Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সুখ-সমৃদ্ধি – বিদ্যুৎ মিত্র

    বিদ্যুৎ মিত্র এক পাতা গল্প181 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৪. সুখ

    সুখ

    সাফল্য চান আপনি। কেন চান?

    সাফল্য সম্পর্কে আপনার পরিষ্কার ধারণা আছে কিনা তা কখনও খতিয়ে ভেবে দেখেছেন কি? অনেকে মনে করে সাফল্য মানে টাকা, যার প্রচুর টাকা আছে সেই সফল। আসলে কি তাই?

    টাকা থাকলেই কিন্তু সুখী হওয়া যায় না। টাকা মানেই সুখ নয়। টাকা মানেই যদি সুখ না হয় তাহলে সাফল্য মানেই টাকা হতে পারে না। কারণ, সাফল্য সুখেরই নামান্তর। যে সুখী সেই সফল। সাফল্যলাভ মানে সুখ লাভ।

    আপনি সাফল্যলাভ করতে চান-কারণ কি? কারণ একটিই, আপনি সুখী হতে চান।

    সংসদ বাঙ্গালা অভিধান সুখ শব্দের অর্থ দিচ্ছে স্বাচ্ছন্দ্য, আরাম, তৃপ্তি, আনন্দ, হর্ষ-সবগুলোই ভালো হলে থাকার অর্থ প্রকাশ করছে।

    এমনিতেই মানুষের জীবন অত্যন্ত কষ্টকর। বেঁচে থাকাটা সত্যি কঠিন একটা ব্যাপার। কষ্ট লাঘবের জন্যে আপনাকে আহোরাত্র খাটতে হচ্ছে, প্রাণপণ চেষ্টা করতে হচ্ছে। সংখ্যা সীমাহীন কষ্টগুলোকে দুর করার নামই জীবন-যুদ্ধ।

    তবু মানুষ বেঁচে থাকতে চায়। যুদ্ধ করে বেঁচে থাকতে চায়। যুদ্ধ করার প্রেরণা পায় কোত্থেকে? মানুষের মধ্যে রয়েছে আরাম পাবার ইচ্ছা। তৃপ্তি পাবার সাধ, আনন্দবোধ করার লোভ, হর্ষ লাভ করার শখ। অর্থাৎ, মানুষ সুখ চায়। সুখ পাবার ব্যাকুলতাই তাকে প্রেরণা যোগায়।

    সুখ সবাই চায়। কিন্তু কোথায় পাওয়া যায় এই একান্ত প্রয়োজনীয় জিনিসটি?

    ছুটি উপলক্ষে শহরের মানুষ বেড়াতে যায় কক্সবাজারে, রাঙ্গামাটিতে, যেখানে যার ইচ্ছা। যারা শহর ছাড়তে পারে না তারা ছুটির ক’টা দিন সিনেমা দেখে, পার্কে বেড়ায়, বন্ধু-বান্ধবদের নিয়ে শহরের আশপাশে পিকনিক করে। কেন মানুষ এসব করে? কেন মানুষ বেড়াতে বের হয়, সিনেমা দেখে, পিকনিক করে? জি একটাই উত্তর, মানুষ এসব করে শুধুমাত্র সুখ খুঁজে পাবার জন্যে। সুখের সন্ধানে মানুষ হন্যে হয়ে ঘুরছে। খ্যাপা যেমন পরশপাথর খুঁজে মরে তেমনি সুখকে খুঁজছে মানুষ।

    কিন্তু মুশকিল হলো, সুখ কিনতে পাওয়া যায় না, কুড়িয়েও পাওয়া যায় না। এমনকি সুখ ভাড়ায়ও পাওয়া যায় না। হাজার হাজার মাইল দূরে যান সুখের সন্ধানে, লক্ষ-কোটি মাইল দূরে যান-পাবেন না তার সন্ধান, যদি আপনি আপনার সাথে সুখকে সাথী করে নিয়ে না যান। ( সুখকে খুজছেন খামোকা, কারণ তাকে খোঁজার দরকারই নেই, সে তো রয়েছে আপনারই মধ্যে। সুখ আপনার মধ্যেই বসবাস করছে। তাকে আপনি দেখতে পাচ্ছেন না, সেটা আপনার দোষ। তাকে যদি দেখতে পেতে চান, দেখা দেবে সে সাথে সাথে। চাইলেই হয়।

     

     

    সুখের অস্তিত্ব অনুভব করুন নিজের মধ্যে। তাকে স্বীকৃতি দিন।

    আপনার সুখ মানুষ বা বস্তুর উপর নির্ভর করে না, নির্ভর করে মানুষ এবং বস্তুর প্রতি আপনার মনোভাবের উপর। উদাহরণস্বরূপ: একই পরিস্থিতিতে একজন হয়তো সন্তুষ্ট এবং খুশি থাকলো, অপরজন হয়তো অনুভব করলো তার বিষণ্ণ হবার যথেষ্ট কারণ বর্তমান রয়েছে। সহজ একটি দৃষ্টান্ত উপস্থিত করছি।

    মিসেস ক এবং মিসেস খ-দুটো চরিত্র। নেপথ্য থেকে অপর এক চরিত্র মিসেস ক এবং মিসেস খ-কে কিছু উপহার পাঠালো। দুটো উপহারের প্যাকেট। প্যাকেট দুটোয় হুবহু একই উপহার সামগ্রী রয়েছে।

    মিসেস ক প্যাকেটটি খুলে উপহার সামগ্রী দেখলেন। উপহার পেয়ে আনন্দে আত্মহারা হলেন তিনি। উপহার সামগ্রী তাঁকে অত্যন্ত আনন্দ দান করেছে। সুখী হয়েছেন তিনি।

    ওদিকে, মিসেস খ-এর উপহার মিসেস ক-এর উপহারের ডুপ্লিকেট কপি হওয়া সত্ত্বেও মুখ ভার করলেন তিনি মোটেই পছন্দ হয়নি এই উপহার। তার মনে আনন্দের উদ্রেক হলো না মোটেই। অসন্তোষ অনুভব করলেন তিনি, অসুখী বোধ করলেন।

     

     

    মিসেস ক সুখী হলেন কিন্তু মিসেস খ অসুখী হলেন, একই উপহার পাওয়া সত্ত্বেও…কেন?

    গ্রহণ করার মনোভাব এর জন্যে দায়ী। মিসেস ক উপহারটিকে সম্মান এবং প্রীতির প্রতীক হিসেবে গ্রহণ করেছেন, উপহারের সামগ্রী তাঁর কাছে বড় হয়ে দেখা দেয়নি। যে উপহারটি পাঠিয়েছে সে তাকে ভালবাসে, স্নেহ করে-এটা প্রমাণ হয়েছে, এতেই তিনি খুশি এবং আনন্দিত।

    ঠিক উল্টোটি ঘটেছে মিসেস খ-এর বেলায়। উপহারটিকে নয়, উপহারের সামগ্রীটিকে তিনি বড় করে দেখছেন। প্যাকেট খোলার পর উপহার সামগ্রী দেখে সামগ্রীর বাজার দর কি হতে পারে, অনুমান করে মন খারাপ হয়ে গেছে তাঁর, ভেবেছেন, এতো সস্তাদরের জিনিস উপহার দেয় কেউ কাউকে!

    জিনিস একই গ্রহণ করার মনোভাবের তারতম্য হেতু একই জিনিস পেয়ে একজন সুখী, অপরজন অসুখী। সুখটা জিনিসের মধ্যে নয়-মনের মধ্যে।

    মানুষ অসুখী কেন হয়?

     

     

    বেশিরভাগ মানুষই নিজেকে অসুখী বলে মনে করে। হয়তো আপনিও নিজেকে সুখী বলে মনে করেন না। অথচ নিজেকে আপনার অসুখী বলে মনে করার কোনো কারণ নেই।

    কেন আপনি নিজেকে অসুখী বলে মনে করেন? কখনও ভেবেছেন কি?

    নিজেকে অসুখী মনে করার নিশ্চয়ই নির্দিষ্ট কয়েকটা কারণ আছে। সেই কারণগুলো কি আপনার জানা আছে? আমার বিশ্বাস, জানা নেই আপনার।

    আসুন, কেন আপনি নিজেকে অসুখী বলে মনে করেন জেনে নেয়া যাক। কারণগুলো জানা থাকলে উপকৃত হবেন, সুখী হবার রাস্তাটা পরিষ্কার করে ফেলতে পারবেন।

    নিজেকে অসুখী মনে করার সাধারণ কয়েকটি কারণের কথা এখানে আমি উল্লেখ করছি। আরো অনেক কারণ আছে, সহজেই সেগুলোকে চিহ্নিত করতে পারবেন আপনি।

     

     

    কারণ সমূহ: ১) অপরাধবোধ। ২) আত্মগ্লানি। ৩) পরশ্রীকাতরতা। ৪) স্বার্থপরতা। ৫) ভীরুতা। ৬) দুশ্চিন্তা।

    এই ছয়টা কারণই প্রধান। আসুন, এক এক করে প্রত্যেকটি কারণ আলোচনা করি। কারণগুলোকে বাধা বলে ধরে নিতে পারি আমরা, সুখী হবার পথে। বাধাগুলোকে দূর করা সম্পর্কে আলোচনা করবো আমরা।

    প্রথমে ধরুন, এক নম্বর বাধার্টিকে: অপরাধবোধ।

    আপনি জানেন, দেহের যেমন রোগ আছে তেমনি মনেরও নানারকম রোগ আছে। অপরাধবোধ একটি রোগ। মনের রোগ। এই রোগে আক্রান্ত হলে মানুষ জড়তাগ্রস্ত হয়ে পড়ে। সচেতন বা অচেতনভাবে সে বিশ্বাস করতে আরম্ভ করে যে সুখ জিনিসটা তার জন্যে নয়। সব ভুলে নিজেকে কখনও যদি সে হাসতে আবিষ্কার করে, আচমকা থামিয়ে দেয় সেই হাসি, হাসি-খুশি-আনন্দ-সুখ তার জন্যে নয়, মনে পড়ে যায় কথাটা।

    অপরাধবোধ মানুষকে কুরে কুরে খায়। দুর্বল, বিষণ্ণ করে তোলে।

     

     

    অপরাধবোধ থেকে মুক্তি পাবার সহজ দুটি উপায় হলো, এক: যদি সম্ভব হয় যে-কারণে অপরাধবোধ জন্মেছে সেই কারণটাকে সংশোধন বা উৎপাটন করুন। দুই: যে ঘটনা ঘটে যাবার ফলে নিজেকে আপনি অপরাধী বলে মনে করছেন তা যদি সংশোধনের অতীত হয় তাহলে নিজেকে আপনি ক্ষমা করে দিন। আপনার জ্ঞাতার্থে জানাচ্ছি, পৃথিবীতে এমন মানুষ খুব কম আছে যে তার জীবনে গুরুতর ধরনের কোনো না কোনো অপরাধ করেনি। অপরাধের গুরুত্ত্বও আবার এক একজনের কাছে এক এক রকম। ক্রোধবশত কাউকে প্রচণ্ডভাবে আহত করেও কেউ কেউ অপরাধবোধে ভোগে না, নিজেকে ক্ষমা করে দিতে পারে বলে। এই লোক নিজেকে তো ক্ষমা করেই, ভবিষ্যতে আর এ ধরনের অপরাধ না করার প্রতিজ্ঞাও গ্রহণ করে। আসলে প্রথমে সে প্রতিজ্ঞা গ্রহণ করে, তারপর নিজেকে ক্ষমা করে দেয়। এই প্রতিজ্ঞাটাই ক্ষমা করতে সাহায্য করে তাকে।

    মনোবিজ্ঞানীরা বলেন: যে অপরাধ করে ফেলেছেন তার প্রায়শ্চিত্তস্বরূপ নিজের বিরুদ্ধে যে-সব কঠোর ব্যবস্থা নেবার কথা ভেবেছেন, সব পরিহার করুন। প্রতিজ্ঞা করুন, নিজেকে ক্ষয় হতে দেবেন না, অসুখী হতে দেবেন না, ধ্বংস হতে দেবেন না এবং যে ভুল করেছেন সেটাকে একটা শিক্ষা ধরে নিয়ে তার দ্বারা

     

     

    ভবিষ্যৎ জীবনে উপকার পাবার চেষ্টা করবেন, নিজেকে গড়ে তুলবেন নিরপরাধ, সুনাগরিক, সুখী একজন মানুষ হিসেবে।

    সুখী হবার পথে দু’নম্বর বাধা: আত্মগ্লানি।

    যে-লোক করুণার পাত্র হয়ে বেঁচে আছে সে আত্মগ্লানিতে ভুগছে, বলা যেতে পারে। অনেক সময় কেউ কেউ অকারণে নিজেকে করুণার পাত্র বলে মনে করে।

    আপনি যদি আত্মগ্লানিতে ভুগতে না চান, মাথা চাড়া দিয়ে উঠুন, নিজেকে জানিয়ে দিন, আমি কারো দয়া গ্রহণ করছি না। আত্মগ্লানি থেকে মুক্তি পাবার দুটো উপায় রয়েছে। এক: নিজের পায়ে দাঁড়াবার চেষ্টা করা। খাটবেন, উপার্জন করবেন, কারো দয়ার দান নেবেন না। দুই: পরিশ্রমের বিনিময়ে বা বুদ্ধি খরচ করে যা পাচ্ছেন তা আপনার প্রাপ্য, কারো দয়ার দান নয় এই কথাটা বিশ্বাস করা।

    সহানুভূতির কাঙাল হবেন না। এই কাঙালেপনা সুখী হবার পথে। প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। কখনও যদি বিপদে পড়ে কারো সাহায্য গ্রহণ করার। দরকার পড়ে, গ্রহণ করবেন বৈকি-কিন্তু সে জন্যে আত্মগ্লানিতে ভোগার দরকার। নেই। বিপদে পড়েছেন, তাই সাহায্য নিচ্ছেন, সবাই নেয়। বিপদ থেকে উদ্ধার পাবার পর সেই সাহায্য ফিরিয়ে দেবেন-পরিশোধ হয়ে যাবে ঋণ। এই রকম সাহায্যকে দয়া বলে মনে করবেন না। মনে করবেন ধার নিচ্ছেন সাহায্য, পরিশোধ করে দেবেন যথাসময়ে।

     

     

    তিন নম্বর বাধাটি হলো: পরশ্রীকাতরতা।

    অন্যের সুখ দেখে আপনি কি ঈর্ষা বোধ করেন? যদি করেন, তাহলে আমি বলবো, বোকামি করেন। কারণ, ঈর্ষা বা হিংসা হলো খুনী, আপনার সুখকে খুন করাই এর প্রধান কাজ।

    পরশ্রীকাতরতাও একটা মানসিক ব্যাধি। এই ব্যাধি যদি আপনার মধ্যে থাকে, সুখী হবার কোনো সম্ভাবনাই আপনার নেই, জেনে রাখুন। তাড়াতাড়ি রোগটার হাত থেকে মুক্ত হওয়া দরকার আপনার।

    কিভাবে?

    উপায়টা সহজ। উপায়টার কথা পরে বলছি। তার আগে আপনাকে জানাতে চাই কেন আপনি পরশ্রীকাতরতায় ভুগছেন।

    আপনার চেয়ে ভালো হলে আছে যারা, যারা ভালো খায়-দায়, ভালো রোজগার করে, ভালো কাপড়-চোপড় পরে, গাড়ি চড়ে, বাড়ি কেনে-এরাই কি আপনার ঈর্ষার পাত্র? তা যদি হয়, তাহলে ভয়ের কিছু নেই। সহজেই ওদেরকে হিংসা না করে থাকতে পারবেন আপনি।

     

     

    সাফল্য অর্জনের পথে যাত্রী আপনি, অচিরেই আপনি পেতে যাচ্ছেন আর্থিক সচ্ছলতা, গাড়ি-বাড়ি, মানসম্মান, সকলের শ্রদ্ধা, নেতৃত্ব এবং সুখ। আপনার হিংসার পাত্র যারা, তাদেরকে ছাড়িয়ে যাচ্ছেন আপনি সাফল্য অর্জনের মাধ্যমে।

    সুখী হবার পথে চার নম্বর বাধা: স্বার্থপরতা।

    সবকিছু নিজের দিকে টেনে নেবার প্রবণতা আছে যার মধ্যে অথচ সে-সব জিনিস ব্যবহার বা কাজে লাগাবার প্রয়োজন নেই তার-এই রকম লোককে স্বার্থপর বলে। স্বার্থপর লোক কারো দিকে তো তাকায়ই না, মূলত সে নিজের দিকেও তাকায় না। কোনো জিনিসের বা বিষয়ের মালিক হওয়াটাই তার কাজ, সে। জিনিসের ব্যবহারটা তার কাছে বড় নয়। ফলে সুখী হবার প্রচুর উপকরণ থাকা সত্ত্বেও সেগুলোকে সে কাজে লাগাবার কথা ভাবে না।

    স্বার্থপরতা প্রকৃতিবিরুদ্ধ। স্বার্থপর লোক নিতে পারে, দিতে পারে না। কিন্তু প্রকৃতি শুধু দেয়। বৃক্ষ, ফুল, পাখি, নদী, মাটি, আকাশ-সবাই দাতা। প্রকৃতির দানের সীমা নেই। এ প্রকৃতির নিয়মের সাথে সঙ্গতি রেখে সৃষ্টি হয়েছে বিনিময় প্রথা। তুমি কিছু দাও, বদলে তোমাকে কিছু আমি দেবো-এটাই স্বাভাবিক নিয়ম। যতো বেশি। দেয়া যায় ততো বেশি পাওয়া সম্ভব। কেউ যদি তার জীবনে খুব বেশি কিছু না। পায়, বুঝে নিতে হবে খুব বেশি কিছু কাউকে সে দিচ্ছেও না। আপনি কি স্বার্থপর কোনো লোককে সুখী হতে দেখেছেন? আমি দেখিনি। প্রাকৃতিক নিয়মের বিরুদ্ধে কাজ করা মানে নিজের ধ্বংস ডেকে আনা। অর্থাৎ স্বার্থপর মানুষের অস্তিত্ব নিয়ে টানাটানি শুরু হবে, তার সুখী হওয়া তো পরের কথা।

     

     

    পাঁচ নম্বর বাধা: ক্ষুদ্রতা বা ভীরুতা।

    ক্ষুদ্রতার সাথে স্বার্থপরতার ঘনিষ্ঠ একটা সম্পর্ক আছে। আত্মবোধ বা বিপরীত ভঙ্গিতে বললে বলতে হয় নিজের সম্পর্কে অতি-সচেতনতাই ক্ষুদ্রতার মূল কারণ। আমরা যদি বিশেষ এক পর্যায়ে উঠে শুধুমাত্র আমাদের সুখ শান্তি সমৃদ্ধির কথা ভাবার বদলে সমাজের সুখ শান্তি সমৃদ্ধির কথা ভাবতে পারি তাহলেই ক্ষুদ্রতার গণ্ডি থেকে স্বাধীনতা এবং উদারতার অঙ্গনে প্রবেশ করতে পারি।

    আমার জন্যে সকলে নয়, সকলের জন্যে আমি-এই রকম একটা মনোভাব গড়ে তুলুন নিজের মধ্যে। তুমি আমার সুখের জন্যে কি করতে পারো’-এর বদলে ভাবুন, তোমার সুখের জতে কি করতে হবে আমাকে?’

    আপনাকে মনে রাখতে হবে, পৃথিবীর বেশিরভাগ মানুষ শুধুমাত্র নিজের কথা ভাবে, নিজের স্বার্থ দেখে। এটা মনে রাখলে, মানুষের সাথে মেলামেশা করতে, ওঠাবসা করতে, মানুষের কাছ থেকে কাজ আদায় করতে কোনোই অসুবিধে হবে

     

     

    আপনার। মানুষ কি চায় তা আপনি জানেন। সুতরাং, যা চায় তাই করুন। তাকে সাহায্য করুন, সে খুশি হয়ে উঠবে-এবং প্রতিদানও দেবে। মানুষকে আপনি সাহায্য করবেন, কারণ, আপনি তার কাছ থেকে পাবেনও অনেক কিছু।

    সুখী হবার পথে ছয় নম্বর বাধা: দুশ্চিন্তা।

    দুশ্চিন্তা এবং সুখ পরস্পরের পরম শত্রু। এদের সহাবস্থান সম্ভব নয়। দুশ্চিন্তা যদি সুখের শত্রু হয়, সুখও তেমনি দুশ্চিন্তার শত্রু। আপনি সুখী-এই মনোভাব। নিজের মধ্যে গড়ে তুলুন, দুশ্চিন্তা পালাতে দিশে পাবে না।

    দুশ্চিন্তা সময়ের অপব্যয় ঘটায়। দুশ্চিন্তা কিছুই উৎপাদন করে না। দুশ্চিন্তা সমাধান দেবার ক্ষমতাও রাখে না। দুশ্চিন্তার ধর্ম ক্ষয় করা। দুশ্চিন্তাগ্রস্ত মানুষ নিজেকে ক্ষয় করে, ক্ষয়রোগে আক্রান্ত সেই মানুষ সুখী হবে কিভাবে?

    সুখী হবার উপায় নিজেকে সুখী মনে করা। সুখ সম্পর্কে আলোচনা করুন। মানুষের সাথে। নিজেকে সুখী বলে প্রচার করুন। প্রচুর হাসুন, মানুষকে হাসান। এবং আপনি সুখী একথা ভেবে গর্ব অনুভব করুন-দেখবেন সত্যি সত্যি সুখী। একজন মানুষে পরিণত হয়েছেন আপনি।

     

     

    যেখানেই যান, সাথে করে সুখী সুখী ভাবটা নিয়ে যান। সুখের ভঙ্গি করা সুখী হবার নামান্তর। সুখ আসলে একটা বিশেষ মনোভঙ্গি মাত্র।

    যে সুখী হতে চায় সেই সুখী হতে পারে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleজবরখাকি – বর্ণালী সাহা
    Next Article আত্ম-উন্নয়ন – বিদ্যুৎ মিত্র

    Related Articles

    বিদ্যুৎ মিত্র

    আত্ম-উন্নয়ন – বিদ্যুৎ মিত্র

    October 31, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }