Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সুধীন দাশগুপ্ত – সম্পাদনা: অশোক দাশগুপ্ত

    লেখক এক পাতা গল্প78 Mins Read0
    ⤶

    ওঁর মতো হৃদয়বান মানুষ আমি দেখিনি – মঞ্জুশ্রী দাশগুপ্ত

    কাজটা কঠিন। যখনই ভেবেছি ফেলে আসা দিনগুলোর স্মৃতি লিখে রাখব, তখনই সমস্যায় পড়েছি। আমি লেখক নই। সুধীন দাশগুপ্তর স্ত্রী হিসেবে গলা উঁচু করে বলার মতো গানবাজনার মানুষও নই। অনেক কথা আজ ভুলে গেছি, তবু যে-সব কথা কখনও ভোলা যায় না তা যেন সাঁঝপ্রহরের আলোর মতো, মনের মধ্যে কাছে-দূরে জ্বলেই থাকে।

    আমার সঙ্গে সুধীন দাশগুপ্তর যখন বিয়ে হয়েছিল, তখন আমার বয়েস বেশ কম। অতবড় একজন ব্যক্তিত্বকে জানা বা বোঝার অভিজ্ঞতা, বুদ্ধি-বিবেচনা আমার ছিল না। কিন্তু কিছুই অসুবিধে হয়নি। সেটা ওঁরই জন্য। খুব সহজ কথায় বলতে গেলে, আচার-ব্যবহার, চিন্তা-ভাবনা, পরিবেশ-পরিস্থিতি সব কিছুর সঙ্গে ঠিক কী করে মানিয়ে নিতে হবে তাঁর শিক্ষা আমি ওঁর কাছেই পেয়েছিলাম।

    গানের মানুষের সঙ্গে বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন মা। আমার মা গানের মানুষ ছিলেন। চমৎকার গান গাইতেন। শচীন দেববর্মণের স্ত্রী মীরা দেববর্মণ আর আমার মা একদা একই প্রতিযোগিতায় গান করেছিলেন। সেই সময় আমার মায়ের নাম ছিল মীরা রায় বা জ্যোৎস্না রায়। মায়ের গানের গলা ছিল চমৎকার। কিন্তু শেষ অবধি মায়ের গায়িকা-জীবন দীর্ঘ হয়নি। সংসার সামলাতে হয়েছে। আমরা জেঠামশাইয়ের কাছে মানুষ হয়েছি। জেঠামশাইয়ের তিন মেয়ে, দুই ছেলে এবং আমরা। সব মিলে আট ভাইবোনের একসঙ্গে বড় হওয়া। মা গান ভালবাসতেন বলে একজন সঙ্গীত-ব্যক্তিত্বের সঙ্গে আমার বিয়ে দিয়েছিলেন।

    যেমন হয় আর কি! সুধীন দাশগুপ্ত একজন সঙ্গীত পরিচালক, সিনেমার লোকজনের সঙ্গে ওঠাবসা। সমস্ত দিনের শেষে আর পাঁচজন চাকরিজীবীর মতো বাড়ি ফিরে আসবেন না। এসব নিয়েও আমাদের পরিবারে মৃদু আপত্তি উঠেছিল। কিন্তু মায়ের সিদ্ধান্তই ছিল শেষ কথা। সেই বয়সে যে-কোনও মেয়ের পক্ষে যা ভাবা স্বাভাবিক তা-ই ভাবতাম। প্রবল কৌতূহল ছিল সিনেমা সম্পর্কে। তখন বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় ওঁরও ছবি বেরোত। অধিকাংশই সিনেমার গান রেকর্ডিংয়ের দৃশ্য অথবা পরিচালক বা নায়ক-নায়িকার সঙ্গে সিনেমার গান নিয়ে কথাবার্তার ছবি। ‘উল্টোরথ’ পত্রিকায় ওঁর ছবিও দেখে ফেলেছিলাম বিয়ের আগে। অনুজ্জ্বল গায়ের রঙ। রোগাটে চেহারা। কিন্তু কোনও অপছন্দের প্রশ্ন তো ছিলই না। বিয়ের পর ওঁর ব্যক্তিত্ব, মানসিকতা ও আন্তরিকতায় একেবারেই মুগ্ধ হয়েছিলাম।

    খুবই কম কথা বলতেন, কিন্তু যা বলতেন, যেভাবে বলতেন, তাতে তাঁর আশ্চর্য বাক-দক্ষতা ও পরিমিতিবোধের পরিচয় থাকত। আমি চিঠি লিখতাম তিন পাতায়, উনি সেই চিঠির বক্তব্যই লিখতেন মাত্র কয়েকটা লাইনে। সব সময় নিজের গান নিয়েই মগ্ন থাকতেন। সুর বা গান তৈরি নিয়েই যে ভাবছেন, তা ওঁর চোখমুখের দিকে তাকালেই বোঝা যেত। ব্যস্ত, সংসারের কাজে সময় দিতে পারছেন না, কিন্তু তা নিয়ে অভিযোগ করতে পারতাম না কিছুতেই। ইচ্ছে করে সংসারের কাজে অবহেলা করতেন না। যখনই সময় পেতেন পারিবারিক কাজকর্মও করতেন। ছেলেমেয়েদের খবর নিতেন। এমনকি আত্মীয়স্বজনদের খবরও রাখতেন। কখনও কখনও আমরাই ভাগ করে নিতাম যোগাযোগের দায়িত্ব। উনি না পারলে আমি যেতাম। বাড়িতে প্রচুর লোকজনের যাতায়াত ছিল। তাঁদের মধ্যে অনেকেই রীতিমতো বিখ্যাত। তাতে আমার কোনও অসুবিধে হত না, তার কারণ মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করতে আমি চিরকালই পছন্দ করতাম। আজ মনে হয়, ছোটবেলায় যৌথ পরিবারে অনেক ভাইবোনের সঙ্গে বড় হয়ে উঠেছিলাম বলেই হয়ত এই অভ্যেসটা তৈরি হয়েছিল। আমাদের বিয়ে হয়েছিল ১৯৫৮ সালের ২৮ জুন। বিয়ের আগেই ওঁর সুরকার, গীতিকার ও সঙ্গীত-পরিচালক হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাওয়া হয়ে গেছে। সুতরাং, বিয়ের পরদিন থেকেই আমাদের সেই সিঁথির ১৯ নম্বর ডি গুপ্ত লেনের বাড়িতে বিখ্যাত মানুষদের আসা-যাওয়া।

    বিয়ের আগে আমরা থাকতাম মাত্র দুটো ঘরের একটা বাড়িতে। বিয়ের পরে এসে পড়লাম একটা বড় দোতলা বাড়িতে। পারিবারিক সংস্কৃতি যে আলাদা হয়, তা উনি আমায় প্রায় হাতে ধরে বুঝিয়েছিলেন। বেঁচে থাকতে গেলে অনেক কিছু শিখে নিতে হয়। সেই শিক্ষায় উনি আমায় সাহায্য করেছিলেন। উনি যেমন ভালবাসতেন, তেমন স্নেহও করতেন। যেন আমি সত্যিই অনেক ছোট একটা মেয়ে। ওঁর চরিত্রেই একধরনের যত্ন ছিল। ইংরেজিতে বলতে পারি— truely a caring person. সন্ধেবেলায় বাড়ি ফেরার কোনও প্রশ্নই ছিল না। তার কারণ, টালিগঞ্জ থেকে সিঁথির দূরত্ব অনেক। স্টুডিওর কাজ সেরে ফিরতে ফিরতে রাত ১০টা। সিঁথির বাড়িতে জয়েন্ট ফ্যামিলি ছিল আমাদের। কিন্তু অনেক মানুষের সঙ্গে সঙ্গে অনেকগুলো ঘরও ছিল। আমাদের বেডরুমটা ছিল বেশ বড়। আর তারও চেয়ে বড় ছিল ওঁর মিউজিকরুম।

    উনি চলে গেছেন ১৯৮২-র ১০ জানুয়ারি, সেরিব্রাল অ্যাটাকে। মাঝখানে এতগুলো বছর চলে গেছে, কিন্তু সত্যি বলতে কী, আমার আজও মনে হয় ওঁর মতো আন্তরিক, হৃদয়বান এবং একই সঙ্গে ভদ্র ও বিবেচক মানুষ আমি আর দেখিনি। হয়ত তত বড় কিছু বলার মতো নয়, তবু কথাটা তো সত্যি যে আমিও ছোটবেলায় অল্পবিস্তর গানের চর্চা করেছিলাম। বিয়ের আগে কিছুদিন শ্যামলদার (শ্যামল মিত্র) কাছেও গান শিখেছিলাম। বিয়ের পরেই একদিন উনি আমাকে পরিষ্কার বলে দিলেন— ‘একই বাড়িতে দুটো হারমোনিয়াম থাকা চলে না।’ সেই মুহূর্তে কথাটার মানে ঠিক বুঝিনি। কিন্তু উনি শান্তভাবে বাস্তব পরিস্থিতি বুঝিয়ে দিয়েছিলেন। আমার সঙ্গীত-শিক্ষা যদি কোনওদিন আমার উচ্চাভিলাষের সঙ্গী হয়, তাহলে আমার রেডিওতে গান গাওয়া বা সিনেমায় গান গাওয়া বা রেকর্ড-ক্যাসেট করার প্রশ্নগুলোও উঠবে। কিন্তু যোগ্যতার নির্ভুল বিচারে সঙ্গীত-পরিচালক, সুরকার সুধীন দাশগুপ্ত হয়ত আমাকে সেই সুযোগ দিতে পারবেন না।

    কিন্তু কেন একজন মানুষকে আশ্চর্য হৃদয়বান বলছি তা-ও বোধহয় পাঠকদের জানা প্রয়োজন। আমি যত সাধারণই হই না কেন, আমিও একজন শ্রোতা, গান শোনার কান আছে, পরিবেশ-পরিস্থিতি মূল্যায়নেরও কমবেশি যোগ্যতা আছে তা কিন্তু উনি কখনও অস্বীকার করেননি। বরং উল্টে বহুদিন বহু ছবির কাজের জন্যে যে মিউজিক তৈরি করছেন, তা আমাকে ডেকে শোনাতেন।

    সেই মুহূর্তগুলো আজও স্মৃতির মধ্যে জেগে আছে। ডেকে নিয়ে যেতেন ওঁর গানের ঘরে। সিঁথির বাড়িতে বা আমাদের এই ডোভার কোর্ট-এও। সিনেমার গল্পটা বলতেন, দৃশ্যটা বুঝিয়ে দিতেন। তারপরে ব্যাকগ্রাউন্ডে কী মিউজিক বাজানো হবে, সেটা বাজিয়ে শোনাতেন। আমি অবাক হয়ে শুনতাম। কোনওদিন কোনও ছবির মিউজিকই আমার অপছন্দ হয়নি এবং সেটা উনি আমার স্বামী বা উনি স্বয়ং সুধীন দাশগুপ্ত বলেই নয়। এক অর্থে আমার মতো ভাগ্যবান কতজন আছেন? কত গানের সৃষ্টি-মুহূর্তের সাক্ষী আমি, তা তো আমিই জানি। কতরকম যন্ত্রই যে বাজাতে পারতেন! এ কথা আজ আলাদা করে বলার বোধহয় কোনও প্রয়োজনই নেই। সকলেই তা জেনে গেছেন। যখন সেতার বাজাতেন, তখন মনে হত উনি ওই কাজটাই করেন। অর্থাৎ সর্বত্র নিয়মিত সেতারবাদক। আবার যখন একা ঘরে, সামনে একটা গান লেখার কাগজ রয়েছে বা নেই, একমনে পিয়ানো বাজাচ্ছেন তখন মনে হত উনি শুধু ওই কাজটাই করে থাকেন। খেয়াল থাকত না কিছু। কতদিন যে নিঃশব্দে আমি পেছনে গিয়ে দাঁড়িয়েছি এবং শুনছি তা বুঝতেন অনেক পরে।

    বাচ্চাদের ভালবাসতেন খুব। ভাইপো-ভাইঝিরা ওঁর সঙ্গে একেবারে সমবয়সী বন্ধুর মতো ব্যবহার করত। চুল ঘেঁটে দিত, নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী মাথা আঁচড়ে দিত, পোশাক-পরিচ্ছদে শৌখিন মানুষটার জামা-কাপড় ধরেও টানাটানি করত। উনি ওদের দুষ্টুমিতে কক্ষনো কিছু বলতেন না, বিরক্তও হতেন না। মজা করে ছড়া লিখতেন বাচ্চাদের জন্য। ওরা ওঁকে বলত ‘ছোটকাকা’ অথবা ‘গানকাকা’। কিন্তু ওরাও বুঝত ছোটকাকা যখন নিজের কাজ করছে, তখন বিরক্ত করতে নেই। আর একটা কথা, একজন মানুষ ঠিক কেমন তা বোঝার জন্যে বোধহয় সবরকম পরিস্থিতিতে তাকে দেখতে হয়। আদ্যপান্ত রুচিবান ও শিল্পিতস্বভাবের মানুষ ছিলেন। সময় পেলে হাতের কাছে থাকা বাঁশের টুকরো, কাঠের টুকরোকে নানারকম চেহারা দিতেন যা দেখে অনেকেই প্রশংসায় পঞ্চমুখ হতেন। বেসিক রেকর্ড বা সিনেমার গান হিট হলেও আলাদা করে কিছু বলতেন না। ভাল না হলে বা জনপ্রিয় না হলেও কিছু বলতেন না। জীবনে কখনও উত্তেজিত হতে দেখিনি। কথাবার্তাও ছোট, চিঠিও ছোট। টেলিফোনে যে-কথা, তা-ও যথারীতি খুবই সংক্ষিপ্ত হত।

    আগে অনেকে প্রশ্ন করেছেন, এমনকি এখনও করেন যে, ঠিক কেমন গান গাইতেন সুধীনদা? আমি বলব, অতুলনীয়। গানের গলাটা একটু চাপা ছিল ঠিকই কিন্তু expression ছিল অসাধারণ। ওঁর বন্ধুদের কেউ কেউ কোনও রেকর্ড হয়ে যাওয়ার পরে বলতেন, ওই গানটা উনি নিজে গাইলে নাকি অনেক ভাল হত। একটা ঘটনা মনে পড়ে যাচ্ছে, ‘অমৃতকুম্ভের সন্ধানে’ ছবিতে অনেক লোকসঙ্গীত ছিল। গেয়েছিলেন অমর পাল। অমরদা অসাধারণ শিল্পী সকলেই জানেন। কিন্তু গান রেকর্ডিংয়ের পর ছবির পরিচালক দিলীপদা (দিলীপ রায়) আমাদের বাড়িতে এসে বলেছিলেন— সুধীনের গলায় গানগুলো শুনলে মনে হয়, গানগুলো ওই-ই গাইলে ভাল হত, তোমার কী মনে হয় ‘বদ্যিনী’? দিলীপদা আমাকে মজা করে ‘বদ্যিনী’ বলে ডাকেন। সম্পর্কের সহজ হিসেব— বদ্যির বউ বদ্যিনী। ওঁর গান লেখার বৈশিষ্ট্য, সুরের বৈচিত্র্য নিয়ে যা বলার তা তো বিশেষজ্ঞরা লিখবেন বা বলবেন। আমি শুধু একটা কথা বলব, আজকের দিনে বাংলার অনেক প্রতিশ্রুতিসম্পন্ন ছেলেমেয়ে উপযুক্ত পথ-দেখানো সুরকার বা সঙ্গীত-পরিচালকের সন্ধান পাচ্ছে না। উনি অকালে চলে না গেলে হয়ত তারা উপকৃত হত।

    ওঁর স্ত্রী হিসেবে অনেক উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্বের সঙ্গে পরিচিত হয়েছি, যা আমার পক্ষে অকল্পনীয় ছিল। ছবির শুটিং দেখতে যেতাম, অনেক রেকর্ডিংয়েও গেছি। বম্বেতে গেলে আমাকে সঙ্গে নিয়ে যেতেন। অনেক দুর্লভ মুহূর্তের সাক্ষী আমি। মনে পড়ছে ‘শঙ্খবেলা’ ছবির গানের রেকর্ডিংয়ের পর সঙ্গীত-পরিচালক নৌশাদ এসে যখন মান্না দে, লতা মঙ্গেশকরের গাওয়া এবং ওঁর সঙ্গীত-পরিচালনার প্রশংসা করেছিলেন, সেই মুহূর্তে আমার অসম্ভব আনন্দ এবং গর্ব হয়েছিল। ওঁর কোনও প্রতিক্রিয়া অবশ্য বুঝতে পারিনি। বাড়িতে সর্বদা গানের প্রসঙ্গ আলোচনা হত এমন কথা বলতে পারি না। কখনও কখনও যা বলতেন, তা খুবই সংক্ষিপ্ত।

    গানের সঙ্গে রান্নার কী সম্পর্ক তা জানি না, বোধহয় কোনও একটা সম্পর্ক আছে। মেজাজ, পরিমাণ, ইচ্ছে— অনেকগুলো বস্তু একসঙ্গে মিশে যায় বোধহয়। শুনেছি, উস্তাদ বড়ে গুলাম আলি ও তাঁর ভাই উস্তাদ বরকত আলি খাঁ— দুজনেই চমৎকার রান্না করতে পারতেন। এবং তাঁদের বাড়িতে কেউ গেলে না-খাইয়ে ছাড়তেন না। সঙ্গীত-পরিচালক সুধীন দাশগুপ্তও মাঝে মাঝে বাড়িতে রান্না করতেন। নিতান্তই শখের রান্না। কিন্তু সেখানেও ওঁর দক্ষতার পরিচয় থাকত।

    নিজের গান নিয়ে একেবারে কখনও চিন্তিত হতেন না, তা বোধহয় সত্যি নয়। মনে পড়ছে একবার পুজোর গানের পরে, তখন আমরা সিঁথির বাড়িতে থাকি, গানটি কেমন জনপ্রিয় হবে তা নিয়ে চিন্তায় আছেন। কিন্তু যা অভ্যেস, কাউকেই মুখে কিছু বলছেন না। দোতলায় সামনের বারান্দায় পায়চারি করছেন। আমি জিজ্ঞেস করছি— বারান্দায় পায়চারি করছ কেন? কোনও উত্তর নেই। কিছুক্ষণ পরে দেখলাম, মুখে মৃদু হাসি। গানের ঘরে ঢুকে বললেন— ‘পাশের বাড়ির বাচ্চাগুলো গানটা গাইছে কিনা শুনছিলাম। রেডিওতে তো পুজোর গান বাজানো শুরু হয়ে গেছে। ওদের পছন্দ না হলে কি ওরা গানগুলো গাইত?’ ঠিক কোন গান প্রসঙ্গে কথাটা বলেছিলেন সেই স্মৃতি ঝাপসা হয়ে এসেছে। তবে যতদূর মনে পড়ছে গানটা ছিল শ্যামলদার গাওয়া ‘চোখের নজর কম হলে আর কাজল দিয়ে কী হবে?’ অন্য গানটা বোধহয় ‘নাম রেখেছি বনলতা…’। ছোটবেলায় খেলাধুলো করতেন— হকি, ব্যাডমিন্টন। ব্যাডমিন্টন খেলায় তো বেশ খ্যাতি পেয়েছিলেন। পরিশ্রম করতে পারতেন। একবার কোনও একটা রেকর্ডিংয়ে গিয়ে সারারাত একাসনে একভাবে বসে সেতার বাজিয়েছিলেন। খুব একটা অসুস্থ হতে কখনও দেখিনি। বরং আমি একবার গুরুতর অসুস্থ হয়েছিলাম উনি চলে যাওয়ার আগে ১৯৮১-তে। ওঁর চলে যাওয়াটা একেবারেই হঠাৎ যাওয়া।

    আমাদের দেশে বিখ্যাত মানুষদের নিয়ে নানাধরনের কথাবার্তা প্রচারিত হয়। কিন্তু খুব কম মানুষই সেইসব প্রচারের সত্যতা নিয়ে মাথা ঘামান। সুধীন দাশগুপ্তকে পছন্দ করতেন না এমন কোনও গানবাজনার মানুষ আমি দেখিনি। জানিও না। হেমন্তদা, মান্নাদার মতো সিনিয়র আর্টিস্টরাও ওঁকে ভালবাসতেন, যথেষ্ট সম্মান করতেন। চিঠিপত্রে-ফোনে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল ওঁদের। কারও কারও মুখে শুনেছি সলিল চৌধুরির সঙ্গে নাকি ওঁর সম্পর্ক খারাপ হয়েছিল। আমার অভিজ্ঞতা ঠিক উল্টো। উভয়ে উভয়ের গুণগ্রাহী ছিলেন। গানের সঙ্গে বাজনা, গান লেখা, বেসিক রেকর্ডের গান, সিনেমার সঙ্গীত-পরিচালনা, স্বদেশি উচ্চাঙ্গসঙ্গীত, লোকসঙ্গীত এবং পাশ্চাত্য সঙ্গীত সম্পর্কে জানা এবং তা সার্থকভাবে ব্যবহার করার যোগ্যতা থাকা এমন দুজন মানুষের মধ্যে বন্ধুত্ব থাকাই স্বাভাবিক ছিল। কোনও গান বা কোনও ঘটনা নিয়ে ওঁদের মধ্যে কোনও বিতর্ক হয়ে থাকতে পারে, কিন্তু তা যে সম্পর্ক নষ্ট করেছিল— এমন আমি শুনিনি, জানিও না। তাছাড়া দুজনেই আই পি টি এ-র গানের মানুষ। ওঁদের মধ্যে আদর্শ ও সামাজিক-রাজনৈতিক চিন্তা-ভাবনারও মিল। ওঁর দায়িত্ববোধ সম্পর্কে সলিলদার যথেষ্ট আস্থা ছিল। সলিলদার সঙ্গে ওঁর টেলিফোনে ও চিঠিপত্রে যোগাযোগ ছিল চিরকালই। কী উদ্দেশ্যে ওঁদের দুজনের মধ্যে সম্পর্ক ভাল না থাকার গুজব রটানো হয়েছিল তা আমি তখনও বুঝিনি, আজও বুঝি না।

    বিয়ের পরই শুনেছিলাম সাহিত্যিক তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় ওঁকে একেবারে সন্তানের মতো স্নেহ করেন। ‘ডাকহরকরা’ ছবির সময় থেকেই এই সম্পর্কের শুরু। একটা মজার স্মৃতি উঁকি দিচ্ছে। দুজনে নিউমার্কেটে গিয়েছি, উদ্দেশ্য সোয়েটার কেনা। সেটা কিনে আর কী কেনা যায় তার জন্য এদিক-ওদিক দেখছি। হঠাৎ উনি বলে উঠলেন— ‘শিগগির চলো।’ আমি অবাক, কিছুই বুঝতে পারছি না। উনি হাত ধরে আমাকে মার্কেটের বাইরে নিয়ে এসে একটা ট্যাক্সিতে তুললেন। তাড়াহুড়োয় আমার হাতের সোয়েটারটা গেল পড়ে। তাতেও কিন্তু শেষরক্ষা হল না। উনি ট্যাক্সিতে উঠতেই দেখলাম একজন প্রবীণ মানুষ হাতের লাঠি উঁচিয়ে ওঁকে বলছেন— ‘তোর যে আসার কথা ছিল, আসিসনি কেন?’ তিনিই তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়।

    উনি চলে যাওয়ার পর ঠিক কীভাবে আমার জীবন কেটেছে তা নিয়ে অনেকে জিজ্ঞাসা করেন, আজ আর সে-সব কথা সাতকাহন করে বলতে ইচ্ছে করে না। শুধু বলতে পারি, সুধীন দাশগুপ্তর স্ত্রী হয়েও আমাকে জীবন সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়তে হয়েছিল। ছেলেমেয়ে (সৌম্য ও সাবেরী) ছোট ছিল। তাদের লেখাপড়া চালিয়ে যাওয়ার প্রশ্নও ছিল। যতদিন উনি ছিলেন ওঁর মনের জোর দেখে অবাক হয়ে যেতাম। পাশাপাশি বেঁচে থাকতে থাকতে সেই মানসিক শক্তি আমার মধ্যেও বোধহয় কিছুটা সংক্রামিত হয়েছিল। সঙ্গী ছিল স্মৃতি, ওঁর লেখা সেইসব আশ্চর্য গান আর মনের মধ্যে ওঁর সুরের আসা-যাওয়া।

    অসময়ে চলে গেলেও যা দিয়ে গেছেন তা ভুলতে পারি না। পারিবারিক সংস্কৃতি, মূল্যবোধ নিয়েই ছেলেমেয়ে বড় হয়েছে। সঙ্গীত আছে ওদের মধ্যেও। সৌম্য পেশায় আর্কিটেক্ট, বিদেশে থাকে। দক্ষ হাতে গিটার বাজায়। মেয়ে সাবেরী একদা পিয়ানো বাজাত, এখন সে একজন প্রতিষ্ঠিত ফ্যাশন ডিজাইনার। নিতান্তই ব্যস্ত। বাড়িতে আগের মতো লোকজনের উপস্থিতি নেই ঠিকই, কিন্তু যাঁরা আসেন, তাঁদের সুধীন দাশগুপ্ত সম্পর্কে শ্রদ্ধাসিক্ত আগ্রহ ও ভালবাসা আমাকে বাস্তবে ও মনে মনে ওঁর ছবির সামনে দাঁড় করিয়ে দেয়। চিরকালই দেবে।

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleউটকো সাংবাদিকের ডায়েরি – অশোক দাশগুপ্ত
    Next Article আপিলা-চাপিলা – অশোক মিত্র

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }