Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ২ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল এক পাতা গল্প892 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১২. রিশান দীর্ঘ সময় ঘরে পায়চারি

    রিশান দীর্ঘ সময় ঘরে পায়চারি করে নিজেকে শান্ত করার চেষ্টা করে, তাকে দেখায় খাঁচায় আটকে থাকা একটা বুনো প্রাণীর মতো যেটি কিছুতেই নিজের পরিস্থিতিকে মেনে নিতে পারছে না। রিশান সমস্ত ঘরটি আরেকবার ঘুরে এসে বুঝতে পারল তার কিছু করার নেই; কিন্তু তবুও সে কিছুতেই পুরো ব্যাপারটি মেনে নিতে পারবে না। সব মানুষের ভিতরেই নিশ্চয়ই সম্পূর্ণ যুক্তিহীন এক ধরনের বিশ্বাস কাজ করে যে কারণে একটি অবাস্তব অসম্ভব পরিবেশেও সে একেবারে শেষ পর্যন্ত চেষ্টা করে যেতে থাকে। রিশান এ রকম একটা পরিবেশে এসে পড়েছে। তার কিছু করার নেই তবু তাকে চেষ্টা করে যেতে হবে।

    সে প্রথমে ঘরটিকে ঘুঁটিয়ে ঘুঁটিয়ে পরীক্ষা করে। দেখে বোঝা যাচ্ছে না কিন্তু নিশ্চিতভাবে এখানে কোনো ধরনের পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র রয়েছে যেটি তার ওপর দৃষ্টি রাখছে এবং কোনো একটা তথ্যকেন্দ্রে খবর পাঠিয়ে যাচ্ছে। যেহেতু ঘরটি মানুষের আবাসস্থলে, কাজেই সেটি নিশ্চয়ই এখানে অক্সিজেন সরবরাহ করে যাচ্ছে, বাতাস পরিশোধন করে নির্দিষ্ট তাপমাত্রা বজায় রাখছে। রিশান খুঁজে খুঁজে বাতাস, তাপ এবং আলোর উৎসগুলো বের করে, তারপর নিজের মহাকাশচারীর পোশাক থেকে যন্ত্রপাতির ছোট বাক্সটি বের করে সেগুলো নষ্ট করে দেয়। সাথে সাথে ঘরের মাঝে এক ধরনের ভূতুড়ে অন্ধকার নেমে আসে। ঘরটিতে এখন অক্সিজেনের পরিমাণ কমে যাবার কথা এবং সেটি কোথাও একটি বিপদ সঙ্কেত পাঠিয়ে তাকে উদ্ধার করার ব্যবস্থা করার কথা। তাকে কীভাবে উদ্ধার করা হবে সে জানে না কিন্তু তার জন্যে প্রথমেই দরজাটি খুলতে হবে। একবার দরজা খোলা হলে বাইরে। বের হবার কিছু একটা ব্যবস্থা করা হয়তো অসম্ভব হবে না।

    ঘরটিতে অক্সিজেনের পরিমাণ কমে আসছে, সে নিজে মহাকাশচারীর পোশাকের মাঝে রয়েছে বলে তার কোনো অসুবিধে হচ্ছে না। তাপমাত্রাও কমে আসছে, কিছুক্ষণের মাঝেই সেটা বিপদসীমা অতিক্রম করে যাবে। তার মহাকাশচারীর পোশাকের যোগাযোগ কেটে দেয়া হয়েছে কিন্তু তবুও নিশ্চয়ই সেটা তার শারীরিক অবস্থার নানারকম তথ্য পাঠিয়ে যাচ্ছে। সে হাতড়ে হাতড়ে সেই যোগাযোগটাও কেটে দিল, এটি অত্যন্ত বিপজ্জনক একটি কাজ, যার অর্থ সে এই আবাসস্থলের মূল কেন্দ্র থেকে আর কোনো ধরনের সাহায্য পেতে পারবে না। সাথে সাথে রিশান একটি ক্ষীণ শব্দ শুনতে পায়–শেষ পর্যন্ত সে নিশ্চয়ই একটা বিপদ সঙ্কেত তৈরি করতে পেরেছে।

    এই আবাসস্থলে কোনো মানুষ নেই, তাকে উদ্ধার করার জন্যে কোনো এক ধরনের রবোট হাজির হবে, তাদের বুদ্ধিমত্তা বা যুক্তিতর্ক সম্পর্কে তার কোনো ধারণা নেই। সে কী করবে এখনো জানে না; কিন্তু সেটা নিয়ে ভাবার সময় নেই। রিশান হঠাৎ ঘরের বাইরে একটা শব্দ শুনতে পায়–কিছু একটা তাকে উদ্ধার করতে এসেছে বলে মনে হয়।

    খুট করে একটা শব্দ হল এবং সাথে সাথে দরজা খুলে একটা প্রাচীন রবোট এসে ঢোকে, তার মাথার উপরে দুটি ফটোসেলের চোখ, পায়ের নিচে ধাতব চাকা। শক্তিশালী যান্ত্রিক দেহে সেটি প্রায় রিশানের দিকে ছুটে আসতে শুরু করে। রিশানের কাছাকাছি এসে সেটি তাকে কিছু একটা জিজ্ঞেস করল, যোগাযোগ ব্যবস্থা নষ্ট করে রেখেছে বলে কিছু শুনতে পেল না। রবোটটি তার উপর ঝুঁকে পড়ার চেষ্টা করছে, শারীরিক তথ্যগুলো পৌঁছাচ্ছে না বলে সেটি এখনো কিছু বুঝতে পারছে না। রিশান মুখে যন্ত্রণার মতো একটা ভঙ্গি করে মেঝেতে শুয়ে পড়ার সিদ্ধান্ত নিল, রবোটটিকে তখন আরো অনেক ঝুঁকে পড়তে হবে। প্রাচীন এই রবোটগুলো এ রকম ভঙ্গিতে কাজ করার উপযোগী নয়, সেটিকে তখন কোনোভাবে বিভ্রান্ত করার সুযোগ পাওয়া যেতে পারে।

    রিশান প্রথমে দুই হাতে তার মাথা স্পর্শ করে, তারপর তাল সামলাতে না পারার ভঙ্গি করে ঘুরে নিচে পড়ে যায়। রবোটটি দ্রুত কিছু বিপদ সঙ্কেত তৈরি করে মূল কেন্দ্রে তথ্য। পাঠাতে শুরু করে রিশানের উপর ঝুঁকে পড়ে। তার সমস্যাটি কোথায় রবোটটি এখনো বুঝে উঠতে পারে নি।

    রবোটটি বিপজ্জনক ভঙ্গিতে তার উপর ঝুঁকে পড়েছে। সে যদি হঠাৎ করে খুব জোরে ভরকেন্দ্রে একটা ধাক্কা দিতে পারে সেটা তাল হারিয়ে পড়ে যেতে পারে, তখন কপোট্রনের পিছনে পারমাণবিক ব্যাটারিটা অচল করে দেয়ার সময় পাওয়া অসম্ভব নয়। রিশান চেষ্টা করার সিদ্ধান্ত নিয়ে মুখে যন্ত্রণার একটা ভাব ফুটিয়ে কথা বলার ভঙ্গি করতে থাকে। যোগাযোগ মডিউল বন্ধ করে রাখা আছে, রবোটটির পক্ষে কথা শোনার কোনো উপায় নেই। মাইক্রোফোনে শব্দতরঙ্গ অনুভব করার একটা চেষ্টা করার জন্যে রবোটটি আরো ঝুঁকে পড়ল এবং রিশান তখন তার বুকের কাছাকাছি অংশ স্পর্শ করে জোরে একটা ধাক্কা দিল, রবোটটি তাল হারিয়ে হঠাৎ সামনের দিকে ঝুঁকে পড়ে যায় এবং সেটিকে খুব বিচিত্র এবং হাস্যকর দেখাতে থাকে।

    রিশান দ্রুত উঠে দাঁড়িয়ে রবোটটির পিছনে ছুটে গিয়ে কপোট্রনের নিচে হাত দিয়ে ঢাকনাটি খুলে দেখে পাশাপাশি দুটি পারমাণবিক ব্যাটারি লাগানো রয়েছে। হ্যাঁচকা টান দিতেই দুটি ব্যাটারিই খুলে গেল এবং সাথে সাথে রবোটটি সম্পূর্ণ অকেজো জঞ্জালের মতো উবু হয়ে পড়ে রইল। রিশান কিছুক্ষণ স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে। কোথাও অস্বাভাবিক কিছু ঘটছে না। সে ঘর থেকে বের হয়ে এল। তার হাতে কোনো অস্ত্র নেই, থাকলে ভালো। হত।

    রিশান সাবধানে করিডোর ধরে হেঁটে যেতে থাকে। ষুন তার যোগাযোগ মডিউলটি অকেজো করে রেখেছে, যদি সেটা চালু থাকত তাহলে এখন কে কোথায় আছে বুঝতে পারত। আশপাশের শব্দ শোনার জন্যে সে তার পোশাকের সবগুলো ইউনিট চালু করে দেয়। করিডোরের শেষে একটি দরজা, তার অন্য পাশে একটা বড় হলঘরের মতো। হলঘরটি থেকে সে বের হয়ে আরেকটি করিডোরে হাজির হল, তার শেষ মাথায় একটা ঘরে একটা আলো জ্বলছে। রিশান সাবধানে সেদিকে হেঁটে যেতে থাকে এবং ঠিক তখন সে প্রচণ্ড একটা বিস্ফোরণের শব্দ শুনতে পেল। বিস্ফোরণটি এসেছে তার এটমিক ব্লাস্টারটি থেকে, যেটি সে সানির হাতে দিয়ে এসেছিল। ভয়ঙ্কর কিছু একটা ঘটছে এই আবাসস্থলে– ভেবেচিন্তে কাজ করার সময় পার হয়ে গেছে এখন। রিশান বিস্ফোরণের শব্দের দিকে ছুটে যেতে থাকে।

    অনেক দূর থেকে সে হইচই চেঁচামেচি এবং চিৎকার শুনতে পায়, কাছে গিয়ে তার চক্ষুস্থির হয়ে যায়। দেয়ালে পিঠ দিয়ে সানি ড়িয়ে আছে, তার হাতে রিশানের এটমিক ব্লাস্টারটি। ঘরে ষুন এবং নিডিয়া পাথরেঞ্জর্তির মতো দাঁড়িয়ে আছে। কাছাকাছি একটি রবোটের ধ্বংসাবশেষ, হাঁটুর উপর থেকে পুরো অংশটি এটমিক ব্লাস্টারের বিস্ফোরণে পুরোপুরি বাষ্পীভূত হয়ে গেছে। ঘরে দেয়ালে একটা বড় গর্ত এবং সমস্ত ঘরে এক ধরনের ধোঁয়া। সানি এটমিক ব্লাস্টারটি আরেকটু উপরে তুলে বলল, আমার কাছে যদি কেউ আসে আমি ঠিক এইভাবে শেষ করে দেব। খবরদার কেউ আছে আসবে না।

    রিশান দরজার কাছাকাছি থেমে গিয়ে বলল, আমি তোমাকে সাহায্য করতে এসেছি সানি। তুমি আমাকে বিশ্বাস করতে পার।

    আমি কাউকে বিশ্বাস করি না

    এটমিক ব্লাস্টারটি অসম্ভব শক্তিশালী সানি, যদি কোনোভাবে আবাসস্থলের মূল দেয়ালে ফুটো হয়ে যায়, পুরো আবাসস্থল ধ্বংস হয়ে যাবে।

    ধ্বংস হলে হবে, কিছু আসে যায় না আমার

    রিশান এক পা এগিয়ে এসে বলল, সানি সত্যি তুমি আমাকে বিশ্বাস কর না? বেঁচে থাকতে হলে কাউকে–না–কাউকে বিশ্বাস করতে হয়।

    আমি কাউকে বিশ্বাস করি না

    কর। তুমি তোমার মাকে বিশ্বাস কর। কর না?

    সানি চমকে উঠে তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে রিশানের দিকে তাকাল, কিন্তু কিছু বলল না। রিশান আরো এক পা এগিয়ে গিয়ে বলল, কর না?

    তুমি আমার মায়ের কথা জান?

    জানি।

    সানি হঠাৎ করে এটমিক ব্লাস্টারটা বিপজ্জনকভাবে ঝাঁকুনি দিয়ে চিৎকার করে বলল, তাহলে সবাইকে মেরে ফেলছ কেন?

    আমি মারছি না সানি। বিশ্বাস কর আমি বাঁচাতে চাইছি। তুমি আমাকে এটমিক ব্লাস্টারটি দাও, হয়তো কিছু একটা করা যাবে

    না।

    দাও সানি। তুমি আমাকে বিশ্বাস কর– মানুষ হলে কাউকে–না–কাউকে বিশ্বাস করতে হয়। আমাকে তোমার বিশ্বাস করতেই হবে।

    তুমি আমার মাকে বাঁচাবে?

    আমি জানি না সম্ভব হবে কি না; কিন্তু আমি চেষ্টা করব। আমাদের হাতে সময় খুব কম সানি। তুমি আমাকে এটমিক ব্লাস্টারটা দাও।

    সানি কিছুক্ষণ রিশানের দিকে তাকিয়ে থেকে তার দিকে এটমিক ব্লাস্টারটা এগিয়ে দেয়।

    রিশান এগিয়ে গিয়ে সানির হাত থেকে সেটা নেয়া মাত্র ষুন রিশানের দিকে ঘুরে বলল, তুমি কেমন করে বের হয়ে এসেছ?

    সেটা নিয়ে এখন কথা বলার প্রয়োজন বা সময় কোনোটাই নেই ষুন। তোমাকে সবার আগে নিক্সিরল গ্যাসের ট্যাংকগুলো বিকল করতে হবে।

    ষুন খানিকক্ষণ কোনো কথা না বলে তার দিকে তাকিয়ে থাকে, তারপর শীতল গলায় বলে, আমি এই অভিযানের দলপতি, এখানে আমি আদেশ দেব–

    রিশান অধৈর্য হয়ে বলল, দলপতিগিরি দেখানোর অনেক সময় পাবে ষুন, এখন কাজের কথায় আস–এই মুহূর্তে আমাদের নিক্সিরল গ্যাস থামাতে হবে, যেভাবে হোক। এই পৃথিবীর সব বুদ্ধিমান প্রাণী ধ্বংস হয়ে যাবে না হয়। তারা গ্রুন দিয়ে তৈরী–এই গ্রহের যারা মারা গেছে তাদের সবার মস্তিষ্কের কপি তৈরি করেছে, সানির মা আছে সেখানে, আমি নিশ্চিত লি–রয়ও এখন আছে!

    কী বলছ তুমি?

    আমি সত্যি বলছি। সানিকে জিজ্ঞেস করে দেখ।

    ষুন ঘুরে সানির দিকে তাকাল, সানি মাথা নাড়ল সাথে সাথে। ষুন খানিকক্ষণ হতবুদ্ধির মতো দাঁড়িয়ে থেকে বলল, তার মানে এখানে বুদ্ধিমান প্রাণী আসলে এখানকার মৃত মানুষেরা?

    অনেকটা তাই—

    তাহলে তারা আমাদের সাথে যোগাযোগ করে না কেন?

    আমরা কি তার সুযোগ দিয়েছি? কিন্তু এখন কথা বাড়িয়ে লাভ নেই ষুন, নিক্সিরল গ্যাসকে যেভাবে হোক বন্ধ করতে হবে ষুন। যেভাবে হোক–

    ষুন কোনো কথা না বলে চুপ করে রইল। রিশান অধৈর্য হয়ে বলল, কথা বলছ না কেন ষুন?

    ষুন ইতস্তত করে বলল, আমি দুঃখিত রিশান, নিক্সিরল গ্যাসের ট্যাংকগুলো চার্জ করা হয়ে গেছে।

    তার অর্থ কী?

    তার অর্থ সেগুলোর নিয়ন্ত্রণের জন্যে যে ইউনিটগুলো ছিল সেগুলো কাজ করতে শুরু করেছে। এখন থেকে কিছুক্ষণের মাঝে সেগুলো বিস্ফোরিত হয়ে সারা গ্রহে নিক্সিরল ছড়িয়ে দেবে।

    এটা বন্ধ করার কোনো উপায় নেই?

    না।

    রিশান হতবুদ্ধির মতো খানিকক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকে সানির দিকে ঘুরে তাকাল, তার সারা মুখ রক্তশূন্য ফ্যাকাশে হয়ে গেছে। সে বিড়বিড় করে বলল, তোমরা আমার মাকে আবার মেরে ফেলবে?

    রিশান কোনো কথা বলল না

    সানি হঠাৎ ছুটে ঘর থেকে বের হয়ে গেল। রিশান পিছনে পিছনে ছুটে গিয়ে তাকে কোনোমতে ধরে ফেলে জিজ্ঞেস করল, কোথায় যাও সানি।

    একটা ঝটকা মেরে হাত ছুটিয়ে নিয়ে সানি চিৎকার করে বলল, ছাড় আমাকে

    কিন্তু, তুমি কোথায় যাও

    মায়ের কাছে।

    মায়ের কাছে?

    হ্যাঁ।

    তুমি জান তারা কোথায়?

    জানি

    আমিও যাব তোমার সাথে।

    কেন?

    হয়তো সেখানে কিছু একটা করা যাবে, হয়তো কোনোভাবে তাদের বাঁচানো যাবে।

    সত্যি? সানি বড় বড় চোখ করে বলল, সত্যি?

    রিশান সানির ঘাড়ে হাত দিয়ে বলল আমি জানি না সেটা সত্যি কি না, কিন্তু চেষ্টা তো করতে হবে। যাও তুমি পোশাক পরে আস, আমাদের হাতে কোনো সময় নেই।

    সানি ছুটতে ছুটতে ঘর থেকে বের হয়ে গেল। রিশান ঘরের ভিতরে ঢুকে ষুনের কাছাকাছি এগিয়ে গিয়ে বলল, ষুন, আমি আর সানি বাইরে যাচ্ছি, শেষ চেষ্টা করে দেখতে চাই

    কিন্তু

    কিন্তু কী?

    ষুন একটা নিশ্বাস ফেলে বলল, আমি পুরো ব্যাপারটা আবার ভেবে দেখেছি। আমরা এখন যেটা জেনেছি, পৃথিবীর মানুষেরা সেটা নিশ্চয়ই জানে। তারপরও তারা যদি চায় আমরা এই গ্ৰহটাকে জীবাণুমুক্ত করি তার নিশ্চয়ই কোনো একটা কারণ আছে–

    তুমি আমাকে সাহায্য করবে না?

    না। তোমাকে আমি একটা ঘরে বন্দি করে রেখেছিলাম। আবার তোমাকে আমার বন্দি করে রাখতে হবে রিশান। মহাকাশ অভিযানের বিধিমালায় খুব পরিষ্কার বলা আছে–

    মহাকাশ অভিযানের বিধিমালায় কি বিদ্রোহ সম্পর্কে কিছু লেখা আছে?

    বিদ্রোহ?

    হ্যাঁ। যেখানে সাধারণ একজন সদস্য জোর করে দলের নেতৃত্ব নিয়ে নেয়?

    ষুন ফ্যাকাশে মুখে বলল, হ্যাঁ রিশান। লেখা আছে। তার জন্যে খুব কঠোর শাস্তির কথা লেখা আছে–

    রিশান জোর করে মুখে এক ধরনের হাসি টেনে এনে বলল, শাস্তি অনেক পরের ব্যাপার, সেটা নিয়ে এখন চিন্তা করে লাভ নেই। আমি অভিযান নয় নয় শূন্য তিনের নেতৃত্ব তোমার কাছ থেকে নিয়ে নিচ্ছি। এখন থেকে সবাই আমার আদেশে কাজ করবে।

    কিন্তু আমি বেঁচে থাকতে সেটি সম্ভব নয়।

    হ্যাঁ। রিশান পাথরের মতো মুখ করে বলল, তুমি ঠিকই বলেছ, তুমি বেঁচে থাকতে সেটি সম্ভব নয়।

    ষুন হঠাৎ চমকে উঠে রিশানের দিকে তাকাল—-সরু চোখে বলল, তুমি কী বলতে চাইছ?।

    রিশান তার এটমিক ব্লাস্টারটি উপরে তুলে সোজাসুজি ষুনের মাথার কাছে ধরে বলল, তুমি স্বেচ্ছায় আমাকে নেতৃত্বটি দিতে পার ষুন– মানুষের মস্তিষ্ক ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে আছে দেখতে আমার একেবারে ভালো লাগে না।

    ষুন তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে রিশানের দিকে তাকিয়ে রইল, সে এখনো বিশ্বাস করতে পারছে না। যে সত্যি সত্যি রিশান তার মাথায় একটা এটমিক ব্লাস্টার ধরে রেখেছে।

    রিশান শীতল গলায় বলল, যোগাযোগ মডিউলে তোমার কোডটি বলে আমাকে নেতৃত্বটি দিয়ে দাও ষুন। তোমার মাথায় গুলি করলে নেতৃত্বটি এমনিতেই চলে আসবে– আমার ধৈর্য খুব কম, তুমি খুব ভালো করে জান।

    ষুন বিড়বিড় করে নেতৃত্ব কোডটি উচ্চারণ করা মাত্র হঠাৎ করে তার যোগাযোগ মডিউলটিতে নীল আলো ঝলসে ওঠে। ষুনের কাছ থেকে মূল নেতৃত্ব রিশানের কাছে হস্তান্তরিত হয়ে গেছে। মহাকাশ অভিযানের দলপতির প্রয়োজনীয় তথ্যাদি মূল তথ্যকেন্দ্র থেকে আনা নেয়া শুরু হতে থাকে। রিশান এটমিক ব্লাস্টারটি নিচে নামিয়ে রেখে নিডিয়ার দিকে ঘুরে তাকাল, বলল, নিডিয়া

    বল রিশান।

    তুমি মূল তথ্যকেন্দ্রে খোঁজ নাও নিক্সিরল গ্যাসকে নিষ্ক্রিয় করতে হলে কী করতে হয়। যদি তার জন্যে বিশেষ কোনো রাসায়নিক থাকে সেটি খুঁজে বের কর–

    আমি যতদূর জানি অক্সিজেন খুব সহজে এটাকে অক্সিডাইজ করে দেয়। আমি আরেকটু দেখতে পারি

    বেশ তাহলে যতগুলো সম্ভব অক্সিজেন সিলিন্ডার তুমি একটা বাই ভার্বালে তোলার ব্যবস্থা কর।

    করছি।

    রিশান যোগাযোগ মডিউলে স্পর্শ করতেই ঘরের মাঝখানে মহাকাশযানের একটা অংশ স্পষ্ট হয়ে ওঠে। সেখানে হান এবং বিটিকে উদ্বিগ্ন মুখে বসে থাকতে দেখা যায়। রিশান মুখে জোর করে একটা হাসি টেনে এনে বলল, তোমাদের নূতন দলপতিকে অভিনন্দন জানানোর কোনো প্রয়োজন নেই

    হান মাথা নেড়ে বলল, আমি তার কোনো চেষ্টা করছিলাম না রিশান।

    বেশ– এখন আমি যেটা বলছি খুব ভালো করে শোন। মহাকাশযান থেকে তোমরা চেষ্টা কর আটত্রিশটা নিক্সিরলের ট্যাংককে খুঁজে বের করতে

    সেটা খুব সহজ নয় রিশান। তুমি জান এই গ্রহের গ্যাস মোটামুটিভাবে অস্বচ্ছ।

    তবুও তুমি চেষ্টা কর– অন্য কোনো কিছু যদি কাজ না করে চেষ্টা কর আলট্রাসনিক কিছু ব্যবহার করতে। পুরোপুরি নিখুঁতভাবে যদি না পার চেষ্টা কর মোটামুটিভাবে সেগুলোর অবস্থান বের করার জন্য–

    চেষ্টা করব। তারপর কী করব?

    চেষ্টা কর সেগুলো উড়িয়ে দিতে।

    তুমি জান তবু সেগুলো থেকে নিক্সিরল বের হবে–

    হ্যাঁ। কিন্তু তুমি যদি ছোটখাটো পারমাণবিক বিস্ফোরণ ঘটাও, প্রচণ্ড উত্তাপে নিক্সিরল তার মৌলগুলোতে ভাগ হয়ে যাবার কথা–

    তোমার নিশ্চয়ই মাথা খারাপ হয়েছে রিশান, তুমি নিশ্চয়ই পুরো গ্ৰহটাকে পারমাণবিক বিস্ফোরণে উড়িয়ে দিতে চাও না?

    না তা চাই না। কিন্তু যেটুকু সম্ভব নিক্সিরলকে নষ্ট করতে চাই। যেভাবে সম্ভব।

    ঠিক আছে।

    রিশান ঘুরে ষুনের দিকে তাকাল। বলল, ষুন—

    বল।

    তুমি আমাকে ছোট একটা ঘরে সবরকম যোগাযোগ থেকে বিচ্ছিন্ন করে আটকে রেখেছিলে–

    ষুন একটু অস্বস্তি নিয়ে রিশানের দিকে তাকাল। রিশান শীতল গলায় বলল, একজন মানুষকে এর থেকে বড় কোনো যন্ত্রণা দেয়া যায় বলে আমার জানা নেই।

    আমি–আমি দুঃখিত। কিন্তু আমার কোনো উপায় ছিল না।

    সেটা সম্পর্কে আমি নিশ্চিত নই। কিন্তু আমি তোমাকে এই ব্যাপারটা দেখাতে চাই যতক্ষণ আমি ফিরে না আসছি আমার ইচ্ছে তুমি একটা ছোট বদ্ধঘরে সমস্ত যোগাযোগ থেকে বিচ্ছিন্ন অবস্থায় বসে থাক।

    তার কি কোনো প্রয়োজন আছে, রিশান?

    না নেই। তবু আমার তাই ইচ্ছে। আমি এই অভিযানের দলপতি, রবোটগুলো আমার আদেশ চোখ বন্ধ করে পালন করবে। সানি একটা রবোটের সর্বনাশ করে ফেলেছে কিন্তু তোমাকে ধরে নেয়ার জন্যে আমার মনে হয় তিনটা রবোটই যথেষ্ট।

    ষুন কোনো কথা না বলে স্থির চোখে রিশানের দিকে তাকিয়ে রইল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআবারো টুনটুনি ও আবারো ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    Next Article আমি তপু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    Related Articles

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    ছোটগল্প – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সাদাসিধে কথা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মেকু কাহিনী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    আমার বন্ধু রাশেদ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ১ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    টুনটুনি ও ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }