Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সায়েন্স ফিকশন সমগ্র ৪ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল এক পাতা গল্প1092 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৪. শূন্য দিয়ে ঘেরা

    শূন্য দিয়ে ঘেরা

    আমরা একটা প্রাচীন বাইভার্বালে করে শহরের মাঝামাঝি ফিরে এলাম। রিয়া যে গেস্ট হাউজে আছে সেটি ভারি সুন্দর, হ্রদের তীরে ছোট একটা কুটিরের মতো, চারপাশে গাছ দিয়ে ঘেরা। সামনে চমৎকার একটি ফুলের বাগান, বখানে নানা রঙের ফুল। আমাদের রেটিনা যদি পতঙ্গের চোখের মতো আরো স্বল্প তরঙ্গ দৈর্ঘ্যে সংবেদনশীল হত তা হলে না জানি কী বিচিত্র রঙ দেখতে পেতাম।

    রিয়া তার ঘরে গিয়ে যোগাযোগ মডিউলে তার মায়ের সাথে যোগাযোগ করল। খানিকক্ষণ কথা বলে আমার কাছে ফিরে এসে বলল, কিছু একটা গোলমাল আছে।

    গোলমাল?

    হ্যাঁ।

    কী গোলমাল?

    জানি না।

    আমি রিয়ার দিকে তাকালাম, কিন্তু রিয়ার চোখে–মুখে কৌতুকের কোনো চিহ্ন নেই। সে বড় বড় চোখে আমার দিকে তাকিয়ে বলল, তোমার কখনো এরকম হয় নি, যে তুমি জান কোথাও কিছু একটা সমস্যা আছে কিন্তু সমস্যাটি কী ঠিক ধরতে পারছ না?

    হয়। অবিশ্যি হয়।

    এখানেও সেই একই ব্যাপার। যেমন মনে কর মায়ের সাথে যোগাযোগের ব্যাপারটা, আমি ইচ্ছেমতো করতে পারি না। এখানে এসে কথা বলতে হয়। যখন মায়ের সাথে কথা বলি তখন–

    তখন কী?

    না, কিছু না।

    বলো কী বলতে চাইছ।

    মনে হচ্ছে মা কিছু একটা গোপন করতে চাইছে, বলতে চাইছে না।

    তোমার মা তোমার কাছে কিছু একটা গোপন করছেন?

    রিয়া দুর্বলতাবে হাসার চেষ্টা করে বলল, আমি ঠিক তা বলি নি। বলেছি যে মনে হচ্ছে কিছু একটা গোপন করার চেষ্টা করছেন।

    সেটাই তোমার মনে হবে কেন?

    যাই হোক–ছেড়ে দাও। আমাকে এখানে এক সপ্তাহ থাকতে হবে, দুদিন এর মাঝে পার হয়ে গেছে। দাঁতে দাঁত চেপে আর পাঁচদিন কাটিয়ে দেব। তোমার সাথে পরিচয় হয়েছে, এখন এত কষ্ট হবে না। তুমি মানুষটা চমৎকার।

    আমি রিয়ার দিকে তাকালাম–মেয়েটি খুব সরাসরি স্পষ্ট কথা বলে–ভদ্রতার নামে নিজেকে আড়াল করে রাখার যে পদ্ধতি আছে সেটি সে জানে না। আমি হেসে বললাম, তুমি আমার সম্পর্কে কিছুই জান না। আমাকে দেখেছ বড়জোর দুই ঘণ্টা, আর বলে ফেললে আমি মানুষটা চমৎকার?

    তুমি ভুলে যাচ্ছ যে আমি পৃথিবীর সবচেয়ে নিখুঁত মানুষ। আমি মানুষকে খুব ভালো বুঝতে পারি।

    আমি একেবারেই পারি না। আমার ধারণা ছিল আমি মানুষটা অলস, অকর্মণ্য, কঁকিবাজ, বোকা–এক কথায় একেবারে ফালতু।।

    রিয়া খিলখিল করে হেসে বলল, অলস, অকর্মণ্য, ফাঁকিবাজ, বোকা আর ফালতু মানুষেরা চমৎকার হতে পারে না তোমাকে কে বলেছে?

    আমিও হেসে ফেললাম, বললাম, তা ঠিক।

    চলো কোথাও থেকে খেয়ে আসি। খোজাখুঁজি করলে নিশ্চয়ই ভালো একটা খাওয়ার জায়গা পাওয়া যাবে। রিয়া চোখ নাচিয়ে বলল, আমার কাছে অনেকগুলো ইউনিট, খরচ করতে হবে না?

    রিয়া খাবার জন্যে যে জায়গাটি খুঁজে বের করল আমি একা হলে কখনোই সেরকম জায়গায় যেতে সাহস পেতাম না। জায়গাটি হ্রদের উপরে ভাসছে, বিশেষ তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের আলো ব্যবহার করে এক ধরনের আলো-আঁধারি রহস্যময় পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়েছে। টেবিলের উপর খাবারের তালিকা দেখে আমি হতবাক হয়ে গেলাম আমরা সচরাচর যেসব কৃত্রিম খাবার খাই এখানে তার কিছু নেই, সব খাবার প্রাকৃতিক! আমি ভয়ে ভয়ে রিয়াকে জিজ্ঞেস করলাম, এরকম খাবার খাওয়ার মতো ইউনিট আছে তো?

    রিয়া খিলখিল করে হেসে বলল, তুমি সেটা নিয়ে চিন্তা করো না। আমি হচ্ছি রাজকুমারী রিয়া–সারা পৃথিবীর মাঝে একমাত্র নিখুঁত মানুষ ইউনিটের অভাব বলে আমরা এক বেলা ভালো খাবার খেতে পারব না এটা তো হতে পারে না। তবে রিয়া একমুহূর্ত থেমে একটা লম্বা নিশ্বাস ফেলে বলল, আমার চিন্তা এখন কোনো না অঘটন ঘটে যায়।

    কেন? অঘটন কেন ঘটবে?

    তাই তো ঘটছে। সারা জীবনে আমার যতগুলো অঘটন ঘটেছে গত দুই দিনে তার থেকে বেশি ঘটে গেছে।

    আমি হেসে ব্যাপারটি উড়িয়ে দিলাম।

    আমরা যখন খাবারের মাঝামাঝি পর্যায়ে আছি–একটি সুস্বাদু সত্যিকার তিতির পাখির মাংস সত্যিকারের জলপাই তেল এবং মশলায় হালকা করে রান্না করা হয়েছে, সেটি যবের রুটি দিয়ে তারিয়ে তারিয়ে খাচ্ছি ঠিক তখন রিয়ার কথা সত্যি প্রমাণিত হয়ে গেল। প্রথমে একটা বিস্ফোরণের শব্দ শুনতে পেলাম, তারপর হঠাৎ করে ইতস্তত কিছু মানুষ ছোটাছুটি করতে লাগল। রাগী চেহারার একজন ভয়ংকর দর্শন একটা অস্ত্র নিয়ে একবার ছুটে গেল, কিছুক্ষণ পর আবার সে ফিরে এল এবং আমরা তখন নিরাপত্তাকর্মীদের দেখতে পেলাম। ভয়ংকর দর্শন অস্ত্র হাতে রাগী চেহারার মানুষটি হঠাৎ একটি বিচিত্র জিনিস করে বসল, ঝটকা মেরে রিয়াকে আঁকড়ে ধরে নিজের কাছে টেনে নেয় এবং তার মাথায় ভয়ংকর দর্শন অস্ত্রটি চেপে ধরে চিৎকার করে বলল, খবরদার। কাছে এলে এই মেয়ের মাথাটাকে উড়িয়ে দেব।

    আমি দেখতে পেলাম নিরাপত্তাকর্মীরা যে যেখানে ছিল সেখানেই দাঁড়িয়ে গেছে। রিয়ার মুখের দিকে তাকিয়ে আমি অবাক হয়ে গেলাম, সেখানে ভয়ের কোনো চিহ্ন নেই–বরং মনে হল একটু কৌতুক ফুটে উঠেছে। আমি নিশ্চিত নই কিন্তু মনে হল সে আমার দিকে তাকিয়ে চোখ নাচিয়ে একটু হাসারও চেষ্টা করল। হয়তো বলার চেষ্টা করল, বলেছিলাম না?

    নিরাপত্তাকর্মীরা অস্ত্র উদ্যত করে রেখে বলল, তুমি কী চাও?

    মানুষটি ধমক দিয়ে বলল, তুমি খুব ভালো করে জান আমি কী চাই। একটা চতুর্থ মাত্রার বাইভার্বাল নিয়ে এস এক্ষুনি।

    কেন, বাইভার্বাল দিয়ে কী করবে?

    আমি এই দ্বীপ থেকে পালাব। এখানে মানুষ থাকে? রিয়া হঠাৎ খুব স্বাভাবিক ভঙ্গিতে মানুষটির ভয়ংকর দর্শন অস্ত্রটাকে প্রায় অবহেলায় সরিয়ে দিয়ে বলল, কী হয়েছে এই দ্বীপটায়?

    বের হওয়া যায় না এটার শেষ নাই মানুষটার কথা শেষ হবার আগেই নিরাপত্তাকর্মীরা তার ওপরে ঝাঁপিয়ে পড়ল– মানুষটি মরিয়া হয়ে গুলি করে বসল–আমি প্রায় নিশ্চিত ছিলাম রিয়ার শরীরে গুলি লেগেছে, কিন্তু হুটোপুটি শেষ হবার পর দেখলাম রিয়া গা ঝাড়া দিয়ে উঠে দাঁড়িয়েছে।

    রাগী চেহারার মানুষটি চিৎকার করতে লাগল এটা নরক, জাহান্নাম, এটা ভূতের বাড়ি–কবরখানা কিন্তু কেউ তার কথার বিশেষ গুরুত্ব দিল না, সম্ভবত ট্রান্সক্রেনিয়াল স্টিমুলেটর ব্যবহার করে মস্তিষ্কের বারোটা বাজিয়ে রেখেছে। মস্তিষ্কের ক্ষতিগ্রস্ত জায়গা সরিয়ে একটা কপোট্রনিক ইন্টারফেস বসিয়ে এখন তাকে একটা সাইবর্গ বানিয়ে ফেলতে হবে।

    আমাদের খাবার পর্বটি সেখানেই শেষ করতে হল–দুজনের কারোরই আর সেখানে থাকার ইচ্ছে করল না। বের হয়ে আমি রিয়াকে জিজ্ঞেস করলাম, এত বড় একটা ব্যাপার তুমি একটুও ঘাবড়ে যাও নি।

    বড় ব্যাপার কে বলেছে? পুরোটা সাজানো নাটক।

    সাজানো নাটক?

    হ্যাঁ, তোমাকে বলেছিলাম না। আমি যেখানেই যাই সেখানেই অঘটন। রিয়া হাসার চেষ্টা করে বলল, এটাও তাই।

    আমি মাথা নেড়ে বললাম, না–এটা তাই না। লোকটার হাতের অস্ত্রটি সত্যি। গুলিতে কতটুকু জায়গা ধসে গিয়েছিল দেখেছ? আমি ভেবেছিলাম তোমার গায়ে গুলি লেগেছে।

    কিন্তু কখনো লাগে না। আমি তাই দেখছি–শেষ মুহূর্তে আমি রক্ষা পেয়ে যাই। যেন একটা নাটক হচ্ছে। আমি তার নায়িকা। শেষ দৃশ্য পর্যন্ত বাচিয়ে রাখতে হবে।

    আমি কোনো কথা না বলে রিয়ার পাশাপাশি হাঁটতে থাকি। রাত সেরকম গম্ভীর হয় নি কিন্তু এর মাঝে চারপাশে নির্জনতা নেমে এসেছে। ঠিক কী কারণ জানি না, আমি হঠাৎ এক ধরনের অস্বস্তি বোধ করতে থাকি। অস্বস্তির কারণটুকু বুঝতে পারছি না বলে ভেতরে ভেতরে এক ধরনের অস্থিরতা অনুভব করতে থাকি। কথা না বলে দুজনে অনেকটুকু হেঁটে গেলাম। একসময় রিয়া মুখ তুলে জিজ্ঞেস করল, কী হল, কথা বলছ না কেন?

    ভাবছি?

    কী ভাবছ?

    মানুষটা কী বলছিল মনে আছে? এই জায়গাটা নরক, এটা ভৌতিক দ্বীপ–সেটা?

    হ্যাঁ! আমি মাথা নাড়লাম, মানুষটা বলছিল এখান থেকে বের হওয়া যায় না। মনে আছে?

    হ্যাঁ।

    কেন বলছিল? আমাদের কি এখানে আটকে রাখা হয়েছে? এটা কি বিশেষ একটা এলাকা? কেন এখান থেকে বের হওয়া যায় না?

    রিয়া ভয় পাওয়া গলায় বলল, কী বলছ তুমি?

    আমি কিছুই বলছি না, কিন্তু মানুষটার কথা আমাকে খুব ভাবনায় ফেলে দিয়েছে।

    চলো তা হলে নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে গিয়ে জিজ্ঞেস করি।

    না, ওখানে জিজ্ঞেস করে লাভ নেই, ওরা বলবে না।

    তা হলে?

    আমাদের নিজেদের বের করতে হবে।

    রিয়া আমার দিকে অবাক হয়ে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করল, কী বের করতে হবে?

    আসলেই কি আমাদের আটকে রেখেছে নাকি।

    কীভাবে বের করবে?

    সোজা। একটা বাইভার্বাল নেব সাইবর্গটাকে অচল করে সোজা এখান থেকে বের হয়ে যাব–দেখি কেউ আটকায় নাকি।

    আমি ভেবেছিলাম রিয়া এরকম একটা ব্যাপারে রাজি হবে না–কিন্তু দেখলাম সে সাথে সাথে রাজি হয়ে গেল। আমরা তখন রাস্তার মোড়ে একটা বাইভার্বালের জন্যে পঁড়িয়ে রইলাম।

    প্রথম দুটি বাইভার্বালকে ছেড়ে দিতে হল–তার চালক একেবারে নতুন মডেলের সাইবর্গ, তাদের মেটাকোড এখনো আমার জানা নেই, এটাকে আমি অচল করতে পারব না। তৃতীয়টি পুরোনো বাইভার্বাল, চালকটিও তৃতীয় প্রজন্মের। আজ সকালেই এদের দুটিকে বালুবেলায় অচল করে এসেছি।

    বাইভার্বালটি উপরে ওঠার তিরিশ সেকেন্ডের ভেতরে আমি সাইবর্গটি অচল করে দিয়ে তার নিয়ন্ত্রণটি হাতে নিয়ে নিলাম। শহরের উপরে একবার পাক খেয়ে আমি সেটিকে উড়িয়ে নিতে থাকি। রিয়া আমার গা ঘেঁষে দাঁড়িয়ে বলল, তুমি বাইভার্বাল চালাতে পার?

    না।

    তা হলে কেমন করে চালাচ্ছ?

    নিজেই চলছে–আমি শুধু বলছি কোন দিকে চলতে হবে!

    আমি রিয়ার দিকে তাকিয়ে বললাম, যে জিনিস সাইবর্গ চালাতে পারে সেটা যে কোন মানুষ চালাতে পারে। তুমি নিশ্চয়ই জান সাইবর্গের বুদ্ধিমত্তা একটা শিশুর সমান।

    আমি নিশ্চিত এরকম একটা পরিবেশে অন্য যে কেউ হলে ঘাবড়ে যেত কিন্তু রিয়ার ভয়ভীতি কম–কে জানে একজন নিখুঁত মানুষ, সম্ভবত সাহসী মানুষ।

    প্রায় ঘণ্টা দুয়েক উড়িয়ে নেবার পর আমরা এই শহরটির শেষ মাথায় এসে উপস্থিত হলাম। নিচে রাস্তার আলো কমে এসেছে। আরো কিছুক্ষণ চালিয়ে নেবার পর হঠাৎ করে অন্ধকার কেটে এক ধরনের আলো ফুটে উঠল। আমরা সোজাসুজি এগিয়ে যেতে থাকি এবং হঠাৎ করে এক ধরনের আতঙ্ক অনুভব করতে থাকি। যে জিনিসটিকে আমরা আলো হিসেবে ভাবছি সেটি সত্যিকার অর্থে আলো নয়–সেটি হচ্ছে অন্ধকারের অনুপস্থিতি। আমরা ভালো করে তাকিয়ে দেখতে পেলাম শহরটি হঠাৎ করে শেষ হয়ে গেছে এবং তাকে ঘিরে এক ধরনের শূন্যতা। কোথাও কিছু নেই–ব্যাপারটি এত অস্বাভাবিক যে তাকে বর্ণনা করা সম্ভব নয়। এটি কুয়াশার মতো নয় যে সবকিছু ঢাকা পড়ে আছে। এটি স্পষ্ট এবং এর মাঝে কোনো বিভ্রান্তি নেই। মনে হচ্ছে হঠাৎ করে সমস্ত সৃষ্টি জগৎ শেষ হয়ে গেছে। সেই ভয়ংকর শূন্যতা দেখে আমার সমস্ত চেতনা হঠাৎ করে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলল, আমি চিৎকার করে বললাম, রিয়া–চোখ বন্ধ কর।

    কেন?

    এটা দেখলে তুমি পাগল হয়ে যাবে।

    রিয়া দুই হাতে আমাকে শক্ত করে ধরে বলল, এটা কী?

    এটা হচ্ছে শূন্যতা। এটা হচ্ছে সত্যিকারের শুন্যতা।

    এখানে কেন?

    আমার একটা জিনিস মনে হচ্ছে, কিন্তু কিন্তু

    কিন্তু কী? রিয়া ভয় পাওয়া গলায় বলল, বলো এটি এখানে কেন?

    আমি বাইভার্বালটিকে ঘুরিয়ে শহরের ভেতরে নিয়ে এলাম–কিছুক্ষণের মাঝে অন্ধকার নেমে এল, নিচে রাস্তাঘাট, আলো, জনবসতি দেখা যেতে লাগল। রিয়া একটা নিশ্বাস ফেলে বলল, রেস্টুরেন্টে যে মানুষটি আমাকে ধরেছিল সে নিশ্চয়ই এই শূন্যতা দেখে এসেছে।

    হ্যাঁ, দেখে পাগল হয়ে গেছে।

    আমরা কি পাগল হয়ে গেছি?

    আমি একটি নিশ্বাস ফেলে বললাম, হয়ে গেলে মনে হয় ভালো হত।

    কেন? রিয়া ভয় পেয়ে বলল, কেন তুমি এ কথা বলছ?

    আমি সাবধানে বাইভার্বালটিকে হ্রদের তীরে বালুবেলায় নামিয়ে এনে তার ইঞ্জিন বন্ধ করে দরজা খুলে দিলাম। প্রথমে রিয়া এবং তার পিছু পিছু আমি নেমে এলাম। আকাশে বড় একটা চাঁদ উঠেছে, হ্রদের পানিতে সেই বড় চাঁদের প্রতিফলন ঘটে পানি চিকচিক করছে। বিশাল বালুবেলা ধূসর একটি সুবিস্তৃত প্রান্তরের মতো–পুরো দৃশ্যটিকে খানিকটা অতিপ্রাকৃতিক বলে মনে হতে থাকে।

    রিয়া আমার পাশে প্রায় গা ঘেঁষে দাঁড়িয়ে বলল, কী হয়েছে ত্রাতুল, তুমি কেন বলছ আমাদের পাগল হয়ে যাওয়া উচিত ছিল?

    তুমি বুঝতে পারছ না? কথা বলতে গিয়ে আমার গলা কেঁপে গেল, তুমি এখনো বুঝতে পার নি?

    না।

    তোমার মনে আছে আমার এবং তোমার মাথায় ট্রাইকিনিওয়াল ইন্টারফেস লাগানো আছে?

    হ্যাঁ।

    ট্রাইকিনিওয়াল ইন্টারফেস লাগিয়ে আমাদের মস্তিষ্কের ম্যাপিং করা হয়েছে?

    রিয়া মাথা নাড়ল, বলল, হ্যাঁ, আমি জানি।

    যার অর্থ আমাদের একটা অস্তিত্ব তৈরি করে একটা তথ্যকেন্দ্রে জমা করে রেখেছে।

    হ্যাঁ। তাতে কী হয়েছে?

    আমরা সেই অস্তিত্ব। আমরা সত্যিকারের ত্রাতুল নই, সত্যিকারের রিয়া নই।

    রিয়া একটা আর্তচিৎকার করে আমাকে ধরে ফেলল, তারপর থরথর করে কাঁপতে শুরু করল। আমি গভীর মমতায় তাকে ধরে রেখে খুব সাবধানে বালুবেলায় বসিয়ে দিলাম। সে অপ্রকৃতিস্থের মতো আমার কাঁধে মাথা রেখে আকুল হয়ে কেঁদে উঠল। আমি রিয়ার মাথায় হাত বুলিয়ে বললাম, আমি খুব দুঃখিত রিয়া। আমি খুব দুঃখিত।

    আমি আকাশে পূর্ণ একটি চাঁদের দিকে তাকিয়ে রইলাম। এই চাঁদ, চাঁদের আলো, হ্রদ, হ্রদের পানি, বালুবেলা সব কৃত্রিম, সব একটি বিশাল তথ্যভাণ্ডারের তথ্য। আমি এবং রিয়াও কৃত্রিম—আমাদের ভাবনা–চিন্তা, দুঃখ–কষ্ট আসলে বিশাল কোনো এক যন্ত্রের ভেতরের হিসাব, আলো এবং ইলেকট্রনের বিচ্ছুরণ, কিছু যান্ত্রিক পদ্ধতি।

    গম্ভীর হতাশায় আমার বুকের ভেতরে কিছু একটা গুঁড়িয়ে যেতে থাকে। আমি আমার হাতের দিকে তাকালাম, কী আশ্চর্য–আমি আসলে সত্যিকারের আমি নই? কৃত্রিম একটা ছোট শহরের জগতে আটকে পড়ে থাকা কিছু তথ্য? ভ্রাতুল এখন কোথায় আছে? সত্যিকারের ত্রাতুল?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleতারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    Next Article কাবিল কোহকাফী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    Related Articles

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    ছোটগল্প – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সাদাসিধে কথা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মেকু কাহিনী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    আমার বন্ধু রাশেদ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ১ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    টুনটুনি ও ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }