Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সুজন হরবোলা – সত্যজিৎ রায়

    উপন্যাস সত্যজিৎ রায় এক পাতা গল্প2378 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সহদেববাবুর পোট্রেট

    যেটার আগে নাম ছিল ফ্রি স্কুল স্ট্রিট, সেই মিরজা গালিব স্ট্রিটে ল্যাজারাসের নিলামের দোকানে প্রতি রবিবার সকালে সহদেববাবুকে দেখা যেতে শুরু করেছে মাস তিনেক হল।

    প্রথম অবস্থায় লোকাল ট্রেনে হেঁয়ালির বই, গোপাল ভাঁড়ের বই, খনার বচনের বই, পাঁচালির বই, এইসব বিক্রি করে, তারপর সাত বছর ধরে নানারকম দালালির কাজ করে কমিশনের টাকা জমিয়ে সেই টাকায় ছোটখাটো ব্যবসা শুরু করে আজ বছর পাঁচেক হল ইলেকট্রিক কেব্‌লের ব্যবসা করে সহদেব ঘোষ আজ যেখানে এসে দাঁড়িয়েছেন, সেখানে সদানন্দ রোডে তাঁর একটি ছিমছাম ফ্ল্যাট, একটা ফিয়াট গাড়ি, টেলিফোন, টেলিভিশন, দুটো চাকর, একটা ঠাকুর আর একটা অ্যালসেশিয়ান কুকুর। আগে যারা তাঁর খুব কাছের লোক ছিল, তারা এখন তাঁকে দেখলে চট্‌ করে চিনতে পারে না, বা চিনলেও সাহস করে এগিয়ে এসে কথা বলে না। সহদেববাবুরও খুব ইচ্ছে নেই যে তারা তাঁকে চেনে; তাই তিনি গোঁফ রেখেছেন, ঝুলপিটা এক ইঞ্চি বাড়িয়েছেন, আর চোখ খারাপ না হওয়া সত্ত্বেও একটা পাওয়ারবিহীন সোনার চশমা নিয়েছেন। অবস্থার উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে তাঁর নতুন বন্ধু জুটেছে, যাঁরা তাঁর বাড়িতে রোজ সন্ধ্যায় এসে ভাল চা ভাল সিগারেট খান, প্লাস্টিকের তাসে তিন-তাস খেলেন, আর শনি-রবিবার টেলিভিশনে হিন্দি-বাংলা ছবি দেখেন।

    ল্যাজারাসের দোকানে যাওয়ার কারণটা সহদেববাবুর বৈঠকখানায় গেলেই বোঝ যায়। প্রতি রবিবারই তিনি ঘরের শোভা বাড়ানোর জন্য নিলাম থেকে কিছু-না-কিছু শৌখিন জিনিস কিনে আনেন। ঘড়ি, ল্যাম্প, পিতল আর চীনে মাটির মূর্তি, রুপোর মোমবাতিদান, বিলিতি ল্যান্ডস্কেপ ছবি—ঘরের এ সব কিছুই ল্যাজারাসের দোকান থেকে আনা। এ ছাড়া টেবিল, চেয়ার, সোফা, কার্পেট ইত্যাদি তো আছেই।

    আজ ল্যাজারাস কোম্পানির মিহিরবাবু কথা দিয়েছেন যে বিলিতি ঔপন্যাসিকদের ভাল এক সেট বই তিনি সহদেববাবুর জন্য ব্যবস্থা করে দেবেন। মিহিরবাবু অভিজ্ঞ লোক, বিশ বছর আছেন ল্যাজারাস কোম্পানিতে। বাঁধাধরা খদ্দেরদের চাহিদাগুলো তিনি আগে থেকে আন্দাজ করতে পারেন। সহদেববাবুর পছন্দও তাঁর ভালভাবেই জানা। এর আগেও অনেক হঠাৎ-বড়লোকের চাহিদা তিনি মিটিয়েছেন। এঁরা অনেকেই যে লেখাপড়া বিশেষ না জানলেও ঝলমলে বিলিতি বই দিয়ে আলমারি সাজাতে ভালবাসেন সেটা মিহিরবাবু বিলক্ষণ জানেন।

    ষোলোখানা বইয়ের সুদৃশ্য সেট, গাঢ় লাল চামড়ায় বাঁধানো, সহদেববাবুর দেখেই মনটা নেচে উঠেছিল। কিন্তু সেটা দেখার পরমুহুর্তেই, বইগুলো যে-টেবিলের উপর রাখা ছিল, তার পিছনেই দেয়ালে টাঙানো গিলটি করা ফ্রেমে বাঁধানো একটা ছবি দেখে তিনি কেমন যেন হকচকিয়ে গিয়ে বইয়ের কথাটা সাময়িকভাবে ভুলেই গেলেন।

    ছবিটা একটা অয়েল পেন্টিং। একজন বাঙালি ভদ্রলোকের পোট্রেট। সাইজে আন্দাজ তিন ফুট বাই চার ফুট। সেটা যে বেশ পুরোনো, সেটা তার ধূলিমলিন অবস্থা থেকে যেমন বোঝা যায়, তেমনি বোঝা যায় ছবিতে দেখানো অনেক খুঁটিনাটি জিনিস থেকে। গড়গড়া, কেরোসিনের ল্যাম্প, রুপোর পানের ডিবে, হাতির দাঁতের হাতলওয়ালা ছড়ি—এ সবই চলে-যাওয়া দিনের কথা মনে করিয়ে দেয়। তা ছাড়া বাবুর পরনে গিলে করা একপেশে বোতামওয়ালা পাঞ্জাবি, ঘন কাজ করা কাশ্মীরি শাল, চুনট করা চওড়া পেড়ে ধুতি, এ সবই বা আজকের দিনে কে পরে? যে কালের ছবি, সেকালে অনেক সম্ভ্রান্ত বাঙালিই আর্টিস্টদের দিয়ে নিজেদের ছবি আঁকিয়ে বাড়িতে টাঙিয়ে রাখতেন; কাজেই তাতে আশ্চর্য হবার কিছু নেই। যেটা সহদেববাবুকে অবাক করল, সেটা হল ভদ্রলোকের মুখ—‘কেমন দেখছেন?’ সহদেববাবুর দিকে এগিয়ে এসে প্রশ্ন করলেন মিহিরবাবু—‘একেবারে আপনার মুখ বসানো—তাই নয় কি?’

    সেটা সহদেববাবুরও মনে হয়েছিল, কিন্তু বিশ্বাসটাকে পাকা করার জন্য হাতের কাছে বিক্রির জন্য রাখা একটা বাহারের আয়নায় নিজের মুখটা একবার দেখে নিয়ে বললেন, ‘সত্যিই তো। এ কার ছবি মশাই?’

    মিহিরবাবু জানেন না। বললেন, ‘একটা লট এসেছে চিৎপুরের এক পুরোনো বাড়ির গুদাম থেকে। এখন সে বাড়িতে গেঞ্জির কারখানা বসেছে। অনেক জিনিসের মধ্যে এটাও ছিল।’

    ‘কার ছবি জানেন না?’ আবার জিগ্যেস করলেন সহদেববাবু।

    ‘উহুঁ। দেখামাত্র আপনার কথা মনে হয়েছে। কোনও জমিদার-টমিদার হবে। তবে আর্টিস্ট নাকি নাম-করা। শৈলেশ চাটুজ্যে, এলগিন রোডে থাকেন, আর্ট নিয়ে লেখেন-টেখেন, তিনি এই কিছুক্ষণ আগে এসে দেখে বললেন, পরেশ গুঁই-এর নাকি এককালে সুনাম ছিল।’

    ছবির ডান দিকের কোণে লাল রঙে লেখা শিল্পীর নামটা সহদেববাবুর দৃষ্টি এড়ায়নি। ‘এটাও অকশন হবে নাকি?’ জিগ্যেস করলেন তিনি।

    ‘কেন, চাই আপনার?’

    আশ্চর্য, সহদেব ঘোষের অনেক শখের মধ্যে একটা বড় শখ ছিল নিজের একটা পোট্রেট আঁকানো। ল্যাজারাসেই একদিন একটা তেল-রঙে আঁকা পুরোনো পোট্রেট দেখে শখটা মাথায় চাপে। কথাটা মিহিরবাবুকে বলাতে তিনিও উৎসাহ দিয়েছিলেন। —‘এ একটা নতুন জিনিস হবে মশাই। আজকাল আর এটার রেওয়াজই নেই; অথচ পাকা হাতে আঁকা একখানা বেশ বড় সাইজের পোট্রেট আঁকিয়ে ঘরে টাঙিয়ে রাখলে সে-ঘরের চেহারাই পালটে যায়। আর এ সব ছবির আয়ু কতদিন ভাবতে পারেন? আর্ট গ্যালারিতে এখনও চারশো পাঁচশো বছরের পুরোনো অয়েল পেন্টিং-এর জেল্লা দেখলে মনে হবে কালকের আঁকা।’

    কোনও আর্টিস্টের সঙ্গে পরিচয় নেই, এমন কী শিল্প জগতের সঙ্গে কোনও সম্পর্কই নেই বলে সহদেববাবু শেষটায় আনন্দবাজার আর যুগান্তরে বিজ্ঞাপন দিয়েছিলেন। প্রতিবেশী সাংবাদিক সুজয় বোস বাতলে দিয়েছিলেন বিজ্ঞাপনের ভাষা—‘তৈলচিত্রে প্রতিকৃতি-অঙ্কনে পারদর্শী শিল্পীর প্রয়োজন। প্রশংসাপত্রসহ নিম্নলিখিত ঠিকানায়’ ইত্যাদি।

    একজন শিল্পীর দরখাস্ত দেখে তাকে বাড়িতে ডেকে পাঠান সহদেববাবু। বছর পঁচিশেক বয়স, নাম কল্লোল, কল্লোল দাশগুপ্ত। গভর্নমেন্ট কলেজ অফ আর্টস থেকে পাশ করে রোজগারের চেষ্টা করছে। ছাত্র ভাল ছিল তার প্রমাণ রয়েছে সার্টিফিকেটে। কিন্তু ছেলেটির চুল দাড়ি গোঁফের বহর, ঢলঢলে প্যান্ট আর উগ্র বেগুনি রঙের সার্ট দেখে সহদেববাবু ভরসা পাননি। অতিরিক্ত অভাবী বলেই বোধহয় বারণ সত্ত্বেও ছেলেটি আরো দুবার এসেছিল, কিন্তু সহদেববাবুর মন ভেজেনি। যার চেহারা এত অপরিষ্কার তার ছবির হাত পরিষ্কার হবে কী করে?

    শেষ পর্যন্ত এক ব্যবসায়ী বন্ধুর কথায় বিশ্বাস করে এক ভদ্র চেহারাসম্পন্ন আর্টিস্টকে ডেকে দু’দিন সিটিংও দিয়েছিলেন সহদেববাবু। কিন্তু দ্বিতীয় দিনে যখন দেখলেন যে তাঁর চেহারাটা ছবিতে তাঁর নিজের মতো না হয়ে নিউ মার্কেটের প্যারাডাইজ স্টোর্স-এর ব্রজেন দত্তর মতো হয়ে যাচ্ছে, তখন বাধ্য হয়ে আর্টিস্টের হাতে পাঁচটা দশ টাকার নোট গুঁজে দিয়ে তাকে বিদায় দিয়েছিলেন।

    মিহিরবাবুর প্রশ্নের উত্তরে সহদেববাবু বললেন, ‘কাগজে বিজ্ঞাপন দিয়েও তো ভাল আর্টিস্ট পেলাম না, অথচ এ যেন আমারই জন্য তৈরি!—তাই ভাবছিলাম, মানে…’

    ‘তা হলে আপনার জন্য রেখে দিই ছবিটা?’

    ‘কী রকম ইয়ে হবে?’

    ‘দাম? দেখি কত কমে পারি। তবে ওই যে বলছিলাম—আর্টিস্টের নাম ছিল এককালে।’

    শেষ পর্যন্ত সাড়ে সাতশো টাকায় এই অজ্ঞাতপরিচয় বাঙালি বাবুর ছবিটি কিনে এনে সহদেব ঘোষ তাঁর বৈঠকখানায় সবচেয়ে বেশি চোখে পড়ে এমন একটা জায়গায় দেয়ালে স্থান দিলেন। ঘরের চেহারা সত্যিই ফিরে গেল। জবরদস্ত শিল্পী তাতে কোনও সন্দেহ নেই। কাশ্মীরি শালের প্রত্যেকটি কলকা কত ধৈর্য ও যত্নের সঙ্গে আঁকা; ডান হাতের অনামিকায় আংটির হিরেটি যেন জ্বলজ্বল করছে; গড়গড়ার রুপোর কলকেটি যেন এইমাত্র পালিশ করা।

    বলা বাহুল্য সহদেববাবুর বন্ধুরাও ছবিটি দেখে থ’ মেরে গেলেন। প্রথমে সবাই ভেবেছিলেন যে সহদেব বুঝি কোনও ফাঁকে কোনও শিল্পীর স্টুডিওতে গিয়ে ছবিটা আঁকিয়ে এনেছেন। তারপর আসল ঘটনাটা শুনে তাদের সকলের চোখ ছানাবড়া। পৃথিবীতে কোটি কোটি মানুষের প্রত্যেকেরই নাক চোখ কান ঠোঁট মুখের মোটামুটি একই জায়গায় থাকা সত্ত্বেও এক যমজ ভাই-বোন ছাড়া দু’জনের চেহারায় এতটা সাদৃশ্য কোথায় চোখে পড়ে? সত্যনাথ বকশী তো সরাসরি জিগ্যেস করে বসল ‘ইনি তোমার কোনও পূর্বপুরুষ নন তো?’ সেটা অবিশ্যি সম্ভব না, কারণ সহদেবের পূর্বপুরুষদের মধ্যে গত একশো বছরে কেউই পয়সা করেননি। ঠাকুরদাদা ছিলেন রেল স্টেশনের টিকিটবাবু, আর প্রপিতামহ ছিলেন জমিদারি সেরেস্তায় সামান্য কেরানি।

    নন্দ বাঁড়ুজ্যের রহস্য উপন্যাস পড়ার বাতিক, সে নিজেকে একটি ছোটখাটো গোয়েন্দা হিসেবে কল্পনা করতে ভালবাসে। সে বলল, ‘এই বাবুটির পরিচয় খুঁজে না বার করা পর্যন্ত সোয়াস্তি নেই। ওই হিরের আংটিটার মধ্যে আমি একটা রহস্যের গন্ধ পাচ্ছি। নিতাইদার কাছে চার ভল্যুম বংশ-পরিচয় আছে। বাংলার জমিদারদের নাড়ী-নক্ষত্র তাতে জানা যায়; ছবিও আছে অনেকগুলো।’

    সেদিন আর তাসের আড্ডা জমল না। এই ধরনের কাকতালীয় ঘটনা আর কার কী জানা আছে সেই সব গল্প করে সন্ধেটা কেটে গেল।

    রাত্তিরে বিছানায় শুয়ে সহদেব অনুভব করলেন যে ছবিটা দিনের বেলায় বৈঠকখানায় থাকলেও, রাত্রে শোবার ঘরে রাখলে ভাল হয়। আর সেই সঙ্গে যদি ছবিটির মাথার উপর একটা ব্লু-লাইটের ব্যবস্থা করা যায়—যেমন ট্রেনের কামরায় থাকে—আর সেটা যদি সারারাত জ্বালিয়ে রাখা যায়, তা হলে ঘুমেরও ব্যাঘাত হবে না, অথচ মাঝ রাত্রে ঘুম ভাঙলেই ছবিটা চোখে পড়বে।

    এই কাজটা ইলেকট্রিক মিস্ত্রি ডাকিয়ে পরের দিনই করিয়ে ফেললেন সহদেববাবু।

    ছবিটা পাবার তিন দিনের মধ্যেই সহদেববাবু তাঁর ঝুলপিটা ইঞ্চিখানেক কমিয়ে নিলেন, কারণ ঝুলপিতেই ছবির চেহারার সঙ্গে বেমিল ছিল। হাতের নখ নিয়মিত না-কাটার ফলে বেয়াড়া রকম বেড়ে যেত সহদেববাবুর; ছবির বাবুর হাতের নখ গোড়া অবধি পরিষ্কার করে কাটা, তাই সহদেববাবু নিজের নখের যত্ন নিতে আরম্ভ করলেন। পানের অভ্যাস ছিল না; ছবির মতো পানের ডিবে কিনে চাকরকে দিয়ে খিলি পান সাজিয়ে ডিবেয় পুরে পকেটে নিয়ে কাজে বেরোতে শুরু করলেন। গেঁয়ো মানুষ ছোট অবস্থা থেকে বড় হয়েছেন বলেই আদব-কায়দার দিকটা সহদেববাবুর একেবারেই জানা ছিল না। এই সম্ভ্রান্ত ঘরের বাবুর ছবির প্রভাব ক্রমে তাঁর হাবেভাবে একটা পালিশ এনে দিতে শুরু করল। লালবাজারের আপিসে বসে যতক্ষণ কাজ করেন ততক্ষণ কোনও পরিবর্তন লক্ষ করা যায় না। টেরিলিনের সার্ট আর টেরিটের প্যান্ট পরে আপিসে যান, গোল্ড ফ্লেক সিগারেট খান, দিনে তিনবার চা আর দুপুরে সীতানাথের দোকান থেকে আনা পুরি-তরকারি আর জিলিপি খান। এ সব অভ্যেস অনেক দিনের। কিন্তু কাজের শেষে সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরে এসে তিনি আর ঠিক আগের মানুষ থাকেন না। হাঁটাচলার ভঙ্গি, কথা বলার ঢং, তাকিয়া কোলে নিয়ে বাবু হয়ে বসার কায়দা, চাকরকে হাঁক দিয়ে ডাকার মেজাজ, এ সবই নতুন। এ সব অবিশ্যি বন্ধুদের দৃষ্টি এড়ায় না। তারা বলে, ‘ছবির বাবুর প্রভাব তোমার উপর যেভাবে পড়ছে, তোমাকে তো ফ্ল্যাটবাড়ি ছেড়ে চক-মিলানো বাড়ি দেখতে হচ্ছে! সহদেববাবু মৃদু হাসেন, কোনও মন্তব্য করেন না।

    ছবির বাবুর সবচেয়ে বেশি কাছে মনে হয় নিজেকে যখন সহদেববাবু রাত্রে ঘরে ঢুকে অন্য সব বাতি নিভিয়ে কেবল নীল আলোটা জ্বালিয়ে খাটে শোন। তখন সত্যি মনে হয় ওই বাবু আর তিনি একই ব্যক্তি।

    আর তখনই মনে হয় ওই রকম একপেশে সোনার বোতামওয়ালা পাঞ্জাবি, ওই বাহারের চওড়া লালপেড়ে ধুতি ওই রকম কাজ করা কাশ্মীরি শাল, ওই চেয়ার, ওই গড়গড়া, ওই হিরের আংটি, ওই হাতির দাঁতের হাতলওয়ালা ছড়ি, এ সবই তাঁর চাই।

    আর সবই একে একে জোগাড়ও হল।

    ছড়ি আর চেয়ার দিলেন মিহিরবাবুই। চিৎপুর থেকে লোক ডাকিয়ে স্পেশাল গড়গড়া তৈরি হল ছবির সঙ্গে মিলিয়ে। সেই সঙ্গে ভাল অম্বুরি তামাক আনিয়ে সেটা খাবার অভ্যেসও তৈরি হল। ছবির মতো পাঞ্জাবি তৈরি করার কোনও অসুবিধা নেই, আর তার জন্য সোনার বোতামও কেনা হল।

    শালটা জোগাড় হল এক বৃদ্ধ কাশ্মীরি শালওয়ালার কাছ থেকে।

    নাদির শা শালওয়ালা গত শীতে সহদেববাবুর বাড়িতে এসেছিলেন হরেক রকম শাল সঙ্গে নিয়ে। সহদেববাবু কিছু কেনেননি। এবার শীত পড়তেই এক রবিবার সকালে শালওয়ালা আবার এসে হাজির। সহদেববাবু তাকে ছবিটা দেখিয়ে বললেন, ‘ঠিক এমনি একখানা শাল জোগাড় করে দিতে পারেন? ’

    নাদির শা তৈরি চোখে ছবির দিকে এক ঝলক দৃষ্টি দিয়ে বললেন, ‘এমন জামেওয়ার তো চট করে পাওয়া যায় না আজকের দিনে। তবে টাইম দিলে খোঁজ করে দেখতে পারি।’

    সহদেববাবুর পোট্রেট

    সেই জামেওয়ারও চলে এল তিন সপ্তাহের মধ্যে। রঙে সামান্য বেমিল; তবে আসল শালের রং কেমন ছিল কে বলবে? একে তো পুরোনো ছবি, রং বদলে যেতে পারে, তা ছাড়া আর্টিস্টের তেল রং আর আসল শালের রঙে কোনও তফাত নেই একথা জোর দিয়ে কে বলতে পারে?

    ‘কত দাম?’ জিগ্যেস করলেন সহদেববাবু।

    ‘আপনার জন্য স্পেশাল রেট। সাড়ে চার।’

    ‘সাড়ে চারশো?’—আজকের দিনে ভাল কাশ্মীরি শালের দাম সম্পর্কে সহদেববাবুর কোনও ধারণাই নেই।

    ‘নো স্যার’, চোখের কোণে খাঁজ ফেলে মৃদু হেসে বললেন নাদির শা—‘ফোর থাউজ্যান্ড অ্যান্ড ফাইভ হান্ড্রেড।’

    স্পেশাল রেট আর কমল না। নাদির শাকে সাড়ে চার হাজার টাকার একটা চেক লিখে দিলেন সহদেব ঘোষ।

    ছবির সঙ্গে মেলানো চেয়ার, শ্বেত পাথরের তেপায়া টেবিল, ঘষা কাঁচের ডোমওয়ালা কেরোসিন ল্যাম্প আর সেক্‌সপিয়রের বই কেনার পরেও একটা জিনিস বাকি রইল।

    সেটা হল বাবুর ডান হাতের অনামিকার হিরের আংটিটা।

    সহদেব ঘোষ একবার নৈহাটি গিয়ে বিখ্যাত জ্যোতিষী দুর্গাচরণ ভট্টাচার্যকে দিয়ে তাঁর ভাগ্য গণনা করিয়ে এনেছিলেন। তখন তিনি সবে ব্যবসায় নেমেছেন, কপালে কী আছে জানা নেই। জ্যোতিষী সহদেবের অভাবনীয় আর্থিক সাফল্যের কথা গণনা করে একটা কাগজ লিখে দিয়েছিলেন। কিন্তু আট বছরের মধ্যেই যে ব্যবসায় এমন দুর্যোগ দেখা দেবে তার কোনও উল্লেখ সে কাগজে ছিল না। আজ সেই কাগজটিকে ছিড়ে দলা পাকিয়ে জানালার বাইরে ছুঁড়ে ফেলে দিলেন সহদেববাবু।

    কারণ আর কিছুই নয়, গত এক মাসের মধ্যে দুটো বড় অর্ডার বাতিল হয়ে যাওয়ায় সহদেবের বেশ কয়েক লাখ টাকা লোকসান করিয়ে দিয়েছে।

    অত্যন্ত সাধারণ অবস্থা থেকে শুরু করলেও, সহদেবকে কোনওদিন পড়তির গ্লানি ভোগ করতে হয়নি। নীচ থেকে ধীরে ধীরে সমানে তিনি ওপরের দিকেই উঠেছেন। অর্থাৎ সবটাই চড়াই, উৎরাই নেই। কিন্তু আজ হঠাৎ উৎরাইয়ের বিভীষিকাময় অভিজ্ঞতা তাঁকে দিশেহারা করে দিল। আর এই অবস্থাটা যে সাময়িক, তেমন কোনও ভরসাও তিনি পেলেন না।

    এই অবস্থায় একজন জ্যোতিষীর উপর আস্থা হারালেও অন্য আরেকজনের কাছে যাবার লোভ সামলাতে পারলেন না সহদেব ঘোষ। ভবানীপুরে গিরীশ মুখার্জি রোডের নারায়ণ জ্যোতিষীকে গিয়ে ধরে পড়লেন তিনি।

    নারায়ণ জ্যোতিষীর গণনা করতে লাগল সাড়ে চার মিনিট। সহদেবের চরম দুর্দিন দেখা দিয়েছে। অপগ্রহের প্রভাব চলবে গোটা বছরটাই। এবং কোনও এক ব্যক্তি, যার উপর সহদেব বিশ্বাস রেখেছিলেন, তিনি প্রতারকের কাজ করছেন। এই ব্যক্তি যে কে, সেটা ভেবে বার করার কোনও প্রয়োজন বোধ করলেন না সহদেববাবু। এমন কেউ করতে পারে সেটা আগে জানলে বরং সাবধান হতে পারতেন। ব্যবসায় নেমে অনেকের উপরই বিশ্বাস রাখতে হয়েছে তাঁকে, তাদের মধ্যে কে ল্যাঙ মেরেছে সেটা এখন জেনে কী লাভ? আসল কথা, তাঁর সর্বনাশ হয়েছে, পায়ের তলা থেকে মাটি সরে গিয়েছে।

    প্রথমেই গেল ফিয়াট গাড়িটা। চার বছর আগে চৌত্রিশ হাজার টাকায় কেনা গাড়িটা বারো হাজারে বিক্রি করতে হল সহদেববাবুকে।

    দুর্দিনের বন্ধুই খাঁটি বন্ধু, এমন একটা প্রবাদ ইংরিজিতে আছে। সহদেববাবুর তিনজন বন্ধুর মধ্যে একজনই দেখা গেল সেই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেন। নন্দ বাঁড়ুজ্যে সেই যে বলেছিলেন ছবির বাবুর পরিচয় খুঁজে বার করবেন, সে ব্যাপারে এখনও পর্যন্ত সুবিধা করে উঠতে পারেননি। বংশ পরিচয়ের চার খণ্ডের এক খণ্ডে সেলিমগঞ্জের জমিদার ভূতনাথ চৌধুরীর ছবির সঙ্গে আর সব কিছু মোটামুটি মিলে গেলেও, মুখ একেবারেই মেলেনি। নন্দ পাশে থাকাতে এই সংকটের অবস্থাতেও সহদেববাবু তবু সামলে আছেন; না হলে কী হত বলা যায় না।

    এই নন্দ বাঁড়ুজ্যেই একদিন সহদেবকে বললেন কথাটা।

    ‘ছবিটা বিদায় করো ভাই। আমার বিশ্বাস ওটাই নষ্টের গোড়া। আর সত্যি বলতে কী, এখন তোমার যা চেহারা হয়েছে, তার সঙ্গে ওটার মিল সামান্যই।’

    হাতে আয়না নিয়ে ছবির সামনে দাঁড়িয়ে নিজের মুখের সঙ্গে মিলিয়ে সহদেববাবুরও যে কথাটা মনে হয়নি তা নয়। গত দু’মাসেই কানের দু’পাশে পাকা চুল দেখা দিয়েছে, চোখের তলায় কালি পড়েছে, গাল বসেছে, চামড়ার মসৃণতা চলে গিয়েছে। অথচ ছবির বাবুর কোনও বিকার নেই।

    ‘ওই ল্যাজারাসেই আবার গিয়ে ফেরত দাও ছবিটা,’ বললেন নন্দ বাঁড়ুজ্যে। ‘তোমাকে তো বলেছিল আর্টিস্টের বেশ নামডাক আছে। খদ্দের মিলে যাবে। আপদ বিদেয় হবে, পয়সাও কিছু আসবে ঘরে।’

    সেই রাত্রে ঘরের বাতি নিভিয়ে নীল বাতি জ্বেলে ছবিটার দিকে কিছুক্ষণ চেয়ে থেকে সহদেববাবুর মনে যে ভাবটা এল, সেটা আগে কখনও আসেনি। সেটা আতঙ্কের ভাব। বাবুর ঠোঁটের কোণে হাসিটাকে এতদিন প্রসন্ন বলে মনে হয়েছে, এখন মনে হচ্ছে পৈশাচিক। দৃষ্টিটাও সোজা তাঁরই দিকে হওয়াতে মনে হয় হাসিটা বুঝি তাঁকেই উদ্দেশ করে হাসা। কী আশ্চর্য—কবেকার কোথাকার এক বাবু, সেই বাবুর ছবি আঁকলেন আদ্যিকালের শিল্পী পরেশ গুঁই, আর সেই ছবিই কিনা তাঁর বাড়িতে এসে তাঁর জীবনটাকে এমনভাবে তছনছ করে দিল? ছবির দামের বাইরে কত টাকা তাঁর খরচ হয়েছে এটা কেনার দরুন সেটা ভাবতে সহদেববাবু শিউরে উঠলেন। তাও তো সামর্থ্য ছিল না বলে হিরের আংটিটা কেনা হয়নি; সেটার পিনে আবার…

    আর ভাবতে পারলেন না সহদেববাবু। নীল বাতি নিভিয়ে দিয়ে খাটে শুয়ে স্থির করে ফেললেন কালই সকালে ট্যাক্সি করে ল্যাজারাসে গিয়ে ছবিটা ফেরত দিয়ে আসবেন।

    * * *

    ‘গুড মর্নিং স্যার! ওটা কী বয়ে আনলেন?’

    প্রায় এক বছর পরে মিহিরবাবুর সঙ্গে দেখা হল। আজ অবিশ্যি রবিবার না, তাই নিলামের কোনও তোড়জোড় নেই। সহদেববাবু তিনটে বাংলা খবরের কাগজ দিয়ে আষ্টেপৃষ্ঠে মোড়া ছবিটাকে মেঝেতে নামিয়ে রেখে কপালের ঘাম মুছে মিহিরবাবুকে ব্যাপারটা বললেন। অবিশ্যি আসল কারণটা তো আর বলা যায় না, তাই বললেন, ছবিটা দেখে সবাই ঠাট্টা করে মশাই। বলে, “জমিদারি প্রথা কোনকালে উঠে গেল, আর তোমার কিনা হঠাৎ জমিদার সেজে ছবি আঁকার শখ হল?”—শুনে শুনে কান ঝালাপালা হয়ে গেল। তাই ফেরত দেওয়া স্থির করলাম। দেখবেন যদি কেউ কেনে-টেনে। অবিশ্যি পড়ে থাকলেও ক্ষতি নেই।’

    ট্যাক্সি থেকে নামতে দেখলুম? গাড়ি কী হল?’

    ‘কারখানায়। আসি…’

    সহদেববাবু চলে যাবার পর টেলিফোনের বই দেখে অ্যাকাডেমি অফ ফাইন আর্টসের নম্বর বার করে ভাইপোকে একটা ফোন করলেন মিহিরবাবু। ভাইপোর ছবির এগজিবিশন হচ্ছে সেখানে। বড় পেয়ারের ভাইপো এটি।

    সহদেববাবুর পোট্রেট

    ‘কে, কল্লোল? আমি মিহিরকাকা। শোন্‌, তোর প্রথম রোজগার করিয়ে দিয়েছিলুম কী ভাবে মনে আছে?…মনে নেই? সেই যে সদানন্দ রোডের এক ভদ্রলোক পোট্রেট আর্টিস্টের জন্য বিজ্ঞাপন দিলেন, তুই গেলে তোকে খেদিয়ে দিলেন, আর তুই মন থেকে পোট্রেট করলি জমিদারের পোশাক পরিয়ে?…হ্যাঁ হ্যাঁ, সে ছবি আবার ফেরত এসেছে, বুঝেছিস? তুই এক সময় এসে নিয়ে যাস। দোকানে অনেক মাল, রাখার জায়গা নেই।’

    টেলিফোনটা রেখে মিহিরবাবু খদ্দেরের দিকে মন দিলেন। অ্যারন সাহেব এসেছেন সেই দাবার সেটটার খোঁজে। সেটাকে আবার দেড়শো বছর আগে বর্মায় তৈরি বলে চালাতে হবে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112 113 114 115 116 117 118 119 120 121 122 123 124 125 126 127 128 129 130 131 132 133 134 135 136 137 138 139 140 141 142 143 144 145 146 147 148 149 150 151 152 153 154 155 156 157 158 159 160 161 162 163 164 165 166 167 168 169 170 171 172 173 174 175 176
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমোল্লা নাসীরুদ্দীনের গল্প – সত্যজিৎ রায়
    Next Article কানাইয়ের কথা

    Related Articles

    সত্যজিৎ রায়

    মানপত্র সত্যজিৎ রায় | Maanpotro Satyajit Ray

    October 12, 2025
    উপন্যাস বুদ্ধদেব গুহ

    নগ্ন নির্জন – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    উপন্যাস বুদ্ধদেব গুহ

    কোয়েলের কাছে – বুদ্ধদেব গুহ

    May 23, 2025
    উপন্যাস সত্যজিৎ রায়

    রবার্টসনের রুবি – সত্যজিৎ রায়

    April 3, 2025
    উপন্যাস সত্যজিৎ রায়

    বোম্বাইয়ের বোম্বেটে – সত্যজিৎ রায়

    April 3, 2025
    উপন্যাস সত্যজিৎ রায়

    রয়েল বেঙ্গল রহস্য – সত্যজিৎ রায়

    April 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }