Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সায়েন্স ফিকশন সমগ্র ৫ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল এক পাতা গল্প1035 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৩. ঘরঘর শব্দ করে

    ঘরঘর শব্দ করে লরির পিছনের দরজাটা খুলে গেল, চোখে রোদ পড়তেই রুহান ধড়মড় করে জেগে ওঠে। একজন মানুষ তার হাতের স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রটাতে। একটা ঝাকুনি দিয়ে চিৎকার করে বলল, নামো সবাই। কোনো সময় নষ্ট করবে না-তাহলে কপালে দুঃখ আছে।

    কপালে কী ধরনের দুঃখ থাকতে পারে সেটা নিয়ে কেউ কৌতূহল দেখাল, সবাই হুঁটোপুটি করে নামতে শুরু করল। চারপাশে কংক্রীটের দেওয়াল দিয়ে ঘেরা বড় একটা জায়গা, ছাড়া ছাড়াভাবে সেখানে কয়েকটা বড় গাছ, গাছে ধূলায় ধূসর বিবর্ণ পাতা। একটু সামনে কংক্রীটের একটা দালান। মাঝামাঝি একটা বড় লোহার দরজা, এ ছাড়া আর কোনো দরজা-জানলা নেই। এরকম কুৎসিত এবং মনখারাপ করা কোনো দালান রুহান আগে দেখেছে বলে মনে করতে পারল না।

    স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র হাতে মানুষগুলো সবাইকে ঘিরে রেখে এগিয়ে নিয়ে যায়। কুৎসিত দালানের সামনে পৌঁছতেই লোহার ভারী দরজাটা ঘরঘর শব্দ করে খুলে গেল। কেউ বলে দেয়নি কিন্তু সবাই বুঝে গেল তাদের এখন ভেতরে ঢুকতে হবে। রুহান ভেতরে পা দেবার আগে একবার পিছন ফিরে তাকাল। তার কেন জানি মনে হলো একবার ভেতরে ঢুকে গেলে তার জীবনটা একেবারেই পাল্টে যাবে। সেই জীবন থেকে আর কখনোই সে আর ফিরে আসতে পারবে না।

    লম্বা একটা করিডোর ধরে তারা এগিয়ে যায়। মাঝখানে একটা বড় হলঘরের মতো, সেখানে উঁচু ছাদ থেকে হলদে এক ধরনের আলো ঝুলছে। কংক্রীটের ধূসর দেয়াল, পাথরের অমসৃণ মেঝে। হলঘরের মাঝামাঝি কঠোর চেহারার একটা মানুষ দাঁড়িয়ে আছে। হাতের স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রটা ঝাঁকিয়ে সে বলল, তোমাদের এক ঘণ্টা সময় দেয়া হলো প্রস্তুত হবার জন্যে। এর মাঝে তোমরা তোমাদের নোংরা পোশাক খুলে গরম পানি দিয়ে গোসল করো। টিবিলে গরম স্যুপ, মাংসের স্টু আর রুটি রাখা আছে-ঝটপট কিছু খেয়ে নাও। তারপর একাডেমীর পোশাক পরে বের হয়ে এসো।

    কোথায় বের হয়ে আসবে, তারপর কী করবে এ ধরনের খুঁটিনাটি জিনিস জানার একধরনের কৌতূহল হচ্ছিল কিন্তু রুহান কিছু জিজ্ঞেস করার আগ্রহ পেল না। স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র হাতে কঠোর চেহারার মানুষটা হলঘরের পিছনের দিকে একটা দরজা দেখিয়ে দেয় এবং সাথে সাথে সবাই হুঁটোপুটি করে সেদিকে ছুটে যেতে শুরু করে।

    দরজার কাছাকাছি একজন রুহানের কনুই খামচে ধরল। রুহান মাথা ঘুরিয়ে কিলিকে দেখতে পায়। কিলি ফ্যাকাসে মুখে বলল, রুহান।

    কী হয়েছে।

    এখন আমাদের কী করবে বলে তোমার মনে হয়?

    কেমন করে বলি!

    আমাদের কী মেরে ফেলবে বলে মনে হয়?

    রুহান হেসে বলল, যদি আমাদের মেরেই ফেলবে, তাহলে এত কষ্ট করে ধরে এনেছে কেন?

    হয়তো আমাদের কিডনি, ফুসফুস, লিভার এগুলো কেটেকুটে নেবে।

    যদি নিতে চায় নেবে, তার জন্যে আগে থেকে দুশ্চিন্তা করে লাভ নেই। সময় হলে দেখা যাবে। এখন যেটা করতে বলেছে সেটা করো। গোসল করো, নতুন পোশাক পরে পেট ভরে খাও।

    কিলি মাথা নেড়ে বলল, তুমি ঠিকই বলেছ।

    রুহান গলা নামিয়ে বলল, এরা খুব খারাপ মানুষ। তাই সাবধান! আগ শাড়িয়ে কিছু করবে না, নিজে থেকে কিছু করবে না। তারা যেটা বলছে শুধু সেটা করবে। সবার আগে থাকবে না, সবার পিছেও থাকবে না। সবসময় মাঝামাঝি থাকবে। ঠিক আছে?

    কিলি মাথা নেড়ে বলল, ঠিক আছে।

    প্রায় ফুটন্ত গরম পানিতে নগ্ন হয় সারা শরীর রগড়ে রগড়ে রুহান গোসল করল। দেয়ালে আলখাল্লার মতো কালো রঙের এক ধরনের পোশাক ঝুলছিল, সেটা পরে নিয়ে সে খাবার টেবিলের দিকে এগিয়ে যায়। সবাই বুভুক্ষের মতো খাচ্ছে। বিষয়টি কেমন জানি অস্বস্তিকর, এভাবে কাড়াকাড়ি করে খাওয়ার দৃশ্যে এক ধরনের অমানবিক নিষ্ঠুরতা আছে। বেশিক্ষণ তাকিয়ে থাকা যায় না, চোখ সরিয়ে নিতে হয়। রুহান এগিয়ে একটা ছোট বাটিতে খানিকটা স্টু ঢেলে একপাশে সরে দাঁড়াল। তার খুব খিদে পেয়েছে কিন্তু কেন জানি খেতে ইচ্ছে করছে না, মনে হচ্ছে এই পুরো বিষয়টিতে এক ধরনের লজ্জা ও এক ধরনের অসম্মান রয়েছে। রুহান একটা নিঃশ্বাস ফেলে পুরো বিষয়টি নিজের ভেতর থেকে সরিয়ে ফেলতে চেষ্টা করে। অন্যমনস্কভাবে শুকনো রুটি ছিঁড়ে স্টুতে ভিজিয়ে খাওয়ার চেষ্টা করে। বিস্বাদ খাবার, খুব খিদে পেয়েছে তা না হলে এরকম খাবার খেতে পারত কী না সন্দেহ রয়েছে।

     

    খাবার পর সবাই আবার বড় হলঘরটির মাঝে একত্র হলো। হলঘরের মাঝামাঝি বেশ কয়েকজন মানুষ দাঁড়িয়ে আছে। তারা সবাইকে সারি করে দাঁড় করাল। তারপর একজন একজন করে সামনে একটা ছোট ঘরে পাঠাতে শুরু করল।

    ভেতরের ঘরগুলোতে কী হচ্ছে বাইরে থেকে বোঝা যাচ্ছে না। রুহান। অনুমান করতে পারে সেখানে সবাইকে পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে। তাদেরকে ধরে এনেছে বিক্রি করার জন্যে, কার জন্যে কত দাম ধরা হবে সেটা নিশ্চয়ই এখন ঠিক করা হচ্ছে। সেটা কীভাবে ঠিক করা হবে? বুদ্ধিমত্তার পরীক্ষা নেবে? শারীরিক পরীক্ষা নেবে? মানুষকে যখন পণ্য হিসেবে বিক্রি করা হয়, তখন এই পরীক্ষাগুলোর কী কোনো অর্থ আছে? একেবারে সাধারণ একজন মানুষই কী উৎসাহ আর অনুপ্রেরণায় অসাধারণ হয়ে ওঠে না? তাকে যখন পণ্য হিসেবে বেচা-কেনা করা হয় তখন কী তার ভেতরে কোনোভাবে সেই উৎসাহ আর অনুপ্রেরণা জন্ম নিতে পারে?

    প্রথমে কিছুক্ষণ রুহানের ভেতর খানিকটা কৌতূহল ছিল। লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতে একসময় তার কৌতূহলটুকু উবে গেল। শেষ পর্যন্ত তাকে যখন ছোট ঘরটিতে ডেকে নেয়া হলো তখন রুহানের ভেতরে এক ধরনের ক্লান্তি এসে ভর করেছে।

    ছোট ঘরটিতে একটা উঁচু বিছানা, তার পাশে একজন মহিলা দাঁড়িয়ে আছে। মহিলাটি তার দিকে কয়েক মুহূর্ত স্থির দৃষ্টিতে তাকিয়ে থেকে বলল, বিছানায় লম্বা হয়ে শুয়ে পড়ো।

    রুহান কোনো কথা না বলে বিছানায় শুয়ে পড়ল। মহিলাটি উপর থেকে কিছু যন্ত্রপাতি নামিয়ে এনে তাকে পরীক্ষা করতে থাকে। ত্বক থেকে টিস্যু নিয়ে জিনেটিক কোডিং করা হলো, রক্ত নিয়ে তার শ্রেণীবিভাগ করা হলো, রক্তচাপ মাপা হলো, শরীরের ঘনত্ব মেপে অঙ্গপ্রত্যঙ্গের বিন্যাস নির্ধারণ করা হলো, নিউরনের সংখ্যা সিনাঙ্গের ঘনত্ব পরীক্ষা করা হলো সবশেষে তার হাতের ত্বকে ছ্যাকা দিয়ে বেগুনি রঙের একটা বিদঘুটে চিহ্ন একে দেয়া হলো।

    রুহান হাতটা নিজের কাছে টেনে এনে বলল, এটা তুমি কী করলে?

    মহিলাটি একটু অবাক হয়ে রুহানের দিকে তাকাল, মনে হলো সে কারো প শুনতে অভ্যস্ত নয়। মহিলাটি প্রশ্নের উত্তর দেবে রুহান সেটা আশা করেনি। কিন্তু তাকে অবাক করে দিয়ে মহিলাটি খসখসে গলায় বলল, এটা তোমার কোড। তোমার ত্বক কেটে পাকাপাকিভাবে লিখে দেয়া হয়েছে, এটা কখনো মুছে যাবে না।

    রুহান ক্রুদ্ধ চোখে তার হাতের উপর একে দেয়া বিদঘুটে চিহ্নগুলো পরীক্ষা করতে করতে বলল, আমার কোডটা কী অন্যভাবে দেয়া যেত না?

    আমরা এমনভাবে দিই যেন আমাদের কোড রিডার সেটা পড়তে পারে।

    তোমাদের কোড রিডার?

    হ্যাঁ। তোমার তথ্যগুলো আমাদের তথ্যকেন্দ্রে রাখতে হবে।

    তার জন্যে আরো আধুনিক কোনো উপায় ব্যবহার করা যেত না? কোনো ইলেকট্রনিক পদ্ধতি, কোনো বায়োজিনেটিক পদ্ধতি

    মহিলাটির মুখে প্রথমবার এক ধরনের হাসি ফুটে ওঠে, একজন মানুষের চেহারায় যত নিষ্ঠুরতার ছাপই থাকুক না কেন, হাসি সেটা সরিয়ে দিতে পারে। কিন্তু কোনো একটি বিচিত্র কারণে এই মহিলার বেলায় সেটি ঘটল না, তার মুখের হাসিতে তাকে কেমন যেন ভয়ঙ্কর দেখাতে থাকে। মহিলাটি সেই ভয়ঙ্কর মুখে ফিস ফিস করে বলল, ছেলে, তুমি পৃথিবীর কোনো খবর রাখ না?

    রুহান একটু অবাক হয়ে বলল, কেন? কী হয়েছে?

    পৃথিবীতে এখন ইলেকট্রনিক্স বা বায়োজিনেটিক পদ্ধতি বলে কিছু নেই। পৃথিবীতে জ্ঞান-বিজ্ঞান নেই। কোনো প্রযুক্তি নেই। পৃথিবী এখন অন্ধকারের দিকে এগোচ্ছে! যে যত তাড়াতাড়ি এই অন্ধকারে অভ্যস্ত হতে পারবে সে তত বেশি দিন টিকে থাকতে পারবে। বুঝেছ?

    রুহান তার হাতের বিচিত্র চিহ্নগুলোর দিকে তাকিয়ে থেকে বলল, এই চিহ্নগুলো সেই অন্ধকারের চিহ্ন?

    হ্যাঁ। প্রাচীনকালে মানুষ তাদের পশুদের হিসেব রাখার জন্যে লোহার শিক গরম করে কিছু চিহ্ন এঁকে দিত। এখন আমরা সেটা মানুষের জন্যে করি। মহিলাটি স্থির চোখে রুহানের চোখের দিকে তাকিয়ে থেকে বলল, বুঝেছ?

    বুঝেছি।

    চমৎকার! এখন পাশের ঘরে যাও।

    রুহান পাশের ঘরে যাবার জন্যে উঁচু বিছানা থেকে নেমে এলো। মহিলাটি বের হবার দরজাটি দেখিয়ে বলল, আর শোনো। তোমাকে কেউ কিছু জিজ্ঞেস করার আগে কথা বলবে না। এটা স্কুল, কলেজ, ইউনিভার্সিটি না, এখানে শেখার কিছু নেই। এটা একটা দোকান ঘর। তোমাদের ধরে এনে তোমাদের দাম ঠিক করা হচ্ছে, তার বেশি কিছু নয়।

    রুহান পাশের ঘরে যেতে যেতে থেমে গিয়ে বলল, প্রশ্ন জিজ্ঞেস করলে কী হয়?

    সেটা জানার জন্যে আগ্রহ দেখিও না। যাও। বিদায় হও।

    রুহান পাশের ঘরে এসে দাঁড়াল। এখানে বসার জন্যে একটা চেয়ার, সামনে নিচু টেবিল। সেখানে বিচিত্র কিছু জিনিস। টেবিলের অন্য পাশে দুটি চেয়ারে দুজন মানুষ বসে আছে, মানুষ দুজনের মুখ ভাবলেশহীন, তারা রুহানের দিকে তাকিয়ে তাকে বসার জন্যে ইঙ্গিত করল।

    রুহান বসে টেবিলের উপরে ভালো করে তাকায়, নানা ধরনের জ্যামিতিক নকশা, কিছু কাগজ, কিছু বিচিত্র ছবি তার সাথে ছোটখাটো কিছু যন্ত্রপাতি। মানুষ দুজনের একজন বলল,  দেখি তোমার হাতটা দেখাও।

    রুহান একটু আগে বিদঘুটে চিহ্ন এঁকে দেয়া হাতটা মানুষটার সামনে এগিয়ে দেয়। চিহ্নগুলোতে কিছু একটা ছিল যেটা দেখে মানুষটা একটু সোজা হয়ে বসে রুহানকে ভালো করে দেখল। সে টেবিল থেকে একটা ছবি তুলে এনে রুহানকে দেখিয়ে জিজ্ঞেস করল, এটা কীসের ছবি?

    ছবিটা দেখে মনে হয় সেখানে সাদা এবং কালো রং বিক্ষিপ্তভাবে ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে, কিন্তু রুহান একটু ভালো করে দেখেই বুঝতে পারল, আসলে ছবিটি একটি মেয়ের। কালো চুল ছড়িয়ে সবগুলো দাঁত বের করে হাসছে, চট করে সেটা বোঝা যায় না। রুহান বলল, এটা একটা মেয়ের ছবি।

    মানুষ দুজন এবার নিজেদের ভেতর দৃষ্টি বিনিময় করল। সম্ভবত খুব বেশি মানুষ বিক্ষিপ্ত সাদা কালো রঙের মাঝে মেয়ের ছবিটি খুঁজে পায় না। দুজন মানুষের ভেতর তুলনামূলকভাবে বয়স্ক মানুষটি গলা পরিষ্কার করে বলল, আমি তোমাকে কয়েকটা সংখ্যা বলব। সেগুলো শুনে তুমি তার পরের সংখ্যাটি বলবে।

    রুহান তার গলায় ঝোলানো ক্রিস্টাল রিডারটি হাত দিয়ে স্পর্শ করে বলল, ঠিক আছে।

    তার আগে তোমার ক্রিস্টাল রিডার বন্ধ করে নাও।

    রুহান অবাক হয়ে বলল, ক্রিস্টাল রিডার বন্ধ করে নেব?

    হ্যাঁ।

    তাহলে সংখ্যাগুলো মনে রাখব কেমন করে?

    সংখ্যাগুলো তোমার মাথায় রাখতে হবে।

    মাথায়?

    হ্যাঁ। বন্ধ কর।

    রুহান অবিশ্বাসের দৃষ্টিতে কিছুক্ষণ মানুষ দুজনের দিকে তাকিয়ে ক্রিস্টাল রিডার বন্ধ করে দিল। বয়স্ক মানুষটি বলল, সংখ্যাগুলো হচ্ছে এক এক দুই তিন পাঁচ আট তেরো একুশ চৌত্রিশ–

    ক্রিস্টাল রিডারটি চালু থাকলে সংখ্যাগুলো সেখানে রেকর্ড হয়ে যেত, তাকে নিচু গলায় শুনিয়ে দিত। এখন পুরোটা তাকে মনে রাখতে হচ্ছে। সংখ্যা হলো এক এক দুই তিন পাঁচ আট-হঠাৎ করে রুহান বুঝে ফেলে আগের দুটি সংখ্যা যোগ করে পরের সংখ্যাটি তৈরি হচ্ছে। তার মানে তারা যে সংখ্যাটি জানতে চাইছে সেটি হচ্ছে একুশ এবং চৌত্রিশের যোগফল, পঞ্চান্ন। রুহান একটা বড় নিঃশ্বাস ফেলে বলল, পঞ্চান্ন।

    মানুষ দুজনই এবারে সোজা হয়ে বসল। একজন আরেকজনের দিকে তাকিয়ে নিচু গলায় কিছু একটা বলল, তারপর আবার রুহানের দিকে তাকাল। তুলনামূলকভাবে কমবয়সী মানুষটি বলল, আমি তোমাকে ত্রিমাত্রিক একটা ছবি দেখাব। ছবিটি দেখে তোমাকে তার পৃষ্ঠদেশের ক্ষেত্রফল বলতে হবে।

    আমি কী এবার ক্রিস্টাল রিডারটি চালু করতে পারি?

    মানুষটি মাথা নেড়ে বলল, না।

    রুহান একটা ছোট নিঃশ্বাস ফেলে বলল, ঠিক আছে।

    মানুষটি টেবিল থেকে একটা কার্ড তুলে সোজা করে ধরল। বেশ কয়েকটি টিউব দিয়ে তৈরি একটি ত্রিমাত্রিক ছবি। পৃষ্ঠদেশের ক্ষেত্রফল বের করার জন্যে সামনে পিছনে ডানে বামে এবং উপর নিচে এই ছয়টি ভিন্ন ভিন্ন দিক থেকে টিউবগুলোর ক্ষেত্রফল বের করে যোগ দিতে হবে। ছবিটির দিকে তাকিয়ে রুহান হঠাৎ করে বুঝতে পারে সম্পূর্ণ ভিন্নভাবে এর ক্ষেত্রফল বের করা সম্ভব। টিউবগুলো গুনে সেটাকে ছয় গুণ করতে হবে। সেখান থেকে যে পৃষ্ঠাগুলো একটা  আরেকটাকে স্পর্শ করে আছে সেগুলো বাদ দিতে হবে। রুহান চট করে ত্রিমাত্রিক ছবিটির ক্ষেত্রফল বের করে নেয়।

    কমবয়সী মানুষটি জিজ্ঞেস করল, কত?

    উত্তরটা বলতে গিয়ে হঠাৎ রুহান থমকে গেল। তাদের যখন লরি করে আনছিল তখন মানুষগুলো তাদের একটা কথা বলেছিল। তারা বলেছিল যাদের বুদ্ধি থাকে তাদের মগজে ইলেকট্রড ঢুকিয়ে সেটাকে ব্যবহার করা হয়। তার বুদ্ধির পরীক্ষা নিচ্ছে, সে যদি এই পরীক্ষায় ভালো করে তাহলে কী তার মগজেও ইলেকট্রড ঢুকিয়ে দেবে? সর্বনাশ!

    কী হলো? কমবয়সী মানুষটি বলল, উত্তর দাও।

    রুহান উওর দিল। সঠিক উত্তরটি না দিয়ে সে একটা ভুল উত্তর দিল। সঠিক উত্তরের কাছাকাছি একটা ভুল উত্তর।

    কমবয়সী মানুষটার চোখে মুখে একটা আশাভঙ্গের ছাপ পড়ে। সে খানিকটা কৌতূহল নিয়ে বলল, ঠিক করে বল।

    রুহান আবার চিন্তা করার ভান করে নতুন একটা উত্তর দিল। সেটিও ভুল।

    মানুষ দুজন আবার একজন আরেকজনের দিকে তাকায় তারপর একটা নিঃশ্বাস ফেলে। রুহান চোখে মুখে হতাশার চিহ্ন ফুটিয়ে বলল, হয় নি?

    না।

    ক্রিস্টাল রিডারটা চালু করলেই বলতে পারতাম।

    ক্রিস্টাল রিডার ছাড়াই বলতে হবে। এটাই নিয়ম।

    ও।

    বয়স্ক মানুষটি গোমড়া মুখে বলল, ঠিক আছে তোমাকে আবার কয়েকটি সংখ্যা বলি, তুমি তার পরেরটা বলবে।

    ঠিক আছে। বল।

    মানুষটা একটা কার্ড দেখে বলল, এক দুই দুই চার তিন আট চার ষোল।

    রুহান সংখ্যাগুলো মনে রাখার চেষ্টা করে। সবসময় ক্রিস্টাল রিডার ব্যবহার করে কাজ করে এসেছে, কিছু একটা মনে রাখতে হলে ক্রিস্টাল রিডার সেটা মনে রেখেছে। যখন প্রয়োজন তাকে পড়ে শুনিয়েছে কিন্তু নিজের কানে শুনে নিজে মনে রাখা সম্পূর্ণ অন্য একটা ব্যাপার। রুহান সংখ্যাগুলো মাথার মাঝে সাজিয়ে নিয়ে ভেতরের মিলটুকু খুঁজে বের করার চেষ্টা করে। আপাত দৃষ্টিতে মনে হয় কোনো মিল নেই কিন্তু একটু চিন্তা করতেই হঠাৎ করে পুরোটুকু স্পষ্ট হয়ে যায় এর মাঝে দুটো ধারা লুকানো, একটি এক দুই তিন চার অন্যটি দুই চার আট ষোল, তাই এর উত্তর হচ্ছে পাঁচ। এ ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই।

    বয়স্ক মানুষটি তার চোখের দিকে তাকিয়ে বলল, কত?

    রুহান নিজেকে সামলে নিয়ে বলল, জানি না।

    জানি না বললে হবে না। একটা উত্তর দিতে হবে।

    ঠিক আছে। রুহান সরলভাবে বলল, বত্রিশ।

    বয়স্ক মানুষটা বলল, হয় নি।

    তাহলে কী চব্বিশ?

    না। এবারেও হয় নি?

    রুহান বলল, আমি দুঃখিত।

    বয়স্ক মানুষটা বিড়বিড় করে কিছু একটা বলে একটা ক্রিস্টাল রিডারে কিছু একটা রেকর্ড করিয়ে নিয়ে রুহানের চোখের দিকে তাকিয়ে বলল, পাশের ঘরে যাও।

    আমি কী পাস করেছি?

    না, তুমি পাস করো নি। প্রথমে ভেবেছিলাম পাস করবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত করতে পার নি।

    কম বয়সী মানুষটা বলল, সেটা নিয়ে মন খারাপ করো না। তারপর নোংরা হলুদ দাঁত বের করে হেসে বলল, তোমার কপাল ভালো যে পাস কর নাই। এই পরীক্ষায় পাস করলে কপালে দুঃখ আছে।

    মানুষ দুজন দুলে দুলে হাসতে থাকে এবং সেটা দেখে রুহান কেমন যেন। শিউরে ওঠে। সে খুব বাচা বেঁচে গেছে, আর একটু হলেই এরা তার মাথায়। ইলেকট্রড বসিয়ে দিত।

    রুহান পাশের ঘরের দিকে রওনা দেয়, ঘরটি বেশ দূরে এবং সেখানে যাবার জন্যে তাকে একটা সরু করিডোর ধরে হেঁটে যেতে হলো। যেতে যেতে সে গুলির শব্দ শুনতে পায়। থেমে থেমে এবং মাঝে মাঝে একটানা সে কোথায়। গাছে না জানলে এটাকে একটা যুদ্ধক্ষেত্র বলে ধরে নিত।

    করিডোরের শেষে যে ঘরটিতে সে হাজির হলো সেটাকে দেখে একটা যুদ্ধক্ষেত্রের কমান্ড সেন্টার বলে মনে হতে পারে। রুহানের মতো আরো কয়েকজন সেখানে এর মাঝে হাজির হয়েছে, তাদের সবাইকে এক ধরনের সামরিক পোশাক পরানো হয়েছে। রুহানকেও সেটা পরতে হলো এবং তারপর তাদেরকে একটা ছোট দরজা দিয়ে বাইরে নিয়ে যাওয়া হলো।

    বন্ধ ঘর থেকে বের হতে পেরে রুহান এক ধরনের স্বস্তি অনুভব করে। উপরে নীল আকাশ মাঝে মাঝে শরতের মেঘ। বড় বড় পাথরে ঢাকা পাহাড়ী অঞ্চল তার মাঝে নানা ধরনের গাছ-গাছালি, জায়গাটা একটা সামরিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের মতো। রুহান অন্য সবার সাথে সারি বেঁধে দাঁড়িয়ে থাকে। অপেক্ষা করতে করতে যখন অধৈর্য হয়ে পড়ছিল ঠিক তখন কঠোর চেহারার একজন মাষ তাদের সামনে এসে দাঁড়াল, মাথার টুপিটা পিছনে সরিয়ে শুকনো খসখসে গলায় বলল, আমার নাম গ্রুজান। এই জায়গাটাকে সবাই আদর করে ডাকে গ্রুজানের নরক। তোমাদের সবাইকে গ্রুজানের নরকে আমন্ত্রণ।

    রুহান গ্রুজান নামের এই মানুষটাকে ভালো করে লক্ষ্য করল। রোদে পোড়া তামাটে চেহারা, নীল চোখগুলো অপ্রকৃতস্থ মানুষের মতো। সেখানে এক ধরনের অমানবিক নিষ্ঠুরতা উঁকি দিচ্ছে, হঠাৎ চোখ পড়লে বুক কেঁপে ওঠে।

    গ্রুজান সবার দিকে এক নজর তাকিয়ে বলল, তোমাদের এখানে কেন আনা হয়েছে জান?

    কেউ কোনো কথা বলল না, একজন অনিশ্চিতের মতো মাথা নেড়ে বলল, না।

    না জানাটাই ভালো ছিল, কিন্তু এখন তোমাদের জানতে হবে। এই এলাকাটা যেরকম গ্রুজানের নরক, এর বাইরে আরেকটা বড় নরক আছে। সেটার নাম পৃথিবী। পৃথিবী নামের এই নরকে এখন মারামারি কাটাকাটি চলছে। পৃথিবীর মানুষ প্রথম ভেবেছিল মারামারি কাটাকাটি বুঝি খুব খারাপ জিনিস–কিন্তু এখন দেখেছে এটা মোটেও খারাপ না, এটা অন্যরকম একটা জীবন। যারা সেটাতে অভ্যস্ত হয়ে গেছে তার এখন মহানন্দে আছে।

    রুহান এক ধরনের অবিশ্বাস নিয়ে জান নামের মানুষটির দিকে তাকিয়ে থাকে। জান নিঃশব্দে তাদের সবার সামনে দিয়ে একটু হেঁটে আবার আগের জায়গায় এসে দাঁড়িয়ে বলল, পৃথিবীতে যখন মারামারি কাটাকাটি শুরু হয় তখন একটা জিনিসের খুব অভাব হয়। সেটা কী বলতে পারবে?

    রুহানের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা কমবয়সী একটা ছেলে নিচু গলায় বলল, শুভ বুদ্ধি।

    কী বললে? শুভ বুদ্ধি? জান কয়েক মুহূর্ত ছেলেটির দিকে বড় বড় চোখে তাকিয়ে থাকে, তারপর হঠাৎ করে বিকট গলায় হাসতে শুরু করে, কিছুতেই হাসি থামাতে পারে না। শেষ পর্যন্ত অনেকটা জোর করে হাসি থামিয়ে চোখ মুছে বলল, না ছেলে, শুভ বুদ্ধি না। শুভ ন্যায় সত্য এই সব কথাগুলো বড় বড় কথা, কিন্তু আসলে এগুলো হচ্ছে অর্থহীন কথা। পৃথিবীতে শুভ ন্যায় সত্য বলে কিছু নেই। যার জোর বেশি সে যেটা বলবে সেটাই হচ্ছে সত্য। সেটাই ন্যায়। সেটাই শুভ। বুঝেছ?

    কেউ কোনো কথা বলল না। জান একটা নিঃশ্বাস ফেলে বলল, পৃথিবীতে মারামারি কাটাকাটি শুরু হবার পর যে জিনিসটার অভাব হয়েছে সেটা হচ্ছে বডি পার্টস। শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ। যুদ্ধে যারা মারা যায় তারা তো মরেই গেল। কিন্তু যারা বেঁচে থাকে তাদের কারো দরকার হৃৎপিণ্ড। কারো দরকার। কিডনি। কারো ফুসফুস। কারো হাত, কারো পা। কারো চোখ। কার কাছে বিক্রি করা হচ্ছে তার উপর নির্ভর করে দাম। জান চোখ নাচিয়ে বলল, তোমাদের শরীরে আছে সেই সব অদৃশ্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ। আমরা তোমাদের ধরে এনেছি সেগুলো কেটেকুটে বিক্রি করার জন্যে। তোমরা সবাই হচ্ছ আমাদের মূল্যবান অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের সাপ্লাই। বুঝেছ?

    রুহান এবং তার সাথে দাঁড়িয়ে থাকা অন্য কয়েকজন এক ধরনের ভয়াবহ আতঙ্ক নিয়ে মানুষটির দিকে তাকিয়ে থাকে। সত্যিই কী তাদের কেটেকুটে মেরে ফেলার জন্যে ধরে এনেছে?

    গ্রুজান চোখে মুখে এক ধরনের পরিতৃপ্তির ভাব নিয়ে তাদের দিকে তাকিয়ে থাকে। তাকে দেখেই বোঝা যায় সে সবার আতঙ্কটুকু উপভোগ করছে। মুখে লোল টানার মতো এক ধরনের শব্দ করে বলল, তবে আমরা একটা শিল্প প্রতিষ্ঠান। পৃথিবীর নানা জায়গা থেকে কাঁচামাল এনে সেটাকে প্রক্রিয়া করে মূল্যবান জিনিস বানাই। তোমরা হচ্ছ কাঁচামাল, তোমাদের প্রক্রিয়া করে আরো মূল্যবান করা হচ্ছে আমাদের উদ্দেশ্য। সেটা কীভাবে করা যায় জান?

    কেউ কোনো কথা বলল না, জানও সেটা নিয়ে মাথা ঘামাল না। বলল, তোমাদের মধ্যে যাদের মগজ ভালো তাদের মাথায় একটা ইলেট্রড ঢুকিয়ে খুব ভালো দামে বিক্রি করা যায়। তোমাদের মধ্যে যাদের মগজ ভালো এর মাঝে তাদের আলাদা করা হয়েছে–তোমরা তার মাঝে নেই। তোমরা হচ্ছ গাধা টাইপের। বুঝেছ? তোমাদের রাখা হয়েছে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বিক্রি করার জন্যে। তবে–

    গ্রুজান খানিকটা নাটকীয় ভাব করে হঠাৎ থেমে গিয়ে তাদের দিকে তাকিয়ে রইল তারপর চোখ নাচিয়ে বলল, তোমাদের জানে বেঁচে যাবার এখনো খুব ছোট একটা সম্ভাবনা আছে। খুবই ছোট। সেটা কী জানতে চাও?

    এবারেও কেউ কোনো কথা বলল না।

    আমরা বাজার যাচাই করে দেখেছি, তোমাদের কেটেকুটে বিক্রি করে আমরা যে পরিমাণ ইউনিট পাই, তার থেকে অল্প কিছু বেশি ইউনিট পাওয়া যায় যদি তোমাদের একজনকে সৈনিক হিসেবে বিক্রি করা যায়। তবে সমস্যাটা কী জান?

    কয়েকজন দুর্বলভাবে মাথা নেড়ে জানাল যে তারা সমস্যাটা জানে না। জান মুখে এক ধরনের হাসি টেনে এনে বলল, সমস্যাটা হচ্ছে সবাইকে। সৈনিক বানানো যায় না। শুধু তারাই সৈনিক হতে পারে, যাদের বুকে আছে সাহস এবং যাদের রিফ্লেক্স খুব ভালো। যারা শক্তিশালী এবং যারা কষ্ট সহ্য করতে পারে।

    গ্রুজান নিঃশব্দে তাদের সামনে দিয়ে একটু হেঁটে এসে বলল, তোমাদের কেটেকুটে শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বিক্রি করার আগে তাই আমরা তোমাদের সৈনিক হবার একটা সুযোগ দিই। সুযোগটা হচ্ছে এরকম-ঐ যে দূরে দেয়ালটা দেখছ সেই দেয়ালের আড়ালে তোমরা দাঁড়াবে। যখন আমি তোমাদের সংকেত দেব তখন সেখান থেকে বের হয়ে এই গাছগাছালী, পাথর, খাল, মাঠ পার হয়ে অন্য পাশের দেওয়ালের আড়ালে ছুটে যাবে। তোমার হাতে থাকবে একটা অস্ত্র, তুমি চাইলে সেটা ব্যবহার করতে পার। আমি এখান থেকে তোমাদের গুলি করে মেরে ফেলার চেষ্টা করব। বুঝেছ?

    রুহান বিস্ফারিত চোখে মানুষটার দিকে তাকিয়ে রইল। মানুষটা সত্যি বলছে নাকি ঠাট্টা করছে সে ঠিক বুঝতে পারে না। একজন ভাঙ্গা গলায় বলল, আ-আমরা তোমার সাথে যুদ্ধ করব?

    হ্যাঁ। বলতে পার সেটা এক ধরনের যুদ্ধ। তোমরা আমাকে গুলি করবে, আমি তোমাদের গুলি করব।

    কিন্তু আমি কখনো কোনো অস্ত্র হাত দিয়ে ধরি নি।

    যদি সেটা সত্যি হয় বুঝতে হবে তোমার কপাল খারাপ। তবে বেশি হতাশ হওয়ার কোনো কারণ নেই। আজকালকার অস্ত্র খুব ভালো, খুব তাড়াতাড়ি ব্যবহার করা শেখা যায়।

    রুহানের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা কমবয়সী ছেলেটা হঠাৎ ভেঙ্গে পড়ল, ফুঁপিয়ে কেঁদে উঠে বলল, আমি পারব না। আমি পারব না, আমাকে ছেড়ে দাও, প্লীজ।

    গ্রুজান হা হা করে হেসে বলল, অবশ্যই আমি তোমাকে ছেড়ে দেব। সামনের এই খাল, পাথর, গাছগাছালির মধ্যে আমি তোমাকে ছেড়ে দেব, শুধু মনে রেখ এইখানে আমি অস্ত্র নিয়ে তোমার দিকে তাক করে থাকব! তোমাকে আমি পাখির মতো গুলি করে মারব। ছিচকাদুনে মানুষ সৈনিক হবার উপযুক্ত নয়।

    রুহান নিঃশব্দে দাঁড়িয়ে রইল, এখনো পুরো ব্যাপারটি তার বিশ্বাস হচ্ছে। তার ভয় পাবার কথা কিন্তু সে অবাক হয়ে আবিষ্কার করল তার ভয় করছে। ভেতরে বিচিত্র একধরনের অনুভূতি, ভাবলেশহীন পাথরের মতো শীতল একধরনের অনুভূতি কিন্তু সেই অনুভূতিটি ভয়ের নয়, অন্য কিছুর।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleভূত সমগ্র – মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    Next Article নাট বল্টু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    Related Articles

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    ছোটগল্প – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সাদাসিধে কথা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মেকু কাহিনী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    আমার বন্ধু রাশেদ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ১ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    টুনটুনি ও ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }