Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সাহেব বিবি গোলাম – বিমল মিত্র

    বিমল মিত্র এক পাতা গল্প740 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৩. সকাল বেলা ব্রজরাখালের ডাকে

    সকাল বেলা ব্রজরাখালের ডাকেই ঘুম ভাঙলো। কিন্তু ব্ৰজরাখাল ততক্ষণে স্নান করে তৈরি। বললে—ওঠো হে বড়কুটুম— এত দেরি করলে চলবে না, এখানে ঘড়ি ধরে সব কাজ হয়—এ কলকাতা—তোমার গিয়ে ফতেপুর নয়—

    কত রাত্রে যে ব্রজরাখাল শুলো, কখন ঘুমোলো আর কখনই বা উঠলে কে জানে। ভূতনাথ উঠে দেখলে ব্রজরাখাল ততক্ষণে রান্না ঘরে গিয়ে রান্নায় ব্যস্ত। সকাল বেলা বাড়িটার চারদিকে চেয়ে দেখলে এক পলক। দক্ষিণ দিকে জানালা দিয়ে দেখা যায় মস্ত বড় বাগান। মাঝখানে একটা পুকুর।

    ব্ৰজরাখাল এল হঠাৎ। বললে—এটা খেয়ে নাও দিকিনি বড়কুটুম–

    এক কাসি ফ্যানে-ভাত। ব্রজরাখাল বললে–খেয়ে দেখো খাঁটি ঘি দিয়েছি—তোমাদের ফতেপুরের ঘিয়ের চেয়ে ভালো–

    ব্ৰজরাখালের ব্যবহারে ভূতনাথ অবাক হয়ে গেল। কোথাকার কে নন্দজ্যাঠা-তার মেয়ে রাধ—সেও তো আর বেঁচে নেইকী-ই বা সম্পর্ক—অথচ এমন করে আপন করে নিতে পারে পরকে! ভূতনাথ বললে—তুমি খাবে না?

    —আমার ভাত ওদিকে তৈরি—এখনি ন’টার ঘণ্টা পড়বে— আমিও আপিসে বেরুবোহাঁটতে হাঁটতে আপিসে দশটার মধ্যে পৌঁছে যাবো ঠিক—তারপর ফিরতে যার নাম সেই খানিক পরেই খাওয়া দাওয়া সেরে তৈরি হয়ে পড়লো ব্রজরাখাল। সেই ধুতির কোঁচাটা কোমরে গুজে আলপাকার কোটটা চড়ালে গায়ে। তারপর যাবার আগে বললে—এইটে রাখো তত বড়কুটুম—এই পুরিয়াটা–

    —কী এটা—ভূতনাথ জিজ্ঞেস করলে।

    —হোমিওপ্যাথিক ওষধর পুরিয়া, যদি কেউ এসে ওষুধ চায়— বলে–মাস্টারবাবু কোন ওষুধ রেখে গিয়েছে—ত দেবে এইটে। আমি বলেছি কিনা বংশীকে যে, আমার সম্বন্ধীর কাছে রেখে যাবে–

    ভূতনাথের বিস্মিত দৃষ্টির দিকে চেয়ে ব্ৰজরাখাল হো হো করে হেসে উঠলো। বললে—চেয়ে দেখছে কি—ডাক্তারিও জানি তোমার বোনকেই শুধু যা বাঁচাতে পারলাম না—আমার রুগীদের মধ্যে ওই একজনই যা মরে গিয়েছে—নইলে এ পাড়ায় আমার খুব নাম-ডাক হে—বলে হন্ হন্ করে বেরিয়ে গেল। আবার ফিরে এল খানিক পরে। বললে—একটা কথা বলতে ভুলে গিয়েছি—যদি রাস্তায় বেরোও তত বেশি দূর যেও না—নতুন মানুষ হারিয়ে যাবে —আর একটা কথা, তুমি ভেবো না, তোমার চাকরিরও

    একটা চেষ্টা করছি—তবে বাজার বড় খারাপ কি না—

    ব্ৰজরাখাল চলে গেল। এ যেন একেবারে অন্য মানুষ। কখন সে ভাত রাঁধলে নিজের হাতে, কখন খেলে—আবার আপিসেও চলে গেল—ন’টার ঘণ্টা পড়বার সঙ্গে সঙ্গে। কাজের মানুষ বটে! ঘর ছেড়ে আর একবার বাইরে এসে দাঁড়ালো ভূতনাথ। কত বড় বাড়ি। এখানে দাঁড়ালে বাড়ির বাইরে আর কিছু দেখা যায় না। বড়বাড়িটার ভেতরে যে কোনও মানুষ বাস করে বাইরে থেকে তা। বোঝবার উপায় নেই। শুধু বাইরেই যা তোড়-জোড়-নড়া-চড়া হাঁক-ডাক। চারদিকে চেয়ে চেয়ে দেখতেই বেলা বেড়ে গেল। আস্তে আস্তে রান্না বাড়ির দিকে গেল। পাশেই সিঁড়ি। সেই সিঁড়ি দিয়ে নেবে স্নান করবার জায়গা। নতুন জলে স্নান করা উচিত নয়। মুখ হাত পা ধুয়ে ওপরে রান্নাঘরে ঢুকলো। খাবার ঢেকে রেখেছে ব্রজরাখাল। এক হাতে অনেক রান্না করেছে বটে। ডাল, ঝোল, ভাত।

    সবে থালা বাটি গেলাশ সাজিয়ে বসেছে খেতে—এমন সময় দরজার পাশে কে যেন উঁকি দিলে।

    —কে? ভূতনাথ দরজার দিকে মুখ করে জিজ্ঞেস করলে। লোকটা কিন্তু সামনে এল না। আড়াল থেকে বললে—আপনি খান আজ্ঞে-আমি আসবো’খন পরে—

     

    লোকটা সত্যি সত্যিই পরে এল। ভূতনাথ ততক্ষণে খাওয়া-দাওয়া সেরে বাসন কোসন মেজে রান্নাঘর ধুয়ে মুছে পরিষ্কার করে ফেলেছে।

    এসে বললে—আপনি মাস্টার বাবুর শালা

    রোগ ক্ষয়-ক্ষয় চেহারা। তেল-চকচকে তেড়ি কাটা মাথা। আধ-ময়লা ধুতিটা কোঁচা করে কোমরে গোঁজা। বললে—আমি বংশী

    ভূতনাথ ওষুধের পুরিয়াটা দিয়ে জিজ্ঞেস করলে—অসুখ কার

    -আজ্ঞে চিন্তার

    –চিন্তা কে?

    —ছোটমা’র ঝি—

    –কী অসুখ?

    –ম্যালেরিয়া-ডাক্তারবাবু তো বলেন ম্যালেরিয়া—দেশে গিয়ে অসুক বাধিয়ে এনেছে, আমার বোন হয় সে, এই ছোট বেলা থেকে কলকাতায় আছে কিনা, দেশে-গাঁয়ের জল আর সহ্য হয় না পেটে, আমার বিয়েতে সেবার গেল দেশে, বললুম অতো করে পুকুর ঘাটে জল ঘাঁটিসনে চিন্তা, তা কি শুনবে—ছোটমা’র আদর পেয়ে পেয়ে কথার বড় অবাধ্য হয়ে উঠেছে আজ্ঞে—এখন আমার ভোগান্তি—ছোটমা’র ভোগান্তি-মাস্টারবাবুর ভোগান্তি –এখন এক গেলাশ জল খেতে গেলে ছোটমা’কে নিজে গড়িয়ে খেতে হয়–

    তারপর চলে যেতে গিয়ে থামলো বংশী—ছোটমা বলে বটে যে বংশী তোর নিজের মায়ের পেটের বোন, তুই বউবাজারের শশী ডাক্তারকে দেখা। আমি বলি—থাক। মাস্টারবাবু কি ছোট ডাক্তারবড়বাড়ির সমস্ত লোক ভালো হয়ে যাচ্ছে ওর ওষুদ খেয়ে—তা আজ্ঞে ছোটমা’র দেখুন কি জ্বলা, এই সাবু আনন। মিছরি আনো—ফলফুলুরি আনোহান্ আনো ত্যান্ আনোতা খরচার বেলায় তো সেই ছোটমা।

    বংশী গলা নিচু করলো এবার। বললে—এ-বাড়ির সবার যে আজ্ঞে হিংসে আমাদের দুজনের ওপর কেউ তো ভালো চোকে দেখে না কি না—

    ভুতনাথ জিজ্ঞেস–সের হিংসে—হিংসে কেন–

    —ওই যে মধুসূদনকে দেখছেন—

    –কে মধুসূদন? ভূতনাথ মধুসূদন কেন কাউকেই এখনও দেখেনি।

    বংশী বললে-তোষাখানায় একদিন যাবেন—ওই মধুসূদনই তোষাখানার সর্দার কিনা—আমাদের পাশের গায়ে বাড়ি হুজুরবললে বিশ্বেস করবেন না, আমার আপন পিসীর সম্পর্কে ভাসুর হয় আজ্ঞে——আর তার এই কাণ্ড-বুঝুন—

    —কী কাণ্ড–

    —সে অনেক কথা হুজুর—অনেক কথা বলে বসলে বংশী। ঘরের দরজাটা ভেজিয়ে দিয়ে গলা আরো নিচু করলো।

    বংশীর অনেক অভিযোগ। এত বড় বাড়ি—কত পুরুষ আগে থেকে বংশপরম্পরায় কত দাস-দাসী, কত লোকজন আসা-যাওয়া করেছে। কত বংশের ভরণ-পোষণ জীবিকা নির্বাহ নির্ভর করেছে এই চৌধুরী পরিবারের দান-ধ্যান ধর্মানুষ্ঠানের সূত্রে। গ্রাম-কে-গ্রাম ঝেটিয়ে এসেছে চাকরির চেষ্টায় এখানে। উঠেছে এসে এই চৌধুরী বাড়িতে। ওই মধুসূদন এখন তোষাখানার সর্দার। ওর কোন্ পূর্ব পুরুষ কবে কী সূত্রে এসে আশ্রয় পেয়েছিল কর্তাদের আমলে। তারপর সংসারের আয়তন বেড়েছে, আয়োজন বেড়েছে, আয় বেড়েছে, ধনে জনে প্রতিষ্ঠায় প্রতিপত্তিতে চৌধুরী বংশের প্রসার বর্তমান অবস্থায় এসে পৌঁছিয়েছে। আর সঙ্গে সঙ্গে আত্মীয়, স্বজন, পরিজন, বন্ধু-বান্ধব, পারিষদ, মোসাহেব, দাস দাসী—তাদের প্রয়োজনও বৃদ্ধি পেয়েছে। কোন্ সুদূর বালেশ্বর, কটক, বারিপদা জেলা থেকে মধুসূদনের পূর্ব পুরুষের আত্মীয় পরিজন-গ্রামবাসীরা এসে জুটেছিল এখানে। এসে ভার নিয়েছিল এক একটা কাজের। ভিস্তিখানা, তোষাখানা, রান্নাবাড়ি, কাছারিবাড়ি, বৈঠকখানা সেরেস্তা অলঙ্কৃত করেছে। পূজোয়, পার্বণে, উৎসবে, আনন্দে যোগ দিয়েছে পরিবারের একজনের মতো। দেশে গিয়েছে, বিবাহ করেছে—আবার ফিরেও এসেছে, দেশে টাকা পাঠিয়ে দিয়েছে মাসে মাসে। এ-সংসারে তাদের প্রয়োজন যেমন অপরিহার্য, এ-সংসারও তেমনি তাদের জীবিকার পক্ষে অনিবার্য। এ-পরিবারের কেউ-ই পর নয়। সাধারণ পর্ব উপলক্ষে, দোল-দুর্গোৎসবে তারা নতুন কাপড় পেয়েছে, পার্বণী পেয়েছে। শুধু তারা কেন, একটা কুকুর-বেড়ালেরও ন্যায্য অধিকার আছে এ-বাড়ির ওপর। এখানে কেউ অনাত্মীয় নয় সবাই আপন—সবাই অনস্বীকার্য!

    কিন্তু সেদিন বদলে গিয়েছে। বংশী গলা নিচু করে বলে কিন্তু সেদিন বদলে গিয়েছে হুজুর—এখন এক-একজন চাকরি পাবে আর মধুসূদনকে পাঁচ টাকা করে বা দিতে হবে—আর চাকরি যতদিন না হবে, ততদিন বছরে তাদের কাছে এক টাকা করে বাব আদায় করবে—এই যে আমার বিয়ে হলো না—ওকে দিতে হলো ওর দস্তুরী—বিয়ের দস্তুরী আজ্ঞে দশ টাকা—এই ধরুন যদি আমার সঙ্গে যদুর মার ঝগড়া হয় আর ও যদি মিটিয়ে দেয়—ওর আদায় হবে চার আনা, আমি দেবো দু’ আনা, আর যদুর মা দেবে দু’ আনা—আমার যদি ছেলে হয় আজ্ঞে তো ওকে দিতে হবে সোয়া শ’ পান আর পৌনে পাঁচ গণ্ডা সুপুরী-—এই হলো নেয়ম—তা এত বড় পিশে আজ্ঞে ওই মধুসূদন—আমার যদ্দিন চাকরি হয়নি, তদ্দিন এক টাকা করে আমার মাইনে হবার পর থেকে কেটে নিয়েছে। তা মাস্টারবাবুর কাছে শুনেছি আপনি এখানে থাকবেন এখন—চাকরি করবেন এখানে—অনেক সব দুঃখের কথা বলবো আপনাকে—আমি পুরুষ মানুষ, আমার জন্যে ভাবিনে আজ্ঞে নিজে গতরে খেটে দেনা-পত্তর শশাধ করে দেবো একদিন—কিন্তু ওই চিন্তার জন্যেই তো ভাবনা।

    ভূতনাথ বললে—কেন?

    –আজ্ঞে গরীবের ঘরে জন্মেছে, না খাটলে চলবে কেন, কে তোকে বসে বসে খাওয়াবে—সোয়ামী থাকলে সেও খাটিয়ে নিত, শুধু শুধু খেতে দিত না, তা সোয়ামীকে খেয়েছে, এখন ছোটমা-ই তো ভরসা—তা ছোটমা-ই বা ক’দিক দেখবে।

    ভূতনাথ বললে—তোমার ছোটমা বুঝি চিন্তাকে খুব ভালোবাসেন।

    —ভালোবাসলে হবে কি শালাবাবু, তার যে নিজেরই শতেক জ্বালা।

    –কিসের জ্বালা।

    —সে সব অনেক কথা, পরে বলবো আপনাকে—তা ছোটমা ভালোবাসে বলেই তো মধুসূদন দেখতে পারে না আমাদের। শুধু মধুসূদন কেন, মধুসূদনের দলের কেউ দেখতে পারে না, ও গিরিই বলুন, সিন্ধুই বলুন, সদুই বলুন, রাঙাঠাকমাই বলুন—কেউ না, এমন কি বেণীও নয়।

    —বেণী কে? ভূতনাথ জিজ্ঞেস করলে।

    —আজ্ঞে বেণী হলো মেজবাবুর চাকর—অথচ দেখুন সবাই এক জেলার লোক আমরা—বেণী তো আমার গায়ের লোকই বটে।

    আশ্চর্য। ভূতনাথও আশ্চর্য হয়ে গেল।

    –রাঙাঠাকমাকে আপনি দেখেন নি আজ্ঞে।

    —কে রাঙাঠাকমা?

    —ভাড়ারে থাকে, ভাড়ার দেখে শোনে, ওই মধুসূদনের সম্পর্কে রাঙাঠাকমা হয় বলে—এ-বাড়ির আমরাও সবাই রাঙাঠাকমা বলি

    —তা সেই রাঙাঠাকমাকে গিয়ে কাল বললাম আজ্ঞে—পোটাক সাবু দাও আর মিছরি আধপো-। শুনে নানান কথা—কে খাবে, কেন খাবে, হান্ ত্যা। আমি বললাম—ছোটমা’র হুকুম। তখন বলে ছোট বোমা নিজের ঝিকে দিয়ে বলে পাঠালে না, তোকে দিয়ে কেন বললে রে বংশী। আমি বললাম-চিন্তার যে অসুখ, সে কি নড়তে পারে। তখন বললে–ছোট বৌমাকে গিয়ে বলগে—একটা চিরকুট নিখে দিক—আমি গিয়ে বললাম সব ছোটমাকে। ছোটমা বললে–কাজ নেই বংশী—–পয়সা নিয়ে দোকান থেকে কিনে আনগে, ঝঞ্চাট চুকে যাক। বলে টাকা দিলে আমাকে।—অথচ দেখুন আজ্ঞে–বংশী আবার বলতে লাগলো–অথচ দেখুন, এই যে গিরি, মেজমা’র পেয়ারের ঝি, তার একাদশীতে ফল, পুণ্যিমেতে পাকা ফলার—সব যোগান দেবে রাঙাঠাকমা। ছোটমা ভালো মানুষ, তা সংসারে ভালো মানুষ হওয়াও খারাপ শালাবাবু।

    বংশীর কথার হয় তো শেষ নেই। কিন্তু যেন অনিচ্ছা সত্ত্বেও এবার উঠলো সে। বললে—যাই আবার—ছোটবাবু হয় তো ঘুম থেকে উঠবে এখনি—উঠে যদি ওপরে যায় তো মুশকিল।

    ভূতনাথ অবাক হয়ে গেল। বললে—এখন? এই বারোটার সময়?

    বংশী বললে—তা ছোটবাবুর এক-একদিন ঘুম থেকে উঠতে দুপুর দুটোও বেজে যায়—তারপর তখন উঠে ভাত খাবেন সেই বিকেল পাঁচটায়। তারপর হঠাৎ ব্যস্ত হয়ে বললে—যাই আমি, অনেকক্ষণ বসলাম, আজকে বিকেল বেলা আবার বার-বাড়িতে রাক্ষস দেখতে যাবে—যাবেন নাকি দেখতে? ডাকবো’খন আপনাকে—

    রাক্ষস? ভূতনাথ যেন ভুল শুনেছে!

    —আজ্ঞে হ্যাঁ, নর-রাক্ষস আর কি-একটা জ্যান্ত পাঠা খাবে। কালকে সরকারবাবু নিজে হাতীবাগানের বাজার থেকে কিনে এনেছে—ওই যে দেখুন না, জানালা দিয়ে পুকুরের পাড়ে খোটায় বাঁধা রয়েছে, চরে চরে ঘাস খাচ্ছে—ত কচি বেশ, এখনও শিং গজায় নি-কালো রং–

    ভূতনাথের বিস্ময় বিস্ফারিত চোখের দিকে চেয়ে বংশী বললেএ আপনার গিয়ে সব মেজকত্তার সখ, ভারি সৌখীন মানুষ আপনার এই মেজকত্তা—সেদিন সুখচর থেকে একজন লোক এসে বাজি রেখে দশ সের রসগোল্লা খেয়ে গেল—বাজি ছিল খেতে পারলে মেজকা নগদ পাঁচ টাকা দেবে—ভৈরববাবুও খেতে বসেছিলতিন সের খেয়েই হেঁচকি তুলতে লাগলোতা সে নগদ পাঁচটা টাকাও নিলে, দশ সের রসগোল্লাও খেলে, আবার মেজকত্তা খুশি হয়ে একটা গরদের উড়ুনি দিলেন তাকে।

     

    একলা ঘরে ঘুরে ঘুরে ভূতনাথের সময় আর কাটে না। একবার মনে হলো—রাস্তায় বেরোয়। কিন্তু অচেনা জায়গা, কোথায় গিয়ে শেষে চিনে চিনে বাড়ি ফিরতে পারবে না। আসুক ব্ৰজরাখাল। প্রথম দিন তার সঙ্গে বেরুতে হবে।

    জানালা দিয়ে আবার চেয়ে দেখলে দক্ষিণ দিকে। পুকুরের পাড়ে বাঁধা রয়েছে ছাগলটা। আপন মনে নিশ্চিন্ত হয়ে ঘাস খেয়ে চলেছে। বাগানে একজন মালী গাছের গোড়াগুলো খুড়ে দিচ্ছে। কোণের মেথরপাড়ার ছেলেমেয়েরা খেলা করছে রাস্তার ওপর। আর তারপর বুঝি ধোপাদের ঘর। দড়িতে সার সার অসংখ্য শাড়ি কাপড় জামা শুকোচ্ছে।

    ঘরের দেয়ালের তাকে হঠাৎ ভূতনাথের নজর পড়লো—পুরনো কাগজপত্রের জঞ্জালের মধ্যে ঢাকা পড়ে আছে এক জোড়া বাঁয়া তবলা। কার জিনিস কে জানে। ব্রজরাখালের এ দিকেও সখ আছে নাকি! সর্বাঙ্গে ধুলো মাখা। বোধ হয় বহুদিন কেউ হাত দেয়নি। মনে পড়লো ভূতনাথের—সেই ফতেপুরের বারোয়ারিতলার যাত্রাদলের কথা। একদিন এই নিয়ে কত মাথাই না ঘামিয়েছে। সাত মাত্রার যৎ, আবার আট মাত্রার যৎ! বিলম্বিত লয়ের কাওয়ালি আর একতালা। দুন, চৌদুন, তেহাই। রসিক মাস্টার বলেছিল—ড়ুগি তবলায় খাসা হাত তত ছোকরার।

    কেমন যেন ইচ্ছে হলো ভূতনাথের তবলা বাজাতে। কিন্তু ভয় হলে যদি কেউ আপত্তি করে। কোথায় পরের বাড়িতে থাকা। ব্ৰজরাখালের নিজের বাড়ি তো আর নয়। তবলাটায় হাত বুলিয়ে সামনের তর্জনীটা দিয়ে দুই একটা টোকা মেরে আবার রেখে দিলে। ঘাটগুলো বাধা নেই। কেমন যেন মরা আওয়াজ বেরুলো। সামনের রাস্তা দিয়ে ফেরিওয়ালার ডাক কানে আসে–বাসন চাই—পেতল কাঁসার বাসন—

    কাঁসি ঘণ্টা বাজিয়ে কাঁসার বাসন বেচতে চলেছে। সামনের আস্তাবল বাড়ির কার্নিসের ওপর একটা চিল চুপ করে বসে ছিল, এবার হঠাৎ অকারণে চিঃ হিঃ ইঃ শব্দ করে তীর বেগে উড়ে পালালো। আর একজন ফেরিওয়ালা কী একটা অদ্ভুত চিৎকার করতে করতে চলেছে। প্রথমটা কিছু বোঝা যায় না। অনেকক্ষণ। শোনার পর বোঝা গেল। বলছে—কুয়োর—ঘটি তো-লা-আ–আ–

    ভূতনাথের আজও মনে আছে সে কলকাতার সেই প্রথম দিনের দুপুরটা যেমন রোমাঞ্চময় লেগেছিল, জীবনে আর কোনও দিন তেমন লাগেনি। সেই তার স্বপ্নে দেখা কলকাতার সঙ্গে চোখের সামনের কলকাতাকে মিলিয়ে নিতে চেষ্টা করেছিল সে। শুধু বাড়ি—আর বাড়ি। এত বড় বড় বাড়ি। মল্লিকদের তারাপদ’র দেখা কলকাতার সঙ্গে কি তা মিলেছে? পিসীমা যদি বেঁচে থাকতো তো ভয়ে হয় তো তার ঘুমই হতো না। তার ভূতনাথ এত বড় কলকাতায় কোথায় হয় তো হারিয়ে যাবে, হয় তো গাড়ি চাপা পড়বে—সেই ভয়।

    বিকেল হতে তো অনেক দেরি আছে। ভূতনাথ ঘরের দরজায় তালা লাগিয়ে আস্তে আস্তে রাস্তায় বেরুলো।

    ব্রিজ সিং বন্দুক নিয়ে পাহারা দিচ্ছিলো গেট-এ। কিছু বললে না।

    খোয়ার রাস্তা। এবড়ো খেবড়ো। বনমালী সরকার লেন-এ তখনও পিচ বাঁধানো হয় নি। দুপুরের নির্জন রাস্তা। রাস্তা পেরিয়ে মমাড়ের মাথায় আসতেই মনে পড়লো সেই নরহরির কথা। বুড়ো অশথ গাছটার তলায় চেয়ে দেখলে ভূতনাথ। কেউ নেই কোথাও। দেব-দেবীর সব সাজানো পড়ে আছে। ফুল বেলপাতা শুকিয়ে আমসি হয়ে গিয়েছে। নৈবিদ্যির চাল দু’একটা ছড়ানো এদিক ওদিক। কিন্তু নরহরি নেই। এবার হঠাৎ যেন ভক্তি ভরে ভূতনাথ —কোন্ দেবতাকে লক্ষ্য করে কে জানে-প্রণাম করলে। বেদীর কাছে গিয়ে দুই হাত জোড় করে প্রণাম করলে। ফতেপুরের বারোয়ারিতলার মণ্ডলচণ্ডীর কাছে যেমন প্রণাম করে কামনা করতে ভূতনাথ, তেমনি মনে মনে প্রার্থনা করলে—মঙ্গল করে মা, মঙ্গল করো। ভূতনাথের আর কোনও প্রার্থনা মনে এল না। কার মঙ্গল, কী মঙ্গল, সে প্রশ্ন নয়। সমস্ত মঙ্গল হোক। তার নিজের মঙ্গল, ব্রজরাখালের মঙ্গল—তারপদ, ভূষণ কাকা—ননী, রাধার আত্মার মঙ্গল। বিশ্ব সংসারে সকলের মঙ্গল। ওই বংশী, ওর বোন চিন্তা, ওর ছোটমা, ছোটবাবু, মধুসূদন সকলের মঙ্গল।

    বড় রাস্তার ওপর যেতে ভয় করলো ভূতনাথের। টগবগ করে সেই কালকের মতো ট্রাম গাড়ি চলেছে। ঘোড়ার গাড়িওয়ালা ঘোড়াকে ছিপটি মারতে মারতে চলেছে হু হু করে। মুখে এক অদ্ভুত শব্দ করছে—উ-উ-উ-উ আবার কেউ বলছেটি-টি-টি-টি–

    একটু ও-পাশে একটা বাড়িতে ঢং-ঢং করে ঘণ্টা বাজলো। ছেলেদের স্কুল। ভূতনাথ পড়লে। বেঙ্গল সেমিনারি। স্কুলের সামনে গোটাকতক কাবুলিওয়ালা অদ্ভুত ভেলভেটের কুর্তা আর ঢিলে-ঢালা সাদা পাঞ্জাবী পরে বসে আছে। বসে বসে ফল বেচছে। একটা কাপড়ের ওপর আঙুর—বেদানাবাদাম—ছড়ানো।

    গঞ্জের স্কুলের কথা মনে পড়লো। সে ছিল প্রকাণ্ড খড়ের আটচালা ঘর। এমন দোতলা পাকা দালান নয়। সামনের দিকে এগিয়ে গেল ভূতনাথ। তাদের ফাস্ট ক্লাশে সংস্কৃত বই ছিল হিতোপদেশ। পড়াতেন শরৎ পণ্ডিত। লম্বা করে নস্যি নিতেন। সর্বদাই বোয়াল মাছের মতো লাল-লাল গোল চোখ। টিকিতে ফুল বাঁধা থাকতো তার। ভূতনাথ ভারি ভয় করতে তাকে। ধাতুরূপ মুখস্ত বলতে না পারলে মাথায় গাট্টা মারতে মারতে ঢিপ করে কিল বসিয়ে দিতেন পিঠে! রাগ হলে চিৎকার করে বলতেন—এই গর্ধভ—

    শরৎ পণ্ডিতের অস্ত্র ছিল শুধু হাতের গাঁট্টা।

    অঙ্কের মাস্টার হরনাথবাবুর অস্ত্র ছিল খাকের কলম। দুই আঙুলের মধ্যে খাকের কলমটি দিয়ে জোরে এমন টিপে ধরতেন যে মনে হতো বুঝি বিছে কামড়িয়েছে।

    আর হেডমাস্টার অবনীবাবুর বেত। দারোয়ান সত্যনারায়ণ ছিল বেতের ভাড়ারি। বড়, মাঝারি, ছোট, নানা মাপের বেত সাজানো থাকতো লম্বা লম্বা বাঁশের নলের মধ্যে। চিৎকার করে অবনীবাবু ডাকতেন—আমার কেন্–

    কেন মানে বেত।

    অবনীবাবু বাঙলা ভাষায় বেত বলতেন না। শাস্তির গুরুত্ব বোঝাবার জন্যে বোধ হয় ইংরেজী শব্দ ব্যবহার করতেন। অর্থাৎ যেন বেতের আঘাত কম, আর কেন-এর আঘাত প্রচণ্ড। সত্যনারায়ণ সব বেত গুলো এনে হাজির করতে হেডমাস্টারের সামনে।

    অপরাধীর অপরাধের তারতম্য হিসেবে বেতের আকারেরও তারতম্য হতো। অর্থাৎ পরীক্ষার খাতায় বই থেকে নকল করলে বড় বেত। পেছনের বেঞ্চে বসে ব্যাঙের ডাকের নকল করলে মাঝারি বেত। আর সত্যনারায়ণের কাছ থেকে ধারে জিভে-গজা খেয়ে ধার শোধ না করলে-ছোট বেত।

    পঞ্চাননের ভাগ্যে তিন রকম বেতই জুটতত।

    সেই পঞ্চানন! ভূতনাথের এতদিন পরে আবার পঞ্চাননকে মনে পড়লো। একদিন হঠাৎ পুলিশে ধরে নিয়ে গেল সেই পঞ্চাননকে। ম্যাজিস্ট্রেটের বাগান থেকে ফুল চুরি করতে গিয়ে ধরা পড়েছিল। বিচারে জেল হয়ে গেল পঞ্চাননের তিন মাস। তারপর জেল থেকে বেরিয়ে পঞ্চানন আর গ্রামে আসেনি। কোথায় যে উধাও হয়ে গেল কেউ জানতে পারলে না।

    স্কুলের সামনে যেতেই কেমন একটা হৈ-চৈ গণ্ডগোল শোনা গেল। ওদিক থেকে ছেলেরা চিৎকার করছে—আর এদিক থেকে কাবুলিওয়ালারও চিৎকার করে। কী বিকট ভাষা এদের। গোটাকতক শব্দ কেবল—কিছু মানে বোঝা যায় না। ওদিক থেকে ঢিল ছুড়তে লাগলো ছেলেরা—আর এরা কিছু না পেয়ে বড় বড় বেদানা ছুড়তে লাগলো ছেলেদের লক্ষ্য করে।

    রাস্তাময় বেদানা ডালিম আঙুর নাশপাতির ছড়াছড়ি। ভিড় জমে গেল চারিদিকে। চার পাঁচটা কাবুলিওয়ালা যেন পাগলের মতো ক্ষিপ্ত হয়ে ছুটোছুটি করতে লাগলো। হাতের লম্বা লাঠিগুলো নিয়ে ঘোরাতে লাগলো। দমাদম জানালা-দরজা বন্ধ হয়ে গেল বেঙ্গল সেমিনারির। স্কুলের নাম লেখা সাইন বোর্ডখানা। টেনে নামিয়ে ভেঙে দিলে।

    ভুতনাথের কেমন অবাক লাগলো—কেন হঠাৎ এই মারামারি। অথচ একটু আগেও তো কোনো কিছু ছিলো না। ছেলেরা ফল কিনছিল ওদের কাছে।

    -কী হলো মশাই–কী হলো।

    যে যা পারলে দুটো চারটে বেদানা কুড়িয়ে পকেটে পুরলে।

    একজন বললে—ছেলেদেরই দোষ।

    -কেন?

    –ওরা ওদের বেইমান বলেছে।

    –বেইমান! বেইমান বলা এত বড় অপরাধ! হট্টগোলের মধ্যে থেকে ভূতনাথ বেরিয়ে এল। কয়েকটা লাল চামড়ার সাহেব পুলিশ ততক্ষণ এসে পড়েছে। ভয়ে যে যেদিকে পারলে দৌড় দিলে। এখনি হয় তো লাঠি মারবে। ওরা ভয়ানক মারে। গোরাদের ক্ষমতা কি কম। এসেই চার পাঁচটা কাবুলিওয়ালাকে ধরে ফেললে। তারপর দমাদম লাথি মারতে লাগলো স্কুলের বন্ধ দরজার ওপর। রাস্তার গাড়ি ঘোড়া ট্রাম লোক-চলাচল বন্ধ হয়ে গেল। হৈ হৈ কাণ্ড!

    আবার বনমালী সরকার লেন-এর মধ্যে ঢুকে পড়লো ভূতনাথ। বুকটা তখনও তার দূর দূর করে কাঁপছে। বেইমান! কথাটার মানে কী!

    মনে আছে বহুদিন আগে পঞ্চানন একবার হেডমাস্টার অবনী বাবুর কাছে খুব মার খেয়েছিল। দুই হাতের পাতায় তখনও লাল দাগ আছে। রাস্তায় এসে বলেছিল—এই বইগুলো একটু ধর তো—বোধ হয় জ্বর আসছে।

    পঞ্চাননের কপালে হাত দিয়ে ভূতনাথ চমকে উঠেছিল। জ্বরে পুড়ে যাচ্ছে যেন। জ্বরের ঝোঁকে সেই রাস্তার মধ্যেই শুয়ে পড়েছিল পঞ্চানন।

    মনে আছে সেই জ্বরের ঘোরেই পঞ্চানন বলেছিল—শালা হেডমাস্টারটা বেইমান।

    ভূতনাথ সেদিন মানে বোঝেনি পঞ্চাননের কথাটার। বেঙ্গল সেমিনারির ছেলেদের বেইমান বলায় কাবুলিওয়ালাদের রাগের কারণটাও ভূতনাথ বুঝতে পারেনি সেদিন। কিন্তু মানে বুঝতে পেরেছিল অনেকদিন পরে, যেদিন ছোটবৌঠান বলেছিল—ভূতনাথ তুই এত বড় বেইমান–

    হেডমাস্টারের বেইমানি বোঝবার বয়েস তখন হয়নি ভূতনাথের। কাবুলিওয়ালাদের বেইমানির অর্থও খুঁজে পাওয়া যায়নি সেদিন। কিন্তু ভূতনাথ যে কেমন করে বেইমান হলো সে প্রশ্ন…কিন্তু ছোটবৌঠান তো তখন অপ্রকৃতিস্থ। তাকে অবশ্য ক্ষমা করেছিল ভূতনাথ। ছোটবৌঠানকে চিনেছিল বলেই তো ভূতনাথ পরে। তাকে ক্ষমা করতে পেরেছিল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবেগম মেরী বিশ্বাস – বিমল মিত্র
    Next Article রচনা সংগ্রহ – অক্ষয়কুমার মৈত্রেয় (নন-ফিকশন)

    Related Articles

    বিমল মিত্র

    বেগম মেরী বিশ্বাস – বিমল মিত্র

    May 29, 2025
    বিমল মিত্র

    আসামী হাজির – বিমল মিত্র

    May 29, 2025
    বিমল মিত্র

    কড়ি দিয়ে কিনলাম ১ – বিমল মিত্র

    May 28, 2025
    বিমল মিত্র

    কড়ি দিয়ে কিনলাম ২ – বিমল মিত্র

    May 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }