Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ২ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল এক পাতা গল্প892 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১০. সময়-পরিভ্রমণ যান

    শ্যালক্স গ্রুনের সময়-পরিভ্রমণ যানটির একপাশে নিচু হয়ে নেমে গেছে শেষ মাথায় একটি গোল দরজা। আমি এই দরজা দিয়ে ঢুকেছি, ত্রিশাও এই দরজা দিয়ে ঢুকবে। আমি দেয়াল ধরে দাঁড়িয়ে আছি, এখনো পুরো ব্যাপারটি আমি বিশ্বাস করতে পারছি না।

    ক্যাচক্যাচ শব্দ করে হঠাৎ গোল দরজাটা খুলে গেল। ত্রিশাকে কি ধরে এনেছে এখন? সে কি চিৎকার করে কাঁদছে? আমার বুকের ভিতর যন্ত্রণায় দুমড়ে মুচড়ে উঠতে থাকে। আমি কেমন করে ত্রিশার মুখের দিকে তাকাব?

    গোল দরজায় একজন মানুষের ছায়া পড়ল, আমি নিশ্বাস বন্ধ করে তাকিয়ে রইলাম। ত্রিশা পায়ে পায়ে ভিতরে এসে দাঁড়াল। একটি লাল রুমাল দিয়ে মাথার চুলগুলো শক্ত করে বাধা, হালকা নীল রঙের একটা পোশাক। পায়ে বিবর্ণ একজোড়া জুতো।

    দরজার কাছাকাছি দাঁড়িয়ে ত্রিশা মাথা ঘুরে তাকায়। তার মুখে এক ধরনের অসহনীয় আতঙ্ক। সে দেয়াল ধরে দাঁড়িয়ে থেকে কাঁপা গলায় বলল, রিকি, তুমি কোথায়?

    এই যে আমি এখানে।

    ত্রিশা মাথা ঘুরিয়ে আমার দিকে তাকাল, কিন্তু আমার কাছে ছুটে এল না। সেখানে দাঁড়িয়ে বলল, আমাকে ওরা এখানে এনেছে কেন?

    আমি কী বলব বুঝতে পারলাম না। মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে রইলাম। ত্রিশা আবার জিজ্ঞেস করল, রিকি, তুমি কথা বলছ না কেন? এটি কোন জায়গা, এখানে এ রকম আবছা অন্ধকার কেন?

    আমি একটা নিশ্বাস ফেলে বললাম, ত্রিশা, তুমি আমাকে ক্ষমা কর, ত্রিশা।

    তুমি এ কথা কেন বলছ?

    তোমার ওপরে খুব বড় একটা অবিচার করা হবে ত্রিশা।

    ত্রিশার গলার স্বর হঠাৎ কেঁপে যায়, কী অবিচার?

    আমি ঠোঁট কামড়ে দাঁড়িয়ে থাকি, ত্রিশার প্রশ্নের উত্তর দিতে পারি না।

    ত্রিশা হঠাৎ আর্তকণ্ঠে চিৎকার করে ওঠে, তুমি কথা বলছ না কেন? কী হয়েছে রিকি?

    আমি তবু কোনো কথা বলতে পারি না

    ত্রিশা দুই পা এগিয়ে এসে হঠাৎ শ্যালক্স গ্রুনকে দেখতে পেল। সাথে সাথে সে পাথরের মূর্তির মতো স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে গেল, কে ওটা?

    শ্যালক্স গ্রুন প্রায় হাসি–হাসি মুখে বলল, আমার নাম শ্যালক্স গ্রুন, তুমি সম্ভবত আমার নাম শুনে থাকবে।

    ত্রিশা একটা চিৎকার করে ভয়ঙ্কর আতঙ্কে পিছনে ছুটে যেতে থাকে। সে দরজার কাছে। পৌঁছানোর আগেই ক্যাচক্যাচ করে গোল দরজাটা বন্ধ হয়ে গেল। সে দুই হাতে দরজায় আঘাত করতে করতে হঠাৎ আকুল হয়ে কাঁদতে শুরু করল।

    আমি আর সহ্য করতে পারলাম না, দুই হাতে নিজের মুখ ঢেকে ফেললাম। হায় ঈশ্বর, তুমি কেন পৃথিবীতে এত অবিচার জন্ম দাও? কেন?

    আমি আবার মাথা তুলে তাকালাম, শ্যালক্স গ্রুন শান্তমুখে তাকিয়ে আছে, মুখে এক ধরনের কোমল স্মিত হাসি। শুধুমাত্র সে-ই মনে হয় এ রকম হৃদয়হীন একটি পরিবেশেও এক ধরনের শান্তি খুঁজে পেতে পারে। শ্যালক্স গ্রুন হয়ে জন্ম নিতে হলে একজন মানুষকে কতটুকু নিষ্ঠুর হতে হয়?

    আমি উঠে দাঁড়ালাম, তারপর পায়ে পায়ে হেঁটে ত্রিশার দিকে এগিয়ে গেলাম। ত্রিশা বিকারগ্রস্তের মতো কাঁদছে, আমি পিছন থেকে তাকে ধরে সোজা করে দাঁড় করালাম, সে। ঘুরে দুই হাতে আমাকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে ফেলল। আমার বুকে মাথা গুঁজে সে হঠাৎ আকুল হয়ে কাঁদতে কাঁদতে বলল, রিকি তুমি আমাকে ছেড়ে যেয়ো না রিকি। আমাকে তুমি ছেড়ে যেয়ো না।

    আমি দুই হাতে তার মুখ স্পর্শ করে নিজের দিকে টেনে আনি, মাথার চুলে হাত বুলিয়ে আমি তার দিকে তাকালাম।

    কান্নাভেজা চোখে সে আকুল হয়ে আমার দিকে তাকাল। আমি হঠাৎ করে বুঝতে পারলাম এই মেয়েটি ত্রিশা নয়। এই মেয়েটি অবিকল ত্রিশার মতো দেখতে একটি রবোট। শ্যালক্স গ্রুনের নিষ্ঠুর পরীক্ষাটি কী হবে য়োমি সেটি বুঝতে পেরেছিল, ঠিক ত্রিশার মতো দেখতে একটি রবোট তৈরি করে রেখেছিল আগে থেকে। আমাকে জানায় নি ইচ্ছে করেই। হঠাৎ করে অনেক কিছু পরিষ্কার হয়ে যায় আমার কাছে।

    ত্রিশার মতো দেখতে রবোটটি আমার বুকের কাপড় ধরে আবার আকুল হয়ে কেঁদে ওঠে। তার দুঃখে ভেজা ব্যথাতুর আতঙ্কিত মুখটি দেখে কেন জানি না হঠাৎ আমার চোখে পানি এসে যায়। এই মেয়েটি হয়তো সত্যিকারের মানুষ নয়, কিন্তু তার কষ্টটি সত্যি, তার দুঃখ হতাশা আর আতঙ্কটুকু সত্যি। আমার জন্যে তার ভালবাসাটুকুও সত্যি। মানুষ হয়ে জন্ম হয় নি বলে তার দুঃখ কষ্ট হতাশা আর ভালবাসাকে পায়ে দলে একজন দানবের হাতে তুলে দেয়া হবে।

    আমি রবোট মেয়েটির মুখটি ধরে নিজের কাছে টেনে এনে তাকে গভীর ভালবাসায় চুম্বন করলাম। তাকে ফিসফিস করে বললাম, ত্রিশা, সোনামণি আমার, আমি আছি, আমি তোমার কাছে আছি। আমি সবসময় তোমার কাছে আছি–সবসময়–

    আমার বড় বিশ্বাস করতে ইচ্ছে হল যে আমি সত্যিই বুঝি থাকব ত্রিশার কাছে। হোক না সে রবোট তবুও তো সে ত্রিশা! আমার ভালবাসার ত্রিশা। কিন্তু আমি ত্রিশার কাছে থাকতে পারলাম না। শ্যালক্স গ্রুন পায়ে পায়ে আমাদের কাছে হেঁটে এল, ত্রিশাকে শক্ত করে ধরে রেখে সে গোল দরজাটি খুলে দিল। আমাকে বলল, যাও, শীতলঘরে গিয়ে ঘুমিয়ে পড়। এক শ বছর পর এসো, আমি তোমাকে তোমার ত্রিশাকে ফিরিয়ে দেব।

    ত্রিশা চিৎকার করে কাঁদছে। আমি তার দিকে পিছন ফিরে এগিয়ে গেলাম। আমার শরীর কাঁপছে, আমার চোখ থেকে পানি বের হয়ে আসছে, ইচ্ছে করছে পিছনে ছুটে গিয়ে ত্রিশাকে আঁকড়ে ধরে বলি, এস ত্রিশা তুমি আমার সাথে এস।

    কিন্তু আমি সোজা সামনে হেঁটে গেলাম, ফিসফিস করে নিজেকে বললাম, না, ওই মেয়েটি ত্রিশা নয়। ওই মেয়েটি একটি রবোট। রবোট। তুচ্ছ রবোট। আমি শুনতে পেলাম কাঁচক্যাচ শব্দ করে পিছনের দরজাটি বন্ধ হয়ে গেল।

    আমি সামনে তাকালাম, আবছা অন্ধকারে চার জন মানুষ দাঁড়িয়ে আছে, দূর থেকে ভালো বোঝা যায় না, কিন্তু আমি জানি তারা কে। ইগা হিশান, য়োমি আর নুবা। আমাকে দেখে তারা আমার কাছে ছুটে এল। য়োমি আমার হাত ধরে বলল, কী হয়েছে রিকি? তোমার চোখে পানি কেন?

    আমি চোখ মুছে বললাম, জানি না কেন। খুব কষ্ট হচ্ছে আমার ত্রিশার জন্যে। সে মানুষ নয় তবু আমার কষ্ট হচ্ছে। খুব কষ্ট হচ্ছে।

    য়োমি আমার হাত শক্ত করে ধরে রাখল

    আমরা পাঁচ জন একটা দেয়ালে হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে আছি। সামনে শ্যালক্স গ্রুনের কদাকার সময়–পরিভ্রমণ যানটি স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। তার কুরু ইঞ্জিন দুটি এখনো চালু করা হয় নি, আমরা রুদ্ধশ্বাসে অপেক্ষা করে আছি। যেই মুহূর্তে কুরু ইঞ্জিন দুটি চালু করা হবে সাথে সাথে সুপ্ত গোপন প্রোগ্রামটি জীবন্ত হয়ে উঠে খুব ধীরে ধীরে সময়–পরিভ্রমণ যানটির নিয়ন্ত্রণ নিতে শুরু করবে।

    প্রথমে একটা চাপা গুঞ্জন শুনতে পেলাম, তারপর কুরু ইঞ্জিন দুটিতে মৃদু কম্পন শুরু হল। আমি বুকের মাঝে আটকে রাখা একটা নিশ্বাস খুব সাবধানে বের করে দিই, শ্যালক্স গ্রুন ইঞ্জিন দুটিকে চালু করেছে। প্রতি মুহূর্তে এখন একটু একটু করে সময়–পরিভ্রমণ যানের নিয়ন্ত্রণ তার হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছে। আস্তে আস্তে কুরু ইঞ্জিনের ভয়ঙ্কর গর্জন শোনা যেতে থাকে। থরথর করে মাটি কাঁপতে থাকে, আয়োনিত গ্যাস প্রচণ্ড বেগ বের হতে শুরু করেছে পিছন দিয়ে। আগুনের লেলিহান শিখায় চারদিক ঢেকে যেতে শুরু করেছে, কালো ধোঁয়া পাক খেয়ে খেয়ে উপরে উঠছে।

    সময়–পরিভ্রমণ যানটি আস্তে আস্তে মাটি থেকে উপরে উঠে আসছে, মনে হতে থাকে বিশাল একটি কীট বুঝি গা ঝাড়া দিয়ে ওঠার চেষ্টা করছে। প্রচণ্ড শব্দে কানে তালা লেগে যায়, তার মাঝে সময়–পরিভ্রমণ যানটি আস্তে আস্তে উপরে উঠে যাচ্ছে, গতিবেগ বেড়ে যাচ্ছে ধীরে ধীরে, আমি নিশ্বাস বন্ধ করে তাকিয়ে থাকি। আর কয়েক মুহূর্ত পর সময় পরিভ্রমণ যানটি পৃথিবীর আকর্ষণ ছিন্ন করে মহাকাশে ছুটে যাবে। শ্যালক্স গ্রুন এখনো জানে না সে সময়–পরিভ্রমণ করবে না–তার পরিভ্রমণ হবে দূরত্বে। সে পৃথিবী, সৌরজগৎ পার হয়ে চলে যাবে দূর কোনো এক নক্ষত্রের দিকে। তার বুকের ভিতর সিলাকিত ক্যাপসুলে থাকবে এক ভয়াবহ ভাইরাস। তার কাছাকাছি থাকবে তিশা। রবোটের অবয়বে তৈরী আমার ভালবাসার ত্রিশা। আমি আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকি, সময়–পরিভ্রমণ যানের কুরু ইঞ্জিন থেকে আয়োনিত গ্যাস বের করে সেটা উপরে উঠে যাচ্ছে, খুব ধীরে ধীরে দিক পরিবর্তন করতে শুরু করেছে, পৃথিবীর আবর্তনের সাথে সাথে গতিবেগের সামঞ্জস্য আনার জন্যে। আকস্মিক কোনো বিস্ফোরণে ধ্বংস না হয়ে গেলে আর কেউ এখন শ্যালক্স গ্রুনকে ফিরিয়ে আনতে পারবে না। কোনোদিন ফিরিয়ে আনতে পারবে না। পৃথিবীর একটা অশুভ স্বপ্ন ধীরে ধীরে অদৃশ্য হয়ে যাচ্ছে মহাকাশে।

    আমরা সবাই খুব সাবধানে বুক থেকে একটা নিশ্বাস বের করে দিলাম। সত্যিই কি পৃথিবীকে রক্ষা করা হয়েছে? নুবা দেয়াল স্পর্শ করে খুব সাবধানে ঘাসের উপর বসে পড়ল। মাথা ঘুরিয়ে আমাদের সবার দিকে তাকাল, তারপর কাঁপা গলায় বলল, আমরা কি বেঁচে গেছি?

    ইগা তার ঘড়ির দিকে তাকাল, তারপর আকাশের দিকে তাকিয়ে নরম গলায় বলল, হা নুবা আমরা বেঁচে গেছি।

    আমরা তাহলে পৃথিবীকে রক্ষা করেছি?

    হ্যাঁ। আমরা পৃথিবীকে রক্ষা করেছি।

    তাহলে আমরা আনন্দ করছি না কেন?

    কেউ কোনো কথা বলল না। য়োমি একটা নিশ্বাস ফেলে বলল, নুবা, আমি জানি না কেন আমরা আনন্দ করছি না।

    ইগা একটু হেসে বলল, চল কন্টোলঘরে যাই। নিজের চোখে যদি শ্যালক্স গ্রুনকে দেখতে পাই হয়তো তখন সত্যি সত্যি বিশ্বাস হবে। তখন হয়তো আমরা আনন্দ করতে পারব।

    কাছাকাছি একটা ছোট সেলে তাড়াহুড়া করে কন্ট্রোলঘরটি তৈরি হয়েছে। স্বচ্ছ দেয়াল সরিয়ে আমরা ভিতরে ঢুকে গেলাম। দেয়ালে একটি বড় স্ক্রিন ছাড়া কিছু নেই। হঠাৎ করে দেখে এটাকে কন্ট্রোলঘর মনে হয় না। ইগা ছোট একটা সুইচ স্পর্শ করতেই স্ক্রিনটা আলোকিত হয়ে আসে, মাঝামাঝি একটা লাল বিন্দু জ্বলছে এবং নিভছে। নুবা জিজ্ঞেস করল, এটা কী?

    শ্যালক্স গ্রুনের সময়–পরিভ্রমণ যান।

    ভিতরে কি দেখা যাবে?

    পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ নেয়ার পর দেখা যাবে।

    যোগাযোগের জন্যে কী ব্যবহার করা হবে?

    য়োমি এগিয়ে এসে বলল, ত্রিশার মতো দেখতে যে রবোটটি পাঠিয়েছি তার সাথে রয়েছে মাইক্রো কমিউনিকেশন মডিউল। যেসব ছবি পাঠানো হবে তার রিজলিউশন খুব ভালো হবে না আগেই বলে রাখছি।

    আমরা স্ক্রিনটির দিকে তাকিয়ে রইলাম, হঠাৎ সেখানে কিছু তরঙ্গ খেলা করতে থাকে। য়োমি চাপা গলায় বলল, এখন ভিতরে দেখা যাবে। কমিউনিকেশন মডিউল কাজ করতে শুরু করেছে।

    নুবা বলল, রিকি তুমি সামনে যাও। কথা বল।

    আমি?

    হ্যাঁ। শুধু তুমিই শ্যালক্স গ্রুনের সাথে কথা বলেছ। যাও।

    আমি স্ক্রিনের সামনে এগিয়ে গেলাম, খুব ধীরে ধীরে সেখানে একটা ছবি ভেসে উঠেছে। আমি বড় একটা করিডোর দেখতে পেলাম, সামনে কিছু ছোট ছোট স্ক্রিনের সামনে ঝুঁকে দাঁড়িয়ে আছে শ্যালক্স গ্রুন। তার ভুরু কুঞ্চিত, মুখে গভীর একটা উদ্বেগের ছাপ। সে কিছু একটা স্পর্শ করে কয়েকটা বোতাম টিপতে থাকে, ছোট মাইক্রোফোনে কিছু একটা কথা বলে সোজা হয়ে দাঁড়ায়, আমি দেখতে পেলাম তার মুখ রক্তশূন্য, সেখানে এক ধরনের অমানুষিক আতঙ্ক। আমি ডাকলাম, শ্যালক্স গ্রুন।

    পৃথিবী থেকে বহুদূরে চলে গেছে, আমার কথা পৌঁছুতে একটু সময় লাগল কিন্তু যখন আমার কথা শুনতে পেল সে বিদ্যুৎস্পৃষ্টের মতো চমকে উঠে চিৎকার করে বলল, কে?

    আমি।

    আমি কে?

    রিকি।

    রিকি? রিকি!

    হ্যা শ্যালক্স গ্রুন, তুমি হেরে গেছ। আমাদের কাছে তুমি হেরে গেছ। তোমাকে ত্রিনিত্রি রাশিমালা দেয়া হয় নি। অর্থহীন কিছু সংখ্যা নিয়ে তুমি এখন মহাকাশে উড়ে যাচ্ছ। বৃহস্পতি গ্রহের কাছে দিয়ে তুমি উড়ে যাবে সৌরজগতের বাইরে।

    না। শ্যালক্স গ্রুন ছুটে গিয়ে তার কন্ট্রোল প্যানেলে ঝুঁকে পড়ে। হাত দিয়ে আঘাত করতে করতে চিৎকার করতে থাকে। আমরা একদৃষ্টে তাকিয়ে ছিলাম, ভয়ঙ্কর মুখ করে সে ঘুরে তাকায়। তারপর হিসহিস করে বলল, ত্রিশা, ত্রিশাকে অষ্টম তোমার সামনে খুন করব। খুন করব।

    আমরা প্রথমবার ত্রিশাকে দেখতে পেলাম। স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। তার মুখে আর ভয় নেই। তার কপোট্রনে পুরোনো স্মৃতি মুছে ফেলে এখন নতুন স্মৃতি লেখা হচ্ছে। ভালবাসাহীন এক স্মৃতি। আতঙ্কহীন এক স্মৃতি। নিষ্ঠুর প্রতিশোধের এক স্মৃতি। আমি ফিসফিস করে বললাম, শ্যালক্স গ্রুন! তুমি ত্রিশাকে স্পর্শ করবে না। তুমি স্পর্শ করতে পারবে না।

    শ্যালক্স গ্রুন ঘুরে ত্রিশার দিকে তাকায় এবং হঠাৎ করে তার মুখ আতঙ্কে কদর্য হয়ে যায়। সে নিজের বুক স্পর্শ করে এক পা পিছিয়ে যায়। একটু আগে যে ত্রিশা ছিল সে আর ত্রিশা নয়, তার চোখ জ্বলছে, হাত থেকে বের হয়ে এসেছে ধারালো ধাতব ছোরা। ছায়ামূর্তিটি শ্যালক্স গ্রুনের দিকে এগিয়ে যায়–

    না না না_শ্যালক্স গ্রুন আতঙ্কে চিৎকার করে পিছনে সরে যেতে থাকে। মানুষটি নিষ্ঠুর অমানবিক, তার ভিতরে ভালবাসার কোনো চিহ্ন নেই। কিন্তু মানুষের প্রাচীনতম অনুভূতি ভীতি তার বুকের ভিতর লুকিয়েছিল সে জানত না।

    আমি স্ক্রিন থেকে চোখ সরিয়ে নিয়ে বললাম, আমি আর দেখতে পারছি না, তোমরা কেউ স্ক্রিনটি বন্ধ করে দেবে?

    ইগা হাত বাড়িয়ে কী একটা স্পর্শ করতেই স্ক্রিনটা অন্ধকার হয়ে গেল। য়োমি চাপা গলায় বলল, হ্যাঁ স্ক্রিনটা বন্ধ করে দাও। রবোটের ওপর নির্দেশ দেয়া আছে শ্যালক্স গ্রুনের শরীর থেকে ভাইরাসের এম্পুলটা বের করার দৃশ্যটি মনে হয় না আমি সহ্য করতে পারব।

    নুবা একটা নিশ্বাস নিয়ে পিছনে সরে গিয়ে বলল, মানুষটিকে হত্যা না করে কি এম্পুলটা বের করা যেত না?

    হয়তো যেত। য়োমি নুবার দিকে তাকিয়ে বলল, আমি তার চেষ্টা করি নি। আমি খুব প্রতিহিংসাপরায়ণ মানুষ। মানুষের জগতে এই দানবটির বেঁচে থাকার কোনো অধিকার নেই।

    আমরা ছোট কন্ট্রোলঘর থেকে বের হয়ে এলাম। দূরে একটা বাই ভার্বাল নেমেছে। তার ভিতর থেকে বেশ কয়েকজন মানুষ হেঁটে হেঁটে আমাদের দিকে এগিয়ে আসছে, সবার সামনে ইয়োরন রিসি। আমরা তার দিকে হেঁটে যেতে থাকি।

    মহামান্য ইয়োরন রিসি এক জন এক জন করে আমাদের প্রত্যেককে আলিঙ্গন করে বললেন, পৃথিবীর পক্ষ থেকে তোমাদের অভিনন্দন। এই পৃথিবী যতদিন বেঁচে থাকবে ততদিন তোমাদের কাছে ঋণী হয়ে থাকবে।

    নুবা নরম গলায় বলল, আমার ধৃষ্টতা ক্ষমা করবেন মহামান্য ইয়োরন রিসি, কিন্তু আপনি একটু অতিরঞ্জন করেছেন। আপনার আদেশে আমরা কয়েকটা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, তার বেশি কিছু নয়! সব কাজ করেছে পৃথিবীর অসংখ্য মানুষ। অসংখ্য বিজ্ঞানী, অসংখ্য ইঞ্জিনিয়ার, অসংখ্য প্রতিভাবান শ্রমিক।

    য়োমি মাথা নেড়ে বলল, নুবা একটুও বাড়িয়ে বলে নি। আটচল্লিশ ঘণ্টার মাঝে আমাকে একটা রবোট তৈরি করে দিয়েছে। নিখুঁত রবোট, রিকির মতো মানুষ সেই রবোট দেখে বিভ্রান্ত হয়ে গিয়েছিল!

    ইগা মাথা নেড়ে বলল, আর কুরু ইঞ্জিনের সেই ব্যাপারটা। আমরা নিজেরা কি সেটা কখনো করতে পারতাম? সময়–পরিভ্রমণকে পাল্টে দূরত্ব–পরিভ্রমণ করে ফেলা? আমি নিজে তো বিজ্ঞান শিখেছি গত দু দিনে!

    নুবা বলল, তার ওপর একটি নকল ত্রিনিত্রি রাশিমালা তৈরি করে দেয়া–যেটি সত্যিকারের রাশিমালার কাছাকাছি কিন্তু সত্যিকারের নয়।

    হিশান হেসে বলল, সবচেয়ে চমৎকার হয়েছে কৃত্রিম পারমাণবিক বিস্ফোরণ, একেবারে তেজস্ক্রিয়তা থেকে শুরু করে শক ওয়েভ, বাতাসের ঝাঁপটা, শ্যালক্স গ্রুন এতটুকু সন্দেহ করে নি!

    ইয়োররন রিসি মাথা নাড়লেন, তোমাদের কথা সত্যি। পৃথিবীর অসংখ্য মানুষ তোমাদের সাহায্য করেছে। কিন্তু সত্যিকারের কাজটি করেছ তোমরা। আমি সেটা জানি, তোমরাও সেটা জান!

    কিন্তু–

    আমি পৃথিবীর বিজ্ঞান পরিষদের মহাপরিচালক, আমার আদেশ তোমরা আমার সাথে এই ব্যাপারটি নিয়ে তর্ক করবে না!

    আমরা তার কথায় হেসে ফেললাম, মানুষটির মাঝে এক ধরনের বিস্ময়কর সারল্য রয়েছে যেটা অন্য কোনো মানুষের মাঝে দেখি নি।

    ইয়োরন রিসি নরম গলায় বললেন, পুরো ব্যাপারটি নিয়ে কাজ করতে গিয়ে তোমাদের স্নায়ুর উপর নিশ্চয়ই অসম্ভব চাপ পড়েছে। এখন তোমাদের প্রয়োজন বিশ্রাম। আমি কি তোমাদের কোনোভাবে সাহায্য করতে পারি?

    আমি ইয়োরন রিসির দিকে তাকালাম। বললাম, পারেন মহামান্য ইয়োরন রিসি।

    তুমি বল রিকি, তুমি কী চাও।

    আমি আমার পকেটে হাত দিয়ে লাল কার্ডটি বের করে ইয়োরন রিসির দিকে এগিয়ে দিয়ে বললাম, আমার এই কার্ডটি আপনি ফিরিয়ে নেবেন।

    ইয়োরন রিসি কোমল চোখে খানিকক্ষণ আমার দিকে তাকিয়ে রইলেন। তারপর বললেন, ঠিক আছে রিকি, সেটাই যদি তোমার ইচ্ছে।

    ইয়োরন রিসি কার্ডটি নেবার জন্যে হাত বাড়ালেন। সাথে সাথে ইগা, হিশান, য়োমি আর নুবা তাদের নিজেদের লাল কার্ডগুলো বের করে তার দিকে এগিয়ে দেয়। ইয়োরন রিসি খানিকক্ষণ তাদের দিকে তাকিয়ে থেকে হাসতে হাসতে বললেন, পৃথিবীর একেক জন মানুষ এই লাল কার্ডের জন্যে নিজেদের প্রাণ দিয়ে দেবে আর তোমরা অবহেলায় সেটা ফিরিয়ে দিচ্ছ?

    ইগা একটা নিশ্বাস ফেলে বলল, আমরা হয়তো এই পৃথিবীর উপযুক্ত মানুষ নই মহামান্য রিসি। হয়তো কিছু গোলমাল আছে আমাদের!

    ইয়োরন রিসি মাথা নাড়লেন, হ্যাঁ, নিশ্চয়ই কিছু একটা গোলমাল আছে।

    ১১.

    দীর্ঘ লিফটে করে আমি মাটির নিচে সুড়ঙ্গে নেমে এসেছি। শেষবার যখন এসেছিলাম আমার কাছে লাল কার্ড ছিল, আমি যেখানে ইচ্ছে যেতে পারতাম। এখন আমার কাছে সেই লাল কার্ড নেই, মানুষের ভিড়ে ধাক্কাধাক্কি করে আমাকে নিচে নামতে হয়েছে। আমি প্রোগ্রামিং ফার্মের বাইরে গেটের কাছে দাঁড়িয়ে রইলাম। ভিতরে এক শিফটের কাজ শেষ হয়েছে, শ্রমিকেরা একে একে বের হয়ে আসছে। তাদের চোখেমুখে ক্লান্তি, তাদের পোশাক ধুলায় ধূসর। আমি তীক্ষ্ণ চোখে তাদের দিকে তাকিয়ে থেকে ত্রিশাকে খুঁজতে থাকি। দাঁড়িয়ে থেকে–থেকে আমি যখন প্রায় হাল ছেড়ে দিচ্ছিলাম ঠিক তখন ত্রিশা বের হয়ে এল, তার পরনে হালকা নীল পোশাক, তার মাথায় একটা লাল রুমাল শক্ত করে বাঁধা।

    আমি ভিড় ঠেলে সামনে ছুটে গেলাম, চিৎকার করে ডাকলাম, ত্রিশা ত্রিশা—

    ত্রিশা চমকে ঘুরে তাকাল, আমাকে দেখে এক মুহূর্ত দ্বিধা করে সে হঠাৎ আমার দিকে এগিয়ে আসে। আমার দিকে অবাক হয়ে তাকিয়ে থেকে বলল, রিকি। তুমি?

    হ্যাঁ, ত্রিশা আমি। তুমি ভালো আছ?

    ত্রিশা মাথা নাড়ল, ভালো। খানিকক্ষণ চুপ করে থেকে হঠাৎ করে বলল, আমি কয়দিন থেকে তোমার কথা ভাবছিলাম।

    সত্যি?

    হ্যাঁ। খুব একটা অবাক ব্যাপার হয়েছিল দুদিন আগে।

    কী অবাক ব্যাপার?

    চার জন মানুষ এসেছিল আমার সাথে দেখা করতে। দুজন পুরুষ দুজন মহিলা। বয়স খুব বেশি নয়, সবাই প্রায় আমাদের বয়সী। কিন্তু তারা ছিল খুব গুরুত্বপূর্ণ মানুষ।

    সত্যি?

    হ্যাঁ। তুমি বিশ্বাস করবে না তাদের কী আশ্চর্য ক্ষমতা! যেটা করতে চায় সেটাই তারা করতে পারে। যেখানে ইচ্ছে যেতে পারে।

    আমি আমার মুখে অবাক হবার একটা চিহ্ন ফোঁটাতে চেষ্টা করতে থাকি। ত্রিশা চোখ বড় বড় করে বলল, তারা আমাকে নিয়ে গিয়েছিল একটা রবোটের ফার্মে।

    সত্যি?

    হ্যাঁ। সারারাত কথা বলল আমার সাথে। তোমার কথা জিজ্ঞেস করল অনেকবার। যখন আমি চলে আসছিলাম তখন ফার্মের লোকজন এসে আমার অনেকগুলো ছবি তুলল, আমার শরীরের মাপ নিল। সবশেষে আমার মস্তিষ্ক স্ক্যান করল।

    আমি আমার মুখে বিস্ময় ফোঁটানোর চেষ্টা করতে থাকি। ত্রিশা মাথা নেড়ে বলল, একটা ব্যাপার জান?

    কী?

    ওই চার জন মানুষের সাথে আর তোমার সাথে কী একটা মিল রয়েছে।

    মিল?

    হ্যাঁ, আমি ঠিক ধরতে পারছি না মিলটুকু কোথায় কিন্তু কিছু একটা মিল আছে। সেই থেকে আমার কেন জানি শুধু তোমার কথা মনে হচ্ছে!

    ত্রিশা হঠাৎ ঘুরে আমার দিকে তাকাল, খানিকক্ষণ আমার চোখের দিকে তাকিয়ে থেকে বলল, তুমি ওই চার জন মানুষকে চেন রিকি?

    আমি খানিকক্ষণ ত্রিশার চোখের দিকে তাকিয়ে থেকে বললাম, হ্যাঁ ত্রিশা। আমি তাদের চিনি।

    তুমি–তুমি ঠিক ওদের মতো একজন?

    হ্যাঁ ত্রিশা, আমি ঠিক তাদের মতো একজন।

    ত্রিশা অনেকক্ষণ চুপ করে থেকে বলল, তুমি আমাকে কখনো তোমার নিজের কথা বল নি, তাই না?

    আমি বলি নি কারণ আমি জানতাম না ত্রিশা। আর জানলেও বিশ্বাস করতাম না।

    ত্রিশা আমার হাত ধরে বলল, তুমি বলবে তোমার কথা?

    তুমি শুনবে?

    শুনব।

    আমি ত্রিশাকে হাত দিয়ে আঁকড়ে ধরে বললাম, ঠিক আছে আমি বলব। তুমি বিশ্বাস করবে না তবু আমি বলব।

    আমি সবসময় তোমার কথা বিশ্বাস করব রিকি।

    ত্রিশা আমার দিকে তাকিয়ে খুব সাবধানে তার চোখের পানি মুছে নেয়।

    .

    দক্ষিণের পাহাড়ি অঞ্চলের একটি ছোট স্কুলে বাচ্চাদের পড়ানোর দায়িত্ব নিয়ে আমি আর ত্রিশা শহর ছেড়ে চলে এসেছি। ছোট কাঠের একটা বাসা আছে আমাদের। শীতের বিকেলে যখন তুষার পড়তে থাকে জানালার পাশে, আগুনের উষ্ণতায় বসে আমরা জানালার বাইরে তাকিয়ে থাকি। আমাদের ছোট ছেলেটি ঘরে হামাগুড়ি দিয়ে হাঁটতে থাকে– অসম্ভব দুরন্ত একটি শিশু হয়ে বড় হচ্ছে সে।

    নুবা, য়োমি, ইগা আর হিশানের সাথে আমার ভালো যোগাযোগ নেই। শুধু বছরে একবার আমরা কোথাও এসে একত্র হই, নুবা তার ভালোমানুষ হাসিখুশি স্বামীটিকে নিয়ে আসে। হিশানের সাথে আসে তার কমবয়সী বান্ধবী। য়োমি এখনো একা, আমার কেন জানি মনে হয় সারাজীবন সে একাই থাকবে। ইগার সাথে একেকবারে একেকজন আসে, কমবয়সী অপূর্ব সুন্দরী কোনো মেয়ে! আমি ত্রিশাকে নিয়ে যাই।

    ত্রিশাকে তারা সবাই খুব ভালো করে চেনে, মাঝে মাঝে মনে হয় বুঝি আমার থেকেও ভালো করে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআবারো টুনটুনি ও আবারো ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    Next Article আমি তপু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    Related Articles

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    ছোটগল্প – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সাদাসিধে কথা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মেকু কাহিনী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    আমার বন্ধু রাশেদ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ১ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    টুনটুনি ও ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }