Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ৩ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল এক পাতা গল্প1002 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২.২ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রের সামনে

    নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রের সামনে বড় টেবিলটা ঘিরে চার জন বসে আছে, কারো মুখে কোনো কথা নেই। সামনে বিশাল স্ক্রিনটাতে একটা ছোট বিচিত্র গ্রহ দেখা যাচ্ছে। গ্রহটি প্রায় অস্পষ্ট ছিল, ধীরে ধীরে স্পষ্ট হয়েছে। গত কয়েক ঘণ্টায় এই স্ক্রিনে গ্রহটির আকার বড় হতে শুরু করেছে। গ্রহটির রং সবুজ এবং বেগুনি মেশানো, রংগুলো দ্রুত স্থান পরিবর্তন করছে বলে এটিকে একটি জীবন্ত প্রাণী বলে মনে হয়। সবুজ এবং বেগুনি রং পাশাপাশি খুব বেশি দেখা যায় না, তাই পুরো গ্রহটিকে হঠাৎ দেখে বীভৎস কিছু মনে হয়। এই গ্রহটি থেকে নির্দিষ্ট কিছু কম্পনের বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গের সংকেত আসছিল, এই সংকেত লক্ষ্য করে মহাকাশযানটি তার দিক পরিবর্তন করে গ্রহটির দিকে ছুটে যেতে শুরু করেছে।

    ইরন তার আঙুল দিয়ে অন্যমনস্কভাবে টেবিলে শব্দ করছিল, হঠাৎ করে থেমে গিয়ে সে নিজের আঙুলের দিকে তাকিয়ে অন্যমনস্ক গলায় বলল, কীশা, আমরা কি তোমার সাথে খোলাখুলি কথা বলতে পারি?

    কীশা একমুহূর্ত চুপ করে থেকে বলল, পার।

    ইরন সোজা হয়ে বসে কীশার দিকে তাকাল, তুমি কি আমাদের বলবে এখানে কী হচ্ছে?

    আমি? কীশা একটু অবাক হয়ে বলল, আমি কেমন করে বলব?

    কারণ তুমি নিশ্চিতভাবে কিছু জিনিস জান, যেটা আমরা জানি না।

    যেমন?

    যেমন তুমি জান যে চতুর্দিক থেকে কী পরিমাণ বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ আসছে সেটা খুব সূক্ষ্মভাবে পরিমাপ করার যন্ত্রপাতি এই মহাকাশযানে রয়েছে। আমরা কেউ সেটা জানতাম না। যেমন তুমি সেই যন্ত্রপাতি ব্যবহার করতে জান, একই অভিযানের ক্রু হয়েও সেটা আমরা জানি না। যেমন তুমি জান এখানে বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গের শক্তি পরিমাপ করা হলে বুদ্ধিমান প্রাণীর অস্তিত্ব পাওয়া যাবে। যেমন তুমি–।

    কীশা হাত তুলে ইরনকে থামিয়ে দিয়ে বলল, তুমি যেটা বলছ তার বেশিরভাগই তো সাধারণ জ্ঞানের ব্যাপার।

    না। ইরন মাথা নেড়ে বলল, সাধারণ না। এর যে কোনো একটি ব্যাপার যদি ঘটত আমি বলতাম সাধারণ ব্যাপার, কাকতালীয় ঘটনা। কিন্তু একটি ঘটে নি। অনেকগুলো ঘটেছে। তুমি সবসময় বলে এসেছ তুমি বিজ্ঞানী নও, তুমি বিজ্ঞানের কিছু জান না। কিন্তু তোমার প্রত্যেকটি কথা প্রত্যেকটি কাজ প্রথম শ্রেণীর বিজ্ঞানীর মতো। মনে আছে তুমি আমাকে ওয়ার্মহোল তৈরি করে তার ভিতর দিয়ে বের হয়ে আসার কথা বলেছিলে? তুমি জান পৃথিবীর কতজন মানুষ এটা বলতে পারবে?

    কীশা অবাক হয়ে বলল, কিন্তু আমি সেটা একটা ছেলেমানুষি তথ্যকেন্দ্র থেকে শিখেছি! আমি কখনোই এর বেশি কিছু জানি না।

    তুমি টাইটানিয়াম রড দিয়ে আঘাত করে বর্গেনের মাথা খুলে দিয়েছিল। তুমি নিশ্চিতভাবে জানতে একটা রবোটের ঠিক কোথায় কত জোরে আঘাত করতে হয়।

    না জানতাম না।

    ইরন হিংস্র চোখে বলল, জানতে।

    না। জানতাম না।

    আমি বলব, তুমি কেন জানতে?

    কেন?

    কারণ তুমি আমাদের দেখাতে চাইছিলে যে বর্গেন এই মহাকাশযানের রোবট। তুমি তাকে শেষ করে দিয়ে এই মহাকাশযান থেকে রোবটদের দূর করেছ। আমাদেরকে নিশ্চিন্ত রাখতে চেয়েছিলে।

    কীশা তীক্ষ্ণ চোখে ইরনের দিকে তাকিয়ে রইল। একটা বড় নিশ্বাস নিয়ে বলল, তুমি কী বলতে চাইছ?

    তুমি খুব ভালো করে জান, আমি কী বলতে চাইছি। ইরন দাতে দাঁত ঘষে হিংস্র গলায় বলল, তুমি এই মহাকাশযানের প্রকৃত রোবট।

    আমি? কীশা প্রায় আর্তনাদ করে বলল, আমি?

    হ্যাঁ। ইরন উঠে দাঁড়িয়ে বলল, তুমি দেখতে চাও?

    কীশা কাতর মুখে বলল, কীভাবে দেখাবে?

    আমি টাইটানিয়ামের রডটি নিয়ে তোমার মাথায় আঘাত করব, আর তোমার মাথাটি খুলে ছিটকে গিয়ে পড়বে। তোমার নাক মুখ দিয়ে কপোট্রনের শীতল করার হলুদ রঙের তরল ফিনকি দিয়ে বের হবে, তোমার চোখের ফটোসেল ঘোলা হয়ে যাবে

    কী বলছ তুমি?

    হ্যাঁ, আমি ঠিকই বলছি। ইরন প্রায় ছুটে গিয়ে দেয়াল থেকে টাইটেনিয়ামের রডটি খুলে নেয়। এবং সাথে ত্ৰালুস আর শুমান্তি ছুটে এসে তাকে ধরে ফেলল। ত্রালুস ভয় পাওয়া গলায় বলল, কী করছ তুমি ইরন?

    ইরন একটা নিশ্বাস ফেলে বলল, আমি জানি না আমি কী করছি। কিন্তু আমি হঠাৎ করে অনেক কিছু বুঝতে পারছি। অনেক কিছু।

    কী বুঝতে পারছ?।

    সেটি এখন বলে কোনো লাভ নেই ত্রাস। শুধু জেনে রাখ আমাদের নিয়ে একটি খুব ভয়ঙ্কর খেলা শুরু হয়েছে। আমরা সেই খেলার খেলোয়াড় নই। আমরা সেই খেলার গুটি।

    শুমান্তি ইরনের হাত থেকে টাইটানিয়ামের রডটি সরিয়ে নিয়ে নরম গলায় বলল, ইরন। আমি খুব সাধারণ একজন ক্লোন, আমি হয়তো কিছু বুঝি না। কিন্তু তবু আমার কেন জানি মনে হয়, আমাদের এখন প্রত্যেকের প্রয়োজন রয়েছে। এখন কাউকে আঘাত করার সময় নয়।

    রোবট হলেও?

    রোবট যদি মানুষের মতো হয় তাহলে কেন মিছিমিছি তাকে রোবট বলে সরিয়ে রাখবে?

    ইরন অদ্ভুত একটি দৃষ্টিতে শুমান্তির দিকে তাকিয়ে রইল। শুমান্তি নরম গলায় বলল, ইরন। তুমি কেমন করে জানো আমরা রোবট নই?

    আমি জানি না।

    শুমান্তি একটা নিশ্বাস ফেলে ফলল, আমিও জানি না।

    কীশা এতক্ষণ পাথরের মূর্তির মতো বসে ছিল। এবারে উঠে এসে বলল, কিন্তু আমি জানি আমি রোবট নই। আমার স্বামী ছিল, দুজন সন্তান ছিল। আমি আমার সন্তানদের পেটে ধরেছিলাম, তাদের জন্ম দিয়েছিলাম। একটা দুর্ঘটনায় তাদের সবাইকে আমি হারিয়েছিলাম– আমার নিজেরও বেঁচে থাকার কথা ছিল না। কীভাবে কীভাবে জানি বেঁচে গেছি।

    ইরন শীতল চোখে কীশার দিকে তাকিয়ে রইল। কীশা এক পা এগিয়ে এসে বলল, তুমি সত্যিই দেখতে চাও আমি সত্যিই মানুষ নাকি রোবট?

    ইরন কোনো কথা বলল না, হঠাৎ করে দেখল কীশার হাতে একটা ধারালো ছোরা এবং কিছু বোঝার আগেই কীশা তার হাতটা টেবিলে রেখে ধারালো ছোরাটি হাতের তালুতে বসিয়ে দেয়। সাথে সাথে ফিনকি দিয়ে রক্ত বের হয়ে আসে।

    শুমান্তি একটা আর্তচিৎকার করে কীশাকে ধরে ফেলল। কীশা নিচু গলায় বলল, এটা সত্যিকার রক্ত। একফোঁটা নিয়ে বায়ো মডিউলে প্রবেশ করিয়ে দেখ। আমার পুরো জিনেটিক কোডও সেখানে পেয়ে যাবে।

    ত্রালুস এবং শুমান্তি কীশাকে ধরে মহাকাশযানের চিকিৎসা কেন্দ্রে নিতে থাকে। কীশা তার কেটে যাওয়া হাতটি ধরে কাতর গলায় বলল, ইরন। আমি আজ তোমার ব্যবহারে খুব দুঃখ পেলাম। খুব দুঃখ পেলাম।

    ইরন তবু কোনো কথা বলল না, স্থির চোখে কীশার দিকে তাকিয়ে রইল। কীশা ঘর থেকে বের হয়ে যাওয়ার পর সে টেবিলের কাছে এগিয়ে যায়। টেবিল থেকে সাবধানে একফোঁটা রক্ত তুলে নেয়। সে সত্যি সত্যি এই রক্তকে বায়ো মডিউলে প্রবেশ করিয়ে দেখবে।

    বায়ো মডিউলের ভিতরে একটা চাপা গুঞ্জন শোনা গেল, প্রায় সাথে সাথেই বড় স্ক্রিনে কীশার রক্তের বিশ্লেষণ শুরু হয়ে গেল, ইরন একটা নিশ্বাস ফেলে, কীশা মিথ্যে কথা বলে নি, সত্যি সত্যি এটি মানুষের রক্ত। তার ডি, এন, এ. বিশ্লেষণ করে জৈবিক গঠনের পুরো তথ্য চলে আসতে থাকে, কীশা একজন তেজস্বী এবং সাহসী মহিলা। আবেগপ্রবণ এবং স্নেহশীল। একাধিক সন্তানের মাতা। বড় দুর্ঘটনায় দীর্ঘ সময় শয্যাশায়ী। ঠিক যেরকম কীশা দাবি করেছিল। ইরন বায়ো মডিউলটি বন্ধ করতে গিয়ে থেমে গেল, রক্তের মাঝে অত্যন্ত স্বল্প পরিমাণের গ্রুপ তিনের ধাতব পদার্থ। মানুষের শরীরে স্বাভাবিক অবস্থায় এটি থাকার কথা নয়, কীশার শরীরে কেন আছে কে জানে।

    ইরন খানিকক্ষণ বায়ো মডিউলের সামনে বসে থেকে অন্যমনস্কভাবে উঠে এল। নিয়ন্ত্রণ কক্ষের বড় স্ক্রিনটিতে কুৎসিত গ্রহটি আরো একটু বড় হয়েছে, যার অর্থ মহাকাশযানটি আরো কাছে এগিয়ে গেছে। বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গের মনিটরটি থেকে একটা চাপা শব্দ আসছে, নিশ্চয়ই তরঙ্গের পরিমাণ দ্রুত বেড়ে যাচ্ছে। ইরন একটা নিশ্বাস ফেলল, এর আগে সে কখনো এত অসহায় অনুভব করে নি। বুদ্ধিমান প্রাণীর একটা গ্রহের দিকে তাদের মহাকাশযানটি এগিয়ে যাচ্ছে কিন্তু তাদের কিছু করার নেই। তারা কেন যাচ্ছে সেটিও তারা। জানে না। প্রাণীদের বুদ্ধিমত্তা সম্পর্কেও তাঁদের কোনো ধারণা নেই। বুদ্ধিমত্তায় তারা কি সেই প্রাণীদের সমান নাকি অনেক নিচে? যদি অনেক নিচে হয়ে থাকে তা হলে কী করবে? কিছু কি করার আছে?

    ইরন খানিকক্ষণ স্ক্রিনটার নিচে দাঁড়িয়ে থেকে নিজেদের ঘরের দিকে এগিয়ে যায়। কীশা তার ঘরের মাঝামাঝি বিছানায় নিশ্চল হয়ে শুয়ে আছে, হঠাৎ দেখলে মনে হয় প্রাণহীন কিন্তু ভালো করে তাকালে দেখা যায় খুব ধীরে ধীরে তার বুক ওঠানামা করছে, কীশা প্রাণহীন নয়, গভীর ঘুমে অচেতন। কীশার মুখের দিকে তাকিয়ে ইরনের নিজের ভিতরে এক ধরনের অপরাধবোধের সৃষ্টি হল। মেয়েটি খুব দুঃখী, তাকে আবার সে নতুন করে আজ দুঃখ। দিয়েছে।

    ইরন একটা নিশ্বাস ফেলে শুমান্তি আর জালুসের ঘরে উঁকি দিল, তারা তাদের ঘরে নেই। নিশ্চয়ই অবজারভেটরিতে বসে আছে। নিজের অজান্তেই ইরনের মুখে হাসি ফুটে ওঠে, এই দুজন একেবারে ছোট শিশুদের মতো। একজনের কাছে আরেকজন হচ্ছে একটা খেলনা, সেই খেলনা যতই দেখছে ততই মুগ্ধ হয়ে যাচ্ছে।

    ইরন নিজের ঘরের দিকে এগিয়ে যায়। দরজা স্পর্শ করতেই সেটা খুলে গেল। ঘরের মাঝামাঝি তার বিছানাটি ঝুলছে। ইরন পোশাক পাল্টে বিছানার মাঝে ঢুকে গেল। ঘরের আলো কমে আসে, তাপমাত্রা নেমে যেতে থাকে, মিষ্টি একটা গন্ধ ভেসে আসে ঘরে, তার সাথে হালকা এক ধরনের সঙ্গীত। ইরন দুই হাত বুকের কাছে নিয়ে এসে একসময় গভীর ঘুমে অচেতন হয়ে পড়ল।

    ইরনের ঘুম ভাঙল হঠাৎ করে, কেন ভাঙল সে বুঝতে পারল না, শুধু মনে হল খুব অস্বাভাবিক কিছু একটা ঘটেছে। সে ধড়মড় করে তার বিছানায় উঠে বসে। তার ঘরে কর্কশ এক ধরনের উজ্জ্বল আলো, সেই আলোয় সে স্পষ্ট দেখতে পেল ঘরের মেঝেতে হাঁটুতে মুখ রেখে কীশা বসে আছে। কীশার পাশে একটা ভয়াবহ ধরনের অস্ত্র শক্তিশালী, লেজারচালিত, বিস্ফোরকনির্ভর এবং আধুনিক। এটি ব্যবহার করে প্রয়োজনে সম্ভবত পুরো মহাকাশযানকে ধ্বংস করে দেওয়া যাবে।

    ইরন অবাক হয়ে কীশার দিকে তাকাল, বলল, কীশা, তুমি এখানে কী করছ?

    কীশা খুব ধীরে ধীরে মুখ তুলে তাকাল, ইরন দেখতে পেল তার গালে চোখের পানি চিকচিক করছে। হাতের উল্টো পৃষ্ঠা দিয়ে চোখ মুছে সে নিচু গলায় বলল, তুমি ঠিকই বলেছিলে ইরন।

    আমি কী ঠিক বলেছিলাম?

    আমি আসলে রোবট।

    ইরন চমকে উঠে বলল, কী বললে?

    হ্যাঁ। একটু আগে আমি জানতে পেরেছি।

    কী বলছ তুমি? আমি তোমার রক্ত পরীক্ষা করে দেখেছি–

    সেটা কীশার রক্ত। আমার শরীরটা কীশার মস্তিষ্কটা কীশার নয়। অ্যাক্সিডেন্টের পর সেটা পাল্টে দিয়েছে। আমার রক্তে তুমি নিশ্চয়ই গ্রুপ থ্রি ধাতব পদার্থের অবশিষ্ট পেয়েছ। পাও নি?

    হ্যাঁ।

    আমার কপোট্রনের চিহ্ন, নতুন ধরনের কপোট্রন রক্ত দিয়ে শীতল করতে পারে।

    ইরন তার বিছানা থেকে নেমে এল, বিস্ফারিত চোখে খানিকক্ষণ কীশার দিকে তাকিয়ে রইল। তারপর ইতস্তত করে বলল, আমি বিশ্বাস করি না কীশা।

    তাতে কিছু আসে–যায় না। আমি বিশ্বাস করি। আমার কপোট্রনে সব প্রোগ্রাম করে রাখা ছিল, যখন যেই তথ্যের প্রয়োজন হয়েছে তখন সেই তথ্যটি বের করে দেওয়া হয়েছে। তুমি ঠিকই আন্দাজ করেছিলে। এখন আমরা গন্তব্যস্থলে পৌঁছে গেছি। এখন আর কিছু গোপন রাখার নেই, তাই আমাকে পুরো তথ্য জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমি এখন সবকিছু জানি? প্রজেক্ট আপসিলন কী, কেন শুরু হয়েছে, কারা শুরু করেছে, আমি সবকিছু জানি।

    কারা শুরু করেছে? কেন শুরু করেছে?

    জানতে চেয়ো না, ঘেন্নায় বমি করে দেবে।

    ইরন একটু অবাক হয়ে কীশার দিকে তাকিয়ে রইল। কীশা মাথা নিচু করে বলল, এই অভিযানে আমরা সবাই পরিত্যাগযোগ্য তুচ্ছ ব্যবহারিক সামগ্রী। আমাদের নিজেদের কারো কিছু করার নেই। আমাদেরকে অত্যন্ত কৌশলে এখানে ব্যবহার করা হচ্ছে। যখন ব্যবহার শেষ হবে আমাদেরকে আবর্জনায় ছুঁড়ে ফেলে দেওয়া হবে। বর্গেনের কথা মনে আছে?

    ইরন মাথা নাড়ল।

    তার পরিণতিটি কোনো দুর্ঘটনা ছিল না। পরিকল্পিত ব্যাপার ছিল। আমি তখন জানতাম না, এখন জানি।

    আমার ব্যাপারটা?

    তোমারটাও। তুমি একমাত্র বিজ্ঞানী যে ওয়ার্মহোল তৈরি করতে পার। তাই তোমাকে এখানে পাঠানো হয়েছে। তোমার জীবনকে ইচ্ছে করে দুর্বিষহ করে দেওয়া হয়েছিল যেন তুমি প্রজেক্ট আপসিলনে যোগ দাও।

    ইরন অবাক হয়ে কীশার দিকে তাকিয়ে রইল। তার অবাক হবার ক্ষমতাও শেষ হয়ে গেছে। ইরন খানিকক্ষণ মেঝেতে হাঁটু জড়িয়ে বসে থাকা কীশার দিকে তাকিয়ে রইল, তারপর আরো এক পা এগিয়ে গিয়ে বলল, এখন কী হবে কীশা?

    খুব খারাপ একটা জিনিস হবে ইরন। তুমি জানতে চেয়ো না।

    যদি খুব খারাপ একটা জিনিস হবে তা হলে তুমি সেটা বন্ধ করছ না কেন?

    কারণ আমার বন্ধ করার ক্ষমতা নেই। কারণ আমি তুচ্ছ একটা রোবট। কারণ আমাকে যেভাবে প্রোগ্রাম করা হয়েছে আমাকে ঠিক সেভাবেই কাজ করতে হবে।

    ইরনের বুকের ভিতরে হঠাৎ ভয়ের একটা শীতল স্রোত বয়ে যায়, সে কাঁপা স্বরে জিজ্ঞেস করল, তোমকে কীভাবে প্রোগ্রাম করা হয়েছে?

    তুমি দেখতে পাবে ইরন।

    ইরন কীশার আরো কাছে এগিয়ে যাবার জন্য এক পা এগুতেই হঠাৎ বিদ্বেগে কীশা তার পাশে শুইয়ে রাখা অস্ত্রটি তুলে ইরনের দিকে তাক করল, মুহূর্তে তার মুখ ভয়ঙ্কর কঠিন হয়ে যায়, তার চোখ ধিকিধিকি করে জ্বলতে শুরু করে। কীশা হিসহিস করে যান্ত্রিক গলায় বলল, আমার কাছে এসো না ইরন। আমাকে আমি নিজে নিয়ন্ত্রণ করি না। আমি খুব ঠাণ্ডা মাথায় তোমাকে খুন করে ফেলতে পারি।

    কী বলছ তুমি কীশা? তুমি কেন আমাকে খুন করে ফেলবে– ইরন কীশার দিকে আরো এক পা এগিয়ে গেল। সাথে সাথে কীশা অস্ত্রটির ট্রিগার চেপে ধরে, প্রচণ্ড শব্দে সমস্ত মহাকাশযান কেঁপে ওঠে, বিস্ফোরকের ধোঁয়ায় এবং ঝাঁজালো গন্ধে সমস্ত ঘর মুহূর্তে বিষাক্ত হয়ে ওঠে। কিছু একটার প্রচণ্ড আঘাতে ইরন দেয়ালে ছিটকে গিয়ে পড়ে। দেয়ালে আঁকড়ে কোনোমতে উঠে বসে ইরন বিস্ফারিত চোখে একবার কীশার দিকে এবং আরেকবার নিজের দিকে তাকাল। কাঁধের কাছে খানিকটা অংশ ঝলসে গেছে, কপালে কোথাও কেটে গেছে, রক্তে বাম চোখটা ঢেকে যাচ্ছে।

    কীশা হাঁটু গেড়ে এক পা পিছিয়ে গিয়ে কাতর গলায় বলল, ইরন, দোহাই তোমার, তুমি আমার কাছে এসো না। আমি কীশা নই–আমি একটা রোবট। আমার নিজের ওপর কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই।

    ইরন দাঁতে দাঁত চেপে যন্ত্রণা সহ্য করে বলল, আসব না।

    কীশা জোরে জোরে নিশ্বাস নিতে নিতে বলল, আমার খুব কষ্ট হচ্ছে ইরন। আমার ভিতরের মানবিক একটা অংশে এখনো তোমাদের সবার জন্য ভালবাসা রয়েছে। আর রবোটের অংশ বলছে প্রয়োজন হলে সবাইকে শেষ করে দিতে। আমি জানি না, আমি তোমাদের রক্ষা করতে পারব কি না– কীশা হঠাৎ হাউমাউ করে কেদেঁ উঠল।

    ইরন হাতের উল্টোপিঠ দিয়ে কপালের ক্ষতস্থান মুছে কীশার দিকে তাকিয়ে রইল, তার এখনো বিশ্বাস হচ্ছে না এটি সত্যি ঘটছে। মনে হচ্ছে পুরোটা বুঝি একটা ভয়ঙ্কর দুঃস্বপ্ন। বিস্ফোরণের শব্দে ত্ৰালুস এবং শুমান্তি ছুটে এসেছে। তারা ইরনের ঘরের সামনে দাঁড়িয়ে আছে, কী করবে বুঝতে পারছে না।

    কীশা স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রটি হাতে ধরে উঠে দাঁড়াল। কাউকে সরাসরি উদ্দেশ্য না করে নিচু গলায় বলল, আমি খুব দুঃখিত যে এটা ঘটছে, আমাকে তোমরা ক্ষমা করে দিও।

    কেউ কোনো কথা বলল না। কীশা একটা নিশ্বাস ফেলে ত্ৰালুস এবং শুমান্তির দিকে তাকিয়ে বলল, তোমরা জরুরি চিকিৎসা কেন্দ্র থেকে মেডিক্যাল কিটটা নিয়ে এসো। ইরনের রক্ত বন্ধ করা দরকার।

    ত্রালুস বলল, আমি ঠিক বুঝতে পারছি না এখানে কী ঘটছে। আমি–

    এই মহাকাশযানে এখন কেউ আর কিছু বুঝতে পারবে না। শুধু জেনে রাখ আমি তোমাদের পরিচিত কীশা নই। আমি একটি রোবট। ইরন যেটা সন্দেহ করেছিল, সেটা সত্যি।

    ও।

    যাও।

    ত্রাস এবং শুমান্তি ছুটতে ছুটতে চলে গেল। ইরন হাত দিয়ে ক্ষতস্থান চেপে ধরে রেখে বলল, এখন কী হবে কীশা?

    তোমরা দেখতে পাবে।

    দেখতে পাব?

    হ্যাঁ। আমি–আমি এই গ্ৰহটাতে যাব।

    ইরন চমকে উঠল, এই গ্ৰহটাতে যাবে?

    হ্যাঁ।

    তুমি কেন এই গ্ৰহটাতে যাবে?

    কারণ সেখানে নিনীষ স্কেলে পঞ্চম মাত্রার বুদ্ধিমান প্রাণী আমার জন্য অপেক্ষা করছে।

    তোমার জন্য অপেক্ষা করছে?

    হ্যাঁ।

    কেন তোমার জন্য অপেক্ষা করছে?

    কারণ তাদের জন্য আমার একটি জিনিস নিয়ে যাবার কথা।

    কী জিনিস?

    সেটা এখন আর্কাইভ ঘরে আছে।

    কী আছে আর্কাইত ঘরে?

    কীশা কাতর গলায় বলল, আমাকে তুমি সেটা জিজ্ঞেস কোরো না। দোহাই তোমার। তোমার এই প্রশ্নের উত্তর দিতে আমার খুব কষ্ট হয়। খুব কষ্ট হয়।

    ঠিক আছে জিজ্ঞেস করব না।

    ত্রাস এবং শুমান্তি দুই হাতে টেনে মেডিক্যাল কিটটা নিয়ে এসে ইরনের ঘরে ঢুকল। ভিতর থেকে টেনে যন্ত্রপাতি বের করে তারা ইরনের ওপর ঝুঁকে পড়ল। মেডিক্যাল কিটের মনিটরে আঘাতের বর্ণনা বের হয়ে এসেছে। এমন কিছু গুরুতর আঘাত নয়, দ্রুত সেরে উঠবে।

    ইরন জানত সে দ্রুত সেরে উঠবে। তাকে ওরা হত্যা করবে না। কিছুতেই হত্যা করবে না। ত্রালুস এবং শুমান্তিকে নিয়ে সে নিশ্চিত নয়, কিন্তু তাকে ওরা এত সহজে হত্যা করবে না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপ্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    Next Article বৃষ্টির ঠিকানা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    Related Articles

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    ছোটগল্প – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সাদাসিধে কথা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মেকু কাহিনী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    আমার বন্ধু রাশেদ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ১ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    টুনটুনি ও ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }