Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ৩ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল এক পাতা গল্প1002 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৪. আসবাবপত্রহীন ছোট একটি ঘরে

    আসবাবপত্রহীন ছোট একটি ঘরে রুথ অপেক্ষা করছে। স্কাউটশিপের পাইলট–রসকসহীন, নির্লিপ্ত এবং কথা বলতে অনিচ্ছুক একটি রোবট তাকে এখানে পৌঁছে দিয়ে গেছে। রুখ ঘরের দেয়াল, ছাদ এবং মেঝে ঘুঁটিয়ে ঘুঁটিয়ে পরীক্ষা শেষ করার আগেই হঠাৎ করে একটা দরজা খুলে গেল এবং সেখানে প্রায় মানুষের আকৃতির একটা এনরয়েড উঁকি দিল। রুখের বুকের মাঝে হঠাৎ রক্ত ছলাৎ করে ওঠে–এইটি কি বুদ্ধিমত্তায় মানুষ থেকেও দুই কিংবা তিন মাত্রা উপরের স্তরের?

    এনরয়েডটি ঘরের ভিতরে ঢুকে রুখের কাছাকাছি এসে অনেকটা যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেল। বুদ্ধিমত্তায় উপরের স্তরের হলেও এনরয়েডটির চলাফেরার ভঙ্গিটি পুরোনো ধাচের। রুখ তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে এনরয়েডটির দিকে তাকিয়ে থাকে, মাথার কাছে দুটি ফটোসেলের চোখ, সেখানে বুদ্ধিমত্তার কোনো চিহ্ন নেই।

    এনরয়েডটি রুখের দিকে তাকিয়ে এক ধরনের যান্ত্রিক গলায় বলল, তোমার কাপড় জামা খুলে টেবিলটাতে শুয়ে পড়।

    কাপড়–জামা খুলে? মানে সবকিছু খুলে?

    হ্যাঁ। এখানে আর কেউ নেই। তোমার লজ্জা পাবার কিছু নেই। আমি যন্ত্র। মানুষ যন্ত্রের সামনে লজ্জা পায় না।

    রুখ কাপড় খুলতে খুলতে হঠাৎ লজ্জা নামক সম্পূর্ণ মানবিক এই ব্যাপারটি কীভাবে কাজ করে বোঝার চেষ্টা করল কিন্তু তার সময় পেল না। কারণ তার আগেই এনরয়েডটি শীতল হাত দিয়ে তার পাজরে স্পর্শ করে কিছু একটা দেখতে শুরু করেছে। রুখ কষ্ট করে নিজেকে স্থির রেখে শান্ত গলায় জিজ্ঞেস করল, তোমরা পাইয়ের মান দশমিকের পর কত ঘর পর্যন্ত বলতে পার?

    বারো।

    বারো? রুখ অবাক হয়ে বলল, মাত্র বারো? আমিই তো বারো থেকে বেশি বলতে পারি!

    আমার যে ধরনের কাজকর্ম করতে হয় তাতে দশমিকের পর বারো ঘরের বেশি প্রয়োজন হয় নি।

    কিন্তু কিন্তু

    কিন্তু কী?

    আমি শুনেছি তোমরা কয়েক মিলিয়ন পর্যন্ত বলে যেতে পার।

    ভুল শুনেছ। আমরা পারি না। এনরয়েডটি রুখকে ছোট একটা ধাক্কা দিয়ে বলল, টেবিলটাতে শুয়ে পড়।

    রুখ টেবিলটাতে শুয়ে পড়ে এনরয়েডটার দিকে তাকাল, সেটি উপর থেকে কিছু যন্ত্র নিচে টেনে নামাতে থাকে। রুখের বুকের উপর চতুষ্কোণ এবং মসৃণ একটি মনিটর বসিয়ে এনরয়েডটি বলল, তুমি এখন জোরে জোরে নিশ্বাস নাও।

    রুখ কয়েকবার জোরে জোরে নিশ্বাস নেয়, সাথে সাথে আশপাশে কয়েকটা যন্ত্রের ভেতর থেকে নিচু কম্পনের কিছু ভোঁতা শব্দ শুনতে পায়। এনরয়েডটি হেলমেটের মতো দেখতে একটি গোলাকার জিনিস তার মাথার মাঝে লাগাতে থাকে। রুখ তীক্ষ্ণদৃষ্টিতে এনরয়েডটি লক্ষ করতে করতে বলল, তুমি কী করছ?

    মানুষের বসতি থেকে কেউ এলে তাদের পরীক্ষা করতে হয়। জিনেটিক মিউটেশান কী পর্যায়ে আছে সেটি লক্ষ রাখতে হয়। এগুলো রুটিন কাজ, তোমার ভয় পাবার কিছু নেই।

    আমি–আমি আসলে ঠিক ভয় পাচ্ছি না–

    পাচ্ছ। আমি জানি তোমার শরীরের সমস্ত অনুভূতি আমার সামনে মনিটরে দেখানো হচ্ছে। আমার কাছ থেকে তোমার ভয় পাবার কিছু নেই। আমি তোমার মতো একজন।

    আমার মতো?

    হ্যা আমার বুদ্ধিমত্তা মানুষের সমান। নিনীষ স্কেলে আট।

    তুমি তুমি এখানে কী করছ? আমি ভেবেছিলাম নিয়ন্ত্রণকেন্দ্রে সব এনরয়েড আমাদের থেকে বুদ্ধিমান।

    না সবাই নয়। রুটিন কাজ করার জন্যে আমাদের মতো অনেকে আছে। এখন কথা বোলা না, তোমার প্রিয় কোনো জিনিস নিয়ে চিন্তা করতে থাক।

    কেন?

    তোমার মস্তিষ্ক স্ক্যান করা হচ্ছে।

    মস্তিষ্ক কীভাবে স্ক্যান করে?

    খুব সোজা। কিছু ইলেকট্রড তোমার করোটিকে স্পর্শ করে। উচ্চ কম্পনের বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ সেই ইলেকট্রড দিয়ে তোমার মস্তিষ্কে প্রবেশ করে তার প্রতিফলিত আবেশ রেকর্ড করা হয়।

    কী লাভ তাতে?

    সেই স্ক্যান দেখে তোমার সম্পর্কে সবকিছু জানা যাবে। তুমি কী জান, তুমি কীভাবে চিন্তা কর সবকিছু।

    কিন্তু সেটা কীভাবে সম্ভব?

    তোমার কিংবা আমার জন্য সেটা সম্ভব নয়। কিন্তু যাদের বুদ্ধিমত্তা নিনীষ স্কেলে দুই মাত্রা উপরে তারা পারে। কাজেই তুমি কথা না বলে চুপ করে শুয়ে থাক। সুন্দর কিছু একটা ভাব।

    রুখ অবিশ্বাসের দৃষ্টিতে এনরয়েডটির দিকে তাকিয়ে রইল, একটা বড় নিশ্বাস ফেলে বলল, তুমি সত্যি বলছ?

    হ্যাঁ। আমি মিথ্যা বলতে পারি না

    এই যারা বুদ্ধিমান এনরয়েড, তারা–মানে তারা কী রকম?

    তারা অসম্ভব বুদ্ধিমান। সত্যি কথা বলতে কী তুমি কিংবা আমি সেটা কল্পনা করতে পারব না। তুমি নিজেই দেখবে।

    আমার কি কোনো বিপদ হতে পারে?

    এনরয়েডটা কোনো কথা না বলে চুপ করে রইল। রুখ ভয়–পাওয়া গলায় বলল, কী হল? কথা বলছ না কেন?

    বিপদ?

    হ্যাঁ।

    তুমি যদি স্বাভাবিক একজন মানুষ হও–তোমার চিন্তা–ভাবনা যদি খুব সাধারণ হয়, তোমার কোনো বিপদ নেই। কিন্তু যদি তোমার মাঝে কোনো অস্বাভাবিকতা থাকে তারা তোমাকে নিয়ে কৌতূহলী হতে পারে।

    কৌতূহলী হলে তারা কী করে?

    তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। শেষবার একজনের মস্তিষ্ক খুলে দেখেছিল।

    রুখ আতঙ্কে শিউরে উঠল, বলল, কী বলছ? এটা তো নিষ্ঠুরতা!

    আমি যদি তোমার মস্তিষ্ক খুলে নিই সেটা হবে নিষ্ঠুরতা। বুদ্ধিমত্তায় যারা অনেক উপরে তাদের জন্যে এটা নিষ্ঠুরতা নয়। তুমি কি ল্যাবরেটরিতে ইঁদুর কেটে দেখ নি? সেটা কি নিষ্ঠুরতা ছিল?

    কিন্তু

    আর কথা নয়। চুপ করে শুয়ে থাক কিছুক্ষণ। তোমার প্রিয় কোনো জিনিসের কথা ভাব।

    রুখের ক্রীনার কথা মনে পড়ল। তার কান, চোখ, কোমল ত্বক। সতেজ দেহ। তার নরম কণ্ঠস্বর। কুখ চোখ বন্ধ করে ক্রীনাকে দেখতে চাইল কিন্তু একটু পর পর তার মনোযোগ ছিন্ন হয়ে যাচ্ছিল–বুকের ভিতর এক অজানা আশঙ্কা কেঁপে কেঁপে উঠছিল।

    .

    রুখ যে–ঘরটির ঠিক মাঝখানে দাঁড়িয়ে আছে সেটা বিশাল এবং গোলাকার। ঘরের দেয়াল ঈষৎ আলোকিত এবং অর্ধস্বচ্ছ কিন্তু দেয়ালের অন্যপাশে কী আছে সেটা দেখার কোনো উপায় নেই। রুখ দেয়ালের দিকে এগিয়ে গিয়ে আবিষ্কার করেছে দেয়ালটি তার কাছ থেকে সরে যাচ্ছে। সম্ভবত তাকে ঘিরে কোনো দেয়াল নেই, সম্ভবত সে ছোট একটা

    • প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে আছে এবং সে হাঁটলে প্ল্যাটফর্মটি উলটোদিকে সরতে থাকে, কাজেই সে আসলে যেখানে দাঁড়িয়ে আছে সেখান থেকে নড়তে পারে না। হয়তো আসলে এখানে কোনো ঘর নেই, পুরো ব্যাপারটি এক ধরনের দৃষ্টিবিভ্রম। হয়তো সে আসলে একটা ছোট অর্ধগোলকের মাঝখানে দাঁড়িয়ে আছে, যার বাইরে থেকে কিছু বুদ্ধিমান এনরয়েড তাকে তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে ঘুঁটিয়ে ঘুঁটিয়ে দেখছে। কেউ তাকে লক্ষ করছে। অনুভূতিটি এত তীব্র যে রুখের মনে হতে থাকে অনেকে যেন নিচু গলায় কথা বলছে। কুখ তার সমস্ত মনোযোগ কেন্দ্রীভূত করে কথা শোনার চেষ্টা করে। একটি–দুটি কথা সে শুনতে পায় কিন্তু কিছুই বুঝতে পারে না।

    রুখ যখন কথা শোনার চেষ্টা করে হাল ছেড়ে দিচ্ছিল তখন কে যেন খুব কাছে থেকে বলল, মানব–সদস্য।

    রুখ চমকে উঠল, কে?

    আমি।

    আমি কে?

    তুমি আমাকে চিনবে না।

    আপনি কি বুদ্ধিমান এনরয়েড?

    কে যেন নিচু গলায় হাসল, বলল, বুদ্ধিমত্তা অত্যন্ত আপেক্ষিক ব্যাপার।

    কিন্তু বুদ্ধিমত্তার একটি পরিমাপ তৈরি হয়েছে। সেই পরিমাপ অনুযায়ী আপনি সম্ভবত মানুষ থেকে বুদ্ধিমান।

    সম্ভবত।

    আমি মানুষ থেকে বুদ্ধিমান কোনো অস্তিত্ব কখনো দেখি নি। আমি কি আপনাকে দেখতে পারি?

    মানুষ বুদ্ধিমত্তার যে পর্যায়ে আছে সেখানে তাদের কাছে গ্রহণযোগ্য আকৃতির একটি নির্দিষ্ট সংজ্ঞা আছে। তুমি সম্ভবত আমার আকৃতিকে গ্রহণ করতে পারবে না।

    আমি–আমি তবু একবার দেখতে চাইছিলাম।

    ঠিক আছে।

    খুব ধীরে ধীরে অর্ধগোলাকৃতির ঘরটির বাইরে আলোকিত হয়ে গেল এবং রুখ দেখতে পেল তার খুব কাছাকাছি একটি কদাকার এনরয়েড দাঁড়িয়ে আছে। এনরয়েডটি দেখতে অস্পষ্ট জ্বণের মতো, মানুষের অনুকরণে তৈরি ছোট একটি দেহের উপরে একটি বড় মাথা। মাথার ভিতর থেকে অনেকগুলি ছোট ছোট নল বের হয়ে শরীরের নানা জায়গায় প্রবেশ করেছে। মাথার ভিতরে শক্তিশালী কপোট্রনটিকে শীতল করার জন্য নিশ্চয়ই সেখানে কোনো ধরনের তরল প্রবাহিত হচ্ছে। এনরয়েডটির দুটি হাত, হাতের প্রান্তে আঙুলের মতো সূক্ষ্ম যন্ত্রপাতি। যে দুটি স্তম্ভের উপর দাঁড়িয়ে আছে সেগুলো শক্তিশালী এবং জটিল। এনরয়েডটির মাথার কাছে দুটি চোখ, রুথ সেদিকে তাকিয়ে শিউরে ওঠে, সেখানে এক ধরনের অমানুষিক দৃষ্টি। এনরয়েডটি নিচু গলায় বলল, আমি বলেছিলাম তুমি আমার আকৃতিকে গ্রহণ করতে পারবে না। আমার হিসাব অনুযায়ী তুমি আমাকে কদাকার এবং কুৎসিত মনে করছ।

    না মানে

    তাতে কিছু আসে–যায় না। প্রাণিজগতে অক্টোপাসকে বুদ্ধিমান হিসেবে বিবেচনা করা হয়। অক্টোপাস যদি বিবর্তনে বুদ্ধিমান প্রাণী হিসেবে গড়ে উঠত তারা সম্ভবত মানুষকে অত্যন্ত কুৎসিত প্রাণী হিসেবে বিবেচনা করত।

    আপনি ঠিকই বলেছেন মহামান্য—

    আমার কোনো নাম নেই।

    আপনি যদি অনুমতি দেন আমি আপনাকে কি একটা প্রশ্ন করতে পারি?

    কর।

    আপনাদের দেহের আকৃতি মানুষের কাছাকাছি। পুরোপুরি মানুষের আকৃতি না নিয়ে তার কাছাকাছি কেন?

    মানুষের আকৃতির যে সকল বিষয় উন্নত শুধু সেগুলো গ্রহণ করা হয়েছে।

    মহামান্য এনরয়েড, আপনার ভিতরে কি মানুষের অনুভূতি আছে?

    হ্যাঁ আছে। অনেক তীব্রভাবে আছে।

    আপনার ভিতরে কি ক্রোধ, ঘৃণা বা হিংসা আছে?

    হ্যাঁ আছে।

    আমি ভেবেছিলাম বুদ্ধিমত্তা যখন বিকশিত হয় তখন মানুষের নিচু প্রবৃত্তিগুলো লোপ পায়।

    এনরয়েডটি হঠাৎ হাসির মতো শব্দ করল, বলল, প্রবৃত্তি কখনো নিচু কিংবা উঁচু হয়। অস্তিত্বের জন্য প্রবৃত্তির প্রয়োজন আছে।

    মহামান্য এনরয়েড, নিচু শ্রেণীর প্রাণীর তুলনায় আমাদের মাঝে অনুভূতি অনেক বেশি। সেরকমভাবে আমাদের তুলনায় আপনার মাঝেও কি অনুভূতি বেশি? যে অনুভূতি আমাদের নেই সেরকম কিছু কি আপনাদের আছে?

    হ্যাঁ। আছে।

    সেটি কী রকম মহামান্য এনরয়েড?

    আমি তোমাকে বোঝাতে পারব না। তবে তুমি যদি আমার চোখের দিকে তাকাও তা হলে সেই অনুভূতিটির একটু তোমাকে অনুভব করাতে পারি। তুমি কি চাও?

    রুখ ভয়ে ভয়ে বলল, আমি চাই মহামান্য এনরয়েড।

    তা হলে আমার কাছে এস। আমার চোখের দিকে তাকাও।

    রুখ এক পা এগিয়ে এনরয়েডটির দিকে তাকাল। এনরয়েডটির চোখের গভীরে হঠাৎ একটি বিশাল শূন্যতা উঁকি দিতে শুরু করে। হঠাৎ রুখ এক ভয়াবহ আতঙ্কে চিৎকার করে দুই হাতে নিজের চোখ ঢেকে ফেলে। সে হাঁটু ভেঙে নিচে পড়ে যায়, তার সারা শরীর অনিয়ন্ত্রিতভাবে থরথর করে কাঁপতে থাকে।

    মানব–সদস্য এনরয়েডটি নরম গলায় বলল, তুমি সম্ভবত এখনো এই অনুভূতির সাথে পরিচিত হওয়ার জন্য প্রস্তুত হও নি।

    রুখ কোনোমতে নিজের পায়ের উপর উঠে দাঁড়াল। দুই হাতে মুখ ঢেকে বড় বড় নিশ্বাস নিতে নিতে বলল, না, হই নি। এ ধরনের ভয়ঙ্কর শূন্যতার অনুভূতি আমাদের নেই।

    আমরা এটিকে বলি বিস্থিতি। যখন স্থিতি হতে ইচ্ছে করে না সেটি হচ্ছে বিস্থিতি।

    কী আশ্চর্য! এবং কী ভয়ঙ্কর!

    মানব–সদস্য—

    মহামান্য এনরয়েড, আমার নাম রুখ।

    আমি জানি। তোমার সাথে পরিচয়পর্ব শেষ হয়েছে, আমরা কি এখন কাজ শুরু করতে পারি?

    রুখ হঠাৎ করে নিজের ভিতরে এক ধরনের আতঙ্ক অনুভব করতে থাকে। সে। দুর্বলভাবে মাথা নাড়ল, বলল, পারেন মহামান্য এনরয়েড।

    তোমার মস্তিষ্কের স্ক্যানটি আমি দেখেছি। সেখানে কিছু দুর্বোধ্য তথ্য রয়েছে।

    দুর্বোধ্য?

    হ্যাঁ। দুর্বোধ্য এবং কৌতূহলী। তোমার ধারণা মেতসিসে মানুষের উপস্থিতির প্রয়োজন আছে। তুমি কেন এই ধারণা পোষণ কর?

    মহামান্য এনরয়েড–পৃথিবীতে মানুষের অস্তিত্ব নেই। মেতসিসে পাঠানোর জন্য যদি মানুষের জিনস থেকে তাদেরকে নতুন করে সৃষ্টি করা না হত তা হলে আমাদের জন্ম হত না। আমাদের ইচ্ছে অনুযায়ী আমরা এখানে (কালি নি, এখানে আপনারা আমাদের এনেছেন।

    হ্যাঁ। কিন্তু তোমরা এখানে বাহুল্য। তোমরা মেতসিসের জন্য একটি বিশাল সমস্যা। আমরা প্রায়ই মেতসিসের জৈবজগৎটি অবলুপ্ত করে দেওয়ার কথা ভাবি। তোমরা এখানে পুরোপুরি আমাদের করুণার উপরে বেঁচে আছ। কিন্তু তোমার মস্তিষ্ক স্ক্যান করে আমরা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি জিনিস দেখতে পেয়েছি।

    রুখ শুকনো গলায় বলল, কী দেখতে পেয়েছেন মহামান্য এনরয়েড?

    দেখতে পেয়েছি তুমি বিশ্বাস কর মেতসিসে মানুষ না থাকলে তার উদ্দেশ্য অসম্পূর্ণ হত।

    রুখ দীর্ঘ সময় চুপ করে থেকে ধীরে ধীরে মাথা তুলে তাকাল। বলল, মহামান্য এনরয়েড, আপনি বলেছেন আপনাদের মানুষের মতো ক্রোধ এবং ঘৃণা রয়েছে। আমার কথা শুনে সম্ভবত আপনার মাঝে ক্রোধের সৃষ্টি হবে। আপনাদের অনুভূতি অত্যন্ত তীব্র হয়তো সেই ক্রোধ আমার ভয়ঙ্কর পরিণতি ডেকে আনবে। সেই কথা চিন্তা করে আমি অত্যন্ত তীত মহামান্য এনরয়েড।

    আমি জানি। কিন্তু আমার কিছু করার নেই। বুদ্ধিমত্তায় অত্যন্ত নিচু স্তরের অস্তিত্বের জন্য আমরা কখনো সমবেদনা অনুভব করতে পারি না। তোমাদের অস্তিত্বের আমার কাছে। কোনো মূল্য নেই। প্রয়োজনে কিংবা অপ্রয়োজনে আমি তোমাদের সৃষ্টি করতে পারি কিংবা ধ্বংস করতে পারি।

    রুখ কদাকার এনরয়েডটির দিকে তাকিয়ে শিউরে উঠল, মাথা নিচু করে বলল, আপনার কাছে আমার সুকানোর কিছু নেই। আপনি জানেন আমি কেন মেতসিসে মানুষের অস্তিত্বকে প্রয়োজনীয় মনে করি।

    তুমি মনে কর আমাদের বুদ্ধিমত্তার উন্নতি খুব দ্রুত হচ্ছে, তার পরিণতি কী হবে জানা নেই।

    হ্যাঁ মহামান্য এনরয়েড। সেই তুলনায় মানুষের উন্নতি হয়েছে অত্যন্ত ধীর গতিতে। বিবর্তন পরীক্ষিত একটি পদ্ধতি। এই পদ্ধতিতে কোনো ঝুঁকি নেই। মেতসিস কোথায় পৌঁছাবে আমরা জানি না কিন্তু মানুষকে এখানে রাখা হলে তারা তাদের বুদ্ধিমত্তা সেখানে পৌঁছে দেবে।

    বুদ্ধিমান এনরয়েডটি হঠাৎ খলখল করে হেসে উঠল, হাসতে হাসতে বলল, তোমার জন্য আমার করুণা হচ্ছে মানব–সন্তান।

    রুখ আতঙ্কে শিউরে উঠে বলল, কেন মহামান্য এনরয়েড?

    তোমার বিশ্বাস যে কত ভিত্তিহীন সেটা তুমি জান না।

    কেন আপনি এটা বলছেন মহামান্য এনরয়েড। মানুষ যে–বিবর্তনের মাঝ দিয়ে বুদ্ধিমান প্রাণী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে সেটি তো ভিত্তিহীন তথ্য নয়।

    কিন্তু মেতসিসে তোমরা বিবর্তনের মাঝ দিয়ে যাবে সেটি সত্য নয়।

    আপনি কী বলছেন আমি বুঝতে পারছি না।

    তুমি আমার সাথে এস। আমি তোমাকে একটি জিনিস দেখাই। তবে

    তবে কী?

    তুমি যে জিনিসটি দেখবে সেটি তুমি অন্য মানব–সদস্যকে বলতে পারবে না।

    রুখের কপালে বিন্দু বিন্দু ঘাম জমে ওঠে, সে কাঁপা গলায় বলল, আমি ঠিক বুঝতে পারছি না।

    তুমি যেন বলতে না পার সে জন্য আমি তোমার অস্তিত্বকে ধ্বংস করে দেব।

    না। রুখ কাতর গলায় বলল, না। তাহলে আমি দেখতে চাই না।

    তোমাকে দেখতে হবে। এনরয়েডটি অত্যন্ত কঠোর গলায় বলল, স্বল্প বুদ্ধিমত্তার প্রাণীদের জন্য অহঙ্কার অত্যন্ত বিপজ্জনক।

    রুখ অনুনয় করে বলল, মহামান্য এনরয়েড, আমি আপনার কাছে আমার প্রাণ ভিক্ষা চাইছি।

    আমি তোমাকে বলেছি মানব–সদস্য। নির্বোধ প্রাণীদের জন্য আমাদের ভিতরে কোনো সমবেদনা নেই। তুমি কি কখনো অবলীলায় নিচু স্তরের প্রাণী হত্যা কর নি? করেছ। আমরাও করি। এস।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপ্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    Next Article বৃষ্টির ঠিকানা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    Related Articles

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    ছোটগল্প – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সাদাসিধে কথা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মেকু কাহিনী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    আমার বন্ধু রাশেদ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ১ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    টুনটুনি ও ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }