Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ২ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল এক পাতা গল্প892 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অপারেশান অপক্ষেপ

    অপারেশান অপক্ষেপ

    বিশাল একটা হলঘরে প্রায় এক হাজার তরুণ বিজ্ঞানী, প্রযুক্তিবিদ, গবেষক, শিল্পী সাহিত্যিক সংস্কৃতিকর্মী শান্ত ভঙ্গিতে বসে আছে। হলঘরটি রাষ্ট্রীয় হলঘর, গ্রানাইটের কালো দেয়াল এবং উঁচু ছাদ। ভিতরে হালকা স্বচ্ছ এক ধরনের নরম আলো, বসার জন্যে মেরুন রঙের নরম চেয়ার, সামনে কাঁচে ঢাকা সিলিকনের সুদৃশ্য টেবিল। টেবিলে কাগজপত্র, মাইক্রো কম্পিউটার, কমিউনিকেশন মডিউলের মতো নিত্যব্যবহার্য জিনিসপত্র। তরুণ বিজ্ঞানী গবেষক এবং শিল্পী সাহিত্যিকেরা নিজেদের ভিতরে নিচু গলায় কথা বলছে, তরল গলায় হাসছে। যদিও এটি রাষ্ট্রীয় হলঘর কিন্তু পরিবেশটি গুরুগম্ভীর রাষ্ট্রীয় পরিবেশ নয়, পরিবেশটি সহজ এবং স্বাভাবিক।

    হলঘরে একটু উত্তেজনা দেখা গেল এবং প্রায় সাথে সাথে ভারি গলায় একটি ঘোষণা শোনা যায়। বিজ্ঞান একাডেমীর মহাপরিচালক থিরু হলঘরে এসে পৌঁছেছেন এবং তিনি এক্ষুনি এই এক সহস্র বিজ্ঞানী প্রযুক্তিবিদ এবং শিল্পী সাহিত্যিকের সাথে কথা বলবেন। মেরুন রঙের আরামদায়ক চেয়ারে বসে থাকা তরুণ–তরুণীরা নড়েচড়ে বসল এবং প্রায় সাথে সাথেই তাদের টেবিলের স্বচ্ছ কাঁচে থিরুকে দেখা গেল। শান্ত সৌম্য একহারা চেহারা, পরনে দৈনন্দিন সহজ পোশাক।

    বিজ্ঞান একাডেমীর মহাপরিচালক তার আসনে বসে সাথে সাথেই কথা বলতে শুরু করে দিলেন। নরম গলায় বললেন, এটি রাষ্ট্রীয় হলঘর, নানা কাজে আমাকে এখানে আসতে হয়, আনুষ্ঠানিক পোশাক পরতে হয় এবং আনুষ্ঠানিক কথা বলতে হয়। আজ একটা বিশেষ দিন, আমি আগে থেকে ঠিক করেছি এই দিনে কোনো আনুষ্ঠানিকতা থাকবে না, আজ এখানে খোলাখুলি কথা বলা হবে।

    উপস্থিত তরুণ–তরুণীরা মহামান্য থিরুর কথা শুনে এক ধরনের আনন্দের মতো শব্দ করল।

    বিজ্ঞান একাডেমীর মহাপরিচালক থিরু কয়েক মুহূর্ত অপেক্ষা করে বললেন, আজকে আমি একটু সময় নিয়ে এসেছি, আমি শুধু তোমাদের সাথে কথা বলব না, আমি তোমাদের কথা শুনব।

    উপস্থিত তরুণ–তরুণীরা আবার একটা আনন্দধ্বনির মতো শব্দ করল, বিজ্ঞান একাডেমীর মহাপরিচালকের সাথে কথা বলা একটি দৈনন্দিন ব্যাপার নয়।

    থিরু তার সহজ স্বাভাবিক ভঙ্গিতে বললেন, তোমাদের সাথে কথা বলা আমার জন্যে একটি বিশেষ অভিজ্ঞতা। তোমরা সারা পৃথিবী থেকে বেছে–নেয়া এক হাজার সেরা বিজ্ঞানী গবেষক শিল্পী এবং সাহিত্যিক। তোমাদের কাউকে এখানে জোর করে আনা হয় নি, তোমরা সবাই স্বেচ্ছায় এসেছ। তোমরা সবাই হচ্ছ অপারেশান অপক্ষেপের অংশ।

    অপারেশান অপক্ষেপের ধারণাটি নূতন নয়, যারা পৃথিবী নিয়ে ভাবেন তারা অনেকবার এ ধরনের একটা কথা বলেছেন কিন্তু কেউ কখনো সেটি পরীক্ষা করে দেখেন নি। সেই পরীক্ষাটি সহজ নয়। এই প্রথম তোমাদের ব্যবহার করে অপারেশান অপক্ষেপের পরীক্ষা করা হবে।

    তোমরা জান অপারেশন অপক্ষেপটি কী এবং কেন সেটা আমরা করছি। পৃথিবীর ইতিহাস পর্যালোচনা করে দেখা গেছে এর জ্ঞান–বিজ্ঞানের উন্নয়ন হয়েছে প্রয়োজনে। ভয়ঙ্কর প্রাকৃতিক দুর্যোগের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্যে বিজ্ঞানীরা, প্রযুক্তিবিদেরা আবিষ্কার করেছেন নূতন শক্তিবলয়। ভয়াবহ দুর্ভিক্ষের সময় আবিষ্কৃত হয়েছে কৃত্রিম খাদ্য। পৃথিবীর সঞ্চিত শক্তি নিঃশেষ হবার পর আবিষ্কৃত হয়েছে নূতন শক্তিভাণ্ডার। পারমাণবিক যুদ্ধে জনারণ্য ধ্বংস হওয়ার পর মহামারীতে দুঃসময়ে আবিষ্কৃত হয়েছে নূতন জীবন সম্ভাবনা, নূতন ওষুধ, নূতন প্রতিষেধক।

    কিন্তু আমরা আমাদের অতীতকে আজ পিছনে ফেলে এসেছি। এখন পৃথিবীতে পারমাণবিক যুদ্ধের আশঙ্কা নেই, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রিত হয়েছে, খাদ্যাভাব নেই। প্রকৃতিকে আমরা জয় করেছি, ভূমিকম্প ঝড় বৃষ্টি বন্যার ভয় নেই। আমরা প্রকৃতি থেকে নূতন শক্তি ভাণ্ডার আহরণ করছি, আমাদের শক্তি ফুরিয়ে যাবার আশঙ্কা নেই। কৃত্রিম খাদ্য তৈরি। হয়েছে, পৃথিবীর মানুষকে আর ক্ষুধার কষ্ট সহ্য করতে হবে না। আমাদের রোগ শোক নেই, দুঃখ কষ্ট নেই, খাদ্যের কষ্ট নেই, পরিবেশকে রক্ষা করা হয়েছে, পরিবেশ দূষণের ভয় নেই। সুস্থ সবল বুদ্ধিমান আবেগপ্রবণ মানবশিশুর জন্ম হচ্ছে, ভালবাসায় তারা বড় হচ্ছে, জ্ঞানে বিজ্ঞানে উন্নত হচ্ছে, শিল্পে সাহিত্যে সমৃদ্ধ হচ্ছে। এক কথায় পৃথিবীতে মানবসমাজের চাইবার আর কিছু বাকি নেই।

    থিরু কয়েক মুহূর্ত চুপ করে থেকে বললেন, আর সেটি হচ্ছে আমাদের পতনের শুরু। আমরা আবিষ্কার করেছি আমাদের মাঝে আর কোনো প্রেরণা নেই। যে প্রেরণা মানুষকে গুহামানব থেকে তাড়না করে এখানে নিয়ে এসেছে, হঠাৎ করে সেই প্রেরণাটুকু হারিয়ে গেছে। আমরা দৈনন্দিন জীবন যাপন করি, নিজেদের বেঁধে দেয়া দায়িত্ব পালন করি, আমরা আনন্দ করি, জীবন উপভোগ করি কিন্তু জীবনকে নূতন কিছু দিই না। আমাদের জীবন গতানুগতিক। গত এক শ বছরে পৃথিবীতে মানবসমাজ নূতন কিছু দেয় নি। মনে হচ্ছে আগামী এক শ বছরেও কিছু দেবে না। আমরা এখন অলস পচনশীল একটা সমাজ।

    এই অলস পচনশীল সমাজকে রক্ষা করার জন্যে তৈরি হয়েছে অপারেশান অপক্ষেপ। তোমরা সেই অপারেশান অপক্ষেপের প্রথম পরীক্ষার্থী।

    প্রশান্ত মহাসাগরের বুকে দুই শ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের একটা দ্বীপ আলাদা করে রাখা আছে তোমাদের জন্যে। সেই দ্বীপের দশ হাজার কিলোমিটারের ভিতর থেকে সমস্ত মানুষকে অপসারিত করা হয়েছে। সেই নির্জন দ্বীপে তোমাদের জন্যে ঘর তৈরি হয়েছে, সর্বশ্রেষ্ঠ ল্যাবরেটরি তৈরি করা হয়েছে, সর্বশ্রেষ্ঠ ওয়ার্কশপ, হাসপাতাল তৈরি করা হয়েছে। সর্বশ্রেষ্ঠ বিনোদনের ব্যবস্থা করা হয়েছে, বিদ্যুৎ পানি গ্যাস তাপের ব্যবস্থা করা হয়েছে। কিন্তু এই সর্বশ্রেষ্ঠ জিনিসগুলো তৈরি হয়েছে সাময়িকভাবে। তোমাদের ঘর এক বছরের মাথায় জীর্ণ হয়ে আসবে, দুই বছরের মাঝে ধ্বংস হয়ে যাবে। ওয়ার্কশপের যন্ত্রপাতিতে জং ধরবে, ছাদ ভেঙে পড়বে। হাসপাতালের ওষুধ ফুরিয়ে যাবে, ল্যাবরেটরির যন্ত্রপাতি ভেঙে যাবে। তোমাদের খাবার ফুরিয়ে যাবে, রসদ থাকবে না। পানি গ্যাস বিদ্যুতের সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাবে। শুধু তাই নয়, এই দ্বীপটি বেছে নেয়া হয়েছে পৃথিবীর সবচেয়ে প্রতিকূল এলাকায়। এখানে টাইফুন এসে আঘাত হানে, সমুদ্রের জলোচ্ছ্বাসে সব ভেসে যায়, আগ্নেয়গিরির লাভা এসে ডুবিয়ে দেয়, ভূমিকম্পে কেঁপে কেঁপে ওঠে। শুধু তাই নয়, এই যে তোমরা হাসিখুশি তরুণ–তরুণীরা আছ তার মাঝে রয়েছে কিছু টাইম–বম্ব। তোমরা নিজেরাও জান না যারা হঠাৎ করে পাল্টে যাবে ভয়ঙ্কর ক্রিমিনালে। যাদের সহজ সরল হাসির পিছনে জন্ম নেবে লোত, নিষ্ঠুরতা, ক্ষমতার মোহ।

    তোমরা এই এক হাজার তরুণ–তরুণী সেই দ্বীপটিতে বাস করবে। পৃথিবীর সাথে তোমাদের কোনো যোগাযোগ থাকবে না। সবাই তোমাদের কথা ভুলে যাবে। তোমাদের উপর দিয়ে কোনো প্লেন উড়বে না, কোনো উপগ্রহ তোমাদের ছবি তুলবে না। তোমাদের সাথে কেউ কথা বলবে না, তোমরাও কারো সাথে কথা বলবে না।

    তোমাদের কেউ বিদায় জানাবে না, পৃথিবীর সব মানুষের অগোচরে তোমরা সেই দ্বীপে আশ্রয় নেবে। পৃথিবীর এক ভয়ঙ্কর প্রতিকূলতায় তোমরা বেঁচে থাকবে। আমরা সভ্য জগতের মানুষেরা যে সহজ আরামে অভ্যস্ত হয়েছি তোমাদের সেটা থাকবে না। তোমাদের জীবন হবে কঠোর। সেই কঠোর জীবনে তোমরা নিশ্চয়ই জন্ম দেবে একটি নূতন সভ্যতা। পৃথিবীর মানুষ যখন জন্ম দেবে অলস অকর্মণ্য প্রজাতি, তখন তোমরা সৃষ্টি করবে এক তেজস্বী শক্তিশালী জাতি। তোমাদের হাতে জন্ম নেবে নূতন জ্ঞান, নূতন আবিষ্কার, নূতন সমাজব্যবস্থা।

    সেই নির্জন দ্বীপে তোমাদের কথা কোনো মানুষ জানবে না। শক্তিবলয় দিয়ে তোমাদের ঘিরে রাখা হবে, সেই বলয় কেউ ভেদ করে আসতে পারবে না। পৃথিবীর ভিতরেই তোমরা জন্ম দেবে নূতন পৃথিবীর। আজ থেকে কয়েক শতাব্দী পরে, হয়তো তোমরা শক্তিবলয় ভেদ করে ফিরে আসবে এই পৃথিবীতে। মানব–জগৎ পাল্টে যাবে চিরদিনের মতো। সভ্যতার নূতন যুগের সৃষ্টি হবে এই পৃথিবীতে।

    গ্রানাইট পাথরের বিশাল হলঘরে এক হাজার তরুণ–তরুণী মন্ত্রমুগ্ধের মতো চুপ করে বসে থেকে থিরুর কথা শুনতে থাকে। তাদের বুকের মাঝে একই সাথে আশা এবং আশঙ্কা। স্বপ্ন এবং আতঙ্ক। জীবন এবং মৃত্যু।

    ***

    খুব ধীরে ধীরে বিরু ঘুম থেকে জেগে উঠলেন। অপারেশন অপক্ষেপের তিনি হচ্ছেন একমাত্র দর্শক। নির্জন দ্বীপের এক হাজার তরুণ–তরুণীর সাথে তিনিও এসেছিলেন দ্বীপে। দ্বীপের শক্ত পাথরের গভীরে এক শ মিটার নিচে গোপন ভল্টে তার শরীরকে শীতল করে রাখা হয়েছিল গোপনে। পৃথিবীতে তার মৃত্যুর যে খবর প্রচার করা হয়েছিল সেটি সত্যি ছিল না। যে দেহটি রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সমাধিস্থ করা হয়েছিল সেটিও তার শরীর ছিল না।

    বিজ্ঞান একাডেমীর মহাপরিচালক থিরু নিজের হাতে এই অপারেশান অপক্ষেপ দাঁড়া করিয়েছিলেন। এক শ বছর পর এই অপারেশান অপক্ষেপ কোন স্তরে এসে পৌঁছেছে জানার জন্যে তিনি গত এক শতাব্দী পাথরের আড়ালে ঘুমিয়েছিলেন। এখন তার ঘুম ভেঙেছে, স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রে তার শরীরকে পুনর্জীবিত করা হয়েছে। তিনি এখন পাথরের আড়াল থেকে বাইরে যাবেন, নির্জন দ্বীপে জন্ম নেয়া এক নূতন সভ্যতাকে নিজের চোখে দেখবেন।

    থিরু নিজের বুকের ভিতরে এক ধরনের কম্পন অনুভব করেন। বের হয়ে কী দেখবেন তিনি? উৎসাহী মানুষের কলকাকলিতে মুখরিত জনপদ, বিশাল সুরম্য অট্টালিকা, জ্ঞান বিজ্ঞান প্রযুক্তির স্পর্শে সৃষ্ট নূতন ধরনের পরিবহন পদ্ধতি? নাকি দেখবেন জনমানবশূন্য এক বিশাল ধু–ধু প্রান্তর? প্রকৃতির সাথে যুদ্ধ করে ধ্বংস হয়ে যাওয়া একটি জনপদ?

    থিরু একটা নিশ্বাস ফেলে উঠে দাঁড়ালেন। কী দেখবেন তিনি জানেন না, কিন্তু তাকে এখন বাইরে যেতে হবে, দেখতে হবে এই নূতন সভ্যতা কিংবা সভ্যতার ধ্বংসাবশেষ। এক শতাব্দী তিনি এই মুহূর্তটির জন্যে অপেক্ষা করে আছেন।

    শক্ত পাথরের গভীরে এক শ মিটার নিচের গোপন ভল্ট থেকে একটা অর্ধলোকিত সুড়ঙ্গ দিয়ে তিনি উপরে উঠে এলেন। বাইরে বের হতেই শীতল একটি বাতাস তার শরীরকে স্পর্শ করল, তিনি বুক ভরে নিশ্বাস নিয়ে বাইরে তাকালেন। সামনে অপূর্ব কিছু অট্টালিকা, শক্ত গাঁথুনি, অপূর্ব নকশা–কাটা। সন্ধ্যার আবছা আলোতে চিকচিক করছে। দুইপাশ দিয়ে সরু পথ নেমে গিয়েছে। উঁচুতে কাঁচে ঢাকা গোলাকার স্টেশন। রাস্তার পাশে সবুজ দেবদারু গাছ।

    থিরু নিশ্বাস বন্ধ করে একবার চারদিকে তাকালেন, না, এটি ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি সভ্যতা নয়। চারদিকে গড়ে ওঠা নূতন একটি সভ্যতার চিহ্ন। তিনি আবার তাকালেন এবং হঠাৎ করে তার মনে হল এখানে কোথাও কিছু একটা সমস্যা রয়েছে। সমস্যাটা কী তিনি হঠাৎ করে ধরতে পারলেন না। ইতস্ততভাবে তিনি আরো কয়েক পা এগিয়ে এলেন এবং হঠাৎ করে বুঝতে পারলেন চারপাশে কোথাও কোনো মানুষ নেই! কোথায় গিয়েছে সব মানুষ?

    থিরু জনশূন্য রাস্তা ধরে হাঁটতে লাগলেন। চারপাশে নগরীর সুস্পষ্ট চিহ্ন, রাস্তাঘাট উঁচু অট্টালিকা প্রযুক্তির সুস্পষ্ট ব্যবহার, সবই নিশ্চয়ই মানুষের জন্যে কিন্তু সেই মানুষেরা চোখের আড়ালে। বড় কোনো অট্টালিকায় ঢুকে দেখলে হয় কিন্তু থিরু হঠাৎ করে সেটি সাহস করলেন না। রাস্তা ধরে হাঁটতে লাগলেন, শীতল বাতাস বইছে, এই দ্বীপটির অবস্থান থেকে তিনি জানেন সোজা সামনে হেঁটে গেলে তিনি সমুদ্রতীরে পৌঁছাবেন। এই দ্বীপটির সবচেয়ে সুন্দর জায়গা ছিল বালুকাবেলা, সেখানে কি এক–দুজন সান্ধ্যকালীন পদব্রাজক পাওয়া যাবে না?

    থিরু সমুদ্রতীরে এসে অবাক হলেন, বালুকাবেলার সামনে বিশাল সমুদ্র, তাদের ফেনায়িত তরঙ্গ এসে আছড়ে পড়ছে, ঝাউগাছে বাতাসের এক ধরনের করুণ সুর কিন্তু এই অপার্থিব সৌন্দর্য উপভোগ করার কেউ নেই। থিরু একাকী বালুকাবেলায় ঘুরে বেড়ালেন, যখন একটি মানুষকেও না পেয়ে ফিরে আসছিলেন ঠিক তখন একটা ঝাউগাছের নিচে গুটিসুটি মেরে বসে থাকা একজন মানুষকে আবিষ্কার করলেন। মানুষটি এক ধরনের উদাস দৃষ্টিতে আকাশের দিকে তাকিয়ে আছে, তার পোশাক জীর্ণ, চেহারায় এক ধরনের খাপছাড়া উদ্ভান্ত ভাব। থিরু সাবধানে এগিয়ে গিয়ে তার কাছাকাছি দাঁড়ালেন, মানুষটি চোখের কোনা দিয়ে তাকে লক্ষ্য করে আবার আকাশের দিকে তাকিয়ে রইল। থিরু ইতস্তত করে বললেন, আমি তোমার সাথে একটু কথা বলতে পারি?

    মানুষটি তার দিকে না তাকিয়ে বলল, বল।

    আমি এক শ বছর আগে থেকে এসেছি, এক সময় আমি পৃথিবীর বিজ্ঞান একাডেমীর মহাপরিচালক ছিলাম।

    আমি সেটা আন্দাজ করছিলাম। তুমি এ সময়ের মানুষ হলে তোমার মাথায় নিশ্চয়ই মাস্কিট্রন থাকত।

    কী থাকত?

    মাস্কিট্রন। মানুষটি তার মাথা ঘুরিয়ে দেখাল বাম কানের একটু উপরে গোলাকার একটি জিনিস লাগানো।

    থিরু একটু ঝুঁকে পড়ে সন্ধ্যার আবছা আলোতে মাস্কিট্রন নামের জিনিসটা একটু ভালো করে দেখার চেষ্টা করলেন। জিনিসটা কেমন করে মাথার পাশে লেগে আছে তিনি বুঝতে পারলেন না। জিজ্ঞেস করলেন, এটা কেমন করে লাগিয়েছ?

    খুব সোজা। মাথার খুলিতে চারটা তিন শতাংশ ছিদ্র করে স্ক্রু দিয়ে লাগিয়ে দেয়া হয়েছে।

    থিরু একটু শিউরে উঠলেন, কোনোভাবে নিজেকে সামলে নিয়ে জিজ্ঞেস করলেন, মাথার খুলিতে ফুটো করে?

    হ্যাঁ। মস্তিষ্কের মাঝে যে ইমপালস দেয়া হয় সেটা যত কাছে থেকে সম্ভব দেয়ার কথা।

    থিরু মানুষটির কাছে উবু হয়ে বসে বললেন, দেখ, আমি এক শতাব্দী আগে থেকে এসেছি, তোমাদের সম্পর্কে কিছুই জানি না। আমাকে একটু বুঝিয়ে বলবে এখানে কী হচ্ছে?

    মানুষটি এবারে প্রথমবার থিরুর দিকে ঘুরে তাকাল। খানিকক্ষণ এক ধরনের কৌতুকের দৃষ্টিতে তাকিয়ে থেকে বলল, সত্যি শুনতে চাও?

    হ্যাঁ।

    বলছি তোমাকে। বস এখানে।

    থি মানুষটির পাশে বসলেন, ঠিক জানেন না কেন কিন্তু ভিতরে ভিতরে হঠাৎ তিনি এক ধরনের অস্বস্তি বোধ করতে শুরু করেছেন। মানুষটি তার দিকে খানিকক্ষণ তাকিয়ে থেকে বললেন, তুমি নিশ্চয়ই জান এই দ্বীপে এক হাজার খুব উৎসাহী তরুণ–তরুণীকে পাঠানো হয়েছিল, তারা আমাদের তিন পুরুষ আগের মানুষ।

    থিরু মাথা নাড়লেন, তিনি জানেন, মানুষগুলোকে তিনিই পাঠিয়েছিলেন।

    অসম্ভব কষ্ট করে সেই মানুষগুলো নিজেদের বাঁচিয়ে রেখেছিল। তাদের সন্তানেরা এই দ্বীপটিকে গড়ে তুলেছে। যারা এই দ্বীপটিকে গড়ে তুলেছে আমরা তাদের সন্তান। আমাদের মাঝে অসংখ্য প্রতিভাবান বিজ্ঞানীর প্রযুক্তিবিদের জন্ম হয়েছিল। তাদের সবার চেষ্টা দিয়ে তৈরি হয়েছে মাস্কিট্রন।

    সেটা কী করে?

    জীবনকে সহজ করে দেয়। আমরা প্রতিনিয়ত শুধু ছুটে বেড়াতাম, আমাদের জীবন ছিল শুধু কাজ আর পরিশ্রম। চেষ্টা ও খাটাখাটুনি। কিন্তু প্রশ্ন হল কেন এই পরিশ্রম? কেন এই কাজ? জীবনকে আনন্দময় করার জন্যে। সেই জীবন যদি সহজে আনন্দময় করে দিতে পারি তাহলে কেন আমরা কষ্ট করে খাটাখাটুনি করব? পরিশ্রম করে নিজের জীবনকে শেষ করব?

    থিরু জিজ্ঞেস করলেন, মাস্কিট্রন পরিশ্রম ছাড়াই আনন্দ এনে দিতে পারে?

    হ্যাঁ। কারণ মাস্কিট্রন সোজাসুজি মস্তিষ্কের সাথে লাগানো। মস্তিষ্কে এটি ইমপালস দিয়ে আনন্দের অনুভূতি দিতে পারে। আমরা অনেক পরিশ্রম করে আমাদের জীবনে আনন্দের যে অনুভূতি সৃষ্টি করব, সেই অনুভূতিটি সোজাসুজি মস্তিস্কে এসে যাচ্ছে। তাহলে পরিশ্রম কেন করব? চমৎকার একটা কবিতা পড়লে যেরকম আনন্দ হয়, সুন্দর একটি ছবি দেখলে যেরকম ভালো লাগে, অপূর্ব সঙ্গীত শুনে বুকের ভিতরে যেরকম আবেগের জন্ম হয় তার সবকিছু আমরা করতে পারি মাস্কিট্রন দিয়ে। আমাদের কবিতা লেখার প্রয়োজন নেই, ছবি আঁকার প্রয়োজন নেই, সঙ্গীত সৃষ্টিরও প্রয়োজন নেই।

    থিরু খানিকটা বিভ্রান্ত হয়ে মানুষটির দিকে তাকালেন। কিছু একটা জিজ্ঞেস করতে যাচ্ছিলেন, মানুষটি হাত তুলে হঠাৎ তাকে থামিয়ে দিয়ে সামনে তাকাল। থিরু তার দৃষ্টি অনুসরণ করে তাকিয়ে দেখতে পেলেন একটা মোটাসোটা ইঁদুর মাথা নাড়াতে নাড়াতে এগিয়ে আসছে। মানুষটি সাবধানে তার পাশে রাখা মুগুরের মতো একটা গাছের গুঁড়ি তুলে নিয়ে অতর্কিতে ইঁদুরটিকে মেরে বসে। ইঁদুরটির মাথা থেঁতলে রক্ত ছিটকে এসে মানুষটির মুখে পড়ল কিন্তু মানুষটির সেটা নিয়ে কোনো ভাবান্তর হল না। সে মৃত ইঁদুরটির লেজ ধরে নিজের কাছে টেনে এনে চোখের সামনে ঝুলিয়ে সেটিকে পর্যবেক্ষণ করে, থিরু দেখতে পেলেন মানুষটির চোখেমুখে একটা আনন্দের আভা হাজির হয়েছে। সে ইঁদুরটা নিজের পাশে রেখে আমার কথার সূত্র ধরে বলল, একটা সঙ্গীত সৃষ্টি করতে

    থিরু বাধা দিয়ে বললেন, তুমি–তুমি ইঁদুরটা দিয়ে কী করবে?

    মানুষটি থিরুর দিকে তাকিয়ে সকৌতুকে বলল, এটা আমার আজ রাতের ডিনার।

    থিরু চমকে উঠলেন, ডিনার?

    হ্যাঁ। মাস্কিট্রন আমাদের আনন্দ সুখ উল্লাসের অনুভূতি দিতে পারে। কিন্তু আমাদের খেতে হয়

    থিরু হতচকিত হয়ে বললেন, এই– এই ইঁদুরটা খাবে?

    হা। মাস্কিট্রনটা সেট করব অত্যন্ত উপাদেয় খাবারের অনুভূতির জন্যে। তখন আমি যেটাই খাব সেটাকেই মনে হবে উপাদেয় খাবার। ইঁদুরটা এমনিতেই কচমচ করে খাব–

    কাঁচা?

    মানুষটা সহৃদয় মানুষের মতো হাসল, রান্না করে জ্বালানি নষ্ট করে লাভ আছে?

    থিরুর সারা শরীর গুলিয়ে উঠল। মানুষটি থিরুর দিকে তাকিয়ে বলল, তোমার মাথায় যেহেতু মাস্কিট্রন লাগানো নেই, তোমার হয়তে পুরো ব্যাপারটা একটু অস্বস্তিকর মনে হতে পারে।

    থিরু দুর্বলভাবে মাথা নেড়ে বললেন, হ্যাঁ, তুমি ঠিকই বলেছ। কিন্তু আমার প্রশ্ন অন্য জায়গায়। কাঁচা ইঁদুরকে উপাদেয় খাবার মনে করে, খাওয়ার জন্যে তোমরা মাথার খুলি ফুটো করে স্ক্রু দিয়ে যন্ত্র লাগাচ্ছ? এর সত্যিই দরকার ছিল?

    মানুষটি তার দিকে ঘুরে তাকিয়ে বলল, কিন্তু এটা তো সত্যিকারের ব্যবহার নয়। এর সত্যিকার ব্যবহার অন্য জায়গায়। এই তো কয়দিন আগে একটি মেয়ের একমাত্র বাচ্চা সাত তালা থেকে পড়ে মারা গেল। যদি মাস্কিট্রন না থাকত সেই মায়ের কী ভয়ানক কষ্ট হত বলতে পার? কিন্তু এখন কোনো সমস্যাই নেই, মাস্কিট্রন সেট করে শিশুর মৃতদেহটি রেখে চলে গেল একটা পার্টিতে আনন্দ করতে!

    থিরু হঠাৎ করে শিউরে উঠলেন, প্রথমবার তিনি একটু আতঙ্ক অনুভব করতে শুরু করেন। ইতস্তত করে বললেন, কিন্তু যেখানে দুঃখ পাওয়ার কথা সেখানে তো দুঃখ পেতে হয়—

    মানুষটি মাথা নাড়ল, বলল, না আর পেতে হয় না। আমাদের মাঝে এখন আর দুঃখ নেই। এই দ্বীপের প্রতিটি মানুষ এখন গভীর সুখের মাঝে ডুবে আছে। তাদের ভিতরে দুঃখ বেদনা কষ্ট কিছু নেই।

    থিরু খানিকক্ষণ মানুষটির দিকে স্থির চোখে তাকিয়ে রইলেন, তারপর একটা নিশ্বাস ফেলে বললেন, এখানে রাস্তাঘাটে মানুষ নেই কেন?

    প্রয়োজন নেই তাই। মানুষ রাস্তাঘাটে যেত কারণ কাজকর্ম করার প্রয়োজন ছিল। এখন শুধু খাওয়া জোগাড় করার জন্যে মাঝে মাঝে বের হতে হয়। বাকি সময়টুকু মানুষ তার ঘরে চুপচাপ শুয়ে মাস্কিট্রন দিয়ে জীবন উপভোগ করতে পারে।

    মানুষটি আড়মোড়া ভেঙে ইঁদুরটার লেজ ধরে টেনে তুলে উঠে দাঁড়িয়ে বলল, আমি যাই। বাসায় গিয়ে বিশ্রাম নিই। তুমি কি যাবে আমার সাথে?

    থিরু মাথা নেড়ে বললেন, তুমি যাও। আমি আরো খানিকক্ষণ বসে যাই। পুরো ব্যাপারটা বুঝতে আমার একটু সময় লাগবে।

    ঠিকই বলেছ। যত তাড়াতাড়ি পার একটা মাস্কিট্রন লাগিয়ে নাও, দেখবে জীবনের মাঝে কত আনন্দ লুকানো!

    মানুষটি হেঁটে চলে গেল, থিরু সেদিকে তাকিয়ে থাকেন। গম্ভীর হতাশায় তিনি একটি নিশ্বাস ফেললেন। অপারেশান অপক্ষেপ যেভাবে কাজ করার কথা ছিল সেভাবে কাজ করে নি। এটি পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে। শুধু ব্যর্থ হয় নি এটি পুরোপুরি উল্টোদিকে কাজ করেছে। মানুষকে নূতন জীবন না দিয়ে যে জীবনটি দেয়া হয়েছিল সেটি ছিনিয়ে নেয়া হয়েছে।

    থিরু দীর্ঘসময় একা একা সমুদ্রের বালুবেলায় বসে রইলেন। ধীরে ধীরে শীতের বাতাস বইতে লাগল, যখন শীতটুকু অসহ্য মনে হল তখন হঠাৎ তিনি কয়েকজন মেয়ের গলা শুনতে পেলেন। কথা বলতে বলতে তারা এদিকে এগিয়ে আসছে। থিরু উঠে দাঁড়ালেন, মেয়েগুলো তাকে দেখতে পেয়ে কথা বন্ধ করে তার দিকে এগিয়ে এল। কাছে এলে থিরু দেখতে পেলেন তাদের সবার মাথায় একটি করে মাস্কিট্রন লাগানো।

    মেয়েদের ভিতরে একজন জিজ্ঞেস করল, তুমি কে? এখানে কী করছ?

    থিরু শান্ত গলায় বললেন, আমাকে তোমরা চিনবে না। আমি এই এলাকার নই। সত্যি কথা বলতে এই সময়েরও না!

    মেয়েগুলো মাথা নেড়ে বলল, তাই তো দেখছি, তোমার মাথায় মাস্ক্রিট্রন নেই।

    না নেই। তোমরা এত রাতে কেন এসেছ?

    আমরা এসেছি খাবারের জন্যে। এখানে মাঝে মাঝে বড় ইঁদুর পাওয়া যায়।

    থিরুর শরীর আবার কাঁটা দিয়ে ওঠে। তিনি দেখতে পেলেন তাদের একজনের হাতে একটা লোহার রডের মতো জিনিস।

    অন্য একটি মেয়ে বড় হাতের মেয়েটিকে বলল, তুমি এটা দিয়ে ইঁদুর মারতে পারবে না। ইঁদুর খুব চতুর প্রাণী, এত সহজে তাকে মারা যায় না।

    মেয়েটি বলল, অবশ্যি পারব। আমি কত সহজে এটা দিয়ে আঘাত করতে পারি।

    এত সোজা নয়।

    তোমরা দেখতে চাও?

    দেখাও দেখি।

    তাহলে মাস্কিট্রনটা এগার পয়েন্টে সেট কর।

    মেয়েগুলো তাদের মাথায় লাগানো মাস্কিট্রন হাত দিয়ে ঠিক করতে শুরু করে, থিরু জিজ্ঞেস করলেন, মাস্কিট্রন এগার পয়েন্ট সেট করলে কী হয়?

    বীভৎস রক্তারক্তি বা হিংস্র কাজকর্মগুলোকে পবিত্র কাজ বলে মনে হয়।

    থিরু জিজ্ঞেস করলেন, এখন কি বীভৎস কোনো কাজ করা হবে?

    যে মেয়েটির হাতে লোহার রড, সে দুই হাতে শক্ত করে রডটি ধরে থিরুর দিকে এগিয়ে এল। থিরু আতঙ্কে শিউরে উঠে দেখলেন মেয়েটির মুখে সত্যিই কোমল স্নিগ্ধ একটি পবিত্র ভাব।

    .

    সমুদ্রের বালুবেলায় একটি বৃদ্ধের রক্তাক্ত মৃতদেহ দেখে প্রাতঃভ্রমণকারী একজন মানুষ দ্রুত মাস্কিট্রনটি চৌদ্দ পয়েন্টে সেট করে নিল। মাস্কিট্রন চৌদ্দ পয়েন্টে সেট করা হলে ভীতিকর একটা দৃশ্যকে কৌতুককর বলে মনে হয়।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআবারো টুনটুনি ও আবারো ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    Next Article আমি তপু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    Related Articles

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    ছোটগল্প – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সাদাসিধে কথা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মেকু কাহিনী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    আমার বন্ধু রাশেদ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ১ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    টুনটুনি ও ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }