Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সায়েন্স ফিকশন সমগ্র ৫ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল এক পাতা গল্প1035 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১২. হ্রদের তীরে

    হ্রদের তীরে অনেকগুলো ছোট বড় পাথর সাজানো। নিকি আর ত্রিপি পাথরগুলোর পাশ দিয়ে গুনতে গুনতে হেঁটে যায়। নিকি গোনা শেষ করে বলল, আঠারটা।

    নিকির কথা শুনে ত্রিপি হি হি করে হাসল। নিকি বলল, কী হলো তুমি হাসছ কেন?

    তুমি এমন করে বলছ যেন তুমি জান না যে এখানে আঠারটি পাথর। আছে। যেন তুমি গুনে আবিস্কার করেছ এখানে আঠারটি পাথর!

    জানি তাতে কী হয়েছে? জানা থাকলে কী গোনা যায় না? একবার গোনা যায়!

    ত্রিপি মাথা নাড়ল, বলল, সেটা ঠিক। জানা থাকলেও একশবরি গোনা যায়।

    এখন আমরা আঠার নম্বর পাথরটি হ্রদের পানিতে ফেলে দেব, তখন। এখানে পাথর হবে সতেরটি! তার মানে–

    তার মানে আর সতেরদিন পর পাহাড়ের গহ্বর থেকে ঘুম ভেঙে মানুষেরা বের হয়ে আসবে?

    নিকি হাত কঁকুনি দিয়ে বলল, ঠিক বলেছ! তারপর সে নিচু হয়ে ভারি পাথরটা গড়িয়ে গড়িয়ে হ্রদের দিকে নিয়ে যায়। হ্রদের তীর থেকে সেটাকে ধাক্কা দিতেই পাথরটা ঝপাং করে পানিতে পড়ে হারিয়ে গেল।

    ফ্লিকাসের সাথে তারা যখন পাহাড়ের গহ্বরে গিয়েছিল তখন তারা জেনে এসেছিল যে সেখান থেকে তেত্রিশদিন পর মানুষদের প্রথম ব্যাচটি জেগে উঠবে। তারা তাদের এলাকায় ফিরে এসে তেত্রিশটা নানা আকারের ছোট-বড় পাথর সাজিয়ে রেখেছে। প্রত্যেক দিন ভোরবেলা ঘুম ভাঙার পর দুজন হেঁটে হেঁটে হ্রদের তীরে আসে, তারপর একটা পাথরকে গড়িয়ে গড়িয়ে হ্রদের পানিতে ফেলে দিয়ে আসে। যার অর্থ তাদের অপেক্ষার দিন আরো একটি কমেছে।

    নিকি পাথরগুলোর চারপাশে ঘুরে এসে বলল, আর মাত্র সতের দিন। তারপর আমাদের সাথে থাকবে আরো শত শত মানুষ।

    ত্রিপি মাথা নাড়ল, শত শত সত্যিকার মানুষ।

    আমাদের দেখে তারা কী বলবে বলে মনে হয়?

    মনে হয় একটু অবাক হবে।

    নিকি বলল, আমাদের সেদিন সুন্দর কাপড় পরে থাকা উচিত। ক্রিনিটি বলেছে সভ্য মানুষেরা সুন্দর কাপড় পরে।

    আমরা কোথায় পাব সুন্দর কাপড়?

    ক্রিনিটিকে বলব তৈরি করে দিতে।

    ত্রিপি মাথা নাড়ল, বলল, শুধু সুন্দর করে কাপড় পরলেই হবে না। আমাদের সুন্দর করে কথাও বলতে হবে। সুন্দর করে ব্যবহার করতে হবে।

    হ্যাঁ। ক্রিনিটি বলেছে আমরা যখন তাদের সাথে খেতে বসব তখন গপগপ করে খেলে হবে না। একটু একটু করে খেতে হবে। সভ্য মানুষেরা একটু একটু করে খায়।

    ত্রিপি বলল, আমাদের নক কেটে ছোট করতে হবে। শুধু অসভ্য মানুষের। বড় বড় নখ হয়।

    হ্যাঁ। চুলগুলো ভালো করে ধুয়ে আঁচড়াতে হবে। সভ্য মানুষের কখনো উশখো-খুশকো চুল থাকে না।

    নিকি আর ত্রিপি সভ্য মানুষের আর কী কী থাকতে হয় কী কী থাকতে হয় সেগুলো আলোচনা করতে করতে দের বালুবেলায় হাঁটতে থাকে। একটা গাছের উঁচু ডালে তখন মিক্কু বসে নিকি আর ত্রিপির দিকে তাকিয়েছিল। তার হাতে একটা রসালো ফল, সেটা কামড়ে কামড়ে খেতে খেতে অস্পষ্ট একটা শব্দ করল। নিকি আর ত্রিপি তখনো শুনতে পায় নি, কিন্তু মিক্কু শুনতে পেয়েছে। অনেক দূর থেকে একটা বাইভার্বাল আসছে।

    নিকি আর ত্রিপি যখন হ্রদের এককোণায় একটা বড় গাছের গুঁড়ির কাছে এসে পৌঁচেছে তখন তারা বাইভার্বালের চাপা গর্জনটি শুনতে পেল, তারা অবাক হয়ে আকাশের দিকে তাকায় আর ঠিক তখন দেখতে পায় কুচকুচে কালো একটা বাইভার্বাল আকাশ দিয়ে উড়ে আসছে। বাইভার্বালটি অতিকায়। একটা পাখির মতো তাদের মাথার উপর দিয়ে একবার উড়ে যায় তারপর গর্জন করে ধূলো উড়িয়ে কাছাকাছি নেমে আসে।

    নিকি আর ত্রিপি বিস্ফারিত চোখে বাইভার্বালটির দিকে তাকিয়ে থাকে, অবাক হয়ে দেখে তার দরজা খুলে সোনালি চুল আর নীল চোখের একজন। মানুষ নেমে আসছে। মানুষটি সুদর্শন এবং হাতে একটা স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র। মানুষটি তাদের দিকে কয়েকপা হেঁটে এসে থেমে গেল, জিজ্ঞেস করল, কেমন আছ নিকি? ত্রিপি?

    নিকি আর ত্রিপি দুজনেই মানুষটিকে চিনতে পারল, মানুষটি ফ্লিকস। যে মানুষটিকে তারা বিস্ফোরক দিয়ে মাত্র কিছুদিন আগে ছিন্নভিন্ন করে দিয়েছিল।

    ফ্লিকাস হাতের স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রটি অবহেলার ভঙ্গিতে হাত বদল করে বলল, মনে আছে নিকি তোমাকে বলেছিলাম, তোমাকে খুঁজে বের করতে যদি আমাকে নরকেও যেতে হয় আমি সেখানে যাব? আমি এসেছি।

    নিকি বেশ কয়েকবার চেষ্টা করে বলল, কিন্তু-কিন্তু–

    আমি বুঝতে পারছি, তুমি কী জানতে চাইছ! তুমি জানতে চাইছ আমাকে বিস্ফোরণে উড়িয়ে দেবার পরেও আমি কিভাবে ফিরে এসেছি। তাই না?

    নিকি মাথা নাড়ল, বলল, হ্যাঁ।

    তুমি ভুলে গিয়েছিলে আমি হচ্ছি পঞ্চম মাত্রার রোবট। পঞ্চম মাত্রার রোবট পৃথিবীর সবচেয়ে বড় যান্ত্রিক আবিষ্কার। প্রযুক্তির সবচেয়ে বড় উদাহরণ। কেউ এতো বড় একটা জিনিস মাত্র একটি তৈরি করে না। কমপক্ষে দুটি তৈরি করে। তাই পৃথিবীতে ফ্লিকাস একজন ছিল না, ছিল দুজন। তুমি যখন প্রথমজনকে বিস্ফোরক দিয়ে উড়িয়ে দিয়েছিলে তখন তার কপোট্রনের সকল তথ্য দ্বিতীয় ফ্লিকাসের কপোট্রনে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। তাই ফ্লিকাসের শরীরটা ধ্বংস হয়েছে কিন্তু ফ্লিকাস ধ্বংস হয় নি। বুঝেছ?

    নিকি হতচকিতের ভাবে মাথা নাড়ল, বলল, বুঝেছি।

    ফ্লিকাস হ্রদের নরম বালুবেলায় অন্যমনস্কভাবে কয়েক পা হেঁটে গাছের বড় একটা খুঁড়িতে বসে। একধরনের বিষঃ গলায় বলে, বুঝলে নিকি আর ত্রিপি। আমি খুব নিঃসঙ্গ প্রাণী। আমি জানি তোমরা আমাকে প্রাণী হিসেবে মেনে নেবে না, তোমরা বলবে আমি একটা যন্ত্র। কিন্তু আমি আসলে একটা প্রাণী। সত্যিকারের প্রাণী থেকেও আমি বেশি প্রাণী বুঝেছ?

    ফ্লিকাস অস্ত্রটি হাত বদল করে বলল, আমাকে ডিজাইন করতে পাঁচ বছর সময় লেগেছে। যখন দেখেছে পৃথিবীতে আর মানুষ নেই, তখন পৃথিবীর দায়িত্ব নেবার জন্যে আমাদের প্রজন্মকে ডিজাইন করা হয়েছে। মানুষের যে সীমাবদ্ধতা ছিল আমাদের সেই সীমাবদ্ধতা নেই। সেই সীমাবদ্ধতা কি জান?

    নিকি মাথা নাড়ল, বলল, না।

    মানুষের সবচেয়ে বড় সীমাবদ্ধতা হচ্ছে তাদের অযৌক্তিক ভালোবাসা। যেখানে ভালোবাসার কারণে তাদের ক্ষতি হতে পারে সেখানেও তারা ভালোবাসে। মানুষ মানুষকে ভালোবাসে, যন্ত্রকে ভালোবাসে। বনের পশুকে ভালোবাসে, কীট পতঙ্গকে ভালোবাসে এমনকি গাছের পাতাকেও ভালোবাসে।

    নিকি জিজ্ঞেস করল, তোমরা কাউকে ভালোবাস না?

    ফ্লিকাস কঠিন চোখে নির্কির দিকে তাকাল, বলল, অবশ্যই ভালোবাসি। আমাদের কপোট্রনের তুলনায় তোমাদের মস্তিষ্ক হচ্ছে একটা ছেলেমানুষি খেলনা। তোমাদের যেটুকু ভালোবাসার ক্ষমতা, আমাদের ভালোবাসা তার থেকে হাজার গুণ বেশি। কিন্তু আমাদের ভেতর অপ্রয়োজনীয়, ক্ষতিকর ভালোবাসা নেই।

    নিকি কোনো কথা বলল না। ফ্লিকাস কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে বলল, শুধু ভালোবাসা নয়—আমাদের কপোট্রনে অনেক নতুন নতুন অনুভূতি আছে যেটা তোমাদের নেই।

    নিকি জিজ্ঞেস করল, সেগুলো কী?

    তোমাদের বললে তোমরা সেগুলো বুঝবে না।

    কেন বুঝব না?

    তুমি কী একটা পিঁপড়াকে বিশুদ্ধ সিম্ফোনিশুনতে কেমন লাগে সেটি বোঝাতে পারবে?

    নিকি মাথা নাড়ল।বলল, না।

    এটাও সেরকম।

    নিকি বলল, ও।

    আমি জানি তোমরা বাচ্চা মানুষ, আমার কথা বুঝবে না। তবু বলি-আমার কেন জানি কথা বলতে ইচ্ছে করছে। যেমন মনে করো ভালবাসা এবং ঘৃণা। তোমাদের কাছে দুটি ভিন্ন ব্যাপার তাই না?

    নিকি অনিশ্চিতের মতো বলল, হ্যাঁ।

    যেটাকে তুমি ভালোবাম সেটাকে তুমি ঘৃণা করতে পার না। কিন্তু আমরা পারি। আমরা কোনোকিছুকে ভালোবাসতে পারি। কোনোকিছুকে ঘৃণা করতে পারি। আবার কোনোকিছুকে একই সাথে ঘৃণা করতে পারি ভালোবাসতে পারি। দুটিই সমান সমান। দুটিই তিব্র।

    ত্রিপি জানতে চাইল, সেটার নাম কী?

    তোমাদের ভাষায় এর কোনো নাম নেই, আমরা বলি রিভাল। রিভালের মতো আরেকটা অনুভুতির নাম হচ্ছে যিগ্ধা।

    যিগ্ধা সেটা কী?

    কোনো কোনো মানুষের মাঝে সেটা থাকে। মানুষ সেটাকে মনে করে অপরাধ। আমাদের কাছে সেটা অপরাধ না। এটা আমাদের জন্যে খুবই স্বাভাবিক একটা অনুভূতি।

    নিকি কিংবা ত্রিপি কোনো কথা বলল না। ফিকামএকটু চুপ করে থেকে বলল, এই অনুভূতিটা হচ্ছে অন্য কাউকে যন্ত্রণা দিয়ে আনন্দ পাওয়া। আমাদের ভেতর সেটা আছে। আমাদের যখন প্রয়োজন হয় তখন আমরা অন্যকে যন্ত্রণা দিতে পারি, দিয়ে তীব্র আনন্দ পেতে পারি। আমি এখানে এসেছি যিগ্ধা উপভোগ করতে।

    নিকি এবং ত্রিপি শিউরে উঠল, কিন্তু কিছু বলল না, ফ্লিকাসের দিকে স্থির দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইল। ফ্লিকাস কাঠের গুঁড়ি থেকে এসে কয়েক পাহদের দিকে এগিয়ে যায় কিছুক্ষণ হ্রদের পানির দিকে তাকিয়ে থাকে তারপর আবার নিকি আর ত্রিপির দিকে ফিরে আসে। কিছুক্ষণ তাদের দিকে তাকিয়ে, আস্তে আস্তে নরম, প্রায় বিষণ্ণ গলায় বলল, নিকি তুমি একজন অসাধারণ মানবশিশু। আমার মনে একজন পঞ্চম মাত্রার রোবটকে তুমি হত্যা করেছ! আমাদের ইতিহাসে সবসময় তোমার নাম লেখা থাকবে। তুমি যে নিষ্ঠুরতায় আমাকে হত্যা করেছ আমাকে তার সমান নিষ্ঠুরতায় তোমাকে হত্যা করতে হবে। যতোক্ষণ সেটা না করব পঞ্চম মাত্রার রোবটদের সম্মান ফিরে আসবে না। ফ্লিকাস নিকির দিকে তাকিয়ে বলল, নিকি! সারা পৃথিবীতে কী কেউ আছে যে তোমাকে আর তোমার এই বান্ধবীকে এখন রক্ষা করতে পারবে?

    নিকি কোনো কথা বলল না। ফ্লিকাস বলল, নেই! পাহাড়ের গহরের মানুষগুলো জেগে উঠবে সতের দিন পর। আমি তাদের ঘুমন্ত অবস্থায় ধ্বংস। করতে পারি নি, কিন্তু জেগে ওঠার পর ধ্বংস করব! সেই মানুষগুলো তোমাদের রক্ষা করতে আসতে পারবে না। সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে যে মানুষগুলো আছে তাদের মতো অসহায় জীব এই সৃষ্টিজগতে নেই! তাদের। অনেকে বড় হয়েছে বনের পশুর মতো, তাদের কোনো অনুভূতি নেই, কোনো ভাষা নেই। আমি খুঁজে বের করে তাদের একজন একজন করে হত্যা করব। এখন তারা হয়তো কেউ কেউ বেঁচে আছে কিন্তু তারা তোমাদের বাঁচানোর জন্যে আসতে পারবে না। তাহলে এই মুহূর্তে তোমাদের কে বাঁচাতে আসবে? কে?

    ক্রিনিটি।

    হ্যাঁ। ক্রিনিটি। ফ্লিকাস মাথা নাড়ল। তোমাদের গলায় যে মাদুলি ঝোলানো আছে সেটি আসলে একটি পঞ্চম মাত্রার ট্রাকিওশান। সে যেই মুহূর্তে জানতে পেরেছে আমি এসেছি সেই মুহূর্তে কিছু স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র নিয়ে ছুটে আসছে। তার ভেতরে কোনো অনুভূতি নেই। সে তৃতীয় মাত্রায় তুচ্ছ একটা রোবট। তার ভেতরে ভালোবাসা নেই, স্নেহ মমতা নেই, রিভাল নেই যিগ্ধা নেই। আছে শুধু কিছু বাঁধাধরা নিয়ম। সেই নিয়ম পালন করার জন্যে সে ছুটে আসছে। আমি ইচ্ছে করলে এই মুহূর্তে তাকে বিকল করে বনের মাঝখানে দাঁড় করিয়ে রাখতে পারি। কিন্তু আমি তাকে আসতে দিয়েছি। কেন তাকে আমি আসতে দিয়েছি তোমরা জান?

    নিকি আর ত্রিপি মাথা নাড়ল, বলল, না জানি না।

    আমি তাকে আসতে দিয়েছি কারণ, আমি চাই সে এখানে থাকুক। যখন আমি তোমাদের হত্যা করি তখন সে এই পুরো দৃশ্যটা দেখুক। তার কপোট্রনে সেটা জমা থাকুক, সেখান থেকে পৃথিবীর সব জায়গায় ছড়িয়ে পড়ুক। বুঝেছ?

    নিকি আর ত্রিপি মাথা নেড়ে বলল, তারা বুঝেছে।

    ফ্লিকাস তার হাতের স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রটির ম্যাগাজিনটা একবার খুলে আবার লাগিয়ে পরীক্ষা করল। তার লেজার সংঙ্কেতটি একবার জ্বালিয়ে দেখল তারপর বলল, বুঝেছ নিকি, তুমি আমাদের অনেক বড় ক্ষতি করেছ। এতোটুকু একজন মানুষ হয়ে পঞ্চম মাত্রার রোবটের এতো বড় ক্ষতি করা সম্ভব আমি বিশ্বাস করি নি। কিন্তু আমাকে বিশ্বাস করতে হয়েছে। পাহাড়ের গহ্বরের মানুষগুলো জেগে ওঠার আগেই আমার মেরে ফেলার কথা ছিলতোমার জন্য পারি নি। এতো ছোট বাচ্চা মাইক্রো মডিউল আর বিস্ফোরকের পার্থক্যটুকু জানে সেটি আমাদের জানা ছিল না।

    এখন মানুষগুলোকে মারতে হবে গহ্বর থেকে বের হবার সময়। কাজটি কঠিন নয় কিন্তু কাজটি পরিচ্ছনও নয়। আমরা অপরিচ্ছন্ন কাজ করতে চাই না–তোমার জন্যে করতে হচ্ছে। শুধুমাত্র তোমার জন্যে।

    ফ্লিকাস একটা নিঃশ্বাস ফেলে বলল, শুধু যে গহবরের ভেতরের মানুষগুলোকে মারতে দাও নি তা নয়, তুমি আমাকেও ধ্বংস করেছ! ওরে মূখ। মানবশিশু, তুমি জান তুমি কত বড় ক্ষতি করেছ? জানার কথা নয়। পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বিজ্ঞান প্রযুক্তির আবিষ্কারটি তুমি এভাবে ধ্বংস করে দিলে? কেন?

    নিকি বলল, তুমি কেন সব মানুষকে হত্যা কর?

    বিবর্তনের কারণে একসময় মানুষ পৃথিবীর দায়িত্ব নিয়েছিল। এখন মানুষ নেই, এখন আমাদের পৃথিবীর দায়িত্ব নিতে হবে। যে দুই চারজন মানুষ আছে তারা একধরনের যন্ত্রণা—তাই আমরা তাদের হত্যা করছি। এটা হচ্ছে। প্রকৃতির নিয়ম। যে সবল সে টিকে থাকবে, তার টিকে থাকার জন্যে অন্যদের। সরে যেতে হবে। এটাই বিবর্তন।

    ঠিক এরকম সময় বনের ভেতর থেকে ছুটতে ছুটতে ক্ৰিনিটি এসে হাজির হলো, তার হাতের অস্ত্রটি দোলাতে দোলাতে বলল, না, না তুমি কিছুতেই নিকি আর ত্রিপির ক্ষতি করতে পারবে না।

    ফ্লিকাস একধরনের কৌতুকের ভঙ্গি করে বলল, আমি তাদের ক্ষতি করব, তাদের পৃথিবী থেকে সরিয়ে দেব।

    ক্রিনিটি দুই হাত বিস্তৃত করে বলল, না, তুমি সেটা করতে পারবে না। আমি তোমাকে সেটা করতে দেব না।

    ফ্লিকাস হা হা করে হাসল, বলল, তৃতীয় মাত্রার একটি রোবট পঞ্চম মাত্রার একটি রবোটকে হুমকি দিচ্ছে? পৃথিবীতে এর চাইতে বড় রসিকতা কি কিছু হতে পারে?

    ক্রিনিটি বলল, নিকির মা আমার হাতে নিকিকে তুলে দিয়েছিল, আমাকে বলেছিল তাকে দেখে শুনে রাখতে–

    ফ্লিকাস তার হাতের অস্ত্রটি ক্রিনিটির দিকে তাক করে ট্রিগার টেনে ধরে, প্রচণ্ড একটা বিস্ফোরণের শব্দে ক্রিনিটির যন্ত্রসহ হাতটি ভস্মিভূত হয়ে উড়ে যায়। বিস্ফোরণের ঝাঁপটায় ক্রিনিটি বালুবেলায় হুঁমড়ি খেয়ে পড়ল। নিকি আর ত্রিপি ক্রিনিটির কাছে ছুটে যাচ্ছিল তখন ফ্লিকাসের যন্ত্রটি আবার গর্জে উঠে এবং সাথে সাথে ক্রিনিটি মাটিতে আছড়ে পড়ল। তার পায়ের পাতা উড়ে গিয়ে সেখান থেকে পোড় তার টিউব আর যন্ত্রপাতি বের হয়ে এসেছে। ক্রিনিটি মাটি থেকে ওঠার চেষ্টা করতে করতে একবার নিকির দিকে তাকাল, বলল, নিকি, আমি মনে হয় তোমাকে উদ্ধার করতে পারব না।

    ফ্লিকাস মাথা নাড়ল, বলল, না। তুমি পারবে না। আমি ইচ্ছে করলেই তোমার পুরো সিস্টেম বিকল করে দিতে পারি কিন্তু করি নি। আমি চাই তুমি পরের দৃশ্যটি দেখ।

    নিকি ক্রিনিটির কাছে গিয়ে তাকে জড়িয়ে ধরে বলল, তোমার ব্যথা লাগছে ক্রিনিটি?

    না আমার ব্যথা লাগছে না। আমার ব্যথা লাগার ক্ষমতা নেই। শুধু আমার সার্কিটে চাপ পড়ছে তাই সেটা জোর করে চালু করে রাখতে হচ্ছে। কতোক্ষণ রাখতে পারব আমি জানি না।

    নিকির চোখে হঠাৎ পানি এসে গেল, সে ক্রিনিটির শরীরে হাত বুলিয়ে বলল, আমি দুঃখিত ক্রিনিটি। আমি খুবই দুঃখিত। আমার জন্যে তোমার এতো কষ্ট হচ্ছে—

    ঠিক তখন কঁ কঁ করে ডাকতে ডাকতে কিকি মাথার উপর দিয়ে উড়ে যায়। নিকি উপরে তাকাল বলল, কিকি আমাদের খুব বিপদ। খুব বড় বিপদ। এই লোকটা ক্রিনিটিকে মেরে ফেলছে।

    কিকি কঁ কঁ করে ডাকতে ডাকতে বনভূমির দিকে উড়ে গেল।

    ফ্লিকাস মুখে একধরনের কৌতুকের হাসি নিয়ে পুরো দৃশ্যটি দেখছিল, সে এবারে হা হা করে হেসে বলল, চমৎকার একটি নাটক মঞ্চস্থ হচ্ছে! তৃতীয়। মাত্রার একটি রোবট আহত এবং তার জন্যে সমবেদনায় মানবশিশুর চোখে অশ্রুজল! শুধু তাই নয়, সে এই দুঃখের কাহিনীটা বলছে কালো কুৎসিত একটা পাখিকে।  ফ্লিকাস হাসতে হাসতে হঠাৎ হাসি থামিয়ে ফেলে, দেখতে দেখতে তার মুখ কঠিন হয়ে ওঠে, সে হিংস্র চোখে নিকির দিকে তাকিয়ে বলল, নিকি, বলো এই পৃথিবীটা কার? রোবটের না মানুষের? তোমার না আমার?

    আমার।

    যদি তোমার হয় তাহলে কে তোমাকে রক্ষা করতে এগিয়ে আসবে?

    নিকি কোনো কথা বলল না, স্থির চোখে ফ্লিকাসের দিকে তাকিয়ে রইল। ফ্লিকাস খুব ধীরে ধীরে তার অস্ত্রটি উপরে তুলে ধরে সেটি নিকির বুকের দিকে তাক করে হিস হিস করে বলল, কে তোমাকে রক্ষা করবে নিকি? ত্রিপি? কে তোমাদের রক্ষা করবে?

    নিকি কোনো কথা বলল না। ফ্লিকাস শীতল গলায় বলল, আমার কথার উত্তর দাও, যদি এই পৃথিবীটা তোমার হয় তাহলে এই পৃথিবীর কে তোমাকে রক্ষা করতে আসবে? কে?

    খুব ধীরে ধীরে নিকির মুখে হাসি ফুটে উঠল, সে নিচু গলায় বলল, আমার বন্ধুরা।

    ফ্লিকাস অবাক হয়ে বলল, তোমার বন্ধুরা? তারা কোথায়?

    আসছে। তারা আসছে।

    কোথা থেকে আসছে?

    তাকিয়ে দেখ।

    ফ্লিকাস তাকাল, দেখল বনভূমির উপর থেকে পাখি উড়ে আসছে। একটি দুটি পাখি নয়, হাজার হাজার পাখি লক্ষ লক্ষ পাখি। তাদের লাল চোখ। ধারালো ঠোঁট। তারা তাদের শক্তিশালী পাখা বাতাসে ঝাঁপটা দিতে দিতে উড়ে আসছে। তারা স্থির নিশ্চিত জানে তাদের কী করতে হবে। তাদের ভেতরে বিন্দুমাত্র দ্বিধা নেই।

    ফ্লিকাস হতবুদ্ধির মতো তার অস্ত্রটি পাখিদের দিকে তুলে ধরল, একবার ট্রিগার টেনে ধরার জন্যে দুর্বল ভাবে চেষ্টা করল, কিন্তু তার আগেই লক্ষ লক্ষ পাখি ফ্লিকাসের উপর ঝাঁপিয়ে পড়েছে। তাদের তীক্ষ্ণ ধারালো ঠোঁট দিয়ে তারা ফ্লিকাসের চোখে, মুখে, দেহে আঘাতের পর আঘাত করতে শুরু করেছে।

    ফ্লিকাস একটা আর্তনাদ করে মাটিতে গড়িয়ে পড়ল হাজার, হাজার, লক্ষ, লক্ষ পাখি তাকে ঘিরে রইল, আঘাতের পর আঘাত করে তাকে মাটি থেকে উঠতে দিল না। ফ্লিকাসের কাতর আর্তনাদ পাখিদের তীক্ষ্ণ চিৎকারে চাপা পড়ে গেল।

    পাখিগুলো যখন উড়ে গেল তখন নিকি আর ত্রিপি এগিয়ে যায়। ছিন্নভিন্ন কিছু দুমড়ে মুচড়ে থাকা ধাতব যন্ত্রপাতির অবশিষ্টাংশ ছাড়া আর কিছু নেই। নিকি ভয়ে ভয়ে এদিক-সেদিক তাকাল, তার মনে হলো হঠাৎ করে ফ্লিকাসের ছিন্ন মাথা বুঝি খলখল করে হেসে উঠবে। কিন্তু কেউ খলখল করে হেসে উঠল না।

    নিকি ত্রিপির দিকে তাকিয়ে একটু হাসল। ত্রিপি তাকে জাপটে ধরে বলল, নিকি আমরা বেঁচে গেছি।

    হ্যাঁ। পৃথিবীতে আমরা থাকব।

    তাদের মাথার উপর দিয়ে কিকি ক ক শব্দ করে উড়ে গিয়ে আবার ফিরে এসে তার ঘাড়ের ওপর বসল। নিকি আদর করে তার মাথায় হাত বুলিয়ে বলল, কিকি যখন সব মানুষেরা আসবে তখন আমি তাদের বলব তোমাকে আর তোমার পাখির দলকে মেডেল দিতে।

    কিকি বলল, কঁ কঁ। নিকি মাথা নাড়ল, বলল, না বোকা। মেডেল খাবার জিনিস না।

     

    কিকি উড়ে যাবার পর নিকি ক্রিনিটির কাছে গিয়ে বসে, তার দুমড়ে মুচড়ে ভেঙে যাওয়া হাত পায়ে হাত বুলিয়ে বলল, ক্রিনিটি তুমি কোনো চিন্তা করো না। আমি আর ত্রিপি গিয়ে বাইভার্বালটি নিয়ে আসছি। তোমাকে নিয়ে যাব। তোমাকে আবার আমরা নতুনের মতো করে ফেলব।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleভূত সমগ্র – মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    Next Article নাট বল্টু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    Related Articles

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    ছোটগল্প – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সাদাসিধে কথা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মেকু কাহিনী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    আমার বন্ধু রাশেদ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ১ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    টুনটুনি ও ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }