Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সাহেব বিবি গোলাম – বিমল মিত্র

    বিমল মিত্র এক পাতা গল্প740 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৫. মোহিনী-সিঁদুর

    ‘মোহিনী-সিঁদুর’ আপিসে চাকরি হয়ে গেল ভূতনাথের।

    বার-বাড়িতে রাত্রে শোয়া আর সকাল বেলা স্নান করে একটু জলখাবার খেয়ে নিয়ে হাঁটতে হাঁটতে গিয়ে আপিসে পৌঁছনো। তা হেঁটে যেতে ঘণ্টাখানেকের রাস্তা। সকাল থেকেই কাজ শুরু। দুপুর বারোটার সময় ডাকতে আসে ঠাকুর—বাবু ভাত বেড়েছি—

    তাড়াতাড়ি হাতের কাজটা রেখে হাত মুখ ধুয়ে নিয়ে খেতে বসা। একতলায় বাড়ির পেছন দিকের সমস্ত ঘরটাই রান্নাঘর। তারই এক কোণে এক একদিন আসন পেতে জলের গ্লাশ দেয় ঠাকুর। কলাপাতার ওপর গরম গরম ভাত ফেলে দেয়, হাতায় করে। বলে—মধ্যিখানটায় একটু গর্ত করুন তো-ডাল দিই—

    এক রাশ গরম ভাতের ওপর গরম ডাল পড়ে। তারপর আলুকুমড়োর একটা তরকারি দেয় এক থাবা। কোনো দিন শাকচচ্চড়ি গাদাখানেক।

    ছোট বেলায় ফতেপুরে মাছ না হলে খেতে পারতো না ভূতনাথ। তা পরের বাড়ি। এমনিতেই খেতে লজ্জা করে। তার ওপর আবার চাওয়া।

    আরো ভাত দিলে যেন ভালো হতো। কিন্তু ঠাকুর যেমন তাড়া দেয়, তাতে কেমন লজ্জা হয়। একদিন জিজ্ঞেস করেছিল ভূতনাথ-মাছ নেই ঠাকর?

    ঠাকুর বলেছিল—গোণাগুন্তি মাছ—সে তো সব ওপরে চলে গিয়েছে—তারপর তাড়া দিয়ে বলে—একটু হাত চালান বাবু, হাবুর মা এখুনি এসে আবার এটো পাড়বে।

    সুতরাং কোনো রকমে খাওয়া সেরে নিয়ে আবার কাজে বসতে হয়। কাজ না কাজ। হাজার হাজার প্যাকেট ভর্তি সিঁদুর। সেই কাগজের কৌটোয় সিঁদুর ভরা-তারপর মুখ বন্ধ করে ছাপানো লেবেল লাগিয়ে দেওয়া। এক একটি কৌটোর দাম—আড়াই টাকা। এক মাসের ব্যবহারের জন্য আড়াই টাকা। কত দূর দূর দেশে যায়। কোথায় রাজসাহী, চট্টগ্রাম, সিহাচলম, পেনাঙ, আন্নামালাই, জাভা, বোর্নিও–

    ফলাহারী পাঠক সিঁদুর ভরে, প্যাকেট আঁটে, লেবেল লাগায়–

    আর চিঠিপত্র লেখে ভূতনাথ। মনি-অর্ডার এলে সুবিনয়বাবুর কাছে পাঠিয়ে দেয়। ভি-পি. করে পার্সেল যায়। যত এজেন্ট আছে, তাদের কাছে পাঠাতে হয় হ্যাণ্ডবিল। নানান ভাষায় লেখা হ্যাবিল। হ্যাণ্ডবিল-এ লেখা থাকত–

    ‘অদ্ভুত ত্বড়িৎশক্তি সম্পন্ন সিঁদুর। মোহিনী-সিঁদুরে’র গুণে মুগ্ধ হইয়া হাজার হাজার নরনারী অসংখ্য প্রশংসাপত্র পাঠাঁইয়াছেন। কোনো মানুষের জীবনে হতাশ হইয়া আত্মহত্যা করিবার মতো অবস্থা আসিলে ইহার এক প্যাকেট পরীক্ষা করিয়া দেখিতে পারেন। যাঁহারা জীবনে প্রিয়পাত্র কিম্বা প্রিয়পাত্রীর প্রেম পাইতে চান; প্রিয়জনকে আপনার বশীভূত করিতে চান, প্রণয়িনীকে যদি আপনার করতলগত করিতে চান, কিম্বা যে স্ত্রীলোক আপনাকে ঘৃণা করে, অবজ্ঞা করে বা দূরে পরিহার করে তাহাকে যদি হৃদয়েশ্বরীরূপে লাভ করিতে চান, আমাদের এই বহু পরীক্ষিত বহু প্রশংসিত ‘মোহিনী-সিঁদুর’ পরীক্ষা করিয়া দেখুন। স্বামী-স্ত্রী, প্রভু-ভৃত্য, পিতা-পুত্র, শিক্ষক-ছাত্র, গুরু-শিষ্য সকলের পক্ষেই অপরিহার্য। নিত্য হাজার হাজার গ্রাহক ইহার কল্যাণে বিষময় সংসারে অপার শান্তিলাভ করিতেছেন। ইহা ছাড়া মকদ্দমায় জয়লাভ, দূরারোগ্য ব্যাধির উপশম, নিরুদ্দিষ্ট প্রিয়জনের সাক্ষাৎলাভ ইত্যাদি নানা বিষয়ে ইহার দ্বারা কার্যসিদ্ধি হয়। এক স্ত্রী এই মোহিনী-সিঁদুর’ ব্যবহার করিয়া তাহার পানাসক্ত স্বামীকে পুনরায় সংসারাশ্রমে ফিরাইয়া আনিয়াছে, আর একজন দারিদ্র্য লাঞ্ছিত হতভাগ্য লটারীতে বিশ সহস্র অর্থ পাইয়া সুখে কালযাপন করিতেছে, আর একজন…বিফলে মূল্য ফেরৎ…সংসারে শান্তি ফিরাইতে, হতভাগ্যদের সৌভাগ্য সঞ্চারে, অপুত্রককে পুত্ৰ মুখ দেখাইতে, ঋণীকে অঋণী করিতে, প্রবাসীকে ঘরে ফিরাইতে, ইহা অদ্বিতীয়.. ইত্যাদি ইত্যাদি–

    হ্যাণ্ডবিল ছাড়া পাঁজিতে বিজ্ঞাপনের পাতায় বড় বড় হরফে লেখা থাকতে ‘মোহিনী-সিঁদুর’—‘মোহিনী-সিঁদুর’–

    স্বদেশে বিদেশে, বাঙলায়, ইংরেজীতে, জার্মানী, চীন, জাপানী, তারপর হিন্দুস্থানী, গুজরাটী, গুরুমুখী, পুস্তু সর্ব ভাষায় সর্বত্র এই ‘মোহিনী-সিঁদুরে’র বিজ্ঞাপন।

    যত বিজ্ঞাপন দেওয়া হতো–তত বিক্রির অর্ডার। প্রশংসাপত্রও আসতো অসংখ্য। এক প্যাকেট ব্যবহার করে যারা অল্প ফল পেয়েছে, তারা আরো দু’ প্যাকেটের অর্ডার দিতো।

    আরো দুটি পণ্য ছিল সুবিনয়বাবুর। মোহিনী আংটি আর ‘মোহিনী আয়না।

    গুণাগুণ অল্পবিস্তর তিনটেরই এক। কিন্তু তিনটের মধ্যে নামডাক ‘মোহিনী-সিঁদুরে’রই বেশি। মোহিনী-সিঁদুরে’র চিঠি পত্র লিখতে লিখতেই হাত ব্যথা হয়ে যেত ভূতনাথের।

    আপিস ঘরের পেছনে গুদাম ঘরে ফলাহারী পাঠকের আপিস বা কারখানা। ফলাহারী হেড আর তার দশজন য়্যাসিস্টেন্ট। তারাও হিন্দুস্থানী। আপিসের ছুটির পর যখন তারা বেরোয়, তখন মাথা থেকে পা পর্যন্ত লালে-লাল হয়ে গিয়েছে শরীর।

    সিঁদুর ঢালাঢলি, কৌটোয় ভরা, লেবেল আঁটা আর তারপর প্যাকিং করার পর পোস্টাপিসে ডাকে পাঠানো সমস্ত ভার ফলাহারীর। কিন্তু তদারক করতে হবে ভূতনাথকে। কোন্ অর্ডারটি কখন এল, সেটা রেজিস্ট্রি করা, কত তারিখে ডেসপ্যাচ করা হলো— সেটি লিখে রাখা। এজেন্টদের চিঠি লেখা, ভি-পি’র ফরম পূরণ করা।

    সুবিনয়বাবু এক একবার সকালের দিকে তদারক করতে আসতেন। বলতেন—কাজকর্ম কেমন হচ্ছে ভূতনাথবাবু—

    কালো চাপকান গায়ে, পরনে পায়জামা, কোঁচানো চাদর বুকের ওপর ক্রসের মতন লটকানো। পায়ে কখনো চটি কখনও য্যালবার্ট। এটা সেটা দেখতেন। বলতেন—চমৎকার হচ্ছে ভূতনাথবাবু—বলে একটু পরেই চলে যেতেন। হাসি হাসি মুখ। সদাশিব মানুষ। টাকার ব্যাপারটা নিয়ে যেতে হত ওপরে। ওপরে সেই বড় ঘরটায় বসে থাকতেন তিনি। কখনও আপিসের কাগজপত্র নিয়ে। কখনও বই নিয়ে। হয় তো হেলান দিয়ে একটা কিছু পড়তেন। আশে পাশে সাধারণত কেউ থাকে না।

    সই করবার আগে একবার জিজ্ঞেস করেন—এটা ভালো করে দেখে নিয়েছেন ভূতনাথবাবু-তারপর আবার বই-এর দিকে মনোযোগ দেন। বাঁধানো বই সব। আলমারিতে থাকে থাকে সাজানো। দুর্গেশনন্দিনী’, ‘কামিনীকুমার’, ‘হংসরূপী-রাজপুত্র’, ‘বিজয়-বসন্ত’ প্রভৃতি আরো অনেক বই। সোমপ্রকাশ, ‘বিবিধার্থ-সংগ্রহ’, ‘রহস্য-সন্দৰ্ভ’, ‘ব্রাহ্মিক দিগের প্রতি উপদেশ, ‘ব্ৰহ্মসঙ্গীত ও সংকীর্তন।

    বেশিক্ষণ দাঁড়াতে হয় না। একটু পরেই নিচে চলে আসতে হয়।

    তারপর ঠাকুর রোজকার মতো ডাকতে আসে—বাবু ভাত বাড়া হয়েছে—খেতে আসুন।

    সেই গরম ভাতের ওপর ডালের গর্ত, আর এক থাবা, তরকারি। প্রত্যহের আপিসের কাজের মধ্যে খাওয়াটা যেন এক শাস্তির মতন অসহ্য হয়ে উঠলো।

    ফলাহারীদের অন্য ব্যবস্থা। দুপুর বেলা কারখানা ঘরের মধ্যেই পেতলের কাঁসি বেরোয় এক একটা করে। কাগজের ঠোঙা করে ছাতু বেঁধে আনে কাপড়ে, সেটা ঢালে, তার ওপর ঢালে জল। অতি সংক্ষিপ্ত সরল প্রণালী। খাওয়ার পর বাঁ হাতে জলের ঘটিটা উপুড় করে মুখের মধ্যে। কী খাটতে পারে সব! সিঁদুর ঘাঁটতে ঘাঁটতে লাল হয়ে যায় চোখ মুখ—তবু ক্লান্তি নেই। তারা মাইনে পায় পাঁচ টাকা করে। মাসে মাসে মনি-অর্ডার করে তিন টাকা দেশে পাঠায়।

    ঠাকুর সেদিন যথারীতি ডাকতে এসেছে। রান্নাঘরের কোণে আসন পেতে বসিয়ে ভাত আর ডাল দিয়ে ঠাকুর বললে—আজ ওই দিয়েই খেতে হবে বাবু-তরকারি হবে না।

     

    ভূতনাথ মাথা উচু করে বললে সে কি?

    —সব ফুরিয়ে গিয়েছে, কম করে ভাড়ার থেকে আনাজ বেরুলে আমি কী করবো বাবু—ভাড়ার তো আমার হাতে নয়।

    ভূতনাথ ভাবলে তাও তো বটে। বললে—ভাড়ারের ভার তবে কার ওপর?

    “আজ্ঞে সে তো হাবার মা’র হাতে জবা দিদিমণি পাঠিয়ে দেয়। ভূতনাথ বললে—হাবার মাকে একবার ডাকো দিকি।

    এল হাবার মা। আধ-ঘোমটা দিয়ে দাঁড়ালে দরজার একপাশে।

    ঠাকুর বললে—ওই তো হাবার মা এসেছে—ওকে জিজ্ঞেস করুন।

    ভূতনাথ জিজ্ঞেস করলে—আমাদের খাবার জন্যে আনাজ তরকারি কিছু দেওয়া হয়নি—তোমাকে?

    ঘোমটার ভেতর থেকে আবার মা কী বললে বোঝা গেল না।

    ঠাকুর বুঝিয়ে বললে তাকে–আনাজ-তরকারি কিছু তোমাকে আজ দেওয়া হয়নি-কেরানীবাবু তোমাকে জিজ্ঞেস করছেন।

    –আজ্ঞে হ্যাঁ, দেওয়া হয়েছিল। ভূতনাথ জিজ্ঞেস করলে-আজ কম দেওয়া হয়েছিল কি?

    —যেমন বরাদ্দ থাকে তেমনি দেওয়া হয়েছিল।–কতখানি বরাদ্দ থাকে?–আমি নেকাপড়া জানিনে, যা বরাদ্দ থাকে তাই নিয়ে আসি। হাবার মার কাছ থেকে কোনো প্রশ্নের সমাধান যে পাওয়া যাবে এমন মনে হলো না।

    এবার ভূতনাথ ঠাকুরকে বললে–তুমি বলো কর্তাদের যে, বরাদ্দ যেন বাড়ানো হয়—যা দেওয়া হয়, তাতে পেট ভরে না কারো—সারাদিন খাটবো-খুটবো, না খেতে পেলে তোমরাই বা কাজ করতে পারবে কেন—তোমরাও তো উপোষ করবে।

    ঠাকুর বললে—তা তো ঠিক বাবু—কিন্তু কর্তাদের ও-কথা বলতে পারবো না।

    –কেন পারবে না,সবাই খেতে পেলে কি না-পেলে তা তো তোমাকেই দেখতে হবে?

    ঠাকুরকে জিজ্ঞেস করে ভূতনাথ জানতে পারলে—এ-বাড়ির নিয়ম প্রতিদিন সকাল বেলা জব দিদিমণি ভাড়ার খুলে তালিকা দেখে দেখে সারাদিনের জিনিষ একসঙ্গে বের করে দেয়। বাড়ির লোকজন ছাড়া চাকর-ঠাকুর-ঝি, কেরানীবাবু, গরু-ঘোড়-পাখী সকলের খাবার জিনিষ দিয়ে দেয়। চাকরদের তামাক পর্যন্ত। চাল ডাল তেল নুন তরি-তরকারি, কাঁচা আনাজ, ঘোড়ার দানা, গরুর খোল, ভূষি, চুনি সমস্ত। সমস্ত ওজন করে মেপে দেওয়া। কম পড়বার কথা নয়।

    সুবিনয়বাবু যেমন ভালো লোক, তাকে এই নিয়ে বিব্রত করতে কেমন যেন লাগলো। ব্রজরাখালকে বললেও হয়। কিন্তু ব্ৰজরাখালই বা কী ভাববে। হয় তত এর পরে চাকরিটাই হাতছাড়া হবে শেষ পর্যন্ত। এত কষ্টের চাকরি।

    বাড়িতে ফিরে এসে ব্ৰজরাখাল বলে—কী গো বড়কুটুম, কেমন চাকরি বাকরি চলছে—কোনো কষ্ট হচ্ছে না তো?

    না, কষ্ট আর কী! অন্য কিছু কষ্ট তো নেই তার। তবু মুখ ফুটে বলতে গিয়ে কেমন বাধে যেন। কিন্তু একদিন বলেই ফেললে। বললে—আজকে চালটা একটু বেশি নাও ব্রজরাখাল।

    —কেন? পেট ভরে না বুঝি?

    —ভরে।

    –তবে?

    ভূতনাথ বললে—আজ সকাল সকাল খেয়েছি ওবেলা, আর খিদেটাও পেয়েছে একটু বেশি।

    সত্যি পিসীমার মতো কে আর সামনে বসিয়ে খাওয়াবে ভূতনাথকে। পেটের কাপড় সরিয়ে পিসীমা পেট দেখে তবে ছাড়ান দিতে। খা একটু দুধ দিয়ে। হরগয়লানী নতুন গরুর দুধ দিয়ে গিয়েছে, তার চাছি পড়েছে এতখানি—তাই দিচ্ছি আর নতুন আমসত্ত্ব। ও ভাত ক’টা ফেলিসনে আর, আজ খাজা কাঁঠালটা ভাঙছি, বোস একটু—কত সব আদর, কত ভালোবাসা।

    সন্ধ্যেবেলা নিজের ঘরটাতে বসে ভূতনাথ সেই আগেকার কথাগুলো ভাবে। ব্ৰজরাখাল বড়বাড়ির ভেতরে বাড়ির ছেলেদের পড়াতে চলে গিয়েছে। ডান দিকে নিচু একতলা বাড়িটার বারান্দায় এখন কেউ নেই। গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে গিয়েছে ইব্রাহিম কোচোয়ান আর ইয়াসিন সহিস। ঘরের ভেতরে টিম টিম করে বাতি জ্বলছে। বোরখা পরা দু একটা মূর্তি কখনও সখনও ছাদের দিকে এসে পড়ে। আর দক্ষিণ দিক থেকে দাসু মেথরের ঢালের চাটির শব্দ ভেসে ভেসে আসে। উত্তরের সদর গেটের দু পাশে রেঢ়ির তেলের বাক্স বাতি দপ দপ করে জ্বলছে—যেন দিন হয়ে গিয়েছে ওখানটায়—ঠিক যেমন রাস্তায় আলো জ্বলে তেমনি। ব্রিজ সিং-এর ডিউটি নয় এখন। নাথু সিং বন্দুক উচিয়ে পুতুলের মতন কখনও দাঁড়িয়ে, কখনও বসে পাহারা দিচ্ছে।

    ব্ৰজরাখালের বাঁয়া তবলা জোড়া নিয়ে এবার বসলো ভূতনাথ। আগেকার অনেক বোল আবার তার মনে আসতে শুরু করেছে। চর্চাটা রাখা ভালো তো। আর তাছাড়া সন্ধ্যেটা এই অচেনা দেশে কাটেই বা কী করে। প্রথমটা আস্তে আস্তে। তারপর একবার লয়-এর স্রোতে গা ঢেলে দিলে আর কোনো দিকে খেয়াল থাকে না। অন্ধকার ঘর। শুধু চাঁদনী রাত থাকলে—দক্ষিণের জানালাটা দিয়ে ঘরে আলো এসে পড়ে। আর ওধারের বাগানের টগর আর চাপা ফুলের গন্ধতে ঘর ভুর ভুর করে সারা রাত। আর তারপর ছুটুকবাবুর আসরে শুরু হয় আর একজোড়া বাঁয়া তবলার চটি। হাতুড়ি ঠুকে ঠুকে ঘাটগুলো বেঁধে নেয় তানপুরার সঙ্গে। এক দিকে তানপুরা ছাড়তে থাকে আর সঙ্গে সঙ্গে সাধা গলার শব্দ বেরিয়ে আসে। খেয়াল দিয়ে কোনো দিন আরম্ভ হয় আসর, কোনো দিন হয় না। কিন্তু জমে বেশি ঠুংরিতে নয় টপ্পায়। সেটা বেশি রাত পর্যন্ত জেগে থাকলে শোনা যায়। নিধুবাবুর টপ্পা।

    প্রেমে কী সুখ হোত–
    আমি যারে ভালবাসি সে যদি ভালবাসিত।
    কিংশুক শোভিত ঘ্রাণে,
    কেতকী কণ্টক বিনে
    ফুল হোত চন্দনে, ইক্ষুতে ফল ফলিত—

    কোনো দিন আরো বেশি রাত পর্যন্ত জেগে থাকলে শোন যায়—মেজকর্তার গাড়ির শব্দ। তখন সবাই প্রায় ঘুমিয়ে পড়েছে। বনমালী সরকার লেন-এর দূর থেকে ইব্রাহিম গাড়ির ঘণ্টা বাজাতে বাজাতে আসে, ঘোড়ার গতি মন্থর হয়ে যায়। ব্রিজ সিং ঘড় ঘড় শব্দ করে গেট খুলে দেয়। তারপর সেই গাড়ি এসে দাঁড়ায় খাজাঞ্চীখানা আর বৈঠকখানার মধ্যে লম্বা গাড়ি-বারান্দার তলায়। পাশের ঘর থেকে মেজকর্তার চাকর বেণী শব্দ পেয়ে ছুটে যায় নিচে। দরজা খুলে হাত ধরে নিয়ে যেতে হবে তাকে। এক একদিন পা দুটো খুব টলে। সেদিন বেণীর ঘাড়ে ভর দিয়ে চলেন। অন্দর মহলে আর যান না, বাইরে বসবার ঘরে ঢালা ফরাস তাকিয়া পাশবালিশ আছে, সেইখানেই শয্যা পাতেন। কচিৎ কদাচিৎ যদি কখনও ইচ্ছে হয়, সোজা চলে যান মেজগিন্নীর শোবার ঘরে। কিন্তু মেজগিন্নীর ঘুম বড় সাংঘাতিক। একবার ঘুমোলে কার সাধ্য জাগায় তাকে।

    বংশী বলে—বন্ধ দরজার সামনে গিয়ে মেজকর্তা দমাদম লাথি মারতে থাকেন—ঘরের ভেতরে মেজগিন্নীরও যত ঘুম, গিরিরও ঘুম তত।

    শেষে বুঝি গিরির ঘুম ভাঙে। মস্ত বড় ঘোমটা টেনে দরজা খুলে দেয়। তারপর নিজের বিছানাটা গুটিয়ে নিয়ে বাইরে এসে বারান্দায় আবার পাতে।

    কিন্তু ছোটকর্তা আসেন আরো অনেক রাতে। যখন রাত প্রায় শেষ হবার উপক্রম। তখন কেউ জেগে থাকে না। টেরও পায় না কেউ। ঘুমে ঢোলে ব্রিজ সিং। ছোটবাবুর সাদা ওয়েলার-জোড়া পায়ে ঠকঠক শব্দ করে গেটের সামনে দাঁড়িয়ে। ঢং ঢং বাজে ছোটবাবুর ল্যাণ্ডোলেটের ঘণ্টা। ভেতরে জেগে বসে আছেন তিনি একলা। বেশি কথার লোক নন। গাড়ি এসে গাড়িবারান্দার নিচে দাঁড়ালে নিজেই নামেন। বংশী দরজা খুলে বাতিটা জ্বেলে দেয় ঘরের। এক এক করে গায়ের জামা, হাতের হীরের আংটি, পায়ের জুতো খুলে নেয়। তারপর নতুন কোঁচানো ধুতি এগিয়ে দিতে হবে—সেটা পরে শুয়ে পড়বেন।

    এ-সব বংশীর কাছে শোনা। এমনি দিনের পর দিন। রাতের পর রাত।

    কিন্তু যদি ভূতনাথের এই ঘরের ছাতের ওপর ওঠা যায়, দেখা যাবে অন্দর মহলের সব আলোগুলো এখন নেভানো। বউদের মহলের বারান্দায় শুধু ঝিলমিলির ফাঁক দিয়ে টিম টিম করে জ্বলছে একটা তেলের ঝাড়। কিন্তু সব চেয়ে উজ্জ্বল বাতিটা জ্বলছে ছোটমা’র ঘরে।

    বংশী বলে—ছোটমা তো ঘুমোয় না–সমস্ত রাতই পেরায় ঘুমোয় না।

    ভূতনাথ বলে-ঘুমোন না তো—করেন কী?

    –ছোটমা যে নেখাপড়ি জামে শালাবাবু, বই পড়ে-নয় তো গল্প করে চিন্তার সঙ্গে—নয় তো পুতুলের জামাকাপড় তৈরি করে দুজনে। ছোটমা’র পুতুলের সঙ্গে চিন্তার পুতুলের বিয়ে হয়। আমরা মুচি খাই—রসমুণ্ডি খাই—নয় তো পূজো হয় যশোদাদুলালের–

    —সমস্ত রাত? ভূতনাথ জিজ্ঞেস করলে।

    —হ্যাঁ মাঝে মাঝে সমস্ত রাত।

    তারপর যখন খবর পেছোবে যে, ছোটকর্তা ফিরেছে, তখন আলো নিভবে ছোটমা’র ঘরের। চিন্তা ঘরের দরজায় হুড়কো বন্ধ করে ছোটমা’র ঘরের মেঝের ওপর ছোটমা’র বিছানার পাশে শুয়ে পড়বে।

    এ সমস্ত বহুদিন আগের ঘটনা। কিন্তু অস্পষ্ট কুয়াশাচ্ছন্ন আকাশের বাঁকা তৃতীয়ার চাঁদের মতন সমস্ত এখনও আঁকা আছে ভূতনাথের মনে।

     

    ‘মোহিনী-সিঁদুরে’র আপিসে ঢুকে খাওয়ার কথাটা মনে পড়লেই কেমন যেন ঘৃণা হতে ভূতনাথের। বরাবর পেটুক মানুষ। ভালো জিনিষ খাওয়ার দিকে বরাবরের ঝোঁক তার। বড়বাড়িতে রাত্রের খাওয়া তেমন পছন্দ হয় না। ব্ৰজরাখাল নিরামিষাশী। তাছাড়া নিজের হাতে সে রান্না করে। বাজার করারই সময় হয় না তার। আর এই ষড় রিপুকে বশে আনতেই সে ব্যস্ত। কাম ক্রোধ লোভ মোহ মদ মাৎসর্য কোনোটাকেই সে প্রশ্রয় না দেবার পক্ষপাতী। সাধন পথে ওরা বড় অন্তরায়।

    কিন্তু কালীঘাটের পাঁঠা এনে যখন পেছনের বাগানে বেঁধে রাখা হয়, পরের দিন মাংস খাবার জন্যে, তখন সারা দিন রাত কী চিৎকারটাই না করে। এক একদিন অন্দরের রান্না-বাড়ির আব্রু পেরিয়ে বাইরে ভেসে আসে গরম মশলা আর মাংসের গন্ধ। সারা বাড়িটা সে গন্ধে মাতাল হয়ে যায়।

    ব্ৰজরাখালের নাকেও গন্ধ যায়। নাকে কোঁচার কাপড় চাপা দেয়। বলে—জালালে দেখছি।

    ভূতনাথ বলে—গন্ধটা ভালো লাগছে না তোমার ব্রজরাখাল? পেঁয়াজ রসুন আর…।

    ব্ৰজরাখাল বলে—রাখো তোমার পেঁয়াজ রসুন–শরীরের পক্ষেও কি এত সব মশলা পত্তর ভালো হে—কেবল তমো গুণ বাড়ায়, ও সব তামসিক খাওয়া।

    কিন্তু ভূতনাথের পক্ষে লোভ সম্বরণ করা কঠিন হয়ে পড়ে।

    ব্ৰজরাখাল বলে–বুঝি, তোমার রাতের খাওয়াটা সুবিধের হচ্ছে না—কিন্তু সুবিনয়বাবুর বাড়িতে দুপুরবেলাটা তো ভালোই খাও।

    কিন্তু ব্রজরাখালকে তার অসুবিধের কথাটা যেন বলতে কেমন বাধে।

    সেদিন সকালবেলা আপিস যাওয়ার মুখে হঠাৎ বংশী এসে ডাকলে—শালাবাবু।

    সার্ট আর ধুতিটা তখন পরা হয়ে গিয়েছে। জুতোটা পায়ে গলিয়ে বেরোবার বন্দোবস্ত করছে সে। ব্ৰজরাখাল তখন রান্নাঘরে রান্নায় ব্যস্ত।

    বাইরে থেকে বংশী আবার ডাকলে—শালাবাবু।

    —কী রে বংশী?

    বাইরে আসতেই বংশী হঠাৎ কাছে সরে এল। চারিদিকে একবার ভালো করে দেখে নিয়ে গলাটা নিচু করলে। বললে একটা কথা ছিল আপনার সঙ্গে।

    -কী কথা রে—ভূতনাথ উদগ্রীব হয়ে রইল।

    বংশী ইতস্তত করে বললে—ছোটমা আপনাকে একবার ডেকেছেন।

    -–ছোটমা? ছোটমা কে? বড়বাড়িতে ছোটমা একজনই মাত্র। তবু কি জানি কেন ভূতনাথ অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলে ছোটমা কে রে!

    –আজ্ঞে ছোটকর্তার বউঠাকরুণ, ছোটবউঠাকরুণ এ-বাড়ির—

    কানে কথাটা স্পষ্টই শুনতে পেলে ভূতনাথ। কিন্তু যেন বিশ্বাস হলো না। বললে—আমাকে না মাস্টারবাবুকে?

    –মাস্টারবাবুকে নয়, আপনাকে, আমি ঠিক শুনেছি।

    এত লোক থাকতে তাকে যে কেন ছোটবউঠাকরুণ ডাকবে তা বুঝতে পারলে না ভূতনাথ। এত আবু চারিদিকে। এতদিন আছে এ-বাড়িতে কোনো দিন কোনো সূত্রে বাড়ির কোনো মেয়েবউকে দেখবার সৌভাগ্য হয়নি ভূতনাথের। চারদিকে ঝিলিমিলি, পর্দা, পাল্কি—সব চিকে ঢাকা। বাড়ির ভেতরেও বাইরের পুরুষদের যাওয়া নিষেধ। সে-বাড়ির বউ তাকে ডাকছে—সে কী রকম? ছোটমা’র নাম শুনেছে চাকর-বাকরদের কাছে। তাদের কথাবার্তা থেকে ছোটবউঠাকরুণ সম্বন্ধে একটা ধারণাও করে নিয়েছে। কিন্তু বাইরের অজ্ঞাত পুরুষকে ছোটবউঠাকরুণ ডেকে দেখা করতে চেয়েছেন—তাই বা কেমন বিচিত্র ব্যাপার! তাছাড়া এ তো আর সুবিনয়বাবুর বাড়ি নয়। তাঁরা হলেন ব্রাহ্ম। জবাময়ী ভূতনাথের সামনে বেরিয়েছে, কথা বলতেও তার আপত্তি নেই হয় তো কিন্তু তা বলে বড়বাড়ির ছোটবউ?

    ভূতনাথ বললে—কী জন্যে, কিছু বলেছেন নাকি তোমার ছোটমা?

    —তা কিছু বলেনি।

    ভূতনাথ কী বলবে ভেবে পেলে না। ব্ৰজরাখালকে একবার জিজ্ঞেস করা উচিত যাবার আগে।

    বংশী বললে—তা হলে আমি সন্ধ্যেবেলা আপনাকে ডেকে নিয়ে যাবো কী বলেন?

    ভূতনাথ ‘আচ্ছা’ বলে আপিসে বেরিয়ে পড়লো।

    যথাসময়ে ঠাকুর এসে সেদিনও ডাকলে—ভাত বেড়েছি বাবু।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবেগম মেরী বিশ্বাস – বিমল মিত্র
    Next Article রচনা সংগ্রহ – অক্ষয়কুমার মৈত্রেয় (নন-ফিকশন)

    Related Articles

    বিমল মিত্র

    বেগম মেরী বিশ্বাস – বিমল মিত্র

    May 29, 2025
    বিমল মিত্র

    আসামী হাজির – বিমল মিত্র

    May 29, 2025
    বিমল মিত্র

    কড়ি দিয়ে কিনলাম ১ – বিমল মিত্র

    May 28, 2025
    বিমল মিত্র

    কড়ি দিয়ে কিনলাম ২ – বিমল মিত্র

    May 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }