Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সুখ-সমৃদ্ধি – বিদ্যুৎ মিত্র

    বিদ্যুৎ মিত্র এক পাতা গল্প181 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৮. ধারাবাহিকতা

    ধারাবাহিকতা

    প্রখ্যাত এক জার্মান কবি বলেছেন, ‘যে সামনের দিকে এগোচ্ছে না সে আসলে পিছনে সরে যাচ্ছে।’

    কেউ কি পিছিয়ে থাকতে চায়? যদি কেউ চায়, তাকে আমি একটি পরামর্শ দিতে পারি-কাজ না করে হাত-পা গুটিয়ে চুপচাপ বসে থাকুন, তাহলেই নিশ্চিন্তে পিছিয়ে যেতে পারবেন।

    মানুষ কাজ করে। কেন করে? আসলে দুটো উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ করে মানুষ। দুটোই ফলপ্রসূ, কিন্তু দুটো দু’রকম দু’জাতের ফল দেয়।

    অধিকাংশ মানুষ কাজ করে অস্তিত্ব রক্ষার জন্যে। তাদের উদ্দেশ্য টিকে থাকা।

    কাজ করার আর এক উদ্দেশ্য হলো, এগিয়ে যাওয়া অর্থাৎ সমৃদ্ধি অর্জন করা। খুবই স্বল্পসংখ্যক মানুষ এগিয়ে যাবার উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ করে।

    কাজ না করলে মানুষ পিছিয়ে যায়, একথা আগেই বলেছি। এখন ওই কথার সাথে যোগ করে আর একটা কথা বলতে চাই, তা হলো, শুধুমাত্র অস্তিত্ব রক্ষার জন্যে যে মানুষ কাজ করে সে-ও আসলে পিছিয়ে থাকে।

    কাজ কেন করবেন, এটা একটা গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।

    শুধুমাত্র অস্তিত্ব রক্ষার জন্যে খুব বেশি কাজ করার দরকার হয় না। ছোটো একটা সংসার আপনার, অল্প সময় কাজ করে যা রোজগার করেন, মোটা ভাত খেয়ে মোটা কাপড় পরে দিন কাটাচ্ছেন–আরো বেশি কাজ করবার দরকার কি আপনার?

    যে-লোক অস্তিত্ব রক্ষার জন্যে কাজ করে সে মনে করে, স্থিতিশীল একটা পর্যায়ে অবস্থান করছে সে। আসলে তার এই মনে করাটা সম্পূর্ণ ভুল। সে নিজেকে স্থির হয়ে আছে ভাবলে ভুলই করবে।

    বিশ্বব্রহ্মাণ্ডে কোনো কিছুই স্থির হয়ে নেই। নদী, বাতাস, নক্ষত্র, এমন কি বৃক্ষ-কেউ স্থির নয়, সবাই, সবকিছু এগিয়ে চলেছে। যে এগিয়ে যায় না সে পিছিয়ে থাকে। কাজ না করে বসে থাকা মানে এই নয় যে আপনি নির্দিষ্ট এক জায়গায় পৌঁছে দাঁড়িয়ে আছেন, আসলে আপনি পিছিয়ে যাচ্ছেন। আপনাকে। পিছনে রেখে এগিয়ে চলেছে মহাকাল। যারা কাজ করছে তারা আপনাকে পিছনে রেখে ছুটে চলেছে সামনের দিকে।

     

    আরও দেখুন
    স্বাস্থ্য টিপস
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স
    গীতবিতান
    বাংলা অডিওবুক
    লাইব্রেরি
    বাইশে শ্রাবণ
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি
    গান
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার

     

    অস্তিত্ব রক্ষার একমাত্র উপায় কাজ করা। কিন্তু এগিয়ে যাবার উপায় কি?

    এগিয়ে যাওয়ারও নির্দিষ্ট উপায় আছে।

    এগিয়ে যাওয়ার নির্দিষ্ট উপায় হলো একটির পর একটি কাজ করা। শুধু। একটি কাজ নয়, একটির পর একটি কাজ করলে এগিয়ে যেতে পারবেন আপনি।

    একটি কাজ ধরলেন। শেষ হলো সেটা। কিন্তু তারপর? চুপচাপ বসে থাকতে চান নাকি?

    চুপচাপ বসে থাকা মানে তো পিছিয়ে পড়া। পিছিয়ে তো আপনি পড়তে চান না। তা যদি না চান, এগিয়ে যাবার নিয়ম পালন করতে হবে আপনাকে। নিয়মটা হলো: কাজের পর কাজ, একের পর এক কাজ করে যাওয়া।

    একটা কাজ শেষ করুন, তারপর আর একটা কাজ ধরুন। কাজের পর আবার কাজে হাত দিন। যদি এগিয়ে যেতে চান, ভুলেও কক্ষনো প্রয়োজনের উপর ভিত্তি করে কাজের পরিমাণ নির্ধারণ করবেন না।

     

    আরও দেখুন
    রেসিপি বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    গান
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বইয়ের
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    বাংলা সাহিত্য
    নতুন বই
    Library
    বইয়ের

     

    কাজকে গ্রহণ করবেন আনন্দের উৎস হিসেবে। কাজের প্রতি ভালবাসা থাকা। চাই, তবেই না গভীর মনোযোগ আনতে পারবেন। কাজকে কষ্টকর ব্যাপার বলে। মনে করবেন না। কাজ কষ্টকর, একথা সত্যি। কিন্তু কাজ তেমনি সুফলদায়কও বটে। কি না দেয় কাজ আপনাকে? গাড়ি, ড়ি, সয়-সম্পত্তি, মর্যাদা, জ্ঞান, অভিজ্ঞতা, নেতৃত্ব সামাজিক সম্মান, ব্যক্তিত্ব, পারিবারিক মর্যাদা, প্রশংসা, খ্যাতি-এমন কিছু তো দেখি না যা মানুষকে দিতে পারে না কাজ। যে কাজ সম্ভাব্য সবকিছু দেয় তা করতে কষ্ট হয় নাকি আবার?

    কষ্ট মনে করলে, কষ্ট তো রসগোল্লা খেতেও হয়। দোকান থেকে কিনে নিয়ে যাবেন বাড়িতে, বাক্স থেকে খুলবেন, প্লেটে সাজাবেন, হাত মুখ ধুয়ে এসে বসবেন, তারপর হাত দিয়ে তুলে মুখের ভিতর পুরবেন, চিবাবেন। কষ্টকর বৈকি। কিন্তু তবু রসগোল্লা খাওয়াটাকে কেউ কষ্টকর বলে মনে করে না।

    রসগোল্লা খাওয়াটা যদি কষ্টকর কাজ না হয়, সমৃদ্ধি অর্জন করাটা কষ্টকর। কাজ হতে যাবে কেন? এটা তো আনন্দের কাজ।

     

    আরও দেখুন
    স্বাস্থ্য টিপস
    লেখকের বই
    গান
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    বইয়ের
    গ্রন্থাগার
    বইয়ের
    কৌতুক সংগ্রহ
    বই পড়ুন
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স

     

    কাজকে আপনার সমৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্য বলে মনে করতে হবে। এমন একটা মানসিকতা গড়ে তুলতে হবে যার ফলে নিজেকে কাজ করতে বাধ্য করার দরকার পড়বে না। কাজ করাটা আপনার জন্যে হবে একটা শখ, একটা মজার ব্যাপার। কাজ করে মজা পেতে হবে। তা পেতে হলে প্রয়োজন মনে করে নয়, ভালবাসি মনে করে কাজ করতে হবে।

    একটু চিন্তা করলেই দেখতে পাবেন, আপনার করার মতো কাজ অনেকগুলো রয়েছে। সিদ্ধান্ত নিলেন, অমুক কাজটা ধরবো।

    ধরলেনও।।

    কিন্তু কাজটা ধরে খানিকদূর করে কিছু বাধাবি দেখতে পেলেন আপনি। ফলে সেটা বাদ দিয়ে অন্য একটি কাজ ধরলেন আবার। এই দ্বিতীয় কাজটির বেলাতেও কিছু বাধার সৃষ্টি হলো, আপনি সেই বাধাগুলোকে টপকাবার চেষ্টা না করে এরপর ধরলেন তৃতীয় কাজটিকে। ফলাফল কি দাঁড়াচ্ছে? ধরছেন বটে আপনি, কিন্তু একটা কাজও শেষ করতে পারছেন না।

     

    আরও দেখুন
    ডিজিটাল বই
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন
    Books
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    গান
    বইয়ের
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি টিউটোরিয়াল

     

    এ থেকে প্রমাণ হয়ে গেল বাধাগুলোকে আপনি ভয় পাচ্ছেন। কেন, জানেন? কাজের প্রতি আপনার ভালবাসা নেই, তাই।

    এ কাজের প্রতি ভালবাসা থাকলে বাধাগুলোকে চ্যালেঞ্জ বলে মনে করতেন, ওগুলোকে জয় করবার জন্যে উদ্যমী হয়ে উঠতেন, বাধাগুলোকে অপসারণ করার মধ্যে প্রচুর মজা পাবার কথা আপনার, নৈরাশ্য বা বিরক্তি বোধ করার কথা নয়।

    কাজ ধরেও শেষ করতে না পারার আরো একটা কারণ হলো, পরিকল্পনার অভাব। শুধু তাই নয়, পরিকল্পনার অভাব কাজের প্রতি মানুষের অহেতুক আতঙ্কেরও সৃষ্টি করে।

    পরিকল্পনার অর্থ অনেক। তার মধ্যে একটি হলো, প্রস্তুতি।

    প্রস্তুতি না থাকলে কাজের প্রতি প্রগাঢ় অনুরাগ থাকা সত্ত্বেও, কাজটি শেষ করতে আপনি ব্যর্থ হবেন। সুতরাং প্রতিটি কাজ শুরু করার আগে ব্যাপক প্রস্তুতি নিতে হবে আপনাকে। অনেক সময় দেখা যায় কাজের প্রতি উৎসাহ এবং ভালবাসা আছে বটে কিন্তু প্রস্তুতির অভাব থাকায় কাজটি কোনদিনই শেষ করা সম্ভব হয় না। সুতরাং, প্রতিটি কাজ শুরু করার আগে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিতে হবে আপনাকে।

     

    আরও দেখুন
    বইয়ের
    গ্রন্থাগার
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা হস্তলিপি কুইল
    পোর্টেবল স্পিকার
    বই
    স্বাস্থ্য টিপস
    PDF বই
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ
    বাংলা গানের লিরিক্স বই

     

    স্থির হলো, প্রস্তুতি নিতেই হবে। কিন্তু কিসের জন্যে আপনার এই প্রস্তুতি? কেউ যদি আপনাকে হুট করে প্রস্তুত হতে বলে আপনি কি প্রস্তুত হতে পারবেন? পারবেন না। কেন প্রস্তুত হতে হবে, প্রস্তুতি কিসের জন্যে তা আপনাকে জানতে হবে প্রথমে, তাই না?

    প্রস্তুতি নেবার আগে আপনাকে জানতে হবে কি সেই জিনিস যা আপনি চান। অর্থাৎ কাম্যবস্তু বা অবজেকটিভ নির্দিষ্ট করতে হবে আপনাকে।

    পাঠক, আপনি হয়তো ভাবছেন, উপরিউক্ত কথাটি আপনাকে উদ্দেশ্য করে বলছি না, কারণ, কাম্যবস্তু তো আপনার নির্দিষ্ট করাই আছে। কিন্তু আসলে কি তাই? সত্যিই কি আপনি নিজের কাম্যবস্তু নির্দিষ্ট করে রেখেছেন? আপনি জানেন আপনি কি চান?

    অধিকাংশ মানুষ মনে করে তারা জানে তারা কি চায়। আসলে তাদের এই জানাটা সঠিক জানা নয়। প্রশ্ন করে দেখা গেছে তাদের নিজেদের ধারণা পরিষ্কার নয় ঠিক কি চায় তারা।

     

    আরও দেখুন
    স্বাস্থ্য টিপস
    বাংলা ই-বুক রিডার
    PDF বই
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বই
    বুক শেল্ফ
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    ডিকশনারি
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড

     

    ধরুন, আপনার কাম্যবস্তু বা অবজেকটিভ হলো, রাজনৈতিক নেতৃত্ব লাভ করা।

    একজন রাজনৈতিক নেতা কাকে বলে, বিভিন্ন মতাদর্শের মধ্যে পার্থক্য কি, কোন্‌টা গ্রহণ করবেন আপনি, নেতার করণীয় কাজ কি, কর্তব্য কি, কি কি নিয়ম তাঁকে পালন করতে হয়, কি ধরনের দায়িত্ব তার কাঁধে থাকে, তার আচার ব্যবহার, পোশাক-আশাক, চলন-বলন কি রকম হওয়া উচিত এবং অন্যান্য গুণ কি থাকা বাঞ্ছনীয় ইত্যাদি যদি আপনার ভালোমত জানা না থাকে, তাহলে বলা যায় কাম্যবস্তু বা অবজেকটিভ সম্পর্কে আপনার পরিষ্কার ধারণা নেই।

    যা হতে চান তা হবার পর কি করবেন, কি করার জন্যে হবেন, কিভাবে কি করার নিয়ম-এ আপনাকে জানতেই হবে। নেতা কাকে বলে তাই যদি পরিষ্কারভাবে না জানেন, কি দরকার আপনার তা হয়ে? দরকারও নেই, তা হবার অধিকার নেই আপনার। কাম্যবস্তু নির্ধারণ বা নির্দিষ্ট করার সময় একটা কথা বিশেষভাবে মনে রাখতে বলবো আমি আপনাকে, তা হলো, কাম্যবস্তু অর্জনের লাইসেন্স আপনি তখনই পেতে পারেন যখন কাম্যবস্তু সম্পর্কে পরিপূর্ণ, পরিষ্কার ধারণা আসবে আপনার মধ্যে।

     

    আরও দেখুন
    বাইশে শ্রাবণ
    বই পড়ুন
    বই ডাউনলোড
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন
    কৌতুক সংগ্রহ
    কখনো আসেনি
    উপন্যাস সংগ্রহ
    অনলাইন বুকস্টোর
    পিডিএফ
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন

     

    ধরুন, আপনি নিজের একটা ব্যবসা চান। বেশ, ভালো কথা।

    এখন বলুন, কি ধরনের ব্যবসা করতে চান আপনি? ব্যবসা তো অনেক রকমেরই আছে-ম্যানুফ্যাকচারিং, হোলসেল, রিটেইল, মেইল অর্ডার, না ইনডেন্টিং। কোন্ ধরনের ব্যবসা করতে চাইছেন আপনি? যে ব্যবসা করতে চান কল্পনায় নিজেকে সেই ব্যবসা করতে দেখতে পান কি?

    বেন সুইটল্যাণ্ড একটি দৃষ্টান্ত দিচ্ছেন, এক ভদ্রমহিলা এই প্রসঙ্গে আলোচনার সময় আমাকে বলেন, ‘আমার অবজেকটিভ ঠিক আছে। লেখিকা হতে চাই আমি।’

    ‘কি ধরনের লেখিকা হতে চান?’

    আমার প্রশ্ন শুনে ভদ্রমহিলা বেশ একটু অপ্রতিভ হয়ে পড়েন। তাকে আমি জানাই, লেখিকা অনেক রকম হয়, কেউ গল্প লেখে, কেউ প্রবন্ধ লেখে, কেউ ঐতিহাসিক ঘটনা থেকে মালমশলা সংগ্রহ করে লেখে, কেউ বিজ্ঞানের বিষয়বস্তুকে পুঁজি করে লেখিকা হয়, কেউ অনুবাদক, সংবাদপত্রের মহিলা রিপোর্টারদেরকেও লেখিকা বলা হয়, কেউ ভ্রমণ কাহিনী লেখে। এরা সবাই। লেখিকা কিন্তু প্রত্যেকে আলাদা আলাদা বিষয়ের লেখিকা। আমার কথা শুনে ভদ্রমহিলা বুঝতে পারেন, অবজেকটিভের অংশবিশেষ সম্পর্কে তাঁর ধারণা আছে, গোটাটা সম্পর্কে ধারণা নেই। এই ভদ্রমহিলার অবস্থা ছিলো সেই খেলোয়াড়ের মতো, যে জানতে সে মাঠে প্রবেশ করবে কিন্তু মাঠে সে কি খেলায় অংশগ্রহণ করবে তা জানতো না।

     

     

    ভালো একটা চাকরি খুঁজছেন আপনি। ঠিক করুন কি ধরনের চাকরি চান। যে ধরনের কাজ আপনার কাছে প্রিয়, করতে ভালো লাগে সেই ধরনের কাজ করার সুযোগ আছে যে চাকরিতে সে চাকরি খুঁজুন।

    চাকরির জন্যে কোনো কোম্পানির কর্মকর্তার কাছে গেলেন। বললেন, “যে-কোনো একটা চাকরি দিন, আমি করবো।’ কর্মকর্তা আপনাকে চাকরি দেবেন বলে মনে হয় না। কারণ, বুদ্ধিমান কর্মকর্তারা চান সেই ধরনের লোক যারা জানে তারা কি ধরনের কাজে পটু বা কি ধরনের কাজ তাদের কাছে প্রিয় বা পছন্দ।

    নিজের একটি বাড়ি, এই যদি হয় আপনার অবজেকটিভ তাহলে সর্বপ্রথম স্থির করুন কি ধরনের বাড়ি চান, কতোটা জায়গা জুড়ে হবে বাড়িটা, আশপাশে কি থাকবে, বাড়ির ভিতর বাগান থাকবে কিনা, রূমের সংখ্যা ক’টা হবে, একতলা না বহুতলা, কোন্ এলাকায় চান বাড়িটা?

    .

    বাধাবিঘ্ন

     

    আরও দেখুন
    PDF বই
    বই ডাউনলোড
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    বাইশে শ্রাবণ
    Library
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন
    উপন্যাস সংগ্রহ
    পিডিএফ
    অনলাইন বুকস্টোর
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই

     

    গুরুত্বপূর্ণ কোনো কাজ করতে চান আপনি? যদি চান, বাধা আপনি পাবেনই।

    বাধাগুলোকে আমরা সাধারণত বিরূপ চোখে দেখে অভ্যস্ত। এটা একটা অবৈজ্ঞানিক বদভ্যাস। বাধা যেখানে নেই সেখানে উত্তরণ নেই, এটা স্বতঃসিদ্ধ কথা। বাধাগুলোকে আমরা আসলে সঠিকভাবে চিনতে ভুল করি বলে ওগুলোকে খারাপ চোখে দেখি। আসলে, বাধাগুলোই কিন্তু আমাদেরকে এগিয়ে নিয়ে যায়।

    বাধা টপকানো মানে এগিয়ে যাওয়া, তাই নয় কি? বাধা আছে বলেই না। সেটাকে জয় করার, টপকাবার উদ্যোগ আয়োজনের প্রয়োজন পড়ছে। বাধা না থাকলে কি হতো, ভাবুন একবার! আপনি হাত-পা গুটিয়ে চুপচাপ বসে থাকতেন। উত্তরণ ঘটতো না আপনার, এগোতে পারতেন না।

    বাধা আসলে প্রয়োজনীয়। এই বাধাগুলোকে এক এক করে জয় করেই আপনি আপনার কাম্যবস্তুর দিকে ধীরে ধীরে এগোবেন।

    বাধাগুলোকে জয় করার আগে আপনার প্রথম কাজ হলো সেগুলোকে চেনা। প্রথমে একটি বাধাকে ধরুন। ওটার ভাবগতিক বুঝুন, আকার-আয়তন পরিমাপ করুন, ওর স্বভাব-প্রকৃতি অনুধাবন করুন। একটা বাধাকে একবার চেনা হয়ে গেলে সেটাকে অতিক্রম বা জয় করা তেমন কঠিন হবে না। অপর দিকে, বাধা। সম্পর্কে আপনার যদি কোনো ধারণা না থাকে, বিনা মেঘে বজ্রপাতের মতো সেগুলো আপনার সামনে আবির্ভূত হবে, ভ্যাবাচ্যাকা খাইয়ে দিয়ে থমকে দাঁড়িয়ে পড়তে বাধ্য করবে আপনাকে।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    বই ডাউনলোড
    পিডিএফ
    গ্রন্থাগার
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    নতুন বই
    বইয়ের
    বইয়ের
    স্বাস্থ্য টিপস
    গান

     

    বাধাগুলোকে একে একে চিনে নিন। তারপর খাতা পেন্সিল সাথে নিয়ে বসুন। ক্রমিক নাম্বার দিয়ে এক এক করে লিখুন বাধাগুলোর নাম। তালিকা তৈরি করুন। তালিকা হবে দুটো। একটা সম্ভাব্য বাধার তালিকা, আর একটা প্রত্যক্ষ বাধা তালিকা।

    তালিকা দুটো তৈরি হয়ে গেলে বসুন এবার বিশ্লেষণে। একটা একটা করে বাধাকে ধরুন, চিন্তা করে বের করুন কিভাবে ওই বিশেষ বাধাটিকে অতিক্রম করা যায়। এই ভাবে প্রত্যেকটি বাধাকে অতিক্রম করার উপায় বের করুন।

    তারপর তৈরি করুন কাজের পরিকল্পনা।

    আপনার পরিকল্পনা তৈরি করার মূলনীতি হবে-একটা কাজ ধরবেন, সেটা শেষ না হওয়া পর্যন্ত লেগে থাকবেন, সেটা শেষ না করে দ্বিতীয় কাজে হাত দেবেন না। এইভাবে কাজ করতে একবার অভ্যস্ত হয়ে উঠলে কাজের ধারাবাহিকতা অটুট রাখতে কোনো অসুবিধা হবে না আপনার। এবং কাজে ধারাবাহিকতা অক্ষুণ্ণ রাখলে কাম্যবস্তুর অধিকারী না হবার কোনোই কারণ নেই আপনার।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা বই
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    অনলাইন বুকস্টোর
    বাংলা কৌতুক বই
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বইয়ের
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ
    স্বাস্থ্য টিপস
    গান

     

    .

    উপাদান

    প্রশ্ন করি, কাম্যবস্তু কি?

    সকল বস্তুর উপাদান অণু বা অ্যাটম, এ আমরা জানি। যদিও আমাদের বর্তমান আলোচনায় অণুর মতো ছোটো কোনো জিনিসের দিকে মনোযোগ দেবার দরকার নেই, তবু আপনাকে জানিয়ে দেয়া উচিত বলে মনে করছি যে আপনার কাম্যবস্তু নানাপ্রকার জিনিসের সমষ্টিমাত্র। আপনার কাম্যবস্তুতে বিভিন্ন উপাদান রয়েছে।

    অনেকে অনেক বস্তু বা বিষয় কামনা করে, কিন্তু পায় মাত্র অল্প কয়েকজন। এর কারণ কি জানেন? কারণ হলো বেশিরভাগ লোক তাদের কাম্যবস্তুকে একটা ইউনিট হিসেবে গ্রহণ করে। তারা জানে না বা জানতে চায় না যে কাম্যবস্তুটি আসলে একক পদার্থ দিয়ে তৈরি নয়, ওটা বহু উপাদানের সমষ্টি, একত্রিত রূপমাত্র।

    আপনি ব্যবসা করতে চান। এটা আপনার একটা কাম্যবস্তু। ব্যবসা করতে অভিজ্ঞতা, টাকা, দোকান, কারখানা বা অফিস লাগে–এইরকম আরো অনেক কিছু লাগে। এগুলো হলো আপনার ব্যবসার অর্থাৎ আপনার কাম্যবস্তুর উপাদান।

    একটা উদাহরণ দেয়া যাক।

    এনাম অর্থহীন জীবনযাপন করে। ছোটো একটা চাকরি করে যা রোজগার করে তাতে তার সংসার ভালো ভাবে চলে না। নোংরা এলাকায় ছোট্ট একটা ভাড়াটে বাড়িতে দীর্ঘকাল ধরে বাস করছে সে। দেনায় ডুবে আছে, সঞ্চয়ের কৌটা শূন্য।

    এনামের বন্ধু মতিন। মতিনের অবস্থা এনামের ঠিক উল্টো। মতিনের প্রচুর টাকা সয়-সম্পত্তি আছে। সুন্দর বাগানসহ চমৎকার একটি বাড়ির মালিক সে। গাড়ি কিনেছে। বাড়িতে চাকর-চাকরানী রাখে। কোনো দেনা তো নেই-ই, সঞ্চয় রয়েছে প্রচুর। আরাম-আয়েসের সব রকম উপকরণ উপভোগ করে সে।

    এনাম মতিনকে হিংসা করে এবং মনে মনে সে ভাবে মতিনের মতো অবস্থা যদি আমারও হতো!

    মতিনের সুখ এবং প্রাচুর্য দেখতে পাচ্ছে এনাম, ঈর্ষান্বিত হচ্ছে সে এই কারণেই। মতিনের বর্তমান অবস্থাটাই শুধুমাত্র দেখতে পাচ্ছে সে। মতিনের মতো অবস্থায় সে উঠতে চাইলেও সে জানে না যে মতিনকে বর্তমান অবস্থায় পৌঁছুতে কি কি নিয়ম কানুনের ভিতর দিয়ে আসতে হয়েছে।

    নিয়ম কানুনগুলো জানা নেই এনামের। জানা থাকলে সে-ও ইচ্ছে করলে পারবে মতিনের অবস্থায় উঠে আসতে।

    এনামের কাম্যবস্তু বা অবজেকটিভ রয়েছে। তার কাম্যবস্তু: সে মতিনের মতো অবস্থায় উঠতে চায়।

    কিন্তু নিজের কাম্যবস্তুর উপাদান সম্পর্কে এনামের কোনো পরিষ্কার ধারণা নেই।

    মতিনের কাম্যবস্তু সম্পর্কে আলোচনা করা যাক এবার। প্রথমেই আমরা খোঁজ নিয়ে জানছি যে মতিনের এখন যে অবস্থা দেখা যাচ্ছে, এই অবস্থা প্রথম দিকে তার ছিলো না। বর্তমানে এনাম যে দুরবস্থায় আছে, মতিনও এক সময় সেই দুরবস্থায় ছিলো। কিন্তু তার দুরবস্থাকে সে মেনে নেয়নি। মেনে তো নেয়ইনি, সে নিজের কাছে এই বলে প্রতিজ্ঞা করেছিল কেউ যদি জীবনে সাফল্য লাভ করতে পারে, আমিও পারবো, আমাকেও পারতে হবে।

    মতিন নিজের মধ্যে গড়ে তুলেছিল গঠনমূলক অতৃপ্তি বোধ।

    কয়েকজন বন্ধুর কাছ থেকে টাকা সংগ্রহ করে একত্রে একটা ব্যবসায়ে নামে মতিন। ব্যবসা করতে গিয়ে প্রথম প্রথম অনেক বাধাবিঘ্নের সম্মুখীন হয় সে, মার খায় বেশ ক’বার। কিন্তু মুষড়ে পড়েনি বা নৈরাশ্যে হাবুডুবু খায়নি সে কখনো, নেতিবাচক চিন্তাকে প্রশ্রয় দেয়নি, কাজের ধারাবাহিকতা ক্ষুণ্ণ হতে দেয়নি, নিজেকে ভুলেও অযোগ্য বলে চিহ্নিত করেনি।

    মতিনের কারখানায় যা তৈরি হতো তা প্রথম প্রথম বিক্রি হতো স্থানীয়ভাবে। জিনিসের গুণ এবং মান ভালো হওয়ায় জেলাভিত্তিক বাজার পেলো মতিন। এখন গোটা দেশব্যাপী তার তৈরি জিনিস বিক্রি হচ্ছে।

    সাফল্য অর্জনের জন্যে মতিন প্রচণ্ড পরিশ্রম করেছে কিন্তু শুধুই কি পরিশ্রম? না, শুধু পরিশ্রম করলে, মাথার ঘাম পায়ে ফেলে গাধার মতো খাটলে সাফল্য আসে না। পরিশ্রমের পিছনে উদ্দেশ্য (অবজেকটিভ) থাকতে হয়। উদ্দেশ্যটাকে ভাগ করে নিয়ে (উপাদান বিভক্তিকরণ এবং সংযুক্তকরণ, পরবর্তী পরিচ্ছেদ দ্রষ্টব্য) একটা একটা করে অর্জন করতে হয়। মতিন এইসব নিয়ম পালন করেছিল, জ্ঞাতসারে হোক বা অজ্ঞাতসারে, তাই সে জীবনে সাফল্য লাভ করেছে।

    .

    মনোভাব! মনোভাব!

    মনোভাবটাই হলো আসল কথা। জীবন সম্পর্কে আপনার মনোভাব কি রকম? কখনো ভেবে দেখেছেন? জীবন, এই পৃথিবী, বর্তমান সভ্যতা, আপনার পারিপার্শ্বিকতা-এগুলোকে আপনি কি ভালোবাসেন?

    পৃথিবী মোটেই খুব একটা সুবিধের জায়গা নয়, এখানে কোনো কিছুই ঠিকঠাক মতো চলছে না-একথা সত্যি। কিন্তু যেহেতু আপনি জন্মেছেন এই ভালোয় মন্দতে মেশানো পৃথিবীতে, এবং একবার জন্মালে মরতে ইচ্ছা করে না, সেই হেতু মৃত্যু অনিবার্য না হওয়া পর্যন্ত আপনাকে তো এই পৃথিবীতেই বসবাস করতে হবে। পৃথিবীটাকে বাসযোগ্য করার জন্যে হাজার হাজার মানুষ অক্লান্ত খাটছে, এ-ও তো আপনি মানবেন, তাই না? এবং, দেখা যাচ্ছে, কেউ যদি সঠিক অর্থে সততা বজায় রেখে নিজের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটাতে চায় তা সে ঘটাতে পারে, অর্থাৎ এই অসুবিধাবহুল পৃথিবীতে সে পারে নিজের আরাম-আয়েসের ব্যবস্থা করতে, জীবনটাকে আনন্দদায়ক এবং সুখের করে তুলতে; প্রাচুর্য, নেতৃত্ব, মর্যাদার অধিকারী হতে পারে সে নিজেকে সুখী করতে। সুতরাং, জীবনকে কেন ভালবাসবে না সে?

    জীবনকে ভালবাসা উচিত। কথাটা আপনাকেই বলছি।

    জীবনের প্রতি ভালবাসার মনোভাব সাফল্যের চাবিকাঠি। কাম্যবস্তুটাকে ভালবাসতে শিখুন। তাকে কল্পনার চোখে দেখুন। আপনাকে জানতে হবে আপনার কাম্যবস্তু কেউ তৈরি করে রাখেনি, আপনিই তাকে তৈরি করবেন। কি দিয়ে?

    নানারকম উপাদান সংযোগে তৈরি করবেন আপনি আপনার কাম্যবস্তু। কাম্যবস্তুর প্রতি ভালবাসার মনোভাব উপাদান অর্জনে আপনাকে সাহায্য করবে। এখানে প্রশ্ন ওঠে, কি কি উপাদান লাগছে?

    কাম্যবস্তু সম্পর্কে আপনার পরিষ্কার ধারণা থাকলে কি কি উপাদান দরকার তা আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন।

    এখন, এক এক করে লিখে ফেলুন খাতায় উপাদানগুলোর নাম। তালিকা বড় হয়ে যাবার ভয় যেন পেয়ে না বসে আপনাকে। উপাদানের সংখ্যা বেশি হওয়া শুভ লক্ষণ। এতে প্রমাণ হয়, তৈরি করার মাধ্যমে কাম্যবস্তু অর্জনের কাজে আপনি। নিবেদিতপ্রাণ, কাজে ফাঁকি দিচ্ছেন না বা ভেজাল মিশাচ্ছেন না।

    আপনি আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্বের অধিকারী হতে চান। এটা আপনার একটা কাম্যবস্তু হতে পারে। আপনার এই বিশেষ চাহিদার উপাদান কি কি?

    আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্ব এমন কোনো জিনিস নয় যে একদল লোকের মধ্যে তা। থাকবে আর একদল লোকের মধ্যে তা থাকবে না। আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্বের অধিকারী যে-কেউ হতে পারে।

    চরিত্রের বিশেষ কতকগুলো বৈশিষ্ট্যের সমষ্টির ফলাফল আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্ব। সেগুলো কি কি?

    সেগুলো: বন্ধু বাৎসল্য, উদারতা, মুক্তবুদ্ধি, সহানুভূতি, কর্তব্যবোধ, আনন্দমুখরতা ইত্যাদি। এগুলোই আপনার উপাদান, এক এক করে সংগ্রহ করে নিন। তৈরি হয়ে যাবে আপনার মধ্যে আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্ব।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleজবরখাকি – বর্ণালী সাহা
    Next Article আত্ম-উন্নয়ন – বিদ্যুৎ মিত্র

    Related Articles

    বিদ্যুৎ মিত্র

    আত্ম-উন্নয়ন – বিদ্যুৎ মিত্র

    October 31, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }