Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সুখ-সমৃদ্ধি – বিদ্যুৎ মিত্র

    বিদ্যুৎ মিত্র এক পাতা গল্প181 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৭. অ্যাকশন

    অ্যাকশন

    কাজ কি?

    মানুষ যা করবো বলে ভাবে তাই কাজ। তার মানে মানুষের চিন্তার ফসল কাজ।

    কাজ স্বয়ং কোনো রূপ ধারণ করে না, কাজ নিরাকার। কাজকে বাস্তবে রূপান্তরিত করলে তা নির্দিষ্ট আকার প্রাপ্ত হয়, বিশেষ একটা রূপ ধারণ করে। কেবলমাত্র তখনই তাকে আমরা দেখতে পাই, তার সম্পর্কে ধারণা পাই, তার গুণাগুণ বিচার করতে পারি।

    কাজকে বাস্তবে রূপান্তরিত করতে হলে কি নিয়ম পালন করতে হবে আপনাকে? তৎপর হতে হবে, সক্রিয় হতে হবে, অর্থাৎ, হাত-পা নেড়ে, পরিশ্রম করে একটু একটু করে পরিপূর্ণ আকার দিতে হবে কাজটাকে। এই যে পরিশ্রম, এই যে সক্রিয়তা এবং তৎপরতা, একেই বলে অ্যাকশন।

    কাজ বা অ্যাকশন দুটো আলাদা জিনিস। অনেককে বলতে শোনা যায়, ‘অমুক কাজটা করবো। কিন্তু শেষ পর্যন্ত দেখা যায় কাজটাকে বাস্তবে রূপ দিতে পারেনি সে। কেন পারেনি? পারেনি এই জন্যে যে কাজ করার ইচ্ছা তাদের মধ্যে থাকলেও, অ্যাকশন ছিলো না।

    এ খবরের কাগজে এক লোকের কাহিনী ছাপা হলো। সহজ সরল, সাধারণ একটা আইডিয়া থেকে এই লোক অঢেল প্রাচুর্যের অধিকারী হয়েছে।

    খবরটা পড়ে অনেকেই মন্তব্য করলো, “কি জানেন, এইরকম একটা আইডিয়া তো আমার মাথাতেও এসেছিল!’

    ‘আইডিয়াটাকে বাস্তবে রূপ দেবার চেষ্টা করেননি কেন?’ তাদেরকে এই প্রশ্ন করা হলে সবাই কাঁধ ঝাঁকিয়ে উত্তরটা এড়িয়ে যায়।

    উত্তরটা এড়িয়ে গেল এই জন্যে যে উত্তরে বলবার মতো কিছু নেই তাদের। আইডিয়া আছে, প্রায় সব মানুষের মধ্যেই অসংখ্য আইডিয়া থাকে, কিন্তু সেটাকে বাস্তবে রূপ দেবার জন্যে পরিশ্রম করে ক’জন, সক্রিয় এবং তৎপর হয় ক’জন? শতকরা দু’ভাগও নয়। সুতরাং আইডিয়াধারীরা শতকরা আটানব্বই জনই আইডিয়া পুষে রাখে মনে মনে, সেটাকে বাস্তবে রূপ দিতে পারে না। বাকি শতকরা দু’জন পরিশ্রম, সক্রিয়তা এবং তৎপরতার দ্বারা কাজটিকে বাস্তবে রূপ দেবার চেষ্টা করে এবং কাগজে উল্লেখিত সেই লোকের মতো সাফল্য লাভ করে, অঢেল প্রাচুর্যের অধিকারী হয়।

     

     

    অ্যাকশন কাজের বাস্তব মূর্তি তৈরি করে। কিন্তু অ্যাকশন বলতে আমরা কি বুঝি?

    অ্যাকশন হলো শক্তির প্রয়োগ।

    ফিজিক্সে দু’ধরনের শক্তি বা এনার্জির কথা বলা হয়েছে। পোটেনশিয়াল এবং কাইনেটিক।

    আসুন, এই দুই এনার্জি সম্পর্কে খানিকটা আলোচনা করা যাক। এই আলোচনা থেকে আপনার বেশ কিছু শেখার আছে।

    পোটেনশিয়াল এনার্জিকে বলা যায় সম্ভাবনার মধ্যে উপস্থিত একটা শক্তি, যার সত্যিকার বাস্তব কোনো রূপ নেই।

    কাইনেটিক এনার্জিকে বলতে পারি মূর্তিমান শক্তি, যে শক্তির প্রয়োগ প্রত্যক্ষ করা যাচ্ছে।

    আমার, আপনার, সকলের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে পোটেনশিয়াল এনার্জি বিদ্যমান। পোটেনশিয়াল এনার্জিকে আমরা যখন আড়াল থেকে বের করে আলোর মধ্যে আনি, তাকে গড়িয়ে দিই, ছুটিয়ে দিই, নির্দিষ্ট একটা আকার দিই তখনই। সেটা নতুন পরিচয় লাভ করে, সে রূপান্তরিত হয় কাইনেটিক এনার্জিতে।

     

     

    ছোট্ট একটা উদাহরণ দিলে বুঝতে সুবিধে হবে আপনার।

    ধরুন, লোহার তৈরি আধমণ ওজনের একটা গোল বল, টেবিলের উপর স্থির। হয়ে বসে আছে। বলটাকে ধাক্কা দিয়ে গড়িয়ে দিলে কি হবে?

    টেবিলের উপর রাখা কাঁচের বাসন-পেয়ালা ভেঙে নিচে পড়বে, থেঁতলে দেবে ভোজনরত অতিথির পায়ের আঙুলগুলো।

    বলটা যখন স্থির ছিলো, ওর মধ্যে ছিলো পোটেনশিয়াল এনার্জি। কিন্তু যেই। মাত্র গড়াতে শুরু করলো, ওটা আর পোটেনশিয়াল এনার্জি রইলো না, রূপান্তরিত হলো কাইনেটিক এনার্জিতে।

    .

    কারণ এবং ফলাফলের আইন

     

     

    পোটেনশিয়াল এনার্জি সব মানুষের মধ্যেই আছে, আগেই বলেছি। কিন্তু খুব কম মানুষের মধ্যে আছে কাইনেটিক এনার্জি। এর কারণ কি?

    যার মধ্যে কাইনেটিক এনার্জি নেই সে নিষ্ক্রিয়, তাই না? প্রশ্নটা তাহলে দাঁড়ালো, মানুষ নিষ্ক্রিয় হয় কেন?

    নিষ্ক্রিয়তা, ইংরেজিতে যাকে বলে ইনঅ্যাক্টিভিটি, এর কারণগুলো এখন ব্যাখ্যা করে বুঝে নেয়া যাক।

    মেলভিন পাওয়ার বলছেন, নিষ্ক্রিয়তা কারণ নয়, নিষ্ক্রিয়তা ফলাফল। এবং ফলাফল বদলাতে হলে, কারণ বদলাতে হবে।

    নিজের সম্পর্কে অনাস্থা, সময়ের অভাব, জ্ঞানের অভাব, অভিজ্ঞতার অভাব, আলস্য-এই পাঁচটির যোগফল হলো নিষ্ক্রিয়তা। মানুষ নিষ্ক্রিয় হয় এই পাঁচটি বিষয়ের কারণেই।

    আসুন, পাঁচটি বিষয়কে আলাদা আলাদা ভাবে বিচার করে দেখা যাক নিষ্ক্রিয়তার জন্যে এরা কে কি পরিমাণ দায়ী।

     

     

    প্রথমে ধরা যাক-নিজের সম্পর্কে অনাস্থা।

    আপনার আশপাশে শত শত লোক পাবেন, যারা নিজেদেরকে অযোগ্য বলে মনে করে। যারা রিকশা চালায় তারা কেন আরো ভালো কোনো পেশা বেছে নেবার চেষ্টা করে না? কারণ অন্য কোনো পেশার উপযুক্ত বলে মনে করে না তারা। নিজেদেরকে। অন্য একটি পেশায় ঢোকবার জন্যে যে-সব গুণ এবং উপকরণ থাকা দরকার তা যথেষ্ট পরিমাণে নেই-এই ভুল ধারণাই হাজার হাজার লক্ষ লক্ষ মানুষকে উপরে উঠতে দেয় না, সামনে এগোতে দেয় না। তাদের আইডিয়া এবং চিন্তাভাবনারও যে মূল্য আছে, এই উপলব্ধি তাদের মধ্যে আসে না।

    প্রমাণিত সত্য হলো, সুস্থ কোনো মানুষের বেলাতেই নিজেকে অযোগ্য বলে মনে করার প্রকৃত কোনো কারণ নেই। এ প্রশ্ন করবেন, তবু অধিকাংশ মানুষ নিজেকে অগ্য বলে মনে করে, নিজের উপর আস্থা স্থাপন করতে পারে না?

    কারণটা সাইকোলজিক্যাল। ছোটোবেলায় তাদের মনে যে ধারণা ঢুকিয়ে দেয়া হয়েছে, এ তারই বিরূপ প্রতিক্রিয়া।

    অবিবেচক অভিভাবকরা তাদের ছেলেমেয়েদেরকে অহরহ বলে থাকেন, তুমি পরীক্ষায় পাস করতে পারবে না, তোমার বুদ্ধিসুদ্ধি এক্কেবারে নেই, ভাঙবে দেখছি গ্লাসটা, তোমার দ্বারা কিচ্ছু হবে না, তোমার মাথায় গোবর আছে নাকি, ইত্যাদি। এই ধরনের বক্তব্য বারবার ঘুরিয়ে ফিরিয়ে কোনো ছেলে বা মেয়েকে বললে নিজের সম্পর্কে তার বদ্ধমূল ধারণা হয়ে যায়, আমার দ্বারা সত্যি কিছু হবে না, আমি আসলে বুদ্ধিমান নই।

     

     

    এইভাবেই ছোটো ছেলের অবচেতন মনকে জানিয়ে দেয়া হয়, সে অযোগ্য। ছেলে যখন বড় হয়, অবচেতন মন তখন তাকে প্রয়োজনে অপ্রয়োজনে মনে পড়িয়ে দেয় কথাটা, তুমি যোগ্য নও।

    নিজের প্রতি অনাস্থাবোধের শিকার কোনো ব্যক্তি চমৎকার সব আইডিয়ার অধিকারী হতে পারে, কিন্তু আইডিয়াগুলোকে বাস্তবরূপ দেবার সময় মুষড়ে পড়বে সে, সন্দেহে ভুগবে, দ্বিধা-সঙ্কোচ বোধ করবে, ভয় পাবে-অযোগ্যতার জন্যে যদি ব্যর্থ হতে হয় এই ভেবে।

    জানতে চাইবেন, অনাস্থারোধের মুঠো থেকে মুক্তি পাবার উপায় আছে কিনা।

    উপায় আছে। উপায়টা সহজও বটে।

    আমি পারবো না, আমার দ্বারা হবে না-এই ধরনের নেতিবাচক চিন্তাভাবনাগুলোকে সম্পূর্ণ পরিত্যাগ করলেই সুফল ফলবে। বদলে, ‘এটা পারবো, ওটা পারবো’-এই ধরনের ইতিবাচক চিন্তা করতে হবে আপনাকে। _ এর আগে বলেছি, আপনি যা চিন্তা করবেন নিজের সম্পর্কে, আপনি তাই। হিপনোটিজম সম্পর্কে দু’একটা কথা বলবো এখন, এই ফাঁকে জেনে নিতে।

     

     

    পারবেন যা বলেছি তা সত্য কিনা।– আজকাল আমরা হিপনোটিজম সম্পর্কে শত কথা জানতে পারছি। এই বিষয়ে। দীর্ঘকাল যাবৎ যে ভুল ধারণা ছিলো আমাদের মধ্যে, ক্রমশ তার জায়গা দখল করছে সঠিক তথ্য।

    ‘আমি কক্ষনো সম্মোহিত হবো না।’-সগর্বে এমন দাবি অনেকেই করে থাকে। কি অর্থ দাঁড়ায় এই কথাটার? হয়, সে বলতে চায়, এক, সে নিজেকে। সম্মোহিত হতে অনুমতি দেবে না। কিংবা, দুই, হিপনোটিস্ট তাকে যে জিনিসের উপর গভীর মনোযোগ স্থাপন করার পরামর্শ দেবে তাতে গভীর মনোযোগ স্থাপন করার ক্ষমতা নেই তার।

    হিপনোটিস্টদের সংখ্যা কম, এইরকম একটা সাধারণ ধারণা প্রচলিত আছে। আপনি ক’জন হিপনোটিস্টকে চেনেন? বড়জোর একজন কি দু’জনকে চেনেন। বেশিরভাগ লোকের সাথেই কোনো হিপনোটিস্টের পরিচয় নেই। অথচ, কি মজার কথা ভাবুন একবার, আমি আপনি আমরা সবাই আসলে এক একজন হিপনোটিস্ট।

    হিপনোটিজম জিনিসটা কি? না-ঘুম না-জাগরণ এমনি একটা তন্দ্রাচ্ছন্ন। অবস্থা। হিপনোটিস্ট সাজেশন দেয়, সাবজেক্ট অর্থাৎ পাত্র বা পাত্রী সেই সাজেশন গ্রহণ করে, অনুকুল সাড়া দেয় এবং নির্দেশ মত আচরণ করে।

     

     

    দৈনন্দিন জীবনে আমরা সবাই সাজেশন খয়রাত করে থাকি। যাকে উদ্দেশ্য করে সাজেশন দেয়া তার যদি আমাদের উপর আস্থা এবং বিশ্বাস থাকে, সে নির্ঘাৎ সাজেশন অনুয়ায়ী আচরণ করে-চেতন বা অবচেতন ভাবে।

    আত্মসম্মোহন সম্পর্কে মেলা আলোচনা শোনা যায়, কিন্তু আত্মসমোহন সম্পর্কে খুব কম লোকেরই পরিষ্কার ধারণা রয়েছে। অনেকের ধারণা, নিজেকে সম্মোহিত করার জন্যে অসাধারণ একটা মনের অধিকারী হতেই হবে। অথচ, না জেনে, আমরা সবাই, সর্বক্ষণ আত্মসম্মোহনের দ্বারা প্রভাবিত হচ্ছি।

    আপনি যখন বলেন, ‘আমি জানি কাজে আমি ব্যর্থ হবো।’–আপনি নিজের অজ্ঞাতে তখন আত্মসম্মোহনের একটা রীতি ব্যবহার করছেন। আপনি আপনার অবচেতন মনকে আক্ষরিক অর্থে নির্দেশ দিচ্ছেন, সে যেন এমন চিন্তা করে এবং এমন কাজ করে যার ফলাফল হয় নির্দিষ্ট ওই কাজে ব্যর্থতা।

    আপনি যখন বলেন, ‘আমি জানি, কাজটা করতে পারবো।’–এক্ষেত্রেও আপনি আত্মসম্মোহনের একটা রীতি ব্যবহার করছেন। আপনার অবচেতন মনকে আপনি নির্দেশ দিচ্ছেন, কাজটাতে সফলতা লাভ করার জন্যে আমাকে সাহায্য করো বা গাইড করো।

     

     

    আত্মসম্মোহনের নিয়ম-কানুনগুলোকে আপনার পক্ষে কাজে লাগানো যেমন সহজ, তেমনি আপনার বিরুদ্ধেও কাজে লাগানো সহজ। স্বপক্ষে কাজে লাগাতে হলে আপনাকে ইতিবাচক মনোভাবের অধিকারী হতে হবে। পারবো না, করবো, সম্ভব নয়–এগুলোর পরিবর্তে ভাবতে হবে, পারবো, করবো, সম্ভব-ইত্যাদি।

    এর আগে আপনি পড়েছেন শিক্ষা বা জ্ঞানের কোনো দাম নেই যদি না তা আপনি ব্যবহার করেন। তা যদি সত্যি বলে মানেন, এইমাত্র যা শিখেছেন, সেটাকে ব্যবহার করতে শুরু করুন এই মুহূর্তে।

    নেতিবাচক মনোভাবের জায়গায় সযত্নে স্থান দিন ইতিবাচক মনোভাবকে।

    আপনার নিজস্ব আইডিয়া, চিন্তা-ভাবনা ইত্যাদির উপর যদি আস্থা না থাকে, যদি সেগুলোকে মূল্যবান বলে মনে করতে বাধা বোধ করেন, নিম্নলিখিত পদ্ধতিতে চিন্তা করুন:

    ‘আমি একটা সুন্দর, সৃষ্টিশীল মনের অধিকারী, যে মন মূল্যবান, গঠনমূলক চিন্তা-ভাবনা করার ক্ষমতা রাখে। আমার চেতনায় যে চিন্তা প্রবাহিত হচ্ছে তা। গুরুত্বপূর্ণ, প্র্যাকটিকাল চিন্তা।’

     

     

    এবার আলোচনা করবো সময়ের অভাব সম্পর্কে।

    ‘চাকরি করি, যা বেতন পাই তাতে সংসারই ভালো চলে না, ব্যবসার জন্যে। জমাবো কোত্থেকে!’

    ব্যবসার জন্যে টাকা জমাতে পরামর্শ দিলে এক লোক আমাকে এই উত্তরটা দিয়েছিল। কিন্তু উত্তরটা শুনে আমি মনে মনে হেসেছিলাম। তারপর তাকে প্রশ্ন করেছিলাম, ‘রাত এবং দিন, কখন কিভাবে, কোন্ কাজ করে কাটান, বলবেন আমাকে?’

    লোকটা বললো, আট ঘণ্টা ঘুমাই। সকাল ছয়টার সময় ঘুম থেকে উঠি। মুখ হাত ধুয়ে নাস্তা সেরে কাপড়-চোপড় পরতে পরতে বেজে যায় সাতটা। সাড়ে সাতটায় অফিস, দু’মাইল হাঁটতে হয় আধঘণ্টার মধ্যে। অফিস থেকে বের হই দুটোর সময়, বাড়ি ফিরতে আড়াইটা বাজে। স্নানাহার সেরে একটু গড়াগড়ি দিই। বিকেল পাঁচটার সময় ছেলেমেয়েদেরকে পড়াতে বসি। সন্ধ্যার পর একটু হাঁটাহাঁটি করি, শরীরটা ঠিক রাখতে হবে তো। বাড়ি ফিরি আটটার দিকে। খেয়েদেয়ে গিন্নীর সাথে সাংসারিক আলোচনা সারতে বেজে যায় সাড়ে নটা দশটা। দশটায় বিছানায় উঠি।’

     

     

    লোকটাকে বললাম, বিকেলে ছেলেমেয়েদেরকে এক ঘণ্টা পড়ান, দু’ঘণ্টা হাঁটাহাঁটি করেন বাইরে-এই দু’ঘণ্টা কিন্তু অপব্যয় করেন। শরীর ঠিক রাখার জন্যে সকালে বা দুপুরে স্নান করার আগে পনেরো মিনিট ব্যায়াম করলেই যথেষ্ট। একই জায়গায় দাঁড়িয়ে থেকে দৌড়ুনো যায়, জানেন তো? এই একই জায়গায়। দাঁড়িয়ে দৌডুনোটা খুবই বিজ্ঞানসম্মত একটি ব্যায়াম। এই ব্যায়াম করলে দু’ঘণ্টা হাঁটাহাঁটি না করলে চলবে আপনার।’

    লোকটি বললো, ‘আচ্ছা, তাই নাকি!’।

    বললাম, দুপুরে ঘুমান বা গড়াগড়ি খান দু’ঘণ্টা। এই দু’ঘণ্টার মধ্যে দেড় ঘণ্টাই আপনি অপব্যয় করেন। কারণ, আট ঘণ্টা রাতে ঘুমুবার পর দিনের বেলা ফের বিছানায় দু’ঘণ্টা কাটাবার কোনো মানে হয় না। একজন মানুষের জন্যে আট ঘন্টা ঘুমই যথেষ্ট। আর হিপনোটিজমের মাধ্যমে যদি ঘুমটাকে গাঢ় করে নিতে পারেন, তাহলে তোকহ নেই, সাত ঘণ্টা, এমনকি ছয় ঘণ্টা ঘুমালেও শরীরের কোনো ক্ষতি হবে না অ, নার। সে যাক, দুপুরে না ঘুমিয়ে আপনি দেড়টি ঘণ্টা বাঁচাতে পারেন। হাঁটাহাঁটি থেকে দু’ঘণ্টা এবং দুপুরের ঘুম থেকে দেড় ঘণ্টা-মোট সাড়ে তিন ঘণ্টা বাঁচছে আপনার। চেষ্টা করলে অন্যান্য কাজ থেকে, যেমন রাতে খেয়েদেয়ে গিন্নীর সাথে গল্প করার সময় থেকে আরো এক দেড় ঘণ্টা বাঁচাতে পারেন। ধরুন, সাড়ে চার ঘণ্টা বাঁচবে মোট।’

     

     

    লোকটি বললো, তা হয়তো বাঁচানো যায়। কিন্তু সময় বাঁচিয়ে কি হবে?

    বললাম, ‘পার্টটাইম একটা চাকরি অনায়াসে করতে পারেন আপনি এই বাঁচানো সময়টাতে। টাইপ জানেন, চাকরি না পাবার কারণ নেই। মাসে বেশ কিছু টাকা অতিরিক্ত আসবে।’

    লোকটা আমার দিকে বোকার মতো চেয়ে ছিলো অনেকক্ষণ। ব্যবসার জন্যে টাকা জমাবার এমন সহজ একটা উপায় রয়েছে অথচ সে তা দেখতেই পায়নি-এই ভেবে লজ্জাই পেয়েছিল বেচারা। যাই হোক, আমার পরামর্শ অনুযায়ী সময় বাঁচিয়ে একটা চাকরির জন্যে উঠে পড়ে লাগলো সে। এবং, অবশেষে চাকরি পেলোও। পার্টটাইম সেই চাকরি করে প্রতি মাসে পাঁচশো টাকা করে অতিরিক্ত রোজগার করছে সে। টাকাটা জমাচ্ছে ব্যবসা করবে বলে।

    এই বাস্তব ঘটনাটা থেকে প্রমাণ হয়, সময়ের অভাব বলে কোনো জিনিস নেই।

    আসলে টাকার বাজেট না করলে যেমন মাস শেষে টাকার টান পড়ে যায়। তেমনি সময়ের বাজেট না করলে গুরুত্বপূর্ণ কাজের জন্যে সময়ের অভাব দেখা দেয়।

    .

    সময়ের বাজেট চাই

    স্বল্প আয়ের কোনো লোক যদি তার টাকার বাজেট না করে, বিপদে পড়তে হবে। তাকে। প্রতিমাসে নির্ধারিত খরচ আছে তার: বাড়ি ভাড়া, গাড়ি ভাড়া, রেশন, বাজার, ওষুধপত্র, কাপড়-চোপড়, স্কুলের বেতন, ইলেকট্রিসিটির বিল, ইসুরেন্স-আরো কতো রকম খরচ। বাজেট না করলে আজেবাজে খাতে টাকা খরচ হবেই তার। প্রয়োজনীয় খাতের জন্যে টাকার অভাব ঘটবে তখন।

    আপনি টাকার বাজেট করতে অভ্যস্ত? যদি অভ্যস্ত হন, খুবই ভালো। কিন্তু সময়ের বাজেট করেন কি?

    টাকার বাজেট করার চেয়ে সময়ের বাজেট করা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

    আপনি একটা টাকা হারিয়ে ফেললে সেটা পুনরুদ্ধার বা পুনরায় রোজগার করা সম্ভব। কিন্তু আপনি যদি একটা ঘণ্টা হারিয়ে ফেলেন? পাবেন কখনো আর সেটা ফিরে? পাবেন না। ঘণ্টাটা চিরকালের জন্যে হারিয়ে গেল।

    বেশিরভাগ মানুষ প্রত্যেকদিন কয়েক ঘণ্টা করে সময় নষ্ট করছে। সকলের নষ্ট করা সময়গুলো একত্রিত করলে দেখা যাবে কয়েক শতাব্দী সময় পৃথিবীর মানুষ নষ্ট করেছে। এই সময় যদি নষ্ট করা না হতো, সভ্যতা এগিয়ে যেতো আরো অনেক পথ।

    যে-কোনো একটি দিনকে ধরে হিসেব করা যাক। একজন মানুষ কাজ করে আট ঘণ্টা, ঘুমায় আট ঘণ্টা। বাকি রইলো আরো আট ঘণ্টা। কি কি কাজ করে সে এই আট ঘণ্টায়।

    খাওয়া-দাওয়া, প্রাত্যহিক ক্রিয়াকর্ম, ব্যবসা বা চাকরিস্থলে আসা-যাওয়া করতে ধরুন আরো লাগে তিন ঘণ্টার অবশিষ্ট থাকে হাতে পাঁচ ঘণ্টা। এর। মধ্যে কাজের আটঘণ্টা পুরোপুরি কাজ করে ব্যয় করে না সে, কাজে ফাঁকি দেয় প্রচুর। তার মানে, প্রত্যেকদিন একজন মানুষ পাঁচ থেকে সাত ঘণ্টা সময় নষ্ট করছে।

    সময়ের অভাব আপনি ইচ্ছা করলেই কাটিয়ে উঠতে পারেন। এর অভাব ঘোচাবার একমাত্র উপায় সময়ের বাজেট করা।

    জ্ঞানের অভাব-এখন আমাদের আলোচ্য বিষয়।

    স্কুল-কলেজে না পড়েও জ্ঞান অর্জন করা যায়। আপনার কি গল্পের বই, প্রবন্ধের বই, সাময়িক পত্র-পত্রিকা, বিজ্ঞানের বই পড়বার অভ্যাস আছে?

    থাকলে, খুবই আনন্দের কথা। বই পড়ার অভ্যাসটা আসলে অত্যন্ত উপকারী। জ্ঞান অর্জন করার সবচেয়ে উত্তম মাধ্যম হচ্ছে, বই পড়া।

    বই পড়তে খুব একটা খরচ হয় না। অসংখ্য লাইব্রেরী আছে সবখানে। পাঠ করে প্রচুর জ্ঞান অর্জন করা যায় এমন পুরানো বই পথেঘাটে প্রচুর কিনতে পাওয়া যায় সস্তা দরে। বই ধার করাও সম্ভব। এমনকি বই ভাড়াতেও পাওয়া যাচ্ছে। অনেক জায়গায়।

    জ্ঞান এমন একটা জিনিস যা একবার অর্জিত হলে তা আর আপনার কাছ থেকে পালাতে পারবে না কোনোদিন। আপনার জ্ঞান কেউ কেড়ে নিতে পারে না, কেউ চুরি করতে পারে না।

    নিয়ম করে পড়ুন। ঠিক করুন কতোটা সময় পড়ার পিছনে ব্যয় করবেন। পড়ার অভ্যাস একবার গড়ে উঠলে কাপড়-চোপড় পরার মতো সহজ একটা। ব্যাপার বলে মনে হবে পড়াটাকে।

    যা পড়বেন, অর্থ বুঝে পড়বেন। প্রথমে ধীরে ধীরে পড়ার অভ্যাস করুন। একবার পড়ে না বুঝলে আবার পড়ুন, বারবার পড়ুন। অর্থ না বুঝে সামনের পাতায় চোখ রাখবেন না।

    এবার অভিজ্ঞতা।

    অভিজ্ঞতা কাকে বলে তা আপনার জানা দরকার।

    জ্ঞানের সাথে অভিজ্ঞতার একটা ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক আছে। জ্ঞানকে যাচাই করার নাম অভিজ্ঞতা।

    এমনিতে জ্ঞানের বিশেষ কোনো মূল্য নেই, যাচাই করার পরই তার প্রকৃত মূল্য নিরূপণ করা সম্ভব। বেচাকেনা করার পদ্ধতি শেখা খুব একটা কঠিন নয়, কিন্তু শেখা জ্ঞানটাকে কাজে লাগাতে হলে অভিজ্ঞতার দরকার হয়।

    কাজে হাত দিন, কাজে নামুন, জ্ঞান এবং অভিজ্ঞতা দুটোই অর্জন করবেন, যে বিষয়ে জ্ঞানার্জনের গভীর আগ্রহ রয়েছে আপনার মধ্যে, সে বিষয়ে অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্যে অবসর সময়টাকে কাজে লাগান।

    সর্বশেষ আলোচ্য বিষয়টি হলো-আলস্য।

    নিষ্ক্রিয়তার মতোই, কুঁড়েমি বা আলস্য কোনো কারণ নয়-ফলাফল। নিজেকে জিজ্ঞেস করুন, কেন আমি অলস?

    নিজের সাথে কারচুপি না করলে সঠিক উত্তরটি আপনি পেয়ে যাবেন। হয়তো উত্তরটি হবে, আমি তৃপ্ত, তাই অলস।

    আসলে যে আপনি তৃপ্ত নন, অতৃপ্তিকে দমিয়ে রেখেছেন কোনো না কোনো কারণে তা তো এর আগেই বলেছি। সুতরাং উত্তরটি সঠিক হলেও, ধারণাটা ভুল। ভুল ধারণা ত্যাগ করুন।

    পছন্দসই, মনের মতো কাজ বেছে নিতে হবে আপনাকে। যে কাজ করতে ভালো লাগে সে-কাজে আলস্য নেই।

    কুঁড়েমির হাত থেকে রেহাই পেতে হলে আগে ঠিক করুন কোন ধরনের কাজ আপনার কাছে সবচেয়ে প্রিয়।

    প্রিয় কাজ পাবার চেষ্টা করুন। কুঁড়েমির কবল থেকে রক্ষা পাবেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleজবরখাকি – বর্ণালী সাহা
    Next Article আত্ম-উন্নয়ন – বিদ্যুৎ মিত্র

    Related Articles

    বিদ্যুৎ মিত্র

    আত্ম-উন্নয়ন – বিদ্যুৎ মিত্র

    October 31, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }