Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সিডনি সেলডন রচনাসমগ্র ২ – ভাষান্তর : পৃথ্বীরাজ সেন

    পৃথ্বীরাজ সেন এক পাতা গল্প2083 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৬. রবার্টের জীবন

    ৫১.

    রবার্টের জীবন বেঁচে গেল। যে মুহূর্তে লিপো ট্রিগারে হাত দিয়েছিলেন, আলোর বিচ্ছুরণ, এক মুহূর্তের জন্য। রবার্ট সরে গেলেন। বুলেটটা তার ডান হাতে লাগল। না, মুখে লাগেনি।

    লী আবার বন্দুকটা তুলেছেন, আবার আঘাত হানতে হবে। রবার্ট আঘাত করলেন, বন্দুকটা লী-র হাত থেকে ছিটকে পড়ল। লী, রবার্টের সঙ্গে লড়বার চেষ্টা করলেন। না, রবার্টের যন্ত্রণা হচ্ছে। তার জ্যাকেট রক্তে ভিজে গেছে। তিনি সামনের দিকে ঘুষি মারলেন। লীর মুখে যন্ত্রণার ছাপ। হ্যাঁ, এবার লোকটাকে মেরে ফেলতে হবে। রবার্ট বারবার ঘুষি মারতে থাকলেন। একে অন্যকে আঘাত করার আপ্রাণ চেষ্টা করছেন। কেউ ঠিকমতো সুযোগ পাচ্ছেন না।

    না, কে এই যুদ্ধে শেষ পর্যন্ত জিতবেন?

    সময় বোধহয় লী-কে সাহায্য করেছিল। রবার্ট ভাবলেন, তিনি সামনের দিকে এগিয়ে গিয়ে লীকে লাথি মারলেন। লীও বিপুল বিক্রমে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন। রবার্ট নিজেকে সরিয়ে দিলেন। জোর মারামারি শুরু হয়ে গেছে।

    লী সামনের দিকে তেড়ে এসেছেন। তারপর? দুজন গ্লাস টেবিলের কাছে পৌঁছে গেছেন। রবার্ট মাটিতে পড়ে গেলেন। নড়তে চড়তে পারছেন না। রবার্ট ভাবলেন, ওরা জিতে গেছে, আমি হেরে গেছি। চেতনা হারাচ্ছি। লী এবার খেলাটা শেষ করবেন। নাঃ, কিছু ঘটল না। রবার্ট মাথা তুললেন। লী পাশে শুয়ে আছেন। চোখ দুটো খোলা, সিলিং-এর দিকে তাকানো, কাঁচের টুকরো ঢুকে গেছে তার বুকের মধ্যে।

    রবার্ট বসে থাকার চেষ্টা করলেন। অসম্ভব যন্ত্রণা। এক্ষুনি একজন ডাক্তারের কাছে যেতে হবে। একটা নাম মনে পড়ল এজেন্সি নামটার কথা বারবার বলত, আমেরিকান হসপিটাল, হিলসিনজার লিয়ন হিলসিনজার।

    ডাঃ হিলসিনজার এবার বাড়ি যাবেন। হঠাৎ টেলিফোন বেজে উঠল। নার্স চলে গেছে। উনি ফোনটা তুললেন- ডাঃ হিলসিনজার বলছি।

    –আমি রবার্ট বেলামি, আপনার সাহায্য চাইছি। ভীষণ আঘাত পেয়েছি আমি। আপনি কি সাহায্য করবেন?

    –আপনি কোথায়?

    –আমি আধঘন্টার মধ্যে আমেরিকান হাসপাতালে আসছি।

    –আমি পৌঁছে যাব, এমারজেনসি রুমে চলে যাবেন।

    –ডাক্তার, এই ফোনের কথা কাউকে বলবেন না।

    আমি কথা রাখার চেষ্টা করব।

    ডাক্তার হিলসিনজার একটা নাম্বারে ফোন করলেন।

    কমান্ডার বেলামির কাছ থেকে একটা ফোন এসেছে। আমি আধঘন্টার মধ্যে আমেরিকান হাসপাতালে পৌঁছে যাব।

    ধন্যবাদ ডাক্তার।

    ডাক্তার হিলসিনজার রিসিভারটা নামিয়ে রাখলেন। রিসেপশন দরজা খুলে গেল। রবার্ট বেলামি দাঁড়িয়ে আছেন, হাতে একটা বন্দুক।

    রবার্ট বললেন– ভাবলাম, এখানেই আমার চিকিৎসা হলে ভালো হয়।

    ডাক্তার অবাক হয়ে গেছেন, উনি বললেন- আপনার তো হাসপাতালে যাবার দরকার ছিল। •

    হা, হাসপাতালটা মর্গের খুব কাছাকাছি, তাই না?

    ডাঃ হিলসিনজার বাধা দেবার চেষ্টা করলেন। বললেন- ঠিক আছে, আমি আপনাকে ঘুমের ওষুধই দেব।

    না, চালাকি করার চেষ্টা করবেন না। বাঁ হাতে বন্দুকটা ধরা। যদি আমি এখান থেকে বেঁচে বেরোতে না পারি, তাহলে আপনাকে বাঁচিয়ে রাখব না।

    …তাহলে এখনই কাজ শুরু করুন।

    হিলসিনজার পাশের ঘরে রবার্টকে নিয়ে গেলেন। এখানে বিভিন্ন ওষুধপত্র আছে। রবার্ট জ্যাকেটের মধ্যে হাত ঢুকিয়ে রেখেছেন, বন্দুকটা এখন হাতে ধরা আছে। হিলসিনজার হাতে একটা যন্ত্র নিয়েছেন। রবার্টের আঙুল ট্রিগারে চাপা।

    হিলসিনজার বললেন- আমি শার্টটা কেটে ফেলব।

    -হ্যাঁ, আঘাতটা টাটকা। বুলেটটা এখনও ওখানে আছে।

    হিলসিনজার বললেন আমি আপনাকে ঘুমের ওষুধ দেব।

    -না, এক্ষুনি এটা বার করে দিন।

    ডাক্তার পাশের ঘরে চলে গেলেন। একটা কাচি তিনি নিয়ে এসেছেন। রবার্ট ঘুমের সঙ্গে লড়াই করার চেষ্টা করছেন। চোখ বন্ধ হয়ে আসছে। আঃ, ডাঃ হিলসিনজার দাঁড়িয়ে আছেন।

    উনি ফরসেপটা ঢুকিয়ে দিয়েছেন। রবার্ট চিৎকার করছেন। আলো জ্বলে উঠল চোখের সামনে। না, আর বোধহয় বেঁচে থাকা সম্ভব নয়।

    -ওটা বেরিয়ে এসেছে। ডাক্তার হিলসিনজার বললেন।

    রবার্ট দাঁড়িয়ে আছেন, নিজেকে নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছেন।

    ডাক্তার হিলসিনজার বললেন- আপনি ঠিক আছেন?

    রবার্ট তার হারানো কণ্ঠস্বর ফিরে পেয়েছেন- হ্যাঁ, ব্যান্ডেজটা বেঁধে দিন।

    ডাক্তার পার-অক্সাইড ঢুকিয়ে দিলেন। রবার্ট দাঁড়িয়ে আছেন। দাঁতে দাঁত চেপে। আঃ, ডাক্তার ব্যান্ডেজ বেঁধে দিলেন।

    –আমার জ্যকেটটা ফেরত দিন।

    –আপনি এখান থেকে যেতে পারবেন না।

    –আমার জ্যাকেটটা ফেরত দিন। কণ্ঠস্বর ঠাণ্ডা হয়ে এসেছে।

    অনেকটা রক্ত পড়ে গেছে, এখান থেকে গেলে আপনি বাঁচবেন না।

    রবার্ট জানেন, ওখানে থাকলে আরও ক্ষতি হবে। পা দুটো থরথর করে কাঁপছে। টেবিলের একধারে পড়ে গেলেন।

    ডাক্তার হিলসিনজার আবার বললেন- ওঠার চেষ্টা করবেন না।

    রবার্টের চোখের সামনে সব কিছু ঝাপসা হয়ে যাচ্ছে। আমাকে যেতেই হবে।

    উনি জানেন, চলে যাবার সঙ্গে সঙ্গে ডাক্তার হিলসিনজার আবার ফোন করবেন। রবার্টের চোখে একটা সার্জিক্যাল টেপ পড়ে গেল। হিলসিনজার এটা ব্যবহার করেছিলেন।

    চেয়ারে বসুন।

    –কেন?

    রবার্ট তাঁর বন্দুকটা তুললেন, বসুন।

    হিলসিনজার বসলেন। রবার্ট টেপটা খুললেন। আঃ, এখন এই অস্ত্রটাই হাতে আছে আমার। সেটা মস্ত বড়ো হয়ে গেছে। তিনি হিলসিনজারের কাছে গেলেন চুপচাপ বসে থাকুন। আমি কোনো ক্ষতি করব না।

    টেপ দিয়ে ডাক্তারের হাত দুটো বাঁধলেন, চেয়ারের সঙ্গে বেঁধে দিলেন।

    –এটা কি সত্যি দরকার ছিল? আমি কিছুই করতাম না।

    চুপ করে বসে থাকুন।

    ডাক্তারের দিকে তাকালেন, মনে হল, এবার বোধহয় উনি অজ্ঞান হয়ে যাবেন।

    .

    মহাশূন্যে যেন ভেসে চলেছেন, মেঘের রাজত্বে। কে যেন বলল- জেগে ওঠো, জেগে ওঠো। কে বলল? জ্যাকেটের পকেটে কিছু একটা রয়েছে। চোখ দুটো বন্ধ, টিস্টাল, ঘুম থেকে আবার জাগরণ।

    রবার্ট? এক মহিলার কণ্ঠস্বর। শান্ত এবং সৌন্দর্যে ভরা।

    রবার্ট এখন একটা শান্ত সবুজ উদ্যানে একা। বাতাসে সংগীতের শব্দ। উজ্জ্বল আলোর নিশানা চারদিকে। এক মহিলা তার সঙ্গে উড়ে চলেছে। লম্বা এবং আকর্ষণীয়া। মুখখানা গোল। অপূর্ব গায়ের রং। তুষার সাদা গাউন তার পরনে। কণ্ঠস্বরে মাদকতা আছে।

    -রবার্ট, তোমাকে আর কেউ কোনোদিন আঘাত করতে পারবে না। তুমি এসো, আমি তোমার জন্য অপেক্ষা করে আছি।

    রবার্ট চোখ খুললেন। অনেকক্ষণ সেখানে বসে ছিলেন। হঠাৎ মনের ভেতর উত্তেজনা, হ্যাঁ, একাদশ প্রত্যক্ষদর্শী? বোঝা গেছে। কোথায় গেলে তার সঙ্গে দেখা হবে।

    .

    ৫২.

    তেইশ নম্বর দিন, প্যারিস, ফ্রান্স। অ্যা

    ডমিরাল হুইট্যাকারকে ফোন করা হল। ডাক্তারের অফিস থেকে।

    –অ্যাডমিরাল, আমি রবার্ট বলছি।

    কী হচ্ছে, রবার্ট?

    –আপনি কি জানুসের নাম শুনেছেন?

    অ্যাডমিরাল হুইট্যাকার বললেন কেন? না, শুনিনি।

    রবার্ট বললেন তিনি হলেন এক সিক্রেট সংস্থার প্রধান। সাধারণ মানুষকে হত্যা করাটাই তার কাজ। তিনি এখন আমাকে হত্যা করতে চাইছেন। তাকে থামাতেই হবে।

    কীভাবে তোমাকে সাহায্য করব?

    –প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বসতে হবে। আপনি কি একটা মিটিং-এর ব্যবস্থা করতে পারবেন?

    কিছুক্ষণ নীরবতা।

    –আমি ঠিক জানি না। চেষ্টা করতে পারি।

    –জেনারেল হিলিয়াড এই ব্যাপারে যুক্ত আছেন।

    –কীভাবে?

    –আরও অনেকে যুক্ত আছেন। ইউরোপের প্রায় সব কটি দেশের ইনটেলিজেন্স সংস্থা একসঙ্গে হাত মিলিয়েছে। আমি বেশি কথা বলতে পারছি না। শুধু হিলিয়াডকে বলবেন, আমি এগারো নম্বর প্রত্যক্ষদর্শীর সন্ধান পেয়েছি।

    কীসের এগারো নম্বর প্রত্যক্ষদর্শী?

    –অ্যাডমিরাল, আর বেশি কিছু বলতে পারছি না। হিলিয়াড ব্যাপারটা জানেন। তিনি যেন আমার সঙ্গে সুইজারল্যান্ডে আসেন।

    সুইজারল্যান্ড?

    একমাত্র আমিই এগারো নম্বর প্রত্যক্ষদর্শীর সন্ধান পেয়েছি। উনি যদি কথা না শোনেন, তা হলে গোলমাল হয়ে যাবে। আমি জুরিখে যাচ্ছি, তার জন্য অপেক্ষা করব। বলবেন, জানুস যেন সুইজারল্যান্ডে আসেন। নিজে।

    রবার্ট, তুমি কী করছ, বুঝতে পারছ তার পরিণতি কী হবে?

    -হা, আমি দুটো বিষয়ে বলতে চাইছি, দুটো শর্ত, আমাকে সুইজারল্যান্ডে নিরাপদে পৌঁছোতে হবে। জেনারেল হিলিয়াড এবং জানুস যেন আমার সঙ্গে দেখা করতে আসেন। আর একটা, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কথা বলব।

    রবার্ট, আমি সবরকমভাবে সাহায্য করার চেষ্টা করব। কীভাবে তোমার সঙ্গে দেখা করব?

    –আমি আপনাকে ফোন করব?

    কতক্ষণ সময় লাগবে?

    –এক ঘণ্টা, ঠিক আছে?

    রবার্ট?

    –হ্যাঁ, ঠিক আছে। মনে রাখবেন, আমি এখনও বেঁচে আছি। আমাকে আর দুঃখ দেবেন না!

    .

    এক ঘণ্টা কেটে গেছে। রবার্ট আবার অ্যাডমিরাল হুইট্যাকারের সঙ্গে কথা বললেন।

    জেনারেল হিলিয়াডকে মনে হল, এই খবর শুনে খুব ভয় পেয়ে গেছেন। তিনি বলেছেন, তোমার কোনো ক্ষতি করা হবে না। তোমার শর্তগুলো মেনে নেওয়া হবে। তিনি জুরিখের দিকে উড়ে চলেছেন। কাল সকালে পৌঁছে যাবেন।

    জানুস?

    জানুস একই প্লেনে থাকবেন।

    রবার্টের মনে শান্তি–ঠিক আছে, অ্যাডমিরাল। আর প্রেসিডেন্ট?

    –আমি নিজে কথা বলেছি, তুমি কোথায় তার সঙ্গে কথা বলবে?

    –হায় ঈশ্বর। ধন্যবাদ।

    –জেনারেল হিলিয়াডের একটা প্লেন আছে সেটা তোমাকে উড়িয়ে আনবে?

    না, আমি প্যারিসে আছি, আমার একটা গাড়ি চাই। আমি নিজেই চালাব। আমি হোটেল লিটারেতে আছি।

    –আমি দেখছি, কী করা যায়?

    .

    রাস্তার ধারে রবার্ট হাঁটছেন। হোটেলের দিকে এগিয়ে গেলেন। একটা কালো মার্সিডেজ সেডান গাড়ি দাঁড়িয়ে আছে। ভেতরে কেউ নেই। সাদা কালো পুলিশ কার তার পাশে দাঁড়িয়ে আছে। ইউনিফর্ম পরা পুলিশম্যান হুইলের ধারে বসে আছেন। দুজন সাদা পোশাক পরা পুলিশ। রবার্ট এলেন। ফরাসি সিক্রেট সার্ভিসের লোক। রবার্টের মনে হল, আবার কোনো সমস্যা দেখা দেবে নাকি? আমি কি আবার ফাঁদে পড়ে গেলাম? একটাই মাত্র বাঁচার রাস্তা আছে। এগারো নম্বর প্রত্যক্ষদর্শী, হিলিয়াড কি বিশ্বাস করবেন? এটাই কি যথেষ্ট।

    উনি সেডানের দিকে এগিয়ে গেলেন। তার দিকে তাকিয়ে আছে সব কিছু।

    রবার্ট ড্রাইভারের পাশে গিয়ে বসলেন। ভেতর দিকে তাকালেন– হ্যাঁ, চাবি আছে।

    ড্রাইভারের সিটের দিকে তাকালেন কে? জেনারেল হিলিয়াড কি আমার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করতে পারেন? নাকি অ্যাডমিরাল হুইট্যাকার? এখন একটা ভয়ংকর বিস্ফোরণ ঘটবে।

    উনি চাবিটা ঘোরালেন। ইনজিনটা প্রাণ পেয়েছে। হ্যাঁ, সিক্রেট সার্ভিসের লোকেরা দাঁড়িয়ে আছে। কিন্তু ওরা কেউ বাধা দিচ্ছে না। রবার্ট আরও সামনের দিকে এগিয়ে গেলেন। পুলিশের একটা গাড়ি সামনে এল। না, থামানো হল না। লাল আলো জ্বেলে গাড়িটা চলে গেল। মনে হচ্ছে সব ট্রাফিক বোধহয় গলে যাবে। না, শেষ পর্যন্ত ওরা আমায় বিশ্বাস করেছেন।

    মাথায় হেলিকপ্টারের শব্দ। রবার্ট তাকিয়ে দেখলেন। লেখা আছে ফ্রেঞ্চ ন্যাশনাল পুলিশ। হিলিয়াডকে দেখা গেল। তিনি কি সুইজারল্যান্ডে এসে গেছেন? আমার শেষ প্রত্যক্ষদর্শী!

    .

    রবার্ট বিকেল চারটের সময় সুইজ সীমান্তে পৌঁছে গেলেন। ফরাসি পুলিশের গাড়ি দাঁড়িয়ে ছিল। ওদিকে সুইজ পুলিশের গাড়ি। কোনো অসুবিধা হল না। রবার্ট এগিয়ে চলেছেন। ধন্যবাদ অ্যাডমিরাল হুইট্যাকার, শেষ অব্দি আমি বাঁচার একটা পথ পেয়েছি। প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কথা বলতে হবে। জেনারেল হিলিয়াড বোধহয় এখন আর আমার ক্ষতি করতে পারবেন না। মনে পড়ল, সাদা পোশাক পরা ওই মেয়েটিকে। উনি ওই মেয়েটির কণ্ঠস্বর শুনতে পেয়েছিলেন।

    তাড়াতাড়ি রবার্ট, আমরা সবাই তোমার জন্য অপেক্ষা করছি।

    আমরা সবাই তার মানে? আরও কেউ? সকলের সাথে যোগাযোগ করতে হবে, রবার্ট ভেবেছিলেন।

    .

    জুরিখ। রবার্ট ডলডার গ্র্যান্ড হোটেলের সামনে থামলেন। জেনারেলের জন্য একটা নোট লিখলেন।

    -জেনারেল হিলিয়াড কি এসেছেন? তার হাতেই এই নোটটা তুলে দেবেন।

    বাইরে চলে গেলেন। দুদিকে পুলিশ কার। তিনি ড্রাইভারের সঙ্গে কথা বললেন, এখন থেকে আমি আমার নিজের ইচ্ছে মতো যাব।

    . ড্রাইভার বলল- ঠিক আছে, কমান্ডার।

    রবার্ট তাঁর গাড়িতে চড়ে বসলেন- উটেনডরফের দিকে এগিয়ে চলেছেন। ওই উড়ান চাকিটা ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়ে গেছে। গাড়ি এগিয়ে চলেছে। অনেক দুঃখজনক স্মৃতি মনে পড়ল। অনেকগুলো জীবন অকারণে চলে গেল।

    আমি জানুসের মুখ দেখতে চাই। রবার্ট ভাবলেন এবং তাঁর চোখের দিকে তাকিয়ে থাকব।

    .

    একই রকম সৌন্দর্য, আল্পসের গায়ে কি রক্তের ছিটে লেগেছে? গাড়িটা আরও সামনে দিকে এগিয়ে গেল। এখানেই বেকারম্যান ওই আবহাওয়া বেলুনটা দেখতে পেয়েছিলেন। তখন থেকেই দুঃস্বপ্নের সূত্রপাত হয়।

    হাজার হাজার স্মৃতি, কোনটা ছেড়ে কোনটা রবার্ট মনে রাখবেন। বলা হয়েছিল, জেনারেল হিলিয়াডকে সব কথা বলতে হবে।

    জেনারেল হিলিয়াডের কথা– সবকটা প্রত্যক্ষদর্শীর অনুসন্ধান করতে হবে। সকলের যাত্রা শুরু হয়েছিল জুরিখ থেকে। বার্ন, লন্ডন, মিউনিখ, রোম, অরভিয়েটো, ওয়াকো, ফোরথ স্মিথ, কিয়েভ, ওয়াশিংটন, বুদাপেস্ট- রক্তের মিছিল শুধু এগিয়ে চলেছে।

    মেয়েটি অপেক্ষা করছিলেন। রবার্ট জানতেন, ওনার আসল পরিচয় কী।

    রবার্ট, তুমি এসেছ, অনেক ধন্যবাদ, মেয়েটি মনে মনে বললেন।

    আমি এসেছি, শেষ পর্যন্ত। কিন্তু, এ যেন অন্য জগত।

    রবার্ট বললেন- কিছু লোক আমার ক্ষতি করতে চাইছে। যদি তুমি চলে যাও এখন, তাহলে ভালো হয়।

    –আমি যেতে পারব না।

    রবার্ট ভাবলেন, বাঁ হাত দিয়ে তার পকেট স্পর্শ করলেন। হ্যাঁ, একটা অদ্ভুত ধাতু, তার মধ্যে ওই ক্রিস্টালটা আছে।

    মুখে আলো ধন্যবাদ রবার্ট।

    রবার্ট হাতে করে ক্রিস্টালটা তুলে দিলেন।

    রবার্ট জানতে চাইলেন– কী হল?

    –আমি এখন আমার বন্ধুদের সাথে কথা বলতে পারব? তারা আমাকে সাহায্য করতে আসবেন।

    জেনারেল হিলিয়াডের সেই শব্দগুলো মনে পড়ল ওরা এই গোটা গ্রহের ওপর ওদের প্রভাব-প্রতিপত্তি বিস্তার করবে।

    জেনারেল হিলিয়াড কি ঠিক কথা বলেছেন? যদি ভিনগ্রহের বাসিন্দারা সবকিছু দখল করে তা হলে কী হবে? রবার্ট ঘড়ির দিকে তাকালেন। এক্ষুনি জেনারেল হিলিয়াড এবং জানুস আসবেন। রবার্ট ভাবলেন। হ্যাঁ, হেলিকপ্টারের শব্দ শোনা গেল।

    বন্ধুরা, তোমরা এসো, তোমরা সকল কিছু ধ্বংস করে দাও।

    হেলিকপ্টারটা এসে গেছে।

    জানুসের মুখের দিকে তাকাতে হবে একটা অদ্ভুত সম্ভাবনা।

    দরজাটা খুলে গেল। সুশান বেরিয়ে আসছেন।

    .

    আকাশে উড়ছে এই যন্ত্রনটা। সমস্ত আলো জ্বেলে দেওয়া হয়েছে। শেষ পর্যন্ত পাওয়া গেছে, এখন তাড়াতাড়ি করতে হবে। দূর থেকে আরও দূরে চলে যাচ্ছে স্বপ্নের পৃথিবী।

    .

    ৫৩.

    এক মুহূর্তের জন্য রবার্টের চিন্তাধারা স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল। হৃদয় হাজার ভাগে ভাগ হয়ে গেছে। না, এই ঘটনাটা তিনি বিশ্বাস করতে পারছেন না। সুশান? সুশান এক মুহূর্ত তাকালেন, রবার্টের দিকে এগিয়ে এলেন। কিন্তু মন্টে বাঙ্কস তার হাতে হাত রেখেছেন।

    রবার্ট, চলে যাও, চলে যাও। ওরা তোমায় মেরে ফেলবে।

    রবার্ট সামনের দিকে এগিয়ে এলেন–হ্যাঁ, জেনারেল হিলিয়াড আর কর্নেল ফ্রাঙ্ক জনসন হেলিকপ্টার থেকে নামছেন।

    জেনারেল হিলিয়াড বললেন–কমান্ডার, আমি এসে গেছি। তিনি রবার্টের দিকে এগিয়ে গেলেন। সাদা পোশাক পরা মেয়েটি, হ্যাঁ, এই বোধহয় এগারো নম্বর প্রত্যক্ষদর্শীর, তাই তো? হ্যাঁ, খেলাটা শেষ হয়ে গেল।

    না, বলেছিলেন জানুসকে সঙ্গে আনবেন?

    হ্যাঁ, জানুস আপনাকে দেখার জন্য উদগ্রীব।

    রবার্ট হেলিকপ্টারের দিকে তাকালেন। অ্যাডমিরাল হুইট্যাকার দাঁড়িয়ে আছেন।

    -তুমি আমাকে দেখতে চাইছ, রবার্ট?

    রবার্ট বিশ্বাস করতে পারছেন না, একটা লাল ছবি তার চোখের সামনে।

    অ্যাডমিরাল সামনের দিকে এগিয়ে এলেন– আপনি কিছুই বুঝতে পারছেন না? আপনি কতগুলো জীবন নিয়ে চিন্তা করছেন। আমরা পৃথিবীকে বাঁচাতে চাইছি। এই পৃথিবীটা আমাদের, বুঝতে পারছেন?

    সাদা পোশাক পরা মেয়েটির দিকে তাকিয়ে তিনি বললেন- যদি আপনারা যুদ্ধ করতে চান, তৈরি হোন। আমরা আপনাদের হারিয়ে দেব।

    উনি রবার্টের দিকে তাকালেন– তুমি বিশ্বাসঘাতকতা করেছ। তোমাকে আমি সন্তানের মতো স্নেহ করতাম। আমি ভেবেছিলাম, তুমি এডওয়ার্ডের জায়গাটা নেবে। তুমি কেন একাজ করলে? তুমি বাড়িতে থাকতে পারতে, বউয়ের সাথে সুখের সংসার।

    অনুশোচনার সুর- না, আমার কোনো প্রিয় নোক এই কাজ করবে না।

    রবার্ট দাঁড়িয়ে আছেন। কথা বলতে পারছেন না।

    –তোমাদের বিয়েটা আমি ভেঙে দিয়েছিলাম। কারণ তোমার ওপর আমার অগাধ আস্থা ছিল।

    –আপনি ভেঙেছেন?

    হ্যাঁ, মনে আছে? সি আই এ তোমাকে পাঠিয়েছিল ফক্সের অনুসন্ধান করতে। ফক্স বলে কিছু ছিল না। আমি এইভাবে তোমার মন ভাঙতে চেয়েছিলাম।

    –এসব আপনার প্রচেষ্টা? আপনি এতগুলো মানুষকে হত্যা করলেন? আপনি কি পাগল?

    না, তাদের কেন মেরে ফেলা হয়েছে বলে তো? যাতে তারা আর কোনো গুজব ছড়াতে না পারে। এখন আমরা সম্পূর্ণ তৈরি। আর একটু সময় লাগবে। সেই সময়টা তুমি আমাদের দিয়েছ।

    সাদা পোশাক পরা মেয়েটি সবকিছু শুনছিলেন। তিনি কিছুই বললেন না। তার ভাবনা এখন অনেক দুরে বিস্তৃত হয়েছে। এক্ষুনি ওরা আসবে।

    আকাশের দিকে সবাই তাকিয়ে দেখলেন। হ্যাঁ, একটা মস্ত বড়ো সাদা মেঘ। ধীরে ধীরে নীচে নেমে আসছে। তারপর? সমুদ্রে ঝড়, লস এঞ্জেলস, নিউইয়র্ক, টোকিও- হাজার হাজার মানুষের মৃত্যু। দেখা যাচ্ছে, উজ্জ্বল সূর্য, মৃত পশুর মিছিল।

    চিন, দাঙ্গা বেঁধে গেছে, ভারতবর্ষে দুর্ভিক্ষ, শুরু হয়েছে পারমাণবিক যুদ্ধ। তারপর মানুষ আবার তার আদিম অবস্থানে ফিরে গেছে।

    এটা একটা কল্পনা। দৃশ্যটা হারিয়ে গেল। নীরবতা আর কিছু নেই।

    অ্যাডমিরাল হুইট্যাকার বললেন- কী হল? গণ আতঙ্ক। এর কোনো অর্থ আছে কি?

    উনি ওই গ্রহান্তরের মানুষের কাছে এগিয়ে এলেন। বললেন– আমি আপনাকে ওয়াশিংটনে নিয়ে যাব। আপনার সম্পর্কে কিছু খবর নিতে হবে। তারপর রবার্টের দিকে তাকালেন।-তুমি শেষ হয়ে গেছে। ফ্রাঙ্ক জনসনকে বললেন- হ্যাঁ, এবার আপনার দায়িত্ব।

    কর্নেল জনসন পিস্তলটা বার করে নিলেন। সুশান মন্টের কাছ থেকে সরতে চাইছিলেন। রবার্টের কাছে তিনি যেতে চাইছিলেন। অ্যাডমিরাল চিৎকার করে বললেন- এক্ষুনি ওকে মেরে ফেলল।

    কর্নেল জনসন বন্দুকটা তাক করলেন।

    তারপর বললেন- অ্যাডমিরাল, আপনাকে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে।

    অ্যাডমিরাল অবাক হয়ে গেছেন–আপনি কী বলছেন? আমি বলছি, ওকে মেরে ফেলতে।

    না, আমি আপনার সংস্থায় কেন ঢুকেছি বলুন তো? আমি চেয়েছিলাম যাতে কমান্ডার বেলামিকে হত্যা না করা হয়। তাকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে। তিনি রবার্টের দিকে ফিরে বললেন, দুঃখিত, আমি আপনাকে ভুল বুঝেছি।

    অ্যাডমিরাল হুইট্যাকারের মুখ লজ্জায় লাল। তা হলে? আপনি ক্ষতি করেছেন? আমাদের সংস্থায়।

    –এই সংগঠনের কথা বলে আর লাভ নেই? খেলাটা শেষ হয়ে গেছে, অ্যাডমিরাল।

    আকাশে আলো এবং শব্দ। মস্ত বড়ো আকাশ যানটা ধীরে ধীরে নেমে আসছে। তারা সকলে অবাক বিস্ময়ে তাকিয়ে আছেন। একটির পর একটি। আকাশটা ঢেকে গেছে।

    সাদা পোশাক পরা মানুষটি রবার্টের দিকে তাকালেন। হয়তো কিছু বলার ছিল- আমি চলে যাচ্ছি, মেয়েটি বলতে চেয়েছিলেন। উনি অ্যাডমিরাল হুইট্যাকারের দিকে তাকালেন। জেনারেল হিলিয়াড এবং মন্টে বাঙ্কস, আপনারা সবাই আমার সঙ্গে আসুন।

    অ্যাডমিরাল হুইট্যাকার বললেন- না, আমি যাব না।

    উনি হাত বাড়ালেন। এক মুহূর্ত, তারপর–তিনজন ধীরে ধীরে ওপর দিকে উঠে যচ্ছেন। কে যেন সম্মোহন করছে।

    অ্যাডমিরাল চিৎকার করছেন না, আমি যাব না।

    আর্তনাদের শব্দ। না, এবার কী হবে?

    সুশান রবার্টের কাছে দাঁড়িয়ে আছেন। সত্যি, রবার্ট, তুমি ছাড়া আর কেউ এখানে নেই। হা, সকলে–সকলে চলে গেছে।

    সাদা পোশাক পরা মেয়েটি ওই মহাকাশ যানে ঢুকে পড়লেন। আলো জ্বলে উঠেছে। তারপর? মহাকাশযান যাত্রা শুরু করল। তারপর ওই ছোটো জাহাজগুলো সকলের চোখের সামনে থেকে হারিয়ে গেল।

    -রবার্ট! সুশান রবার্টের দিকে তাকিয়ে আছেন। সুশানের মুখে হাসি।

    এভাবেই হয়তো একটা নতুন গল্প শুরু হল

    লেখকের সংযোজনা— এই উপন্যাসটি লেখার সময় বিভিন্ন প্রত্যক্ষদর্শীর সঙ্গে কথা বলেছি। অজানা উড়ন্ত চাকিকে অনেকে দেখেছেন। যাঁরা মহাশূন্যে গেছেন, তারাও দেখেছেন এই মহাকাশযানকে। বিজ্ঞান এখনও এই রহস্যের সমাধান করতে পারেনি। আমরা জানি না, সত্যি সত্যি একদিন গ্রহান্তরের জীব এসে পৃথিবীটা দখল করবে কিনা? অবশ্য এখন থেকে সেই কল্পিত দৃশ্যের কথা ভেবে ভীত সন্ত্রস্ত হবার কোনো কারণ নেই।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleজেমস হেডলি চেজ রচনা সমগ্র ১ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)
    Next Article সিডনি সেলডন রচনাসমগ্র ১ – ভাষান্তর : পৃথ্বীরাজ সেন

    Related Articles

    পৃথ্বীরাজ সেন

    আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ২ (অনুবাদ : নচিকেতা ঘোষ)

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ৩ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ৪ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    অষ্টাদশ পুরাণ সমগ্র – পৃথ্বীরাজ সেন সম্পাদিত

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    জেমস বন্ড সমগ্র – ইয়ান ফ্লেমিং

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    বাংলার মাতৃসাধনা – পৃথ্বীরাজ সেন

    September 16, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }