Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সায়েন্স ফিকশন সমগ্র ৫ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল এক পাতা গল্প1035 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১০. ভোরবেলা নিকি আর ত্রিপি

    ভোরবেলা নিকি আর ত্রিপি খুব ব্যস্তভাবে বের হয়ে যাচ্ছিল, অনেকগুলো টারমিনালের সামনে ক্রিনিটিকে বসে থাকতে দেখে তারা থেমে গেল। নিকি জিজ্ঞেস করল, ক্রিনিটি তুমি কী করছ?

    নেটওয়ার্কে যে সব তথ্য ব্রডকাস্ট করা হচ্ছে সেগুলো দেখছি।

    ত্রিপি বলল, এই কাজটার মাঝে কোনো আনন্দ নেই, তাই না?

    ক্রিনিটি মনিটরের উপর থেকে চোখ না তুলে বলল, আমার মাঝে আনন্দ অনুভব করার কোনো ক্ষমতা নেই, তাই আমি জানি না।

    আমাদের সাথে চল, আজকে আমরা অনেক মজা করব।

    ক্রিনিটি এবারে চোখ তুলে তাকাল, তারপর বলল,  তোমরা কী মজা করবে?

    আমরা একটা ভেলা তৈরি করব, তারপর হ্রদের মাঝে সেই ভেলা ভাসাব।

    আমার যদি দুশ্চিন্তা করার ক্ষমতা থাকতো তাহলে এখন নিশ্চয়ই তোমাদের ভেলা নিয়ে দুশ্চিন্তা করতাম।

    ত্রিপি হি হি করে হাসল, বলল, এটা খুব ভালো যে তুমি দুশ্চিন্তা করতে পার না।

    নিকি বলল, তুমি চল আমাদের সাথে। আমরা কী করি দেখবে।

    তোমরা কী করে সেটা দেখার জন্যে আমায় তোমাদের সাথে যেতে হয়। না। তোমাদের গলায় যে মাদুলি ঝুলিয়ে রেখেছি সেগুলো পঞ্চম প্রজন্মের ট্রাকিওশান। সেগুলো দিয়ে আমি যেখানে ইচ্ছে সেখানে বসে তোমাদের ওপর নজর রাখতে পারি।

    ত্রিপি বলল, কিন্তু আমরা তো তোমার ওপর নজর রাখতে পারি না। তুমি আমাদের সাথে চল, তাহলে আমরাও তোমার ওপর নজর রাখতে পারব।

    ক্রিনিটি বলল, আমি এখন যেতে চাই না। নেটওয়ার্কে আমি একটা তথ্যকে ব্রডকাস্ট হতে দেখছি। তথ্যটা সত্যি হলে গুরুত্বপূর্ণ। আমি তথ্যটাকে বিশ্লেষণ করতে চাই।

    এটি কী তথ্য?

    আমি তথ্যটা সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত হতে পারছি না তাই এই মুহূর্তে তোমাদের কিছু বলছি না। যখন নিশ্চিত হব তখন তোমাদের বলব।

    ঠিক আছে। বলে নিকি আর ত্রিপি বের হয়ে গেল। তারা আজ খুব ব্যস্ত।

     

    রাত্রিবেলা খেতে বসে নিকি বলল, ক্রিনিটি আজকে আমার যে খিদে পেয়েছে যে, মনে হচ্ছে আস্ত একটা ঘোড়া খেয়ে ফেলব।

    ক্রিনিটি বলল, তুমি কখনো ঘোড়া দেখ নি। তাই একটা আস্ত ঘোড়া খেয়ে ফেলার অর্থ কী তোমার জানার কথা নয়।

    নিকি বলল, আমি প্রাচীন সাহিত্যে দেখেছি, সেখানকার চরিত্রগুলো বেশি খিদে লাগলে বলে আমি আস্ত ঘোড়া খেয়ে ফেল।

    ক্রিনিটি বলল, এটি একটি অযৌক্তিক কথা। একজন মানুষ কখনোই একটা আস্ত ঘোড়া খেতে পারবে না।

    না পারলে নাই। কিন্তু আমি বলব। বলতে খুব মজা হয়।

    ত্রিপি খেতে খেতে ছোট একটা বিষম খেল, এক ঢোক পানি খেয়ে ক্রিনিটির দিকে তাকিয়ে রলল, তুমি সকালে বলেছিলে যে তুমি একটা খুব গুরুত্বপূর্ণ কিছু দেখেছ। সেটা কী আমাদের বলবে?

    হ্যাঁ বলব।

    বল।

    আমার মনে হয় তোমরা খাওয়া শেষ করে আমার কাছে আস। আমি মনিটরে সরাসরি দেখাই, তোমরা তাহলে বিষয়টা ভালো বুঝতে পারবে।

    দুজনেই তাড়াতাড়ি খেয়ে ক্রিনিটির সাথে মনিটরের সামনে গিয়ে বসে। ক্রিনিটি কয়েকটা সুইচ স্পর্শ করতেই হলোগ্রাফিক স্ক্রিনে একটা ত্রিমাত্রিক ছবি ভেসে ওঠে। সাথে নীচু স্বরে একটি কোমল সুর। ক্রিনিটি বলল, এই নির্দিষ্ট চ্যানেলে কিছুক্ষণ পরপর একটা বক্তব্য প্রচার করা হচ্ছে?

    কে প্রচার করছে?

    একজন মানুষ।

    মানুষ? নির্কি ও ত্রিপি দুজনে একসাথে চমকে চিৎকার করে ওঠে।

    হ্যাঁ, আপাতদৃষ্টিতে মনে হচ্ছে একজন মানুষ।

    কী বলছে মানুষটি?

    তোমরা এক্ষুণি নিজেরাই সেটা শুনতে পাবে।

    নিকি দুই হাত উপরে তুলে মাথা ঝাঁকিয়ে বলল, তুমি এতো বড় একটা খবর আমাকে এতো পরে দিচ্ছ?

    পুরোপুরি নিশ্চিত না হয়ে আমি খবরটি তোমাদের দিতে চাচ্ছিলাম না। যদি এটি কোনো একটি রোবটের ষড়যন্ত্র হয়?

    রোবটের ষড়যন্ত্র? নিকি অবাক হয়ে বলল, রোবটের ষড়যন্ত্র?

    হ্যাঁ। সে জন্যে আমাকে নিশ্চিত হতে হয়েছে যে এটি কোনো রোবট নয়।

    তুমি কিভাবে নিশ্চিত হচ্ছ? কী বলেছে মানুষটা?

    ক্রিনিটি উত্তর দেবার আগেই ত্রিপি জিজ্ঞেস করল, মানুষটা কতো বড়? কী বলেছে মানুষটা?

    ছেলে না মেয়ে? কোথায় থাকে?

    নিকি এবং ত্রিপির আরো প্রশ্ন ছিল কিন্তু ঠিক তখন হলোগ্রাফিক স্ক্রিনটা এক মুহূর্তের জন্যে অন্ধকার হয়ে আবার আলোকিত হয়ে ওঠে এবং কিছু বোঝার আগেই তারা দেখতে পেল ঠিক তাদের সামনে একটা মানুষ দাঁড়িয়ে আছে। মানুষটি হলোগ্রাফিক স্ক্রিনের একটা ত্রিমাত্রিক প্রতিচ্ছবি কিন্তু সেটি এতো জীবন্ত যে নিকি এবং ত্রিপির নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে আসে।

    মানুষটির সোনালি চুল এবং নীল চোখ। নিকি আর ত্রিপি আগে সত্যিকারের মানুষ দেখে নি, তারপরও তারা বুঝতে পারল মানুষটি খুব সুদর্শন। মানুষটি চারদিক একবার মাথা ঘুরিয়ে দেখল, তারপর ভরাট গলায় বলল, আমার নাম। ফ্লিকাস। আমি একজন মানুষ আমার বয়স চৌত্রিশ। ভয়ঙ্কর ভাইরাস আক্রমণে। পৃথিবীর সব মানুষ মারা গিয়েছে কিন্তু প্রকৃতির কোনো এক বিচিত্র খেয়ালে আমি মারা যাই নি। আমি বেঁচে গিয়েছি, যেহেতু আমি বেঁচে গিয়েছি আমি মোটামুটিভাবে নিশ্চিত আমার মতো আরও কিছু মানুষ বেঁচে গিয়েছে। তাদের সংখ্যা হয়তো খুবই কম, কিন্তু তারা নিশ্চয়ই আছে।

    মানুষটি একটি নিঃশ্বাস নেয় এবং হঠাৎ করে তার মুখে বিষাদের ছায়া পড়ে। সে নীচু গলায় বলে, আমি ভেবেছিলাম যারা বেঁচে আছে তারা নিশ্চয়ই আমাদের খুঁজে বের করবে, আমি সেজন্যে অপেক্ষা করছিলাম কিন্তু কেউ আমাদের খুঁজে বের করতে এলো না। তখন আমার মনে হলো তাহলে সত্যিই কী সারা পৃথিবীতে শুধু আমি একা বেঁচে আছি? আর কেউ বেঁচে নেই? কেউ বেঁচে নেই?

    তখন আমি ঠিক করেছি যে আমি নিজেই সারা পৃথিবী ঘুরে ঘুরে খুঁজব। খুঁজে দেখব আর কোথাও বেঁচে থাকা মানুষকে খুঁজে পাই কি-না। আমি প্রযুক্তির মানুষ নই। নিবিড় একটি গ্রামের একটি কফি হাউজে আমি গান গাইতাম, প্রযুক্তির কিছু আমি জানি না। তারপরেও আমি একটু একটু করে শিখেছি, পৃথিবীর পরিত্যক্ত নেটওয়ার্কে প্রবেশ করেছি এবং সারা পৃথিবীতে এই তথ্যটি ব্রডকাস্ট করছি।

    যদি কোনো মানুষ এই মুহূর্তে আমার কথাগুলো শুনছে আমি তাকে শুভেচ্ছা জানাই, ভালোবাসা জানাই। ফ্লিকাস হাসি মুখে বলল, আমি তাকে আশ্বস্ত করে বলতে চাই যে পৃথিবীতে আমরা পুরোপুরি একা নই, নিঃসঙ্গ নই। তোমরা পৃথিবীর যে প্রান্তেই থাক আমার সাথে যোগাযোগ করো। আমরা সবাই মিলে আবার নতুন পৃথিবীর জন্ম দেব। মানুষের কলকাকলীতে এই পৃথিবী আবার মুখরিত হয়ে উঠবে।

    হলোগ্রাফিক স্ক্রিন থেকে মানুষের ছবিটি হঠাৎ করে অদৃশ্য হয়ে যায়। নিকি আর ত্রিপি লাফিয়ে উঠে আনন্দে চিৎকার করে ক্রিনিটিকে জড়িয়ে ধরে লাফাতে থাকে। ক্রিনিটি তাদের প্রাথমিক উচ্ছসিটি একটু কমে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করল, তারপর বলল, আশা করছি ফ্লিকাস সত্যিকারের মানুষ, এটি কোনো কাল্পনিক প্রতিচ্ছবি নয়।

    নিকি বলল, কী বলছ ক্রিনিটিঃ ফ্লিকাস কেন কাল্পনিক প্রতিচ্ছবি হবে? তুমি দেখছ না সে আমাদের মতো মানুষ? কী সুন্দর করে হাসতে পারে তুমি দেখ নি?

    ক্রিনিটি বলল, আমি সত্যিকার বা কৃত্রিম কোনো হাসিই বুঝতে পারি না, তাই আমি ফ্লিকাসের বক্তব্যটি টুরিন টেস্ট করেছি।

    সেটি কী?

    কোনো বক্তব্য সত্যিকারের মানুষের না কৃত্রিম রোবটের সেটি বোঝার একটি পরীক্ষা।

    তুমি পরীক্ষা করে কী দেখেছ?

    আমি দেখেছি যে ফ্লিকাস সত্যিকারের মানুষ। কিংবা—

    কিংবা কী?

    মানুষ থেকেও বুদ্ধিমান কোনো প্রাণী।

    ত্রিপি হেসে বলল, মানুষ থেকে বুদ্ধিমান হতে পারে শুধু একটি মাত্র প্রাণী।

    সেটি কী?

    সেটি হচ্ছে আরেকজন মানুষ! বলে ত্রিপি হি হি করে হাসতে থাকে।

    নিকি বুক থেকে আটকে থাকা একটা বড় নিঃশ্বাস বের করে দিয়ে বলল, ক্রিনিটি, আমরা কখন ফ্লিকাসের কাছে যাব?

    তার সাথে আগে যোগাযোগ করে নিই। তারপর রওনা দেব।

    সে কতদূর থাকে ক্রিনিটি?

    বেশ অনেক দূর। আমাদের ভালো একটা বাইভার্বাল দরকার তা না হলে যেতে অনেকদিন লাগবে।

    তুমি তাহলে আরেকটা বাইভার্বাল ঠিক কর ক্রিনিটি।

    করব।

    ঠিক করলেই আমরা যাব।

    ঠিক আছে।

    নিকি ত্রিপির দিকে তাকিয়ে বলল, আমরা যখন যাব তখন আমাদের মতো পৃথিবীর নানা জায়গা থেকে হয়তো আরো অনেক বাচ্চা চলে আসবে।

    হ্যাঁ। নিশ্চয়ই আসবে। রোবটেরা যদি আটকে না রাখে তাহলে নিশ্চয়ই চলে আসবে।

    নিকি ভুরু কুঁচকে বলল, তোমার কী মনে হয় ত্রিপি, রোবটেরা কী সত্যিই আরো বাচ্চাদের আটকে রেখেছে?

    রাখতেও তো পারে। আমাকে যেরকম রেখেছিল।

    তাহলে তো অনেক ঝামেলা হবে। তাই না ত্রিপি?

    হলে হবে। ফ্লিকাস সব ঝামেলা দূর করে দেবে।

    নিকি মাথা দুলিয়ে হাসল, বলল, ঠিকই বলেছ। ফ্লিকাস সব ঝামেলা দূর করে দেবে।

    ত্রিপি বলল, ফ্লিকাস দেখতে কী সুন্দর, তাই না?

    হ্যাঁ।

    আরো যে সব বাচ্চারাও আসবে, তারাও নিশ্চয়ই অনেক সুন্দর হবে, তাই না নিকি?

    নিকি মাথা নাড়ল, তারপর একটু ইতস্তত করে বলল, অন্য বাচ্চারা আরো সুন্দর হোক আর যাই হোক তুমি কিন্তু অন্য কাউকে বিয়ে করতে পারবে না। আমি আর তুমিই কিন্তু বিয়ে করব। ঠিক আছে?

    ত্রিপি গম্ভীরভাবে মাথা নেড়ে বলল, ঠিক আছে।

     

    ক্রিনিটি বাইভার্বালটি ঠিক করল, ফ্লিকাসের সাথে যোগাযোগ করল তারপর তার সাথে দেখা করার জন্যে রওনা দিল। নিকি আর ত্রিপি বাইভার্বালের রেলিং ধরে আনন্দে চিৎকার করে গান গাইতে লাগল। দুজন আগে কখনো গান গায় নি, গান গাওয়া বলে যে একটা ব্যাপার থাকতে পারে সেটাও তারা জানত না, কিন্তু তারপরও তাদের গান গাইতে কোনো সমস্যা। হল না।

    সারাদিন সারারাত তারা বাইভার্বাল চালিয়ে গেল। ফ্লিকাস ক্রিনিটিকে যে। ঠিকানা দিয়েছে সেখানে তারা যখন পৌঁছাল তখন দুপুর হয়ে গেছে। গাছগাছালি ঢাকা ছোট একটা বাসা। বাসার বাইরে দুইজন রোবট পাহারা দিচ্ছে, তারা হাত তুলে বাইভার্বালটিকে থামাল। একজন রোবট জিজ্ঞেস করল, কী চাই?

    ক্রিনিটি বলল, আমরা মহামান্য ফ্লিকাসের সাথে দেখা করতে এসেছি।

    তোমরা কারা?

    আমি একজন তৃতীয় মাত্রার রোবট। আমাকে ক্রিনিটি নামে পরিচয় দেওয়া হয়। আমার সাথে দুজন মানবশিশু আছে।

    একটি রোবট অন্য রোবটের দিকে তাকিয়ে বলল, পৃথিবীতে মানবশিশু বলে কিছু নেই। সব মরে গেছে।

    নিকি কঠিন মুখে বলল, সবাই মরে নি। আমরা বেঁচে আছি।

    তোমরা সূত্যিকারের মানবশিশু?

    হ্যাঁ। ফ্লিকাস আমাদের সবাইকে ডেকে পাঠিয়েছে আমরা তার সাথে দেখা করতে এসেছি।

    রোবটটি একধরনের ঘোলা চোখে তাদের দুজনকে দেখল তারপর বলল, ঠিক আছে, তোমরা গেটে অপেক্ষা কর। আমরা খোঁজ নিই।

    নিকি ভাবছিল একটা রোবট ভেতর গিয়ে খোঁজ নেবে কিন্তু তার দরকার হলো না। গেটে দাঁড়িয়ে থেকেই কোনো একভাবে খোঁজ নিয়ে নিল তারপর ওদের বলল, তোমরা ভেতরে যাও, মহামান্য ফ্লিকাস তোমাদের জন্য অপেক্ষা করছেন।

    ক্রিনিটি মাটির কাছাকাছি রেখে বাইভার্বালটি বাসার সামনে হাজির করল এবং প্রায় সাথে সাথেই দরজা খুলে ফ্লিকাস বের হয়ে এলো। হলোগ্রাফিক স্ক্রিনে তাকে যেটুকু সুদর্শন দেখা গিয়েছিল সে তার থেকে অনেক বেশি সুদর্শন। দুই হাত দুদিকে ছড়িয়ে দিয়ে নিকি আর ত্রিপির দিকে ছুটে যায়, দুজনকে শক্ত করে বুকে জড়িয়ে বলল, মানুষের পৃথিবীতে তোমাদের আমন্ত্রণ। নিকি আর ত্রিপি তোমাদের জন্যে আমার ভালোবাসা আর ভালোবাসা।

    এভাবে কেউ আমন্ত্রণ জানালে কী বলতে হয় নিকি আর ত্রিপি কেউই জানে না। জানে না। তাই দুজনেই হাসি হাসি মুখ করে দাঁড়িয়ে রইল। ফ্লিকাস বলল, তোমরা অনেক দূর থেকে এসেছ। এখন দ্রুতগামী ট্রেন নেই, জেষ্ট নেই মহাকাশযানও নেই, তোমরা এসেছ সেই আদিম বাইভার্বালে করে। তোমাদের নিশ্চয়ই অনেক কষ্ট হয়েছে?

    এবারে নিকি বলল, না আমাদের কোনো কষ্ট হয় নি।

    ত্রিপি বলল, আমরা গান গাইতে গাইতে এসেছি।

    কী মজা! পৃথিবীর সব মানুষকে যখন আমরা একত্র করব তখন প্রথম কাজটি হবে একটা গানের কনসার্ট। কী বল?

    ত্রিপি হাত তালি দিয়ে বলল, কী মজা হবে তখন!

    ফ্লিকাস বলল, তোমরা হাত মুখ ধুয়ে কিছু একটা খেয়ে নাও। তোমাদের জন্য আমি কিছু জৈবিক খাবার তৈরি করে রেখেছি।

    নিকি জিজ্ঞেস করল, অন্য মানবশিশুরা কী এসে পৌঁছেছে?

    না, তারা এখনো পৌঁছায় নি। কেউ কেউ রওনা দিয়েছে, কেউ কেউ রওনা দেবে।

    ত্রিপি জানতে চাইল, সব মিলিয়ে কতোজন মানবশিশু আছে পৃথিবীতে?

    কমপক্ষে দুইশ। আরো বেশিও হতে পারে।

    আমরা সবাই মিলে এক জায়গায় থাকব?

    ফ্লিকাস হাসল, বলল, অবশ্যই। সারা পৃথিবী খুঁজে আমরা সবচেয়ে সুন্দর জায়গাটা খুঁজে বের করব। একপাশে পাহাড় অন্যপাশে হ্রদ, মাঝখানে থাকবে সবুজ বন। আমরা বাচ্চাদের জন্যে চমৎকার একটা স্কুল বানাব–সেখানে বাচ্চারা হইচই করে পড়বে। ছোটাছুটি করবে, খেলবে, হ্রদে সাঁতার কাটবে। যখন অন্ধকার হয়ে আসবে আমরা তখন কোথাও একটা আগুন জ্বালাব, সেটাকে ঘিরে আমরা বসব। একজন গিটার বাজাতে বাজাতে গান গাইবে— কথা বলতে বলতে ফ্লিকাসের চোখে যেন স্বপ্নের ছোঁয়া লাগে। দেখে মনে হয় সে যেন তার চোখের সামনে পুরো দৃশ্যটি দেখতে পাচ্ছে।

    নিকি দাঁত বের করে হাসল। বলল, কী মজা হবে? তাই না?

    হ্যাঁ অনেক মজা হবে। হঠাৎ ফ্লিকাসের মুখ গম্ভীর হয়ে যায়। সে একটা নিঃশ্বাস ফেলে বলল, আমরা যে শুধু মজা করব তা কিন্তু নয়। আমাদের ওপর তখন থাকবে অনেক বড় দায়িত্ব। অনেক অনেক বড় দায়িত্ব।

    ত্রিপি জিজ্ঞেস করল, কী দায়িত্ব?

    মানুষের দায়িত্ব। পৃথিবীর দায়িত্ব। আমাদের সারা পৃথিবীর দায়িত্ব নিতে হবে। আমরা যে কয়জন মানুষ আছি তাদের বাঁচিয়ে রাখতে হবে। তাদের। দিয়েই আস্তে আস্তে সারা পৃথিবীতে একসময় মানুষে ভরে উঠবে। ভবিষ্যতের যে পৃথিবী হবে আমরাই হব তার স্থপতি। ভবিষ্যতের পৃথিবীতে যে মানুষ থাকবে আমরা হব তার পূর্বপুরুষ!

    ত্রিপি জিজ্ঞেস করল, আর রোবট? রোবটদের কী হবে?

    রোবটেরাও থাকবে। মানুষকে সাহায্য করার জন্যে রোবটেরা আগেও ছিল, এখনো থাকবে।

    লিপি ভুরু কুঁচকে বলল, কিন্তু অনেক জায়গায় রোবটেরা সবাই মিলে মানবশিশুকে আটকে রেখেছে।

    একটা-দুটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা। ফ্লিকাস কঠিন গলায় বলল, রোবটরা কখনো মানবশিশুকে আটকে রাখতে পারবে না। আমরা সবাই যখন একত্র হব তখন রোবটরা কখনো মানুষের সাথে প্রতিযোগিতা করতে সাহস পাবে না। মানুষের বুদ্ধিমত্তা রোবটদের বুদ্ধিমত্তা থেকে অনেক বেশি, রোবটেরা কখনোই মানুষের সাথে পারবে না।

    নিকি জিজ্ঞেস করল, কিন্তু যদি তারা পঞ্চম মাত্রার রোবট তৈরি করে?

    পঞ্চম মাত্রার রোবট? ফ্লিকাসকে একটু চিন্তিত দেখায়, সে ভুরু কুঁচকে বলল, পঞ্চম মাত্রার রোবট তৈরি করলে আমাদের একটু সতর্ক হতে হবে, তার কারণ পঞ্চম মাত্রার রোবট মানুষ থেকে বেশি বুদ্ধিমান। কিন্তু তার থেকেও বড় কথা— ফ্লিকাস কথা শেষ না করে থেমে গেল।

    নিকি জিজ্ঞেস করল, তার চেয়ে বড় কথা কী?

    তার চেয়ে বড় কথা পঞ্চম মাত্রার রোবটদের নিজস্ব চিন্তা-ভাবনার একটা জগৎ আছে। তারা তাদের মতো করে ভাবে। তাদের যদি মনে হয় পৃথিবীতে মানুষের প্রয়োজন নেই, তারাই পৃথিবীকে এগিয়ে নেবে তাহলে তারা পৃথিবী থেকে সব মানুষকে সরিয়ে দিতে পারে।

    নির্কির মুখে দুশ্চিন্তার ছায়া পড়ল, বলল, সর্বনাশ! তাহলে কী হবে?

    ফ্লিকাস সহৃদয়ভাবে হাসল, বলল, তুমি কেন ধরে নিচ্ছ পঞ্চম মাত্রার রোবট তৈরি হয়ে যাচ্ছে। সেটা কী সহজ কাজ নাকি?

    ত্রিপি জিজ্ঞেস করল, পঞ্চম মাত্রার রোবট দেখতে কেমন হবে?

    ফ্লিকাস মাথা নাড়ল, বলল, আমি জানি না। এখন পর্যন্ত সব রোবট তৈরি হয়েছে মানুষের অনুকরণে, তাদের হাত আছে, পা আছে, মাথা আছে, চোখ আছে। যেহেতু মানুষ অনেক উন্নত তাই শরীরের ডিজাইনটা হয়েছে। মানুষের মতো। কিন্তু–

    কিন্তু কী?

    যখন পঞ্চম মাত্রার রোবট তৈরি হবে তখন তারা হবে মানুষ থেকেও উন্নত। তাই তখন তাদের শরীর মানুষের মতো হওয়ার প্রয়োজন নেই। তাদের কাছে যে ডিজাইনটা বেশি কাজের মনে হবে সেভাবে তৈরি করবে। হয়তো–হয়তো–

    হয়তো কী?

    মানুষের মতো সামনে দুটি চোখ না থেকে সামনে-পেছনে, ডানে-বামে চোখ থাকবে। দুইপা না থেকে তিনটি কিংবা চারটি পা থাকবে–

    নিকি বলল, হয়তো মাকড়শার মতো আটটি পা থাকবে–

    ফ্লিকাস আবার মাথা নাড়ল, বলল, হ্যাঁ, হয়তো আটটি পা থাকবে। শুড়ের মতো আঙুল, মস্তিষ্কটি হয়তো শুধু মাথায় না থেকে সারা শরীরে থাকবে। পৃথিবীর নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত হবার জন্যে এন্টেনা থাকবে। হয়তো অন্ধকারে দেখতে পারবে হয়তো আঙুলের ডগা দিয়ে তীব্র রেডিয়েশন বের হবে। হয়তো—

    ত্রিপি বলল, থাক থাক! পঞ্চম মাত্রার রোবটের চেহারার কথা শুনেই আমার গা কেমন কেমন করছে।

    ফ্লিকাস বলল, ঠিকই বলেছ। শুধু শুধু পঞ্চম মাত্রার রোবটের চেহারা কল্পনা করে লাভ নেই। পঞ্চম মাত্রার রোবট খুব সোজা ব্যাপার নয়। সত্যিই যদি তৈরি হয় তখন দুশ্চিন্তা করা যাবে।

    নিকি বলল, আমরা এতো দুশ্চিন্তা করতে পারব না। যদি দুশ্চিন্তা করতে হয় সেটা করবে তুমি।

    ফ্লিকাস হাসার ভঙ্গি করে বলল, ঠিক আছে। তোমাকে আর কোনো কিছু নিয়ে দুশ্চিন্তা করতে হবে না। সব দুশ্চিন্তা করব আমি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleভূত সমগ্র – মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    Next Article নাট বল্টু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    Related Articles

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    ছোটগল্প – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সাদাসিধে কথা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মেকু কাহিনী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    আমার বন্ধু রাশেদ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ১ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    টুনটুনি ও ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }