Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ৩ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল এক পাতা গল্প1002 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৩.২ ইরন চেয়ার থেকে নিজেকে মুক্ত করে

    ইরন চেয়ার থেকে নিজেকে মুক্ত করে স্কাউটশিপের মাঝ দিয়ে শুমান্তির কাছে ছুটে যাওয়ার চেষ্টা করল, ঠিক সেই মুহূর্তে স্কাউটশিপটা একটা বড় ধরনের ঝাঁকুনি খেয়ে পুরোটা প্রায় উল্টে যেতে যেতে কোনোমতে আবার সোজা হয়ে দাঁড়াল। ইরন দেয়াল আঁকড়ে নিজেকে রক্ষা করার চেষ্টা করে, কিন্তু পারে না, স্কাউটশিপের এক কোনায় গিয়ে ছিটকে পড়ে। কোনো রকমে আবার সে সোজা হয়ে দাঁড়াল, তারপর মেঝেতে প্রায় হামাগুড়ি দিয়ে শুমান্তির কাছাকাছি গিয়ে হাজির হল।

    যে জিনিসটি তাদের সামনে ঝুলছে এর থেকে কদাকার কিছু তারা কখনো দেখেছে বলে মনে করতে পারল না। জিনিসটি জীবন্ত সে ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই, এর ভিতরে নানা অংশ নড়ছে, কিলবিল করছে, পুরো জিনিসটি সরসর শব্দ করে হঠাৎ বড় হতে শুরু করল। জিনিসটি থেকে উড়ের মতো কিছু একটা বের হয়ে এল, হঠাৎ করে গোলাপি রঙের চটচটে ভেজা জিনিসটি তাদেরকে স্পর্শ করার চেষ্টা করতেই ইরন শুমান্তিকে নিয়ে লাফিয়ে পিছনে সরে গেল। জিনিসটি আবার নড়তে শুরু করে এবং হঠাৎ করে তাদের দিকে এগিয়ে আসতে থাকে, শুমান্তি আতঙ্কে চিৎকার করে ওঠে এবং ইরন আবার তাকে ধরে নিচে লাফিয়ে পড়ল, ভেজা থলথলে জীবন্ত জিনিসটি তাদের উপর দিয়ে স্কাউটশিপের অন্যদিকে যেতে শুরু করে, ঠিক তাদের উপর দিয়ে যাবার সময় টপটপ করে তাদের উপর চটচচে এক ধরনের তরল গড়িয়ে পড়ল। ঝাজালো কটু এক ধরনের দৃষিত গন্ধে হঠাৎ করে স্কাউটশিপের বাতাস ভারী হয়ে আসে। তাদের নিশ্বাস নিতে কষ্ট হয়, শুমান্তি নিশ্বাস নেবার। চেষ্টা করে কাশতে শুরু করে।

    প্রাণীটি দেয়াল আঁকড়ে ধরে একটি ছোট ফুটো দিয়ে বাতাস বের হয়ে যাবার মতো এক ধরনের অনিয়মিত শব্দ করতে থাকে, সমস্ত স্কাউটশিপে চটচটে আঠালো গাঢ় বাদামি রঙের এক ধরনের তরল ছিটকে ছিটকে পড়ে।

    ত্রালুস স্কাউটশিপের নিয়ন্ত্রণ ছেড়ে ভল্টের দিকে ছুটে গেল, ঢাকনা খুলে তার ভিতর থেকে একটা ভয়াবহ স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র নিয়ে ছুটে এল। প্রাণীটির দিকে অস্ত্র তাক করতেই ইরন নিচু গলায় বলল, খবরদার। গুলি কোরো না।

    ঠিক আছে। এলুস একটা বড় নিশ্বাস নিয়ে বলল, কিন্তু আবার যদি আমাদের আক্রমণ করে?

    করলে দেখা যাবে। এখনো তো করে নি।

    ওরা তিন জন স্কাউটশিপের মেঝেতে উঁচু হয়ে বসে প্রাণীটির দিকে এক ধরনের আতঙ্ক নিয়ে তাকিয়ে রইল। এটি দেখলে প্রথমেই যে জিনিসটি মনে হয় সেটি হচ্ছে যে জীবন্ত কোনো একটি প্রাণীর চামড়া ছিলে ফেলা হয়েছে, এখন হঠাৎ করে ভিতরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলো দেখা যাচ্ছে। থলথলে ভেজা আঠালো জিনিস নড়ছে, এবং কিলবিল করছে। এর নির্দিষ্ট কোনো আকার নেই। প্রথমে একটা বড় অক্টোপাসের মতো দেয়াল আঁকড়ে ধরে রইল এবং সেই অবস্থায় শূন্যে ঝুলতে থাকে। ছোট ছোট পুঁড়ের মতো জিনিস ঝুলতে থাকে এবং সেগুলো হঠাৎ করে বুজে যায়। জিনিসটি স্কাউটশিপের মাঝে ঘুরতে ঘুরতে হঠাৎ করে একটু ছোট হয়ে আসে, তীব্র আলোর একটা ঝলকানি হল এবং হঠাৎ করে প্রাণীটি অদৃশ্য হয়ে গেল।

    ইরন হতচকিতের মতো স্কাউটশিপের ভিতরে তাকায়, এখনো তার বিশ্বাস হচ্ছে না যে জলজ্যান্ত এ রকম একটা প্রাণী তাদের চোখের সামনে থেকে এভাবে অদৃশ্য হয়ে যেতে পারে। ত্ৰালুস শক্ত করে অস্ত্রটি ধরে রেখে কয়েক পা এগিয়ে গেল, এদিক–সেদিক তাকিয়ে বলল, কোথায় গেছে?

    শুমান্তি মেঝে থেকে উঠে দাঁড়িয়ে শরীরের নানা জায়গায় লেগে থাকা কুৎসিত চটচটে আঠালো তরলের দিকে তাকিয়ে মুখ বিকৃত করে বলল, চলে গেছে।

    কিন্তু কেমন করে চলে গেল?

    তা হলে আগে জিজ্ঞেস কর কেমন করে ভিতরে এল?

    ত্রালুস বিভ্রান্তের মতো শুমান্তির দিকে তাকাল, মাথা নেড়ে বলল, হ্যাঁ। ঠিকই বলেছ, কেমন করে ভিতরে এল?

    শুমান্তি এক টুকরো নিও পলিমারের টুকরো নিয়ে শরীরের নানা জায়গায় লেগে থাকা আঠালো তরল মুছতে মুছতে বলল, এটাই কি সেই বুদ্ধিমান প্রাণী?

    ইরন চিন্তিত মুখে স্কাউটশিপের ভিতরে চারদিকে মাথা ঘুরিয়ে দেখে বলল, মনে হয়।

    শুমান্তি বলল, আমার তো এটাকে বুদ্ধিমান মনে হল না। কদাকার মনে হল।

    সৌন্দর্যের ধারণা খুব আপেক্ষিক। মাকড়সা যদি আমাদের মতো বুদ্ধিমান প্রাণী হত তা হলে তারা মানুষকে খুব কদাকার প্রাণী বলে বিবেচনা করত।

    ত্রালুস স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রটি ভল্টের ভিতরে রাখতে রাখতে বলল, প্রাণীটি অন্তত আমাদেরকে আক্রমণ করার চেষ্টা করে নি।

    হ্যাঁ। অন্তত আমরা বুঝতে পারি নি।

    শুমান্তি মাথা নেড়ে বলল, এটি যদি সত্যি সত্যি আমার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ত তা হলে আমি ভয়েই মারা যেতাম।

    ইরন অন্যমনস্কের মতো বলল, হুঁ।

    শুমান্তি স্কাউটশিপের ঝাঁকুনির মাঝে সাবধানে সামনের দিকে এগিয়ে এসে বলল, ইরন।

    ইরন কোনো কথা বলল না, খুব চিন্তিতভাবে শূন্য দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইল।

    শুমান্তি কাছে গিয়ে বলল, ইরন।

    ইরন একটু চমকে উঠে বলল, কী হল?

    তুমি কী ভাবছ?

    না, আমি জিনিসটা বোঝার চেষ্টা করছি। একটা রক্তমাংসের প্রাণী—

    রক্তমাংসের? শুমান্তি মুখ বিকৃত করে বলল, রক্তমাংস?

    দেখে তো সেরকমই মনে হল। স্কাউটশিপে যে তরলগুলো ছিটিয়েছে তার নমুনা মহাকাশযানের মূল তথ্যকেন্দ্রে পাঠিয়ে দিলে বিশ্লেষণ করে বলতে পারবে। আমার মনে হয় আমরা দেখব এটা জীবিত কোনো প্রাণীর দেহ থেকে এসেছে।

    শুমান্তি শরীর থেকে চটচটে তরল মোছার চেষ্টা করতে করতে বলল, আমাদের শরীরে লেগে গেছে, কোনো ক্ষতি হবে না তো?

    এখনো যখন হয় নি, মনে হয় আর হবে না। যেহেতু এটা ভিন্ন ধরনের প্রাণীসত্তা, আমার মনে হয় না আমাদের শরীরকে আক্রমণ করতে পারবে। ভাইরাস কিংবা ব্যাকটেরিয়ার মতো এটা তো নিশ্চয়ই আর. এন. এ, ডি. এন. এ দিয়ে তৈরি নয়। তাদের নিজস্ব জিনিস দিয়ে তৈরি। ঘরে কেমন কাঁজালো কটু গন্ধ দেখেছ?

    কিসের গন্ধ এটা?

    মনে হয় ক্লোরিনের। আমরা যেরকম অক্সিজেন দিয়ে নিশ্বাস নেই, এটা মনে হয় সেরকমভাবে ক্লোরিন দিয়ে নিশ্বাস নেয়!।

    ক্লোরিন? কিন্তু সেটা তো ভয়ঙ্কররকম বিক্রিয়াশীল গ্যাস।

    ইরন হেসে ফেলল, বলল, অক্সিজেনও অত্যন্ত বিক্রিয়াশীল গ্যাস। লোহার মতো ধাতুকে সেটা আক্রমণ করে ক্ষয় করে ফেলে। কিন্তু আমরা তার মাঝে দিব্যি বেঁচে থাকতে পারি।

    সেটা ঠিক বলেছ, আমি আগে কখনো এভাবে চিন্তা করি নি।

    ত্রালুস স্কাউটশিপের নিয়ন্ত্রণ প্যানেলের সামনে বসে ছোট স্ক্রিনটার উপর ঝুঁকে পড়ল। সাবধানে স্কাউটশিপটাকে আবার নিচে নামাতে শুরু করে। বাতাসের ঘনত্ব আরো বেড়েছে–বাইরে এখন ভালো করে দেখা যাচ্ছে না। ধোঁয়ার মতো কুণ্ডলি পাকানো সবুজ মেঘ ভেসে যাচ্ছে, প্রতিবার এ রকম একটা মেঘে আঘাত করা মাত্র স্কাউটশিপটি থরথর করে কেঁপে উঠছিল। বহু নিচে স্থানে স্থানে বেগুনি রঙের উঁচুনিচু ভূমি। সেখানে কী বিস্ময় লুকিয়ে আছে কে জানে।

    ইরন স্কাউটশিপের গোলাকার জানালার সামনে বসে আবার বাইরে তাকিয়ে চিন্তায় ডুবে গেল। একটি প্রাণী কীভাবে বন্ধ স্কাউটশিপে এসে হাজির হতে পারে আবার কীভাবে বন্ধ স্কাউটশিপ থেকে অদৃশ্য হয়ে যেতে পারে? এটি তো অলৌকিক কিছু হতে পারে না, বিজ্ঞানের মূল সূত্রগুলো নিশ্চয় মানতে হবে। কোনো জিনিস তো হঠাৎ করে সৃষ্টি হতে পারে না, আবার এ রকম হঠাৎ করে অদৃশ্যও হয়ে যেতে পারে না। প্রাণীটি কোথায় গেল?

    কীশার স্কাউটশিপটা নিচে নেমে গেছে। ত্রালুসের গলার স্বর শুনে ইরন মাথা তুলে তাকাল।

    কেমন করে বুঝতে পারলে?

    খুব ঝড়ো হাওয়া হচ্ছে তাই দেখা যাচ্ছে না। কিন্তু সিগনালে আর ডপলার শিফট নেই। স্কাউটশিপটা থেমে গেছে।

    আমাদেরও কাছাকাছি থামতে হবে।

    ঠিক আছে। নিচে নেমে আমি একবার ঘুরে আসি।

    বেশ।

    স্কাউটশিপের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে এর মাঝে ত্রাসের নিজের মাঝে বেশ একটা আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়েছে, সে বেশ সাবলীলভাবে স্কাউটশিপটাকে ঘুরিয়ে নিচে নামিয়ে নিতে থাকে। বাইরে গাঢ় সবুজ রঙের মেঘ কুণ্ডলি পাকিয়ে উঠে আসছে, তার মাঝে নীলাভ বিদ্যুতের স্ফুলিঙ্গ খেলা করছে। নিচে বেগুনি রঙের প্রান্তর, কোথাও আলো কোথাও অন্ধকার। মাঝে মাঝে বড় বড় ফাটল, তার ভিতর থেকে ঈষৎ কমলা রঙের এক ধরনের আলো বের হয়ে আসছে। পুরো দৃশ্যটি একটি অতিপ্রাকৃত দৃশ্যের মতো, তাকিয়ে থাকতে থাকতে হঠাৎ করে মনে হয় এর কোনোটিই সত্যি নয়, পুরোটুকু বুঝি শক্তিশালী কোনো মস্তিষ্ক–বিকলন ড্রাগের ফল। ইরন জানালা থেকে মাথা ঘুরিয়ে ভিতরে তাকাল এবং হঠাৎ করে স্কাউটশিপের ভিতরে আবার সেই ভয়াবহ কদাকার প্রাণীটিকে দেখতে পেল। কোনো বীভৎস প্রাণীকে যেন কেউ খুলে তার ভিতরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গকে বাইরে নিয়ে এসেছে।

    স্কাউটশিপের ভিতরটুকু তীক্ষ্ণ ঝুঁজালো গন্ধে ভরে গেল–আঠালো চটচটে তরল প্রাণীটির দেহ থেকে ফোঁটা ফোঁটা করে স্কাউটশিপের ভিতর গড়িয়ে পড়তে থাকে। প্রাণীটি থরথর করে কাঁপছে। ভিতরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সরসর করে নড়ছে। ইরন নিশ্বাস বন্ধ করে বীভৎস প্রাণীটির দিকে তাকিয়ে থাকে এবং হঠাৎ করে একটা জিনিস বুঝতে পারে, সে ভয়ঙ্করভাবে চমকে উঠে বিস্ফারিত চোখে প্রাণীটির দিকে তাকিয়ে থাকে।

    ইরন শুমান্তির আর্তচিৎকার শুনতে পেল। ত্রালুস ছুটে গিয়ে স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রটি হাতে নিয়ে ইরনের পাশে এসে দাঁড়ায়। ভয়ঙ্কর দর্শন প্রাণীটি থেকে হঠাৎ করে গুঁড়ের মতো কিছু একটা ছুটে আসে, ত্রালুস অস্ত্রটি উঁচু করে ধরতেই ইরন খপ করে তার হাত ধরে ফেলল, না, ত্রালুস, না।

    এটা তোমাকে আক্রমণ করছে।

    আমার ধারণা করছে না।

    তা হলে কী করছে?

    কিছুই করছে না।

    ত্রালুস নিশ্বাস বন্ধ করে তাকিয়ে থাকে এবং থলথলে ভেজা আঠালো ঔড়গুলো তাদের গা ঘেঁষে গিয়ে হঠাৎ করে প্রাণীটির শরীরে মিশে গেল।

    শুমান্তি হেঁটে ইরনের পাশে এসে দাঁড়াল, নিচু গলায় বলল, তুমি কেন বলছ এটা কিছুই করছে না?

    কারণ এটা আমাদের দেখছে না।

    দেখছে না?

    না।

    কেন দেখছে না, এর কোনো চোখ নেই?

    না, চোখ–কানের কথা নয়। অন্য কোনো ধরনের প্রাণী হলেই যে চোখ–কান থাকতে হবে তা ঠিক নয়, তারা অন্য কোনোভাবেও তাদের তথ্য নিতে পারে।

    তা হলে?

    এটি একটি চতুর্মাত্রিক প্রাণী। ত্রিমাত্রায় কিছু থাকলে সেটি এত সহজে সেটা দেখতে পারে না।

    চতুর্মাত্রিক প্রাণী?

    হ্যাঁ। শুধুমাত্র চতুর্মাত্রিক প্রাণীই ত্রিমাত্রিক জগতে হঠাৎ করে হাজির হতে পারে, হঠাৎ করে অদৃশ্য হতে পারে। এরা চতুর্মাত্রিক প্রাণী বলেই চতুর্থমাত্রা ব্যবহার করে পৃথিবীর সাথে যোগাযোগ করতে পেরেছিল।

    হ্যাঁ, আমরা ত্রিমাত্রিক জগতে এই প্রাণীটির প্রজেকশনটুকু দেখছি। প্রাণীটি দেখতে আসলে কী রকম আমরা কোনোদিন জানতে পারব না।

    ত্ৰালুস অস্ত্রটি তাক করে রেখে ভয় পাওয়া গলায় বলল, তুমি নিশ্চিত এটা আমাদের দেখতে পারছে না?

    পুরোপুরি নিশ্চিত কেমন করে হব? কিন্তু আমার ধারণা এটা আমাদের দেখতে পাচ্ছে। যদি দ্বিমাত্রিক একটা জগৎ থাকত তা হলে আমরা যেরকম দেখতে পেতাম না অনেকটা সেরকম।

    শুমান্তি বিস্ফারিত চোখে প্রাণীটার দ্রুত পাল্টে যাওয়া বীভৎস দেহটির দিকে তাকিয়ে থেকে বলল, কেন আমরা দ্বিমাত্রিক জগৎ দেখতে পেতাম না?

    কারণ একটি ত্রিমাত্রিক জগতে অসীম সংখ্যক দ্বিমাত্রিক জগৎ থাকে, কোনটি তুমি দেখবে? শুধু একটি হলে তুমি দেখবে, কিন্তু একটি তো নেই, কোনটা তুমি আলাদা করে দেখবে?

    ত্রালুস অস্ত্রটি আলগোছে ধরে রেখে বলল, তুমি বলছ আমি যদি এটাকে গুলি করি এটা জানবে না কে তাকে গুলি করেছে?।

    সম্ভবত জানবে না, কিন্তু বুঝতে পারবে, কোনো একটি ত্রিমাত্রিক জগতে সে আঘাত পেয়েছে। চতুর্মাত্রিক প্রাণী তখন ত্রিমাত্রার জগৎকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করতে পারে।

    শুমান্তি আটকে থাকা একটা নিশ্বাস বের করে দিয়ে বলল, এটা আসলে তার আকার পরিবর্তন করছে না। এটা আমাদের এই ত্রিমাত্রিক জগতের ভিতর দিয়ে যাচ্ছে। যখন যেটুকু আমাদের জগতে রয়েছে তখন সেটুকু আমরা দেখতে পাচ্ছি।

    ইরন মাথা নাড়ল, বলল, হ্যাঁ। এইজন্য এটা হঠাৎ করে এখানে আসতে পারে, আবার হঠাৎ করে চলে যেতে পারে।

    ইরনের কথা শেষ হবার আগেই অদৃশ্য একটা আলোকের ঝলকানি দেখা গেল এবং হঠাৎ করে প্রাণীটা অদৃশ্য হয়ে গেল। ইরন মাথা নেড়ে বলল, একটা বদ্ধ জায়গায় কোনো জিনিস হঠাৎ করে আসা এবং হঠাৎ করে বের হয়ে যাওয়ার একটি মাত্র ব্যাখ্যা, এটি চতুর্মাত্রিক প্রাণী।

    ত্রালুসকে খানিকটা বিভ্রান্ত দেখায়। সে শুমান্তির দিকে তাকিয়ে বলল, তুমি মনে হয়। ব্যাপারটা বুঝতে পেরেছ। আমি এখনো বুঝতে পারি নি।

    ইরন ত্রালুসের কাধ স্পর্শ করে বলল, আমি তোমাকে বুঝিয়ে দেব, আগে দেখ মহাকাশযানের মূল তথ্যকেন্দ্র বিশ্লেষণ করে নতুন কিছু পাঠিয়েছে কি না।

    যোগাযোগ মডিউলে মহাকাশযানের মূল তথ্যকেন্দ্র থেকে পাঠানো তথ্যগুলো তিন জন মিলে দেখতে থাকে। প্রাণীটার শরীরে প্রচুর ধাতব পদার্থ রয়েছে, বিশেষ করে এলকালী ধাতু। ক্লোরিনের সাথে বিক্রিয়া করে শক্তি সংগ্রহের একটি সহজ পদ্ধতি। পৃথিবীর প্রাণিজগৎ যেরকম পুরোপুরি ডি. এন. এ. নির্ভর এখানে সেরকম কিছু দেখা গেল না, দীর্ঘ সুতার মতো ক্রিস্টালের অবকাঠামো রয়েছে যার ভিতর দিয়ে বৈদ্যুতিক সঙ্কেত যেতে পারে। মাঝে মাঝে গোলাকার অংশে গেলিয়াম৩১ এবং আর্সেনাইডের প্রাচুর্য দেখা গেল, সম্ভবত বৈদ্যুতিক সঙ্কেত বাড়ানোর জন্য ব্যবহার করা হয়েছে। প্রাণীটির দেহ থেকে বের হওয়া তরল থেকে আরো নানা ধরনের অসংখ্য তথ্য দেওয়া হয়েছে, যার বেশিরভাগই অল্প সময়ে বোঝার কোনো উপায় নেই। ঠিক কোন অংশটি ব্যবহার করে এটি চতুর্মাত্রিক জগতে বিচরণ করতে পারে সেই তথ্যটুকু খুঁজে পাওয়া গেল না।

    ত্রালুস বিশাল তথ্যভাণ্ডারের দিকে খানিকক্ষণ তাকিয়ে থেকে ইরনকে জিজ্ঞেস করল, ইরন, তুমি বুঝতে পারলে?

    পুরোপুরি বুঝতে সময় নেবে। তবে যেটুকু বোঝার সেটুকু বুঝেছি।

    কী বুঝেছ?

    এটি চতুর্থমাত্রায় বিচরণ করতে পারে সত্যি কিন্তু এটি তৈরি আমাদের পরিচিত পদার্থ দিয়ে। যার অর্থ– ইরন একমুহূর্ত চুপ করে থেকে বলল, আমরা প্রয়োজন হলে আমাদের প্রযুক্তি দিয়েই তার সামনাসামনি হতে পারব।

    শুমান্তি একটু হেসে বলল, তুমি বলতে চাইছ প্রয়োজন হলে আমাদের অস্ত্র দিয়ে এদের সাথে যুদ্ধ করা যাবে।

    ইরন হাসার চেষ্টা করে বলল, আমি এটা বলতে চাইছি না–বোঝাতে চাইছি। প্রথমবার যখন কোনো বুদ্ধিমান প্রাণীর সাথে দেখা হয় তখন তাদের সাথে যুদ্ধ করার কথা নয়!।

    ত্রালুস স্কাউটশিপের সামনে থেকে উচ্চকণ্ঠে বলল, তোমরা তোমাদের নিজেদের জায়গায় বস, কীশার স্কাউটশিপটা পাওয়া গেছে, আমরা এখন নামব।

    কিছুক্ষণের মাঝেই স্কাউটশিপের শক্তিশালী ইঞ্জিন গর্জন করতে শুরু করে। আয়োনিত গ্যাসের আলোতে হঠাৎ করে চারদিক আলোকিত হয়ে ওঠে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপ্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    Next Article বৃষ্টির ঠিকানা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    Related Articles

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    ছোটগল্প – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সাদাসিধে কথা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মেকু কাহিনী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    আমার বন্ধু রাশেদ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ১ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    টুনটুনি ও ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }