Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সায়েন্স ফিকশন সমগ্র ৫ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল এক পাতা গল্প1035 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মহাকাশযান টাইটুন

    কন্ট্রোল প্যানেলের ওপর ঝুঁকে বসেছিল মহাকাশযান টাইটুনের কমিউনিকেশন অফিসার রাটুল। ক্যাপ্টেন রন তার মুখের দিকে তাকিয়ে বলল, কোনো সমস্যা রাটুল?

    না-ঠিক সমস্যা নয়। তবে

    রাটুল বাক্যটা শেষ না করে থেমে গেল।

    তবে কী?

    যোগাযোগ এন্টেনাতে একটা সিগন্যাল আসছে।

    কার সিগন্যাল?

    সেইটাই বুঝতে পারছি না।

    বুঝতে পারছ না মানে? এবারে ক্যাপ্টেন রন প্রথমবারের মতো কৌতূহলী হয়ে এগিয়ে গেল। জিজ্ঞেস করল, কী বুঝতে পারছ না?

    ডপলার শিফট দেখে মনে হচ্ছে আরেকটা মহাকাশযান এদিকে আসছে। কিন্তু সিগন্যালটা বুঝতে পারছি না। কোনো মাথামুণ্ডু নেই।

    সম্ভবত এনক্রিপ্টেড। গোপনীয়তার জন্যে অনেক সময় করে।

    উঁহু। কমিউনিকেশন অফিসার রাটুল বলল, আমি আমাদের মেগা প্রসেসর দিয়ে বিশ্লেষণ করেছি, তথ্যটাই দুর্বোধ্য।

    দুর্বোধ্য?

    হ্যাঁ। আমি শেষ পর্যন্ত সুপার কম্পিউটারে দিয়েছি, দেখি কিছু বের করতে পারে কি না।

    ঠিক আছে। যদি কিছু জানতে পার আমাকে জানিও।

    জানাব। নিশ্চয়ই জানাব।

    ক্যাপ্টেন রন মহাকাশযান টাইটুনের যাত্রাপথ নির্দিষ্ট করার কাজে ব্যস্ত হয়ে কিছুক্ষণের জন্যে দুর্বোধ্য সিগন্যালের কথা ভুলে গিয়েছিল কিন্তু কমিউনিকেশন অফিসার রাটুল একটু পরেই আবার তাকে সেটা মনে করিয়ে দিল। সে এসে উত্তেজিত গলায় বলল, ক্যাপ্টেন রন, সুপার কম্পিউটারের বিশ্লেষণ শেষ হয়েছে।

    শেষ হয়েছে?

    হ্যাঁ।

    কী আছে সিগন্যালে?

    একটা বিপদগ্রস্ত মহাকাশযান সাহায্যের জন্যে সিগন্যাল পাঠাচ্ছে।

    ও। ক্যাপ্টেন রন ভুরু কুঁচকে বলল, সাহায্যের জন্যে সিগন্যাল দুর্বোধ্যভাবে কেন পাঠাচ্ছে? সহজ কোডিংয়ে কেন পাঠাচ্ছে না?

    আসলে মহাকাশযানটা সহজ কোডিংয়েই পাঠাচ্ছে আমাদের কাছে দুর্বোধ্য মনে হচ্ছে।

    ক্যাপ্টেন রন তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে কমিউনিকেশন অফিসার রনের দিকে তাকিয়ে বলল, তুমি কী বলতে চাইছ?

    এটা আমাদের কোনো মহাকাশযান নয়। এটা মহাজাগতিক কোনো প্রাণীর মহাকাশযান।

    ক্যাপ্টেন রন চমকে উঠে বলল, কী বলছ তুমি?

    আমি ঠিকই বলছি ক্যাপ্টেন। আপনি এলেই দেখতে পারবেন। সুপার কম্পিউটারের প্রথমবার অর্থ বের করতে সময় লেগেছে। এখন আর সময় লাগছে না। আমরা কি তার সাহায্যের আবেদনে সাড়া দেব?

    দাঁড়াও আমি নিজে একবার দেখে নিই।

    ক্যাপ্টেন রনের সাথে সাথে মহাকাশযানের অন্য কুরাও যোগাযোগ মডিউলের সামনে এসে দাঁড়িয়েছে। দূরের মহাকাশযান থেকে যে সিগন্যালটি পাঠানো হয়েছে সেটা এরকম :

    বাঁচাও আমাদের বাঁচাও। বিধ্বস্ত শক্তি ক্ষেপণ কেন্দ্র।
    নিঃশেষিত রসদ। ধ্বংসের মুখোমুখি মহাকাশযান।
    বাঁচাও আমাদের বাঁচাও।

    ক্যাপ্টেন রন সাহায্যবার্তার দিকে তাকিয়ে বলল, তোমরা কেমন করে বুঝতে পারলে এটা মহাজাগতিক প্রাণীর সিগন্যাল।

    পৃথিবীর কোনো মহাকাশযান থেকে এই সিগন্যাল পাঠালে আমাদের বিশ্লেষণ করতে কোনো সময় লাগত না। এটা আমাদের সিগন্যাল না।

    এটা যেদিক থেকে আসছে সেদিকে আগে কখনো আমাদের কোনো মহাকাশযান গিয়েছে?

    না যায় নি।

    এই মহাকাশযানটা এখন আমাদের কাছ থেকে কত দূরে আছে?

    মহাজাগতিক হিসেবে খুবই কাছে। আমরা এখন যে গতিতে যাচ্ছি তাতে এক সপ্তাহের ভেতর পৌঁছাতে পারব।

    যদি এত কাছে আছে তা হলে সিগন্যালটা আগে কেন পেলাম না?

    টাটুল বলল, সিগন্যালটা খুবই দুর্বল, সেজন্যে।

    ক্যাপ্টেন রন অন্যমনস্কভাবে তার গাল চুলকাল। মহাকাশযানের কোডে পরিষ্কার লেখা আছে কোনো বিপদগ্রস্ত মহাকাশযান যদি সাহায্য চায় তা হলে সাথে সাথে সাহায্যের জন্যে ছুটে যেতে হবে। কিন্তু মহাকাশযানটি যদি মানুষের না হয়ে মহাজাগতিক কোনো প্রাণীর হয় তা হলে কী করতে হবে সেটা পরিষ্কার করে লেখা নেই। যে সিদ্ধান্তটা নেয়ার সেটা তাকেই নিতে হবে। ক্যাপ্টেন রন চোখ বন্ধ করে এক মুহূর্ত ভাবল তারপর ঘুরে কমিউনিকেশন অফিসার রাটুলের দিকে তাকিয়ে বলল, রাটুল তুমি একটা উত্তর পাঠাও।

    কী বলব সেখানে?

    বল আমরা আসছি।

    কন্ট্রোল প্যানেল ঘিরে মহাকাশযানের কুরা দাঁড়িয়েছিল ক্যাপ্টেন রন তাদের দিকে তাকিয়ে বলল, তোমরা সবাই এস। কীভাবে তাদের সাহায্য করা যায় সেটা নিয়ে একটু কথা বলি।

    মহাকাশযানের কন্ট্রোল রুমে বড় টেবিলটা ঘিরে সবাই বসেছে। ক্যাপ্টেন রন সবার দিকে একবার তাকিয়ে বলল, তোমরা সবাই শুনেছ আমরা বিপদগ্রস্ত মহাকাশযানটিকে সাহায্য করার জন্যে যাচ্ছি। ঠিক কীভাবে সাহায্য করব আমি সেটা নিয়ে তোমাদের সাথে কথা বলতে চাই।

    ইঞ্জিনিয়ার শুরা বলল, তাদের সমস্যাটা কী সেটা না জানা পর্যন্ত আমরা তো কোনো পরিকল্পনা করতে পারছি না।

    ক্যাপ্টেন রন মাথা নেড়ে বলল, ঠিকই বলেছ। আমরা প্রথমেই জানতে চাইব তাদের সমস্যাটা কী।

    তথ্যপ্রযুক্তিবিদ লানা বলল, মহাজাগতিক প্রাণীদের মহাকাশযানের নিশ্চয়ই নিজস্ব তথ্যকেন্দ্র আছে। আমাদের তথ্যকেন্দ্রের সাথে সেই তথ্যকেন্দ্রের তথ্য বিনিময় করা দরকার। আমাদের জানা উচিত তাদের সভ্যতা কোন ধরনের।

    জীববিজ্ঞানী কায়াল মাথা নাড়ল, বলল, আমার আর তর সইছে না। আমি প্রাণীগুলোকে দেখতে চাই। ঠিক কীভাবে প্রাণের বিকাশ হয়েছে আমি বুঝতে চাই। এটাও কি জিনমকেন্দ্রিক? কার্বনভিত্তিক নাকি সিলিকনভিত্তিক।

    ক্যাপ্টেন রন জীববিজ্ঞানী কায়ালকে থামিয়ে দিয়ে বলল, তুমি তোমার কৌতূহল মেটানোর অনেক সুযোগ পাবে। আগে বাস্তব সমস্যাগুলোর কথা বলি। আমাদের কী কী ঝুঁকি আছে?

    যেহেতু প্রাণীগুলো সম্পর্কে আমরা কিছুই জানি না, নিরাপত্তার জন্যে অবশ্যই কোয়ারেন্টাইন করতে হবে। আমাদের একটা নিরাপত্তা বলয় তৈরি করে নিতে হবে। সবার আগে দরকার…

    মহাকাশযানের সকল ক্রু, ইঞ্জিনিয়ার আর বিজ্ঞানীরা অস্থির গলায় কথা বলতে থাকে। সবার ভেতরে এক ধরনের উত্তেজনা, মানবজাতির ইতিহাসে যেটা ঘটে নি সেটা প্রথমবারের মতো ঘটতে যাচ্ছে। পৃথিবীর মানুষ প্রথমবারের মতো একটা মহাজাগতিক প্রাণীর মুখোমুখি হতে যাচ্ছে। দীর্ঘ আলোচনার পর যখন সবাই নিজের কাজে ফিরে যাচ্ছিল তখন হঠাৎ ক্যাপ্টেন রন আবিষ্কার করে বড় টেবিলের এক কোনায় গালে হাত দিয়ে পদার্থবিজ্ঞানী খ্রাউস বসে আছে। ক্যাপ্টেন রন তার দিকে তাকিয়ে বলল, উস তুমি কিছু বলবে?

    নাহ্। খ্রাউস মাথা নাড়ল, আমার বলার কিছু নেই।

    আমরা একটা মহাজাগতিক প্রাণীকে দেখতে পাব সেটা নিয়ে তোমার কোনো আগ্রহ নেই?

    এত বড় বিশ্বব্রহ্মাণ্ড, আমরা ছাড়া আরো কত মহাজাগতিক প্রাণী আছে-আগে হোক পরে হোক তাদের সাথে আমাদের দেখা হবেই।।

    আমরা আগামী এক সপ্তাহের মাঝে প্রথমবারের মতো এই মহাজাগতিক প্রাণীদের দেখতে পাব। কত কী হতে পারে-নিরাপত্তার ব্যাপারে তোমার কোনো বক্তব্য আছে?

    নাহ্! শুধু

    শুধু কী?

    তাদের ডান হাত কি ডান দিকে না বাম দিকে সেটা জানা থাকলে ভালো হত।

    কন্ট্রোল ঘরে বসে থাকা সবাই ঘুরে খ্রাউসের দিকে তাকাল। মানুষটি ঠাট্টা করে কিছু বলছে কি না কেউ বুঝতে পারল না। জীববিজ্ঞানী কায়াল বলল, এই প্রাণীগুলো কী রকম আমাদের জানা নেই। তাদের হাত-পা আছে না অক্টোপাসের মতো শুঁড় আছে আমরা কিছুই জানি না। ডান হাত বাম হাত থাকবে তোমাকে কে বলেছে?

    তথ্যপ্রযুক্তিবিদ লানা বলল, তুমি এরকম হেঁয়ালি করে কেন কথা বলছ? ডান হাত আবার বাম দিকে কেমন করে হয়?

    ইঞ্জিনিয়ার শুরা হাসার ভঙ্গি করে বলল, আমাদের বিজ্ঞানী খ্রাউস সব সময় সবকিছু নিয়ে ঠাট্টা করে। কাজেই মহাজাগতিক প্রাণী নিয়েও ঠাট্টা করবে এতে অবাক হবার কী আছে?

    খ্রাউস দুর্বল গলায় বলল, আমি আসলে ঠাট্টা করছিলাম না।

    ক্যাপ্টেন রন বলল, এর মাঝে ডান বামের ব্যাপারটা কেমন করে আসছে? একটা মহাজাগতিক প্রাণীকে ডান বা বাম কেমন করে বোঝাবে? ডান মানে কী? বাম মানে কী?

    খ্রাউস বলল, ডান বাম বোঝানো কঠিন নয়। একটা নিউট্রন থেকে যখন বেটা বের হয় তখন স্পিনের সাথে যে সম্পর্ক থাকে সেটা দিয়ে বাম ডান বোঝানো যায়। প্রকৃতি স্পষ্টভাবে জানে বাম মানে কী ডান মানে কী-

    ক্যাপ্টেন রন উঠে দাঁড়িয়ে বলল, জানা থাকলে ভালো। আমার সেটা নিয়ে কোনো মাথাব্যথা নেই। আমার কাছে ডান আর বামের কোনো পার্থক্য নেই। যারা ডান হাত দিয়ে কাজ করে আর যারা বাম হাত দিয়ে কাজ করে তারা সবাই আমার কাছে সমান।

    খ্রাউস বলল, আমি সেটা বলছিলাম না। আমরা যখন তথ্য বিনিময় করব তখন যদি পদার্থবিজ্ঞানের তথ্য বিনিময় করি তা হলেই আমরা ডান বা বাম বলতে কী বুঝি সেটা বুঝে যাব। আমি বলছিলাম সেখান থেকে–

    ক্যাপ্টেন রন হাত নেড়ে খ্রাউসকে থামিয়ে দিয়ে বলল, ঠিক আছে। তুমি লানাকে বল তথ্যকেন্দ্র থেকে যেন পদার্থবিজ্ঞানের তথ্য বিনিময় করা হয়।

    লানা হতাশার মতো ভঙ্গি করে বলল, আমি যখন এই মহাকাশযানে যোগ দিয়েছিলাম তখন ভেবেছিলাম আর বুঝি পদার্থবিজ্ঞান আমাকে উৎপাত করবে না। স্কুলে কলেজে বিশ্ববিদ্যালয়ে এই পদার্থবিজ্ঞান বিষয়টা আমাকে কী কষ্ট দিয়েছে জানো?

    খ্রাউস অপরাধীর মতো বলল, আসলে বিষয়টা এত খারাপ না। স্কুল-কলেজে ঠিক করে পড়ায় না তো সেজন্যে কেউ পছন্দ করে না। যাই হোক আমি যেটা বলছিলাম–

    খ্রাউস কী বলছিল সেটা কেউ শুনতে চাইল না। সবারই অনেক কাজ, কারো এখন পদার্থবিজ্ঞানের হেঁয়ালি শোনার সময় নেই।

    .

    পরবর্তী ছয় দিনও কেউ ব্রাউসের কথা শোনার সময় পেল না। মহাকাশযানটি বিধ্বস্ত, তাদের জন্যে তথ্য বিনিময় করাও খুব সহজ ছিল না। তারপরেও তার চেষ্টা করা হল। মহাজাগতিক প্রাণীটি সিলিকনভিত্তিক, বুদ্ধিমত্তা মানুষের মতো মস্তিষ্কে কেন্দ্রীভূত নয়, সেটা পরিব্যাপ্ত। মহাকাশযানের ইঞ্জিনে সমস্যা হয়েছে-এক ধরনের জ্বালানি সংকট রয়েছে। খ্রাউসের একান্ত ইচ্ছার কারণে পদার্থবিজ্ঞানেরও কিছু তথ্য বিনিময় করা হয়েছে। বিজ্ঞানে তারা মানুষ থেকে খানিকটা পিছিয়ে আছে দশ মাত্রার স্ট্রিং থিওরির সমাধান করেছে কিন্তু চৌদ্দ মাত্রার অবতল থিওরি এখনো সমাধান করতে পারে নি।

    সপ্তম দিনে যখন মহাকাশযান টাইটুনের ক্রুরা প্রথমবার সরাসরি মহাকাশযানটিকে দেখতে পেল তখন তাদের উত্তেজনার কোনো সীমা ছিল না। আকৃতিটা অত্যন্ত বিচিত্র, পৃথিবীর কোনো কিছুর সাথে তার কোনো মিল নেই। পৃথিবীর প্রযুক্তিতে কোনো কিছু তৈরি করতে হলে তার মাঝে জ্যামিতিক কিছু আকার থাকে–এই মহাকাশযানে সেরকম কিছু। নেই, মনে হয় পুরোটাই বুঝি একটু একটু করে নিজে থেকে গড়ে উঠেছে। মহাকাশযানটির ইঞ্জিন বিধ্বস্ত তাই সেটি নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না, নির্দিষ্ট একটা গতিতে অসহায়ভাবে এগিয়ে আসছে।

    ক্যাপ্টেন রন মহাকাশযান টাইটুনকে মহাজাগতিক প্রাণীদের মহাকাশযানটির গতিপথের সাথে একই সরলরেখায় উপস্থিত করে। তারপর খুব ধীরে ধীরে তার গতিপথ কমিয়ে আনতে থাকে-যখন দুটো মহাকাশযান একটি অন্যটিকে স্পর্শ করবে তখন একটি মহাকাশযানের তুলনায় অন্যটির গতিবেগ হবে শূন্য। মহাকাশে ভিন্ন ভিন্ন মহাকাশযানের একত্রিত হওয়ার এটি একটি পরীক্ষিত পদ্ধতি।

    কন্ট্রোল প্যানেলে সবাই এসে ভিড় করেছে, সবার ভেতরেই এক ধরনের উত্তেজনা। খুব ধীরে ধীরে মহাকাশযান দুটো একটি আরেকটির দিকে এগিয়ে আসছে আর কিছুক্ষণের ভেতরেই মানবজাতির ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ঘটনাটি ঘটতে যাচ্ছে। এরকম সময়ে কন্ট্রোল প্যানেলে একটা সংকেত ধরা পড়ল, ক্যাপ্টেন রন জিজ্ঞেস করল, কী পাঠিয়েছে?

    রাটুল বলল, সামনের মহাকাশযান থেকে একটা বার্তা।

    কী বলেছে বার্তায়?

    রাটুল পড়ে শোনাল, তোমাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা। তোমাদের প্রতি ভালবাসা। তোমাদের প্রতি শুভেচ্ছা। তোমাদের প্রতি কাজামিনু।

    কাজামিনু? কাজামিনু অর্থ কী?

    সুপার কম্পিউটার এটা অনুবাদ করতে পারে নি। মানুষের ভাষায় এটা নেই। নিশ্চয়ই। কৃতজ্ঞতা, ভালবাসা বা শুভেচ্ছার মতো একটা শুভ কামনা।

    ক্যাপ্টেন রন বলল, ঠিক আছে। আমরাও তাদের জন্যে একটা বার্তা পাঠাই। তাদেরকে বল, পৃথিবীর মানবজাতির পক্ষ থেকে শুভ কামনা। এই মিলনমেলায়–

    খ্রাউস হঠাৎ বাধা দিয়ে বলল, না।

    ক্যাপ্টেন রন অবাক হয়ে বলল, না? না কেন?

    খ্রাউস অস্থির গলায় বলল, ভালবাসা শুভ কামনার অনেক সময় আছে। একটু পরেও সেটা পাঠানো যাবে। এখন যেটা দরকার সেটা পাঠাও।

    এখন কী দরকার?

    তাদের কাছে একটা বার্তা পাঠিয়ে বল তারা যেন তাদের ডান দিকের লাইটটা জ্বালায়।

    ডানদিক?

    হ্যাঁ।

    কেন ডানদিক?

    তোমাকে সেটা পরে বলছি-আমাদের হাতে এখন সময় নেই। আমরা একে অপরকে স্পর্শ করার আগেই একটা জিনিস জানা দরকার। ডান বলতে তারা কী বোঝায় সেটা জানা দরকার।

    ক্যাপ্টেন রন একটু অধৈর্য হয়ে বলল, কিন্তু আমরা ডান বলতে কী বোঝাই সেটা কি তারা জানে?

    জানে। আমরা পদার্থবিজ্ঞানের তথ্য বিনিময় করেছি। প্যারিটি ভায়োলেশন থেকে সেটা জানা সম্ভব। তারা জানে-আমি সেটা নিশ্চিত করেছি।

    কমিউনিকেশন অফিসার রাটুল ক্যাপ্টেন রনের দিকে তাকিয়ে বলল, কী করব ক্যাপ্টেন?

    ঠিক আছে আগে ব্রাউসের বার্তাটা পাঠাও। বল, তারা যেন তাদের ডান দিকের বাতিটি জ্বালায়।

    রাটুল ক্ষীপ্র হাতে একটা কি-বোর্ডে কথাগুলো লিখে সুপার কম্পিউটারে পাঠাল। সুপার কম্পিউটার সেই তথ্যটি মহাজাগতিক প্রাণীদের উপযোগী করে সাজিয়ে নিয়ে মূল এন্টেনা দিয়ে পাঠিয়ে দেয়।

    কিছুক্ষণের মাঝেই বার্তাটি মহাজাগতিক প্রাণীদের মহাকাশযান গ্রহণ করে। খ্রাউস অত্যন্ত আগ্রহ নিয়ে এবং অন্যেরা খানিকটা কৌতুকভরে এগিয়ে আসা মহাকাশযানটির দিকে তাকিয়ে থাকে। মহাকাশযানটির ডান বা বাম কোনো দিকেই বাতি জ্বলল না, তার বদলে কন্ট্রোল প্যানেলে নূতন একটি বার্তা এসে হাজির হল। সেখানে লেখা, তোমরা কেন ডান দিকে বাতি জ্বালাতে বলছ? আমাদের জ্বালানি সংকট। বাতি জ্বালিয়ে জ্বালানি অপচয় করতে চাই না।

    ক্যাপ্টেন রন খ্রাউসের দিকে তাকিয়ে বলল, খ্রাউস, তোমার কথামতো আমরা চেষ্টা করেছি। তারা এখন তোমার সাথে এই খেলাটি খেলতে চাইছে না!

    খ্রাউস উত্তেজিত মুখে বলল, কিন্তু এই খেলা তাদের খেলতে হবে। খেলতেই হবে– তা না হলে আমরা কিছুতেই তাদের স্পর্শ করতে পারব না! তাদের আবার বল। যেভারে হোক সমস্ত শক্তি সঞ্চয় করে হলেও ডান দিকের একটা বাতি জ্বালাতে হবে! জ্বালাতেই হবে।

    ক্যাপ্টেন রন একটু অবাক হয়ে ব্রাউসের দিকে তাকিয়ে রইল, কোনো একটা অজ্ঞাত কারণে হঠাৎ সে একটু অস্বস্তি অনুভব করতে থাকে। সে কমিউনিকেশন অফিসার রাটুলের দিকে তাকিয়ে বলল, রাটুল আরেকটা বার্তা পাঠাও।

    কী পাঠাব?

    লিখো যেভাবেই হোক তোমাদের ডান দিকের বাতিটি জ্বালাতে হবে। অত্যন্ত জরুরি।

    রাটুল ক্ষীপ্র হাতে বার্তাটি পাঠিয়ে দেয় এবং কিছুক্ষণের মাঝেই একটা উত্তর চলে আসে, আমাদের অত্যন্ত জ্বালানি সংকট কিন্তু তোমাদের অনুরোধে আমরা আমাদের ডান দিকের একটা জিনন ল্যাম্প জ্বালাচ্ছি।

    মহাকাশযানটি তখন এত কাছাকাছি চলে এসেছে যে তার নকশাকাটা দেয়ালটিও স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে। তার গঠনটি এত বিচিত্র যে দেখে মনে হয় এটি বুঝি মহাকাশযান নয়, এটি বুঝি কোনো বিমূর্ত শিল্পীর হাতে গড়া বিশাল একটি ভাস্কর্য।

    খ্রাউস চোখ বড় বড় করে মহাকাশযানটির দিকে তাকিয়ে ছিল, ভেতরকার উত্তেজনা হঠাৎ করে সবাইকে স্পর্শ করেছে। সবাই দেখল ধীরে ধীরে এগিয়ে আসা মহাকাশযানটিতে একটা জিননের নিষ্প্রভ বাতি জ্বলে উঠল। আশ্চর্যের ব্যাপার সেটি মহাকাশযানটির ডান দিকে জ্বলে ওঠে নি সেটি জ্বলে উঠেছে বাম দিকে।

    খ্রাউস মহাকাশযানের চেয়ারের হাতলটি খামচে ধরে চিৎকার করে উঠে বলল, থামাও! থামাও মহাকাশযান। থামাও!।

    ক্যাপ্টেন রন অবাক হয়ে বলল, কী হয়েছে? কেন থামাব?

    খ্রাউস হাত দিয়ে মহাকাশযানটা দেখিয়ে বলল, এটা প্রতি পদার্থের তৈরি।

    ক্যাপ্টেন রন হতচকিতের মতো সামনে তাকিয়ে রইল, সে দেখতে পেল খুব ধীরে ধীরে দুটি মহাকাশযান এগিয়ে আসছে, আর কয়েক সেকেন্ডের ভেতরেই একটা আরেকটাকে স্পর্শ করবে। কোনোভাবেই সে এখন তার মহাকাশযানকে থামাতে পারবে না। দেখে বোঝার কোনো উপায় নেই, সামনের মহাকাশযানটি প্রতি পদার্থের তৈরি। যখন একটি আরেকটিকে স্পর্শ করবে মুহূর্তের মাঝে দুটি মহাকাশযানই ভয়ংকর বিস্ফোরণে অদৃশ্য হয়ে যাবে, থাকবে শুধু অচিন্তনীয় শক্তি।

    মহাকাশযানের সবাই স্থির দৃষ্টিতে সামনে তাকিয়ে রইল। খ্রাউস ভেবেছিল সবাইকে বলবে, সেই বিংশ শতাব্দীতে রিচার্ড ফাইনম্যান কৌতুক করে বলেছিলেন যদি কখনো কোনো মহাজাগতিক মানুষ করমর্দন করার জন্যে ভুল হাত এগিয়ে দেয় তার সাথে করমর্দন কোরো না–সেই মানুষ সম্ভবত প্রতি পদার্থে তৈরি। কিন্তু কেউ খ্রাউসের সেই গলাটি শুনতে আগ্রহী হয় নি। পদার্থের বেলায় যেটি ডান দিক প্রতি পদার্থের বেলায় সেই ডান দিক উল্টো দিকে।

    মহাকাশে পদার্থ ও প্রতি পদার্থের তৈরি দুটো মহাকাশযানের সংস্পর্শে বিস্ফোরণের কারণে যে শক্তির সৃষ্টি হয়েছিল সেটি কয়েক আলোকবর্ষ দূর থেকে দেখা গিয়েছিল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleভূত সমগ্র – মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    Next Article নাট বল্টু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    Related Articles

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    ছোটগল্প – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সাদাসিধে কথা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মেকু কাহিনী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    আমার বন্ধু রাশেদ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ১ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    টুনটুনি ও ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }