Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ৩ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল এক পাতা গল্প1002 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৫. পরিত্যক্ত খনি থেকে

    পরিত্যক্ত খনি থেকে বের হওয়ামাত্রই ইশি আমার মস্তিষ্কে ফিসফিস করে বলল, আমাকে কেউ একজন ডাকছে।

    প্রতিরক্ষা দপ্তর। উত্তর দেবার কিছু প্রয়োজন নেই।

    কেন উত্তর দেবার কোনো প্রয়োজন নেই?

    আমি কোথায় সেটা জানতে দিতে চাই না। তুমি উত্তর দেওয়ামাত্র আমার অবস্থান জেনে যাবে।

    তোমার অবস্থান জানলে ক্ষতি কী?

    আসলে কোনো ক্ষতি নেই। আমার অবস্থান আগে হোক পরে হোক জেনে যাবেই। কিন্তু আমি একটু সময় চাইছি।

    আমি পরিত্যক্ত খনি থেকে অনেক কষ্টে শহরে ফিরে এলাম। নিজের বাসায় একদিন শুয়ে–বসে কাটিয়ে দিলাম। পরদিন শহরতলিতে পানশালায় গেলাম নিফ্রাইট মেশানো পানীয় খেতে। সেখানে কোমের সঙ্গে দেখা হল–আমার সাথে যে বেশ কয়েকদিন দেখা হয় নি সেটা নিয়ে কোম কিছু সন্দেহ করল না। আমরা পানীয়তে চুমুক দিয়ে শিল্প–সাহিত্য–সংস্কৃতি এই ধরনের বড় বড় ব্যাপার নিয়ে কথা বললাম। উঠে আসার সময় কোমকে জিজ্ঞেস করলাম, হিম নগরীতে যাবার সহজ রাস্তা কি জান?

    কোম অবাক হয়ে বলল, হিম নগরী! সেখানে কেন যাবে?

    আমি রহস্যময়ভাবে হেসে বললাম, একটু কাজ আছে!

    হিম নগরীর রাস্তা কোম জানে না, আমি জানতাম সে জানবে না। কয়দিন পর যখন প্রতিরক্ষা দপ্তর তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে সে নিশ্চয়ই এই কথাটা বলবে, এই জন্যই তাকে জিজ্ঞেস করা।

    আমি শহরের বড় বড় ব্যাঙ্ক ভন্টে কয়দিন ঘোরাঘুরি করলাম, আন্তঃভূমণ্ডল পরিবহন কেন্দ্রে কেনাকাটা করলাম, কেন্দ্রীয় নেটওয়ার্কে একদিন বসে বসে পৃথিবীর বড় বড় ডাটা সেন্টারে তথ্য বিনিময় করলাম। পৃথিবীর বড় কিছু গবেষণাগারে অর্থহীন বিষয় নিয়ে। আলোচনা করলাম। অবশেষে শহরের বড় একটি লেভিটেশান টার্মিনালে অসংখ্য মানুষের ভিড়ের মাঝে দাঁড়িয়ে থেকে ইশিকে বললাম প্রতিরক্ষা দপ্তরের সাথে যোগাযোগ করতে।

    আমাকে খুঁজে বের করতে কতক্ষণ লাগবে সেটা নিয়ে আমার একটু কৌতূহল ছিল, দেখতে পেলাম ঘণ্টাখানেকের মাঝেই আমাকে প্রতিরক্ষা দপ্তরের কাছাকাছি একটা অফিসে নিয়ে যাওয়া হল। লেভিটেশান টাওয়ারের ভিড় থেকে আমাকে তুলে আনা হয়েছে বলে অসংখ্য দৃষ্টিক্ষেপণ মডিউলে সেটি সংরক্ষিত থাকার কথা, রিগা কম্পিউটার ইচ্ছে করলেই তার পরিবর্তন করতে পারবে কিন্তু এই বিশাল মানুষের ভিড়ের দৃশ্যে সেটি সহজ নাও হতে পারে।

     

     

    প্রতিরক্ষা দপ্তরে আমার সাথে যে কথা বলতে এল সে সম্ভবত খুব উচ্চপদস্থ কর্মচারী, তার সাথে এসেছে দুজন আইনরক্ষাকারী অফিসার এবং একটি প্রতিরক্ষা রোবট। উচ্চপদস্থ কর্মচারীটি মধ্যবয়স্ক, জীবনের একটি বড় সময় ভুরু কুঁচকে থাকার কারণে তার কপাল পাকাপাকিভাবে কুঞ্চিত হয়ে আছে। আমার দিকে তাকিয়ে রুষ্ট স্বরে বলল, আধা জৈবিক প্রাণীটি ধ্বংস করে তোমার সাথে আমার যোগাযোগ করার কথা ছিল।

    আমি একটু অবাক হবার দুর্বল অভিনয় করে বললাম, ছিল নাকি? আমি ভেবেছিলাম সে জন্য তোমরা আমার মাথায় একটা ট্রাকিওশান লাগিয়েছ।

    মানুষটি মুখ কালো করে বলল, ট্রাকিওশানটি আমাদের আনুগত্য স্বীকার করতে অস্বীকার করছে।

    তাই নাকি! আমি গলায় বিদ্রূপটুকু লুকানোর কোনো চেষ্টা না করে বললাম, কী অন্যায়! কী ঘোরতর অন্যায়?

    প্রতিরক্ষা রোবটটি ভাবলেশহীন মুখে বসে রইল, কিন্তু আমার কথায় সাথের আইনরক্ষাকারী অফিসার দুজন বিশেষরকম বিচলিত হয়ে উঠল বলে মনে হল।

     

     

    উচ্চপদস্থ কর্মচারীটি ক্ষুব্ধ গলায় বলল, আধা জৈবিক প্রাণীটিকে ধ্বংস করার একটি পূর্ণ বিপোর্ট দরকার। তুমি কি সেটি দেবার জন্য প্রস্তুত?

    না।

    কর্মচারীটি অনেক কষ্টে নিজেকে সংযত করে রাখল। আইনরক্ষাকারী অফিসারদের একজন বলল, কেন নয়?

    সেটি সম্ভব নয় বলে।

    কেন সেটি সম্ভব নয়?

    কারণ আমি সেই প্রাণীটিকে হত্যা করি নি।

    অসম্ভব। সেই প্রাণীটিকে হত্যা না করলে তুমি জীবন্ত বের হতে পারতে না। আমাদের সিসমি রেকর্ডে তোমার এটমিক ব্লাস্টারের বিস্ফোরণের সংকেত ধরা পড়েছে।

     

     

    তোমরা যদি সেটি জান তা হলে কেন আমাকে প্রশ্ন করছ?

    আমরা ঘুঁটিনাটি জানতে চাই। আধা জৈবিক প্রাণীটির ধ্বংসাবশেষ আনতে চাই।

    আমি হঠাৎ করে সামনে ঝুঁকে গলার স্বর পরিবর্তন করে বললাম, আমার কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য আছে, কিন্তু সেই গুরুত্বপূর্ণ তথ্যটি আমি দিতে পারি ঠিক সেরকম গুরুত্বপূর্ণ কোনো মানুষকে।

    উচ্চপদস্থ কর্মচারীটি দাঁতে দাঁত ঘষে বলল, তোমার হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ মানুষটি কে হতে পারে?

    তুমি তাকে চিনবে না। সত্যি কথা বলতে কী, আমি যদি সেই মানুষের কথা তোমাকে বলি, তোমার বিপদ হতে পারে। তুমি কি সত্যিই শুনতে চাও?

    আমি এই প্রথমবার মানুষটির মুখে এক ধরনের ভীতির ছাপ দেখতে পেলাম। সে ইতস্তত করে বলল, তুমি কী বলতে চাও?

     

     

    আমি তোমাকে বিপদে ফেলতে চাই না। তুমি তোমাদের সবচেয়ে উচ্চপদস্থ মানুষ কিংবা যন্ত্রকে নিয়ে এস। যদি সেটা নিয়ে সমস্যা থাকে আমাকে একটি গোপন চ্যানেল দাও আমি ইশিকে ব্যবহার করে একজন গুরুত্বপূর্ণ মানুষ কিংবা যন্ত্রের সাথে যোগাযোগ করি।

    আমি তোমার কথা বিশ্বাস করি না।

    আমি কাঠ কাঠ স্বরে হেসে উঠে বললাম, তুমি জান আমি এক ছুঁয়ে তোমাদের ধ্বংস করে দিতে পারি? তোমরা নিজেরা আমার মুখে ভয়ঙ্কর একটি বিস্ফোরক লাগিয়ে দিয়েছিলে? সেটি এখনো ব্যবহার করি নি। তুমি জান?

    আমার এই কথায় হঠাৎ ম্যাজিকের মতো কাজ হল। সামনে যারা উপস্থিত ছিল তারা হঠাৎ করে উঠে দাঁড়াল এবং আমাকে একা বসিয়ে রেখে ঘর থেকে বের হয়ে গেল। আমি কালো একটি গ্রানাইট টেবিলের সামনে একাকী বসে রইলাম।

    দীর্ঘ সময় পরে আমার সামনে হলোগ্রাফিক স্ক্রিনে একজন বয়স্ক মানুষের ছবি দেখতে পেলাম। মানুষটি শুষ্ক গলায় বলল, তুমি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিতে চাইছ?

     

     

    হ্যাঁ। শুধুমাত্র অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মানুষের কাছে।

    বয়স্ক মানুষটি হাসার ভঙ্গি করে বলল, আমি প্রতিরক্ষা দপ্তরের একজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মানুষ।

    সেটি সত্যি কি না আমি এক্ষুনি বুঝতে পারব। আমি একমুহূর্ত অপেক্ষা করে বললাম, তুমি কি প্রজেক্ট অতিমানবীর কথা শুনেছ?

    বয়স্ক মানুষটি বিদ্যুৎস্পৃষ্টের মতো চমকে উঠল, কয়েক মুহূর্ত আমার দিকে তাকিয়ে থেকে বলল, তুমি–তুমি কী বললে?

    প্রজেক্ট অতিমানবী।

    তুমি কেমন করে প্রজেক্ট অতিমানবীর কথা জেনেছ?

    তোমরা আমাকে যে অতিমানবীকে হত্যা করতে পাঠিয়েছিলে, আমি তাকে হত্যা করি নি। আমার তার সাথে পরিচয় হয়েছে

     

     

    অসম্ভব।

    তার কোন ক্রোমোজমের কোন জিনটির কোন বেস পেয়ারবটির মিউটেশানের কারণে তাদের মৃত্যু ঘটে নি সেটি বললে কি তুমি বিশ্বাস করবে?

    বয়স্ক মানুষটি দীর্ঘসময় আমার দিকে তাকিয়ে রইল, তারপর কেমন জানি ভয় পাওয়া গলায় বলল, তুমি কী চাও?

    আমি প্রজেক্ট অতিমানবীর মহাপরিচালকের সাথে কথা বলতে চাই।

    বৃদ্ধ মানুষটি বিচিত্র এক ধরনের দৃষ্টিতে আমার দিকে তাকিয়ে রইল, তাকে হঠাৎ কেমন জানি ক্লান্ত এবং বিধ্বস্ত দেখাতে থাকে। খানিকক্ষণ চেষ্টা করে বলল, তুমি কেন এটা করতে চাইছ?

    অতিমানবীদের নিয়ে যে নৃশংসতা শুরু হয়েছে আমি সেটা বন্ধ করতে চাই।

    তুমি?

     

     

    হ্যা আমি।

    তুমি কীভাবে সেটা করবে?

    আমি সেটা প্রজেক্ট অতিমানবীর মহাপরিচালককে বলব।

    বৃদ্ধ মানুষটি খানিকক্ষণ আমার দিকে তাকিয়ে থেকে বলল, প্রজেক্ট অতিমানবীর মহাপরিচালক সম্পর্কে তুমি কতটুকু জান?

    আমি কিছু জানি না।

    আমারও তাই ধারণা, তাই তুমি তার সাথে দেখা করতে চাইছ।

    আমি একটু অবাক হয়ে বললাম, কেন? তার সাথে দেখা করতে অসুবিধা কী?

     

     

    আমার জানামতে কোনো মানুষ তার সাথে দেখা করে নি।

    কেন?

    এই প্রজেক্টটি পুরোপুরি পরিচালিত হয় আধা জৈবিক কিছু প্রাণী, কিছু রোবট, কিছু পরামানব–মানবী এবং কিছু যন্ত্র দিয়ে। সেখানে কোনো মানুষের প্রবেশাধিকার নেই।

    আমার শরীর কেন জানি শিউরে উঠল, আমি বৃদ্ধ মানুষটির দিকে খানিকক্ষণ তাকিয়ে থেকে বললাম, আমি তবু সেখানে যেতে চাই।

    হলোগ্রাফিক স্ক্রিনে বৃদ্ধ মানুষটি দীর্ঘসময় আমার দিকে তাকিয়ে রইল, বলল, আমি যদি তোমাকে এই মুহূর্তে হত্যা করার নির্দেশ দিয়ে অতিমানবীদের একে একে ধ্বংস করার প্রক্রিয়াটি চালু রাখি?

    তুমি সেটা করবে না।

     

     

    কেন?

    তোমরা যে অতিমানবীকে হত্যা করার জন্য আমাকে পাঠিয়েছিলে, সেই লাইনার সাথে আমার পরিচয় হয়েছে। আমি তার শরীর থেকে রক্ত নিয়েছি, টিস্যু নিয়েছি। সেই রক্ত, টিস্যু, জীবন্ত কোষ বায়োজ্জ্যাকেটে করে হিম নগরীতে পাঠিয়েছি, পৃথিবীর নানা প্রান্তে জমা রেখেছি।

    না– বৃদ্ধ মানুষটি চিৎকার করে বলল, না!

    হ্যাঁ। তথ্যকেন্দ্রে আমি সেই তথ্যও জমা রেখেছি– বিশ্বাস না হলে খোঁজ নিতে পার। আমার মৃত্যু হলে সেই তথ্য প্রকাশিত হবে। পৃথিবীর অর্থলোলুপ ব্যবসায়ীরা সেই টিস্যু, সেই জীবন্ত কোষ থেকে ৪৬টি ক্রোমোজম নিয়ে অতিমানবীর ক্লোন তৈরি করবে। কয়েকটি অতিমানবীর জায়গায় পৃথিবীতে থাকবে কয়েক সহস্র অতিমানবী। সেখান থেকে কয়েক লক্ষ। তোমরা কত জনকে হত্যা করবে?

    না। না না। তুমি জান না তুমি কী ভয়ঙ্কর খেলায় হাত দিয়েছ। বৃদ্ধ মানুষটি চিৎকার করে বলল, তুমি উন্মাদ। তুমি বদ্ধ উন্মাদ।

     

     

    সম্ভবত। কিন্তু একটা জিনিস জান?

    কী?

    আমি খুব সাধারণ একজন মানুষ ছিলাম। তোমরা আমাকে বদ্ধ উন্মাদ করে তুলেছ। আর মজা কী জান? বদ্ধ উন্মাদ হয়ে আমার কিন্তু ভালো লাগছে।

    বৃদ্ধ মানুষটি শীতল চোখে আমার দিকে তাকিয়ে থেকে বলল, তুমি আমার কাছে কী চাও?

    আমি একটি নিশ্বাস ফেলে বললাম, তুমি কি আমাকে প্রজেক্ট অতিমানবীর মহাপরিচালকের সাথে দেখা করিয়ে দেবে?

    বৃদ্ধ মানুষটি খানিকক্ষণ আমার দিকে একদৃষ্টে তাকিয়ে রইল, তার পর অবিশ্বাসের ভঙ্গিতে মাথা নেড়ে বলল, ঠিক আছে আমি চেষ্টা করব।

    .

    ভাসমান যানটি আমাকে চত্বরের শক্ত কংক্রিটে নামিয়ে দিয়ে এইমাত্র আবার আকাশে উঠে গেছে। আমি যতক্ষণ সম্ভব ভাসমান যানটির দিকে তাকিয়ে রইলাম। লাল আলো জ্বলতে জ্বলতে এবং নিভতে নিভতে ভাসমান যানটি দূরে মিলিয়ে গেল। আমি সামনে তাকালাম, আমাকে বলে দেওয়া না হলে কখনোই বিশ্বাস করতাম না যে এই প্রায় বিধ্বস্ত দালানটি প্রজেক্ট অতিমানবীর মূল ল্যাবরেটরি। দূরে শক্ত পাথরের দেয়াল দিয়ে ঘেরা, উপরে নিশ্চয়ই শক্তিশালী ইনফ্রারেড আলোর অদৃশ্য প্রহরা। ভিতরে অবিন্যস্ত গাছপালা এবং ঝোঁপঝাড়, কংক্রিটের চত্বর থেকে ল্যাবরেটরি পর্যন্ত নুড়ি পাথর ছড়ানো রাস্তা। আমি হেঁটে হেঁটে ল্যাবরেটরির সামনে দাঁড়ালাম। কোথায় দরজা হতে পারে সেটা নিয়ে চিন্তা করছিলাম ঠিক তখন হঠাৎ ঘরঘর শব্দ করে চতুষ্কোণ একটা দরজা খুলে গেল, মনে হচ্ছে আমার জন্য কেউ একজন সেখানে অপেক্ষা করে আছে। আমি একটা নিশ্বাস ফেলে ভিতরে পা দিলাম, নিজের অজান্তেই বুকের ভিতরে হঠাৎ আতঙ্কের একটা শিহরন বয়ে গেল।

     

     

    দরজার পাশে একজন মানুষ দাঁড়িয়ে আছে, মানুষটিকে দেখে আমি চমকে উঠলাম, তার চারটি হাত। দুই হাতে সে শক্ত করে একটি বীভৎস অস্ত্র ধরে আছে, অন্য দুই হাতে আমাকে জাপটে ধরে আমি কিছু বোঝার আগেই আমার দুই হাতে একটা হাতকড়া লাগিয়ে দিল।

    আমি জিজ্ঞাসু দৃষ্টিতে মানুষটির দিকে তাকালাম, সে খসখসে গলায় বলল, নিরাপত্তার খাতিরে তোমার হাতে হাতকড়া লাগাচ্ছি, তার বেশি কিছু নয়।

    আমি মানুষটির দিকে তাকিয়ে রইলাম, একজন মানুষের চারটি হাত দেখে নিজের অজান্তেই সারা শরীর কাঁটা দিয়ে ওঠে। কিন্তু যে জিনিসটি আমাকে বিস্মিত করল তার সাথে এই মানুষটির বিচিত্র দেহ–গঠনের কোনো সম্পর্ক নেই। আমার মুখে এবং হাতের মাংসপেশিতে ভয়াবহ বিস্ফোরক লাগানো রয়েছে, ইচ্ছে করলেই আমি কঠোর নিরাপত্তাকে পুরোপুরি উপেক্ষা করে এখানে ভয়ঙ্কর আঘাত হানতে পারি। প্রজেক্ট অতিমানবীর ল্যাবরেটরির এই প্রহরী সেই কথা জানে না প্রতিরক্ষা দপ্তর এই তথ্যটি জানার পরেও এদেরকে সে বিষয়ে সতর্ক করে দেয় নি ইচ্ছে করেই দেয় নি যার অর্থ এই ভয়ঙ্কর প্রজেক্টের জন্য প্রতিরক্ষা দপ্তরের কারো মনে এতটুকু সহানুভূতি নেই। কেন নেই?

    চার হাতের মানুষটি আমাকে ধাক্কা দিয়ে সামনে নিতে নিতে বলল, তোমার জন্য মহামান্য গ্রুটাস অপেক্ষা করছেন।

    গ্রুটাস?

    আমাদের এই ল্যাবরেটরির মহাপরিচালক।

    আমি কোনো কথা না বলে হেঁটে যেতে যেতে কিছু বিচিত্র জিনিস দেখতে পেলাম। ঘরের মেঝেতে একটি হাত গড়াগড়ি খাচ্ছে, দেখে মনে হয় কেউ বুঝি কারো একটা হাত কেটে ফেলে রেখেছে; একটু ভালো করে দেখলেই বোঝা যায় সেটি সত্যি নয় হাতের অন্যপাশে একটা ছোট কয়েক আঙুল লম্বা বিচিত্র অপুষ্ট দেহাবশেষ ঝুলছে। দেখে আমার শরীর ঘিনঘিন করে উঠল। আমি একাধিক মানুষ দেখতে পেলাম যাদের মুখের জায়গায় একটি বীভৎস গর্ত। চোখের জায়গায় কান বের হয়ে এসেছে সেরকম কিছু বিচিত্র মানুষকেও ইতস্তত ঘোরাঘুরি করতে দেখলাম। যে জিনিসটি দেখে আমি অমানুষিক আতঙ্কে প্রায় ছুটে যেতে চাইলাম সেটি মাথাহীন কিছু দেহ, যেগুলো অত্যন্ত স্বাভাবিক ভঙ্গিতে চেয়ারে বসে পা নাড়ছে।

    আমি একাধিক করিডোর ধরে হেঁটে, অনেক ধরনের বিচিত্র মানুষকে পাশ কাটিয়ে একটি বড় হলঘরের মতো জায়গায় হাজির হলাম। চার হাতের মানুষটি আমাকে মৃদু ধাক্কা দিয়ে ঘরের ভিতরে ঢুকিয়ে দিল।

    বিশাল হলঘরের ঠিক মাঝামাঝি জায়গায় একজন মানুষ ঝুলছে, মানুষটি স্বাভাবিক নয়, নিচের ঠোঁটটি একটু বেরিয়ে এসেছে। মানুষটির মুখের চামড়া কুঞ্চিত, চোখে অসুস্থ হলুদ রং। মানুষটির মুণ্ডিত মাথা দেহের তুলনায় অস্বাভাবিক বড়, তার ভিতরে কিছু–একটা নড়ছে, সেটা কী বাইরে থেকে বোঝা যাচ্ছে না। মানুষটার বিশাল মাথার ভিতর থেকে নানা ধরনের টিউব বের হয়ে গেছে, তাদের ভিতর দিয়ে নানা রঙের তরল প্রবাহিত হচ্ছে। একাধিক টিউব নমনীয় ধাতবের, সম্ভবত বৈদ্যুতিক সঙ্কেত আদান–প্রদানের জন্য। পিছনের দেয়ালে জটিল কিছু যন্ত্রপাতি, আমি বিজ্ঞানী নই বলে সেগুলো কী ধরনের যন্ত্র। বুঝতে পারলাম না। মানুষটি কীভাবে শূন্যে ভেসে আছে দেখে বোঝা যাচ্ছে না, সম্ভবত সূক্ষ্ম কোনো তার দিয়ে ছাদ থেকে ঝোলানো রয়েছে।

    বীভৎস এই মানুষটি আমাকে দেখে হঠাৎ সবৃসর করে নিচে নেমে আমার দিকে এগিয়ে। এল, যে সূক্ষ্ম ধাতব ফাইবারগুলো তাকে উপর থেকে ঝুলিয়ে রেখেছে আমি এবারে সেগুলো স্পষ্ট দেখতে পেলাম। মানুষটি আমার কাছাকাছি এসে দাঁড়াতেই তার দেহ থেকে একটা দূর্গন্ধ ভেসে এল, পচা মাংসের মতো এক ধরনের উৎকট দুর্গন্ধ। সাধারণ মানুষের মস্তিষ্ক থেকে তার মস্তিষ্ক অনেক বড়, সেখানে যান্ত্রিক কিছুও রয়েছে। নানা ধরনের টিউব দিয়ে সেই যন্ত্রগুলো নিয়ন্ত্রণ করছে। এই অসম্ভব কুদর্শন কদাকার মানুষটির গলা থেকে আমি এক ধরনের উৎকট কণ্ঠস্বরের জন্য অপেক্ষা করছিলাম, কিন্তু এই মানুষটির কণ্ঠস্বর অপূর্ব। সে গমগমে গলায় বলল, আমার নাম গ্রুটাস। তুমি আমার সাথে দেখা করতে চেয়েছ?

    আমি মাথা নাড়লাম, হ্যাঁ।

    গ্রুটাস নামের মানুষটি হা হা করে হেসে আবার সরসর করে উপরে ডানদিকে সরে গেল, সেখান থেকেই বলল, আশা করছি কারণটি জরুরি। আমি সাধারণত কারো সাথে দেখা করি না।

    আমার মনে হয়েছিল কারণটা জরুরী। আমি একটা নিশ্বাস নিয়ে বললাম, কিন্তু তোমার ল্যাবরেটরিতে হেঁটে আসতে আসতে আমি যা যা দেখেছি এখন আর নিশ্চিত নই।

    গ্রুটাস সরসর করে নিচে নেমে আসতে আসতে বলল, তুমি কেন এ কথা বলছ?

    তোমার এখানে মানুষকে নিয়ে গবেষণা হয়। যারা মানুষের দেহ–মনকে যেভাবে খুশি বিকৃত করতে পারে তাদেরকে আমি বুঝতে পারি না।

    মানুষটি সরসর করে উপরে উঠে যেতে যেতে বলল, মানুষ কথাটির একটা সুনির্দিষ্ট অর্থ আছে।

    সেটি কী?

    তাদের ৪৬টি ক্রোমোজমের দুই লক্ষাধিক জিনকে সুনির্দিষ্টভাবে ব্যাখ্যা করে দেওয়া আছে। সেই জিনকে পরিবর্তন করা হলে তারা আর মানুষ থাকে না। তাদেরকে নিয়ে গবেষণা করা যায়। পৃথিবীর আইন আমাকে সেই অধিকার দিয়েছে।

    আমি আসতে আসতে যাদের দেখেছি তারা মানুষ নয়?

    প্রচলিত সংজ্ঞায় মানুষ নয়। তাদের অত্যন্ত সীমিত আয়ু দিয়ে কৃত্রিমভাবে দ্রুত বড় করা হয়েছে। মানুষের শরীরের একেক জায়গার কোষ একেকভাবে বিকশিত হয় কারণ তার জন্য নির্ধারিত জিন যেভাবে নিজেকে প্রকাশ করে, অন্যগুলো সুপ্ত থাকে। আমরা ইচ্ছেমতো তাদের বিকশিত করতে পারি, সুপ্ত রেখে দিতে পারি, প্রয়োজন থেকে বেশি জুড়ে দিতে পারি। যেখানে চোখ থাকার কথা সেখানে কান তৈরি হয়, একটা হাতের জায়গায় দুটি হাত বের হয়ে আসে। এই গবেষণার প্রয়োজন আছে। মানুষকে রক্ষা করার জন্য এইসব অসম্পূর্ণ। প্রাণী তৈরি করার প্রয়োজন আছে।

    এই ল্যাবরেটরিতে সবাই অসম্পূর্ণ প্রাণী?

    হ্যাঁ। সবাই অসম্পূর্ণ প্রাণী। আমি একমাত্র মানুষ।

    আমি মানুষ নামের এই বিচিত্র প্রাণীটির দিকে এক ধরনের আতঙ্ক নিয়ে তাকিয়ে রইলাম। সে সরসর করে আবার সরে গিয়ে বলল, তুমি কেন এসেছ? কী চাও?

    এটি প্রজেক্ট অতিমানবী ল্যাবরেটরি। তোমাদের তৈরি অতিমানবী বিষয়ে আমি একটি তথ্য নিয়ে এসেছি।

    গ্রুটাস সরসর করে আমার এত কাছে সরে এল যে তার শরীরের দুর্গন্ধ আমার জন্য সহ্য করা কঠিন হয়ে উঠল। সে তার হলুদ চোখে আমার দিকে স্থির দৃষ্টিতে তাকিয়ে বলল, কী তথ্য?

    তারা তোমার এই ল্যাবরেটরি থেকে পালিয়ে গেছে।

    আমি জানি।

    ইচ্ছে করলে তারা তাদের ক্লোন দিয়ে সারা পৃথিবী ছেয়ে ফেলতে পারে, পৃথিবীর মানুষ এই ক্লোনদের দিয়ে অপসারিত হতে পারে।

    গ্রুটাসের মুখ শক্ত হয়ে আসে, সে ক্রুদ্ধ গলায় বলে, প্রতিরক্ষা দপ্তর তাদেরকে একজন একজন করে হত্যা করার দায়িত্ব নিয়েছে।

    একজন অতিমানবীকে হত্যা করা এত সহজ নয় গ্রুটাস। আমি জানি তারা সেই দায়িত্ব পালন করতে পারছে না।

    তুমি কেমন করে জান?

    কারণ আমি সেই হত্যাকারীদের এক জন। আমি তাদের হত্যা করতে পারি নি।

    গ্রুটাস সরসর করে ছিটকে আমার কাছ থেকে সরে গেল, একবার উপরে উঠে গেল, নিচে নেমে এল, তারপর ঘরের মাঝামাঝি স্থির হয়ে বলল, কেন তুমি হত্যা করতে পার নি?

    তাদেরকে হত্যা করার প্রয়োজন নেই বলে।

    কেন প্রয়োজন নেই?

    কারণ তারা স্বেচ্ছায় এখানে ফিরে আসবে।

    গ্রুটাস সরসর করে নিচে নেমে এল। শক্ত মূখে জিজ্ঞেস করল, কেন ফিরে আসবে?

    কারণ তাদের সম্পর্কে যেটা ভাবো সেটা সত্যি নয়–তারা ভয়ঙ্কর নৃশংস প্রাণী নয় তারা প্রকৃত অর্থে একজন মানুষ। শুধু একটি ব্যাপারে নিশ্চয়তা দিলেই তারা ফিরে আসবে।

    কোন ব্যাপারে?

    তারা অতিমানবী হতে চায় না। সাধারণ মানুষ হতে চায়। তাদেরকে সাধারণ মানুষে পাল্টে দিতে হবে।

    গ্রুটাস কোনো কথা না বলে আমার দিকে হলুদ চোখে তাকিয়ে রইল। আমি বললাম, জিনের যে পরিবর্তনটুকুর কারণে তারা অতিমানবী রয়েছে, ধরে নাও সেটি একটি ক্রটি। সেই টিটুকু সারিয়ে দাও। সেই কত শত বছর আগে রিকম্বিনেন্ট ডি, এন, এ. টেকনিক দিয়ে ক্রটিপূর্ণ জিনকে ভালো জিন দিয়ে সারিয়ে দেওয়া হত। তোমরা এখন সেটা নিশ্চয়ই অত্যন্ত নিখুঁতভাবে করতে পার।

    গ্রুটাস মাথা নাড়ল, পারি।

    তা হলে তাদেরকে সারিয়ে দাও, অতিমানবিকতাকে একটি জিনেটিক ক্রটি হিসেবে ধরে নিয়ে তাদের চিকিৎসা করে সারিয়ে তোল। তাদের সাধারণ মানুষ হিসেবে বেঁচে থাকতে দাও।

    গ্রুটাস কোনো কথা বলল না, আমার দিকে একদৃষ্টে তাকিয়ে রইল। একটা বড় নিশ্বাস ফেলে বলল, যদি না দিই?

    তুমি দেবে। কারণ তোমার কোনো উপায় নেই। তোমার ল্যাবরেটরিতে তৈরি একজন অতিমানবীর সাথে আমার পরিচয় হয়েছে। আমি তার দেহকোষ নিয়ে সারা পৃথিবীর অসংখ্য গোপন জায়গায় সঞ্চিত রেখেছি। অতিমানবীদের সাধারণ মানুষে পাল্টে না দেওয়া পর্যন্ত আমি সেই দেহকোষ ফিরিয়ে দেব না।

    উৎকট দুর্গন্ধ ছড়িয়ে গ্রুটাস আমার কাছে ছুটে এল, তুমি আমাকে ভয় দেখাচ্ছ?

    হ্যাঁ। আমি হাতকড়া দিয়ে লাগানো আমার দুই হাত উপরে তুলে বললাম, তুমিও আমাকে ভয় দেখাচ্ছ এই দেখ আমাকে হাতকড়া পরিয়েছ।

    গ্রুটাস কোনো কথা না বলে আমার দিকে তীব্র দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইল। আমি শান্ত গলায় বললাম, তুমি কি আমার প্রস্তাবে রাজি?

    গ্রুটাস সরসর করে পিছনে সরে গিয়ে বলল, কিন্তু আমি কীভাবে নিশ্চিত হব যে তুমি অতিমানবীদের কোনো দেহকোষ লুকিয়ে রাখবে না?

    আমাকে তোমার বিশ্বাস করতে হবে। আমি একমুহূর্ত থেমে শান্ত গলায় বললাম, মানুষকে মানুষের বিশ্বাস করতে হয়।

    গ্রুটাস তীব্র স্বরে বলল, আমি মানুষ, তাই আমি মানুষকে বিশ্বাস করি না।

    আমি হাসার ভঙ্গি করে বললাম, সেটি তোমার সমস্যা। তুমি যদি চাও আমার মস্তিষ্ক স্ক্যান করেও দেখতে পার।

    তাই দেখব।

    বেশ। এখন তুমি কি অনুমতি দেবে? আমি কি অতিমানবীদের নিয়ে আসব?

    গ্রুটাস আবার একটি বড় নিশ্বাস ফেলে বলল, যাও। নিয়ে এসো।

    তোমাকে ধন্যবাদ গ্রুটাস। আমি চলে যেতে যেতে হঠাৎ দাঁড়িয়ে গিয়ে বললাম, গ্রুটাস!

    বল।

    তোমাকে ব্যক্তিগত কিছু প্রশ্ন করতে পারি?

    কী প্রশ্ন?

    তুমি নিজেকে মানুষ বলে দাবি কর, কিন্তু বেঁচে আছ যন্ত্রের মতো। তোমার মস্তিষ্ক থেকে টিউব বের হয়ে আসছে, আমি দেখতে পাচ্ছি তোমার মস্তিষ্কের ভিতরে কোনো একটা যন্ত্র নড়ছে, টিউবে করে তরল যাচ্ছে, সূক্ষ্ম ধাতব ফাইবার দিয়ে তুমি শূন্য থেকে ঝুলে আছ, কারণটা কী?

    আমি মানুষের সীমাবদ্ধতার কথা জানি। তাই চেষ্টা করছি যন্ত্রের কাছাকাছি যেতে। মানুষের জিন নিয়ে আমি কাজ করি, গুরুত্বপূর্ণ জিনের বেস পেয়ারের তালিকা আমাকে জানতে হয়, তাই বিশাল তথ্যকেন্দ্রের সাথে আমার মস্তিষ্ককে জুড়ে দিয়েছি। আমি সরাসরি তথ্য নিতে পারি। মস্তিষ্ককে জীবাণুমুক্ত রাখার জন্য আমার মস্তিস্কে জীবাণু–নিরোধক তরল পাঠাতে হয়, মস্তিষ্ককে সতেজ রাখার জন্য উত্তেজক ওষুধ পাঠাতে হয় সে জন্য খুলির ভিতরে ক্রায়োজেনিক পাম্প বসিয়েছি।

    আমার সারা শরীর কাঁটা দিয়ে ওঠে, গ্রুটাসের বীভৎস মুখের দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করলাম, তুমি ইচ্ছে করে এই জীবনপদ্ধতি বেছে নিয়েছ?

    গ্রুটাস হঠাৎ ছটফট করে সরসর করে ছিটকে গিয়ে চিৎকার করে বলল, তুমি সীমানা অতিক্রম করছ নির্বোধ মানুষ। আমি ইচ্ছে করে এই জীবনপদ্ধতি বেছে নিয়েছি নাকি বাধ্য হয়ে নিয়েছি তাতে তোমার কিছুই আসে–যায় না।

    আমি মাথা নাড়লাম, বললাম, ঠিকই বলেছ। আমার কিছুই আসে–যায় না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপ্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    Next Article বৃষ্টির ঠিকানা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    Related Articles

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    ছোটগল্প – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সাদাসিধে কথা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মেকু কাহিনী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    আমার বন্ধু রাশেদ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ১ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    টুনটুনি ও ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }