Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ৩ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল এক পাতা গল্প1002 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৫. মেতসিসের মূল নিয়ন্ত্রণকেন্দ্রটি

    মেতসিসের মূল নিয়ন্ত্রণকেন্দ্রটি বিশাল, সেখানে বুদ্ধিমান এনরয়েডরা থাকে বলে পুরো এলাকাটি সম্পূর্ণ ভিন্নভাবে গড়ে উঠেছে। নিয়ন্ত্রণকেন্দ্রে যাতায়াতের জন্য বিশাল করিডোর রয়েছে, এই সকল করিডোরে চৌম্বক–ক্ষেত্র ব্যবহার করে ভাসমান অবস্থায় বুদ্ধিমান এনরয়েড কিংবা তাদের যন্ত্রপাতিগুলো আসা–যাওয়া করছে। রুখ অনুমান করল করিডোরের নিচে সম্ভবত সুপার কন্ডাক্টিং কয়েল রয়েছে, তাপ–নিরোধক ব্যবস্থা থাকার পরও সুপার কন্ডাক্টরগুলো পুরো করিডোরকে হিমশীতল করে রেখেছে। রুথ একটি ভাসমান প্ল্যাটফর্ম করে বুদ্ধিমান এনরয়েডটার সাথে সাথে মূল নিয়ন্ত্রণকেন্দ্রের গভীরে এসে উপস্থিত হয়েছে। এই এলাকায় মানুষ সম্ভবত কখনোই আসে না, কোথাও খুব ঠাণ্ডা আবার কোথাও উষ্ণ। বাতাসের চাপেরও তারতম্য রয়েছে বলে মনে হল।

    নানা করিডোর ধরে এগিয়ে গিয়ে বুদ্ধিমান এনরয়েডটি রুখকে নিয়ে শেষ পর্যন্ত একটি বিশাল হলঘরের মতো জায়গায় হাজির হল। বোতাম চেপে ভারী দরজাটি সরিয়ে রুখ ভিতরে ঢুকে হঠাৎ করে আতঙ্কে শিউরে ওঠে। ভিতরে যতদূর দেখা যায় মানুষের দেহ। হিমশীতল ঘরটিতে হালকা নীল আলোতে সারি সারি মানুষের দেহগুলো দেখে রুখের প্রথমে মনে হল এগুলো মৃতদেহ। কিন্তু একটু ভালো করে তাকিয়েই বুঝতে পারল মানুষগুলো। জীবন্ত, নিশ্বাসের সাথে সাথে তাদের বুক ওঠা–নামা করছে। হঠাৎ করে দেখলে মনে হয়। মানুষগুলো শূন্যে ভেসে আছে কিন্তু একটু ভালো করে দেখলেই টাইটেনিয়ামের সূক্ষ্ম তার, শিরায় প্রবাহিত পুষ্টিকর তরলের টিউব এবং অক্সিজেনের প্রবাহ চোখে পড়ে। মানুষগুলো পুরোপুরি নগ্ন এবং ঘুমন্ত। শূন্যে ঝুলে থাকা এই মানুষগুলোর মাঝে অল্প কয়েকজন শিশু এবং কিশোর–কিশোরী, তবে বেশিরভাগই তরুণ–তরুণী।

    রুখ কিছুক্ষণ নিশ্বাস বন্ধ করে থেকে ভয়–পাওয়া–গলায় বলল, এরা কারা?

    এনরয়েডটি একটু রহস্যের মতো ভঙ্গি করে বলল, তুমিই বল।

    আমি? আমি কেমন করে বলব?

    তুমি পারবে। যাও, মানুষগুলোকে ভালো করে দেখে আস। চতুর্থ সারির তৃতীয় মানুষটি দেখ। সপ্তম সারির শেষ মানুষটিও দেখ। যাও।

    রুখ হতচকিত হয়ে ঘুমন্ত মানুষগুলোর মাঝে দিয়ে হেঁটে যেতে থাকে, তার মনে হতে থাকে হঠাৎ করে বুঝি কেউ জেগে উঠে তার দিকে অবাক হয়ে তাকাবে। কিন্তু কেউ জেগে উঠল না, নিশ্বাসের সাথে খুব হালকাভাবে বুক ওঠা–নামা করা ছাড়া তাদের মাঝে জীবনের আর কোনো চিহ্ন নেই।

    চতুর্থ সারির তৃতীয় মানুষটি একজন তরুণী। ঘুমন্ত একজনের নগ্ন দেহের দিকে তাকাতে রুখের সংকোচ হল কিন্তু মানুষটির মুখের দিকে তাকিয়ে সে আতঙ্কে চিৎকার করে ওঠে। তরুণীটি ক্রীনা।

    রুখ কয়েক মুহর্তে হতবাক হয়ে ক্রীনার মুখের দিকে তাকিয়ে থাকে হঠাৎ করে অনেক কিছু তার কাছে স্পষ্ট হয়ে আসে। সে পাশের ঘুমন্ত মানুষটির দিকে তাকাল, এই মানুষটিও

    সে চেনে, মানুষের বসতিতে সে বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম রক্ষণাবেক্ষণ করে। ওপরে যে ঝুলে। রয়েছে সে কমিউনির তথ্যকেন্দ্র–পরিচালক। পাশের সারিতে রুহান শান্ত চোখে ঘুমিয়ে আছে। সপ্তম সারির শেষ মানুষটি কে হবে সেটাও রুখ হঠাৎ করে বুঝে গেল, তবুও সে হেঁটে গেল নিঃসন্দেহ হওয়ার জন্য। রুখ অবাক হয়ে দেখল মানুষটি সে নিজে। টাইটেনিয়ামের সূক্ষ্ম তার দিয়ে তাকে ওপর থেকে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। নাকের মাঝে সূক্ষ্ম অক্সিজেনের টিউব। হাতের শিরায় সূক্ষ্ম টিউবে করে পুষ্টিকর তরল প্রবাহিত হচ্ছে। মাথার মাঝে থেকে কিছু ইলেকট্রড বের হয়ে এসেছে।

    রুখ কয়েক মুহূর্ত স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে নিজের দিকে তাকিয়ে রইল তারপর ক্লান্ত পায়ে বুদ্ধিমান এনরয়েডটির কাছে ফিরে এল। এনরয়েডটি হালকা গলায় বলল, তুমি নিশ্চয় এখন জান এরা কারা।

    রুখ মাথা নাড়ল, জানি।

    তুমি নিশ্চয়ই অনুমান করতে পারছ কেন এদেরকে এখানে রাখা হয়েছে?

    হ্যা পারছি।

    তুমি কি এখনো বিশ্বাস কর মেতসিসে মানুষের বিবর্তন হবে?

    রুখ মাথা নাড়ল, না।

    বুদ্ধিমান এনরয়েডটি খলখল করে হেসে উঠল, বলল, জৈবিক পদ্ধতি আমাদের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। তোমরা নতুন মানুষের জন্ম দেবে সেই মানুষ মেতসিসে জৈবজগতের দায়িত্ব নেবে আমরা সেই ঝুঁকি নিতে পারি না। তাই মানুষের এক দল তার দায়িত্ব শেষ করার পর তাদের আমরা অপসারণ করে ফেলি, নতুন একটি দল এসে তার দায়িত্ব নেয়।

    পুরোনো দলকে তোমরা কীভাবে অপসারণ কর?

    বাতাসের প্রবাহে সঠিক পরিমাণ কার্বন মনোঅক্সাইড মিশিয়ে দিয়ে। তুমি জান মানুষ অত্যন্ত দুর্বল প্রাণী, তাদের হত্যা করা খুব সহজ।

    মেতসিসে আমাদের মতো কয়টি দল এসেছে?

    আজ থেকে সাড়ে সাত শ বছর আগে মেতসিস এই গ্যালাক্সির কেন্দ্রের দিকে যাত্রা শুরু করেছে। প্রতি পনের বছরে আমরা একবার করে তোমাদের নতুন করে সৃষ্টি করেছি।

    তার মানে এর আগে পঞ্চাশবার আমাকে সৃষ্টি করা হয়েছে?

    হ্যাঁ। পঞ্চাশবার সৃষ্টি করে পঞ্চাশবার ধ্বংস করা হয়েছে।

    যখন এদের নতুন করে সৃষ্টি করা হয় তখন এদের স্মৃতিতে কী থাকে?

    তুমি জান কী থাকে। তোমাকেও একদিন সৃষ্টি করা হয়েছিল।

    রুখ হঠাৎ বিদ্যুৎস্পৃষ্টের মতো চমকে উঠল–তার শৈশব তার কৈশোর তার যৌবনের সকল স্মৃতি আসলে মিথ্যা? আসলে এইভাবে তার শীতল দেহকে ধীরে ধীরে বড় করা হয়েছে? এইভাবে তার মস্তিষ্কে মিথ্যা কাল্পনিক একটা স্মৃতি প্রবেশ করানো হয়েছে? মায়ের কোলে বসে বসে সে বাইরে তাকিয়ে আছে, মা মিষ্টি সুরে গান গাইছে–সব মিথ্যা?

    রুখ একটি নিশ্বাস ফেলল, হঠাৎ করে তার কাছে তার পুরো জীবন, এই মহাকাশযান, তার সামনে দাঁড়িয়ে থাকা কদাকার এনরয়েড, বিশাল হলঘরে সারি সারি ঝুলে থাকা মানুষের দেহ সবকিছুকে কেমন জানি অর্থহীন বলে মনে হতে থাকে।

    মানব–সদস্য এনরয়েডটি রুখের দিকে তাকিয়ে বলল, তুমি খুব বেশি জেনে গিয়েছ।

    আমি জানতে চাই নি।

    কিন্তু তুমি জেনেছ। এই তথ্য নিয়ে তুমি মানববসতিতে ফিরে যেতে পারবে না।

    রুখ অন্যমনস্কভাবে এনরয়েডটির দিকে তাকাল, তাকে এখন মেরে ফেলা হবে ব্যাপারটিও কেন জানি আর সেরকম গুরুত্বপূর্ণ মনে হচ্ছে না।

    মানব–সদস্য–আমি যতদূর জানি মৃত্যুকে তোমরা খুব ভয় পাও।

    পাই।

    তোমার স্মৃতিতে ক্রীনা নামের একটি মেয়ের রূপ অনেকবার এসেছে।

    রুখ কোনো কথা না বলে কদাকার এনরয়েডটির দিকে তাকাল। এনরয়েডটি হাসির মতো শব্দ করে বলল, তোমার মৃত্যুর খবরে সে নিশ্চয়ই খুব বিচলিত হবে।

    রুখ এক ধরনের বিস্ময় নিয়ে এনরয়েডটির দিকে তাকিয়ে রইল, মানুষ থেকে বুদ্ধিমত্তায় অনেক উন্নত হলেই কি তাদেরকে মানুষ থেকে অনেক বেশি নিষ্ঠুর হতে হবে?

    তোমার মৃত্যুর খবরে তার মস্তিষ্কে কী ধরনের চাঞ্চল্য হয় দেখার একটু কৌতূহল হচ্ছে। সত্যি কথা বলতে কী যদি সুযোগ থাকত আমি ক্রীনাকে এনে তার সামনে তোমাকে হত্যা করতাম

    হঠাৎ করে রুখের মনে হল তার মস্তিষ্কে একটি বিস্ফোরণ ঘটেছে। সে হিংস্র চোখে এনরয়েডটির দিকে তাকাল, দাঁতে দাঁত ঘষে বলল, মহামান্য এনরয়েড, আপনি সম্ভবত বুদ্ধিমত্তায় আমার থেকে দুই মাত্রা উপরে কিন্তু আপনার কৌতূহলটুকু আমার কাছে দুই মাত্রা নিচের এক ধরনের অসুস্থতা বলে মনে হচ্ছে।

    এনরয়েডটি রুখের দিকে ঘুরে তাকাল, কয়েক মুহূর্ত চুপ করে থেকে এক ধরনের শীতল কণ্ঠে বলল, মানব–সদস্য, তুমি নিশ্চয়ই তোমার অবস্থানটুকু জান। আমি তোমার চোখের রেটিনার দিকে তাকিয়ে তোমার মস্তিষ্কের সকল নিউরনকে ছিন্নভিন্ন করে দিতে পারি!

    রুখ হঠাৎ চিৎকার করে বলল, আমি কি সেটাকে ভয় পাই?

    পাও না?

    না। বুদ্ধিমত্তার কোন স্তরে কে থাকে তাতে কিছু আসে–যায় না, যার বুকের ভিতরে কোনো ভালবাসা নেই তার সাথে দানবের কোনো পার্থক্য নেই। মানুষ দানবকে ঘেন্না করে, ভয় পায় না।

    আহাম্মক! এনরয়েডটি চিৎকার করে বলল, তোমার মতো শত শত মানুষকে আমরা কীটপতঙ্গের মতো পিষে ফেলি

    হঠাৎ করে রুখ নিজের উপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলল। মাথা ঘুরিয়ে দেয়ালের সাথে লাগানো একটি টাইটেনিয়াম রড হ্যাঁচকা টানে খুলে নেয়। তারপর দুই হাতে ধরে সে এনরয়েডটির দিকে এগিয়ে গেল। দাতে দাঁত ঘষে হিংস্র গলায় বলল, মানুষকে হত্যা করতে চাইলে করতে পার–কিন্তু তাকে তার প্রয়োজনীয় সম্মানটুকু দিতে হবে।

    এনরয়েডটি এক পা পিছিয়ে বলল, খবরদার! তার শরীর থেকে হঠাৎ তীব্র অবলাল রশি এসে রুখকে আঘাত করল–রুখ প্রচণ্ড যন্ত্রণায় চিৎকার করে উঠে অন্ধ আক্রোশে হাতের রডটি দিয়ে এনরয়েডটির মাথায় আঘাত করল। এনরয়েডটি সরে যাওয়ায় আঘাতটি লাগল মাথা থেকে বের হয়ে আসা একটি টিউবে। হঠাৎ করে টিউবটি মাথা থেকে খুলে আসে এবং তার ভেতর থেকে গলগল করে আঠালো সবুজ রঙের এক ধরনের তরল বের হতে থাকে। ঝাজালো গন্ধে হঠাৎ ঘরটা ভরে গেল।

    এনরয়েডটি আর্তচিৎকার করে বলল, আমার তরল! আমার কপোট্রন শীতলকারী তরল!

    রুখ হতচকিত হয়ে এনরয়েডটির দিকে তাকিয়ে থাকে। সে রাগে অন্ধ হয়ে এনরয়েডটিকে আঘাত করেছে সত্যি কিন্তু তার আঘাত যে সত্যি সত্যি মানুষের থেকে দুই মাত্রা বেশি বুদ্ধিমান একটি যন্ত্রের কোনো ক্ষতি করতে পারবে সেটি সে একবারও বিশ্বাস করে নি। এনরয়েডটি একবার দুলে উঠে পড়ে যেতে যেতে সেটি কোনোভাবে নিজেকে সামলে নেয়। এনরয়েডটির মাথার একটি অংশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে, সেখান থেকে ধোঁয়া বের হতে শুরু করে। উত্তপ্ত অংশটি হঠাৎ গনগনে লাল হয়ে ওঠে এবং এনরয়েডটি দুই হাতে নিজের মাথা চেপে ধরে আর্তচিৎকার করে ওঠে, আমার স্মৃতি আমার স্মৃতি–আহা—হা-হা–আমার স্মৃতি

    রুখ হতচকিত হয়ে তাকিয়ে রইল এবং হঠাৎ করে এনরয়েডটির পুরো মাথাটি প্রচণ্ড বিস্ফোরণে ছিন্নভিন্ন হয়ে গেল। মাথার অংশটি থেকে কিছু পোড়া টিউব, তার এবং ফাইবার বের হয়ে ঝুলে থাকে, ফিনকি দিয়ে থিকথিকে এক ধরনের তরল বের হতে থাকে এবং এনরয়েডটির দুটি অপুষ্ট হাত কিলবিল করে নড়তে থাকে। সমস্ত ঘরটি এক ধরনের বিষাক্ত গন্ধে ভরে যায় এবং দূরে কোথাও তারস্বরে এলার্ম বাজতে শুরু করে। পুরো দৃশ্যটিকে রুখের কাছে একটি অতিপ্রাকৃতিক দুঃস্বপ্নের মতো মনে হয়।

    কয়েক মুহূর্তের মাঝে ঘরটির মাঝে অসংখ্য রোবট এবং এনরয়েড এসে হাজির হল। যান্ত্রিক রোবটগুলো বিধ্বস্ত এনরয়েডকে সরিয়ে নিয়ে যায়, বিশেষ নিরাপত্তা রোবট ঘরটিকে পরিশোধন করতে থাকে। নিরাপত্তা রোবট রুখের খুব কাছাকাছি এসে দাঁড়ায়, দেখে বোঝা গেলেও এই রোবটগুলো নিশ্চয় সশস্ত্র, হাতে ধরে রাখা টাইটেনিয়াম রডটি একটু নাড়ালেই সম্ভবত তাকে বাষ্পীভূত করে ফেলবে।

    মানব–সদস্য রুখের সামনে নিরাপদ দূরত্বে দাঁড়িয়ে থাকা একটি বুদ্ধিমান এনরয়েড বলল, তুমি তোমার হাতে ধরে রাখা টাইটেনিয়াম রডটি নিচে ফেলে দাও।

    কেন?

    তুমি সম্ভবত এর আঘাতে আমাদের অন্য কোনো একজনকে বিধ্বস্ত করতে পারবে যদিও সেটি সেরকম গুরুত্বপূর্ণ নয় কারণ আমাদের সকলের সকল স্মৃতি মূল তথ্যকেন্দ্রে সংরক্ষিত থাকে এবং আমরা কিছুক্ষণের মাঝেই নিজেদের পুনর্বিন্যাস করতে পারি।

    তার মানে তার মানে–

    না। মানুষকে হত্যা করার মতো এটি অপরিবর্তনীয় ঘটনা নয়। কিন্তু তবুও সে ধরনের কাজে আমরা উৎসাহ দিই না। বিশেষ করে তোমার ঠিক পিছনে যে নিরাপত্তা রোবট দাঁড়িয়ে আছে সেটি অত্যন্ত ক্ষিপ্র। তোমার যে কোনো ধরনের নড়াচড়াকে সেটি বিপজ্জনক। মনে করে তোমাকে পুরোপুরি ধ্বংস করে দিতে পারে।

    রুখ একটা নিশ্বাস ফেলে বলল, কিন্তু আমাকে তো মেরেই ফেলবে। মানুষ কখনো মুখ বুজে অবিচার সহ্য করে না। শেষমুহূর্ত পর্যন্ত চেষ্টা করে। আমি এই টাইটেনিয়াম রডটি ফেলব না। কেউ আমার কাছে এলে এক আঘাতে–

    বুদ্ধিমান এনরয়েডটি হঠাৎ হাসির মতো শব্দ করে বলল, তোমাদের কিছু কিছু মানবিক অনুভূতি অত্যন্ত ছেলেমানুষি। কাছে না এসেই তোমাদের ধ্বংস করে দেওয়া যায়। তুমি কী চাও?

    আমি মানুষের বসতিতে ফিরে যেতে চাই।

    ঠিক আছে তুমি ফিরে যাবে।

    রুখ থতমত খেয়ে বলল, আমি জীবিত অবস্থায় ফিরে যেতে চাই।

    ঠিক আছে তুমি জীবিত অবস্থায় ফিরে যাবে।

    রুখ অবিশ্বাসের দৃষ্টিতে বুদ্ধিমান এনরয়েডটির দিকে তাকিয়ে রইল–সেটি কি সত্যি কথা বলছে?

    হ্যাঁ, আমি সত্যি কথা বলছি। তোমাদের কাছে জীবন–মৃত্যু খুব গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের কাছে নয়। তুমি বেঁচে থাকলে বা মারা গেলে আমাদের কিছু আসে–যায় না। সত্যি কথা বলতে কী তুমি যে ঘটনাটি ঘটিয়েছ আমি সেটা একটু বিশ্লেষণ করতে চাই। সে জন্য আমি তোমাকে বাঁচিয়ে রাখতে চাই। এর বেশি কিছু নয়।

    কিন্তু—

    হ্যাঁ। রুখ কথাটি বলার আগেই এনরয়েড প্রতিবার তার প্রশ্নের উত্তর দিয়ে দিচ্ছে, এই ঘরের তথ্যটুকু তুমি নিতে পারবে না। তোমার স্মৃতি থেকে এই তথ্যটুকু আমরা মুছে দেব।

    সেটি কি করা যায়? শুধুমাত্র একটি স্মৃতি একটি বিশেষ স্মৃতি?

    হ্যাঁ। করা যায়। তুমি তোমার হাত থেকে টাইটেনিয়াম রডটি ফেলে আমার দিকে এগিয়ে আস।

    রুখ বুদ্ধিমান এনরয়েডটির দিকে তাকাল, সেটি কি তার সাথে কোনো ধরনের প্রতারণা করার চেষ্টা করছে?

    এনরয়েডটি আবার হেসে ফেলল, বলল, না। আমি তোমার সাথে প্রতারণা করব না। বিশ্বাস কর তোমার সাথে সাধারণ কথাবার্তা চালিয়ে যেতেই আমার খুব কষ্ট হচ্ছে। আমার কথা যদি বিশ্বাস না কর মানববসতিতে ফিরে গিয়ে একটা পোষা প্রাণীর সাথে ভাব বিনিময়ের চেষ্টা করে দেখ। বুদ্ধিমত্তা একপর্যায়ের না হলে ভাব বিনিময় করা যায় না।

    রুখ হাত থেকে টাইটেনিয়াম রডটি ছুঁড়ে ফেলল। এনরয়েডটি বলল, চমৎকার। এবারে তুমি আরেকটু কাছে এগিয়ে এস। তোমার চোখের দিকে তাকাতে হবে–তুমি নিশ্চয়ই জান রেটিনা আসলে মস্তিষ্কের একটা অংশ। মস্তিষ্কের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করার জন্য এটি সবচেয়ে সহজ উপায়।

    রুখ এনরয়েডটির কাছে এগিয়ে যায়, এনরয়েড তার চোখের দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করল, তুমি এই ঘরে কী দেখেছ মানব–সন্তান।

    আমি দেখেছি মানববসতির সব মানুষকে তৈরি করে বড় করা হচ্ছে।

    কেন?

    আমরা যারা আছি তাদের যখন দায়িত্ব শেষ হয়ে যাবে তখন তাদের সবাইকে সরিয়ে দিয়ে

    তুমি কথা বলতে থাক।

    রুখ কথা বলতে থাকে কিন্তু তার অবচেতন মন হঠাৎ একটি অত্যন্ত বিপজ্জনক খেলায় মেতে ওঠে। এই শীতল ঘরের তথ্যটি সে তার মস্তিষ্কে করে গোপনে নিয়ে যেতে চায়। কীভাবে নেবে সে জানে না, অন্য কোনো তথ্যের সাথে যদি মিশিয়ে দেওয়া যায়? যদি সে কল্পনা করে সে একটি শিশু সে তার মায়ের হাত ধরে ঘুরছে। মায়ের সাথে একটা বিশাল ঘরের সামনে এসে দাঁড়িয়েছে। দরজ ধাক্কা দিতেই সেই দরজা খুলে গেল, তার মা চিৎকার। করে উঠল। রুখ ভয় পেয়ে জিজ্ঞেস করল, কী হয়েছে মা?

    মা বলল, চোখ বন্ধ করে ফেল, রুখ। চোখ বন্ধ কর—

    কেন মা? কী হয়েছে?

    ভয় পাবি। তুই দেখলে ভয় পাবি।

    কী দেখলে ভয় পাব?

    মানুষ। শত শত মানুষকে ঝুলিয়ে রেখেছে।

    কোন মানুষ এরা?

    মানববসতির মানুষ।

    মা, এরা কি মৃত?

    না বাবা। এরা সব ঘুমিয়ে আছে।

    কেন ঘুমিয়ে আছে?

    জানি না। কিন্তু একদিন জেগে উঠবে–কিন্তু সেটি হবে খুব ভয়ঙ্কর

    কেন ভয়ঙ্কর মা? কেন?

    আমি জানি না জানি না

    মা হঠাৎ আর্তচিৎকার করতে থাকে, রুখের চোখের সামনে সবকিছু অন্ধকার হয়ে আসে। জ্ঞান হারিয়ে মেঝেতে লুটিয়ে পড়ার আগের মুহূর্তে নিরাপত্তা রোবটটি তাকে ধরে ফেলল।

    বুদ্ধিমান এনরয়েডটি খানিকক্ষণ স্থির দৃষ্টিতে রুখের অচেতন দেহের দিকে তাকিয়ে থেকে বলল, মানুষের বুদ্ধিমত্তা সম্ভবত যথার্থ নিরূপণ করা হয় নি।

    কাছাকাছি দাঁড়িয়ে থাকা অন্য একটি এনরয়েড বলল, তুমি কেন এই কথা বলছ?

    জানি না। আমার স্পষ্ট মনে হল এই মানুষটি—

    এই মানুষটি?

    এই মানুষটি আমাকে লুকিয়ে কিছু একটা জিনিস করল।

    তোমাকে লুকিয়ে?

    হ্যাঁ। যখন তার স্মৃতি মুছে ফেলছি তার নিউরনকে মুক্ত করছি তখন মনে হল অন্য কোথাও সে নিউরনকে উজ্জীবিত করছে–

    সেটি কীভাবে সম্ভব?

    এনরয়েডটি হেসে ফেলল, বলল, জানি না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপ্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    Next Article বৃষ্টির ঠিকানা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    Related Articles

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    ছোটগল্প – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সাদাসিধে কথা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মেকু কাহিনী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    আমার বন্ধু রাশেদ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ১ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    টুনটুনি ও ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }