Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সুখের সন্ধানে – বার্ট্রান্ড রাসেল

    বার্ট্রান্ড রাসেল এক পাতা গল্প253 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৪. বিরক্তি এবং উত্তেজনা

    ৪. বিরক্তি এবং উত্তেজনা

    বিরক্তি, মানবিক আচরণের একটি উপাদানরূপে তার প্রাপ্য মনোযোগ পায়নি। এটা আমার বিশ্বাস। আমার আরো বিশ্বাস সমস্ত ঐতিহাসিক যুগকে ধরলে এই বিরক্তি এক বিরাট সহায়ক চালিকাশক্তিরূপে দেখা দিয়েছে। আজকের দিনে একথা আরো বেশি সত্যি। বিরক্তিকে বিশেষভাবে একটি মানবিক আবেগ বলে মনে হতে পারে। বন্দী প্রাণী, এটা সত্যি, মাঝে মাঝে উদাস হয়ে পড়ে। উদ্দেশ্যহীনভাবে পায়চারি করে, হাই তোলে, কিন্তু প্রকৃতির নিজস্ব পরিবেশে ওরা বিরক্তির সমধর্মী কিছুর অভিজ্ঞতা লাভ করে বলে আমার মনে হয় না। অধিকাংশ সময় তারা শত্রুর সন্ধানে নিয়ত থাকে অথবা খাদ্যের অথবা দুয়েরই। কখনো তারা সঙ্গমে ব্যস্ত, কখনো দেহকে উষ্ণ রাখতে ব্যস্ত। কিন্তু কখনো যদি অসুখী থাকে তখনো বিরক্তি অনুভব করে বলে আমি মনে করি না। সম্ভবত অন্যান্য বিষয়ের মতো, এ বিষয়েও বনমানুষদের সাথে আমাদের মিল রয়েছে, কিন্তু তাদের সাথে কোনও দিন বাস করা হয়নি বলে পরীক্ষার সুযোগ পাইনি। বিরক্তির একটি প্রধান উপাদান বর্তমান অবস্থার সাথে অধিকতর আরামপ্রদ কোনও কাল্পনিক অবস্থার সাথে তুলনা। বিরক্তির আরো একটি উপাদান কারো কর্মদক্ষতাকে সম্পূর্ণ কাজে না লাগানো। যে শত্রু কাউকে হত্যা করতে চেষ্টা করছে তার কাছ থেকে পালিয়ে যাওয়া আমার মতে অপ্রীতিকর তবে কোনভাবেই বিরক্তিকর নয়। যে মানুষকে ফাঁসি দেওয়া হচ্ছে, সে বিরক্তি অনুভব করবে না, যদি না তার অতিমানবিক সাহসিকতা থাকে। হাউস অব লর্ডস-এ প্রথম বক্তৃতা দিতে গিয়ে কেউ কখনো হাই তোলেননি। এ বিষয়ে প্রয়াত ডেভনশিয়ারের ডিউক একটি ব্যতিক্রম। তার জন্যে তিনি লর্ডদের কাছ থেকে শ্রদ্ধা অর্জন করেছিলেন। বিরক্তি হল ব্যর্থ কামনা প্রকাশের ঘটনা, যা প্রীতিকর নয় কোনওভাবেই। কিন্তু সে ঘটনা এমন যা অবসাদ-জর্জরিত মনে একদিনকে অন্যদিনের চেয়ে আলাদা করে তুলবে। বিরক্তির বিপরীত হল, এক শব্দে বলতে গেলে, আনন্দ নয়, শুধু উত্তেজনা।

    মানুষের অন্তরে, বিশেষ করে পুরুষদের উত্তেজনার স্পৃহা অত্যন্ত গভীর বাসা বেঁধেছে। আমার অনুমান, এই কামনা আগে যা ছিল তার চেয়ে সহজভাবে পূর্ণ হয়েছে শিকারের মাধ্যমে। শিকারকে অনুসরণ করার মধ্যে উত্তেজনা আছে, যুদ্ধে উত্তেজনা আছে আর প্রেম নিবেদনে। বর্বর মানুষ ঘুমন্ত স্বামীর পার্শ্ববর্তী নারীর সাথে অবৈধ প্রেমলীলায় রত হবে। এটা জেনেও স্বামী জেগে উঠলে তার তৎক্ষণাৎ মৃত্যু এরকম এক অবস্থা, আমার মনে হয় বিরক্তিকর নয়। কিন্তু কৃষিসভ্যতা আগমনের পর জীবন বিস্বাদ হয়ে পড়েছে। হয়নি শুধু অভিজাতদের জীবন, কারণ তারা এখন পর্যন্ত শিকারের যুগে রয়ে গেছেন। যন্ত্রযুগের মানুষদের ক্লান্তির কথা অনেক শোনা যায়। কিন্তু আমার মতে প্রাচীন পদ্ধতির কৃষিকাজ একই রকম ক্লান্তিকর। অধিকাংশ সমাজসেবক যা মনে করেন, আমি তার বিপরীত-টা মনে করি। আমার বলা উচিত যন্ত্রযুগ বিশ্বের মোট বিরক্তির অনেকটুকুই কমিয়ে দিয়েছে। চাকুরীজীবীদের কাজের সময়টার ওপর তাদের দখল নেই, কিন্তু সান্ধ্যকালীন অবসর তারা বিভিন্ন ধরনের আমোদ-প্রামাদে কাটাতে পারে। এই উপভোগ প্রাচীনপন্থী পল্লীগ্রামে অসম্ভব ছিল। নিম্ন মধ্যবিত্তদের জীবনে যে পরিবর্তন এসেছে সেটাও ভেবে দেখুন। আগের দিনে রাতের আহারের পর স্ত্রীকন্যারা বাসনপত্র ধুয়ে ঘর পরিষ্কার করার পর সকলে মিলে পারিবারিক গল্প-গুজব করত। সেটাই ছিল তাদের জন্যে আনন্দ উপভোগ। এর অর্থ হল বাড়ির বড়কর্তা ঘুমিয়ে পড়তেন, স্ত্রী উল বুনতেন, মেয়েরা ভাবত তাদের মরণের কথা অথবা মরুভূমির টিমবকটুতে গিয়ে বাস করার কথা। তাদের পড়াশুনা করতে দেওয়া হত না, বাড়ি থেকে বাইরে যেতে দেওয়া হত না। কারণ তত্ত্বটা ছিল এই যে সে সময় তাদের বাবা আলাপ করবেন তাদের সাথে যা সকলের জন্যেই আনন্দদায়ক হয়ে উঠবে। ভাগ্য প্রসন্ন হলে অবশেষে তারা বিয়ে করত এবং তাদের সন্তান জন্মাবার পর আবার তারা নিজেদের প্রথম জীবনের মতো নিরানন্দ চাপিয়ে দেওয়ার সুযোগ পেয়ে যেত। আর যদি বিয়ের সৌভাগ্য না হত তাহলে সারাজীবন কুমারী থেকে শেষে মনে হয় দেহেমনে এক ক্ষয় হয়ে যাওয়া নারীতে পরিণত হত। এমন ভয়ংকর ভাগ্য যা বর্বররা প্রদান করত তাদের বলিপ্রদত্তাকে। শত বছর আগের পৃথিবীর বিষয় বিবেচনা করতে হলে সেসব বিরক্তির পরিমাণটা মনে রাখতে হবে। এবং আরও অতীতে ফিরে গেলে বিরক্তির অবস্থা আরো খারাপ মনে হবে। মধ্যযুগের একটি পল্লীর একঘেয়ে শীতকালের কথা ভেবে দেখুন। লোকে লিখতে পড়তে জানত না, অন্ধকারে তাদের আলো দিতে সম্বল ছিল শুধু মোমবাতি, তাদের একটিমাত্র ঘর, অগ্নিকুণ্ডের ধোঁয়ায় ভরে যেত, আর পুরো বাড়িতে সেই একটিমাত্র ঘরই শুধু হিমঠাণ্ডা নয়। পথ চলা তখন প্রায় অসম্ভব ছিল, তাই ভিন্ন পল্লীর মানুষের দর্শন খুব কম মিলত। শীতের সন্ধ্যায় একমাত্র আনন্দজনক খেলা ছিল ডাইনিবুড়িকে খুঁজে বেড়ান এবং এই খেলার উদ্ভব হয়েছে যেসব কারণে তাদের মধ্যে বিরক্তি অন্যতম।

     

     

    পূর্বপুরুষদের তুলনায় আমাদের বিরক্তি অনেক কম, কিন্তু আমরা বিরক্তিকে বেশি ভয় পাই। আমরা জানি, বা বিশ্বাস করতে শিখেছি যে বিরক্তি মানুষের জীবনের স্বাভাবিক অংশ নয়, এবং বিরক্তিকে এড়ানো যারা চরম উত্তেজনাময় কাজের সাহায্যে। আজকাল মেয়েরা নিজেরা উপার্জন করে স্বাবলম্বী হয়েছে। এই স্বনির্ভরতা তাদের সন্ধ্যাবেলা নিজেদের মতো করে আনন্দে কাটাতে সুযোগ সৃষ্টি করেছে। তারা এখন তাদের ঠাকুমাদের সময়ের দুর্ভোগ এবং ‘সুখী পারিবারিক সময়’ কাটাবার অত্যাচার থেকে রেহাই পেয়েছে। আমেরিকায়, যারা শহরে বাস করছে, কিংবা করতে পারছে না, প্রত্যেকের একটি মোটরগাড়ি আছে, অন্ততপক্ষে একটি মোটর সাইকেল। এই যন্ত্রযানের সাহায্যে তারা সিনেমায় যেতে পারে। প্রত্যেক বাড়িতে অবশ্য একটি রেডিও আছে। আগের চেয়ে অনেক সহজে এখন তরুণ-তরুণীরা মিলতে পারে। প্রত্যেক পরিচারিকা অন্তত সপ্তাহে একদিন এমন প্রমোদ আশা করে যা স্থায়ী হয়েছিল জেন অস্টেনের(১) নায়িকার ক্ষেত্রে সারা উপন্যাস জুড়ে। সামাজিক স্তরে যতই আমরা ওপরের দিকে উঠেছি ততই আমাদের উত্তেজনা উপভোগের মাত্রা বেড়ে যাচ্ছে। যাদের সামর্থ্যে কুলাচ্ছে তারা স্থান থেকে স্থানান্তরে ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং সাথে নিয়ে চলেছে আমোদ, নৃত্য আর মদ্যপান। আর যে কারণেই হোক তারা নতুন স্থানে এসব উত্তেজনা বেশি করে উপভোগের আশা করছে। যাদের কষ্ট করে উপার্জন করতে হয়, কাজের সময় তাদের জন্যে কিছু বিরক্তি যেন অপেক্ষা করে থাকেই। কিন্তু যাদের প্রচুর অর্থ থাকার ফলে কাজ করে জীবন চালাতে হয় না তাদের চোখের সামনে যে আদর্শ, তা হচ্ছে বিরক্তি থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত জীবন। এই আদর্শ মহৎ, আমি তার অমর্যাদা করা থেকে দূরে থাকতে চাই। কিন্তু আমার সন্দেহ হয়, আদর্শবাদীরা এটা লাভ করা যত সহজ বলে ভাবেন তা তত সহজ নয়, বেশ কঠিন-ই বলা যায়। যাই হোক সকালগুলি বিরক্তিকর, গতদিনের সন্ধ্যাগুলির আনন্দময়তার অনুপাতে। মধ্য বয়স আসবে, সম্ভবত বার্ধক্যও আসবে। বিশ বছর বয়সে লোকে ভাবে ত্রিশ বছরেই জীবন শেষ হয়ে যাবে। আমি, আটান্ন বছর বয়সেও এই মত পোষণ করি না। আমার বিশ্বাস আর্থিক মূলধন ব্যয় করা যতটা অবিজ্ঞজনিত কাজ, জীবনের মূলধন নষ্ট করাও তাই। সম্ভবত কিছু বিরক্তি জীবনের একটি প্রয়োজনীয় উপাদান। বিরক্তি থেকে পলায়নের ইচ্ছা খুব স্বাভাবিক। সুযোগ পেলে মানুষের সকল জাতি তা প্রকাশ করেছে। শ্বেতাঙ্গদের কাছ থেকে যখন অসভ্যেরা প্রথম সুরার স্বাদ পেল, তারা এর সাহায্যে এতদিনের বার্ধক্যজনিত অবসাদ থেকে পালাবার একটা পথ পেয়ে গেল, এবং যে যে সময়ে সরকার হস্তক্ষেপ করেছে সেই সেই সময় ছাড়া তারা অবিরাম মদ্যপান এবং হুল্লোড় করতে করতে মৃত্যুকে বরণ করেছে। যুদ্ধ, গণহত্যা এবং উৎপীড়ন– এসবই বিরক্তি থেকে পালাবার এক একটি পথ। এমন কী চুপচাপ থাকার চেয়ে প্রতিবেশিদের সাথে কলহ-বিবাদ করাও অনেক ভাল বলে মনে হয়। নীতিবাগীশদের কাছে বিরক্তি তাই একটি প্রধান সমস্যা এবং মানবসমাজে অন্তত অর্ধেক পাপ বিরক্তির ভয়েই ঘটে থাকে।

     

     

    বিরক্তি সম্পূর্ণ অশুভ, এটা মনে করা অনুচিত। বিরক্তি দু’রকমের হতে পারে। এক ধরনের বিরক্তি ফলপ্রসু, অন্যটা একেবারে ফলহীন। প্রথমটা জন্মে মাদক আর নেশার অভাবে, দ্বিতীয়টার উদ্ভব হয় প্রয়োজনীয় কাজের অভাবে। সব ধরনের উত্তেজনা সীমিতভাবে হলেও মাদকবস্তুর একটা ভূমিকা থাকে। যে জীবন অত্যন্ত উত্তেজনাপূর্ণ তা পরিশ্রান্ত এক জীবন যেখানে শিহরণ পাওয়ার জন্যে, যা আনন্দের একটা প্রয়োজনীয় অংশ বলে মনে করা হয়, দরকার হয় অবিরাম অতি উদ্দীপক কিছুর যোগান। যে ব্যক্তি অতিরিক্ত উত্তেজনায় অভ্যস্ত সে একজন অসুস্থ ব্যক্তি যার লোভ রয়েছে গোলমরিচের প্রতি, সে পরে মরিচের পরিমাণমাত্রা ছাড়িয়ে গেলেও আর স্বাদ পাবে না, অথচ সেই পরিমাণ গোলমরিচে অন্য যে কেউ দম আটকে মারা যাবে। অতিরিক্ত উত্তেজনা এড়ানোর মধ্যে কিছু বিরক্তি থাকেই, আর অতিরিক্ত উত্তেজনা শুধু যে স্বাস্থ্যের জন্যে ক্ষতিকর তা নয়, তা সবরকম উপভোগের স্বাদ নষ্ট করে দেয় আর গভীর ইন্দ্রিয়তৃপ্তির পরিবর্তে বিকৃতিতে আসক্তি জন্মায়। জ্ঞানের বদলে চাতুর্য্য এবং রূপের বদলে অমসৃণতা জাগিয়ে তোলে। উত্তেজনার বিরুদ্ধে আমি চরম কিছু বলছি না। কিছু পরিমাণে উত্তেজনা স্বাস্থ্যপ্রদ কিন্তু অন্য সব জিনিসের মতো এর মাত্রাও পরিমাণের বাইরে যাওয়া ঠিক নয়। উত্তেজনা খুব কম হলে রুগ্ন আসক্তি জাগিয়ে তুলবে আর খুব বেশি হয়ে গেলে তা ক্লান্তিকর হয়ে উঠবে। সুতরাং সুখী জীবনে কিছু পরিমাণে বিরক্তি সহ্য করার মতো ক্ষমতা থাকা জরুরী এবং এটা খুব প্রয়োজনীয় বিষয় যা তরুণদের অবশ্যই শেখানো উচিত।

     

     

    সমস্ত শ্রেষ্ঠ গ্রন্থের কিছু বিরক্তিকর অংশ থাকে এবং সমস্ত মহৎ জীবনেই কিছু কিছু অনাকর্ষণীয় বিস্তার থাকে। ধরা যাক কোনও আমেরিকান প্রকাশকের বিবেচনার জন্যে সেই প্রথম ওল্ড টেস্টামেন্টের পাণ্ডুলিপি দেওয়া হয়েছে। তার মন্তব্য কী হতে পারে তা অনুমান করা কঠিন নয়। বিশেষ করে এই গ্রন্থের বংশলতিকা অধ্যায় নিয়ে তিনি বলতে পারেন না যে আপনার পাঠকরা কতগুলি মানুষের নাম জানতে আগ্রহী হবে, যাদের সম্বন্ধে আপনি তেমন কিছুই বলেননি। আমি স্বীকার করছি, আপনি শুরুটা খুব সুন্দরভাবে করেছেন। আমি প্রথমে খুব অনুপ্রাণিত হয়েছিলাম, কিন্তু সবকিছু এত বিস্তারিতভাবে বলা অতিশয়োক্তি হয়ে গেছে। এর ভিতরকার উজ্জ্বল অংশগুলি রেখে অবান্তর অংশ সব বাদ দিয়ে যুক্তিসঙ্গত আকারে কলেবর কমিয়ে পাণ্ডুলিপিটি আবার আমার কাছে নিয়ে আসুন। আধুনিক প্রকাশকের বক্তব্য অনেকটা এই ধরনের। কারণ তিনি আধুনিক পাঠকের বিরক্তির ভয় সম্পর্কে জানেন। তিনি কনফুসিয়াসের(২) শ্রেষ্ঠ গ্রন্থ, কোরান, মার্ক্সের ক্যাপিটাল এবং অন্যান্য সব পবিত্র গ্রন্থ যেগুলি ‘বেস্ট সেলার’ রূপে প্রমাণিত হয়েছে, সম্পর্কেও একই কথা বলবেন। শুধু পবিত্র গ্রন্থ সম্বন্ধে নয়, বিরক্তিকর অংশ সম্বলিত সব শ্রেষ্ঠ উপন্যাস নিয়ে তাঁর এই মত। যে উপন্যাসের প্রথম পাতা থেকে শেষ অবধি নানা চিত্তহারী বিষয়ে ঝলমল করে তা অবশ্যই মহৎ কোনও গ্রন্থ নয়। মহৎ লোকের জীবনও, কয়েকটি মহৎ মুহূর্ত ছাড়া সবসময়। চিত্তহরণকারী হয় না। সক্রেটিস(৩) নিশ্চয় মাঝে মাঝে ভোজসভায় যোগ দিয়েছেন এবং নিশ্চয় হেমলক পানের পর যখন বিষক্রিয়া শুরু হয়েছে তখনও তিনি আলাপচারিতায় প্রচুর তৃপ্তি পেয়েছেন। কিন্তু জীবনের অধিকাংশ কাল তিনি পত্নী জানৰ্থিপের সাথে শান্তিতে কাটিয়েছেন। বিকেলে ভ্রমণের সাহায্যে স্বাস্থ্যচর্চা করেছেন এবং কয়েকজন বন্ধুর সাথে মিলিতও হয়েছেন। শোনা যায় কান্ট(৪) সারা জীবনে কোয়েনিসবার্গ থেকে দশ মাইলের বেশি দূরত্বে যাননি। ডারউইন(৫) বিশ্ব পরিভ্রমণ শেষ করে অবশিষ্ট জীবন নিজের ঘরেই কাটিয়েছেন। মার্ক্স(৬) কয়েকটি বিদ্রোহের সৃষ্টি করে অবশিষ্ট জীবন ব্রিটিশ মিউজিয়ামে কাটানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। মোট কথা, দেখা যাচ্ছে শান্তিপুর্ণভাবে জীবন কাটানোই মহৎ ব্যক্তিদের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য এবং তাদের আনন্দ উপভোগ এমন নয়; যা বাইরের দৃষ্টিতে উত্তেজনাপূর্ণ মনে হতে পারে। বিরামহীন কাজ ছাড়া কোনও বড় সাফল্য সম্ভব নয়। সুতরাং এই কাজে এমনভাবে আবিষ্ট হতে হবে যে এবং তা এত কঠিন যে, তা শেষ হলে তীব্র কোনও আমোদ উপভোগ করার শক্তি থাকে না। অবশ্য ছুটির দিনে শারীরিক শক্তি বাড়ানোর জন্যে কঠিন কিছু করা চলে, যার মধ্যে আল্পস পর্বতে আরোহণ করা শ্রেষ্ঠ উদাহরণ হতে পারে।

     

     

    কম-বেশি একঘেয়ে জীবনযাপনের ক্ষমতা শৈশবকাল থেকেই অর্জন করা উচিত। এ বিষয়ে আধুনিক পিতা-মাতাদের দোষ দেওয়া যেতে পারে। তারা সন্তানদের উপভোগের জন্যে অতিরিক্ত আমোদ-প্রমোদের ব্যবস্থা করেন, যেমন চলচ্চিত্র প্রদর্শন এবং ভাল ভাল খাদ্যের আয়োজন। বিশেষ কোনও উপলক্ষ্য ছাড়া সন্তানদের কাছে তাদের একটা দিন যে অন্য দিনের চেয়ে আলাদা হওয়া কতটা প্রয়োজনীয় তা তারা বুঝতে পারেন না। শৈশবের সব আনন্দ এমন হওয়া উচিত যা শিশুরা চেষ্টা করে মাথা খাঁটিয়ে নিজেদের পরিবেশ থেকে নিজেরাই উদ্ভাবন করে নিতে পারে। উত্তেজক আনন্দ, যাতে কোনও দৈহিক পরিশ্রম নেই, যেমন নাটক উপভোগ করা, এমন প্রমোদের ব্যবস্থা তাদের জন্যে খুব কম করা উচিত। এই ধরনের উত্তেজনা নেশার মতো, ধীরে ধীরে তার মাত্রা বাড়ানোর প্রয়োজন দেখা দেয়। উত্তেজনাময় উপভোগের সময় শারীরিক যে নিষ্ক্রিয়তা দেখা যায়, তা স্বাভাবিক প্রবৃত্তির বিপরীত। জমিতে একটি চারাগাছ বাধা না পেলে স্বাভাবিকভাবে সবচেয়ে বেশি বাড়ে। শিশুর ক্ষেত্রে ঠিক তেমনই হয়। ছোটদের পক্ষে অতিরিক্ত দেশভ্রমণ, বিচিত্র বিষয়ের ওপর তাদের মনে ছাপ ফেলা ভাল নয়। কারণ তা হলে তারা বেড়ে ওঠার সাথে সাথে প্রয়োজনীয় একঘেয়েমিও আর সহ্য করতে পারবে না। আমি বলি না যে একঘেয়েমির নিজস্ব একটা মূল্য আছে। আমি বলি যে কিছু মাত্রায় একঘেয়েমি না থাকলে কোনও কোনও ভাল কাজ সম্ভব হয় না। ওয়ার্ডওয়ার্থের(৭) ‘প্রেলিউড’-এর কথাই ধরা যাক, প্রত্যেক পাঠকই জানেন তার ভাবনা বা অনুভূতির মূল্য যাই হোক, তার পক্ষেই তা সম্ভব হয়েছে, কোনও কৃত্রিম শহরবাসী যুবকের পক্ষে তা সম্ভব হত না। কোনও বালক বা যুবকের যদি গঠনমূলক কিছু করার ইচ্ছা থাকে তবে তাদের কাজের জন্যে প্রয়োজন হলে তারা স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়েই অনেক বিরক্তি সহ্য করবে। কিন্তু যে বালক বিক্ষেপ এবং অপচয়ের মধ্যে জীবন কাটিয়েছে তার মনে গঠনমূলক কিছু করবার কামনা জাগ্রত হবে না। এই কারণেই তার মন সব সময় ছুটতে পারে একের পর অন্য আনন্দের দিকে, কিছু সৃষ্টি করার দিকে নয়। এই অবস্থায় কোনও একটা যুগ যদি বিরক্তিকে সহ্য করতে না পারে, তা হলে সেই যুগ হবে ক্ষুদ্র মানুষের যুগ, যে মানুষ অন্যায়ভাবে প্রকৃতির শান্ত পথ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, যে মানুষের ভিতরকার সব জীবনধর্ম ধীরে ধীরে শুষ্ক হয়ে যায়, সেই মানুষ যেন ফুলদানিতে সাজানো কর্তিত কুসুম।

     

     

    আমি রহস্যমূলক ভাষা পছন্দ করি না। তবু আমি জানি না, যা বলতে চাই তা কবিতার বিশেষ কাব্যময় ভাষা ব্যবহার না করে বিজ্ঞানের ভাষায় কী করে বলব। আমরা যা কিছু নিয়ে ভাবতে চাই, আমরা যে এই বসুন্ধরার সন্তান সে কথা ভুললে চলবে না। আমাদের জীবন পৃথিবীর জীবনেরই অংশ এবং আমরা সব উদ্ভিদ ও প্রাণীর মতো পৃথিবী থেকেই জীবনের পুষ্টি সংগ্রহ করে থাকি। বসুন্ধরার জীবনছন্দ ধীরগামী, হেমন্ত এবং শীত বসুন্ধরার পক্ষে ততটুকু প্রয়োজন ঠিক যতটুকু প্রয়োজন বসন্ত ও গ্রীষ্ম। স্থিতি তেমনি অপরিহার্য যেমনি গতি। প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের চেয়েও শিশুর পক্ষে পার্থিব জীবনের জোয়ার-ভাটার প্রবাহের সাথে সংযোগ রাখা বেশি প্রয়োজন। মানুষের দেহ যুগ যুগ ধরে এই ছন্দের সাথে নিজেদের মানিয়ে নিয়েছে এবং ধর্ম তার থেকে কিছু অংশ নিয়ে ইস্টার উৎসবের সাথে মিলিয়ে দিয়েছে। যেমন ইস্টার উৎসবে আমি দু’বছর বয়সের একটি বালককে দেখেছি, যে সবসময় লন্ডনে বাস করেছে সে প্রথম সবুজ গ্রামাঞ্চলে এসে হেঁটে বেড়াবার সুযোগ পেয়েছে। তখন ছিল শীতকাল। প্রত্যেকটি জিনিস ভিজে এবং কর্দমাক্ত, প্রাপ্তবয়সী লোকের চোখে আনন্দজাগানিয়া কিছুই ছিল না। কিন্তু সেই বালকের মধ্যে বিচিত্র এক উল্লাস জেগে উঠল। সে ভিজে মাটির ওপর নতজানু হয়ে বসল আর মুখখানা ডুবিয়ে দিল সবুজ ঘাসের মধ্যে এবং অর্ধস্ফুট উল্লাসধ্বনি করতে লাগল। যে আনন্দ সেই বালক উপভোগ করছিল তা আদিম, সরল এবং অনন্য। এতে তার যে দৈহিক ও মানসিক চাহিদার তৃপ্তিসাধন হচ্ছিল, তা এমন গভীর যে, যাদের এই প্রয়োজন থেকে দূরে রাখা হয়, তারা কমই মানসিকভাবে সুস্থ থাকতে পারে। অনেক আনন্দের মধ্যে, যেমন জুয়াখেলা তার একটি ভাল উদাহরণ হতে পারে, মাটির সাথে তাদের কোনও সংযোগ নেই। এরকম আনন্দ যখন শেষ হয়, তা মানুষের মনে ঘৃণার বোধ জাগিয়ে তোলে, তাকে অতৃপ্ত রেখে যায়। কিন্তু তার কারণ কী, তা সে বুঝতে পারে না। এই আনন্দ এমন কিছুই দেয় না। যাকে আমোদ বলা যেতে পারে, বরং যেসব আমোদ-প্রমোদ আমাদের বসুন্ধরার প্রাণের সাথে সংযোগ ঘটায় তার মধ্যে এমন কিছু থাকে যা আমাদের গভীরভাবে তৃপ্তি দেয়। যখন তার অবসান হয়; তখন যে আনন্দ সে বহন করে আনে তার রেশ থেকে যায়, যদিও যখন তারা থাকে তাদের তীব্রতা অন্যান্য উদ্দীপক এবং চিত্তচাঞ্চল্যকর আমোদের চেয়ে কম হতে পারে। এই দুইয়ের পার্থক্য সম্পর্কে আমার মনে যা আছে, তা স্বরলহরীর সব স্তরের কাজের মধ্যেই আছে, সরলতম কাজ থেকে সূক্ষ্মতম সব কাজের মধ্যে। যে দু বছরের বালকটির কথা কিছুক্ষণ আগে বলেছি, সে পৃথিবীর জীবনের সাথে মিলনের যতদূর সম্ভব আদিমতম রূপটি তুলে ধরেছে। কিন্তু উচ্চতর স্তরে এই জিনিসটি পাওয়া যাবে কবিতার মধ্যে। শেক্সপীয়ারের গীতিকবিতা এত সুন্দর হতে পেরেছে এই জন্যে যে, তা এই একই আনন্দে পূর্ণ, যে আনন্দ দুই বছরের বালককে ঘাসকে আলিঙ্গন করার প্রেরণা দিয়েছিল, ‘ঐ শোনো লার্ক পাখির গান এবং ঐ হলুদ বালু কণিকারা কাছে এসো’– এই দুটি কবিতার কথা মনে করুন, দেখবেন এই কবিতা দুটির মধ্যে সেই দুই বছরের বালকের আধো আধো উচ্চারণে প্রকাশিত সেই একই আবেগ যে সুসংস্কৃত ভাষায় ফুটে উঠেছে। অথবা প্রেম এবং শুধু যৌন আকর্ষণের তফাতের কথা ভাবুন, প্রেম এমন এক উপলব্ধি যার মধ্যে দীর্ঘ খরার পর সৃষ্টি স্পর্শ পেলে উদ্ভিদের যেমন হয়, তেমনি আমাদের সকল সত্তা নতুন জীবন পায় এবং সতেজ হয়। প্রেম-বিহীন যৌনমিলনে এই উপলব্ধির কোনও সন্ধান পাওয়া যাবে না, যখন ক্ষণিকের আনন্দ শেষ হয়ে যাবে, পড়ে থাকবে শুধু ক্লান্তি, ঘৃণা এবং জীবনের শূন্যতাবোধ। প্রেম পার্থিব জীবনের অঙ্গ, প্রেমবিহীন যৌনমিলন তা নয়।

     

     

    যে বিশেষ ধরনের বিরক্তিতে আধুনিক নাগরিকরা ভুগছে তা পার্থিব জীবনের সাথে তাদের যে বিচ্ছেদ ঘটেছে তার সাথেই ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত। মরুভূমিতে তীর্থযাত্রার মতোই এ জিনিস জীবনকে তাপিত, ধূলিময় এবং তৃষিত করে তোলে। যাদের নিজেদের পছন্দানুযায়ী জীবনধারা বেছে নেওয়ার মতো সঙ্গতি রয়েছে, তাদের মধ্যে যারা বিশেষ ধরনের অসহনীয় বিরক্তিতে ভোগে, তাদের সেই বিরক্তির কারণ শুনতে আত্মবিরোধী মনে হলেও তা হচ্ছে বিরক্তির ভীতি। কল্যাণকর বিরক্তি থেকে পালিয়ে গিয়ে তারা দ্বিতীয় শ্রেণীর কবলে গিয়ে পড়েন এবং তা অনেক বেশি খারাপ। সুখী জীবন অনেক পরিমাণে শান্ত জীবন হওয়া উচিত। কেননা এইটাই একমাত্র পথ। শান্তিময় পরিবেশেই আনন্দ বেঁচে থাকে।

    ——-
    ১. জেন অস্টেন, Jane Austen (১৭৭৫-১৮১৭)। ব্রিটিশ মহিলা ঔপন্যাসিক। সৌজন্য, শিষ্টাচার, সামাজিক নীতিবোধের আদর্শে বিশ্বাসী। তাঁর রচনা নিখুঁত শিল্পলাবণ্যে উজ্জ্বল।

    ২. কনফিউসিয়াস, Confucias (খ্রীঃ পূঃ ৫৫০-৪৭৯)। চৈনিক দার্শনিক। একজন প্রজ্ঞাবান দার্শনিক রূপে পৃথিবীতে আজও স্বীকৃত এবং সম্পূজিত।

     

     

    ৩. সক্রেটিস, Socrates (খ্রীঃ পূঃ ৪৬৯-৩৯৯)। প্রাচীন গ্রীসের বিশ্বনন্দিত দার্শনিক। তিনি ছিলেন পৃথিবীতে নীতি-নৈতিকতার প্রবর্তক। প্লেটো (Plato) তাঁর প্রখ্যাত শিষ্য।

    ৪. কান্ট, Imannel Kant (১৮০৯-১৮৮২)। জার্মান দার্শনিক ও বিজ্ঞানী।

    ৫. ডারউইন, Charles Rovert Darwin (১৮০৯-১৮৮২)। অবিস্মরণীয় জীব-বিজ্ঞানী, ‘Origin of Species’ তার প্রাণীজগতের ধর্মীয় সৃষ্টিতত্ত্বেও বিরোধী বিপ্লবাত্মক গ্রন্থ।

    ৬. মার্কস, Karl Marx (১৮১৮-১৮৮৩)। রাইনল্যান্ডে জন্ম, ইহুদি সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত। সাম্যবাদী মতবাদের প্রবক্তা। ‘Das Capital’ তাঁর কালজয়ী গ্রন্থ। যাকে বলা হয় ‘Bible of the Proleteriat’। ৭. ওয়ার্ডওয়ার্থ, William Wordsworth (১৭৭০-১৮৫০) ইংরেজি সাহিত্যের রোমান্টিক কবি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅপেক্ষবাদের অ, আ, ক, খ – বারট্রান্ড রাসেল
    Next Article কেন আমি ধর্মবিশ্বাসী নই – বার্ট্রান্ড রাসেল

    Related Articles

    বার্ট্রান্ড রাসেল

    কেন আমি ধর্মবিশ্বাসী নই – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    অপেক্ষবাদের অ, আ, ক, খ – বারট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    কর্তৃত্ব ও ব্যক্তিসত্তা – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    ধর্ম ও বিজ্ঞান – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    দর্শনের সমস্যাবলি – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    মানুষের কি কোনো ভবিষ্যত আছে? – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }