Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সুধীন দাশগুপ্ত – সম্পাদনা: অশোক দাশগুপ্ত

    লেখক এক পাতা গল্প78 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ‘এ পারে আমি ও পারে তুমি মধ্যে বয় উজান’ – অরুণকুমার বসু

    সুধীন দাশগুপ্ত। ছাব্বিশ বছর পেরিয়ে গেছে মানুষটা চলে যাওয়ার পর। স্মৃতি অনেকটাই পুরনো সিন্দুকের মতো। লোহায় মরচের ক্ষত। দেওয়াল রঙচটা। চাবিও বিশ্বস্ততা হারিয়েছে। ভেতরের মুদ্রাগুলো ঠান্ডা বিবর্ণ। অস্পষ্ট অক্ষরগুলো পড়া যাবে কি?

    এই মানুষটির সঙ্গে গীতিরচনার কবিতাচর্চার যে যোগ আমার তৈরি হয়েছিল, সেও প্রায় ষাট বছরের পুরনো বট। পঞ্চাশের দশকে ভাস্কর বসু ছদ্মনামে ‘গীতিকার’ হওয়ার দুরাশার হাওয়া লেগেছিল গায়ে। তাই বলে, রাশি রাশি গান লিখে খাতা ভরাতে পারিনি। নির্বিচারে সুরকারদের পেছনে পেছনে ঘুরঘুর করিনি। শুধু নচিকেতা ঘোষ, সুধীন দাশগুপ্ত, মৃণাল চক্রবর্তী, শৈলেন মুখোপাধ্যায়, সুকুমার মিত্র— এইরকম ক’জনের বৃত্তেই আটকে ছিলাম বছর কয়েক। পরে সম্পর্ক গাঢ়তর হয়েছে, কিন্তু গীতিকার হয়ে টিকে থাকার পাখি অপচেষ্টার খাঁচা খুলে উড়ে গেছে। এঁদের মধ্যে মৃণাল ছাড়া সবাই আজ ছবি হয়ে গেছেন। বৃত্তি আর প্রবৃত্তির স্বাদ বদল করতে করতে আমিও একটা সৃষ্টি-বিরল, মাস্টারি নামক পড়ো-জমির মালিক হয়ে ক্যালেন্ডার পালটে পালটে চলে এসেছি। কড়াভর্তি টলটলে ডাল রাঁধুনির অসাবধানে যেমন পোড়া ডালের বড়া হয়ে যায়, আমার কবিতা ও গান তেমনি গদ্য আর বক্তৃতার শক্ত বড়ার পিণ্ডিতে পরিণত হয়েছে। আর ঘরানার বাইরে চলে আসার খেসারত দিতে দিতে সংস্কৃতির দুনিয়ায় কবে থেকেই হয়ে গেছি ভিসাহীন ভিনদেশি। সে-সব দিনের জ্বলজ্বলে মুখের ছবিগুলো ধূসর-ধুলোট হয়ে গেছে। নিজেরই লেখা পঞ্চান্ন বছরেরও বেশি পুরনো সেই-এক গানের বাণী নতুন অর্থ নিয়ে কানে বাজে:

    ভাঙা তরীর শুধু এ গান—
    কী আছে আর প্রাণের দান!
    যা ছিল প্রেম সবই দিলেম,
    শুধু এ গান, শুধু এ প্রাণ।

    আজ দেখি সময়ের ভগ্নতরীর জোড়-খোলা পাটাতনে আমি একা। এ গানের সুরকার সুধীন দাশগুপ্ত কোথায় আজ?

    আমি তো এই তুমি সুদূর
    আমি চরণ কোথা নূপুর
    একা তরী গেল ভেসে
    কোথা বলো কোন দেশে?

    সলিল চৌধুরির হাত ধরে নলিন সরকার স্ট্রিটে গ্রামোফোন কোম্পানির রিহার্সাল রুমে যাতায়াত করি। সুধীন দাশগুপ্তও করতেন। সেখান থেকেই রাখিবন্ধন। আমি প্রেসিডেন্সি কলেজের আই এ ক্লাসের ছাত্র বোধহয় তখন। থাকি বেলেঘাটায়। সুধীনদা থাকতেন সিঁথির ভেতরে ডি গুপ্ত লেনে। পঞ্চাশের দশকের সেই প্রথম প্রহরে পুব থেকে উত্তরে ‘কত আশা, কত ভালোবাসা’। কত যাতায়াতের পৌষফাগুন আমাদের দু’জনকে ক্রমশ বড় গাছের ওপরের ডালে তুলে দিয়েছে। অবশ্যই দুজনের গুণপনার তুলনাসূত্রে এই উক্তি নয়। অভিজ্ঞতার দেওয়ালে ঠোক্কর খেতে খেতে বড় হওয়া, ভাঙা ডাল ধরতে ধরতে মগডালে ওঠা। অন্তত আমার ক্ষেত্রে। গান লেখার নেশা আমার খুব-একটা তীব্র ছিল না। কিন্তু সুধীন দাশগুপ্তের পাশে-বসে তাঁর মোটা-মোটা পুরুষ্ট আঙুলে হারমোনিয়ামে স্বরতরঙ্গ বিস্তার, কর্ডের খেলা, অজস্র বিদেশি গান শোনার অভিজ্ঞতা আমার নির্জন মনের সৈকতে কথা-গাঁথার কাঁপন জাগাত। হয়ত এমনি করেই আমার কিছু গান-লেখা ও সুধীনদা-র সুর-দেওয়া হয়ে-উঠত। সুধীন দাশগুপ্তের সঙ্গীত-জীবনের সেটাই আদি কাণ্ড, ‘পায়ে-চলার পথের হল শুরু’। এখানে বলা ভাল যে, ‘কত আশা কত ভালোবাসা’ এটি সুধীন দাশগুপ্তের সুরে রেকর্ড করা বোধহয় প্রথম গান, গেয়েছিলেন সেকালের জনপ্রিয় কিন্তু প্রায় বসে-পড়া শিল্পী বেচু দত্ত। আর ‘পায়ে চলা পথের হল শুরু’ এটিও সেই প্রথম কি দ্বিতীয় রেকর্ড সুধীনদার সুরে, বোধহয় সুধীন দাশগুপ্তই লিখেছিলেন, গেয়েছিলেন দ্বিজেন মুখোপাধ্যায়। সুধীনদার সিঁথির বাসায় দোতলার ঘরটায় মনে হচ্ছে কোনও টেবিল-চেয়ার-খাট ছিল না। শতরঞ্চির ওপর হারমোনিয়াম, দেওয়ালের কাছে থরে থরে ইংরেজি-গানের লংপ্লে রেকর্ড। সেদিন এক ছুটির সকালে সুধীনদা আমাকে দিয়ে একটি ছন্দময়, নতুন ধরনের স্ক্যানশনে, রিদমিক এই গানটি তৈরি করলেন:

    রূপকাঠি গাঁয়ে শ্যামলী মেয়েটি
    পথ চলে,
    নদী ছলছল হাওয়া ঝিরঝির
    কথা বলে।
    রাঙা পথে ওই হাটে যায় কারা
    বেলা গেল
    কাজল মেয়ে গো ভরা ঘট নিয়ে
    ঘরে চলো।
    নয়নে হাসির ফোয়ারা চমক
    দীপ জ্বলে।

    বোধহয় পরে কোনও এক সময়ে তরুণ বন্দ্যোপাধ্যায় গানটি রেকর্ডে গেয়েছিলেন। গ্রামোফোন কোম্পানির দোতলার পুবদিকের ঘরে একবার সলিল চৌধুরি আর সুধীন দাশগুপ্ত টানা দু’ঘণ্টা গল্পে আর গানে মেতেছিলেন। অনেকেই জানেন না, সেইদিন গানের জগতে এক অবাক কিংবা সবাক কাণ্ড ঘটেছিল। সলিল চৌধুরি বসে বসে একটি গান লিখে দিলেন, সুধীন দাশগুপ্ত সেটি সুর করলেন। গানটি হল:

    চম্পা আমার ওগো শোনো
    পারুল কুমার ডাকে তোমায়
    ঘুমায়ো না জাগো।

    তার কত বছর পরে সলিল চৌধুরি রচনা করেছিলেন, ও সাত ভাই চম্পা জাগো জাগো রে। আর সুধীনদাও লিখেছিলেন, স্বর্ণঝরা সূর্যরঙে আকাশ যে ওই রাঙল রে।… চম্পা জাগো জাগো রে। সলিল চৌধুরি লিখছেন, সুধীন দাশগুপ্ত সুর করছেন, এই ব্যতিক্রম ঘটনার সাক্ষী হিসেবে সেদিন সেই ঘরে আর কেউ ছিলেন কিনা মনে নেই। তবে সেদিন এই ‘রূপকাঠি গাঁয়ে শ্যামলী মেয়েটি’ গানখানি সুধীনদার কণ্ঠে শুনে সলিলদা আমাকে তারিফ করে বলেছিলেন, গানের সেকেন্ড হাফটা তো দারুণ লিখেছিস। সেটি ছিল এইরকম, যতদূর স্মরণে আছে:

    রূপকাঠি গাঁয়ে যদি কোনোদিন
    পথ ভুলে
    ওই রাঙা পথে যদি যাও তুমি
    আঁখি তুলে
    যেখানে আকাশ ধরা দিল এই
    ধরাতলে
    রূপকাঠি গাঁয়ে শ্যামলী মেয়েটি
    পথ চলে।
    কত যুগ আমি খুঁজেছি তোমায়
    কত নিশি
    কত না জনম কত না মরণে
    গেল মিশি।
    যদি কোনোদিন দেখা মেলে তার
    ছায়াতলে
    আমাকে সেদিন দিও সে গাঁয়ের
    পথ বলে।

    শহরে জন্মে বড়-হয়ে-ওঠা আমার গ্রামের কল্পনা অভিজ্ঞতাহীন রোমান্টিক ওই ‘রূপকাঠি’ গাঁয়ের ইস্টিশনেই থেমে গেছে। গাঁয়ে ঢোকার জন্য কোনও অভিজ্ঞতার সাইকেল রিকশা খোঁজা হয়নি। দেশভাগের কঠিন রক্তাক্ত ইতিহাস আর গ্রাম-ছাড়ার করুণ আর্তনাদ ফোটাবার জন্যে ছড়ার ভাঙাচোরা চরণ নিয়ে একটা গান লিখে দিয়েছিলাম সুধীনদা-র খাতায়। একদিন সেটাতে ভারি কান্নাভেজা সুর বসিয়ে দিয়েছিলেন সুধীনদা, আর তেমনি ক্রন্দনমধুর কণ্ঠে গেয়ে উঠেছিলেন প্রতিমা বন্দ্যোপাধ্যায়— কী জানি আজ কারও মনে আছে কি নেই:

    এ পারে গঙ্গা ও পারে গঙ্গা
    মধ্যিখানে চর
    সোনার বরণ বধূ এসে
    প্রদীপখানি ভাসিয়ে দিল
    স্রোতে থরথর ।।
    কোন অতীতের কালো বুকে
    মনে তো আর নাই
    সেই মেয়েটির হারানো মুখ
    খুঁজে তো না পাই
    সেই বধূটির সুখে ছাওয়া
    একটুখানি ঘর
    ভেসে গেল অথৈ গাঙে
    স্রোতে থরথর।

    সুধীন দাশগুপ্ত বাংলা একটা যুগের যে একজন শ্রেষ্ঠ সুরকার তাই নয়, তিনি নিজেও অনেক অসাধারণ গান লিখেছেন। গীতিকার হিসেবে সুধীন দাশগুপ্তের তেমন আলোচনা হয়নি, মূল্যায়ন তো দূরের কথা। এর অনেক কারণ ছিল কিংবা আছে। আমরা যারা সুরকারদের জন্যে গান লিখে বেড়াতাম, আমাদের নিজেদের কথা আমরাই প্রচার করতাম। সুধীনদা সব ব্যাপারেই ছিলেন উত্তেজনাহীন ঠান্ডা স্বভাবের মানুষ। তাই তাঁর নিজের পক্ষে সুরের বা গীতিরচনার আত্মপ্রসাদ ঘোষণা করার মানুষ তিনি কখনই ছিলেন না। সলিল চৌধুরি স্বয়ং গীতিকার ও সুরকার। অসংখ্য স্বরচিত গানে তিনি নিজের সেই আত্মপরিচয়টি সুপ্রতিষ্ঠিত করে রেখেছিলেন। তাই সলিল চৌধুরির গানের পাশে ‘কথা ও সুর সলিল চৌধুরি’ এই অবধারিত পরিচিতির সঙ্গে জিজ্ঞাসুর চোখ অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছিল। তাই কোনও গানের রেকর্ডে কথাও সুধীন দাশগুপ্তের, এমন জানাটা ছিল অপ্রত্যাশিত। সুধীনদা এমন কাণ্ড করতেন মাঝে মাঝে। যদি নিয়মিত করতেন, তা হলে তাঁর এই গীতিকবি-অভিধাটি আমাদের চোখে বসে যেত। অনেক কাল পরে সুধীনদার নিজের লেখা গানগুলিকে পাশাপাশি দেখে আমরা বিস্মিত হয়েছি তাঁর উপলব্ধির নিজস্বতায়। ভাষা ও শব্দ ব্যবহার সম্পর্কে তাঁর অধিকারের প্রামাণিকতায়। আজ সুরকার-সত্তার সঙ্গে ‘গীতিকার সুধীন দাশগুপ্ত’ এই সত্তার ঔজ্জ্বল্যে ও স্বাতন্ত্র্যে আমরা গর্বিত হই, লজ্জিতও হই। মনে হয়, জীবিতকালে তাঁর এই গুণকে তেমন যেন স্বীকৃতি দিইনি! সুধীনদার স্বরচিত কিংবা অন্য কারও লেখা দুর্ভিক্ষের ওপর গান ‘মেলো নয়ন মেলো রে, রাত পোহায়ে গেল রে’ শুনে আমার চোখে জল এসেছিল। সে গান আজও অপ্রকাশিত। তা সে যাই হোক, সে সব আপাতত আমি টেনে আনছি না। শুধু এই স্বল্প পরিসরে, বলতে ইচ্ছে করছে যে ভাল লিরিকের ওপর বাংলা গানকে দাঁড় করার আন্দোলনে সুধীন দাশগুপ্ত ছিলেন সে-সময়ের এক নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিত্ব। তাই পঞ্চাশের দশকে গান রচনার জন্যে কবিত্ব, শব্দঝঙ্কার, ছন্দের স্পন্দন, আর ধ্বনিসুষমা রক্ষার জন্যে কত যত্ন ছিল আমাদের। সুধীন দাশগুপ্ত হারমোনিয়ামে সুরের ঢেউ তুলছেন, আমি তাঁর সঙ্গে ছন্দ মিলিয়ে লিখে ফেললাম একদিন এই গানটি, যা নিছক সুরে-বসানো কবিত্ব-বর্জিত অর্থহীন কথার রাশি নয়, সুখপাঠ্য কবিতাও হতে পারে:

    বিদেশিনী কাদের রানী
    পালকি চড়ে চলেছে
    সোনামুখে রোদ লেগে তার
    মুক্তো ঝরে পড়েছে।
    তাই না দেখে ঘরের থেকে
    কাঁদল সখী বকুলফুল
    এ কূল গেল ও কূল গেল
    ফুটল না যৌবনের ফুল
    বুক ফাটে তো মুখ ফোটে না
    লাজশরমে কত বার
    কলঙ্কিনী কালনাগিনী
    হল যে তার গলার হার।…

    গানটি আলপনা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রেকর্ডে ক্যাসেটে তাঁর সেদিনের নরম স্নিগ্ধকণ্ঠে অপরূপ সৌন্দর্যে ধরা আছে। ঠিক এমনি ধরনের ছড়াময় লিরিক, ঈষৎ গ্রাম্য শ্যামল শোভা-মাখানো, বাঙালি ঘরের বিয়ের পর কন্যা-বিদায়ের চিরন্তন ছবিটিও আমার কথায় আর সুধীন দাশগুপ্তের সম্পূর্ণ স্বদেশীয় সুরে কী আশ্চর্য অনবদ্য গান হয়ে আছে শ্রোতার কানে। গীতা দত্তের অমলিন কণ্ঠে বাঁধা এর প্রতিটি উচ্চারণ:

    উঠো উঠো মা গৌরী
    হিমানি আর নাই
    সোনামতী রাঙা রোদে
    গাঙসিনানে যাই।
    গৌরী গৌরী ফিরে চাও,
    ঘাটে এল সপ্ত নাও।।
    হলুদবরণ গৌরী যাবে
    বরণদোলায় চড়ে
    সিঁদুরে চন্দনে মুখে
    রাঙা রোদ পড়ে।
    কত বহুড়ি কত ঝিউড়ি
    শঙ্খ বাজালো
    গৌরী যাবে অনেক দূরে
    আকাশ করে আলো।
    গৌরী গৌরী ফিরে চাও
    ঘাটে এল সপ্ত নাও।

    এই পর্যন্ত লেখার পর সুধীনদা বললেন, মায়ের মুখে কিছু কথাটথা বসাও। আমি লিখলাম:

    এত কালের মাটি তোমায়
    অন্ন দিল তুলে,
    তারে তুমি মনে রেখো,
    যেয়ো না মা ভুলে।
    নদী তোমায় জল দিল
    তরু দিল ছায়া,
    আমি দিলাম স্নেহ যখন
    ছিলে অসহায়া।
    পোড়া আঁখি জলে ভাসে,
    হাসি টানি মুখে,
    লক্ষ্মী হয়ে থেকো যেন
    সবার সম্মুখে।

    আনন্দে সুধীনদা আমাকে জড়িয়ে ধরলেন। বললেন, দারুণ।

    আরও মনে পড়ছে, সুধীনদার নিজের লেখা একটি গানের কথা বদলে আমি লিখে দিয়েছিলাম:

    এই ছায়াবীথি তলে
    ফাগুন নামে না আর
    এখানে শ্রাবণের যত ব্যথা
    সে যে আমার ওগো সে যে আমার।

    লিখতে লিখতে হঠাৎ মনে পড়ল, সুধীন দাশগুপ্ত কৈশোর-যৌবনে পাহাড়ি দার্জিলিং কালিম্পং কার্শিয়াঙে কাটিয়েছিলেন বলে বহু নেপালি ছন্দপ্রধান গান তাঁর কণ্ঠস্থ ছিল। এমনি একটি নেপালি সুর (আপুভনে থাং নে মেরে ছোড়ি মাং নে) ভেঙে আমাকে দিয়ে তিনি একটি গান বানিয়েছিলেন, খুব অল্প সময়ের মধ্যে। আমার নিজেরই ভাল করে মনে নেই সে কথাগুলো, সম্ভবত আলপনা বন্দ্যোপাধ্যায় রেকর্ডে গেয়েছিলেন:

    পৌষালি সন্ধ্যার ঘুম ঘুম তন্দ্রা
    মৌমাছি গুনগুন গুনগুন ফিরে যায়,
    মল্লিকা ঘুমায় রে।…
    আহা তার অঙ্গে কি শিশিরের কান্না
    ওগো সূর্য ঝরাও তুমি হীরে মোতি পান্না
    ওই বুঝি শুকতারা দীপটি নেভায়।
    মল্লিকা ঘুমায় রে।

    এমনি সুরভাঙার খেলা সুধীনদা অনেক করেছেন। যেমন একটি ইংরেজি পপ গান আমাকে প্রায়ই শোনাতেন সুধীনদা:

    I come from Alabama
    with a Banzo on my knee
    I’m going to Luisiana
    my Susana for to see.
    O Susana O don’t you cry for me
    For I’m going to Luisiana
    my Susana for to see.

    আমার আর সুধীনদার প্রতিযোগিতা শুরু হল, কে আগে এর বাংলা ভার্সান করতে পারে। সুধীনদারই জিত। তৈরি হল:

    ওই মেঘে মেঘে ছেয়ে এল আঁধার গগনে
    ওই মাটির স্বপন ভাসাতে আজ ব্যথার প্লাবনে।
    সূর্য কোথা যাও
    কেন গো লুকাও
    সূর্যমুখী ডাকে তোমায় দাও গো সাড়া দাও

    কথাগুলো বোধহয় এরকমই। কে অস্বীকার করবে, অল্প সময়ের মধ্যে গানটি গায়ত্রী বসুর গলায় কী দারুণ জনপ্রিয়তা পেয়েছিল!

    ‘সোনার হাতে সোনার কাঁকন’ আমার রচনায় সুধীন দাশগুপ্তের আশ্চর্য সুরারোপে আর সতীনাথ মুখোপাধ্যায়ের সুরময় দরদিয়া কণ্ঠে একালের অনবদ্য একটি সৃষ্টির মর্যাদা পেয়েছে। উৎপলা সেনের কেয়াতলার বাসায় এক সন্ধ্যায় আমি দিনের উঞ্ছবৃত্তি শেষ করে কাগজ নিয়ে বসেছি। পাশে সতীনাথ, সুধীন দাশগুপ্ত হারমোনিয়াম ধরেছেন। রেকর্ডিং ডেট ঠিক হয়ে গেছে। এখনই গান চাই: তাড়াতাড়ি লেখা বেরোল

    সোনার হাতে সোনার কাঁকন
    কে কার অহঙ্কার,
    কে জানে তার এরূপ দিল
    সে কোন মণিকার।

    সতীনাথের রাগপ্রধান গানের মেজাজ রেখে দু’লাইন সুর বসাতেই সতীনাথ আহাহা আহাহা করে চোখ বুজে বারবার গাইতে লাগলেন। ওই দেখে আমার কলম তো প্রায় স্তব্ধ। সতীনাথদা তাড়া দিয়ে বললেন, থামলি কেন, লেখ। আবার কলম এগোতে লাগল, আর সুধীনদা সুর বসাচ্ছেন, সতীনাথদা বাঃ বাঃ আহাহা করে চলছেন। হঠাৎ সতীনাথদা নিজে থেকেই বলে উঠলেন, ভাস্কর, কে কার অহঙ্কার না বলে কে কার অলঙ্কার বললে হয় না’? উৎপলাদি চা আনছিলেন। বললেন, আমি তো অলঙ্কারই শুনছি। বাঃ, এটাই তো মানাবে ভাল। সুতরাং হাতে অলঙ্কার গেঁথে গেল, আমার মৌখিক আপত্তি টিকল না, বলা গেল না যে ‘সোনার হাতে সোনার চুড়ি কে কার অলঙ্কার’ এই বাক্যটি বাংলা কোনও কাব্যালঙ্কারশাস্ত্র শেখানোর বইতে ‘সন্দেহ’ নামক এক অলঙ্কারের নমুনা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়েছিল। তাতে সতীনাথদা-র তো বয়েই গেল। হইহই করে রেকর্ড তো বেরোল। সেই রেকর্ডেরই উলটো পিঠে সুধীনদা-র নিজের লেখা ও সুরের দারুণ গান ছিল

    এল বরষা যে সহসা মনে আজ
    রিমঝিমঝিম রিমঝিমঝিম গান গেয়ে যাই।

    সে বছর তো গানের বাজারে সতীনাথদা-র গান আজকের ভাষায় ‘সুপারহিট’। এদিকে বছর না ঘুরতেই কোনও এক মক্কেলহীন বেকার উকিল কোনও এক সম্ভাব্য খদ্দের পাকড়ে, দিল রেকর্ড কোম্পানির নামে স্বত্বহানির মামলা ঠুকে। কোম্পানির জাঁদরেল কোনও সেনসাহেব আমাকে ভয় দেখিয়ে বললেন, ‘এ কেস আপনার ঘাড়ে চাপানো হবে! আপনি সামলাবেন।’ কপিরাইট কী জিনিস তাই জানি না তখন। ভীরুপায়ে অতুলচন্দ্র গুপ্ত, প্রতাপচন্দ্র চন্দ্র প্রমুখ আইনজ্ঞ কাদের কাদের কাছে পরামর্শ নিতে গিয়েছিলাম মনে নেই। তবে, তাঁরা সবাই শুনে হাসাহাসি করেছিলেন, সে কথা স্পষ্ট মনে আছে। বলেছিলেন, ‘আরে দুর! এটা দাঁড়ায় নাকি? চুড়িকে কাঁকন বললে সোনাটা বেশি লাগে বটে, তবে সেটা ফাঁপা। তাতে চুড়িটাই ভাঙে, স্বত্ব ভাঙে না!’ আমার তখন অপরিণত বয়স, তার ওপর বোধবুদ্ধির কাছে ভয়-দেখানো সেই উকিলের দুঃস্বপ্ন চলতেই লাগল। নির্বিকার সুধীনদা হাসেন মিটিমিটি, সতীনাথদা হাসেন হো-হো করে। কোম্পানির সর্বময় বড়কর্তা মিস্টার চ্যাটার্জি বোধহয়, শেষে দেখি একদিন আলিপুর কোর্টে স্বয়ং এসে কোম্পানির অ্যাটর্নি ঘোষসাহেবের মাধ্যমে শুঁটকি চেহারার সেই উকিলবাবুকে ধমকে জানালেন, ‘এসব উটকো ঝামেলা দেখার সময় এত বড় কোম্পানির নেই। আর চললেও, আপনি কি দশ বছরেও এর হিল্লে করতে পারবেন? এখন বলুন, আপনার কত চাই?’ হতভম্ব উকিলমশাই একখানা একশো টাকার করকরে নোট পেয়ে আশাতীত সৌভাগ্যে লম্বা-লম্বা ঠ্যাং দিয়ে তখনই হাওয়া! বলা বাহুল্য, মুহূর্তে মামলা শেষ। সেই লোভী উকিলবাবু পার্টিকে হয়তো কিছু দু-দশ টাকা গছিয়ে বুঝিয়ে বলেছিলেন, ‘আর-একটু চেপে ধরলে কোম্পানিকে একেবারে ফতুর করে দিতুম। হেঁ হেঁ।’

    আজ প্রায় পঁয়ত্রিশ বছর পরে এসব মনে পড়লে হাসি পায়। কোথায় গেল স্বত্বভঙ্গের মামলা, তার নামে দু-পয়সা কামানো? হায়, কোথায় সেই কালো-কোট শকুনবুদ্ধি উকিল! আজও জেগে আছে, সেই আশ্চর্যকণ্ঠ সতীনাথের গাওয়া সুধীন দাশগুপ্তের অপূর্ব সুরে সৃষ্টি— ‘কে জানে তার এরূপ দিল সে কোন মণিকার!’

    এই গানের গল্পটা এখানে শেষ হলে ভাল হত। তবু বাকি থাকে দু-চার কথা। কয়েক বছর আগে গান-মেলা-থেকে কেনা গ্রামোফোন কোম্পানির একটা সতীনাথের গানের ক্যাসেটে দেখলাম, ছাপানো আছে, ‘সোনার হাতে সোনার কাঁকন।’ গীতিকারের নাম গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার, ভাস্কর বসু নয়। এই হল, একালের সেই গ্রামোফোন কোম্পানি! তাদের কাছে জানতে ইচ্ছা করে, ‘সোনার হাতে সোনার কাঁকন কে কার গীতিকার? সে খবরটাও রাখেন না!’

    সুধীন দাশগুপ্তের খাতার ভেতর এলোমেলো ছেঁড়া পাতায় যে আমার কত গান ছিল, হারিয়ে গেছে। অবশ্য রেকর্ডে রয়ে গেছে ‘হিংসুটে দৈত্য’ আর ‘আলাদিন আলাদিন’ এই দুটো শিশু গীতিনাট্য। ‘হিংসুটে দৈত্য’ ছোটদের এই গীতিনাট্য পালাটিকে ঘিরে সুধীনদার সঙ্গে আমার নিবিড় নৈকট্যের অনেকগুলি দিন স্মৃতিঘন হয়ে আছে। তখন আমি গীতিকার হওয়ার চেনা পথ দিয়ে হাঁটা তো ছেড়েই দিয়েছি। অধ্যাপনার ফোলানো-বুক আর দোলানো-ব্যাগ আমার শূন্যগর্ভ আত্মম্ভরিতাকে সৃষ্টিসুখের উল্লাস থেকে উৎখাত করে এনে ফেলেছে ক্লাসের বাগাড়ম্বরে, আর প্রবন্ধ লেখার বাসনমাজা কাজে। গ্রামোফোন কোম্পানি আমাকে আর সুধীনদাকে ছোটদের জন্যে গীতিনাট্য লেখার দায়িত্ব তো দিল। কিন্তু কী লিখি, কী নিয়ে লিখি, এই সব ভাবনার ডিমে তা-দেওয়ার দুরবস্থা চলছে। হঠাৎ একদিন কালীঘাট পার্কের ধারে একটা গলির নোংরা ফুটপাথে কয়েকটা বারো-চোদ্দো বছর বয়সের ছেলের বিচ্ছিরি মুখে বলতে শুনলাম, রোজ রোজ ফুটপাথে খেলতে ভাল লাগে না। বলা ভাল, কালীঘাট পার্ক তখন আর পার্ক নেই, পাতাল রেলের প্রস্তুতির প্রাথমিক পর্বে ইট-পাথর লোহা-লক্কড়ের স্তূপে সেটি অট্টালিকা ভাঙা ভগ্নস্তূপের মতো। সবুজের অভিযান সেখানে নিষিদ্ধ। কথাগুলো মনে ঘোরাফেরা করতে করতে এসে গেল অস্কার ওয়াইল্ডের ‘শেলফিস জায়ান্ট’ গল্পের কথা। সুধীনদার প্রসন্ন অনুমোদন আর আমার লেখার পাশাপাশি চলছিল সুধীনদার নানা পরিকল্পনা। আমাকে বলতেন, জীবজন্তু চরিত্র বানাতে, তা হলে তাদের কণ্ঠে তিনি জীবজন্তুর উচ্চারণের ধ্বনি কৃত্রিমভাবে ফোটাবেন। আমাদের দুজনের সেই ইচ্ছে একটু একটু করে কেমন চমৎকার অসাধারণ সৃষ্টি হয়ে উঠেছে, যাঁরা এ রেকর্ড শুনেছেন তাঁরা জানেন। ছোটদের কাছে এর আশ্চর্য চমক আর বিস্ময় এখনও অনিঃশেষ। আজও নানা ছোটদের প্রতিষ্ঠান এই রেকর্ড বাজিয়ে হিংসুটে দৈত্য মঞ্চে অভিনয় করে। এই সমস্ত কাণ্ডের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত ছিলেন শিল্পী অংশুমান রায়, যিনি তাঁর অসাধারণ কণ্ঠে এই রেকর্ডে দৈত্যের ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন। সুধীনদার অকৃত্রিম ভক্ত-অনুরাগী, আমার এই বন্ধুর জন্যেও আমার মন আজও গভীর অভিমানে টনটন করে। কেন এত অকালে ও আত্মঘাতী হল?

    একটা সুর-করা গানের সামান্য মনে পড়ছে:

    আমি আকাশ খুঁজে মরি
    তুমি মাটির পানে চাও,
    আমি যে সূর্য পেতে চাই—
    তুমি প্রদীপটি জ্বালাও।
    আশা ছলনা কেন গেল না,
    আজও গেল না।

    আমার সে আকাশ তো কবেই হারিয়ে গেছে। সূর্য পাওয়ার দুরাশায় মাটির প্রদীপটিও নিভে গেল। সঙ্গীত-জীবনের সেই সূচনাপর্বে রচিত সুধীন দাশগুপ্তের একটি প্রায়-ভুলে-যাওয়া গানের কথা মনে পড়ছে:

    কেন আকাশ হতে আজ নিশীথে
    তারা ঝরে যায়
    এই পৃথিবীর বুকের পরে
    বলো কী ব্যথায়,
    তারা ঝরে যায়।

    অরূপ ভট্টাচার্যের লেখা, সম্ভবত বাগেশ্রীতে বাঁধা গানটি বেচু দত্তকে দিয়ে রেকর্ড করানো হয়েছিল। সেই শিল্পীর তখন কণ্ঠসম্পদও নেই, বয়সে রোগে শরীরও জীর্ণ। তবু কী দরদ দিয়ে গেয়েছিলেন। যেন তাঁর নিজেরই জীবনের কথা, এই ভেবে গাইতে গাইতে তাঁর চোখ দিয়ে দেখেছি জল গড়াত। আজ প্রায় পঞ্চাশ বছর পরে আমরা যারা আছি, আমাদের অবস্থাও সেই ‘তারা ঝরে যায়’। তাই এখন ঝরা তারা, মরা ফুল, শুকনো পাতা, রুক্ষ বাতাস চারপাশে ঝিমঝিম করে। ‘যা ছিল প্রেম সবই দিলেম’। ‘শুধু এ গান, শুধু এ প্রাণ’ নিয়ে সুধীন দাশগুপ্তের স্মৃতির তলায় বসে থাকা। আবছা ছবিখানা চোখে ভাসছে। আমার গানের কাগজখানা হারমোনিয়ামের ওপর চাপা-দেওয়া। মোটা-মোটা আঙুলে সুধীনদা সুর বসাচ্ছেন:

    এ পারে গঙ্গা ও পারে গঙ্গা কেন ব্যবধান
    এ পারে আমি ও পারে তুমি, মধ্যে বয় উজান।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleউটকো সাংবাদিকের ডায়েরি – অশোক দাশগুপ্ত
    Next Article আপিলা-চাপিলা – অশোক মিত্র

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }