Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সুখের সন্ধানে – বার্ট্রান্ড রাসেল

    বার্ট্রান্ড রাসেল এক পাতা গল্প253 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৩. প্রতিযোগিতা

    ৩. প্রতিযোগিতা

    আপনি আমেরিকার যে কোনও লোক অথবা ইংল্যান্ডের যে কোনও ব্যবসায়ে লিপ্ত লোকের কাছে যদি জানতে চান, জীবনকে উপভোগ করার পথে সবচেয়ে বড় প্রতিবন্ধক কী, তা হলে তিনি বলবেন : ‘জীবন সংগ্রাম’। তিনি অবশ্য আন্তরিকভাবেই সে কথা বলবেন। কারণ তিনি তা বিশ্বাস করেন। কথাটা একদিক দিয়ে যেমন সত্য, তেমনি অন্য অর্থে এবং গুরুত্বপূর্ণ অর্থেই তা মিথ্যা। জীবনসংগ্রাম এমন একটি জিনিস, যা ঘটবেই। আমরা যদি সৌভাগ্যবান না হই, তা হলে আমাদের সকলকেই জীবনসংগ্রামের মুখোমুখি হতে হয়। কনরাডের(১) কাহিনীর নায়ক ফকের কথা উদাহরণস্বরূপ ধরে নেওয়া যায়। ফক ছিল এক পরিত্যক্ত জাহাজে। নাবিকদের মধ্যে যে দুজনের আগ্নেয়াস্ত্র ছিল, তাদের মধ্যে সে একজন। অন্য কয়েকজন নাবিকের শরীর ছাড়া তাদের জন্যে কোনও খাদ্যবস্তু ছিল না। দুজনে সেইসব শবদেহকে খাদ্যরূপে গ্রহণ করে যখন সব শেষ হয়ে গেল তখন শুরু হল প্রকৃত জীবনসংগ্রাম। দুই জনের মধ্যে জয়ী হয়েছিল ফক। কিন্তু তারপর থেকে সে নিরামিশাষী হয়ে গেল। কোনও ব্যবসায়ী যখন জীবনসংগ্রামের কথা বলেন তখন তিনি এই ধরণের জীবনসংগ্রামের কথ ভাবেন না। তার কাছে জীবনযুদ্ধ কথাটি ভুল অর্থে ব্যবহৃত। অত্যন্ত সাধারণ একটা ব্যাপারকে মহিমা দান করার জন্যে এটিকে তিনি নির্বাচিত করেছেন। তার স্বশ্রেণীর ব্যবসায়ীদের কজন না খেয়ে মারা গেছেন, সে কথা জানতে চান তার কাছে। আরো জানতে চান তার বন্ধুরা, যারা সর্বস্বান্ত হয়েছেন। পরে তাদের কী ঘটেছে, সকলেই জানে কোনও ব্যবসায়ী সর্বহারা হলেও তিনি আহারে-বসনে, যে লোকটি যথেষ্ট ধনী হয়ে সর্বহারা হওয়ার সুযোগ পাননি, তার চেয়ে অনেক সুখে থাকেন। এই শ্রেণীর লোকেরা জীবনসগ্রামের অর্থ বলে বোঝে জীবনে সাফল্য পাওয়ার সংগ্রামকে। যারা সগ্রামে রত, তাদের মনে এই যে ভয় নেই যে পরদিন সকালে তাদের প্রাতঃরাশ জুটবে না। তাদের ভয় হল প্রতিবেশীদের চেয়ে যদি কয়েক ধাপ ওপরে উঠতে না পারেন।

    অবাক হতে হয় একথা ভেবে যে, তারা উপলব্ধি করতে পারছেন না যে এমন কোনও যন্ত্রে তারা ধরা পড়েননি যা থেকে তাদের অব্যাহতি নেই। মূল কথাটা হল, যে দৈনন্দিন একঘেয়ে, বাঁধাধরা ও ক্লান্তিকর কাজ তারা করছেন। সেটা ওপরে ওঠার সোপান নয়। আমি অবশ্য উচ্চ-স্তরের ব্যবসায়ীদের কথা ভাবছি। তারা এর মধ্যেই প্রচুর উপার্জন করেছেন এবং তারা যদি চান তা দিয়েই সারা জীবন কাটাতে পারেন।

    এইরকম জীবন কাটানো তাদের কাছে গ্লানিকর মনে হয়। যেন তারা শত্রুর ভয়ে যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পালিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু যদি তাদের কাছে জানতে চান তাদের কাজ দিয়ে জনসাধারণের কোন্ উপকারটা করছেন, তা হলে তারা কর্মব্যস্ত জীবনের প্রচারমূলক অসার কিছু কথা তুলে ধরবেন। ঐ প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার মতো কিছু তাদের কাছে নেই।

     

     

    এই রকম একজন মানুষের জীবন বিবেচনা করুন, মনে করুন তার সুন্দর বাড়ি, সুন্দরী পত্নী এবং সুন্দর সব সন্তান রয়েছে। তিনি অন্য সবার ঘুম ভাঙার আগেই ওঠেন এবং তাড়াতাড়ি অফিসে বেরিয়ে পড়েন। সেখানে গিয়ে তাকে কুশলী কর্মকর্তার স্বরূপ প্রকাশ করতে হয়। তাকে চোয়াল দৃঢ় নিবদ্ধ করার কৌশল আয়ত্ত করতে হয়। অভ্যাস করতে হয় বাচনভঙ্গিতে দৃঢ়তা প্রকাশ এবং বাক সংযমের, যাতে অফিসভৃত্য ছাড়া আর, সবার কাছে তা প্রভাব বাড়াতে পারে। তিনি অফিসের চিঠির বিষয়ে নির্দেশ দেন, গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সাথে টেলিফোনে আলাপ করেন, বাজারের অবস্থা যাচাই করেন। তারপর এমন কোনও ব্যক্তির সাথে দুপুরের আহার সারেন, যার সাথে তিনি কোনও লাভজনক লেনদেন করছেন অথবা করবেন বলে আশা করেন। সারা অপরাহ্ন একই ধরণের কাজ চলে। তারপর তিনি বাড়ি ফেরেন। তখন তিনি ক্লান্ত, নৈশাহারের পূর্বে যথাযথ পোষাক পরে তিনি নৈশাহারে বসেন তারই মতো ক্লান্ত অন্য লোকদের সাথে। খাওয়ার সময়, যেসব মহিলা তখনো ক্লান্ত হওয়ার সুযোগ পাননি, তাদের সঙ্গ উপভোগ করছেন, এমন ভান করে যেতে হয়। এই হতভাগ্য লোকটি ঠিক কত ঘণ্টা পরে মুক্তি পান তা আগে বলা সম্ভব নয়। অবশেষে তিনি ঘুমিয়ে পড়েন এবং কয়েক ঘণ্টার জন্যে তার উত্তেজিত স্নায়ু বিশ্রাম পায়।

     

     

    এই ব্যক্তির কর্মজীবনে রয়েছে একশত গজ দৌড়ের মনস্তত্ত্ব। কিন্তু যেহেতু এই দৌড়ের শেষ লক্ষ্য হচ্ছে কবরস্থান, সেহেতু একশত গজের পক্ষে যে নিবিষ্টতা প্রয়োজন, এক্ষেত্রে তা মাত্রা ছাড়িয়ে যায়। তিনি তার সন্তানদের সম্পর্কে কী জানেন? সপ্তাহের কাজের দিনগুলিতে তাকে থাকতে হয় অফিসে। আর রবিবারে তিনি থাকেন গলফ লিংকে। তিনি তার স্ত্রীর সম্পর্কে কতটুকু খবর রাখেন? সকালে যখন স্ত্রীকে ফেলে বেরিয়ে যান, তখনো স্ত্রীর ঘুম ভাঙে না। সারা সন্ধ্যা স্বামী-স্ত্রী দুজনে সামাজিকতা রক্ষায় ব্যস্ত থাকেন, যা দুজনের অন্তরঙ্গ আলাপ-আলোচনায় বাধা হয়ে দাঁড়ায়। তার সম্ভবত কোনও পুরুষবন্ধু নেই যিনি তার কাছে মূল্যবান। কিন্তু তার এমন অনেক বন্ধু আছে যাদের সাথে আনন্দলাভের অভিনয় করতে হয়। মাঝে মাঝে তার ইচ্ছা হয় এই আনন্দ যদি তিনি সত্যিই অনুভব করতে পারতেন। তিনি বসন্তকালকে বা ফসল তোলার কালকে ততটুকুই জানেন, যতটা বাজারে লাভক্ষতির সাথে যুক্ত। মনে হয় তিনি অনেক বিদেশও ঘুরে দেখেছেন, কিন্তু চরম ক্লান্তির চোখে। বই তার কাছে তুচ্ছ, সঙ্গীত মূল্যহীন। এভাবে বছরের পর বছর কাটিয়ে তিনি নিঃসঙ্গ হয়ে পড়েন, তার মনোযোগ আরো একাগ্র হয়, ব্যবসার বাইরে জীবন হয় শুষ্ক এবং নিরানন্দময়। আমি এই জাতীয় প্রৌঢ় আমেরিকানদের স্ত্রীকন্যাদের সাথে ইউরোপে দেখেছি। স্পষ্টই বোঝা গেল এরা বেচারাকে বুঝিয়েছেন কিছু ছুটি উপভোগ করা উচিত এবং মেয়েদের পুরানো মহাদেশ ঘুরে বেড়ানোর সুযোগ দেওয়া প্রয়োজন। মাতা-কন্যা আনন্দে তাকে ঘিরে দাঁড়ায় এবং যা কিছু তাদের কাছে দেখার মতো মনে হয় তাদের দিকে তার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। গৃহস্বামী চরম ক্লান্ত, বিরক্ত। শুধু ভাবতে থাকেন অফিসের লোকেরা এখন কী করছে অথবা বেসবল ক্রীড়াজগতে কী হচ্ছে। তার নারী-সঙ্গীরা অবশেষে তার সম্পর্কে হতাশ হন এবং মনে করে পুরুষরা এক একজন বস্তুবাদী বর্বর। একথা তাদের কখনো কী মনে হয় না যে লোভের কাছে তিনি নিজেকে সঁপে দিয়েছেন। এ কথা অবশ্য সম্পূর্ণ সত্যি নয়, যেমন সতীদাহ প্রথা একজন ইউরোপীয়ানের দৃষ্টিতে যেমন, আসলে ঠিক তা নয়। হতে পারে দশটির ক্ষেত্রে নটি বিধবা স্বেচ্ছায় আত্মদান করেছে। কারণ তাকে তৈরী করা হয়েছে পুড়ে মরার গৌরব লাভের জন্যে। কারণ তাই ছিল ধর্মের বিধান। ব্যবসায়ীর গৌরব এবং ধর্ম দাবি করে আরো অধিক অর্থ উপার্জন। সুতরাং তিনি হিন্দু বিধবার মতো এই অত্যাচার আনন্দের সঙ্গে মেনে নেন। অমেরিকান ব্যবসায়ীকে আরো সুখী করতে হলে তার ধর্মকে পরিবর্তন করে নিতে হবে। যতদিন তিনি শুধু সফলতা নয়, অন্তর থেকে বিশ্বাস করবেন সাফল্যের পিছনে ধাবমান হওয়াই মানুষের কর্তব্য। যিনি তা করেন না তিনি হতভাগ্য। ততদিন তার জীবন এমন কেন্দ্রীভূত এবং চিন্তাময় থাকবে যাতে তিনি কোনওভাবেই সুখী হতে পারবেন না। অর্থ বিনিয়োগের একটি সহজ উদাহরণ দেওয়া যেতে পারে। প্রায় প্রত্যেক আমেরিকান তার অর্থের ঝুঁকিপূর্ণ বিনিয়োগ থেকে শতকরা ৮ ভাগ লভ্যাংশ চাইবেন, তবুও নিরাপদ বিনিয়োগ ৪ শতাংশ চাইবেন না। এর ফলে তাদের প্রায়ই অর্থনাশ হচ্ছে, সাথে সাথে অবিরাম মানসিক উদ্বেগ আর অশান্তি বেড়ে চলেছে। আমার নিজের কথা হচ্ছে আমি অর্থ থেকে যা চাই তা হচ্ছে নিরাপত্তার সাথে অবসর। কিন্তু একজন আধুনিক মানুষ যা চান তা হচ্ছে আরো বেশি অর্থ যা দিয়ে চমকপ্রদ সমারোহ প্রকাশ করা যায়। যাতে তিনি দীপ্তির আভায় সমশ্রেণীর ব্যক্তিকে অতিক্রম করতে পারেন। আমেরিকার সামাজিক মান অনির্দিষ্ট এবং সবসময় ওটা ওঠা-নামা করে। তার ফলে সব ধরনের উন্নাসিক প্রবৃত্তি সেখানে সামাজিক অবস্থান ভেদে একরকম স্থায়ী রূপ পেয়ে গেছে। ফলে তা বড় অস্থির। যদিও একমাত্র অর্থ দিয়েই শুধু মানুষ বড় হয়ে ওঠে না, তবু অর্থকে বাদ দিয়েও বড় হওয়া কঠিন। তার ওপর অর্থ সৃষ্টি করাই হল মস্তিষ্কের স্বীকৃত মাপ। যে ব্যক্তি অনেক অর্থ উপার্জন করেন তিনি চালাক, যিনি করতে পারেননি তিনি চালাক নন। কে আর নির্বোধ বলে পরিচিত হতে চান! সুতরাং বাজারের অবস্থা অনিশ্চিত হলে তার অবস্থা পরীক্ষার সময় তরুণদের অবস্থার মতো অস্থির হয়ে পড়ে।

     

     

    ব্যবসায় বিনষ্ট হলে পরিণতি কী হতে পারে, ব্যবসায়ীর এই দুশ্চিন্তার ভিতর যথার্থ অথচ অযৌক্তিক ভয়ের একটা অংশ প্রায়ই অনুপ্রবেশ করে। একথা স্বীকার করে নেওয়া উচিত, আরনল্ড বেনেটের(১) ‘ক্লে-হ্যাংগার’ যতই ধনবান হন, তার মন সবসময় শংঙ্কিত ছিল যে, তিনি কারখানার ভিতর মারা যাবেন। আমার মনে কোনও সন্দেহ নেই যে, যারা শৈশবে দারিদ্র্যে কষ্ট পেয়েছেন, তারা সবসময় ভয়ে। কাতর থাকেন যে, তাদের সন্তানরাও সেই দারিদ্র ভোগ করবেন। তারা ভাবতে থাকেন সেই দারিদ্র্য রুখে দিতে যত অর্থের সঞ্চয় গড়ে তোলা প্রয়োজন তা প্রায় অসম্ভব এই ভয় প্রথম প্রজন্মে অনিবার্য, কিন্তু পরবর্তী প্রজন্ম, যারা কঠিন দারিদ্র্যের মুখোমুখি হননি তাদের কাছে এই ভয় সামান্য, বাস্তব সমস্যার শুধু একটা অংশবিশেষ।

    সন্তোষের মূল উৎস প্রতিযোগিতামূলক সাফল্যের ওপর নির্ভর করে। এর ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়াই হল বাস্তব সংকট। একথা আমি অস্বীকার করি না যে, সাফল্যের অনুভূতি জীবন উপভোগ সহজ করে দেয়। একজন চিত্রশিল্পীর কথা ধরা যাক, তিনি যদি প্রথম যৌবনে অখ্যাত থাকেন এবং পরে তার প্রতিভা যথার্থ স্বীকৃতি পায়, তিনি আরো সুখী হবেন। একথাও আমি অস্বীকার করি না যে অর্থ। কিছুদূর পর্যন্ত সুখকে বাড়িয়ে তুলতে পারে। কিন্তু সেই দূরত্ব অতিক্রম করলে, সুখ আরো বেড়ে যাবে আমি তা মনে করি না। আমি মনে করি সাফল্য সুখের একটা উপাদান মাত্র। অন্যান্য আর সব উপাদানকে ত্যাগ করে যদি সাফল্য পেতে হয়, তা হলে তাকে অনেক বেশি মূল্যে কেনা হয়।

     

     

    ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর জীবনে যে দর্শন প্রচলিত, তাই হল তাদের সকল দুঃখের আকর। ইউরোপে এখনো অন্যান্য কিছু গোষ্ঠী রয়েছে, যাদের মর্যাদা নষ্ট হয়নি। কিছু কিছু দেশে একটি অভিজাত গোষ্ঠী আছে। বুদ্ধিবৃত্তি সব দেশেই রয়েছে। দু একটি ছোট দেশ বাদ দিলে অন্যসব দেশে সেনা এবং নৌবহর খুব সম্মান পায়। এখন একথা সত্যি যে একজন ব্যক্তির বৃত্তি যাই হোক, তার সাফল্যের মধ্যেই প্রতিযোগিতার একটি উপাদান আছে। তথাপি একথাটা সত্যি যে, যে ধরনের বস্তু মর্যাদা পায়, তা শুধু সাফল্য নয়, তা হল তার উৎকর্ষতা। যাই হোক তা, তার ওপরই নির্ভর করে সাফল্য। একজন বিজ্ঞানীর অর্থ থাকতে পারে, নাও পারে, অর্থ রয়েছে বলে তিনি বেশি শ্রদ্ধেয়, না হলে ততটা শ্রদ্ধেয় নন। একথা কখনো সত্যি নয়। একজন নৌবহরের খ্যাত এডমিরাল বা জেনারেলকে দরিদ্র দেখলে কেউ অবাক হন না। প্রকৃতপক্ষে এসব ক্ষেত্রে দারিদ্র্য নিজেই এক প্রকার সম্মান বহন করে যেন। এইসব কারণে ইউরোপে শুধুমাত্র অর্থ-প্রতিযোগিতা কিছু বিশেষ গোষ্ঠীর মধ্যেই সীমিত এবং মনে হয়, সে কারণে তারা সবচেয়ে বেশি প্রভাববিস্তারকারী বা সম্মানিত নন। কিন্তু আমেরিকায় বিষয়টি অন্যরকম, সেখানে পরিসেবাসমূহ জাতীয় জীবনে খুব ছোট ভূমিকা পালন করে বলে তাদের কোনও প্রভাব দেখা যায় না। জ্ঞানসমৃদ্ধ বৃত্তি সম্পর্কে বলা যায় যে, বাইরের কোনও ব্যক্তি বলতে পারেন না, একজন ডাক্তার কিংবা একজন আইনজীবী তাদের নিজ নিজ পেশায় কতটা যোগ্য। তাদের যোগ্যতা বিচার হবে শুধু তাদের উপার্জন থেকে, এবং তাদের জীবনযাত্রার মান থেকে। অধ্যাপকেরা তো ব্যবসায়ীদের ভাড়া করা ভৃত্য। সেজন্যে তারা প্রাচীন দেশগুলিতে যে শ্রদ্ধা পান, আমেরিকাতে পান তার চেয়ে অনেক কম। এই কারণেই সেখানকার পেশাজীবীরা ব্যবসায়ীদের অনুকরণ করেন এবং ইউরোপের মতো তাদের আলাদা কোনও অস্তিত্ব নেই। সুতরাং ধনিক গোষ্ঠীদের মধ্যে আর্থিক সাফল্যের জন্যে যে অশালীন এবং নির্ভেজাল সংগ্রাম চলছে তা বন্ধ করতে পারার মতো কিছুই নেই।

     

     

    প্রথম বয়স থেকেই আমেরিকান বালকেরা উপলব্ধি করে যে অর্থ-ই হল একমাত্র বস্তু যাকে গণ্য করা যায়। শিক্ষালাভে যথেষ্ট অর্থ উপার্জনের সুযোগ নেই তাই শিক্ষা নিয়ে তারা ভাবে না। শিক্ষার যে উদ্দেশ্য পরিকল্পিত হয়েছিল, তা হচ্ছে উপভোগের ক্ষমতাকে প্রশিক্ষণ দিয়ে শিখিয়ে দেওয়া। উপভোগ বলতে আমি বোঝাতে চাই সেইসব সূক্ষ্ম বিষয়ের উপভোগ, যা অপরিশীলিত মানুষের অধিকারের সীমার বাইরে। অষ্টাদশ শতকে একজন ভদ্রলোকের একটি বিশেষ পরিচয় ছিল, তিনি সাহিত্য, চিত্রকলা এবং সঙ্গীতে বিশেষ আনন্দ পেয়ে থাকেন। আজকের দিনে আমরা তার রসবোধের সাথে একমত নাও হতে পারি। কিন্তু এর মধ্যে অন্ততপক্ষে কোনও অসাধুতা ছিল না। আজকের দিনে ধনীলোকের রসবোধ সম্পূর্ণ আলাদা হতে চলেছে। তিনি কখনো বই পড়েন না। যদি তিনি নিজের সুনাম বৃদ্ধির জন্যে চিত্রশালা স্থাপনের ব্যবস্থা করতে থাকেন, তবে তার জন্যে ছবি পছন্দ করার ভার ছেড়ে দেবেন চিত্রবিশেষজ্ঞদের ওপর। এ থেকে যে আনন্দ তিনি পাবেন, তা ছবির সৌন্দর্যের দিকে তাকিয়ে নয়, অন্য ধনী ব্যক্তিদের এইসব ছবি সগ্রহ করতে দেননি সেই আনন্দে। সঙ্গীতের ক্ষেত্রেও, যদি ইহুদী হন, তবে মমগ্রাহী হতে পারেন। ইহুদী না হলে তিনি যেমন অন্যান্য শিল্পে, তেমনি এখানেও বেরসিক হতে পারেন। এসবের অর্থ দাঁড়ায় এই যে, অবসর নিয়ে কী করবেন, তিনি তা জানেন না। তিনি যতই ধনবান হতে থাকেন ততই তার পক্ষে আরো বেশি অর্থ উপার্জন করা সহজতর হয়। এবং অবশেষে দিনে পাঁচ মিনিটের অবসর পেলেও তা কীভাবে কাটাবেন তা তিনি জানেন না। বেচারা শেষ পর্যন্ত সাফল্যের কারণে কর্মহীন হয়ে পড়েন। সাফল্যই যতদিন জীবনের লক্ষ্য বলে স্বীকৃতি পাবে, ততদিন এরকমই হবে। সাফল্য অর্জনের পর তা নিয়ে কী করা যায় তা যতদিন লোকে না শিখবে, ততদিন তার জন্যে তাকে বিরক্তি আর ক্লান্তির বোঝা বহন করে যেতেই হবে।

     

     

    মনের প্রতিযোগিতামূলক অভ্যাস ধীরে ধীরে নিজের সীমা ছাড়িয়ে অন্যদিকে প্রসারিত হয়। একটা বই পড়ার দুটো উদ্দেশ্য রয়েছে। এক বইটার পাঠ উপভোগ, আর সেই পড়ার কথা অন্যদের বলা। আমেরিকায় মেয়েদের অভ্যাস হচ্ছে প্রত্যেক মাসে কোনও কোনও বই পড়া অথবা পড়ার ছলনা করা। কেউ কেউ সম্পূর্ণ বইটা শেষ করে, কেউ মাত্র প্রথম অধ্যায়টি পড়ে, কেউ শুধু বইটির সমালোচনা পড়ে। কিন্তু সবার টেবিলেই এসব দেখা যায়। তারা কিন্তু প্রথম শ্ৰেণীর সাহিত্যপুস্তক পড়ে না। পাঠাগারগুলি কখনো পড়বার জন্যে ‘হ্যামলেট’ অথবা ‘কিং লিয়র’ বেছে নিয়েছে এমন একটি মাসের নাম পাওয়া যাবে না। এমন কোনও মাসের কথা বলা যাবে না, যে মাসে দান্তে(৩) সম্বন্ধে জানার প্রয়োজন মনে হয়েছে। ফলে যা পড়া হয় তা সবই সাধারণ মানের আধুনিক বই, কোনও শ্রেষ্ঠ সাহিত্য গ্রন্থ নয়, এটাও প্রতিযোগিতার ফলাফল। সম্ভবত এর সব কিছুই খারাপ। নয়। কেননা যেসব মেয়ের কথা বলা হচ্ছে তারা নিজেরা পছন্দ করে বই পড়লে, তাদের সাহিত্য-পুরোহিত এবং সাহিত্য-প্রভুরা তাদের জন্যে যা পছন্দ করতেন, তার চেয়েও খারাপ হত।

    আধুনিক জীবনে প্রতিযোগিতার ওপর যে প্রাধান্য আরোপ করা হয়েছে তার সাথে সভ্য সমাজের আদর্শাবলীর ক্ষয়ের সম্পর্ক বিদ্যমান। অগাস্টার যুগ শেষে রোমে যা যা ঘটেছিল তা অবশ্যই এই ধরনের। নারী ও পুরুষ, বুদ্ধিবৃত্তিক আনন্দ উপভোগের ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছিল। উদাহরণস্বরূপ বলা যায় সাধারণ আলাপচারিতায় শৈল্পিক দক্ষতা, অষ্টাদশ শতকের ফরাসী সালোঁ-তে যার চরম উৎকর্ষ ঘটেছিল, চল্লিশ বছর পূর্বেও তার ঐতিহ্য সজীব ছিল। এটা এক উচ্চস্তরের শিল্প, যা প্রদর্শন করতে হত এমন কিছুর জন্যে যা ক্ষণস্থায়ী, কিন্তু এ যুগে তার কোনও মূল্য নেই যেন। চীনে দশ বছর পূর্বেও এর চর্চা ছিল। কিন্তু আমার ধারণা জাতীয়তাবাদীদের দেশসেবার নতুন উদ্যম এর চর্চাকে সম্পূর্ণরূপে উচ্ছেদ করেছে। শ্রেষ্ঠ সাহিত্যের জ্ঞান যা পঞ্চাশ বা একশত বছর আগেও শিক্ষিতসমাজে বিশ্বজনীন নির্মল আনন্দ পরিত্যক্ত হয়েছে। বসন্তকালে কয়েকজন আমেরিকান ছাত্র তাদের ক্যাম্পাস-সীমান্তের বনানীর ভিতর দিয়ে আমাকে বেড়াতে নিয়ে গিয়েছিল। চমৎকার সব বনফুলে চারিদিক ছেয়ে রয়েছে। কিন্তু পথপ্রদর্শকদের একজনও ঐ কাননের একটি ফুলের নামও জানে না। এই জ্ঞান তো তাদের কোনও কাজে লাগবে না। এই জ্ঞান তাদের উপার্জনও বাড়াবে না।

     

     

    এটা কারও ব্যক্তিগত সমস্যা নয়। কোনও ব্যক্তি বিশেষ তার সমস্যা বিচ্ছিন্নভাবে প্রতিরোধও করতে পারবে না। এই সমস্যার প্রকাশ ঘটেছে সাধারণভাবে যে জীবনদর্শন গৃহীত হয়েছে তা থেকে। যে দর্শন অনুযায়ী জীবনটাই একটা সগ্রাম, একটা প্রতিযোগিতা, যাতে শুধু সম্মান অর্জন করবে বিজয়ী। এর জন্যেই বুদ্ধি এবং মেধাকে কাজে না লাগিয়ে প্রবৃত্তির অতিরিক্ত চর্চা করা হচ্ছে। কিন্তু সম্ভবত একথা বলবার সময় আমরা ঘোড়ার আগে গাড়িকে জুড়ে দিচ্ছি। পিউরিটান (রক্ষণশীল) নীতিবাগিশরা আধুনিক সময়ে সর্বদা ইচ্ছাশক্তির ওপর জোর দিয়েছেন, যদিও মূলে তারা বিশ্বাসকেই প্রধান্য দিতেন। হতে পারে ইউরিটানবাদ তার দীর্ঘজীবনে এমন একটা প্রতিযোগিতার জন্ম দিয়েছে, যার মধ্যে ইচ্ছাশক্তির অতিবৃদ্ধি ঘটেছে এবং সেই সাথে ইন্দ্রিয়বোধ এবং মেধাকে অনাহারে শুকিয়ে মারা হয়েছে, এবং এরকম একটি প্রতিযোগিতার দর্শনকে তাদের প্রকৃতির পক্ষে সবচেয়ে উপযুক্ত বলে গ্রহণ করেছে। সে যাই হোক, প্রাগৈতিহাসিক অতিকায় ডাইনোসরদের বুদ্ধির চেয়ে দৈহিক শক্তির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা, আধুনিক ডাইনোসরদের দৈহিক ক্ষমতার বিশাল সাফল্য সর্বাঙ্গীনভাবে তাদের অনুকরণ করতে প্ররোচিত করেছে। প্রত্যেক দেশের শ্বেতাঙ্গদের জন্যে এরাই হচ্ছে আদর্শ এবং আগামী একশত বছর পর্যন্ত এটা আরো বেড়ে যাবে বলে মনে হয়। যারা এই ফ্যাশনের অনুসরণ করেনি, তারা অবশ্য একথা ভেবে সান্ত্বনা পেতে পারে যে, ডাইনোসররা শেষ পর্যন্ত বিজয়ী হতে পারেনি। তারা পরস্পরকে হত্যা করেই নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। বুদ্ধিমান যারা দূরে দাঁড়িয়ে তাদের হত্যালীলা দেখেছিল, তারাই পেয়ে গেছে তাদের রাজত্বের উত্তরাধিকার। আমাদের আধুনিক ডাইনোসররাও এমনিভাবে নিজেদের হত্যা করে শেষ হয়ে যাচ্ছে, গড়ে প্রত্যেক বিবাহ থেকে দম্পতিরা দুটি সন্তানও পেতে চান না। সন্তান আসুক এমন কামনা থেকে তারা জীবনকে উপভোগ করেন না। এখানে এই অহেতুক উদ্দীপনাহীনতার দর্শন যা তারা উত্তরাধিকার সূত্রে বহন করে চলেছে তাদের পিউরিটান পূর্বপুরুষদের কাছ থেকে, তা বর্তমান পৃথিবীতে অগ্রহণযোগ্য বলে দেখা গেছে। তারা তাদের জীবনদর্শনে এমনি অসুখী যে, সন্তানলাভের কামনা তাদের কাছে অর্থহীন হয়ে পড়েছে। তাই জৈবিক বিচারে তাদের বিলুপ্তি অনিবার্য। সেদিন খুব দূরে নয়, যখন তাদের স্থান দখল করবে এমন কিছু মানুষ যারা আরো আমোদপ্রিয় এবং প্রাণচঞ্চল।

     

     

    যে প্রতিযোগিতা জীবনের মূল লক্ষ্যরূপে বিবেচিত, তা অত্যন্ত ভয়ানক, তেমনি একাগ্র, তেমনি দৃঢ়পেশিবদ্ধ এবং অনড় বাসনার ব্যাপার যে তা খুব বেশি হলে এক বা দুই প্রজন্ম পর্যন্ত জীবনের সমরূপ ভিত্তি বলে গ্রহণ করা যেতে পারে। এই কালসীমা শেষ হলে তা থেকে অবশ্যই স্নায়বিক ক্লান্তি জন্ম নেবে, নানারকম পলায়নী মনোবৃত্তির উদয় হবে এবং কাজের মতো-ই কঠিন এবং কঠোরভাবে আমোদপ্রমোদের পিছনে ছুটবে (কাজে অবসর উপভোগ সম্ভব নয় বলে)। এবং সবার শেষে বন্ধ্যাত্বের কারণে বংশলুপ্তি ঘটবে। প্রতিযোগিতার দর্শনে শুধু যে কাজের স্পৃহা বিষময় হয়ে ওঠে তা নয়, অবকাশও একই পরিমাণ বিষময় হয়ে ওঠে। যে অবকাশ শান্তিদান করে এবং ক্লান্ত স্নায়ুকে সজীব করে তোলে তাকেই বিরক্তিকর মনে হয়। প্রতিযোগিতর বেগ অবধারিতভাবে বেড়ে যাবেই এবং তার স্বাভাবিক পরিণতি হবে মাদকদ্রব্য সেবনে আশ্রয় লাভ এবং ভেঙে পড়া। এর থেকে মুক্তির উপায় হচ্ছে জীবনের সুষম আদর্শে সুস্থ এবং প্রশান্তির জায়গাটা নির্বাচন করে তাকে স্বীকৃতিদান।

    ——–
    ১. কনরাড, Joseph Conrad (১৮৫৭-১৯২৫)। বৃটিশ ঔপন্যাসিক, তিনি জাতিতে পোলিশ। Lord Jim তার শ্রেষ্ঠ উপন্যাস।

     

     

    ২. আরনল্ড বেনেট, Amold Bennet (১৮৬৭-১৯৩১) ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক, The Old Wives Tale তাঁর শ্রেষ্ঠ উপন্যাস।

    ৩. দান্তে, Durante Alighieri (১২৬৫-১৩২১) ইতালীর কবি। বিশ্বনন্দিত মহাকবিদের একজন। তাঁকে বলা হয় ইউরোপীয় বেঁনেসার প্রথম সূর্যরশ্মি Divine Comedy তার কালজয়ী রচনা।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅপেক্ষবাদের অ, আ, ক, খ – বারট্রান্ড রাসেল
    Next Article কেন আমি ধর্মবিশ্বাসী নই – বার্ট্রান্ড রাসেল

    Related Articles

    বার্ট্রান্ড রাসেল

    কেন আমি ধর্মবিশ্বাসী নই – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    অপেক্ষবাদের অ, আ, ক, খ – বারট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    কর্তৃত্ব ও ব্যক্তিসত্তা – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    ধর্ম ও বিজ্ঞান – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    দর্শনের সমস্যাবলি – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    মানুষের কি কোনো ভবিষ্যত আছে? – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }