Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ৩ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল এক পাতা গল্প1002 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৩. রুখ গোল জানালাটি খুলতেই

    রুখ গোল জানালাটি খুলতেই ভিতরে একঝলক ঠাণ্ডা বাতাস এসে ঢুকল। নিও পলিমারের কাপড়টি গায়ে জড়িয়ে সে বাইরে তাকাল, চারদিকে ঘুটঘুঁটে অন্ধকার, কোথাও কোনো শব্দ নেই, কেমন জানি এক ধরনের মন–বিষণ্ণ–করা নীরবতা। রুখ মাথা বের করে উপরে তাকাল–উপরে মেতসিসের অন্য পাশে মূল নিয়ন্ত্রণকেন্দ্র, খুব ভালো করে লক্ষ করলে মাঝে মাঝে সেটা দেখা যায়। রুখ তীক্ষ্ণ চোখে তাকাল এবং হঠাৎ করে সেটা দেখতে পেল। সাথে। সাথে সে কেমন যেন শিউরে ওঠে। তার এখনো বিশ্বাস হচ্ছে না যে সে আগামীকাল এই নিয়ন্ত্রণকক্ষে বুদ্ধিমান এনরয়েডদের মুখোমুখি হবে।

    রুখ একটা নিশ্বাস ফেলে ঘরের ভেতরে মাথা ঢোকাতেই শুনতে পেল কেউ একজন দরজায় শব্দ করছে। রুখ এসে দরজা খুলতেই দেখতে পেল রুহান দাঁড়িয়ে আছে, একটু অবাক হয়ে বলল, কী ব্যাপার রুহান, তুমি?

    রুহান মধ্যবয়স্ক হাসিখুশি মানুষ, দীর্ঘদিন সে মানুষের এই আস্তানাটিতে কেন্দ্র পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেছে। রুখের দিকে তাকিয়ে নরম গলায় বলল, আমিও একই জিনিস জিজ্ঞেস করতে এসেছি! কী ব্যাপার তুমি

    আমি কী?

    তুমি এখনো ঘুমাও নি? কত রাত হয়েছে জান?

    চেষ্টা করছিলাম, ঘুম আসছে না।

    ভয় লাগছে?

    অন্য কেউ হলে রুখ স্বীকার করত না কিন্তু রুহানের কাছে লুকানোর কিছু নেই, সে মাথা নাড়ল। বলল, হ্যাঁ

    রুহান একটা নিশ্বাস ফেলে বলল, আমার খুব ভালো লাগত যদি বলতে পারতাম ভয়ের কিছু নেই। কিন্তু মিছে বলে লাভ কী? ব্যাপারটি আসলেই ভয়ের।

    তুমি তো গিয়েছ নিয়ন্ত্রণকেন্দ্রে–বুদ্ধিমান এনরয়েডদের দেখেছ, কেমন লাগে দেখতে?

    আসলে বাইরে থেকে দেখে তো সেরকম কিছু বোঝা যায় না। চতুর্থ প্রজাতির প্রতিরক্ষা রোবট আর নিনীষ স্কেলে তিন কিংবা চার বুদ্ধিমত্তার এনরয়েডের বাইরে থেকে বিশেষ পার্থক্য নেই। তবে

    তবে কী?

    তুমি যখন ওদের সামনে দাঁড়াও হঠাৎ করে যখন মনে হয় পৃথিবীর সকল জীবিত মানুষ মিলে যে বুদ্ধিমত্তা ছিল এই যন্ত্রদের যে কোনো একটির মাঝে সেই একই বুদ্ধিমত্তা তখন কেমন যেন সমস্ত হাত–পা শীতল হয়ে যায়। যখন কথা বলে–_

    ওদের গলার স্বর কী রকম?

    আমাদের সাথে কথা বলার জন্য মানুষের কণ্ঠস্বরেই কথা বলে, সত্যি কথা বলতে কী গলার স্বর চমৎকার। কিন্তু গলার স্বরটি ব্যাপার নয়। ব্যাপার হচ্ছে তাদের ক্ষমতা কী রকম ক্ষমতা?

    ওদের সামনে দাঁড়ালে বুঝতে পারবে তোমার নিজস্ব কোনো সত্তা নেই। তোমার সবকিছু ওরা জানে। তোমার চোখের দিকে তাকিয়ে ওরা সবকিছু বুঝে ফেলে। অনেক মানুষের সামনে উলঙ্গ করে ছেড়ে দিলে তোমার যেরকম লাগবে এটাও সেরকম। তবে এটা আরো ভয়ানক–এটা শারীরিক নগ্নতা নয়–এটা একেবারে নিজের ভিতরের নগ্নতা। কথা বলতে বলতে রুহান হঠাৎ কেমন জানি শিউরে উঠল।

    রুখ জোর করে একটু হাসার চেষ্টা করে বলল, আমি এমনিতেই ভয়ে ঘুমাতে পারছি –তুমি আরো ভয় দেখিয়ে দিচ্ছ।

    রুহান মাথা নেড়ে বলল, আমি ভয় দেখাচ্ছি না, সত্যি কথা বলছি। ব্যাপারটি জানা থাকা ভালো–বিপদ কম হবে।

    রুখ চিন্তিত মুখে বলল, তুমি যাদের দেখেছ তাদের বুদ্ধিমত্তা কত ছিল?

    তিন কিংবা চার।

    এর থেকে বড় বুদ্ধিমত্তার কিছু নেই?

    আছে–তারা আমাদের মতো তুচ্ছ মানুষের সামনে আসবে না। শুনেছি তারা দেখতেও অন্যরকম। হাত–পা নেই–শুধু কপোট্রন আর সেন্সর নিনীষ স্কেলে তারা এক কিংবা দুই।

    এর থেকে উপরে কিছু নেই?

    জানি না। যদি থাকে সেটা আমরা কখনো কল্পনা করতে পারব না। হয়তো অসংখ্য কপোট্রনের একটা অতিপ্রাকৃত সমন্বয়

    রুখ কোনো কথা না বলে খানিকক্ষণ চুপ করে রইল। তারপর একটা নিশ্বাস ফেলে বলল, বুদ্ধিমত্তার এই যে স্কেল তুমি সেটা বিশ্বাস কর?

    রুহান খানিকক্ষণ চুপ করে থেকে বলল, সেটা নির্ভর করে বুদ্ধিমত্তাকে তুমি কীভাবে ব্যাখ্যা কর তার উপর। তুমি যদি মনে কর পাইয়ের মান কয়েক ট্রিলিয়ন সংখ্যা পর্যন্ত বলে যাওয়া হচ্ছে বুদ্ধিমত্তা তা হলে আমি নিনীষ স্কেলে বিশ্বাস করি। যদি মনে কর রেটিনার কম্পন দেখে নিউরনের সিনালের মাঝে সংযোগ স্থাপনের নিখুঁত হিসাব বলে দেওয়া হচ্ছে বুদ্ধিমত্তা– যা তা হলেও আমি নিনীষ স্কেলে বিশ্বাস করি। কিন্তু

    কিন্তু?

    কিন্তু বুদ্ধিমত্তার অর্থ যদি হয় মিলিয়ন মিলিয়ন বছর টিকে থাকা তা হলে আমি জানি নিনীষ স্কেল সত্যিকারের স্কেল কি না। আমাদের কাছে তার কোনো প্রমাণ নেই।

    রুহান

    বল।

    এই যে মেতসিস একটা বিশাল মহাকাশযান–অসংখ্য বুদ্ধিমান এনরয়েডদের সাথে আমরা মহাকাশে ভেসে যাচ্ছি, তোমার কি কখনো মনে হয় না এর প্রকৃত উদ্দেশ্য কী আমরা জানি না

    রুহান হেসে বলল, এই ধরনের দার্শনিক তত্ত্বকথা নিয়ে আলোচনা করার সময় এটা নয়। তুমি ঘুমাও, আগামীকাল তোমার জন্য একটা কঠিন দিন, ঘুমিয়ে সুস্থ সতেজ হয়ে থাক।

    রুখ দুর্বলভাবে হেসে বলল, কিন্তু ঘুমাতে পারছি না!

    পারবে। মানুষের যেটি সবচেয়ে বড় দুর্বলতা সেটি আসলে তাদের সবচেয়ে বড় শক্তি। একটি অত্যন্ত কঠিন পরিবেশ থেকে এনরয়েড সরে আসতে পারে না, মানুষ পারে। রুখ একমুহূর্ত অপেক্ষা করে বলল, মানুষ ইচ্ছে করলে মারা যেতে পারে।

    রুখ হো হো করে হেসে বলল, তুমি আসলে আমাকে মারা যাওয়ার লোভ দেখাচ্ছ?

    খানিকটা দেখাচ্ছি!

    রুহান! তা হলে তোমার আমাকে সাহস দিতে হবে না–আমি নিজেই ব্যবস্থা করে নেব।

    রুহান রুখের কাঁধ স্পর্শ করে কোমল গলায় বলল, আমি জানি তুমি পারবে। আমি শুধু বলতে এসেছি তুমি কখনো একা নও–আমরা সবাই একসাথে আছি।

    বিছানায় শুয়ে রুখ হঠাৎ করে ভাবল রুহান আসলে সত্যি কথাই বলেছে। আগামীকাল কী হবে জানে না কিন্তু যেটাই হোক সেটা তো মৃত্যু থেকে খারাপ কিছু হতে পারে না। আর মৃত্যু যে খুব খারাপ সেটি কি কেউ প্রমাণ করে দেখিয়েছে?

    .

    রুখ মানুষের বসতি থেকে বের হবার আগে তার সাথে অনেকে দেখা করতে এল। সবাই এমনভাবে কথা বলছিল যেন সে তাদের খাবার সংশ্লেষণযন্ত্রের বয়লার আনতে যাচ্ছে–যেন ব্যাপারটি খুবই স্বাভাবিক, যেন এটি একটি দৈনন্দিন ব্যাপার। মূল নিয়ন্ত্রণকেন্দ্রে বুদ্ধিমান এনরয়েডদের সাথে দেখা করতে গিয়ে মাঝে মাঝেই যে কেউ আর। কখনো ফিরে আসে না সেটি কেউ একবারও উচ্চারণ করল না। রুথ নিজেও পরিবেশটুকু স্বাভাবিক রাখল, হালকা রসিকতা করল, নিজের পোশাক নিয়ে কিছু মন্তব্য করল। একসময় রুহান রুখের পিঠে হাত দিয়ে বলল, রুখ রওনা দিয়ে দাও। অনেকদূর যেতে হবে।

    হ্যা যাই। রুখ তখন ক্রীনার দিকে তাকিয়ে বলল, ক্রীনা, যাচ্ছি।

    ক্রীনা, মেতসিসের সবচেয়ে তেজস্বী মেয়ে, যার জন্য রুখ সবসময় নিজের ভিতরে এক ধরনের আকর্ষণ অনুভব করে এসেছে–একমুহূর্ত চুপ করে থেকে বলল, সাবধানে থেকো।

    রুখ একটি নিশ্বাস ফেলে বলল, থাকব ক্রীনা। তার খুব ইচ্ছে করছিল সে একবার ক্রীনার মাথায় হাত বুলিয়ে তার চোখে চোখ রেখে কিছু একটা বলে–কিন্তু সে কিছু করল না। পিঠে ব্যাগ ঝুলিয়ে গেট খুলে বের হয়ে এল। অনেকটা পথ তাকে হেঁটে যেতে হবে– পৃথিবীর অনুকরণ করে এখানে গাছপালা বনজঙ্গল পাথর ঝরনা তৈরি করা হয়েছে, হাঁটতে ভালোই লাগে। জৈবজগতের সীমারেখায় পৌঁছানোর পর কোনো একটি রোবটযান তাকে তুলে নেবে, তাকে সেটা নিয়ে চিন্তা করতে হবে না। পাহাড়ি পথে হাঁটতে হাঁটতে রুখ একবার পিছন ফিরে তাকাল, বসতির গেট ধরে ক্রীনা এখনো দাঁড়িয়ে আছে, বাতাসে তার নিও পলিমারের কাপড় উড়ছে। কী বিষণ্ণ পুরো দৃশ্যটি! রুথ হঠাৎ ভিতরে ভিতরে শিউরে ওঠে, সত্যি যদি সে আর কখনো ফিরে না আসে? মূল নিয়ন্ত্রণকেন্দ্রে এনরয়েডদের সাথে দেখা করতে গিয়ে অনেকেই তো ফিরে আসে নি। সে যদি আর কখনো ক্রীনাকে দেখতে না পায়? রুখ বুক ভরে একটা নিশ্বাস নিয়ে জোর করে মাথা থেকে চিন্তাটা সরিয়ে দিল।

    পাহাড়ি পথ দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে রুখ হাত দিয়ে আড়াল করে সূর্যের দিকে তাকাল, এখনো এটা দিগন্তের কাছাকাছি আছে, আরো কিছুক্ষণের মাঝে মাথার উপরে উঠে আসবে। রুখ তথ্যকেন্দ্রে দেখেছে পৃথিবী তার অক্ষের উপরে ঘুরত বলে সেখানে মনে হত সূর্য দিগন্তের একপাশ থেকে উদয় হয়ে অন্যপাশে অস্ত যাচ্ছে। মেতসিসেও অনেকটা সেরকম করার চেষ্টা করা হয়েছে। চৌম্বক ক্ষেত্রে একটা প্লাজমা আটকে রেখে সেখানে খুব নিয়ন্ত্রিত একটা থার্মোনিউক্লিয়ার বিক্রিয়া চালু রাখা হয়েছে। সেটা ধীরে ধীরে একপাশ থেকে শুরু হয়ে অন্যপাশে হাজির হয়, মেতসিসের ভিতর থেকে মনে হয় বুঝি আকাশের এক প্রান্তে উদয় হয়ে অন্য পাশে সূর্য অস্ত গিয়েছে। পৃথিবীর মতো পুরো সময়টা কয়েকটা ঋতুতে ভাগ করা হয়েছে, কোনো ঋতু উষ্ণ কোনো ঋতু শীতল। পৃথিবীর মতোই মাঝে মাঝে এখানে ঝোড়ো হাওয়া বইতে থাকে, নির্দিষ্ট একটা সময়ে উপরে মেঘ জমা হয় এমনকি মাঝে মাঝে একপসলা বৃষ্টি পর্যন্ত হয়। শুধুমাত্র যে জিনিসটি এখানে নেই সেটি হচ্ছে আকাশ। পৃথিবীর মানুষ উপরে তাকালে দেখতে পেত আদিগন্তবিস্তৃত সীমাহীন নীল আকাশ। এখানে এক শ কিলোমিটার ব্যাসার্ধের বিশাল গোলকের মাঝে থেকে উপরের দিকে তাকালে আকাশ নয়– আবছা আবছাভাবে গোলকের অন্য পৃষ্ঠ, বুদ্ধিমান এরয়েডের বসতি দেখা যায়। মহাকাশব্যাপী বিশাল আদিগন্তবিস্তৃত নীল আকাশের দিকে তাকাতে কেমন লাগে রুখ জানে না। তার ধারণা সেটি নিশ্চয়ই একটি অত্যন্ত চমকপ্রদ অভিজ্ঞতা যার কোনো তুলনা নেই। সে তথ্যকেন্দ্রে দেখেছে বুদ্ধিমান এনরয়েডদের বসতি থেকে মেতসিসের বাইরে, মহাকাশের দিকে তাকানো যায়, সেখানে নিকষ কালো অন্ধকার আকাশের নক্ষত্র–নীহারিকা দেখা যায়। যদি কখনো সুযোগ হয় কুখ নিশ্চয়ই একবার দেখবে সীমাহীন মহাকাশের দিকে একটিবার চোখ খুলে তাকিয়ে দেখতে না জানি কেমন অনুভূতি হবে!

    রুখ পাহাড়ি পথে একটু উপরে উঠে আসে, পিছনে বহুদূরে মানুষের বসতিটি এখন গাছপালার আড়ালে ঢাকা পড়ে গেছে। এই এলাকাটি খানিকটা সমতল, গাছপালা বলতে গেলে নেই, ভালো করে তাকালে মেতসিসের প্রযুক্তির চিহ্ন দেখা যায়। আরো খানিকটা সামনে এসে রুখ একটা খাড়া দেয়ালের কাছে দাঁড়াল। দেয়ালে বড় বড় করে লেখা জৈবজগতের সীমানা–তার নিচে একটু ছোট করে লেখা সীমানা অতিক্রম বিপজ্জনক।

    রুখ দাঁড়িয়ে গেল, জৈবজগতের সীমানা অতিক্রম করা কেন বিপজ্জনক সেটি এখানে লেখা নেই কিন্তু রুখ জানে এই দেয়ালের ওপর দিয়ে অত্যন্ত শক্তিশালী অবলাল লেজার রশ্মি চলে গিয়েছে। কেউ যদি নিজেঁ নিজে দেয়ালটি অতিক্রম করার চেষ্টা করে মুহূর্তে পুড়ে ছাই হয়ে যাবে। জৈবজগৎটি এনরয়েডের জগৎ থেকে এত সাবধানে কেন আলাদা করে রাখা হয়েছে কে জানে।

    রুখ এদিক–সেদিক তাকিয়ে দেয়ালে হেলান দিয়ে পা ছড়িয়ে বসে পড়ল, সূর্য ঠিক মাথার উপরে উঠে এসেছে এখন। নিও পলিমারের হুডটা মাথার উপর টেনে দিয়ে সে উপরের দিকে তাকাল এবং বহুদূরে বিন্দুর মতো স্কাউটশিপটাকে দেখতে পেল। প্রায়। নিঃশব্দে সেটি তার দিকে এগিয়ে আসছে। ঠিক কেন জানে না কিন্তু রুখ হঠাৎ করে তার পেটের মাঝে বিচিত্র এক ধরনের শূন্যতা অনুভব করে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপ্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    Next Article বৃষ্টির ঠিকানা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    Related Articles

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    ছোটগল্প – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সাদাসিধে কথা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মেকু কাহিনী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    আমার বন্ধু রাশেদ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ১ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    টুনটুনি ও ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }