Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ২ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল এক পাতা গল্প892 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৯. সানি একটা উঁচু বেঞ্চে শুয়ে আছে

    সানি একটা উঁচু বেঞ্চে শুয়ে আছে, তার উপর উবু হয়ে ঝুঁকে পরীক্ষা করছে ষুন। ষুনের মাথার উপর নানা ধরনের যন্ত্রপাতি, পাশে বড় বড় মনিটর। একটা দশ বছরের শিশুর যেটুকু শান্ত হওয়ার কথা, সানি তার থেকে অনেক বেশি শান্ত। যুনের কথামতো সে দীর্ঘ সময় বেঞ্চে চুপচাপ শুয়ে রয়েছে। সত্যি কথা বলতে কী, তার হাবভাব চালচলনে একজন বয়স্ক মানুষের ছাপ খুব স্পষ্ট।

    রিশান আর নিডিয়া বেশ খানিকটা দূর থেকে সানি এবং সুনকে লক্ষ করছিল। ষুন তৃতীয়বারের মতো সানির রক্ত পরীক্ষা করে অস্পষ্টভাবে মাথা নাড়ল, কিছু একটা হিসাব সে মিলাতে পারছে না। রিশান নিচু গলায় নিডিয়াকে জিজ্ঞেস করল, কিছু একটা গোলমাল হচ্ছে?

    হা। নিডিয়া মাথা নাড়ে। সানির শরীরে গ্রুনির বিরুদ্ধে একটা প্রতিষেধক থাকার কথা, সেটা পাচ্ছে না।

    ও! রিশান খানিকক্ষণ চুপ করে থেকে বলল, তুমি কি সানি সম্পর্কে কিছু জান? কোথা থেকে এসেছে, কী বৃত্তান্ত?

    হ্যাঁ। কাল রাতে পড়ছিলাম। এই বসতিতে নারা নামে একটা মেয়ে থাকত, খুব সাহসী মেয়ে। যখন বুঝতে পারল দীর্ঘ সময় এই বসতিতে থাকতে হবে তখন সে খুব একটা সাহসের কাজ করল।

    ভ্রূণ ব্যাংক থেকে একটা বাচ্চা নিয়ে নিল?

    না, সেটা তো খুব সাহসের কাজ হল না। সে ঠিক করল নিজের শরীরে একটা বাচ্চা করবে। আগে যেরকম করে করা হত।

    সত্যি?

    হ্যাঁ। তারপর সে নিজের শরীরে একটা ক্ৰণ বসিয়ে সেই শিশুটির জন্ম দিল। সেই শিশুটি হচ্ছে সানি।

    কী আশ্চর্য! রিশান অবাক হয়ে মাথা নাড়ে–এও কি সম্ভব? পৃথিবীতেও তো মানুষ আজকাল সন্তান গর্ভধারণ করে না।

    হ্যাঁ, কিন্তু নারা নামের এই মেয়েটি করেছিল। বাচ্চাটি জন্ম হবার পর মেয়েটির জীবন পাল্টে গেল–কী যে আনন্দে ছিল পরের তিন বছর! নিডিয়া বিষণ্ণ চোখে মাথা নেড়ে বলল, তিন বছর পর মেয়েটি মারা গেল, বাচ্চাটি একা একা বড় হয়েছে তারপর। একজন একজন করে সব মানুষ মারা গেল, তারপর বাচ্চাটি আরো একা হয়ে গেল। চারটি অপ্রকৃতিস্থ রবোট আর এই বাচ্চাটি! কী ভয়াবহ ব্যাপার–

     

     

    রিশান আবার তাকাল, বেঞ্চে সানি চুপচাপ শুয়ে আছে, তার উপর ষুন খুব চিন্তিত মুখে উবু হয়ে ঝুঁকে আছে। গ্রুনির বিরুদ্ধে যে প্রতিষেধকটি তার শরীরে পাওয়া যাবে বলে সবাই ভেবেছিল সেটি তার শরীরে নেই। ষুন হতচকিতভাবে খানিকক্ষণ একটা মনিটরের দিকে তাকিয়ে থেকে আবার আরো কিছু যন্ত্রপাতি নিয়ে সানির দিকে এগিয়ে যায়।

    রিশান নিডিয়ার দিকে তাকিয়ে বলল, সানির মায়ের নাম ছিল নারা?

    হ্যাঁ।

    তার কি কোনো ছবি আছে?

    হ্যাঁ, মূল তথ্যকেন্দ্রে তার ছবি আছে। কেন?

    আমি, আমি একটু দেখতে চাই।

    নিডিয়া উঠে দাঁড়াল, বলল, এস আমার সাথে।

     

     

    সিঁড়ি দিয়ে উঠতে উঠতে রিশান হঠাৎ দাঁড়িয়ে গেল, নিডিয়া অবাক হয়ে বলল, কী হল থামলে কেন?

    আমার একটা কথা মনে পড়েছে।

    কী কথা?

    মনে আছে প্রথম যখন আমরা এসেছিলাম তখন আমরা শীতলঘরে গিয়ে দেখেছিলাম সবগুলো মৃতদেহ পাশাপাশি দাঁড় করানো আছে?

    হ্যাঁ। তার মাঝে একটা নিশ্চয়ই নারা।

    হ্যাঁ

    রিশান কয়েক মুহূর্ত চুপ করে থেকে বলল, আমি সেই ঘরটিতে আরেকবার যেতে চাই।

     

     

    কেন?

    মৃতদেহগুলো আরেকবার দেখতে চাই

    নিডিয়া খানিকক্ষণ রিশানের দিকে তাকিয়ে থেকে বলল, চল।

    শীতলঘরটিতে যাওয়া পর্যন্ত কেউ কোনো কথা বলল না। ঘরটির সামনে দাঁড়িয়ে দুজনেই একটু দ্বিধা করতে থাকে, শেষ পর্যন্ত রিশান একটা বড় নিশ্বাস নিয়ে বলল, এস নিডিয়া, আমি একা ভিতরে যেতে চাই না।

    ভারি দরজাটা ঠেলে দুজনে ভিতরে ঢোকে, ভিতরে তাপমাত্রা অনেক কম; কিন্তু মহাকাশচারীর পোশাক পরে থাকায় দুজনের কেউ সেটা বুঝতে পারে না। মৃতদেহগুলো। পাশাপাশি দাঁড়িয়ে আছে, দেখে মনে হয় হঠাৎ বুঝি সবগুলো একসাথে জেগে উঠে এগিয়ে আসবে। রিশান কয়েক পা এগিয়ে যায়। চোখের সামনে কাঁচে জমে থাকা জলীয় বাষ্পটুকু পরিষ্কার করে সে তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে মৃতদেহগুলো ঘুঁটিয়ে ঘুঁটিয়ে দেখতে থাকে। প্রথম দুজন পুরুষ, তারপর একটি মেয়ে, তারপর আরো একজন পুরুষ। তারপর দুটি মেয়ে এবং তারপর আরেকজন পুরুষ। এই পুরুষটির পাশে দাঁড়ানো একটি মেয়ে এবং রিশান মেয়েটির মুখের দিকে তাকিয়ে পাথরের মতো জমে গেল।

     

     

    নিডিয়া একটু এগিয়ে এসে জিজ্ঞেস করল, কী হয়েছে রিশান?

    রিশান হাত তুলে কাঁপা গলায় বলল এই কি নারা?

    নিডিয়া অবাক হয়ে বলল, কিন্তু তুমি কেমন করে বুঝতে পারলে?

    আমি যখন সানির খোঁজে বের হয়েছিলাম তখন একে দেখেছি।

    নিডিয়া চমকে উঠে বলল, কী বললে? একে দেখেছ?

    হ্যাঁ। স্পষ্ট দেখেছি, দুবার

    তোমার চোখের ভুল কিংবা দৃষ্টিবিভ্রম।

    হতে পারে, কিন্তু দৃষ্টিবিভ্রম হয়ে এই মেয়েটিকে কেন দেখব?

     

     

    জানি না। আমি জানি না। নিডিয়া মাথা নেড়ে বলল, চল এই ঘর থেকে বের হয়ে যাই। এই ঘরের ভিতরে আমার ভালো লাগে না।

    চল যাই।

    দুজনে কোনো কথা না বলে ঘর থেকে বের হয়ে হাঁটতে থাকে। সিঁড়ির কাছাকাছি এসে রিশান বলল, আমি যখন দ্বিতীয়বার এই মেয়েটিকে দেখেছি তখন তার ছবি তুলে রেখেছি।

    কোথায় সেই ছবি?

    নিশ্চয়ই আমার তথ্যকেন্দ্রে আছে

    আমাকে দেখাও, আমি দেখতে চাই।

    রিশান বুকের কাছাকাছি একটা সুইচ স্পর্শ করতে গিয়ে থেমে গিয়ে বলল, আমার একটু ভয় করছে। যদি দেখতে পাই কিছু নেই?

     

     

    নিডিয়া একটা নিশ্বাস ফেলে বলল, ভয় পাওয়ার সময় পার হয়ে গেছে রিশান। তুমি ছবিটা বের কর

    রিশান ছবিটা বের করল এবং রিশানের সাথে সাথে নিডিয়াও সবিস্ময়ে দেখল ছবিতে। সাদা একটি ছায়ামূর্তি স্থির চোখে তাদের দিকে তাকিয়ে আছে। ছবিটি কিংবা ছায়ামূর্তিটি খুব স্পষ্ট নয়; কিন্তু সেটি যে নারার ছায়ামূর্তি সে ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই। দুজন কয়েক মুহূর্ত কোনো কথা বলল না, রিশান অনুভব করল আতঙ্কের একটা বিচিত্র অনুভূতি তার মেরুদণ্ড দিয়ে বয়ে যাচ্ছে। নিডিয়া রিশানের দিকে তাকিয়ে বলল, আমার মনে হয় ব্যাপারটি সবাইকে জানানোর প্রয়োজন আছে।

    হ্যাঁ, চল নিচে যাই।

    নিচে বড় হলঘরটিতে চারটি রবোট পাশাপাশি বসেছিল। সানিকে নিয়ে পরীক্ষা শেষ হয়েছে, সে একটা গোল জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে আছে। ষুন চিন্তিত মুখে হাতে একটা ছোট ক্রিস্টাল ডিস্ক নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিল। রিশান এবং নিডিয়াকে দেখে একটু এগিয়ে এসে বলল, আমি সানিকে খুব ভালো করে পরীক্ষা করে দেখেছি–অস্বাভাবিক কিছু পেলাম না। সে ঠিক অন্য সব মানুষের মতো

     

     

    তাকে ইচ্ছে করলেই গ্রুনি আক্রমণ করতে পারে?

    হ্যাঁ। কিন্তু কোন এক অজ্ঞাত কারণে তাকে এখন পর্যন্ত আক্রান্ত করছে না?

    না। রিশান সানির দিকে খানিকক্ষণ তাকিয়ে থেকে বলল, আমরা এখন পর্যন্ত যেসব ব্যাপার ঘটতে দেখেছি তার থেকে একটা জিনিস পরিষ্কারভাবে বোঝা যায়, গ্রুনি অত্যন্ত নিম্ন শ্রেণীর একটা জীবাণুবিশেষ; কিন্তু একটা খুব বুদ্ধিমান প্রাণী তাকে নিয়ন্ত্রণ করে। সানি যে এই জীবাণু দিয়ে আক্রান্ত হচ্ছে না তার কারণ সেই বিশেষ বুদ্ধিমান প্রাণী তাকে আক্রান্ত করতে চায় না।

    ষুন ভুরু কুঁচকে বলল, আমি জানি না তুমি কেন এই কথা বলছ। অসংখ্যবার এই গ্রহকে তন্ন তন্ন করে খোজা হয়েছে, গ্রুনি ছাড়া আর কিছু পাওয়া যায় নি। এই গ্রহের একমাত্র জীবন্ত প্রাণী হচ্ছে গ্রুনি। গ্রুনি একটা জীবাণু ছাড়া কিছু নয়, তার বুদ্ধিমত্তা থাকার কোনো প্রশ্নই আসে না।

    আমি সেটা নিয়ে এখন কিছু বলতে চাই না ষুন। কিন্তু আমি যখন সানিকে খুঁজতে গিয়েছিলাম তখন কী দেখেছি তুমি শুনলে অবাক হয়ে যাবে। আমি তার ছবি তুলে এনেছি, নিডিয়া সেই ছবি দেখেছে।

     

     

    কিসের ছবি?

    রিশান সানির দিকে তাকাল, সে তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে তাদের দিকে তাকিয়ে আছে। রিশান একটু ইতস্তত করে কিছু একটা বলতে যাচ্ছিল, ঠিক তখন ঘরঘর করে কোয়ারেন্টাইন ঘরের দরজা খুলে লি–রয় বড় হলঘরটিতে ঢুকল। মহাকাশচারীর পোশাকের মাঝে তার চেহারাতে এক ধরনের বিচলিত ভাব।

    রিশান লি–রয়ের দিকে ঘুরে তাকিয়ে বলল, কী খবর লি–রয়?

    আমি স্কাউটশিপটা দেখতে গিয়েছিলাম। তোমরা বিশ্বাস করবে না সেখানে কী হয়েছে।

    কী?

    খুব যত্ন করে কেউ একজন নিয়ন্ত্রণ মডিউলের মূল ভরকেন্দ্রটি নষ্ট করেছে। মহাকাশযান থেকে আরেকটা না আনা পর্যন্ত স্কাউটশিপটা চালানোর কোনো উপায় নেই।

     

     

    কেউ কিছুক্ষণ কোনো কথা বলল না। হঠাৎ সানি একটু এগিয়ে এসে বলল, তোমার কি মাথা ব্যথা করছে?

    লি–রয় অবাক হয়ে সানির দিকে তাকিয়ে বলল, হ্যাঁ। তুমি কেমন করে বুঝতে পারলে।

    সানি লি–রয়ের প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে পাল্টা প্রশ্ন করল, তোমার কি মাথার বাম পাশে বেশি ব্যথা করছে।

    লি–রয় একটু অস্বস্তির সাথে ডান হাতটা উপরে তুলে বলল, হ্যাঁ মাথার বাম পাশে চিনচিন করে ব্যথা করছে?

    ডান হাতটা কি তোমার অবশ লাগছে?

    লি–রয় অবাক হয়ে নিজের ডান হাতের দিকে তাকিয়ে বলল, হ্যাঁ। সত্যিই ডান হাতটা কেমন জানি অবশ অবশ লাগছে। তুমি কেমন করে জান?

    সানি কোনো কথা না বলে লি–রয়ের দিকে অনেকক্ষণ তাকিয়ে রইল, তারপর ঘুরে রিশানের দিকে তাকিয়ে বলল, এই মানুষটিকে গ্রুনি আক্রমণ করেছে। একটু পরেই এই মানুষটি মারা যাবে। তাকে তোমরা শুইয়ে রাখ।

     

     

    ঘরে কেউ কোনো কথা বলল না। সবাই স্থির দৃষ্টিতে সানির দিকে তাকিয়ে থাকে, রিশান খানিকক্ষণ চেষ্টা করে বলল, কিন্তু কিন্তু লি–রয় মহাকাশচারীর পোশাক পরে আছে, তার ভিতরে কোনো কিছু ঢুকতে পারবে না।

    লি–রয় হাত তুলে বলল, আমার মনে হয় সানি ঠিকই বলেছে, বাইরে আমার পোশাকের মাঝে হঠাৎ একটা সূক্ষ্ম ফুটো হয়েছে, অত্যন্ত সূক্ষ্ম, আমার পোশাকের মূল মডিউল সেটা নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করে আমাকে রক্ষা করেছে। কিন্তু আমি জানি বাইরে কিছুক্ষণের জন্যে আমার পোশাকটি নিশ্ছিদ্র ছিল না।

    কেউ কোনো কথা বলল না। লি–রয় খুব স্বাভাবিক ভঙ্গিতে ঘরের এককোনায় হেঁটে গিয়ে তার মহাকাশচারীর পোশাকটা খুলে ফেলতে ফেলতে বলল, এখন শুধুশুধু এটা পরে থাকার কোনো অর্থ হয় না–যা হবার তা হয়ে গেছে।

    ষুন এগিয়ে গিয়ে বলল, কিন্তু একটা বাচ্চা ছেলের কথায় বিশ্বাস না করে–

    লি–রয় হাত তুলে সুনকে থামিয়ে দিয়ে বলল, সে হয়তো বাচ্চা ছেলে কিন্তু এই গ্রহের ব্যাপারে সে সম্ভবত একমাত্র অভিজ্ঞ মানুষ। তাছাড়া আমি স্পষ্ট বুঝতে পারছি আমার শরীরের মাঝে কিছু একটা ঘটছে। আমি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলার আগে তোমাদের। সাথে ব্যাপারটা আলোচনা করতে চাই। তোমরা কাছাকাছি আস।

     

     

    লি–রয় মহাকাশচারীর পোশাক থেকে বের হয়ে লম্বা একটা বেঞ্চে বসে ক্লান্ত গলায় বলল, মহাকাশযান থেকে হান আর বিটিকে ডাক, আমি শেষবার তোমাদের সাথে কথা বলে নিই। লিরয় সানির দিকে ঘুরে তাকিয়ে নরম গলায় বলল, সানি–

    সানি লি–রয়ের দিকে ঘুরে তাকাল।

    আমার কতক্ষণ সময় আছে সানি?

    বেশি সময় নাই। ঘণ্টাখানেক পরে তোমার ব্যথাটা কমে যাবে, তখন তোমার খুব ঘুম পেতে থাকবে। এক সময় তুমি ঘুমিয়ে যাবে তখন আর ঘুম থেকে উঠবে না

    ঘণ্টাখানেক তো খারাপ সময় নয়। এর মাঝে অনেক কিছু করে ফেলা যায়। সময় নষ্ট করে লাভ নেই, এস তোমাদের আমি কয়েকটা নির্দেশ দিয়ে যাই।

    ষুন এগিয়ে এসে বলল, আমি তবু তোমাকে পরীক্ষা করে নিশ্চিত হতে চাই লি–রয়। তুমি এখানে শুয়ে পড়।

    লি–বয় বাধ্য ছেলের মতো বেঞ্চে লম্বা হয়ে শুয়ে পড়ল। ষুন তার মাথায় একটা চতুষ্কোণ প্রোব লাগিয়ে একটা মনিটরের দিকে তাকিয়ে একটা ছোট নিশ্বাস ফেলল। লি–রয় মাথা ঘুরিয়ে ষুনের দিকে তাকিয়ে বলল, নিশ্চিত হতে পেরেছ ষুন?

    ষুন কোনো কথা না বলে মাথা নাড়ল।

    লি–রয় জোর করে মুখে একটা হাসি ফুটিয়ে বলল, কথাটা খুব খারাপ শোনাবে তবু আমি একটা কথা বলে যাই। আমার ধারণা তোমরা যারা এখানে আছ তোমরা কেউ বেঁচে ফিরে যেতে পারবে না। কাজেই হান আর বিটি যেন কোনো অবস্থায় এই গ্রহে নেমে না আসে।

    ষুন মাথা নেড়ে বলল, আমাদের পৃথিবীর নির্দেশমতো গ্রহটিকে জীবাণুমুক্ত করা উচিত ছিল।

    লি–রয় উত্তরে কিছু বলতে যাচ্ছিল ঠিক তখন সানি এগিয়ে এসে বলল, আমি তোমাকে একটা কথা বলতে পারি?

    কী কথা?

    তুমি কি আমার মাকে একটা কথা বলবে?

    তোমার মাকে?

    হ্যাঁ। বলবে আমি এখানে এভাবে থাকতে চাই না। আমার ভালো লাগে না। আমি তার কাছে যেতে চাই।

    লি–রয় খানিকক্ষণ চুপ করে থেকে বলল, ঠিক আছে বলব।

    আর বোলো স্কাউটশিপে মূল ভরকেন্দ্র যেন ফিরিয়ে দেয়–যদি তারা রাজি না হয় তুমি নিজে ফিরিয়ে এনো।

    লি–রয় অবাক হয়ে সানির দিকে তাকিয়ে থেকে বলল, তুমি কী বলছ আমি ঠিক বুঝতে পারছি না।

    সানি খানিকক্ষণ চুপ করে থেকে বলল, তুমি যদি না বোঝ কোনো ক্ষতি নেই। কিন্তু তবু তুমি শুনে রাখ। ঠিক আছে?

    লি–রয় মাথা নাড়ল।

    চারটি রবোট এতক্ষণ চুপ করে বসেছিল, হঠাৎ তারা চার জন একসাথে উঠে দাঁড়ায়। একজন গলা নামিয়ে বলল, শীতলঘরে জায়গা করতে হবে।

    হ্যাঁ সতের নম্বর মৃতদেহটা ডানদিকে সরিয়ে দিয়ে নয় নম্বরটা সামনে নিয়ে এলেই হবে।

    অন্য দুইজন কলের পুতুলের মতো মাথা নেড়ে সামনে এগিয়ে যেতে থাকে। নিডিয়া একটা নিশ্বাস ফেলে বলল, আমি খুবই দুঃখিত লি–রয়। আমি খুবই দুঃখিত।

    লি–রয় খানিকক্ষণ শূন্য দৃষ্টিতে তাকিয়ে থেকে বলল, এখানে দুঃখ পাবার কিছু নেই। আমি এখন যা বলি তোমরা মন দিয়ে শোন। আমাদের হাতে একেবারে সময় নেই।

    সবাই একটু এগিয়ে আসে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআবারো টুনটুনি ও আবারো ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    Next Article আমি তপু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    Related Articles

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    ছোটগল্প – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সাদাসিধে কথা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মেকু কাহিনী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    আমার বন্ধু রাশেদ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ১ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    টুনটুনি ও ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }