Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সায়েন্স ফিকশন সমগ্র ৪ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল এক পাতা গল্প1092 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৮. পরাবাস্তব জগৎ

    পরাবাস্তব জগৎ

    আমি চোখ বন্ধ করে মনে মনে নিজেকে বললাম এটি একটি পরাবাস্তব জগৎ এটি আসলে কিছু বিচিত্র তথ্যের কৌশলী উপস্থাপনা, এখানে যা আছে তার কোনোটিই সত্যি নয় তাই আমি এর কিছুই দেখে অবাক হব না। তারপরও আমি চোখ খুলে তাকিয়ে অবাক হয়ে গেলাম। আমার চারপাশে একটি বিচিত্র কুয়াশা ঢাকা আবছা জগৎ। কোথাও কোনো শব্দ নেই, মনে হয় নিজের নিশ্বাসের শব্দ আর হৃৎস্পন্দনও শুনতে পাব। জিগি বলেছিল এখানে ছয়টি ভিন্ন ভিন্ন পরাবাস্তব জগৎ রয়েছে কিন্তু এখানে একটি সুবিস্তৃত প্রান্তর ছাড়া আর কিছু নেই।

    আমি খুব সাবধানে হাঁটতে থাকি, তখন মনে হল অনেক দূরে কোথাও একটি ঘণ্টা বাজছে শোনা যায় না এরকম একটি শব্দ। ঘণ্টাটি খুব গুরুগম্ভীর, মনে হয় কোনো একটি প্রাচীন মন্দিরের উপাসনার ঘণ্টা। আমি হাঁটতে হাঁটতে সামনে এগুতে থাকি, ঠিক তখন দূরে কিছু জিনিস স্পষ্ট হয়ে ওঠে। মনে হয় একটি অতি প্রাচীন উপাসনালয়, আরো কাছে যাবার পর দেখলাম সেখানে মিটমিট করে বাতি জ্বলছে। আমি আরো কাছে এগিয়ে এলাম এবং তখন এই উপাসনালয়টি স্পষ্ট হয়ে উঠল। অত্যন্ত বিচিত্র কারুকাজ করা দেওয়াল, পুরো স্থাপত্যটি একেবারেই অচেনা। আমি খানিকক্ষণ অবাক হয়ে তাকিয়ে রইলাম, ভেতরে ঢোকার কোনো দরজা নেই। আমি একটু কাছে এসে দেওয়ালটা স্পর্শ করতেই সেটা পেছনে সরে গেল, ভালো করে তাকিয়ে দেখি ভেতরে ঢোকার মতো ছোট একটা জায়গা উন্মুক্ত হয়েছে। আমি সাবধানে ভেতরে ঢুকেছি তখন হঠাৎ করে মনে হল সরসর শব্দ করে কিছু একটা পেছনে সরে যাচ্ছে। ভেতরে বিশাল একটি কক্ষ, তার কারুকাজ করা দেওয়াল। আমি সেদিকে তাকিয়ে রইলাম এবং আমার মনে হল কারুকাজ করা দেওয়ালটি আস্তে আস্তে নড়ছে। আমার হঠাৎ করে মনে হল আমি জীবন্ত কোনো প্রাণীর সামনে দাঁড়িয়ে আছি। আমার স্পষ্ট মনে হল আমি একটা প্রাণীর নিশ্বাস নেবার শব্দও শুনছি। নিশ্বাসের সাথে সাথে তার হৃৎস্পন্দন, দেহের সংকোচন, শরীরের কম্পনের শব্দ শোনা যেতে থাকে। জীবন্ত প্রাণীর এক ধরনের জৈবিক ঘ্রাণ আমার নাকে আসে, মনে হয় অশরীরী কোনো প্রাণী আমার দিকে তীক্ষ্ণ চোখে তাকিয়ে আছে।

    আমি চোখ বন্ধ করে নিজেকে বললাম, এটি একটি পরাবাস্তব জগৎ এটি সত্যি নয়। জিগি আমার শরীরের কাছে দাঁড়িয়ে আছে, ভয়ংকর কিছু ঘটলেই সে আমার ট্রাইকিনিওয়াল ইন্টারফেস টেনে খুলে দেবে, তখন আমি আবার সত্যিকারের জগতে ফিরে যাব। আমি চোখ বন্ধ করেই পায়ে পায়ে পিছিয়ে এসে দেওয়াল স্পর্শ করলাম। হাতের নিচে শীতল পিচ্ছিল জীবন্ত এক ধরনের অনুভূতি– আমি নিশ্বাস বন্ধ করে ধাক্কা দিতেই সেটি উন্মুক্ত হয়ে গেল এবং আমি নিশ্বাস বন্ধ করে প্রায় ছুটে বের হয়ে এলাম। আমার অস্তিত্বকে কি এরকম কোনো একটি জায়গায় বন্দি করে রেখেছে? আতঙ্কে আমার সমস্ত শরীর কুলকুল করে ঘামতে থাকে।

    সে আমি চোখ খুলে তাকালাম, নিজের অজান্তেই ছুটে অনেক দূরে চলে এসেছি। উপাসনালয়ের মতো দেখতে প্রাচীন স্থাপত্যটিকে আর স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে না, শুধু বহুদূর থেকে এক ধরনের অস্পষ্ট রহস্যময় ঘণ্টার আওয়াজটি শোনা যাচ্ছে। আমি বুকভরে একবার নিশ্বাস নিলাম, কোথায় যেতে হবে কী করতে হবে কিছু বুঝতে পারছি না। এই পরাবাস্তব জগৎটি সত্যিকার জগতের মতো–এর থেকে পালিয়ে যাওয়ার কোনো পথ নেই।

    ঠিক এরকম সময় বহু দূরে কোথাও একটি আলো জ্বলে আবার নিবে গেল। হয়তো এটি আমার জন্যে কোনো সংকেত, হয়তো আমার ওদিকে যাবার কথা। আমি বুকের মাঝে সাহস সঞ্চয় করে সেদিকে হাঁটতে থাকি।

    আলোটি জ্বলে এবং নিবে আমাকে খানিকটা বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করল। হয়তো আলোটার দিকে সোজাসুজি যাচ্ছি হঠাৎ করে দেখতে পেলাম আলোটা ডানদিকে সরে গিয়ে জ্বলে উঠেছে। ডানদিকে হাঁটছি, তখন আলোটা আবার বামদিকে সরে গিয়ে জ্বলে উঠল।

    হেঁটে হেঁটে শেষ পর্যন্ত আমি আলোটা খুঁজে পেলাম। খুব আধুনিক ধরনের একটা ছোট বাসা, সেই বাসার ওপর একটি এন্টেনা এবং এন্টেনার ওপর একটি আলো–যেটি জ্বলছে এবং নিবছে, যে আলোটা দেখে আমি এখানে এসেছি। বাসাটির বাইরে একটি সাজানো লন, তার ভেতর দিয়ে নুড়ি বসানো রাস্তা চলে গেছে। আমি সাবধানে সেই রাস্তা ধরে হেঁটে হেঁটে বাসাটির কাছে চলে এলাম। বাসার ভেতর আলো জ্বলছে, মনে হয় সেখানে কেউ আছে। আমি দরজা স্পর্শ করতেই ভেতরে কোথাও শব্দ হল। আমি একজনের পদশব্দ শুনতে পেলাম, কেউ একজন এসে দরজা খুলে দিল, আমার দিকে সে অবাক হয়ে তাকিয়ে বলল, কে?

    আমি মানুষটিকে ভালো করে লক্ষ করলাম, এটি পরাবাস্তব জগতের পরাবাস্তব মানুষ, কিন্তু তার সাথে সত্যিকার মানুষের কোনো পার্থক্য নেই। মানুষটি মধ্যবয়স্ক, মাথার চুল সোনালি এবং চোখ নীল। গায়ের রঙ রোদে পুড়ে তামাটে হয়ে গেছে, মুখে বয়স এবং অভিজ্ঞতার চিহ্ন। মানুষটি আবার জিজ্ঞেস করল, তুমি কে? কোথা থেকে এসেছ?

    আমি বললাম, তোমার প্রশ্নের উত্তর দেবার আগে আমি কি ভেতরে আসতে পারি?

    মানুষটার মুখে বিচিত্র এক ধরনের হাসি ফুটে ওঠে। সে দরজা থেকে সরে গিয়ে বলল, এস।

    আমি ভেতরে ঢুকে মুগ্ধ হয়ে গেলাম, কী চমৎকার করে সাজানো ঘরটি, কোথাও এতটুকু বাহুল্য নেই, এতটুকু অসামঞ্জস্য নেই, শুধুমাত্র পরাবাস্তব জগতেই বুঝি এরকম চমৎকার একটি ঘর খুঁজে পাওয়া যায় আমি মুগ্ধ হয়ে দেখি। সোনালি চুল, নীল চোখের মধ্যবয়স্ক মানুষটি এক ধরনের অবিশ্বাস নিয়ে আমার দিকে তাকিয়ে রইল, মুখে হতচকিত এক ধরনের বিস্ময় ধরে রেখে বলল, তুমি কে? কোথা থেকে এসেছ? এখানে কারো আসার কথা নয়।

    আমি জানি।

    তা হলে তুমি কোথা থেকে এসেছ? কে তুমি?

    আমার পরিচয় দিয়ে কোনো লাভ নেই। আমার নাম ত্রাতুল–কিন্তু সেটাও প্রমাণ করতে পারব না। তার চাইতে বলো তুমি কে? তোমার নিশ্চয়ই একটা পরিচয় আছে, তুমি নিশ্চয়ই খুব গুরুত্বপূর্ণ একজন মানুষ।

    হ্যাঁ। আমি খুব গুরুত্বপূর্ণ একজন মানুষ। আমি এত গুরুত্বপূর্ণ যে আমার একটা অস্তিত্বকে আলাদা সরিয়ে রাখা হয়েছে। এখানে বেঁচে থাকার আনন্দের সবরকম উপকরণ আছে–তার মাঝে বাইরের কারো আসার কথা নয়। তুমি কেমন করে চলে এসেছ?

    সম্ভবত ভুল করে। আমি মাথা নেড়ে বললাম, কিন্তু এসে যখন পড়েছি তোমার কাছ থেকে কিছু তথ্য নিয়ে যাই।

    মানুষটার মুখে এক ধরনের উপহাসের হাসি ফুটে উঠল, বলল, কী তথ্য?

    তুমি কে? তুমি কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?

    মানুষটি মনে হল ঠিক বিশ্বাস করতে পারল না যে তাকে এই প্রশ্নটি করা হয়েছে। সম্ভবত কেউ তাকে এভাবে প্রশ্ন করে না। সে আমার দিকে অবাক হয়ে তাকিয়ে রইল। আমি আবার বললাম, কে তুমি?

    আমার নাম খ্রাউস। আমি এই পরাবাস্তব জগতের সৃষ্টিকর্তা।

    আমি কিছুক্ষণ নিষ্পলক দৃষ্টিতে তার দিকে তাকিয়ে রইলাম, তারপর দাঁতে দাঁত ঘষে জিজ্ঞেস করলাম, কেন তুমি এই পরাবাস্তব জগৎ সৃষ্টি করেছ?

    আমি কাউকে এই প্রশ্নের জবাব দিই নি। কিন্তু তোমাকে দেব। কারণ তুমি সত্যিকারের মানুষ নও, তুমি পরাবাস্তব মানুষ। তোমাকে বললে কিছু আসে–যায় না।

    কেন কিছু আসে–যায় না?

    খ্রাউস হঠাৎ করে হেসে উঠল। হাসি অত্যন্ত বিচিত্র একটি প্রক্রিয়া, মানুষের ভেতরের রূপটি হাসির সাথে কেমন করে জানি প্রকাশিত হয়ে যায়। স্বাউসের হাসি দেখে আমি তাই শিউরে উঠলাম। হঠাৎ করে বুঝতে পারলাম মানুষটি অসম্ভব নিষ্ঠুর। আমার মনে হল মানুষ নয়, আমি বুঝি একটি দানবের সামনে দাঁড়িয়ে আছি। খ্রাউস যেরকম হঠাৎ করে হেসে উঠেছিল সেরকম হঠাৎ করে থেমে গিয়ে বলল, কারণ তুমি কিছু বোঝার আগেই তোমাকে নিশ্চিহ্ন করা হবে! এই অস্তিত্বকে এবং তোমার সত্যিকার অস্তিত্বকে।

    আমার ভয় পাওয়া উচিত ছিল কিন্তু কেন জানি ভয় না পেয়ে আমি ক্রুদ্ধ হয়ে উঠলাম, বললাম, কে আমাকে নিশ্চিহ্ন করবে? তুমি?

    না যুবক, তুমি বুঝতে পারছ না। তুমি কেমন করে এখানে ঢুকেছ আমি এখনো জানি, কিন্তু সেজন্য তোমাকে খুঁজে বের করে হত্যা করা হবে।

    বেশ! তা হলে আমাকে হত্যা করে ফেলার আগেই আমি জেনে নেই–তুমি তা হলে বলো, কেন তুমি একটা পরাবাস্তব জগৎ তৈরি করেছ?

    আমাদের গ্যালাক্সিতে প্রায় এক মিলিয়ন বুদ্ধিমান প্রাণী থাকার কথা। এতদিন তাদের কারো সাথে আমাদের যোগাযোগ হয় নি কারণ আমরা যোগাযোগ করার মতো স্তরে পৌঁছাই নি। পিঁপড়ার সাথে মানুষ যেরকম যোগাযোগ করতে পারে না, অনেকটা সেরকম। শেষ পর্যন্ত আমাদের যোগাযোগ হয়েছে, বছর দুয়েক আগে।

    পিঁপড়া থেকে উন্নত হয়েছে? পিঁপড়ার পাখা উঠেছে?

    আমার টিটকারিটা উপেক্ষা করে খ্রাউস বলল, সেই উন্নত প্রাণীর সাথে আমাদের এক ধরনের শুভেচ্ছা বিনিময়ও হয়েছে। তারা আমাদের পরাবাস্তব জগৎ তৈরি করার মতো প্রযুক্তি দিয়েছে, তার বদলে আমরা তাদেরকে–

    পৃথিবীর মানুষ দিচ্ছ?

    খ্রাউস খানিকক্ষণ অবাক হয়ে আমার দিকে তাকিয়ে থেকে বলল, তুমি ঠিকই অনুমান করেছ।

    সেই মানুষটি হতে হবে পৃর্থিবীর নিখুঁততম মানুষ? সেজন্যে পৃথিবীর নিখুঁত মানবী তৈরি করছ?

    খ্রাউস আবার চমকে উঠে আমার দিকে তাকাল, তারপর বলল, তুমি অত্যন্ত বুদ্ধিমান। তুমি যে এই পরাবাস্তব জগতে ঢুকে পড়েছ সেটা দেখে আমি এখন আর খুব অবাক হচ্ছি না।

    এই পরাবাস্তব জগৎ সেই বুদ্ধিমান প্রাণীর সাথে যোগাযোগের ইন্টারফেসঃ প্রাচীন উপাসনালয়ের মতো দেখতে জায়গাটির ভেতর থেকে মহাকাশের প্রাণীদের সাথে যোগাযোগ করা হয়?

    খ্রাউস এবারে হাল ছেড়ে দেবার ভঙ্গি করে বলল, তোমাকে আমি নতুন কিছুই বলতে পারলাম না। তুমি দেখছি সবই জান।

    আমি শুধু একটি জিনিস জানি না।

    কী জিনিস?

    মানুষকে কোনো এক বুদ্ধিমান মহাজাগতিক প্রাণীর হাতে তুলে দেওয়ার সাথে তাদেরকে পরাবাস্তব জগতে সৃষ্টি করার সম্পর্ক কী?

    তুমি কখনো চিড়িয়াখানায় গিয়েছ?

    হ্যাঁ গিয়েছি।

    চিড়িয়াখানায় বন্যপশু নিয়ে আসার আগে বনে–জঙ্গলে সেই পশুদের জীবনযাত্রা দেখে আসতে হয়। এখানেও তাই। যেসব মানুষকে পাঠানো হবে তাদের জীবনযাত্রা দেখা হচ্ছে। তাদেরকে নিয়ে খানিকটা গবেষণা করা হচ্ছে। তাদেরকে বোঝার চেষ্টা করা হচ্ছে।

    আমি কিছুক্ষণ খ্রাউসের মুখের দিকে তাকিয়ে থেকে বললাম, খ্রাউস।

    পৃথিবীতে আমাকে মহামান্য খ্রাউস ডাকা হয়।

    এটা পৃথিবী না। তা ছাড়া আমি কখনো কাউকে মহামান্য ডাকি না। আমি মুখের মাংসপেশি শক্ত করে বললাম, খ্রাউস, তোমার কি কখনো মনে হয়েছে যে এই কাজটি পৃথিবীর মানুষের কাছে অন্যায় এবং অমানবিক বলে মনে হতে পারে?

    খ্রাউস আবার শব্দ করে হেসে উঠল, নিষ্ঠুর নীল দুটি চোখ দেখে আবার আমি আতঙ্কে শিউরে উঠলাম। খ্রাউস হাসতে হাসতে বলল, পৃথিবীর সাধারণ মানুষের কথা ভাবলে পৃথিবীতে কখনো সভ্যতা গড়ে উঠত না! মানুষ এখনো গুহায় বসে পাথরে পাথর ঠুকে আগুন জ্বালিয়ে বুনো শূকর পুড়িয়ে পুড়িয়ে খেত। কিন্তু তা হয় নি। কেন হয় নি জান?

    কেন?

    কারণ পৃথিবীতে স্বপ্নদ্রষ্টা মানুষের জন্ম হয়েছে। তারা সাধারণ মানুষকে ব্যবহার করে, প্রয়োজনে ধ্বংস করে বড় বড় সভ্যতা গড়ে তুলেছে। পৃথিবীর সভ্যতার ইতিহাস হচ্ছে যুদ্ধের ইতিহাস–একটি সভ্যতা ধ্বংস করে সব সময় আরেকটি সভ্যতা গড়ে উঠেছে। আমরা এখন ঠিক সেরকম একটা মুহূর্তের কাছাকাছি আছি। পৃথিবীর এই সভ্যতা ধ্বংস করে আমরা নতুন একটা সভ্যতা গড়ে তুলব। সে

    ও! আমি মাথা নাড়লাম, বললাম, বুঝতে পেরেছি।

    কী বুঝতে পেরেছ?

    তুমি হচ্ছ ইতিহাসের সেই বিশ্বাসঘাতক। যে সব সময় নিজের জাতির সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে।

    তোমার এসব কথা হচ্ছে অসভ্য মানুষের অশালীন ভাষা। অশালীন ভাষা ব্যবহার। করে তুমি আমাকে বিচলিত করতে পারবে না।

    আমি জানি। কিন্তু তবু চেষ্টা করতে চাই।

    নির্বোধ যুবক। তুমি জান তোমার জীবন শেষ হয়ে এসেছে।

    সম্ভবত। আমি চোখ ঘুরিয়ে ঘরের চারপাশে তাকালাম। দেওয়ালে চমৎকার একটি শেলফ তৈরি করে তার ওপর কিছু প্রাচীন পুরাকীর্তি সাজিয়ে রাখা হয়েছে। কিছু মূর্তি, কিছু অলংকার। তৈজসপত্রের সাথে একটি লম্বা ধাতব দও সম্ভবত কখনো অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হত। আমি এগিয়ে সেটি হাতে তুলে নিলাম।

    খ্রাউস প্রচণ্ড ক্রোধে চিৎকার করে বলল, তুমি কী করছ?

    আমার এটা কৌতূহল। অশালীন ভাষা ব্যবহার করে তোমাকে বিচলিত করা যায় না, কিন্তু এই ভোঁতা দণ্ডটি দিয়ে তোমাকে ঠিকমতো আঘাত করে বিচলিত করা যায় কি না দেখতে চাই!

    খ্রাউস অবিশ্বাসের দৃষ্টিতে আমার দিকে তাকিয়ে রইল, প্রথমে তার চোখে বিস্ময় এবং একটু পরে সেখানে এক ধরনের আতঙ্ক ফুটে ওঠে। আমি দুই হাতে ভোঁতা ধাতব দণ্ডটি শক্ত করে ধরে তার দিকে এগিয়ে গেলাম, খ্রাউস পিছিয়ে যাবার চেষ্টা করল কিন্তু তার আগেই আমি সমস্ত শরীরের জোর দিয়ে তাকে আঘাত করলাম। সে মাথা সরিয়ে নেবার চেষ্টা করল, কিন্তু তার পরও দণ্ডটি তার মুখে এসে আঘাত করল। সাথে সাথে চোখের নিচে খানিকটা জায়গা ফেটে রক্ত বের হয়ে আসে।

    খ্রাউস কাতর আর্তনাদ করে বলল, কী করছ? কী করছ তুমি?

    আমি হিংস্র গলায় বললাম, দেখছি। পরাবাস্তব জগতে কাউকে খুন করা যায় কি না দেখছি।

    আমি সত্যি সত্যি উন্মত্তের মতো আবার ধাতব দণ্ডটি তুলে তাকে আঘাত করার চেষ্টা করলাম, ঠিক তখন মনে হল আমার মাথার ভেতরে একটা বিস্ফোরণ ঘটল। হঠাৎ করে সবকিছু অদৃশ্য হয়ে যায় এবং আমি জিগির ভয়ার্ত কণ্ঠস্বর শুনতে পেলাম–কী হয়েছে ত্রাতুল? কী হয়েছে তোমার?

    আমি মাথা চেপে ধরে কোনোমতে উঠে বসার চেষ্টা করতে করতে বললাম, কিছু হয় নাই। একজনকে খুন করার চেষ্টা করছিলাম।

    কাকে?

    আমি উত্তর দেবার আগেই খুট করে দরজা খুলে গেল। দেখলাম সেখানে নিরাপত্তা বাহিনীর অনেক মানুষ স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র হাতে দাঁড়িয়ে আছে।

    পেছন থেকে একজন মানুষ হেঁটে আসছে। মানুষটির সোনালি চুল এবং নীল চোখ। মানুষটি মধ্যবয়স্ক এবং সুদর্শন।

    মানুষটি খ্রাউস এবং আমি কয়েক মুহূর্ত আগে তাকে পরাবাস্তব জগতে খুন করার চেষ্টা করেছি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleতারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    Next Article কাবিল কোহকাফী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    Related Articles

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    ছোটগল্প – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সাদাসিধে কথা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মেকু কাহিনী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    আমার বন্ধু রাশেদ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ১ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    টুনটুনি ও ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }