Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সায়েন্স ফিকশন সমগ্র ৫ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল এক পাতা গল্প1035 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৭. নিকি বাইভার্বালের বাক্সের ভেতর

    নিকি বাইভার্বালের বাক্সের ভেতর থেকে গুড়ি মেরে ফের হয়ে এলো। চারপাশে বড় বড় গাছ, তার মাঝে একটি হ্রদ। হ্রদের অন্যপাশে দূরে একটি উঁচু বিল্ডিং। বিল্ডিংয়ের চারপাশে উঁচু পাথরের দেওয়াল। নিকি জিজ্ঞেস করল, আমরা কোথায় এসেছি ক্রিনিটি?

    ক্রিনিটি বলল, এটি ইস্পানা নগর।

    যেখানে আরেকজন মানুষের বাচ্চা আছে?

    হ্যাঁ।

    কোথায় আছে মানুষের বাচ্চাটি?

    ঐ যে বিল্ডিংটা দেখছ, সেখানে!

    সত্যি?

    হ্যাঁ। এই বিল্ডিংটি হচ্ছে জাতীয় গবেষণাগার।

    নিকি বাইভার্বাল থেকে নেমে দূরে বিল্ডিংটির দিকে তাকিয়ে রইল। একটু পরে জিজ্ঞেস করল, আমরা বিল্ডিং-এর ভেতর কখন যাব?

    ক্রিনিটি তার কপোট্রনে একধরনের চাপ অনুভব করে। সে চাপটি কমে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করে বলল, সেটি এখনো ঠিক করা হয় নি।

    কেন ঠিক করা হয় নি।

    তার কারণ রোবটরা যদি তোমাকে দেখে তাহলে তোমাকে ধরে ফেলবে। কখনো বের হতে দেবে না। তাই ভেতরে যদি যেতে হয় তাহলে আমাদের যেতে হবে গোপনে।

    গোপনে?

    হ্যাঁ। এমনভাবে যেতে হবে যেন কেউ জানতে না পারে।

    সেটি কেমন করে হবে?

    ক্রিনিটি বলল, আমি এখনও জানি না। আমাদের এই জাতীয় গবেষণাগার নিয়ে প্রথমে সব রকম তথ্য সংগ্রহ করতে হবে।

    কেমন করে কবে?

    সেটি এখনো জানি না।

    যখন তুমি সবরকম তথ্য সংগ্রহ করবে, তখন তুমি কী করবে ক্রিনিটি?

    আমি সেটি এখনো জানি না।

    নিকি এবারে খুক খুক করে একটু হাসল। ক্রিনিটি জিজ্ঞেস করল, তুমি কেন হাসছ?

    আমি তোমাকে যেটিই জিজ্ঞেস করি তুমি তার উত্তরে বল আমি সেটি এখনো জানি না?

    ক্রিনিটি বলল, কোনো কিছু না জানার মাঝে হাস্যকর কিছু নেই। তোমাকে নিয়ে আমি কোনো ঝুঁকি নিতে চাই না।

    আমার খুব ভেতরে গিয়ে মানুষের বাচ্চাটিকে দেখতে ইচ্ছে করছে।

    কিন্তু তোমাকে তার জন্যে অপেক্ষা করতে হবে।

    আমার অপেক্ষা করতে ইচ্ছে করছে না।

    ক্রিনিটি নিকির দিকে তাকিয়ে বলল, তার পরেও তোমাকে অপেক্ষা করতে হবে। তুমি নিশ্চয়ই লক্ষ করেছ আমি বাইভার্বালটিকে এই বনের মাঝে নামিয়েছি। কেউ যেন আমাদের দেখতে না পারে সেজন্যে। তুমি এই মুহূর্তে বাইরে খোলা জায়গায় বের হয়ো না।

    কেন ক্রিনিটি?

    খোলা জায়গায় বের হলে তোমাকে দেখে ফেলতে পারে।

    ও।

    বিল্ডিংটায় চারপাশে দেওয়ালের ওপরে ইলেকট্রিক তার লাগানো আছে। কেউ যেন দেওয়াল টপকাতে না পারে সেজন্যে।

    নিকি মাথা নাড়ল, ধলল, ও।

    আমি নিশ্চিত সেখানে লেজার লাইট আছে। নিরাপত্তার ব্যবস্থা আছে। কোনোকিছু স্পর্শ করলেই এলার্ম বেজে উঠবে।

    নিকি এবারে জোরে জোরে মাথা নাড়ল, রোবনগরীতে একটি বাইভার্বাল শুধুমাত্র ছোঁয়ার সাথে সাথে কী বিকট স্বরে এলার্ম বেজে উঠেছিল সেটি তার এখনো মনে আছে।

    ক্রিনিটি বলল, আমি ইতোমধ্যে আমার নেটওয়ার্ক চালু করেছি। রোবটদের কথাবার্তা শোনার চেষ্টা করছি। ভেতরের ম্যাপটা পেয়ে গেলে বুঝতে পারব। মানবশিশু কোথায় থাকে সেটিও অনুমান করতে হবে।

    আমি তাহলে কী করব?

    তুমিও বিষয়টি নিয়ে চিন্তা করো। আমরা রোবটেরা শুধুমাত্র যুক্তিপূর্ণ সমাধান বের করি। মানুষ মাঝে মাঝে অযৌক্তিক এবং অবাস্তব সমাধান বের করে ফেলে।

    নিকি গম্ভীর মুখে মাথা নাড়ল, বলল, ঠিক আছে।।

    ক্রিনিটি সারাদিন নানাধরনের যন্ত্রপাতি নিয়ে ব্যস্ত থাকল। নিকি প্রথমে কিছুক্ষণ তার পাশে থেকে সে কী করছে বোঝার চেষ্টা করল কিন্তু কিছুক্ষণের মাঝেই উৎসাহ হারিয়ে ফেলল। তখন সে বনের ভেতর ইতস্তত ঘুরতে শুরু করে। পৃথিবীর সব মানুষ মরে গিয়েছে কিন্তু অন্যসব প্রাণী, পোকামাকড়, পাখি, সরীসৃপ সবকিছু বেঁচে আছে। তাদের খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখতে নিকির খুব ভালো লাগে। সে অনেকক্ষণ একটি গুবরে পোকাকে মাটির ভেতর ঢুকে যেতে দেখল। একটি ছোট মাকড়শাকে খুব ধৈর্য ধরে একটি জাল তৈরি করতে। দেখল। একটি প্রজাপতির পেছনে পেছনে সে অনেকক্ষণ হেঁটে হেঁটে ঘুরে বেড়াল। তারপর সে ধবধবে সাদা পুতুলের মতো একটি খরগোশের বাচ্চাকে দেখে তার সাথে ভাব করার চেষ্টা করল।

    খরগোশের বাচ্চাটি সতর্ক দৃষ্টিতে নিকিকে লক্ষ করে, তাকে পুরোপুরি বিশ্বাস করতে পারবে কিনা সেটি বুঝতে পারছিল না বলে একটু কাছাকাছি যেতেই ছোট ছোট কয়েকটি লাফ দিয়ে সেটি একটু দূরে সরে যাচ্ছিল। খরগোশটার পিছু পিছু নিকি অনেকদূর চলে এল, হঠাৎ করে আবিষ্কার করল সামনে টলটলে পানি। সে একটি খোলা জায়গায় দাঁড়িয়ে আছে, সামনে একটি হ্রদ হ্রদের উপর দিয়ে খাড়া দেওয়াল উপরে উঠে গেছে। ক্রিনিটি বলেছিল সে যেন খোলা জায়গায় না যায়, খরগোশের পিছু পিছু সে ঠিক খোলা জায়গায় চলে এসেছে।

    নিকি কী করবে বুঝতে পারল না। ক্রিনিটি তাকে খোলা জায়গায় আসতে নিষেধ করেছে সত্যি কিন্তু আবার তাকে ভেতরে ঢোকার বিষয়টি নিয়ে চিন্তাও করতে বলেছে। কাজেই বিল্ডিং ঘিরে তৈরি করা উঁচু দেওয়ালটার এতো কাছাকাছি যখন চলেই এসেছে তখন আরেকটু কাছে গিয়ে দেওয়ালটা ভালো করে দেখে আসা মনে হয় খুব অন্যায় হবে না।

    নিকি তখন হ্রদের তীর ঘেষে দেওয়ালটার দিকে ছুটে যেতে থাকে। দেওয়ালটার কাছাকাছি এসে সে থেমে গেল। সতর্কভাবে এদিক সেদিক তাকিয়ে দেখল তাকে কেউ দেখে ফেলেছে কিনা। কেউ তাকে দেখে নি, চারপাশে একধরনের সুনসান নীরবতা।

    নিকি দেয়ালটা হাত দিয়ে ছুঁয়ে দেখল, শক্ত পাথরের উঁচু দেয়াল। উপরে ধাতব জাল দিয়ে ঘেরা, ক্রিনিটি বলেছে কেউ যেন সেদিক দিয়ে যেতে না পারে সেজন্যে সেখানে উঁচু ভোল্টেজের বিদ্যুৎ রয়েছে। নিকি দেয়ালটা স্পর্শ করে হ্রদের দিকে এগিয়ে গেল। টলটলে হ্রদের পানিতে দেয়ালটা ড়ুবে। রয়েছে। নিকি সেদিক দিয়ে তাকিয়ে থাকে, মাঝখানে হ্রদের পানি যেখানে। গভীর সেখানে দেয়ালটাও কী অনেক গভীর থেকে শুরু হয়েছে?

    নিকি কিছুক্ষণ দেয়ালটার দিকে তাকিয়ে থাকে, দেয়ালের ওপর দিয়ে কেউ যেতে পারবে না, কিন্তু নীচে দিয়ে কী যাওয়া যাবে না? এমনকি হতে পারে হ্রদের পানির যেখানে দেয়ালটা উঠে এসেছে সেখানে বড় বড় গর্ত রয়েছে? কেউ ইচ্ছে করলে সেদিক দিয়ে ঢুকে যেতে পারবে? নিকি নিজে নিজে বিষয়টা চিন্তা করে, তারপর বড় মানুষের মতো গম্ভীর হয়ে মাথা নাড়ল। ক্রিনিটিকে বলতে হবে কোনো একটি যন্ত্র দিয়ে হদের নিচে পরীক্ষা করে দেখতে। ক্রিনিটিকে সে কখনো পানিতে নামাতে পারে নি। রোবটের ধাতব দেহ নাকি পানিতে ভেসে থাকতে পারে না শুধু তাই না সার্কিটে পানি ঢুকে গেলে নাকি অনেক বড় সমস্যা হয় তাই কেউ পানির কাছে আসতে চায় না।

    নিকি হ্রদের তীর ধরে একটি দৌড় দিতে গিয়ে থেমে গেল। ইচ্ছে করলে সে নিজেই তো হ্রদের পানিতে ড়ুব দিয়ে নিচে নেমে দেখতে পারেন, ক্রিনিটির যন্ত্রপাতির জন্যে অপেক্ষা করে থাকতে না। নিকি দুই এক মুহূর্ত ভাবল, তারপর হলের পানিতে নেমে এলো।

    হ্রদের কনকনে ঠাণ্ডা পানিতে তার শরীরটি কাটা দিয়ে ওঠে, নিকি এক লাফে পানি থেকে উঠে আসতে চাইছিল কিন্তু সে উঠে এলো না। নিকি জানে পানিতে নামলে সবসময় প্রথমে শরীর কাটা দিয়ে ওঠে, একটু পর শরীর সেও ঠাণ্ডায় অভ্যস্ত হয়ে যায়। নিকি দাঁতে দাঁত চেপে আরো গভীর পানিতে নামতে থাকে। পায়ের নিচে শ্যাওলা ঢাকা পিচ্ছিল নুড়িপাথর। নিকি সাবধানে দেয়ালটা ধরে আরো গভীরে নেমে যায়। নিকি জানে ধীরে ধীরে শীতল পানিতে নামা থেকে এক ঝটকায় নেমে পড়া সহজ। তাই সে আর দেরি না। করে মাথা নিচু করে পানিতে ড়ুবে যায়। তীক্ষ্ণ কনকনে শীতে তার সারা শরীর শিউরে ওঠে। নিকি সেটা সহ্য করে নিঃশ্বাস বন্ধ করে পানির নিচে নেমে যেতে থাকে। দেয়ালটি স্পর্শ করে দেখে, শ্যাওলা ঢাকা পিচ্ছিল দেয়ালটি বৈচিত্র্যহীন। পানির নীচে সবকিছুকেই ঝাঁপসা দেখায়, মনে হয় দেয়ালটি হ্রদের গভীরে নেমে গেছে।

    যতক্ষণ বুকের মাঝে বাতাস আটকে রাখতে পারল নিকি দেয়ালটি পরীক্ষা করে দেখল তারপর ভুস করে ভেসে উঠল। কনকনে ঠাণ্ডা পানিতে তার শরীরটা কাটা দিয়ে উঠছে। নিকি পানি থেকে উঠে পড়তে চাইল কিন্তু কী মনে করে আরো একবার সে পানিতে ড়ুব দেয়। দেয়ালটা স্পর্শ করে আরো গভীরে নেমে পড়ে। নিচে অন্ধকার ভালো করে কিছু দেখা যায় না-হাত বুলাতে বুলাতে হঠাৎ সে একটি ফাঁকা জায়গা আবিষ্কার করে নিকির মনে হয় দেয়ালটার মাঝখানে একটি গর্ত। নিকি গর্তটা ভালো করে পরীক্ষা করতে পারল না তার আগেই তার নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে আসে। নিকি ভূঁস করে আবার। উপরে উঠে আসে। বড় করে একটি নিঃশ্বাস নিয়ে আবার সে ড়ুব দিল, দ্রুত নিচে নেমে এসে সে গর্তটি পরীক্ষা করে, ছোট একটি গর্ত দেয়ালের অন্যপাশে চলে গেছে, নিকি ভেতর দিয়ে যেতে পারবে কিনা পরীক্ষা করার জন্যে তার মাথাটা ঢোকালো, চওড়া দেয়ালের অন্যপাশে মাথাটা বের করে সে উপরে তাকায় পানির নীচে সবকিছু আবছা দেখায় তার মাঝে সে ফাঁকা একটা জায়গা দেখতে পেল। ইচ্ছে করলেই সে এখন দেয়ালে ঘেরা জাতীয় গবেষণাগারের এলাকার ভেতরে ভেসে উঠতে পারে।

    নিকি ভেসে ওঠার চেষ্টা করল না, সেখানে কী আছে সে জানে না, হঠাৎ করে এদিকে ভেসে উঠলে বিপদে পড়ে যেতে পারে। নিকি আবার পিছন দিকে ফিরে যেতে গিয়ে আবিষ্কার করল সে ছোট গর্তটার মাঝে আটকে গিয়েছে, বের হতে পারছে না। হঠাৎ করে সে আতঙ্ক অনুভব করে, প্রাণপণে সে নিজেকে ছোটানোর চেষ্টা করল, কী করছে বুঝতে না পেরেই সে ছটফট করে সামনের দিকেই বের হয়ে এল। অল্প একটু বাতাসের জন্যে তার বুকটা ফেটে যাচ্ছিল, নিকি দুই পা দিয়ে দেয়ালটা ধাক্কা দিয়ে উপরে ভেসে উঠে, তারপর বুক ভরে কয়েকবার নিঃশ্বাস নেয়।

    নিকি এবার ভয়ে ভয়ে চারদিকে তাকাল, বুকের ভেতর হৃৎপিণ্ডটা ধ্বক ধ্বক করে শব্দ করছে। খানিকক্ষণ চেষ্টা করে সে নিজেকে একটু শান্ত করল। দূরে জাতীয় গবেষণাগারের বিল্ডিংটি দেখা যাচ্ছে। ভেতরে বড় একটি খোলা জায়গা সেখানে ছোট বড় অনেকগুলো গাছ। নিকি চারদিকে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখে, কোথাও অস্ত্র হাতে কোনো রোবট পাড়িয়ে নেই। সে বুকের ভেতর আটকে থাকা নিঃশ্বাসটা বের করে দিয়ে দেওয়ালটা ধরে পানিতে ভেসে থাকে। তার এই মুহূর্তে বের হয়ে যাওয়া উচিৎ কিন্তু নিকি বের হল না, বিস্ময় নিয়ে সে এদিক-সেদিক তাকাল, তারপর ভেসে ভেসে তীরে উঠে এল। পানি থেকে বের হয়ে হেঁটে হেঁটেই সে খানিকদূর এগিয়ে যায়। একটি গাছের আড়ালে নিজেকে লুকিয়ে রেখে সে জাতীয় গবেষণাগারের বিল্ডিংটি খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখতে থাকে। ক্রিনিটির কথা যদি সত্যি হয় তাহলে এখানে ঠিক তার মতো একজন মানব শিশু আছে। সেই মানবশিশুটির সাথে কী তার দেখা হবে? যদি সত্যি দেখা হয় তাহলে দুজন কী নিয়ে কথা বলবে?

    ঠিক এরকম সময় তার পেছন থেকে কে যেন খুব স্পষ্ট গলায় জিজ্ঞেস করল, তুমি কে?

    নিকি পাথরের মতো জমে গেল, প্রথমে মনে হলো সে এক ছুটে পানিতে গিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়বে কিন্তু সে তা করল না। খুব ধীরে ধীরে মাথা ঘুরিয়ে পেছন দিকে তাকাল, দেখল তার পেছনে কয়েক হাত দূরে একজন দাঁড়িয়ে আছে। যে দাঁড়িয়ে আছে সে রোবট নয়, সে তার মতো মানুষ। তার থেকে একটু বড়, চুলগুলো লম্বা এবং কুচকুচে কালো। শরীরে হালকা সবুজ রঙের একটি কাপড়।

    মানুষটি আবার জিজ্ঞেস করল, তুমি কে? গলার স্বরটি ভারী সুন্দর। শুনলে আরো শুনতে ইচ্ছে করে।

    নিকি কাঁপা গলায় বলল, আমি নিকি।

    নিকি?

    হ্যাঁ।

    তুমি কি রোবট?

    নিকি মাথা নাড়ল, বলল, না। আমি রোবট না।

    তুমি তাহলে কী?

    আমি মানবশিশু।

    নিকি দেখল তার মতো দেখতে মানুষটির মুখে একধরনের হাসি ফুটে ওঠে, হাসি হাসি মুখে বলল, মিথ্যে কথা বল না। পৃথিবীতে কোনো মানুষ নেই। সব মানুষ মরে গেছে।

    নিকি বলল, তাহলে তুমি কেমন করে বেঁচে আছ।

    সেটি কেউ জানে না। আমি কিভাবে কিভাবে জানি বেঁচে গেছি।

    তুমি যেরকম কিভাবে কিভাবে বেঁচে গেছ আমিও সেরকম কিভাবে কীভাবে বেঁচে গেছি।

    ছোট মানুষটি জিজ্ঞেস করল, সত্যি?

    সত্যি।

    পৃথিবীতে শুধু সত্যিকারের মানুষেরা হাসতে পারে। তুমি কী হাসতে পার?

    পারি।

    হাস দেখি।

    নিকি গম্ভীর মুখে বলল, এমনি এমনি কেউ হাসতে পারে না। হাসির কোনো কারণ ঘটলে মানুষ হাসতে পারে।

    নিকি থেকে একটু বড় আর ঘাড় পর্যন্ত নেমে আসা কালো চুলের ছোট মানুষটি মাথা নাড়ল, বলল, তুমি এটি ঠিকই বলেছ। রোবটেরা যখন আমাকে নিয়ে গবেষণা করে তখন মাঝে মাঝে আমাকে বলে তুমি একটু হাস। আমি তাদেরকে বলি মানুষ ইচ্ছে করলেই হাসতে পারে না। তারা আমার কথা। বিশ্বাস করে না।

    নিকি মাথা নাড়ল, বলল, রোবটদের কোনো কোনোদিক দিয়ে অনেক বুদ্ধি আবার কোনো কোনোদিক দিয়ে তারা অনেক বোকা।

    মানুষটি কিছুক্ষণ তার দিকে তাকিয়ে রইল, তারপর বলল, তুমি সত্যি। সত্যি একজন মানুষ?

    হ্যাঁ।

    কী আশ্চর্য! তুমি একজন মানুষ আবার আমি একজন মানুষ। কিভাবে কিভাবে আমাদের দেখা হয়ে গেল। তাই না?

    নিকি বলল, মোটেও কিভাবে কিভাবে আমাদের দেখা হয় নি। তোমাকে খুঁজে বের করতে আমাদের অনেক কষ্ট করতে হয়েছে।

    মানুষটি অবাক হয়ে বলল, তোমরা আমাকে খুঁজে বের করেছ?

    আমি আর ক্রিনিটি।

    ক্রিনিটি কে?

    ক্রিনিটি আমাকে দেখে শুনে রাখে। একটি রোবট—আমার বন্ধু। সে। আমাকে খুব ভালোবাসে।

    ছোট মানুষটি না সূচক ভাবে মাথা নাড়ল, বলল, রোবট কাউকে ভালোবাসতে পারে না। ভালোবাসার জন্যে হরমোন দরকার হয়। রোবটদের। কোনো হরমোন নেই। শুধু মানুষের হরমোন আছে।

    তুমি কেমন করে জান?

    আমি জানি। আমি পড়েছি। ছেলেদের একরকম হরমোন মেয়েদের অন্যরকম। ছোট মানুষটি এবারে তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে নিকিকে লক্ষ করল তারপর জিজ্ঞেস করল, তুমি ছেলে না মেয়ে?

    আমি ছেলে। তুমি?

    আমি মেয়ে। আমার বয়স এগারো। তোমার বয়স কতো?

    নিকি বলল, আমার বয়স সাত।

    এগারো বছরের মেয়েটি বলল, তুমি যখন বড় হবে তখন আমি আর তুমি বিয়ে করতে পারি। তখন আমাদের ছেলেমেয়ে হবে।

    বিয়ে কেমন করে হয়?

    সেটি আমি এখনো জানি না। আমি বিয়ে করার জন্যে একটি ছেলে পাব কখনো ভাবি নি তাই সেটি নিয়ে পড়াশোনা করি নি।

    ও।

    মেয়েটি কিছুক্ষণ নিকির দিকে তাকিয়ে থেকে বলল, তুমি কী আমাকে বিয়ে করবে?

    যদি পৃথিবীতে তুমি আর আমি ছাড়া আর কেউ না থাকে তাহলে তো করতেই হবে।

    মেয়েটি মাথা নাড়ল, বলল, তাহলে অনেক মজা হবে। তুমি আর আমি এখানে থাকতে পারব।

    নিকি মাথা নাড়ল, বলল, আমি এখানে থাকতে চাই না।

    কেন?

    আমি এই জায়গাটা চিনি না।

    কয়েকদিন থাকলেই তুমি চিনে নেবে।

    এখানে রোবটরা আমাকে নিয়ে গবেষণা করবে। আমার সেটি ভালো লাগে না।

    মেয়েটি মাথা নাড়ল, বলল, সেটি মোটেও খারাপ না। রোবটেরা আমাকে নিয়ে গবেষণা করে, আমি জানি। মাঝে মাঝে আমি ইচ্ছে করে ভুল কথা বলে দিই তখন তাদের কপোট্রন উল্টাপাল্টা হয়ে যায়। খুব মজা হয়। তখন।

    নিকি চারদিকে তাকিয়ে বলল, কিন্তু এটির চারদিকে দেয়াল। আমি দেয়াল দিয়ে ঘিরে থাকা জায়গায় থাকতে পারব না। আমার নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে আসবে।

    নিকির কথা শুনে মনে হলো মেয়েটি একটু অবাক হল। বলল, কেন, নিঃশ্বাস কেন বন্ধ হবে? দেয়াল দিয়ে ঘেরা বলে জায়গাটা খুব নিরাপদ। বন্য পশু আসতে পারে না। কপোট্রন বিগড়ে গেছে এরকম রোবটও আসতে পারে না।

    নিকি বলল, সেটি আমি জানি না। কিন্তু খোলা জায়গায় থাকলে অনেক মজা। যেখানে খুশি যাওয়া যায়। যা খুশি করা যায়।

    যদি কোনো বিপদ হয়?

    হলে হবে।

    মেয়েটি কেমন যেন বিভ্রান্তির মাঝে পড়ে গেল। বলল, কিন্তু এখানে থাকলে কোনো বিপদ নেই। কোনো কিছু নিয়ে তোমাকে চিন্তা করতে হবে না। তোমাকে খেতে দেবে। তোমাকে বই পড়তে দেবে। আনন্দ করতে দেবে। যদি তোমার অসুখ হয় তাহলে চিকিৎসা করবে।

    নিকি মাথা নাড়ল, বলল, কিন্তু এর মাঝে কোনো আনন্দ নেই।

    তাহলে তুমি কী করতে চাও?।

    তুমি আমার সাথে চল, আমরা দুজন মিলে থাকব। আমি যেখানে থাকি সেটি খুব সুন্দর জায়গা। খুব ভালো জায়গা। সেখানে কিকি আছে, মিক্কু আছে আরো অনেকে আছে। আমরা তাদের সঙ্গে খেলব। আনন্দ করব।

    কিকি কে? মিক্কু কে?

    কিকি হচ্ছে পাখি। আর মিক্কু বানর।

    তুমি বনের পশুপাখির সাথে খেল? তারা তোমাকে আক্রমণ করে না?

    নিকি খুক করে হেসে ফেলল, বলল, কেন, বনের পশু আমাকে আক্রমণ করবে? বনের পশুরা আমার বন্ধু। তারা কখনো আমাকে আক্রমণ করে না।

    মেয়েটি খুব অবাক হয়ে নিকির দিকে তাকিয়ে রইল। ইতস্ততঃ করে। বলল, বন্ধু, বনের পশুরা তোমার বন্ধু?

    হ্যাঁ।

    তাহলে আমাকে যে সবাই বলেছে বাইরের পৃথিবীতে আমার নিরাপদে থাকার কোনো উপায় নেই?

    মিথ্যে কথা।

    ঠিক এরকম সময় দূর থেকে ঘণ্টা বাজার মতো একটি শব্দ হলো। মেয়েটি তখন বলল, ঐ যে ঘণ্টা বাজছে।

    কিসের ঘণ্টা?

    আমার ফিরে যাবার ঘণ্টা। এখন আমার ফিরে গিয়ে বিশ্রাম নিতে হবে। তারপর বিকেলের নাস্তা খেয়ে লেখাপড়া করতে হবে।

    নিকি একটু অবাক হয়ে তাকিয়ে বলল, ও।

    তুমি কী আমার সাথে যাবে? আমার মনে হয় তোমাকে পেলে রোবটরা খুশি হবে।

    নিকি মাথা নাড়ল। বলল, না, আমি যাব না।

    তাহলে আমি যাই। আমার যেতে দেরি হলে–মেয়েটি থেমে গেল।

    তোমার যেতে দেরি হলে কী হবে?

    মেয়েটির মুখটি কেমন যেন ম্লান হয়ে যায়, সেখানে কেমন যেন ভয়ের ছাপ পড়ে। সে মাথা নেড়ে বলল, না। কিছু না।

    মেয়েটি বলল, আমি এখন যাই?

    নিকি মাথা নাড়ল, বলল, যাও।

    মেয়েটি যখন মাথা নীচু করে হেঁটে হেঁটে চলে যাচ্ছিল তখন সেদিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে নিকির মনে হলো এই মেয়েটি আসলে খুব দুঃখি একটি মেয়ে। কেন মেয়েটা দুঃখি সেটি সে বুঝতে পারল না কিন্তু অকারণে তার মনটাও কেমন জানি দুঃখ দুঃখ হয়ে গেল।

    নিকি অন্যমনস্কভাবে হ্রদের দিকে এগিয়ে যেতে থাকে—তখন হঠাৎ তার মনে হলো মেয়েটিকে তার নাম জিজ্ঞেস করা হয় নি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleভূত সমগ্র – মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    Next Article নাট বল্টু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    Related Articles

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    ছোটগল্প – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সাদাসিধে কথা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মেকু কাহিনী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    আমার বন্ধু রাশেদ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ১ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    টুনটুনি ও ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }