করলাম। নিজের শরীরের ওপর খানিকটা নিয়ন্ত্রণ ফিরে এল। হঠাৎ করে মাথা ঘুরিয়ে তাকালে মাথাটা একটু ঘুরে ওঠে। এ ছাড়া অন্য কোনো উপসর্গ নেই। ক্লিশা বলেছে কিছুক্ষণের মাঝে এ সমস্যাটিও থাকবে না।

    ঘণ্টাখানেকের মাঝে আমি আমার নিজের পোশাক পরে বের হয়ে এলাম। রাত্রিবেলা আমাকে যখন এখানে এনেছে তখন বুঝতে পারি নি, দিনের বেলা দেখতে পেলাম পুরো এলাকাটি খুব সুন্দর। পাহাড়ের পাদদেশে চমৎকার একটি হ্রদ, হ্রদের পানি আশ্চর্য রকম নীল–দেখে ছবির মতো মনে হয়। পুরো এলাকাটি গাছপালা দিয়ে ঘেরা, রাস্তাগুলো জনশূন্য। মাঝে মাঝে নিচু হয়ে একটি–দুটি বাইভার্বাল উড়ে যাচ্ছে। এ ছাড়া কোনো যানবাহন নেই। সূর্যের নরম একটা উত্তাপ, হ্রদ থেকে হালকা শীতল বাতাস বইছে, বাতাসে এক ধরনের জলে ভেজা গন্ধ। আমি রাস্তা দিয়ে অন্যমনস্কভাবে হাঁটতে থাকি, এলাকাটিতে এক ধরনের শান্তি শান্তি ভাব ছড়িয়ে আছে। এখানে কয়েকদিন থেকে গেলে মন্দ হয় না।

    আমি বড় রাস্তা থেকে সরে গিয়ে গাছপালায় ঢাকা ছোট একটি রাস্তা ধরে খানিকটা উদ্দেশ্যহীনভাবে হাঁটতে থাকি। রাস্তাটি সম্ভবত হ্রদের তীরে গিয়েছে, গাছের পাতা বাতাসে শিরশির করে নড়ছে–শব্দটি শুনতে বড় মধুর লাগতে থাকে। বড় বড় শহরগুলো থেকে গাছপালা পুরোপুরি উঠে গিয়েছে–এখানে এসে হঠাৎ করে এর গুরুত্বটুকু নতুন করে মনে পড়ল। রাস্তাটি সরু হয়ে আর ঘন গাছপালার ভেতরে চলে এসেছে, গাছের ওপর পাখি কিচিরমিচির করে ঝগড়া করছে, আরো উপরে নীল আকাশে সাদা মেঘ। সব মিলিয়ে পরিবেশটি ভারি মধুর।

    অন্যমনস্কভাবে হাঁটতে হাঁটতে আমি হঠাৎ করে গাছপালার ভেতর থেকে বের হয়ে হ্রদের সামনে চলে এলাম। সামনে বিস্তৃত বালুবেলা সকালের নরম রোদে চিকচিক করছে। দূরে হ্রদের টলটলে পানি, পাহাড়ের ছায়া পড়ে পানিতে গাঢ় একটি নীল রঙ, দেখে মনে হয় বুঝি অতিপ্রাকৃত একটি দৃশ্য। এই অস্বাভাবিক সুন্দর দৃশ্যটি দেখে আমি কয়েক মুহূর্ত প্রায় নিশ্বাস বন্ধ করে দাঁড়িয়ে রইলাম। যখন বুকের ভেতর থেকে আটকে থাকা নিশ্বাসটি বের করে দিচ্ছি ঠিক তখন মনে হল একটি মেয়ের আর্তচিৎকার শুনতে পেলাম। এই অপূর্ব প্রায় অলৌকিক সুন্দর একটি জায়গায় মেয়ে কণ্ঠের আর্তচিৎকার এত অস্বাভাবিক মনে হল যে আমি ভয়ানক চমকে উঠলাম। মনে হল নিশ্চয়ই ভুল শুনেছি–কিন্তু ঠিক তখন আমি দ্বিতীয়বার একটি মেয়ের চিৎকার শুনতে পেলাম। এটি মনের ভুল নয়, সত্যি সত্যি কোনো একটি মেয়ে চিৎকার করেছে।

    আমি মেয়েটির গলার আওয়াজ লক্ষ্য করে ছুটতে থাকি। হ্রদের তীরের টানা বাতাসে ছোটবড়া বালিয়াড়ি তৈরি হয়েছে। তার দুটি অতিক্রম করে তৃতীয়টির উপরে উঠতেই দেখতে পেলাম, বালিয়াড়ির অন্য পাশে কয়েকজন মানুষ মিলে একটি মেয়েকে টানাহ্যাঁচড়া করছে। আমি বালিয়াড়ির উপরে দাঁড়িয়ে চিৎকার করে বললাম, কী হচ্ছে? কী হচ্ছে ওখানে?

    মানুষগুলো ঘুরে আমার দিকে তাকাল এবং আমি দেখতে পেলাম এরা সত্যিকারের মানুষ নয়–এগুলো সাইবর্গ। মাথার পাশে যান্ত্রিক করোটি, সেখানে নানা ধরনের টিউবে কপোট্রন শীতল করার তরল প্রবাহিত হচ্ছে। কারো কারো একটি চোখ কৃত্রিম, সেখানে লাল আলো জ্বলছে। সাইবর্গগুলো একবার আমার দিকে তাকিয়ে আমাকে পুরোপুরি উপেক্ষা করে আবার মেয়েটিকে টানাহ্যাঁচড়া করতে থাকে। একটি সাইবর্গ তার শক্তিশালী হাত দিয়ে মেয়েটিকে প্রায় শূন্যে তুলে নিয়ে ফেলে দিল। আমি সাইবর্গগুলোর এক ধরনের কুৎসিত যান্ত্রিক হাসি শুনতে পেলাম।

    কী করছ? কী করছ তোমরা? বলে চিৎকার করতে করতে আমি বালিয়াড়ি থেকে ছুটতে ছুটতে সাইবর্গগুলোর দিকে যেতে থাকি। একটা শক্তিশালী সাইবর্গ তার বাম পা দিয়ে মেয়েটিকে বালুতে চেপে ধরে রেখে আমার দিকে তাকিয়ে খসখসে গলায় বলল, তুমি কে? এখানে কেন এসেছ?

    আমি কাছাকাছি একটা বালিয়াড়ির উপর দাঁড়িয়ে থেকে চিৎকার করে বললাম, আমি যেই হই না কেন, তুমি মেয়েটিকে ছেড়ে দাও।

    মেয়েটিকে যদি ছেড়েই দেব তা হলে ধরে আনলাম কেন?

    আমিও সেটা জানতে চাই। কেন ধরে এনেছ?

    দেখার জন্যে। অনেক দিন মেয়ে দেখি না।

    দেখার জন্যে পা দিয়ে মাটিতে চেপে ধরে রাখতে হয় না। তোমার গোবদা পা সরাও–মেয়েটিকে ছাড়।

    সাইবর্গটি একটা নোংরা মুখভঙ্গি করে বলল, অন্যরকম করে দেখতে চাই।

    আমি ক্রুদ্ধ গলায় বললাম, বাজে কথা বলো না। সাইবর্গ মাত্রই নপুংসক। মিছিমিছি অন্যরকম ভান করো না।

    সব সময় তো নপুংসক ছিলাম না এখন না হয় হয়েছি।

    অনেক বাজে কথা হয়েছে। এখন মেয়েটিকে ছেড়ে দাও।

    সাইবর্গটি আমার কথায় কোনো গুরুত্ব না দিয়ে অন্য সাইবর্গগুলোর দিকে তাকিয়ে বলল, এই মানুষটি খুব দুর্ব্যবহার করছে।

    সাইবর্গগুলো সম্মতির ভঙ্গি করে মাথা নাড়ল। মেয়েটিকে মাটিতে চেপে রাখা সাইবর্গটি বলল, সাইবর্গের সাথে দুর্ব্যবহার করলে তার শাস্তি পেতে হবে। এটাকেও ধরে আন।

    আমি তীক্ষ্ণ চোখে সাইবর্গগুলোকে লক্ষ করলাম, দেখতে ভিন্ন মনে হলেও এগুলো আসলে হাইব্রিড তিন মডেলের। এই মডেলগুলোর বড় ধরনের সমস্যা আছে। তা ছাড়াও এদের মেটাকোড এত সহজ যে ইচ্ছে করলেই এগুলোকে আমি চোখের পলকে বিকল করে দিতে পারি। কিন্তু এরা কী করে আমার দেখার ইচ্ছে করল, আমি কয়েক পা এগিয়ে দুই হাত কোমরে রেখে দাঁড়িয়ে বললাম, আমি দশ সেকেন্ড সময় দিচ্ছি নোংরা আবর্জনা কোথাকার! এর মাঝে যদি এখান থেকে বিদায় না হও তোমাদের কপোট্রনের বারোটা বাজিয়ে ছেড়ে দেব।

    দুটি সাইবর্গ মুখে অশ্লীল কথার তুবড়ি ছুটিয়ে বালিয়াড়ি ভেঙে আমার কাছে ছুটে আসতে থাকে, আমি শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করলাম, আমার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ার পূর্বমুহূর্তে ফিসফিস করে বললাম, কালো গহ্বরে এনিফর্মের নৃত্য।

    সাইবর্গ দুটি থমকে দাঁড়িয়ে গেল, একজন ফিসফিস করে বলল, কী বললে? কী। বললে তুমি?

    আমি বলেছি কালো গহ্বর অর্থাৎ ব্ল্যাকহোলে এনিফর্মের নৃত্য।

    আমার কথা শেষ হওয়ার আগেই সাইবর্গ দুটি স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে গেল এবং স্থির হয়ে দাঁড়িয়েই রইল। আমি পা দিয়ে ধাক্কা দিতেই একটি সাইবর্গ বালিয়াড়ি দিয়ে নিচে গড়িয়ে পড়তে শুরু করল। আমি দ্বিতীয় সাইবর্গটিকে গুঁড়িয়ে দেবার আগে কৌতূহলী হয়ে তার ব্যাগটিতে উঁকি দিলাম, সেখানে একটি মাঝারি আকারের অস্ত্র লুকানো আছে। কাজটি ঘোরতর বেআইনি, সাইবর্গকে এখনো পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণের মাঝে আনা যায় নি, তাদের কাছে কখনোই অস্ত্র থাকার কথা নয়। আমি ব্যাগটি থেকে অস্ত্রটি বের করে তাকে ধাক্কা দিতেই এই সাইবর্গটিও বালিয়াড়ি থেকে নিচে গড়িয়ে পড়ল।

    অন্য দুটি সাইবর্গ এক ধরনের বিস্ময় নিয়ে আমার দিকে তাকিয়ে ছিল, আমি অস্ত্রটি তাদের দিকে তাক করে বললাম, দশ সেকেন্ডের আর দুই সেকেন্ড বাকি আছে আবর্জনার পিণ্ড। এই মুহূর্তে দূর হও।

    আমার কথায় এবারে ম্যাজিকের মতো কাজ হল। সাইবর্গ দুটি মেয়েটিকে ছেড়ে দিয়ে ছুটতে ছুটতে পালিয়ে গেল, এরা দৌড়ে অভ্যস্ত নয়, বিশেষ করে বালুর উপরে দৌড়ানো খুব কঠিন, সাইবর্গ দুটি কয়েকবার পা হড়কে নিচে পড়ে গিয়েও থামল না।

    আমি বালিয়াড়ির ঢাল বেয়ে নিচে নেমে এলাম। মেয়েটি ততক্ষণে উঠে দাঁড়িয়ে শরীর থেকে বালু ঝাড়ছে। আমি কাছে যেতেই বড় বড় চোখে খানিকক্ষণ তাকিয়ে থেকে নিশ্বাস ফেলে বলল, ধন্যবাদ। তুমি না এলে যে কী সর্বনাশ হত!

    কিছু হত না। আমি হাসার ভঙ্গি করে বললাম, আধুনিক প্রযুক্তির সবচেয়ে বড় ব্যর্থ আবিষ্কার হচ্ছে সাইবর্গ। মানুষ আর যন্ত্র মিলিয়ে তৈরি করা হয়েছে লাভের মাঝে লাভ হয়েছে এটা মানুষও হয় নি যন্ত্রও হয় নি।

    তুমি কেমন করে জান?

    আমি জানি। এই ব্যাপার নিয়ে আমার অনেক দিনের কৌতূহল। কিছু কিছু জিনিস আমি জানি।

    মেয়েটি মাথার এলোমেলো চুলকে হাত দিয়ে খানিকটা বিন্যস্ত করার চেষ্টা করে বলল, সেটি অবিশ্যি দেখতে পেলাম। এই দুটি সাইবর্গকে কী সহজে কাবু করে ফেললে।

    মেটাকোড জানলে তুমিও পারবে। আমি হাত দিয়ে পুরো ব্যাপারটা উড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে বললাম, আমার নাম শ্রাতুল। কিন্তু আমি সেটা প্রমাণ করতে পারব না। আমার শরীরে কোনো ট্রাকিওশান নেই।

    মেয়েটি এবার মনে হল প্রথমবার সত্যিকার কৌতূহল নিয়ে আমার দিকে তাকাল, তার মুখে এক ধরনের হাসি ফুটে উঠল এবং শুধুমাত্র এই হাসিটির কারণে আমার হঠাৎ করে মনে হল মেয়েটি অপূর্ব সুন্দরী। আমি বললাম, কী হল? তুমি হাসছ কেন?

    আমি শুধু নেটওয়ার্কে শুনেছি কোনো কোনো মানুষ নাকি শরীর থেকে ট্রাকিওশান সরিয়ে ফেলে। কখনো কাউকে দেখি নি।

    জেলখানায় গেলেই দেখবে। বড় বড় অপরাধীরা শরীরে ট্রাকিওশান রাখে না। রাখলেও ভুল ট্রাকিওশান রাখে।

    কিন্তু সেটা তো অন্য ব্যাপার। অপরাধ করার জন্যে ট্রাকিওশান সরানো–।

    আমি হেসে বললাম, তুমি কেন ধরে দিলে আমি একজন অপরাধী না। আমি তো অপরাধী হতেও পারি।

    মেয়েটি একটু অবাক হয়ে আমার দিকে তাকাল, বলল, আমার একবারও মনে হয় নি যে তুমি অপরাধী হতে পার। তাকে কেমন যেন বিভ্রান্ত দেখাল, ইতস্তত করে জিজ্ঞেস করল, তুমি কি অপরাধী?

    আমি হেসে ফেললাম, প্রথমবার বুঝতে পারলাম মেয়েটির মাঝে এক ধরনের সারল্য রয়েছে যেটি আমি বহুদিন কারো মাঝে দেখি নি। বললাম, তুমি কি মনে কর আমি অপরাধী হলে সেটি তোমার কাছে স্বীকার করব?

    করবে না, তাই না?

    না। অপরাধী হওয়ার পর প্রথম কাজই হচ্ছে মিথ্যা কথা বলা।

    মেয়েটি খুব একটি নতুন জিনিস আবিষ্কার করেছে সেরকম ভঙ্গি করে কিছুক্ষণ আমার দিকে তাকিয়ে রইল। আমি বললাম, তোমার ভয় পাওয়ার কিছু নেই আমি অপরাধী না। ঠিক করে বলতে হলে বলতে হয় যে বড় ধরনের অপরাধী না।

    তার মানে ছোট ছোট অপরাধ করেছ?

    হ্যাঁ, এই যে দুটি সাইবর্গকে অচল করেছি সেটাও ছোট একটা অপরাধ।

    কিন্তু সেটা তো করেছ আমাকে বাঁচানোর জন্যে।

    তবুও। আমি মেয়েটার মুখের দিকে তাকিয়ে বললাম, কিন্তু তোমাকে সাহায্য করার জন্যে কেউ এল না কেন?

    আমি বুঝতে পারছি না। গত কয়েকদিন থেকে আমার শুধু অঘটন ঘটছে। নিউরাল কানেকশান ম্যাপ করার পর থেকে

    আমি চমকে উঠে বললাম, তোমার নিউরাল কানেকশান ম্যাপ করা হয়েছে?

    হ্যাঁ।

    তার মানে তোমার মাথাতেও ট্রাইকিনিওয়াল বসানো হয়েছে?

    হ্যাঁ, এই দেখ। মেয়েটি আমার সামনে তার মাথাটি এগিয়ে নিয়ে আসে, আমি তার ঘন কালো রেশমের মতো চুল সরিয়ে দেখতে পেলাম মাথার পেছনে ছোট একটা ধাতব সকেট লাগানো–এটা নিশ্চয়ই ট্রাইকিনিওয়াল ইন্টারফেস আমার মাথাতেও আছে।

    আমি একটু অবাক হয়ে মেয়েটির দিকে তাকিয়ে রইলাম। আমার দৃষ্টিতে নিশ্চয়ই কিছু একটা ছিল, মেয়েটা কেমন যেন ভয় পেয়ে জিজ্ঞেস করল, কী হয়েছে? তুমি এরকমভাবে তাকিয়ে আছ কেন?

    না, আমি একটু বোঝার চেষ্টা করছি। আমার নিউরাল কানেকশান ম্যাপ করেছে কারণ আমার মানুষ হিসেবে কোনো অধিকার নেই। কিন্তু তোমাকে কেন করল?

    ও! মেয়েটার মুখে নির্দোষ সারল্যের একটা হাসি ফুটে উঠল, বলল, তার কারণ আমি হচ্ছি রাজকুমারী রিয়া!

    রাজকুমারী রিয়া?

    মেয়েটি খিলখিল করে হেসে বলল, সত্যিকারের রাজকুমারী নই–কিন্তু তবু নাকি আমি রাজকুমারী।

    কেমন করে শুনি?

    জিনেটিক কোডিং করে একেবারে নিখুঁত একজন মানুষ তৈরি করা হয়েছে তুমি জান?

    হ্যাঁ, জানি। একটি মেয়েকে তৈরি করা হয়েছে। সেটা নিয়ে অনেক তর্কবিতর্ক হয়েছে, নৈতিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে–

    আমি সেই মেয়ে।

    আমি বিদ্যুৎস্পৃষ্টের মতো চমকে উঠলাম–খানিকক্ষণ আমি কোনো কথা বলতে পারলাম না। মেয়েটির দিকে অবাক হয়ে তাকিয়ে রইলাম, আমি নেটওয়ার্কে এই মেয়েটির ছবি দেখেছি, কালো চুল, কালো গভীর চোখ, মসৃণ ত্বক। ছবিতে শুধুমাত্র চেহারার সৌন্দর্যটুকু ধরা পড়ে–ভেতরের সৌন্দর্য ধরা পড়ে না। সামনাসামনি কথা বলে বোঝা যায়। এই মেয়েটির ভেতরে একটি আশ্চর্য সৌন্দর্য লুকিয়ে আছে। আমি খানিকক্ষণ চেষ্টা করে বললাম, তুমি সেই রিয়া?

    হ্যাঁ।

    তুমি এখানে কেন?

    আমি জানি না। আমার নিউরাল ম্যাপিং করে এখানে নিয়ে এসেছে। বলেছে এখানে এক সপ্তাহ থাকতে হবে। আমি কাউকে চিনি না, জানি না, যেখানেই যাই সেখানেই একটা অঘটন ঘটে।

    অঘটন?

    হ্যাঁ। আমি একটা ছোট গেষ্ট হাউজে আছি সেখানে দুই দল মারামারি করল একটা বিস্ফোরক আমার এই কনুই ঘেঁষে গিয়েছে, পেছনে একটা দেওয়াল ধসে গিয়েছে। গত রাতে গেস্ট হাউজের একটা বিম খুলে পড়েছে–একটুর জন্যে বেঁচে গেছি। দুপুরে খাবার গলায় আটকে গেল–নিশ্বাস বন্ধ করে মারাই গিয়েছিলাম, একজন এসে হেইমলিক। ম্যানুভার১৬ করে আমাকে বাচাঁলো। এখানে কী হয়েছে তা দেখতেই পেলে!

    আমি ভুরু কুঁচকে রিয়ার দিকে তাকিয়ে রইলাম। রিয়া একটু হেসে বলল, আমার কী মনে হচ্ছে জান?

    কী?

    আমাকে এরা তৈরি করেছে একেবারে নিখুঁত মানুষ হিসেবে।

    হ্যাঁ।

    মানুষের যেসব গুণ থাকার কথা সব নাকি আমার মাঝে দিয়েছে আমার কিন্তু বিশ্বাস হয় না!

    কেন?

    মাঝে মাঝে এমন সব চিন্তা আমার মাথার মাঝে আসে যেগুলো নিখুঁত ভালোমানুষের মাঝে আসার কথা নয়। যাই হোক–যা বলছিলাম, আমার কী মনে হয় জান?

    কী?

    এরা আমাকে পরীক্ষা করছে। এতদিন আমাকে আর আমার মাকে খুব ভালো করে রেখেছে, যত্ন করে রেখেছে। ভালো স্কুলে গিয়েছি ভালো মানুষের সাথে মিশেছি সব সময় আমাকে চোখে চোখে রেখেছে। এখন আমার ওপর একটা পরীক্ষা করছে। বিপদ–আপদ অঘটন হলে আমি কী রকমভাবে ব্যবহার করি সেটা দেখতে চাইছে।

    রিয়া মেয়েটি নিশ্চয়ই বুদ্ধিমতী, পৃথিবীর সবচেয়ে নিখুঁত মানুষের তো বুদ্ধিমত্তা থাকারই কথা–তার কথায় একটি যুক্তিও আছে। আমি নিশ্বাস ফেলে বললাম, তুমি ঠিকই বলেছ। মনে হয় তোমাকে একটা পরীক্ষা করছে। তোমার ট্রাকিওশান নিশ্চয়ই সব তথ্য কোনো একটি কেন্দ্রীয় তথ্য ভাণ্ডারে পাঠিয়ে যাচ্ছে

    রিয়া একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল, কিন্তু ত্রাতুল তুমি জান একটা জিনিস?

    কী?

    আমার কখনো যেটা হয় নি সেটা হচ্ছে।

    কী হচ্ছে?

    আমার কেন জানি ভয় করছে।

    ভয়?

    হ্যাঁ, রিয়ার বড় বড় কালো দুটি চোখে ভয়ের একটি আশ্চর্য ছায়া পড়ল। মেয়েটি পৃথিবীর নিখুঁত মানুষ, তার চেহারায় মানুষের অনুভূতির কী চমৎকার একটি প্রতিফলন হয়– আমি এক ধরনের বিস্ময় নিয়ে সেদিকে তাকিয়ে থাকি। আমি একটা নিশ্বাস নিয়ে বললাম, কী নিয়ে ভয় রিয়া?

    আমি সেটা জানি না। সেজন্যেই ভয়।

    আমার হঠাৎ খুব ইচ্ছে করল এই কোমল চেহারার মেয়েটিকে দুই হাতে শক্ত করে ধরে বলি, তোমার কোনো ভয় নেই রিয়া–আমি তোমার পাশে আছি। কিন্তু আমি সেটা মুখ ফুটে বলতে পারলাম না।

    বালিয়াড়ির নিচে খচমচ করে এক ধরনের শব্দ হল–আমি তাকিয়ে দেখলাম সাইবর্গ দুটো ওঠার চেষ্টা করছে। রিয়া আমার কাছে এসে হাত ধরে বলল, ঐ যে ওগুলো উঠে দাঁড়াচ্ছে।

    পারবে না। আমি বললাম, আমার হিসেবে এখনো পনের মিনিট কোনো নিয়ন্ত্রণ থাকবে না। তা ছাড়া ওপর থেকে গড়িয়ে এসেছে, আমি নিশ্চিত কপোট্রনের কিছু যোগাযোগ নষ্ট হয়েছে। ভেতরে কিছু ভেঙেচুরে গেছে।

    নষ্ট হয়ে তো ক্ষতিও হতে পারে, হয়তো আমাদের আক্রমণ করে বসল।

    তার আশঙ্কা নেই কিন্তু খামকা ঝুঁকি নেব না। চলো, আমরা যাই।

    রিয়া আমার চোখের দিকে তাকিয়ে বলল, তুমি আমার সাথে কিছুক্ষণ থাকবে?

    অবশ্যই থাকব। আমি নরম গলায় বললাম, তুমি হচ্ছ পৃথিবীর সবচেয়ে নিখুঁত মানুষ—-তোমার সাথে কিছুক্ষণ থাকা তো আমার জন্যে অনেক বড় সৌভাগ্যের ব্যাপার। রিয়া কিছু না বলে বালিয়াড়ি ভেঙে হাঁটতে শুরু করল–আমি হাতের অস্ত্রটি ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে রিয়ার পিছু পিছু হাঁটতে শুরু করলাম।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleতারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    Next Article কাবিল কোহকাফী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    Related Articles

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    ছোটগল্প – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সাদাসিধে কথা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মেকু কাহিনী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    আমার বন্ধু রাশেদ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ১ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    টুনটুনি ও ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }