Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সুখের সন্ধানে – বার্ট্রান্ড রাসেল

    বার্ট্রান্ড রাসেল এক পাতা গল্প253 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১২. স্নেহ-ভালবাসা

    ১২. স্নেহ-ভালবাসা

    উদ্দীপনাহীনতার একটি প্রধান কারণ হল, আমাকে কেউ ভালবাসে না এই অনুভূতি। পক্ষান্তরে বিপরীতভাবে, সকলেই আমাকে ভালবাসে এই অনুভূতি উদ্দীপনা বাড়াতে যত সাহায্য করে, অন্য কোনও কিছু তা করে না। কেউ তাকে ভালবাসে না, এই অনুভূতির বিভিন্ন রকমের কারণ থাকতে পারে। তিনি নিজেকে এমন ভয়ংকর একটি মানুষ ভাবতে পারেন, যার জন্যে কারো পক্ষে তাকে ভালবাসা সম্ভব নয়। শৈশবে তিনি হয়তো অন্যান্য শিশুদের তুলনায় কম স্নেহ পেয়েছেন অথবা তিনি এমন লোক যাকে সত্যিই কেউ ভালবাসেন না। এইসব ক্ষেত্রে কিন্তু প্রথম জীবনের দুর্ভাগ্যের জন্যে আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলাও এর কারণ হতে পারে। ভালবাসা না পাওয়ার অনুভূতি থেকে নানারকম মনোভাবের উদ্ভব হতে পারে। এরকম লোক হয়তো মরিয়া হয়ে ভালবাসা পাওয়ার জন্যে নানা অসাধারণ দয়াশীলতার কাজ করতে পারেন। কিন্তু এমন হলে তার কাজে ব্যর্থ হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি, কারণ যারা তার দয়াশীলতায় উপকৃত হবেন তারা সহজেই তার উদ্দেশ্যটা বুঝতে পারবেন। মানুষের প্রকৃতি এমনভাবে গঠিত যে, যারা ভালবাসা দাবি করেন না বলে মনে হয়, তাদেরই তা সহজে দেয়। তাই যে মানুষ কল্যাণকর কাজ করে ভালবাসা কিনতে চান, তিনি মানুষের অকৃতজ্ঞতার অভিজ্ঞতা থেকে মোহমুক্ত হন, তার কখনো মনে হয় না যে ভালবাসা তিনি কিনতে চান তার মূল্য, তার জন্যে যে বস্তুগত সুবিধা তিনি দান করছেন তার চেয়ে অনেক বেশি। তবুও তার অনুভূতি তা মেনে নিতে পারে না। অন্য একজন মানুষ, অন্যেরা তাকে ভালবাসে না, এটা জেনে যুদ্ধ বাধিয়ে অথবা বিদ্রোহ সৃষ্টি করে অথবা ডীন সুইফটের(১) মতো বিষে কলম ডুবিয়ে পৃথিবীর বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নিতে পারে। দুর্ভাগ্যের বিরুদ্ধে এই হল বীরের প্রতিক্রিয়া, এতে পৃথিবীর সকলের বিরুদ্ধে একা দাঁড়াবার মতো চরিত্রবল থাকা প্রয়োজন। কিন্তু এই উচ্চতায় উঠতে কজন সক্ষম হন? নারী বা পুরুষের অধিকাংশই যদি নিজেদের ভালবাসার ক্ষেত্রে বঞ্চিত মনে করেন, তাহলে তারা এক ভীরু নৈরাশ্যের মধ্যে ডুবে যান, যেখানে শুধুই অন্ধকার আর সেখানে মাঝে মাঝে ঈর্ষা আর বিদ্বেষের ঝলক ছাড়া আর কিছু জ্বলে ওঠে না। নিয়মানুযায়ী এই ধরণের লোকের জীবন অতিমাত্রায় আত্মকেন্দ্রিক হয়ে পড়ে এবং ভালবাসার অভাব থেকে তাদের মনে নিরাপত্তাহীনতা জন্ম নেয় আর তাকে মুক্তি পেতে তারা অভ্যাসের কাছে পুরোপুরি আত্মসমর্পন করেন। যারা বৈচিত্র্যহীন কর্মধারার দাসত্ব স্বীকার করেন তাদের এই কাজের প্রেরণা আসে বাইরের শীতল পৃথিবীর ভয় থেকে এবং তারা মনে করে, পূর্বের চলা পথেই যদি তারা আবার চলে তা হলে তারা আর আঘাত পাবেন না।

    যারা নিরাপত্তার অভাববোধ নিয়ে জীবন শুরু করেন, তাদের চেয়ে তারাই বেশি সুখী হন যারা নিরাপত্তার বোধ নিয়ে জীবন শুরু করেন। অন্ততপক্ষে যতদিন না নিরাপত্তা বোধ তাদের বিপদের মধ্যে না ফেলে। সব ক্ষেত্রে না হলেও অনেক ক্ষেত্রে যে বিপদে একজন নিমজ্জিত হয়ে পড়েন, নিরাপত্তাবোধই সেই বিপদ থেকে অন্যজনকে উদ্ধার করেন। এক গভীর গহ্বরের ওপরে অবস্থিত একটা সরু কাঠের ওপর দিয়ে হাঁটতে গেলে পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা ভয় পেলেই বেশি থাকে, ভয় না পেলে নয়। জীবনযাপনের ক্ষেত্রেও একই রীতি। ভয়হীন মানুষ অবশ্য হঠাৎ করে বিপদে পড়তে পারেন। কিন্তু অনেক বিপদসংকুল অবস্থার ভিতর থেকে অক্ষত অবস্থায় তিনি বেরিয়ে আসতে পারবেন, তবে একজন মানুষের পক্ষে তা সম্ভব নয়। এইরকম প্রয়োজনীয় আত্মপ্রত্যয়ের অসংখ্য ধরণ আছে। কেউ আত্মবিশ্বাসী পাহাড়ে, কেউ বা সমুদ্রে আবার অন্যজন হয়তো আকাশে। কিন্তু জীবনের প্রতি সাধারণ আত্মবিশ্বাস আসে সেই যথার্থ প্রয়োজনীয় ভালবাসা পেতে অভ্যস্ত হলে, অন্য কিছু থেকে নয়। উদ্দীপনার উৎসরূপে মনের যে অভ্যাস, তা নিয়েই আমি এই অধ্যায়ে আলোচনা করব।

     

     

    ভালবাসা যা দেওয়া হয় তা থেকে নয়, যা পাওয়া যায় তা থেকেই নিরাপত্তা বোধ জন্ম নেয়। এই বোধ আরো বেশি জন্মায় যদি ভালবাসা পারস্পরিক হয়। জোর দিয়ে বলতে হলে বলতে হয়, শুধু স্নেহ ভালবাসা নয়, তার সাথে শ্রদ্ধা ও প্রশংসাও মিশে থাকে। অভিনেতা, ধর্মপ্রচারক, বক্তা, রাজনীতিক যাদের কাজই হল জনগণের প্রশংসা কুড়িয়ে পাওয়া, তারা ক্রমেই এদের সমর্থনের ওপর বেশি করে নির্ভরশীল হয়ে ওঠেন। যখন তারা জনসাধারণের কাছ থেকে যোগ্য পুরস্কার পেয়ে যান, তখন তাঁদের জীবন উদ্দীপনায় ভরে ওঠে। কিন্তু যখন তা পান না। তারা অসন্তুষ্ট হন এবং আত্মকেন্দ্রিক হয়ে পড়েন। বহুজনের কেন্দ্রীভূত ভালবাসা অন্যদের জন্যে তাই করে। যে শিশু বাবা-মার প্রিয়পাত্র, সে তাদের স্নেহকে প্রকৃতির বিধান হিসাবে গ্রহণ করে। এই বিষয়ে সে বিশেষভাবে কিছু চিন্তা করে না, যদিও তার সুখের জন্যে এর গুরুত্ব অনেক। সে পৃথিবীকে নিয়ে চিন্তা করে। যেসব উত্তেজনাপূর্ণ ঘটনা তার জীবনে ঘটেছে এবং আরো সব দুঃসাহসিক ঘটনা তার ঘটতে পারে, যখন সে বড় হবে তা নিয়েও ভাবে। বাইরের নানা ব্যাপারে এই যে উৎসাহ, তার পিছনে রয়েছে সেই অনুভূতি যে, যত বিপদই আসুক বাবা মার স্নেহ তাকে সবকিছু থেকে রক্ষা করবে। যদি কোনও কারণে কোনও শিশু বাবা-মার স্নেহ থেকে বঞ্চিত হয় তবে সে শিশু সাধারণভাবে ভীরু এবং দুঃসাহসিক কাজে অনুৎসাহী হয়। তার মন ভয়ে ভয়ে থাকে। নিজেকে সে করুণা করে এবং আনন্দময় অনুসন্ধিৎসার মনোভাব নিয়ে পৃথিবীতে বেঁচে থাকার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। এ রকম শিশু অবাক হওয়ার মতো কম বয়সে জীবন, মৃত্যু এবং মানব জীবনের পরিণাম নিয়ে ধ্যান করতে শুরু করে। সে অন্তর্মুখী হয়ে ওঠে। প্রথমে বিষাদময়, কিন্তু শেষ পর্যন্ত কোনও বিশেষ দর্শনবিদ্যা বা ধর্মতত্ত্বের মধ্যে অবাস্তব সান্ত্বনা খুঁজে বেড়ায়। জগৎ বিশৃঙ্খল স্থান, এখানে আনন্দের জিনিস যেমন আছে নিরানন্দের জিনিসও আছে কিন্তু শৃঙ্খলাহীন পরমার্থ নিয়ে-এবং এই কামনার একটি বোধগম্য অবস্থা অথবা প্রতিরূপ সৃষ্টি মূলত ভয় থেকেই জাত, যাকে বলা হয় মুক্তস্থানাতঙ্ক বা এক ধরনের উন্মুক্ত স্থান সম্পর্কে ভীতি। নিজের পাঠাগারের চার দেওয়ালের মধ্যে ভীরু ছাত্রটি নিজেকে নিরাপদ মনে করে। এই পৃথিবী সমরূপ শৃঙ্খলাপূর্ণ এই অনুভূতি যদি সে নিজের মধ্যে সঞ্চারিত করতে পারে, তা হলে পথে বের হওয়ার পরও সে নিজেকে নিরাপদ মনে করবে। সে যদি আরো বেশি স্নেহ পেত, তা হলে বাস্তব পৃথিবীকে আরো কম ভয় পেতে পারত এবং মনে এক আদর্শ পৃথিবী আবিষ্কার করতে হত না যা স্থান করে নিয়েছে তার বিশ্বাসে।

     

     

    একথা কখনো সঠিক নয় যে, সব স্নেহ-ভালবাসা একই ধরনের সাহসিক অভিযানের পথে চলতে উৎসাহিত করে। যে স্নেহ দেওয়া হয়েছে তা যেন নিজেই ভীরু না হয়ে শক্তিশালী হয় এবং স্নেহের পাত্রের নিরাপত্তার চেয়েও তার উল্কর্ষতা বাড়িয়ে তোলে, যদিও তার নিরাপত্তা নিয়ে উদাসীন হতে হবে তা নয়। ভীরু জননী অথবা ধাত্রী যদি সবসময় শিশুদের সম্ভাব্য বিপদ সম্পর্কে সাবধান করতে থাকে এবং মনে করে প্রত্যেকটি কুকুরই তাদের কামড়াবে অথবা প্রত্যেকটি গরুই উদ্যত শিং ষাঁড়, তা হলে তারা নিজেদের মনের ভীরুতাকেই শিশুদের মনে সঞ্চারিত করবেন এবং তা হলে শিশুরা ভাববে মা কিংবা ধাত্রীর কাছাকাছি না থাকলেই বিপদ। যে জননী সবসময় সন্তানকে চোখে চোখে রাখতে চান তার কাছে সন্তানের এইরকম অনুভূতিই পছন্দনীয়। সন্তান পৃথিবীর সব কিছুর সাথে মানিয়ে নিক, এই ইচ্ছার চেয়েও সে সবসময় তার ওপর নির্ভরশীল হয়ে থাকুক, এই ইচ্ছাটা তার বেশি হতে পারে। এরকম অবস্থার পরিণামকে সে স্নেহ না পেলে যা হত, তার চেয়েও বেশি খারাপ হওয়ার সম্ভাবনা। শৈশবে মনের যে অভ্যাস গড়ে ওঠে, সারা জীবন তার ছাপ থেকে যায়। অনেকের কাছে প্রেমে পড়া হল পৃথিবী থেকে পালিয়ে গিয়ে এমন একটা ছোট নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধান, যেখানে তারা নিশ্চিতভাবে শ্রদ্ধা এবং প্রশংসা পায় তার যোগ্য না হয়েও, সত্যি থেকে দূরে সরে যাওয়া মানুষের আরেক আশ্রয় তার নিজের বাড়ি, ভীতি এবং ভীরুতাই তাদের এই সাহচর্যের সন্ধান দেয় যা উপভোগ করলে সেই অনুভূতি অক্রিয় হয়ে যাবে। তারা পত্নীদের কাছে তাই চান, যা আগে তারা পেয়েছে অবিজ্ঞ মায়েদের কাছে, কিন্তু তারা অবাক হয়, যদি পত্নীরা তাদের বয়ঃপ্রাপ্ত শিশু মনে করে।

     

     

    কোন্ স্নেহ শ্রেষ্ঠ তার সংজ্ঞা নির্ণয় করা খুব সহজ নয়। কারণ তার মধ্যে কিছু মাত্রায় রক্ষণাত্মক বস্তু থাকা উচিত, যাদের আমরা ভালবাসি তারা কোনও আঘাত পেলে আমরা উদাসীন থাকতে পারি না। কিন্তু আমি মনে করি, দুর্ভাগ্যের আশঙ্কা যা দুর্ভাগ্যের প্রতি সহানুভূতির, যে দুর্ভাগ্য ঘটে গেছে তার বিপরীত, ভালবাসা যতটুকু সম্ভব, অল্প হলেও একটা ভূমিকা রাখতে পারে। নিজের সম্পর্কে ভয় অন্যের সম্পর্কে ভয়ের চেয়ে আংশিক ভাল। তার ওপর প্রায় সময়েই এই বোধ অধিকার-বাসনার ছদ্মবেশ। আশা করা হয় ভয় জাগিয়ে অন্যের ওপর আরো বেশি প্রভাব প্রতিষ্ঠা করা যাবে। পুরুষ ভীরু নারীকে যে পছন্দ করে এটাও তার একটা কারণ, তাহলে তাদের রক্ষা করে দখল করা যায়। নিজের ক্ষতি না করে কোনও মানুষ অন্যের জন্যে কতটা উৎকণ্ঠার কারণ হতে পারে, তা নির্ভর করে তার চরিত্রের ওপর। যে মানুষ শক্তিমান এবং দুঃঃসাহসী, নিজের ক্ষতি ছাড়াই অনেক কিছু সহ্য করতে পারে। কিন্তু ভীরু মানুষ এইভাবে যেন বেশি কিছু না করে সেই ব্যাপারে তাকে উৎসাহিত করা উচিত।

    প্রাপ্ত স্নেহ-ভালবাসার কাজ দ্বিধাবিভক্ত। এর আগে নিরাপত্তা সম্পর্কে বলতে গিয়ে এ বিষয়ে কিছু বলা হয়েছে। কিন্তু পূর্ণ বয়সে এর মধ্যে আরেকটু বেশি জৈবিক উদ্দেশ্যের সন্ধান পাওয়া যায় এবং তা হচ্ছে পিতৃত্ব এবং মাতৃত্ব। যৌনতা-সম্পর্কিত ভালবাসার প্রেরণা জাগাতে না পারা যে কোনও নারী বা পুরুষের জন্যে চরম দুর্ভাগ্য। কেন না এতে তারা বঞ্চিত হয়, জীবন যে শ্রেষ্ঠ আনন্দ তাদের দান করে, তা থেকে। এই বঞ্চনা এখন হোক বা পরে হোক, উদ্দীপনাকে ধ্বংস করে এবং অন্তর্মুখীতা তৈরি করে। শৈশবের কোনও ভাগ্য বিপর্যয় চরিত্রে এমন ত্রুটির কারণ হতে পারে যার জন্যে উত্তর-জীবনে ভালবাসা পাওয়া তার পক্ষে আর সম্ভব হয় না, যে ধরনের ঘটনা প্রায় ঘটে থাকে। এটা নারীদের তুলনায় সম্ভবত পুরুষের ক্ষেত্রে বেশি বাস্তব, কারণ নারীকে আকর্ষণ করে সম্ভবত পুরুষের চরিত্র, আর পুরুষের আকর্ষণ থাকে নারীর রূপে। একথা অবশ্যই বলা উচিত যে, এ বিষয়ে পুরুষরা নারীদের তুলনায় নিজেদের ছোট করে, কারণ নারীরা পুরুষদের যেসব গুণে খুশী হয়, তার থেকে পুরুষরা নারীদের যেসব গুণে খুশী হয় তা কম কাম্য। আমি নিশ্চিত নই, উন্নত চরিত্র গঠন করা সুন্দর রূপ তৈরী করার চেয়ে সহজতর কিনা। কিন্তু যে কোনও ভাবে পরের ধাপটি ভালভাবে বোঝা বেশি প্রয়োজনীয় এবং নারীরা সহজেই তা অবলম্বন করে, কিন্তু আগের ধাপটি অর্জন করার জন্যে পুরুষদের যা করা দরকার তারা তা করে না।

     

     

    কোনও মানুষ যে স্নেহ-ভালবাসা পেয়ে থাকে তা নিয়েই এতক্ষণ আমরা আলোচনা করছিলাম। এখন আমি, যে স্নেহ ভালবাসা দেওয়া হয় তার কথা বলব। এটা আবার দুই প্রকার। এর একটি সম্ভবত জীবনের উদ্দীপনার সর্বাপেক্ষা মূল্যবান প্রকাশ, অন্যটা হল ভয়ের প্রকাশ। আমার কাছে প্রথমটা পুরোপুরি প্রশংসাযোগ্য, আর পরেরটা খুব বেশি হলে একটি সান্ত্বনা। আপনি যদি খুব সুন্দর দিনে মনোরম বেলাভূমির পাশ দিয়ে জাহাজে চলেন, আপনি সাগর-বেলার প্রশংসা করবেন এবং এতে আপনি আনন্দ পাবেন। এই আনন্দ সম্পূর্ণরূপে বাইরের দৃষ্টি থেকে লাভ করা এবং মনের কোনও তীব্র প্রয়োজনের সাথে তা সম্পর্কহীন। অন্যদিকে যদি আপনার জাহাজটা ডুবে যায় এবং বিকল হয়ে পড়ে এবং আপনি সাঁতার কেটে তীরে এসে ওঠেন, তখন তার প্রতি আপনার নতুন ধরনের ভালোগা জন্মাবে। তখন এই তীর হয়ে উঠবে তরঙ্গের বিরুদ্ধে নিরাপত্তা এবং এর সৌন্দৰ্য্য অথবা কুৎসিত রূপ অবান্তর ব্যাপারে পরিণত হবে। নিরাপদ জাহাজের যাত্রীর মনে যে অনুভূতি, সুন্দর ভালবাসার সমগোত্রীয় তা, ধ্বংস হয়ে যাওয়া জাহাজ থেকে সাঁতার কেটে তীরে উঠে আসা যাত্রীর অনুভূতির সাথে যা মেলে তা সুন্দর ভালবাসা নয়। এদের মধ্যে প্রথম ধরনের ভালবাসা সম্ভব সে মানুষের পক্ষে যে নিজেকে নিরাপদ বোধ করে। পক্ষান্তরে নিরাপত্তার অভাববোধ থেকে দেখা দেয় ভালবাসার পরের রূপটি। নিরাপত্তাবোধের অভাবের কারণে যে অনুভূতি তুলনায় তা অনেক বেশি বস্তুগত এবং আত্মকেন্দ্রিক কারণ ভালবাসার মানুষ এখানে মূল্যবান কারণ তার কাছ থেকে পরিষেবা পাওয়া যায় বলে সহজাত কোনও গুণের জন্যে নয়। একথা আমার বলার উদ্দেশ্য নয় যে, জীবনে এ ধরনের ভালবাসার কোনও বৈধ ভূমিকা নেই। প্রকৃতপক্ষে সকল নির্ভেজাল ভালবাসার মধ্যেই এই দুইয়ের কিছু কিছু অংশ যুক্তভাবে রয়েছে এবং ভালবাসা যতটুকু নিরাপত্তা বোধহীনতাকে দূর করতে সক্ষম ততটুকু তা একজন মানুষকে তার অনুভূতি ফিরিয়ে দেয়। যে অনুভূতি থেকে সে আবার সেই মুহূর্তে বিপন্ন এবং ভয়ার্ত জগতের সব অন্ধকার যে দূর হয়ে গেছে তা অনুভব করতে পারে। এই ধরনের ভালবাসার যে ভূমিকা জীবনে, তাকে স্বীকৃতি জানিয়েও আমাদের বলতে হয় এটা অন্যটার তুলনায় কম সুন্দর, কারণ এটা ভয়ের ওপর নির্ভর করে এবং ভয় একটি ক্ষতিকর জিনিস এবং আরো বেশি আত্মকেন্দ্রিক। সবচেয়ে সুন্দর ভালবাসায় মানুষ আশা করে নতুন সুখের, পুরোনো অ-সুখ থেকে পালাতে নয়।

     

     

    সুন্দরতম ভালবাসা যে দেয় এবং যে পায়, দুজনের জন্যেই জীবন-প্লাবী । প্রত্যেকেই পরমানন্দের সাথে ভালবাসা গ্রহণ এবং দান করে এবং পারস্পরিক সুখের কারণে সম্পূর্ণ পৃথিবীটাকে আরো বেশি চিত্তহারী মনে করে। এ ছাড়া আরো এক ধরনের ভালবাসা আছে যেটা খুব যে কম তা নয় তাতে একজন অন্যজনের প্রাণশক্তি শুষে নেয়। একজন যা দেয় অন্যজন তা গ্রহণ করে কিন্তু প্রতিদানে প্রায় কিছুই দেয় না। এই ধরনের রক্তশোষণকারীর দলে অনেক গুরুত্বপূর্ণ লোক আছে, তারা একের পর এক হতভাগ্যকে ধরে এবং বলিপ্রদত্ত প্রাণীর মতো জীবনীশক্তি নিংড়ে নেয়। এবং নিজেদের উন্নতি করে নেয় এবং আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে। কিন্তু যাদের তা শুষে নিয়েছে তারা হয়ে পড়ে নিষ্প্রভ, ম্লান এবং শক্তিহীন। এই ধরনের লোক নিজেদের স্বার্থের জন্যেই শুধু অন্যদের ব্যবহার করে কিন্তু তাদের সত্তাকে কখনো স্বীকৃতি জানায় না। তারা কিছু সময়ের জন্যে যাদের ভালবাসে বলে মনে করে, মৌলভাবে তাদের প্রতি কোনও উৎসাহ থাকে না। তারা শুধু নিজেদের কাজের প্রেরণার বিষয়ে আগ্রহী এবং সম্ভবত তা নৈর্ব্যক্তিক ধরনের। বোঝা যায় এটা তাদের স্বভাবের ক্রটি। কিন্তু তা এমন একটা রোগ যাকে সঠিকভাবে নির্ণয় করা এবং নিরাময় করা খুব সহজ নয়। প্রবল উচ্চাকাঙ্ক্ষার সাথে চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যকে প্রায়ই যুক্ত থাকতে দেখা যায়, এবং আমার মনে হয় মানুষের সুখ উৎপাদন অর্থে যে ভালবাসা, যা দুজনের আলাদা মঙ্গলের জন্যে নয়, বরং যা দুজনের মিলিত মঙ্গলের জন্যে, তাই হল প্রকৃত সুখের সবচেয়ে মূল্যবান উপকরণ। যে মানুষের অহমিকা ইস্পাতের দেওয়ালের মধ্যে আবদ্ধ সেখানে ভালবাসার এই বিস্তার সম্ভব নয় এবং জীবনের শ্রেষ্ঠ দান থেকে বঞ্চিত, তা পেশায় সে যত সফলই হোক। যে উচ্চাকাঙ্ক্ষা ভালবাসাকে তার সীমানা থেকে দূরে রাখে তা সাধারণত প্রথম জীবনের দুঃখ, পরবর্তীকালে অবিচার অথবা এমন কোনও কারণ যা নির্যাতন বাতিকে পরিণত হয়েছে, তা মানব সমাজের প্রতি রাগ বা ঘৃণা থেকে জন্ম নেয়। পৃথিবীকে সম্পূর্ণভাবে উপভোগ করতে হলে অতি-অহমিকা, যা একটি কারাগার, থেকে যে কোনও মানুষকে বের হয়ে আসতে হবে। কোনও মানুষ এই আত্ম-কাব্য থেকে বের হয়ে আসতে পেরেছে কিনা তার লক্ষণ দেখা যাবে তার যথার্থ ভালবাসার ক্ষমতা আছে কিনা তার মধ্যে। ভালবাসা পাওয়া কোনও ভাবেই যথেষ্ট নয়, ভালবাসা যা পাওয়া গেল তাকে মুক্ত করে আবার ফিরিয়ে দিতে হবে এবং যেখানে দুই একমাত্রায় বিরাজ করে সেখানেই ভালবাসা শ্রেষ্ঠ সম্ভাবনা খুঁজে পায়।

     

     

    পারস্পরিক ভালবাসা বিকাশের মনস্তাত্ত্বিক অথবা সামাজিক বাধা সবক্ষেত্রেই অত্যন্ত ক্ষতিকর। এর জন্যে পৃথিবী সর্বকালেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং এখনো হচ্ছে। যদি ভুল লোকের কাছে পড়ে, সেই ভয় থেকেই মানুষ সহজে কারো প্রশংসা করতে চায় না, তারা সহজে ভালবাসাও দিতে চায় না। যদি তা অপাত্রে দান করা হয় এই ভয়ে যদি তার কাছ থেকে অথবা সমালোচনাময় পৃথিবী থেকে দুঃখ পায়। নৈতিকতা এবং বৈষয়িকতা এই দুয়ের নামেই সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয় এবং তার ফলে যেখানেই ভালবাসার সম্পর্ক, সেখানেই উদারতা এবং সাহসিকতাকে নিরুৎসাহ করা হয়। এইসব উপদেশ-নির্দেশ মানবসমাজের বিরুদ্ধে ভীরুতা এবং ক্রোধ তৈরী করে। কারণ অনেক মানুষ জীবনভর জানতেই পারে না কী তার মৌলিক চাহিদা এবং তা থেকে সে বঞ্চিতই থেকে যায় এবং প্রতি দশজন মানুষের মধ্যে নয় জনেরই বিশ্বের প্রতি সুখী ও উদার মনোভাব গড়ে তোলার অপরিহার্য পূর্বশর্ত। এটা মনে করার কোনও কারণ নেই যে, যাদের অনৈতিক বলা হয়, তারা যাদের বলা হয় না তাদের চেয়ে উন্নত। যৌনতা সম্পর্কে অধিকাংশ সময়ে যাকে বিশুদ্ধ ভালবাসা বলা হয়, তা প্রায় থাকেই না। থাকলেও খুবই কম, বরং সেখানে দেখা যায় মৌলিক বিরূপতা, প্রত্যেকেই অন্যের কাছে ধরা না দেওয়ার চেষ্টা করে, প্রত্যেকেই নিজেদের একাকীত্বকে রক্ষা করে চলে। প্রত্যেকেই অস্পৃষ্ট থাকে এবং সে জন্যেই তারা ব্যর্থ হয়। এ ধরনের অভিজ্ঞতার কোনও বাস্তব মূল্য নেই। আমি বলি না, তাদের সযত্নে এড়িয়ে যেতে হবে, কারণ তা করতে গেলে যেখানে আরো মূল্যবান এবং গভীর ভালবাসা জন্মাবার সম্ভাবনা, তার পথেও অন্তরায় সৃষ্টি হতে পারে। কিন্তু আমি বলতে চাই, যে যৌন সম্পর্কের বাস্তব মূল্য আছে তা এমন, যেখানে কোনও বাক-সংযম নেই, যার মধ্যে দুজনের সম্পূর্ণ ব্যক্তিত্ব একসাথে মিলিত হয়ে নতুন এক সংযুক্ত ব্যক্তিত্বে রপ লাভ করবে সব রকমের সতর্কতার মধ্যে। ভালবাসায় সতর্কতা সম্ভবত যথার্থ সুখের পক্ষে সবচেয়ে বেশি মারাত্মক।

     

     

    —–
    ১. ডীন, সুইফট, Dean Jonathan Swift (১৬৬৭-১৭৪৫) আয়াল্যান্ডে জন্ম ইংরেজী ভাষার বিখ্যাত বিদ্রুপাত্মক সাহিত্যের রচয়িতা (Satirist)।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅপেক্ষবাদের অ, আ, ক, খ – বারট্রান্ড রাসেল
    Next Article কেন আমি ধর্মবিশ্বাসী নই – বার্ট্রান্ড রাসেল

    Related Articles

    বার্ট্রান্ড রাসেল

    কেন আমি ধর্মবিশ্বাসী নই – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    অপেক্ষবাদের অ, আ, ক, খ – বারট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    কর্তৃত্ব ও ব্যক্তিসত্তা – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    ধর্ম ও বিজ্ঞান – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    দর্শনের সমস্যাবলি – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    মানুষের কি কোনো ভবিষ্যত আছে? – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }