Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সাহেব বিবি গোলাম – বিমল মিত্র

    বিমল মিত্র এক পাতা গল্প740 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১১. আজ এতদিন পরে ভাবতে অবাক লাগে

    আজ এতদিন পরে ভাবতে অবাক লাগে, সেদিন সেই প্রথম দেখা ছোটমা’র চেহারাটা কেমন করে অমন সুন্দর লেগেছিল। ভূতনাথ যেন অত রূপ মানুষের শরীরে আর কখনও দেখেনি। এক এক জনের রূপ আছে, যা দেখলে চোখ জুড়িয়ে যায়, প্রশান্তির প্রলেপ লাগায়, আলা ধরায় না—সে-ও বুঝি তেমনি। হঠাৎ তার সমস্ত শরীরে কে যেন চন্দনের প্রলেপ লাগিয়ে দিলো। চোখ নাক মুখের অমন শ্ৰী বুঝি মানুষের মধ্যে দুর্লভ। কিন্তু তা ছাড়াও সব মিলিয়ে যে-টা সব চেয়ে প্রথম নজরে পড়ে সে তত ছোটমা’র চেহারার খুটিনাটি নয়। ভূতনাথের মনে হয়েছিল—সেই চারটে দেয়ালের মধ্যে আবদ্ধ হয়ে আছে যেন কোটি কোটি মানুষের প্রাণের নিভৃততম কল্পনা। যুগযুগান্তের লাখ লাখ যুগের সমস্ত সৌন্দর্যের তিল তিল আহরণ করে যেন ছোটমা’র অবয়বে তিলোত্তমা মূর্তি নিয়েছে। তবু সে রূপ যেন শারীররূপ নয়, যেন তাকে স্পর্শ করা যায় না, ধরা ছোঁয়ার অনেক ঊর্ধ্বে সে, চাওয়া-পাওয়ার জগতের বাইরে এক অব্যক্ত বাণীময় রূপক কাব্য। যেন দেহ স্পর্শ করলে দেখা যাবে–দুধের ফেনার চেয়ে তা নরম, কাছে গেলে মনে হবে–আকাশের রামধনুর চেয়ে তা বর্ণাঢ্য। এতখানি প্রশান্তি বুঝি প্রশান্ত মহাসাগরেও নেই।

    ভূতনাথের দিকে চোখ তুলে ছোটমা এক বার ছোট করে ঘোমটা তুলে দিলে মাথায়।

    তারপর বংশীই যেন চোখের ইঙ্গিতে বুঝিয়ে দিলে—এই-ই মালাবাবু।

    ছোটমা বললে—এসো-বোসো এখানে।

    মেঝেতে একখানা গালচে পাতা। ভূতনাথ বসলো।

    ছোটমা বললে—বংশী তুই একটু বাইরে দাঁড়া গিয়ে, আমি ডেকে পাঠাবো।

    চিন্তাকেও কী একটা কাজের হুকুম করে বাইরে পাঠিয়ে দিলে ছোটমা। কেমন যেন প্রচণ্ড এক অস্বস্তিতে ঘামতে লাগলো ভুতনাথ। ছোটমা’র চেহারার দিকে বিশেষ করে মুখের দিকে যেন হাঁ করে চেয়ে চেয়ে দেখলেও তৃপ্তি হয় না। মাথা নিচু করে বসেছিল ভূতনাথ। কিন্তু কেবল মনে হচ্ছিলো–আর একবার মুখ তুলে দেখা যায় না মুখখানার দিকে।

    ছোটমা’র গলা শোনা গেল—ওরা তোমাকে শালাবাবু বলে ডাকে সবাই। আসল নামটা কেউ জানে না। বংশীকে বলেছিলুম,

    ও-ও বলতে পারলে না।

    ভূতনাথ মাথা নিচু করেই বললে—আপনিও ওই নামেই ভাকবেন।

    —তবু বাপ মায়ের দেওয়া একটা নাম তত আছে তোমার।

    –বাপ মাকে চোখে দেখিনি, আমার নাম রেখেছিল পিসীমা। আমার নাম শ্ৰীভূতনাথ চক্রবর্তী। নামটা সকলের পছন্দ হয় না।

    —তুমি ব্রাহ্মণ–তা হোক, তবু তোমাকে আমি ভূতনাথ বলে ডাকবো–কেমন? বয়সে আমি তোমার ছোট হলেও সম্পর্কে তো বড়-আমাকে তুমি বৌঠান বলে ডেকো।

    ভূতনাথ খানিকক্ষণ চুপ করে বসে রইলো। তারপর চোখ তুলে বললে—আমাকে ডেকেছিলেন কী জন্যে, বংশী বলছিল—

    —বলছি, কিন্তু তার আগে তুমি একটু জল খেয়ে নাও। আমার হাতে খেতে তোমার আপত্তি নেই তো?

    বৌঠানের চাবির আর চুড়ির শব্দ কানে এল। পায়ের দিকে এক দৃষ্টে চেয়ে দেখলে ভূতনাথ। চওড়া পাড় শান্তিপুরে শাড়ির নিচে যে-টুকু দেখা যায় তা হয় তো শরীরের এক সামান্যতম অংশ। ছোট ছোট আঙুলগুলো আলতার বেষ্টনীতে অপরূপ অনবদ্য মনে হলো। ধবধরে দুধের মতো সাদা নখ—আলতায় ঘেরা। টোপা কুলের মতো যেন রসে ভরা।

    চিন্তা শ্বেতপাথরের রেকাবীতে এনে রাখলে খাবার।

    বৌঠান বললে—সব আমার যশোদাদুলালের প্রসাদ-তারপর অন্যদিকে মুখ ফিরিয়ে বললে—চিন্তা একটু জল দে ভূতনাথের হাতে।

    বৌঠানের মুখে নিজের নামটা যেন আজ কেমন সুন্দর মনে হলো। ও নামটা আগে আর কারুর মুখে তো এত সুন্দর ঠেকেনি। মন্ত্রচালিতের মতো এক-একটা করে মিষ্টি মুখে পুরতে লাগলো ভূতনাথ। তারপর আশে পাশে চেয়ে দেখলে। ঘরের এক পাশে একটা প্রকাণ্ড পালঙ্ক। ছাদের কড়িকাঠ থেকে একটা রঙিন মশারি ঝুলছে। চূড়ো করে বাঁধা। এতখানি পুরু গদির ওপর শাখের মতো সাদা চাদর ঢাকা। দুটো মাথার বালিশ। সবই প্রকাণ্ড। পঙ্খের কাজ করা দেয়ালের গায়ে অনেক ছবি। পটের ছবি, শ্রীকৃষ্ণের পয়স ভক্ষণ। গিরি-গোবর্ধনধারী যশোদাদুলাল। ‘ময়ন্তীর সামনে হাসরূপী নলের আবির্ভাব। মদন ভস্ম-শিবের কপাল দিয়ে ঝাটার মতন আগুনের জ্যোতি বেরিয়ে আসছে। আরো কত কি। একটা কাচের আলমারিতে কত পুতুল! বিলিতি মেমঘাগরা পরা। গোরা পল্টন-মাথায় টুপি। খোপ মাথায় কালীঘাটের বেনে-বউ। আর মেঝের এক কোণে ছোট একটা জলচৌকির উপর ধূপ ধুনো জ্বলছে। ফুল আর বেলপাতার ভিড়ের মধ্যে রূপোর সিংহাসনের ওপর বসা শ্ৰীকৃষ্ণ। বৌঠানের যশোদাদুলাল। সোনার মূর্তি। বাঁশিটা পর্যন্ত সোনার তৈরি।

    –পান খাও?

    –না তো।

    —খাও, একদিন খেলে দোষ হয় না, বৌঠান দিচ্ছে খেতে হয়।

    পান চিবুতে চিবুতে ভূতনাথ ভাবছিল, হঠাৎ কীসের জন্যে এত আয়োজন আপ্যায়ন। এখন যদি হঠাৎ কোনো কারণে ছোটবাবু এসে পড়ে ঘরের মধ্যে। বংশী অবশ্য বলেছে—ছোটবাবু রাত্রে কোনোদিন বাড়ি থাকেন না। চুনীর কাছে থাকেন। রূপো দাসীর মেয়ে চুনীবালা। বাড়ি করে দিয়েছেন তাকে জানবাজারে। ভূতনাথ বললে—এখন আসি তা হলে বৌঠান—

    —সে কি, আসল কথাটাই যে বলা হলো না—বংশী বলছিল, তুমি নাকি ‘মোহিনী-সিঁদুর’ আপিসে কাজ করে?

    –সে এমন কিছু নয়, ব্ৰজরাখাল বলেছে, যদ্দিন ভালো চাকরি পাই…তারপর ওদের আপিসে চাকরি খালি হলেই সায়েবকে বলে…

    আমি সে-কথা বলছি না—’মোহিনী-সিঁদুরে’ কিছু কাজ হয় বলতে পারে?

    হঠাৎ এবার ভূতনাথ সোজাসুজি বৌঠানের মুখের দিকে চেয়ে দেখলে। পাতলা দুটি ঠোট। লালচে আভা বেরোচ্ছে। কানের হীরে দুটো টিক টিক করে দুলছে। আর কপালের ওপর দু একটা অবাধ্য চুলের ওড়া। ঠিক তার নিচে দুটো কালো চোখের সহজ অথচ সুগভীর চাউনি। কাজল পরেছে নাকি বৌঠান!

    বৌঠান আবার বললে-বংশী কিছু বলেনি তোমায়?

    ভূতনাথ জবাব দিলে–বংশী শুধু বললে—আপনি আমায় ডেকেছেন। আমি আসবো-আসবে করে আসতে পারিনি—আপিস থেকে ফিরতেই দেরি হয়ে যায় রোজ।

    –খুব বুঝি কাজ সেখানে? সহানুভূতি মেশানো বৌঠানের গলায়।

    –একা তো সব আমাকেই করতে হয় কিনা—সুবিনয়বাবু শুধু টাকাকড়ির হিসেবটা রাখেন।

    –সুবিনয়বাবু কে? তোমার মনিব বুঝি?

    —আজ্ঞে হ্যাঁ, ব্রাহ্ম ওঁরা, কিন্তু তোক খুব ভালো। আমার জন্যে ওদের ঠাকুরটাকেও তাড়িয়ে দিয়েছেন।

    –কেন?

    ভূতনাথ সবিস্তারে সব বললে। কত টাকা মাইনে, জবার ব্যবহার, জবার মা’র পাগল হওয়ার কথা—বাদ দিলে না কিছুই। যেন অনেক কথা বলতে আজ ভালো লাগলো ভূতনাথের। কোনো নারী আগে কোনোদিন ভূতনাথের কথা এমন করে মন দিয়ে শোনেনি, শুনতে চায়নি। এখানে এই বড়বাড়ির অন্দরমহলে এমন শ্রোতা পাওয়া যাবে কে জানতো। সহজ সাদাসিধে দুঃখের কাহিনী ভূতনাথের। ভালো করে গুছিয়ে বলবার ক্ষমতাও নেই তার। অথচ কে এমন করে ওকে আদর করে বসিয়ে খাইয়েদাইয়ে তার মুখ থেকে গল্প শোনে। এখন বৌঠানের মুখের দিকে চোখ রেখে কথা বলতেও যেন আর লজ্জা হলো না ভূতনাথের। বৌঠানের হাতে চাবির গোছাটা মাঝে মাঝে টুং-টুং করে বাজছে। সঙ্গে সঙ্গে চুড়িগুলোও। সিঁথির ওপর জ্বল জ্বল করে জ্বলছে সিঁদুরের রক্তিমা। মনে হয়, বৌঠান যেন এখনই সিঁদুর পরে উঠলে টাটকা। পাতাকাটা চুলের ওপর এখনও জল চকচক করছে। অল্প অল্প হাসি-হাসি মুখ। পাতলা ঠোট দুটো গল্প শুনতে শুনতে একটু একটু দাঁত দিয়ে কামড়াচ্ছে বৌঠান। ভূতনাথের এমন ভালো আর যেন আগে কখনও লাগেনি। ভূতনাথ আবার বললে—এবার আসি বৌঠান, আপনার খুব দেরি করে দিলাম।

    কিন্তু কথাটা বলে ভয়ও হলো। যদি সত্যি সত্যিই এখনি উঠে চলে যেতে হয়।

    বৌঠান বললে—খুব তো বুদ্ধি তোমার-সাধে কি আর জবা তোমায় বোকা বলে—এতদিন এ-বাড়িতে আছো, এখনও টের পাওনি কিছু? এ-বাড়িতে রাত বারোটায় সন্ধ্যে হয়, জানো না?

    ভূতনাথ চুপ করে রইল এবার।

    বৌঠান এবার বললে—তা হলে কত দাম ওর—এই ‘মোহিনীসিঁদুরে’র?

    —দাম, দু’ টাকা সওয়া পাঁচ আনা—কিন্তু এখন আমার টাকার দরকার নেই।

    —কেন? চুরি করে আনবে বুঝি? তা হচ্ছে না। তারপরে বৌঠান ‘চিন্তা’ বলে ডাকতেই চিন্তা ঘরে ঢুকলো। বৌঠান বললে—এই চাবি নে চিন্তা, ভূতনাথকে পাঁচটা টাকা বের করে দে তো।

    —পাঁচ টাকা আমি কী করবে? ভূতনাথ প্রতিবাদ করতে গেল।

    —বাকিটা না হয় ফেরৎ দিও—বলে পাঁচটা চকচকে রূপোর টাকা হাতের মধ্যে গুজে দিলে বৌঠান। তারপর বললে সিঁদুরের কথাটা কাউকে যেন বলল না আবার।

    ভূতনাথের ততক্ষণে বাকশক্তি রোধ হয়ে গিয়েছে। মনে হলো “বৌঠানের হাতের মধ্যে যেন কোনো যাদু আছে! এত নরম। এত স্নিগ্ধ! বৌঠানের মুখের দিকে চেয়ে দেখলে ভূতনাথ। এখন যেন হঠাৎ বড় গম্ভীর দেখাচ্ছে বৌঠানের মুখটা।

    বৌঠান বললে—সিঁদুরের ব্যাপারটা কাউকে বলবে না—মনে থাকবে তো?

    –আপনি যখন বারণ করছেন, তখন কাউকেই বলবো না।

    –বারণ না করলে বুঝি বলে বেড়াতে? বৌঠান হেসে ফেললে। ভূতনাথ এ-হাসির অর্থ ঠিক বুঝতে পারলে না। বৌঠানের মুখের দিকে চেয়ে বোবার মতো চুপ করে রইল।

    বৌঠান বললে হাঁ করে দেখছো কী? জানো না, এ-সব কথা কাউকে বলতে নেই।

    এবার আরো হেঁয়ালি ঠেকলে ভূতনাথের। সিঁদুর কিনতে দেওয়ার মধ্যে এমন কী গোপনীয় থাকতে পারে! কত লোকই তে সিঁদুর চেয়ে চিঠি পাঠায়। দোকানেও আসে কত লোক। কিন্তু কোন্ দুর্বোধ্য রহস্য আছে বৌঠানের এই সিঁদুর চাওয়ার পেছনে?

    ভূতনাথ বললে—আপনাকে কথা দিচ্ছি বৌঠান–আমি কাউকে বলবো না।

    —এমন কি বংশীকেও নয়।

    –বংশীকেও নয়-কথা দিচ্ছি।

    –তোমার ভগ্নীপতিকেও নয়।

    –কথা দিলাম।

    –এমন কি জবাকেও নয়—সে-ও ঠিক বুঝতে পারবে না, বিয়ে হলে বুঝতো।

    ভূতনাথ নিজের অজ্ঞাতসারেই প্রশ্ন করল—কেন?

    সে তুমি বুঝবে না ভাই, বিয়ে হবার আগে সব মেয়েমানুষরাও বোঝে না।

    ভূতনাথ আবার প্রশ্ন করলো—আর রাধা? রাধার বিয়ে হয়ে গিয়েছিল, বেঁচে থাকলে সে-ও বুঝতে পারতো তো?

    বৌঠানের চোখে মুখে কেমন ফিকে হাসি ফুটে উঠলো। বললে—তা কি বলা যায়, যার কপাল ভাঙে, সেই বোঝে, মেয়েমানুষের জীবনে এর চেয়ে বড় লজ্জা, এর চেয়ে বড় অপমান আর যে নেই ভাই।

    ভূতনাথ বৌঠানের গলার আওয়াজে কেমন যেন চমকে উঠলো। ভালো করে মুখের দিকে চেয়ে দেখলে। কাঁদছে নাকি বৌঠান! তবে চোখে মুখে অত হাসির ছটা কেন! সেই ভাবে থাকতে থাকতে হঠাৎ এক সময়ে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে হেসে উঠলো বোঠান। সাদা সাদা ঝিনুকের মতো দাঁত চিক চিক করে উঠলো বৌঠানের। মুখে আঁচল চাপা দিয়ে এবার হরদম হাসতে লাগলো। বললে—এ এক অবাক বাড়ি ভাই—অবাক-বাড়ি। আমার বাপের বাড়িও দেখেছি—-আমার মা-র কথাও একটু-আধটু মনে পড়ে। আমি গরীব লোকের মেয়ে বটে—কিন্তু এ এক অবাক বাড়ি—অবাক বাড়ি এটা-আবার মুখে আঁচল চাপা দিয়ে তেমনি হাসতে লাগলো বৌঠান। ভূতনাথ যেন কেমন অভিভূতের মতো বসে রইল সেই দিকে চেয়ে। পাগল নাকি ছোটমা। এতক্ষণ কি উন্মাদের সঙ্গে বসে সে গল্প করছে ধবধবে ফরসা হাত, মুখ, পা-সব থর থর করে কাঁপছে বৌঠানের। টোপাকুলের মত আলতা মাখা পায়ের আঙুলগুলো এক একবার বোধহয় হাসির দমকে সঙ্কুচিত হচ্ছে।

    একবার মনে হলো হাত দিয়ে জোর করে বৌঠানের আঁচলটা টেনে নিয়ে দেখে বৌঠান কাঁদছে না সত্যি সত্যি হাসছে।

    কিন্তু আঁচল যখন খুললো বৌঠান তখন একেবারে স্বাভাবিক মানুষ। বললে—আমাদের বাড়ির পুরুষমানুষদের দেখছো তো ভাই, শুনেছোও নিশ্চয় অনেক কিছু–এক এক সময় ভাবি, এ কী রকম করে হলো, এত বড় বাড়ি, এত নাম-ডাক, এত পয়সা এঁদের, কার পাপে এমন হলো এরা, কিন্তু তখনি মনে হয়, দোষ আর কারো নয়, দোষ আমারই কপালের। আর জন্মে কত পাপ করেছিলাম—তাই সব পেলাম, মেয়েমানুষ যা চায় সব’ পেলাম, রূপ পেয়েছি জগদ্ধাত্রীর মতো, লোকে তো তাই বলে, অমন দেবতার মতো বাপ, মায়ের অভাব বুঝতে দেননি, এত বড় বাড়ির বউ হলাম, টাকাকড়ি, গাড়ি, বাড়ি, চাকর, বাঁদি-যা কেউ পায় না—কিন্তু আসল জিনিষেই ফাঁকি—এর চেয়ে—

    ভূতনাথ মন্ত্রমুগ্ধের মতো শুনতে লাগলো।

    বৌঠান বললে—স্বামিজীকে তুমি চেনো না, আমার বাপের বাড়ির কুলগুরু, তাঁকে বাবা জিজ্ঞেস করেছিলেন—পটুর কপাল এমন করে ভাঙলো কেন গুরুদেব?—( আমার ভালো নাম পটেশ্বরী কি না, বাবা আমাকে তাই পটু বলে ডাকতেন) তা গুরুদেব বললেন:..। যাকগে সে-সব তোমার শুনে কাজ নেই ভাই।

    ভূতনাথ কেমন যেন ছেলেমানুষের মতো বলে উঠলোনা, বলুন বৌঠান—শুনতে আমার খুব ভালো লাগছে কিন্তু–

    বৌঠান বললে—স্বামিজীকে তুমি দেখোনি ভাই, তাই হয় তত বিশ্বাসও হবে না তোমার—কিন্তু বাবা বলেন—উনি ত্রিকালজ্ঞ পুরুষ, ওর কথা মিথ্যে হয় না, হিমালয়ে গিয়ে তিনি পঞ্চাশ বছর ধ্যানে কাটিয়েছেন, তারপর এখানে এসে এখন ধর্ম প্রচার করছেন।

    -কী বললেন তিনি?

    বৌঠান এবার মুখে আঁচল চাপা না দিয়েই খিল খিল করে হেসে উঠলো। বললে-গুরুদেব বললেন, পটু আর জন্মে ছিল দেবোলা, দেবসভায় বাহ্মণের অপমান করেছিল—তারই শাপে এ-জন্মে পৃথিবীতে জন্ম নিয়েছে—এ জন্মটা ওর এমনি করেই প্রায়শ্চিত্ত করতে হবে। বাবা জিজ্ঞেস করলেন—কীসে মুক্তি হবে ওর?

    গুরুদেব বললেন–স্বামী সেবায়।

    –স্বামী সেবায়?

    —হ্যাঁ ভাই, স্বামী সেবায়, এ-বাড়ির ছোটকর্তাকে দেখছে তো? এতদিন আছো দেখেছো নিশ্চয়ই, তোমার কী মনে হয় জানিনে ভাই, কিন্তু আমাদের ভাড়ারে যে রাঙাঠাকমা আছে–সবাই তাকে রাঙাঠাকমা বলে, এ-বাড়ির সবচেয়ে পুরোনো ঝি, আমার শাশুড়ীর বিয়ের সময় এ-বাড়িতে আসে, তা তারই মুখে শুনেছি ছোটবেলায় ছোটকর্তাকে নাকি দেখতে ছিল ঠিক দেবকুমারের মতো–যেমনি সুন্দর শ্ৰী, তেমনি সুন্দর গড়ন, তা শুনে ভাবি আমিই যদি দেবোলা হতে পারি তো ছোটকর্তারও দেবকুমার হতে দোষ কী! হয় তো শাপভ্রষ্ট দেবকুমারই হবেন, কী বলে ভাই, পৃথিবীতে এসেছেন প্রায়শ্চিত্ত-কাল পূর্ণ করতে। তা যেন হলো, কিন্তু একটা কথা আমার প্রায়ই মনে হয় ভাই-একএকদিন যখন রাত্রে ঘুম আসে না, যশোদাদুলালের পায়ের তলায় মাটিতে শুয়ে পড়ে থাকি, তখন এক-একবার ভাবি আমার বিধাতা পুরুষের দেখা পেলে একটা কথা জিজ্ঞেস করতুম।

    –কী কথা বৌঠান?

    বৌঠান থামলো। বললে—না ভাই থাক, তুমি এক কাজ করো—সিঁদুরটা নিয়ে এসো–আর যদি পারো তত তোমার মনিবকে জিজ্ঞেস করে, মানুষদের বেলায় তোমাদের মোহিনীসিঁদুর’ যদিই বা খেটে থাকে, দেবকুমারদের বেলায় এ-সিঁদুর খাটবে কি না—

    ভূতনাথ হেসে উঠলো।

    বৌঠান বললে—হাসি নয় ভাই, আমি সত্যিই বলছি, বাবা আর গুরুদেব তো বলেছেন স্বামীসেবা করতে—কিন্তু স্বামীকে কাছে পেলে তবে তো সেবা করবো! তাই সেদিন পাঁজি পড়তে পড়তে হঠাৎ ওই বিজ্ঞাপনটা নজরে পড়লো তারপর বংশীও বললে কথায় কথায়—তুমিও নাকি কাজ করে ওখানে।

    অনেক দিনের আগেকার সব কথা। সাইকেল-এ যেতে যেতে ভূতনাথের আজো যেন সে-দৃশ্যটা স্পষ্ট প্রত্যক্ষ মনে পড়ে। সেই বড়বাড়ির তেতলার শেষ ঘরখানার কথা। পটেশ্বরী বৌঠানের ঘর। উঁচু পালঙ্ক। বিলিতি পুতুলে ভর্তি আলমারি। আর সামনে বসে অপরূপ রূপসী বাড়ির ছোটবউ। যে-ঘরে ছোটকর্তার পদধূলি পড়ে না। যে-ঘরে বসন্ত-বাহার করুণ আর্তনাদ করে রাত্রের নির্জনে। যশোদাদুলালের সেবায় স্বামী-সেবা যেখানে হাস্যকর হয়ে ওঠে। ভারতবর্ষের হিন্দু-আভিজাত্য যেখানে মোগল আমলের চৌকাঠ পেরিয়ে ব্রিটিশ আমলের নাচ-দরবারে গিয়ে থেমেছে। অনেক কোতল-কচ্ছলের পর শাসন মানতে চায় না নবজাগ্রত মন। নিয়মানুবর্তিতাকে যখন শৃঙ্খল বলে মনে হয়। কিন্তু ওদিকে চোখ রাঙিয়ে ছুটে আসছে আর এক সভ্যতা। ঘড়ির কাটার মতো সময়নির্দেশ করে পদক্ষেপ করে করে চলে যন্ত্রযুগ। গম-ভাঙা কন্স থেকে শুরু করে রেল-চলা পর্যন্ত অনেক পথ অনেক প্রান্তর পার হয়ে আসছে ১৮৯৭ সন। ওরা চেয়ে দেখলে না কেউ। মুখ ফিরিয়ে রইল। ওই হিরণ্যমণি আর কৌস্তুভমণিরা। বড়বাড়ির ইট চুন সুরকীর মধ্যে গাছের শেকড় তখন হাত বাড়িয়েছে অনেকখানি। মিছিমিছি মাদুলি পরে ছোটবউ, যশোদাদুলালকে মিছরিভোগ দেয়, শাড়ি গয়না আলতা পরে সারারাত প্রতীক্ষায় বসে থাকে। আর পাঁজির পাতায় উদ্গ্রীব আগ্রহে ‘মোহিনী-সিঁদুরে’র বিজ্ঞাপনটায় চোখ বুলোয়।

    অত বড় বাড়ির বউ। ঠিক এমন করে আলাপ পরিচয় হবে ভাবা যায়নি। ভূতনাথ ভেবেছিল-দরজার বাইরে দাঁড়িয়ে থাকবে সে আর পর্দার আড়াল থেকে কথা হবে ঝি-র মারফৎ। কিন্তু এ যেন কেমন হলো। এত ঘরোয়া। এত ঘনিষ্ঠতা। প্রথম দিনের পরিচয়ে বিশ্বাস না হবার মতো। তফাৎ তো কিছু নেই আর পাঁচজনের সঙ্গে। তবে হয় তো আড়ালে থাকে বলেই এত কৌতুহল, এত কল্পনা-বিলাস ওদের নিয়ে। কিম্বা হয় তত বৌঠান গরীব ঘরে মেয়ে বলেই এ-বাড়িতে এক ব্যতিক্রম।

    যাবার আগে বৌঠান কললে—আমার যশোদাদুলালকে প্রণাম করলে না ভূতনাথ।

    ভূতনাথ সপ্রতিভ হয়ে এগিয়ে গেল বিগ্রহের দিকে। যশোদাদুলাল একপদ হয়ে সোনার বাঁশি বাজাচ্ছেন। টানা টানা প্রকাণ্ড দুটি চোখ। সামনে গিয়ে নিচু হয়ে প্রণাম করলো ভূতনাথ। কিন্তু মনে হলো তার সে-প্রণাম যেন ঠাকুরের পায়ে গিয়ে পেঁছিলো না। বাইরে বেরিয়ে এসেও তার যেন মনে হয়েছিল-প্রণাম সে কাকে করেছে? সত্যি সত্যিই কি বৌঠানের ঠাকুরকে? না আর কাউকে। অথচ ঠোনকে প্রণাম করার তো কোনো অর্থ হয় না। বৌঠানকে দেখে কি শুধু ভক্তিই হয়েছিল? আর কিছু নয়?

    চলে আসবার আগে বৌঠান বলেছিল—সিঁদুরটা নিয়ে তুমি নিজেই চলে এসো, বংশীকে বললেই বংশী তোমায় পথ দেখিয়ে দেবে।

    বাইরে বেরিয়ে এসে ভূতনাথের মনে হলো—বৌঠান যেন তাকে আগে থেকেই চিনতো। কিন্তু কেমন করে চিনলে! তবে কি বংশীই তাকে সব বলেছে।

    বারবাড়ির উঠোনে দাঁড়িয়ে বংশী বললেন শালাবাবু, আমি কেন বলতে যাবো, আমি তো কিছু বলিনি—আমাকে জিজ্ঞেস করেছিল ছোটমা-শালাবাবু লোক কেমন। তা আমি যা যা জানি সব বলেছি—মাইরি বলছি, আমি আপনার নিন্দে করিনি আমি তেমন লোক নই শালাবাবু।

    বংশী চলে গেল কাজে।

    ছুটুকবাবুর গানের আসর তখনও চলছে। চামেলি ফুলি চম্পা। হৈ হৈ শব্দে সমে এসে গান থামলো। এখন আর আসরে যাওয়া যায় না।

    সমস্ত বাড়িটা নিস্তব্ধ হয়ে আসছে। ইব্রাহিমের ঘরের ওপর টিম টিম করে বাতিটা জ্বলছে। কলকাতার শহরও নিস্তব্ধ। বাইরের গেটে নাথু সিং পাহারা দিচ্ছে অবিশ্রান্ত। ঘরে গিয়ে দেখলে— ব্ৰজরাখাল অনেকক্ষণ এসে গিয়েছে। কী যেন একটা পড়ছে। ব্ৰজরাখালকে অপ্রত্যাশিতভাবে দেখে ভূতনাথ যেন কেমন চমকে উঠলো। একটু আগেই যেন কী একটা মহা অপরাধ করে এসেছে সে। মুখ দেখাতে যেন লজ্জা হলো।

    ব্ৰজরাখাল সব শুনে বললে—তা বৌঠান কাউকে বলতে বারণ করে দিয়েছিল—বললে কেন আমাকে?

    —তোমাকে সবই বলা যায় ব্রজরাখল।

    শেষে ব্রজরাখাল বললে—তা ভালো, কিন্তু কাজটা ভালো কররানি বড়কুটুম, ওরা হলে গিয়ে সাহেব বিবি আর আমরা হলাম গোলাম—ওদের সঙ্গে অত দহরম-মহরম ভালো নয়—কাজটা ভালো করোনি বড়কুটুম।

    রাত্রে বিছানায় শুয়ে শুয়েও সেই কথাটা মনের মধ্যে তোলপাড় করতে লাগলো। কাজটা কি সত্যিই ভালো করেনি সে।

    বৌঠানের ডাকে না গেলেই কি ভালো করতে সে। কিন্তু খারাপটাই বা হলো কোথায়। প্রণাম তবে করেছিল সে কাকে? শুধু কি বৌঠানের যশোদাদুলালকে?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবেগম মেরী বিশ্বাস – বিমল মিত্র
    Next Article রচনা সংগ্রহ – অক্ষয়কুমার মৈত্রেয় (নন-ফিকশন)

    Related Articles

    বিমল মিত্র

    বেগম মেরী বিশ্বাস – বিমল মিত্র

    May 29, 2025
    বিমল মিত্র

    আসামী হাজির – বিমল মিত্র

    May 29, 2025
    বিমল মিত্র

    কড়ি দিয়ে কিনলাম ১ – বিমল মিত্র

    May 28, 2025
    বিমল মিত্র

    কড়ি দিয়ে কিনলাম ২ – বিমল মিত্র

    May 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }