Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সিডনি সেলডন রচনাসমগ্র ১ – ভাষান্তর : পৃথ্বীরাজ সেন

    পৃথ্বীরাজ সেন এক পাতা গল্প2326 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৩১-৩৪. ব্রু মতিনের অফিস

    ৩১.

    প্যারিস,

    বুধবার, ৯ জুলাই, দুপুর।

    ব্রু মতিনের অফিস, হারটগ ট্রেসির সঙ্গে কথা বলছে–সব মানছি কিন্তু ছবিটা জেফ আমাদের হাতে তুলে দিয়েছে। অতএব তাকে কৃতিত্ব দিতেই হবে।

    জেফ পুরো ব্যাপারটার ওপর কড়া নজর রেখেছিল। ট্রেসিকে দিয়ে আসল কাজটা করিয়ে শেষ মুহূর্তে বাজীমাৎ করলো। এই প্রথম জেফের কাছে গো-হারান হেরে গেল ট্রেসি।

    ওকে হাতের কাছে পেলে আমি খুন করবো–ট্রেসি বলল।

    –না না রাগারাগি কোরো না, জেফ আসছে, তোমাদের দুজনের জন্য একটা কাজ রেখেছি।

    ট্রেসি কিছুতেই রাজী না, আবার হারটগও ছাড়বে না। শেষ পর্যন্ত ট্রেসি রাজী হল। ব্যাপারটা খুবই জটিল, দ্য বীয়ার্স কোম্পানী চার কোটি ডলারের হীরে পাঠাচ্ছে প্যারিস থেকে আমস্টারডামে। আকাশেই হীরেগুলো চুরি করতে হবে।

    ট্রেসি ব্যাঙ্গের হাসি হেসে বলল–মালবাহী প্লেনে? ওড়বার সময় চুরি করতে হবে? কি সম্ভব?

    –ছোট্ট খাট্টো লোক থাকবে, তাকে একটা প্যাকিং বাক্সে ভরে হীরের প্যাকিং বাক্সে তাকে পুরে দেবো। মাঝপথে সে হীরে চুরি করে আবার প্যাকিং বাক্সে লুকিয়ে পড়বে। তার আগে নকল হীরের বাক্সটা ওই প্যাকিং বাক্সে ভরে দিতে হবে। আমস্টারডামে তুমি সমেত ওই প্যাকিং বাক্সটা ডেলিভারী নিয়ে নেওয়া হবে। একলাখ ডলারের ৫০ হাজার তুমি পাবে।

    –বাকিটা?

    –বাকিটা পাবে জেফ, ও প্যারিস এয়ারপোর্টে বলোক রাখবে, তাই তোমাদের কোনো অসুবিধা হবে না। আবার আমস্টারডামে সেই-ই থাকবে।

    শেষ পর্যন্ত অনেক কিছু ভাবতে ভাবতে ট্রেসি রাজী হল। প্যারিসের একটা ভালো হোটেলে চলে এল সে। ড্যানিয়েল কুপারও সেখানে হাজির হয়েছে। কিছুতেই এই পরাজয় সে মেনে নেবে না। বার বার ট্রেসি ফসকে যাচ্ছে কি করে?

    ইন্টারপোলের সদর দপ্তর তাকে যাচ্ছেতাই অপমান করেছে।

    রামিরো ড্যানিয়েল কুপারের দুর্ব্যবহারের কথাও জানিয়ে দিয়েছেন। ইন্সপোর্টের ট্রিগনান্টেরও ধারণা বৃথা ট্রেসির পেছনে ছোটা হচ্ছে।

    জেফ এসে ট্রেসিকে ডিনারে যেতে বলেছিল। ট্রেসি রাজী হয়নি। ট্রেসি হুইটনি নামের আদ্যাক্ষর লেখা একটা ছোট্ট সিল্কের রুমাল জেফ তাকে উপহার দিয়েছিল। ৫ লক্ষ ডলারের বিনিময়ে কি?

    শেষ মুহূর্তে বুক ঢিপ ঢিপ করল ট্রেসির। মাত্র এক ঘণ্টার ফ্লাইট। তার মধ্যে কাজ সারতে হবে। প্যাকিং বাক্সের কাঠগুলো খুবই শক্ত, সে কি ঠিকমতো খুলতে পারবে?

    নিজেকে তৈরি করে নিল সে, কালো পোশাক পরলো, রবার সোলের জুতো, মাথায় টুপি, বের হবার আগে টেবিলের ওপর পড়ে থাকা টি. ডবলিউ লেখা রুমালটা বুকের ভেতর খুঁজে নিল।

    ড্যানিয়েল কুপারের জাগ্রত চোখকে ফাঁকি দিয়ে ট্রেসি সোজা চলে এল গুদাম ঘরে। সেখানে একজন সঙ্গে সঙ্গে তাকে ভিতরে নিয়ে গেল। বড়ো কাঠের খাঁচার মতো প্যাকিং বাক্সের মধ্যে তাকে ঢুকে পড়তে বলা হল। একটু ভেবে ট্রেসি ঢুকলো, সঙ্গে নিলো দুফলা ছুরি, লম্বা শক্ত দড়ি, টর্চ লাইট আর নকল হীরের বাক্স।

    প্যাকিং বাক্সে কিছু ফার্নিচার যাচ্ছিলো, তার পাশে গুটিসুটি হয়ে ট্রেসি বসে পড়লো। ওপর থেকে ক্যানভাস চাপা দিয়ে দড়ি বাঁধা হল। সামান্য ফুটো আছে তাই নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হবে না।

    ভ্যানে তোলার আগে হারটগ বলল–ভয় পাবার কিছু নেই ট্রেসি, সব ঠিকঠাক চলেছ। জেফ তোমার কাছ থেকে হীরের বাক্সটা নিয়ে নেবে। সুইজারল্যান্ড যাবার প্লেনের টিকিট দেবে। যদি অঘটন ঘটে যায় তাহলে এই চাবি নাও, দিয়ে দিলাম, আমস্টারডামে একটা খালি বাড়ি আছে, তুমি সেখানে লুকিয়ে থেকো।

    বিশাল ৭৪৭ বোয়িং মালবাহী উড়োজাহাজে ট্রেসি সমেত প্যাকিং বাক্স বোঝাই হয়ে গেল। পাশেই আসল হীরের প্যাকিং বাক্স।

    ট্রেসির মনে হল যেন প্রচণ্ড ঝড় উঠেছে, ট্রেসি জলে ডুবে যাচ্ছে, কেউ তাকে বাঁচাবার চেষ্টা করছে না, জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছে সে।

    ছুরি দিয়ে ক্যানভাস কেটে তাড়াতাড়ি বেরিয়ে এল ট্রেসি। মনের মধ্যে প্রবল উত্তেজনা। কতটা সময় পাওয়া যাবে সে বুঝতে পারছে না।

    ক্লান্তিতে তার সমস্ত শরীর ঘামতে শুরু করেছে। হাত তুলতে পর্যন্ত পারছে না। ঘোরের মধ্যে থেকে কিভাবে হীরেটা সরিয়ে আবার ঠিকঠাক করে নিজের প্যাকিং বাক্সে ঢুকেছে সে জানে না। খালি তার মনে হয়েছে এখন ঘুম ছাড়া আর কিছু সে চায় না।

    কখন প্লেন আমস্টারডামে নেমেছে, ট্রেসি ভর্তি প্যাকিং বাক্স ডেলিভারী দেওয়া হয়েছে। তাও সে জানে না।

    আধো জাগরণের মধ্যে সে দেখলো জেফ সামনে দাঁড়িয়ে হাসছে–তুমি পেরেছো কাজটা করতে, বাক্সটা দাও। তোমার সঙ্গে লিসবনে দেখা হবে।

    গুদাম ঘরের মালিক ট্রেসির ফ্যাকাশে মুখ দেখে ডাক্তার ডাকার কথা বলল। ট্রেসি আপাততঃ আমস্টারডামের সেই খালি বাড়িটায় গিয়ে বিশ্রাম নেবে। প্রাণশক্তি কিছুই অবশিষ্ট নেই তার।

    সেই বাড়িতে পৌঁছে বিছানাতে শুয়ে ট্রেসি জ্ঞান হারালো।

    ইন্সপেক্টর ট্রিগনান্টের সামনে যখন টি, ডবলিউ লেখা রুমালটা মেলে ধরা হল, তখন তিনি হাঁ করে অনেকক্ষণ সেদিকে তাকিয়ে থাকলেন। এবার বললেন ড্যানিয়েল কুপারকে খবর দাও।

    .

    ৩২.

    হল্যান্ডের উত্তর-পশ্চিম উপকূলে ছবির মতো সুন্দর একটি গ্রাম আলকামার। এখানে ডাচ এয়ারলাইন্সের এক বিমান সেবিকার সঙ্গে বেশ কিছুদিন জেফ কাটিয়েছিল। ভাষাটাও মোটামুটি রপ্ত করেছে। এখানে অনায়াসে লুকিয়ে থাকা যায়। তাই ওই নিরাপদ বাড়িটা থেকে ট্রেসির আধা-অচেতন দেহটা নিয়ে সে চলে এসেছে আলকামার গ্রামে। সেখানে এক হোটেলে উঠেছে। বলেছে আমরা হনিমুনে এসেছিলাম, হঠাৎ স্ত্রী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। ডাক্তার ডাকা দরকার কিন্তু এখন নয় সময় হলেই জানাবো।

    ঘরে এনে ট্রেসিকে খাটে শুইয়ে দিয়েছে। দেখলো তার সমস্ত শরীর ঘামে ভিজে গেছে। জামা কাপড় খুলে তোয়ালে দিয়ে ট্রেসির শরীর মুছিয়ে দিয়েছে। রাতে আবার ধুম জ্বর এল। পরদিন সকালে জেফ বেশ কিছু ওষুধ থার্মোমিটার কিনে আনলো।

    পুরো আটচল্লিশ ঘণ্টা বাদে ট্রেসি অনেকটা স্বাভাবিক হল। এই আটচল্লিশ ঘণ্টা জেফ এক মুহূর্তের জন্যও চোখের পাতা বন্ধ করেনি। ট্রেসিকে সে কি সত্যিই ভালোবেসে ফেলেছে?

    সত্যিকারের জ্ঞান ফিরলো অনেকক্ষণ বাদে। সব ঘটনা মনে পড়ল। জানলার কাছে বড়ো কোচের ওপর গুটিসুটি মেরে জেফ শুয়ে আছে কেন?

    ও ভাবতে ভাবতে জেফ উঠে বসলো, যাক সুস্থ হয়েছে তাহলে?

    –জেফ আমি তো তোমাকে হীরেগুলো দিয়েছি, আবার এসেছো কেন?

    –হীরেটা নেবার পর আমি এয়ারপোর্টে গেলাম দেখতে তুমি ঠিকমত পালাতে পারলে কিনা। প্লেন ছেড়ে দেবার পর যখন এলে না তখন বুঝতে পারলাম তুমি ওই নিরাপদ আস্তানায় চলে গেছো। তখন তুমি পুরো অজ্ঞান ছিলে, আমি তুলে না আনলে তুমি বোধহয় বাঁচতে না।

    ধরা পড়ার ভয় থাকা সত্ত্বেও জেফ তাকে একদিন ধরে সেবা করেছে ট্রেসির বিশ্বাস হয় না। এর অন্তরালে নিশ্চয়ই কোনো মতলব আছে।

    –হারটগকে ফোন করেছিলাম তোমার ৫০ হাজার ডলার সুইস ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্টে জমা দিয়ে দিয়েছে।

    সবটাই তুমি মেরে দিলে না কেন? ট্রেসির কথায় স্থল ছিল।

    জেফ বলল–আমাদের এইভাবে পরস্পরকে নিয়ে ইঁদুর খেলার অবসান হওয়া উচিত বুঝেছো?

    –বুঝেছি, মুখে বললেও ট্রেসি মনে মনে জানে এই খেলা কোনদিন শেষ হবে না।

    –তোমার জামা জুতোর সাইজ বলল, সব কিনে আনতে হবে। এই কথা শোনা মাত্র ট্রেসি লজ্জায় কুঁকড়ে গেল, সে বুঝতে পারলো এই কদিন সে বিনা পোশাকেই ছিল, জেফ তার গা মুছিয়েছে, তার জ্বর দেখেছে। নাহ, লোকটাকে বোঝা মুস্কিল।

    বিকেলে সুটকেস ভর্তি জামাকাপড় আনলো দুজনের জন্য। সেই সঙ্গে খবরের কাগজ। হীরে চুরির খবর বিস্তারিতভাবে লেখা হয়েছে, সম্ভাব্য চোরের নাম জানা যায়নি বলা হয়েছে।

    জেফ হেসে বলল, তাহলে আমরা সম্পূর্ণ নিরাপদ।

    ড্যানিয়েল কুপারের নির্দেশে ট্রেসি হুইটনির রুমালের কথাটা সাংবাদিকদের বলা হয়নি। তাছাড়া টি, ডবলিউ মানে হাজার হাজার মহিলা আছে ইউরোপে, সেই সূত্র থেকে ট্রেসিকে ধরা সহজ হবে না।

    গির্জায় বসে ড্যানিয়েল কুপার প্রার্থনা করলো–প্রভু, ওকে আমার হাতে তুলে দাও। ও আমার হাতে শাস্তি পেলে আমি পাপমুক্ত হব। কিন্তু ট্রেসির নগ্ন শরীরের কথা চিন্তা করলেই তার মাথার ভেতর কেমন যেন কামনার ঝড় ওঠে। ড্যানিয়েল তাড়াতাড়ি গির্জা থেকে বাইরে বেরিয়ে এল।

    ট্রেসির ঘুম যখন ভাঙলো তখন বেশ অন্ধকার। জেফকে দেখতে না পেয়ে নিজেকে কেমন অসহায় বলে মনে হল।

    জ্বর ছাড়লো একেবারে রাতের বেলায়। গায়ে একটু জোর এল। রাতে শুয়ে শুয়ে জেফকে তার অতীত জীবনের সব কাহিনী বলল। জেফ নিজে অন্য একটি ছোটো খাটো বিছানায় শুতে। সেও তার বিচিত্র অভিজ্ঞতার কথা জানালো।

    একদিন সকালে জেফ বলল–পুলিশ বোধহয় হাল ছেড়ে দিয়েছে, এবার এখান থেকে পালাতে হবে।

    উৎসুক চিত্তে ট্রেসি জানতে চাইলো–কবে?

    –কালই।

    –ঠিক আছে, আমি সব গুছিয়ে নিচ্ছি।

    সে রাতে ট্রেসির ঘুম আসছে না, অনেকক্ষণ ছটফট করার পর সে বলল–তুমি কি ঘুমিয়ে পড়েছো?

    –না।

    –কি চিন্তা করছিলে?

    –কালকের কথা, এ জায়গাটা ছেড়ে যেতে আমার খুব কষ্ট হবে।

    –আমার কষ্ট হবে তোমাকে ছেড়ে থাকতে।

    –কতটা?

    –ভীষণ–

    জেফ উঠে এল ট্রেসির খাটের কাছে, ট্রেসি–।

    এই মুহূর্তটির জন্য ট্রেসি বোধহয় অপেক্ষা করছিল। সে দুহাত বাড়িয়ে জেফকে বুকের ওপর টেনে নিয়ে বলল–কোনো কথা নয়, আমাকে ভীষণ ভীষণ আদর করো।

    তারপর ঘণ্টাখানেক ওরা দুজন স্বর্গরাজ্যের বাসিন্দা হয়ে গেল।

    সকালে ট্রেসিকে আদর করতে করতে জেফ আবদার করেছিল, তুমি কি আমাকে বিয়ে–করবে?

    জেফের বুকে মুখ লুকিয়ে ট্রেসি বলল, হ্যাঁ।

    কীভাবে আগামী জীবন গড়ে উঠবে দুজনে তার পরিকল্পনা করতে থাকলো। দুজনেই প্রচুর টাকা জমিয়েছে। এখন ভদ্র জীবনে ফিরে যাবে।

    তাহলে পুলিশকে জানিয়ে দিই সে কথা–জেফের কথায় হেসে উঠলো ট্রেসি।

    পরদিন হারটগের ফোন এল। একটা কাজের ব্যাপার আছে, দুজনে করবে কি?

    –না না আমরা এই লাইন ছেড়ে দিয়েছি, আরেকটা কথা আমরা বিয়ে করছি।

    হারটগ অভিনন্দন জানিয়ে বলল–কালে আসছি, কথা হবে।

    জেফ আর ট্রেসি ঠিক করল হারটগের প্রস্তাবে রাজী হবে না। শেষ পর্যন্ত হারটগ একটা দুঃসাহসী কাজের কথা পাড়ল। ট্রেসি শেষ পর্যন্ত রাজী হল। মনে মনে শপথ করল এটাই আমার শেষ কাজ। কাজটা প্রায় অসম্ভব, করতে পারলে বিশ লাখ ডলার পাওয়া যাবে।

    ট্রেসিরা আমস্টারডামে ফিরতে না ফিরতেই পুলিশ তাদের অনুসরণ করতে শুরু করলো। হল্যান্ডের পুলিশ ট্রেসিকে উচিত শিক্ষা দেবে এমন আস্ফালন শোনা গেল।

    ড্যানিয়েল কুপারকে সাহায্য করলেন ইন্সপেকটর দুরেন।

    এখানেও ট্রেসি আর জেফ দর্শনীয় স্থানগুলিতে ঘুরে বেড়াচ্ছে। ড্যানিয়েল কুপার জানে এর অন্তরালে কোনো একটা গোপন কারণ আছে।

    গোয়েন্দারা প্রত্যেকদিন ড্যানিয়েল ও দুরেনকে রিপোর্ট দিচ্ছে সন্দেহজনক কিছু নেই।

    একদিন সকালে ওরা দুজনে গেল হল্যাণ্ডের বিখ্যাত হীরে কাটার কারখানা দেখতে।

    সরকারী গাইড সবকিছু ঘুরে ঘুরে দেখাতে লাগল। কাঁচের ডোমের তলায় রাখা একটা হীরে দেখিয়ে বলল–লেডিজ অ্যান্ড জেন্টলমেন–এটা হল পৃথিবীর বিখ্যাত লুকুলান হীরে, এর দাম এক কোটি ডলার।

    জেফ চেঁচিয়ে বলল–তাহলে চুরির ভয় আছে নিশ্চয়ই।

    ড্যানিয়েল কুপার পায়ে পায়ে সামনে এগিয়ে এসেছে। সে বুঝতে পারছে এই হীরেটা চুরি করার চেষ্টা করা হবে।

    ড্যানিয়েল কুপার আর গোয়েন্দার মধ্যে চোখাচোখি হয়ে গেল। পরদিন তারা দুজন গেল বিখ্যাত মিউজিয়ামে। রেমব্রার বিখ্যাত ছবি দি নাইট ওয়াচ-এর সামনে দাঁড়িয়ে জেফ গাইডকে জিজ্ঞাসা করল, পাহারার বন্দোবস্ত ঠিক মতো আছে তো?

    –তা আর বলতে, ইলেকট্রনিক্স যন্ত্র লাগানো আছে, কেউ সাহস করবে না।

    –আশা করি এরপর কেউ চুরি করবে না, কি বলো?

    ড্যানিয়েল কুপার আর গোয়েন্দা তখন আরো একবার চোখে চোখ রাখলো।

    তৃতীয় দিন ওরা গেল কনভেনশন সেন্টারে। ডাকটিকিটের প্রদর্শনী দেখতে। ব্রিটিশ গায়নার ছকোণা ডাকটিকিট, মরিশাসের একলাখ ডলারের এক পেনীর টিকিট দেখে আবার জেফ পাহারাদারকে শুনিয়ে একই কথা বলল।

    তিনদিনের এই রিপোর্ট পেশ করে ড্যানিয়েল তার পুরনো অনুরোধ আবার পেশ করলো,  জেফ ও ট্রেসির ঘরে ছোট ছোট মাইক্রোফোন ফিট করতে হবে। তারা কি কথা বলে সবকিছু টেপ করা দরকার। পুলিশ কমিশনার এবার আর না বলতে পারলেন না।

    .

    ৩৩.

    পরদিন সকাল থেকে টেপ রেকর্ডারের কাছে হুমড়ি খেয়ে বসে থাকতে দেখা গেল ড্যানিয়েল কুপার, ইন্সপেকটর দুরেন আর সহকারী গোয়েন্দা উইটক্যাম্পকে।

    কি কথা হচ্ছে দুজনের মধ্যে?

    প্রথম জেফের গলা শোনা গেল–আরেকটু কফি দেবো।

    –এই চীজটা খাও, দারুণ খেতে—

    –রোটারডামে বেড়াতে যাবে?

    –না, বিশ্রাম নেবো।

    একটু বাদে জেফের গলা–জানো, এই হোটেলে কোটিপতি ম্যাক্সিমিনিয়াম পিয়ের পন্ত আছে। জাহাজে ওকে বধ করতে পারিনি, মনের ভেতর একটা কাঁটা খচখচ করছে।

    –আমিও শুনেছিলাম ওরিয়েন্ট এক্সপ্রেসে যাবে।

    পুলিশ কমিশনারকে রিপোর্ট দেওয়া হল, ওই হোটেলের ওপর কড়া নজর রাখতে।

    সকাল নটাতে আবার খবর পাওয়া গেল–অ্যামরো ব্যাংক ৫৩ লক্ষ ডলার দামের সোনার বাট পাঠাচ্ছে ডাচ ওয়েস্ট ইন্ডিজে–

    –কত ওজন হবে?

    –কতো আর হবে, এক হাজার ছশো বাহাত্তর পাউণ্ড।

    –প্রায় কুড়ি মণ, ও নিয়ে পালানো মুস্কিল।

    –আমরা চাইলে সব মুস্কিল অবসান হবে।

    পুলিশ ব্যাংকের ব্যাপারে সতর্ক হবে ঠিক করলো। ট্রেসিদের পেছনে আরও গোয়েন্দা লাগানো হল।

    পরের পাঁচদিন অবিরাম অনুসরণ করে গোয়েন্দারা যে খবর জোগাড় করলো তা বিস্ময়কর। দেখা গেল জেফ একটা ছাপাখানায় ঢুকেছে। ও বেরিয়ে যাবার পর গোয়েন্দা গেল, নিজের কার্ড দেখিয়ে প্রশ্ন করলো, ওই লোকটা কোন্ কাজে এসেছিল?

    –কার্ড ছাপাতে।

    গোয়েন্দা দেখলো কার্ডে লেখা আছে—

    আমস্টারডামের নিরাপত্তাবাহিনী

    কর্নেলিয়াস উইলসন, মুখ্য তদন্তকারী।

    পরের দিন গোয়েন্দা খবর আনলো ট্রেসি একটা পোষা পশুপাখি বিক্রির দোকানে ঢুকেছে। সেখানে একগাদা পাখির অর্ডার দিয়েছে। তার মধ্যে আছে কয়েকটা পায়রা, দুটো লাভবার্ড, একটা ক্যানারী, কিছু গোল্ড ফিস।

    –পায়রা? ডাক পায়রা? যে পায়রার গলায় খবর বেঁধে দিলে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় পৌঁছে যায়? এ ধরনের পায়রাতো ওখানে বিক্রি হয় না।

    ড্যানিয়েল কুপারের মাথা খারাপ হবে বোধ হয়।

    আমরো ব্যাংক থেকে জেফ বেরিয়ে আসার পর সেই গোয়েন্দা গিয়ে প্রশ্ন করলো মিঃ উইলসন, উনি কি জানতে এসেছিলেন যে আপনার ব্যাংকের নিরাপত্তার ব্যাপারগুলো ঠিক আছে কিনা?

    –উনি যে সঠিক লোক সে বিষয়ে নিঃসন্দেহ হলেন কি করে?

    –কেন? ওই কোম্পানী আমাদের নিরাপত্তার ব্যাপারে দেখাশোনা করে, তাছাড়া কার্ডের ফোন নম্বর দেখে ফোনও করেছিলাম, সব ঠিক আছে।

    বিকেল তিনটের সময় একটা সাঁজোয়া গাড়ি ব্যাংকের সামনে এসে দাঁড়ালো, জেফ আড়াল থেকে তার কয়েকটা ফটো তুলল। গোয়েন্দা আবার জেফের ফটো তুলল।

    পুলিশ কমিশনার যখন শুনলেন বিপুল পরিমাণের সোনা চুরি হতে চলেছে, তিনি আঁতকে উঠলেন।

    –কি করে তা সম্ভব? সত্যিকারের গাড়ি আসার আগে ওরা একটা গাড়ি নিয়ে আসবে, সোনা বোঝাই করে বেরিয়ে যাবে। ড্যানিয়েল কুপার বলল।

    –বড্ড বেশি কল্পনা করা হচ্ছে না?

    –না, ওরা কিছু একটা করবেই।

    ট্রেসিকে দেখা গেল জাহাজঘাটায় দাঁড়িয়ে থাকতে। সে একটা মাঝারী স্টীমার ভাড়া, করবে। ওখান থেকে বেরিয়ে এসে হারটগকে ফোন করলো।

    ওর ওপর ভরসা করতে পারি, আরও দুসপ্তাহ সময় লাগবে।

    হারটগ ফোনটা ছেড়ে দিল।

    পরদিন ১১টার সময় গোয়েন্দা খবর দিল জেফ একটা কারখানা থেকে সাঁজোয়া গাড়ি কিনছে। সেটা যাতে ভারী লোহা বইতে পারে তার জন্য পাটাতনে লোহর পাত বসাতে হবে।

    রঙের কারখানা থেকে খবর পাওয়া গেল সরকারী সাঁজোয়া গাড়ির মতো এই গাড়ির রঙ নীল করতে অর্ডার দেওয়া হয়েছে।

    পশুপাখির দোকানের মালিক জানালোপায়রাটা ডাক হরকরা নয়। মাঠ থেকে ধরে এনে ডেলিভারী দেওয়া হয়েছে।

    ড্যানিয়েল বুঝতে পারছে না পায়রার মাধ্যমে কিভাবে কুড়ি মণ সোনা পাচার হবে।

    অ্যামরে ব্যাংক থেকে সোনা পাঠাবার পাঁচদিন আগে সব ফটো আর রিপোর্ট রাখা হল পুলিশ কমিশনারের সামনে। ট্রেসি সোনাটা ওই ভাবে ট্রাকে চাপিয়ে নিয়ে যাবে। তারপর স্টীমারে করে একদেশ থেকে অন্য দেশে পাঠাবে।

    জেফ আবার উর্দির অর্ডার দিয়েছে, এবার ট্রেসিকে নিয়ে সে গেল গ্যারেজে। জেফ ড্রাইভারের সিটে বসে একটা সুইচ টিপতেই সাঁজোয়া গাড়ীটার দুধারের কাপড় সরে গেল। গাড়ীটার গায়ে লেখা হিংকেন বিয়ার কোম্পানী। দূরে একটা বাড়ির ছাদ থেকে গোয়েন্দারা। ওই ছবিটিও তুলল।

    আরও একটা খবর পাওয়া গেল। জেফ রটারডম বন্দর থেকে হংকংগামী জাহাজে কিছু মাল পাঠাবার কথা বলে এসেছে।

    –তাহলে ওদের এখুনি ধরা হচ্ছে না কেন?

    উত্তেজিত কমিশনার জানতে চাইলেন।

    শান্ত হয়ে ড্যানিয়েল কুপার জবাব দিল হাতে নাতে ধরতে চাই, তা নাহলে কেস প্রমাণ করা যাবে না।

    আমেরিকান এক্সপ্রেস অফিস থেকে ট্রেসি বেরিয়ে এল। হাতে মাঝারি আকারের একটা বাণ্ডিল।

    ট্রেসি সোজা হোটেলে এল। কিছুক্ষণ পরে আবার বেরিয়ে গেল। তারপর পুলিশ গিয়ে দেখলো বাণ্ডিলটা নেই।

    বৃহস্পতিবার সন্ধ্যেবেলায় ড্যানিয়েল কুপার ট্রেসির হোটেলের ওপর তলায় টেপ রেকর্ডারে মন দিল।

    প্রথম জেফের গলা–পাহারাদাররা আসার ত্রিশ মিনিট আগেই আমরা যদি পৌঁছে যাই তাহলে সোনা বোঝাই করে পালাতে কোনো অসুবিধা হবে না। আসল সাঁজোয়া গাড়ি আসার আগেই মাল স্টীমারে উঠে যাবে।

    আবার ট্রেসির গলা পাওয়া গেল–আমি পেট্রল ভরে রাখছি।

    এবার জেফের গলা–তাহলে কাল সকালে–।

    ড্যানিয়েল বলল–দুরেন, কাল সকালের মধ্যেই দুজনকে জেলে পুরতেই হবে।

    সমস্ত রাত ড্যানিয়েলের ঘুম এল না। বিভিন্ন চিন্তা তার মাথার ভেতর ঘুরছে। ট্রেসি পুলিশের হাতে ধরা পড়েছে, এবং প্রচণ্ড ভাবে অত্যাচারিত হচ্ছে–এই কাল্পনিক দৃশ্যটা তার মাঝরাতের ঘুম কেড়ে নিল। বাথরুমে গিয়ে টবে গরম জল ভরে স্নান করলো। নাঃ, মেয়েটাকে চরম শাস্তি দিতে হবে। তারপর ফ্ল্যাটে ফিরবে। বাড়ি বলতে তার কিছু নেই, ছিল এককালে, যখন সে ছিল মার নিরাপদ আশ্রয়ে।

    ড্যানিয়েলের যখন বয়স চার বছর তখন ওর বাবা বাড়ি থেকে চলে যান, পরে মার কাছে ড্যানিয়েল শুনেছিল এক মেয়ে মানুষের টানে বাবা বাড়ি ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন। ড্যানিয়েল ওই অদেখা মহিলাটিকে ঘৃণা করতো।

    ড্যানিয়েল তার মার সঙ্গে শুতো, একদিন বলে ফেলেছিল–আমি বড়ো হয়ে তোমাকে বিয়ে করবো। ওর মা হেসে মাথায় হাত বুলিয়ে দিতেন।

    ক্লাসে ড্যানিয়েল সব সময় ফার্স্ট হতো। সবাই বলতো মিসেস কুপারের ছেলেটি বুদ্ধিমান।

    সব কিছু ড্যানিয়েলের মনে আছে, যখন তার বয়স সাত বছর তখন ওর মা প্রতিবেশী এক পুরুষকে বাড়িতে ডাকতেন, লোকটার চেহারা বিশাল, সমস্ত শরীরে বড়ো বড়ো লোম। ওর সাথে মাকে অন্তরঙ্গ ভাবে বসে থাকতে দেখে ড্যানিয়েল অসুস্থ হয়ে পড়েছিল। সেটা বুঝতে পেরে মাও কথা দিয়েছিলেন ওই লোকটির সঙ্গে তিনি আর মিশবেন না।

    আজ আমস্টারডাম হোটেলের বাথটবে শুয়ে সে দিনের ভয়ংকর দৃশ্যটা তার মনে। পড়ে যাচ্ছে। কানে ব্যথা হওয়ায় স্কুল থেকে তাড়াতাড়ি ছুটি পেয়ে যায় ড্যানিয়েল, বাড়ি চলে আসার আরেকটা কারণ ছিল, সে দিনটি ছিল ড্যানিয়েলের জন্মদিন, ভেবেছিল মার কাছ থেকে বেশি আদর পাবে।

    মার শোবার ঘরে ঢুকতে গিয়ে থমকে দাঁড়ালো ড্যানিয়েল। মা আর পাশের বাড়ির সেই ষাঁড়ের মতো লোকটা বিছানাতে শুয়ে অদ্ভুত খেলায় মত্ত।

    নিজের ঘরে এসে বমি করে সে শান্ত হল। কিছুক্ষণ পরে ও শুনতে পেলো মা লোকটাকে বলছে–এবার তুমি চলে যাও, ড্যানিয়েলের আসার সময় হয়েছে।

    এরপর অবাক করা একটা ঘটনা ঘটে যায়। সম্পূর্ণ নগ্ন হয়ে ড্যানিয়েল গেল মার বাথরুমে। জলপড়ার শব্দ শুনে বুঝতে পেরেছিল মা সেখানে ঢুকেছে। তার হাতে ছিল দর্জিদের বড়ো কঁচি।

    মা তাকালো, বললো-ড্যানিয়েল তুমি?

    শব্দ শেষ হল না, ধারালো কাঁচি দিয়ে বার বার মার বুকে প্রাণপণ আঘাত করতে লাগল ড্যানিয়েল। ড্যানিয়েলের অদ্ভুত একটা চাপা গর্জনে মায়ের কাতর আর্তনাদ কেউ শুনতে পেল না।

    ড্যানিয়েল বাথটবে নেমে পড়লো। গায়ের রক্ত ধুতে হবে। স্নান সেরে উঠে এল সে, কঁচিটার হাতল তোয়ালে দিয়ে মুছে ফেলে দিল বাথটবে।

    ঘরে এসে জামাকাপড় পরে ফোন করল পুলিশে।

    পাশের বাড়ির লোকটা মাকে খুন করেছে, তাকে শাস্তি পেতেই হবে।

    ফ্রেড জিমার ড্যানিয়েলের মায়ের সঙ্গে গোপন প্রেমের কথা স্বীকার করেছিল, কিন্তু খুনের কথা সে মানতে চায় নি। শুধু বলেছিল এই ব্যাপারে আমার কোনো দোষ নেই। বারো বছরের ড্যানিয়েলের সাক্ষ্যতে ফ্রেড জিমারের ফাঁসি হয়ে যায়। কোনো জেরার মুখে ওই ছেলেটি ভেঙে পড়েনি।

    ড্যানিয়েলকে পাঠিয়ে দেওয়া হল দূর সম্পর্কের এক পিসীর কাছে, টেক্সাসের ম্যাটি পিসী, ভীষণ গোঁড়া আর ধার্মিক ছিলেন।

    কয়েক বছর সেখানে থাকার পর পালিয়ে এল ড্যানিয়েল। সোজা নিউইয়র্কে। যোগ দিল পিওনের কাজে, আন্তর্জাতিক বীমা সংরক্ষণ সমিতিতে। তিন বছরের মধ্যে তদন্তকারীর পদ পেয়ে গেল। তারপর থেকেই ওর মনে হতো সে যেন ঈশ্বরের ডান হাত, পাপীদের শাস্তি দেবার জন্যই তার জন্ম হয়েছে।

    আগামীকাল আরেকটা অসৎ মানুষকে শাস্তি দিতে হবে।

    .

    ৩৪.

    আমস্টারডাম, শুক্রবার, ২২ আগস্ট সকাল ৮টা

    হোটেলের ছাদের ঘরে ড্যানিয়েলরা বসে আছে। জেফ আর ট্রেসি ব্রেকফাস্ট সারতে সারতে কি বলছে তা শুনেছ–

    –রোল দেব একটা? চা না কফি?

    –দরকার নেই।

    –স্টীমারে করে যেতে ভালোই লাগবে জেফ।

    –শুধু তুমি আর আমি—

    আবোল তাবোল কথা বলে চলেছে দুজন। ড্যানিয়েল ঘড়ি দেখলো, নটা বেজে গেছে, ওদের তৈরি হতে হবে।

    নটা বেজে তিরিশ-ড্যানিয়েল অধীর হয়ে উঠল। এবার তো ওদের বেরিয়ে পড়া উচিত।

    এমন সময় টেপ রেকর্ডারে অন্য একজনের গলা ভেসে এল, হায় ভগবান, এখানে তো কেউ নেই দেখছি।

    নারীর কণ্ঠস্বর–কেউ নেই অথচ কথা শুনছি।

    ট্রেসির গলা–বাজী রাখতে পারি এখানে ওসব নেই।

    ড্যানিয়েল কুপার চমকে উঠলোকী হচ্ছে এসব?

    শোনা গেল ঘর পরিষ্কার করার ঝি টেলিফোন করছে–ঘরে কেউ নেই, অথচ কথা শোনা যাচ্ছে।

    ড্যানিয়েলরা ছুটলো ট্রেসির ঘরে, কফি টেবিলে একটু আড়াল করে রাখা টেপ রেকর্ডার চলছে–না, দাও একটু কফি দাও ট্রেসি।

    ড্যানিয়েল বোকার মতো দাঁড়িয়ে রইলো। পাগলের মতো এমারজেন্সী নম্বরে ফোন করল পুলিশকে ইন্সপেক্টর ভ্যান দুরেনকে খবর দিন। ট্রেসি আর জেফ হোটেল থেকে হারিয়ে গেছে। এখুনি ওদের গ্যারেজটায় যেতে হবে। আমি ব্যাঙ্কে যাচ্ছি।

    দুরেন জানালো ট্রেসিরা গ্যারেজ থেকে সাঁজোয়া ট্রাকটা নিয়ে বেরিয়ে পড়েছে। তারপর ওরা তিনজন অ্যামরো ব্যাঙ্কের উল্টো দিকে একটা উঁচু বাড়ির ছাদে গিয়ে লুকোলো।

    –আমরা ওদের কথা শুনে নিয়েছি বুঝতে পেরে ওরা বোধহয় তাদের পরিকল্পনাটা বাদ দিয়েছে।

    এই কথার কোনো উত্তর দিল না ড্যানিয়েল।

    ব্যাঙ্কের ভেতর হৈ চৈ হচ্ছে, দূর থেকে একটা সাঁজোয়া লড়িকে আসতে দেখা গেল। ওয়াকিটকির মাধ্যমে সকলকে সতর্ক করে দেওয়া হল।

    ট্রাটা এসে দাঁড়াল ব্যাঙ্কের বড়ো গেটের সামনে। দুজন উর্দিপরা পাহারাদার ব্যাঙ্কের ভেতর চলে এসেছে। ট্রেসি কোথায়?

    সোনা বোঝাই করতে মাত্র ৮ মিনিট সময় লাগলো। দরজার তালা বন্ধ করে ড্রাইভারের সিটে পাহারাদার দুজন উঠতে যাবে এমন সময় দুরেনের পুলিশ ঝাঁপিয়ে পড়ল ট্রাকটির ওপর। পাহারাদার দুজনকে নামানো হল। কিন্তু কি আশ্চর্য এরা সত্যি সত্যি কোম্পানীর লোক।

    ড্যানিয়েল কুপারের চোয়াল শক্ত হয়ে উঠলো, সে সব কথা গোপনে শুনেছে, কিন্তু চোখের সামনে এসব কি ঘটছে?

    নেদারল্যান্ড হীরে কাটা কারখানার বহু দর্শকের মধ্যে জেফ আর ট্রেসিকেও দেখা গেল। দাড়ি-গোঁফে জেফকে চেনা যাচ্ছে না, পিঠে একটা ব্যাগ, ট্রেসিকে দেখলে মনে হচ্ছে সে বোধহয় সাত মাসের পোয়াতি। প্রচণ্ড সেজেছে, হাতে একটা ব্রিফকেস। বাদামী কাগজে মোড়া গোল একটা বাণ্ডিল।

    গাইডের সঙ্গে ঘুরতে ঘুরতে ট্রেসি দোতলায় চলে এল। কখন যে জেফ কেটে পড়েছে কেউ জানে না, জেফ মাটির তলার বেসমেন্ট ঘরে চলে গেছে। ইলেকট্রিক মিস্ত্রির পোশাক বের করে পরে নিয়েছে। হাতে যন্ত্রপাতির বাক্স। ঘড়ির দিকে একদৃষ্টে তাকিয়ে আছে। সে।

    ট্রেসিও ঘড়ি দেখলো, ভীড়ের মধ্যে লুকুলান হীরে দেখছে। গাইড বলতে শুরু করেছে এটা হল পৃথিবীর সব থেকে দামী হীরে।

    দপ্ করে আলোটা নিভে গেল। অ্যালার্ম ঘণ্টা বাজা আর দরজা বন্ধ হয়ে গেল যন্ত্রের মতো।

    ভয় পাবেন না–। আবার আলো ফিরে এল।

    দেখলেন তো ভয় পাবার কিছু নেই।

    টেলিফোন বেজে উঠল, গাইড বলল–না হেনড্রিক, ভয় পাবার কিছু নেই। ফলস। অ্যালার্ম বেজেছে।

    এই দেখুন হীরে–এগুলো বিক্রির জন্য। আবার আলো নিভলো, আবার হট্টগোল। কয়েক সেকেন্ড বাদে আলো ফিরলো। কিন্তু এবার আললাগুলি ভীষণ ভাবে কাঁপছে। জেফ আলো কপার ব্যাপারটি নিশ্চিত করে ওপরে উঠে এল। গাইডের কাছে গিয়ে বলল আলোর কোনো গণ্ডগোল হচ্ছে কি?

    –দেখো না, কেমন কাঁপছে তুমি কি ঠিক করতে পারবে?

    গাইড ছদ্মবেশী জেফকে নির্দেশ দিয়ে ট্যুরিস্টদের নিয়ে পড়লো–

    দর্শকরা এগিয়ে গেল শো কেসের দিকে। সেই ফাঁকে জেফ পকেট থেকে ছোট্ট একটা জিনিস বের করলো। তার পিনটা খুলে ছুঁড়ে দিল লুকুলান হীরের থামের পাশে। জিনিসটা থেকে ধোঁয়া আর আগুনের ফুলকি বের হচ্ছে।

    জেফ গাইডকে লক্ষ্য করে বলল–এখানে সর্ট সার্কিট হয়েছে।

    এক মহিলা দর্শক চিৎকার করে উঠলেন–আগুন।

    জেফ লুকুলান হীরের স্ট্যান্ডটার দিকে এগোতে গেল। গাইড বলল, ওখানে যাওয়া মানা।

    ভালই হল, তাহলে ওটা তোমার দায়িত্ব।

    জেফ চলে যাবার ভঙ্গি করলো। ধোঁয়া প্রচণ্ড বেগে বের হচ্ছে। গাইড ফোন করে অ্যালার্মের লাইনটা কয়েক মিনিটের জন্য কাটতে বলল।

    –নাও তাড়াতাড়ি সারো।

    জেফ এগিয়ে গেল, গাইড চলে এল। সশস্ত্র প্রহরীকে দর্শকদের দিকে নজর রাখতে বলল।

    –আপনারা যদি চান হীরে কিনতে পারেন।

    এমন সময় ট্রেসি বলল, আপানারা হীরে কেনেন না? আমার স্বামী এই কদিন হল দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ফিরেছে। আমি এগুলো বিক্রি করতে চাই।

    সে হাতের অ্যাটাচিটা উল্টো করে খুললো, কয়েকশো হীরে ছড়িয়ে পড়লো মেঝেতে।

    মুহূর্তের মধ্যে দর্শকদের ভেতর হুড়োহুড়ি পড়ে গেল। ট্রেসি চেঁচিয়ে বলল, আমার হীরে–আমার হীরে কোথায়?

    সশস্ত্র পাহারাদার ওদের শান্ত করতে এগিয়ে এল। ভীড়ের ধাক্কায় তারা মাটিতে পড়ে গেল। যখন উঠে দাঁড়ালো তখন দেখলো লুকুলান হীরে নেই, ইলেকট্রিক মিস্ত্রি আর গর্ভবতী মহিলাকে দেখা যাচ্ছে না।

    হীরে কারখানা থেকে অনেক দূরে গিয়ে একটা পাবলিক বাথরুমে ঢুকে ট্রেসি তার ছদ্মবেশ পাল্টালো। বাদামী কাগজে মোড়া বাণ্ডিলটা নিয়ে পার্কে এসে বসলো।

    কয়েকটা জারকন ফেলে দিয়ে দর্শকগুলোকে বুদু বানিয়েছে। একটু বাদে জেফ ওখানে এল। লুকুলান হীরের প্যাকেটটা ট্রেসিকে দিয়ে বলল–এই বন্ধুটাকে কাজে লাগাও।

    জেফ চলে গেল। ট্রেসি ভাবলো এবার দুজনে চলে যাব ব্রেজিলে, আলাদা আলাদা প্লেনে, চারপাশ দেখে নিয়ে বাদামী কাগজের মোড়কটা ছিঁড়তেই একটা খাঁচা বেরিয়ে এল। ভেতরে একটা পায়রা। তিনদিন আগে এটাই এসেছিল, আমেরিকান এক্সপ্রেস অফিসে, হারটগ এটাকে পাঠিয়েছিল। এটা প্রশিক্ষিত একটা ডাক পায়রা।

    হোটেলে এনে এখান থেকে কেনা সাধারণ পায়রাটাকে উড়িয়ে দেওয়া হয়। খাঁচাতে এটাকে আটকে রাখা হয়। সে হীরে সুষ্ঠু থলেটা পায়রার পায়ে বেঁধে দিল।

    বলল, লক্ষ্মীটি মারগো, এবার এটা নিয়ে লন্ডনে চলে যাও।

    পায়রাটাকে ওড়াতে যাবে এমন সময় উর্দিপরা পুলিশ এগিয়ে এসে বলল, কি করছেন আপনি? জানেন না এখানে পায়রা ধরা নিষিদ্ধ।

    –ভুল হয়ে গেছে অফিসার, আমি বিদেশী তাই বুঝতে পারিনি। আর কখনও করবো না। এটা ছেড়ে দিচ্ছি।

    পায়রাটা আকাশে উড়তে শুরু করলো। তার দিকে একবার তাকালো ট্রেসি। বুকের ওপর থেকে একটা ভারী পাথর নেমে গেল।

    সন্ধ্যের পর ট্রেসিকে দেখা গেল এয়ারপোর্টে। ব্রাজিলগামী প্লেনে ওঠার জন্য সামনে এগিয়ে গেল। ড্যানিয়েল কুপার তার ওপর নজর রেখেছে। হীরে চুরির খবরটা ড্যানিয়েল কুপার শুনেছে। সে জানে এটা ট্রেসির কাজ। এমন ফন্দি খাঁটিয়ে চুরি করা অন্য কারোর পক্ষে সম্ভব নয়।

    অথচ তাকে ধরা যাচ্ছে না। ট্রেসি আর জেফের ফটো দেওয়া হল গাইড আর গার্ডের হাতে। তা সত্ত্বেও কিছু করা গেল না।

    মিস্ত্রিটা দাড়িওয়ালা, মহিলা তো গর্ভবতী, চুলের রং কুচকুচে কালো। নাঃ, ফটোর সঙ্গে মিলছে না।

    ট্রেসি-জেফের জিনিসপত্র খোলা হল। হীরের নামগন্ধ নেই।

    দুরেন বলল–হীরে শহরেই আছে, আমরা খুঁজে পাবো।

    ড্যানিয়েল রাগত স্বরে বলল–না মেয়েটা পায়রা বদলে ফেলেছে।

    ট্রেসি প্লেনের দিকে চলে যাচ্ছে। ড্যানিয়েল কুপার ভাবতে লাগল, এই প্রথম ও কারো কাছে বুদ্ধির খেলায় হেরে গেল।

    সিঁড়ি দিয়ে ওঠার আগে ট্রেসি শেষবারের মতো পেছনে তাকালো। সে জানে ড্যানিয়েল সারা ইউরোপে তাকে অনুসরণ করে চলেছে। ড্যানিয়েলের সঙ্গে আর কখনো দেখা হবে না।

    ড্যানিয়েল কুপার বুক পকেটটা ছুঁলো, নাহ্, তার রেজিগনেশন লেটারটা ঠিকই আছে।

    প্লেনের নরম গদীতে গা এলিয়ে দিয়ে আরামে চোখ বন্ধ করলো ট্রেসি। এখন শুধু জেফ আর সে সুন্দর জীবনের হাতছানি।

    একজন মাঝবয়সী মোটাসোটা লোক বলল–ম্যাডাম কোণের সিটটা আমার।

    ট্রেসি একটু পাশ কাটাতেই তার হাঁটুর ওপর স্কার্টটা সরে গেল। লোকটা লোলুপ দৃষ্টিতে সে দিকে তাকিয়ে আছে।

    লোকটাকে পাত্তা দিতে ইচ্ছে হল না ট্রেসির, লোকটা বলল–দিনটা ভালোই, কি বলেন?

    ট্রেসি এখন চোখ বন্ধ করে জেফের কথা চিন্তা করবে। পাশে বসা লোকটি খোঁচা মেরে বলল–একসঙ্গে অনেক দূর যেতে হবে আমাদের, আলাপ পরিচয়টা করে নেওয়াই চালো তাই নয় কি? আমি হলাম ম্যাক্সিমিলিয়ান পিয়ের পন্ত। আর আপনি?

    চোখের সামনে পিয়ের পন্তকে দেখে ট্রেসির সমস্ত শরীর ঠক ঠক করে কাঁপতে শুরু করে দিয়েছে। সে নিস্পৃহ কণ্ঠস্বরে বলল–আমার নামটা নাই বা জানলেন।

    নাহ, এই অন্ধকার অতীতকে সে চিরদিনের মতো ভুলতে চায়। এখন ব্রাজিলের উদ্দাম সমুদ্র সৈকত, নীল আকাশ আর জেফের সান্নিধ্য তাকে হাতছানি দিয়ে ডাকছে। আপনি আমাকে ক্ষমা করবেন ম্যাক্সিমিলিয়ান পিয়ের পন্ত, আমাকে দেখে মনে হচ্ছে আমি অসভ্য, অমিশুকে, কিন্তু আসলে আমি তা নই।

    চোখ বন্ধ করার আগে শেষবারের মতো ট্রেসি ভাবল, হায়, যদি কয়েকদিন আগে আপনার সঙ্গে আমার দেখা হতো, তাহলে…।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসিডনি সেলডন রচনাসমগ্র ২ – ভাষান্তর : পৃথ্বীরাজ সেন
    Next Article বাংলার মাতৃসাধনা – পৃথ্বীরাজ সেন

    Related Articles

    পৃথ্বীরাজ সেন

    আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ২ (অনুবাদ : নচিকেতা ঘোষ)

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ৩ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ৪ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    অষ্টাদশ পুরাণ সমগ্র – পৃথ্বীরাজ সেন সম্পাদিত

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    জেমস বন্ড সমগ্র – ইয়ান ফ্লেমিং

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    বাংলার মাতৃসাধনা – পৃথ্বীরাজ সেন

    September 16, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }