Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সুবর্ণলতা – আশাপূর্ণা দেবী

    আশাপূর্ণা দেবী এক পাতা গল্প627 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১.১৯ অন্য ভুবন

    অন্য ভুবন।

    সুবৰ্ণলতার কাছে এ এক আশ্চর্য নতুন ভুবন! অন্য ভুবন! এ ভুবনে শুধু আকাশেই উদার উন্মুক্ত আলো নেই, মানুষগুলোর মধ্যেও রয়েছে সেই আলো, উদার, উন্মুক্ত, উজ্জ্বল!

    পাড়ার লোকের কথা জানে না। সুবৰ্ণলতা, জানে না সেখানে আলো না অন্ধকার, সে শুধু এই সংসারটাকেই জানছে। দেখছে আর জানছে।

    ভেবে অবাক হয় সুবৰ্ণ, সুবালাকে বরাবর সবাই গরীব বলে এসেছে। এই সেদিনও ভাসুর গিয়ে বললেন, গরীবের সংসার বটে, তবে অমূল্যাটা পরিশ্রমী আছে তো? খেটেঁপিটে সংসার করে। গোয়ালে গরু, পুকুরে মাছ, বাগানে ফল-তরকারী, গায়ে-গন্তরে খেটে সব বজায় রেখেছে। তাতেই চলে যায় একরকম করে।

    চলে যায় একরকম করে!

    গরীব!

    কিন্তু সুবালা যদি গরীব, তো ঐশ্বর্যবতী কে? হোক আড়ম্বরহীন টানাটানির সংসার, তবু এই সংসারখানির সম্রাজ্ঞী। তো ওই সুবালা। এ সংসার পরিচালিত হচ্ছে সুবালার ইচ্ছানুসারে, সুবালার নির্দেশে। শাশুড়ী নির্লিপ্ত কিন্তু নির্মায়িক নয়। যথাসাধ্য খাটেন। তিনি, কিন্তু সে খাটুনির বেশির ভাগ ছেলে-বৌ নাতি-নাতনীদের যত্ব পরিচর্যা বাবদ।

    সুবালা যদি বলে, খাক গে বাবা ঠাণ্ডা দুধ—, ফুলেশ্বরী ব্যস্ত হয়ে বলেন, ওমা কেন? জ্বালানির ঘরে অত নারকেল পাতা, আমি একটা বুড়ী বসে রয়েছি ঠাণ্ডা খাবে কেন? ঠাণ্ডা খেলে শ্লেষ্মা বৃদ্ধি হয় বৌমা।

    সুবালা দিব্যি উত্তর দেয়, শ্লেষ্মা বৃদ্ধি হয় না হাতী বৃদ্ধি হয়! ও কেবল আপনার নাতিনাতনীদের সোহাগ করা।

    ফুলেশ্বরী রেগে উঠে যাচ্ছেতাই করেন না, হেসে উঠে বলেন, তো তাই! তোমার নাতিপুতিকেও তুমি করবে সোহাগ!

    আমার বয়ে গেছে—

    হুঁ, দেখবো!

    সুবালা স্বচ্ছন্দ গলায় বলে, দেখবেন তো সেই স্বর্গে বসে! কী দেখলেন তা নিয়ে কে তর্ক করতে যাবে?

    রাগারগি নয়, কড়া কথা নয়, সহজ হাস্য-পরিহাস। আশ্চর্য! সুবালার কী সাহস! সুবৰ্ণলতা তো দুঃসাহসের জন্য বিখ্যাত, কিন্তু এ সাহসের সঙ্গে তুলনা হয়? সুবৰ্ণলতার সাহস হচ্ছে-তিক্ততার শেষ সীমানায় পৌঁছে তীব্ৰতায় ফেটে পড়া।

    আর সুবালার?

    সুবালার সাহস আদরিণীর সাহস, বিজয়িনীর সাহস, প্রশ্রয়ের সাহস।

    সুবালার শাশুড়ী সুবালার কাছে আত্মসমর্পণ করে বসে আছেন, কারণ তার বৌমা বোঝে বেশি, জানে বেশি, বৌমার বিবেচনা ভালো।

    এ কথা স্বীকার করা মানেই তো তাকে অর্ঘ্য দেওয়া।

    সুবালার সংসার সুবালাকে সে অর্ঘ্য দিয়েছে। কারণ শুধু ফুলেশ্বরীই নয়, ফুলেশ্বরীর ছেলেও সেই সমৰ্পিত-প্ৰাণ! ফুলেশ্বরীর ছেলে খাটো ধুতি পরে, খালি পায়ে মাঠে-ঘাটে ঘুরে বেড়ায়, কাঁধে করে ধামা বয়ে আনে, আর কথায় কথায় বলে, অত সব বুঝি না বাপু, মুখ্যু চাষা বৈ তো নাই।

    তবু সে শহুরে চাষার মত ভাবে না, মেয়েমানুষকে শাসনে না রাখলেই সে মাথায় ওঠে! মেয়েমানুষের জায়গা হচ্ছে জুতোর নিচেয়! ভাবে না, তাই সে প্রতি পদে বলে, মহারাণীর যা ইচ্ছে… তুমি যা বলবে,… যা বোঝো করো।

    পূজার মন্ত্রের চাইতে কি কিছু কম এটা?

    কিন্তু সুবৰ্ণলতা তার এতখানি বয়সে যা দেখেছে তা হচ্ছে এই— তোমার বুদ্ধি আছে স্বীকার করবো। এ কথা? হুঁ! গায়ের জোরে প্রতিপন্ন করে ছাড়বো না তুমি নির্বোধ, তুমি মুখ্যু? … তোমার বিবেচনা আছে, মানবো এ কথা? বরং ভুল পথে গিয়ে লোকসান খাবো, তবু তোমার কথা শুনবো না।… তোমার ইচ্ছানুসারে চলবো? গলায় দিতে দড়ি নেই। আমার? তোমার ইচ্ছার বিরুদ্ধাচরণই ব্ৰত হোক…ভারী তুমি আত্মসম্মানী, তোমায় পেড়ে ফেলে তবে কাজ আমার!

    কারণ?

    কারণ তুমি মেয়েমানুষ!

    তুমি বৌ মানুষ!

    তোমার যে এ হেন বাড়িতে বিয়ে হয়েছে, এই তোমার ভাগ্য!

    এই দেখেছে সুবৰ্ণলতা।

    কারণ জীবনে একটা বৈ দুটো সংসার দেখে নি সে।

    পিতৃগৃহের ছবি তার কাছে অস্পষ্ট। তাছাড়া তার মা ভিন্ন আর কোনো মেয়েমানুষ ছিল না সে বাড়িতে, তার বাবা ভিন্ন আর কোনো পুরুষ। সে সংসারে অন্যকে টেক্কা দিয়ে পৌরুষ দেখানোর চেষ্টা ছিল না, চেষ্টা ছিল না। অন্যকে খেলো করবার জন্যে বাহাদুরি দেখানোর।

    সুবৰ্ণলতাদের সংসারে ভাইয়ে ভাইয়ে চলে সেই বাহাদুরির প্রতিযোগিতা।

    সেই প্রতিযোগিতার বলি মেয়েমানুষেরা।

    যথেচ্ছ অবজ্ঞা করো তাদের, পৌরুষের প্রশংসাপত্ৰ পাবে। নিষ্ঠুর হতে পারলে আরো ভালো, অত্যাচারী হতে পারলে কথাই নেই। ভাইরা বুকুক আমি পুরুষ, আমি স্ত্রী-বশ নই।

    মা-বাবার সংসারে এটা ছিল না।

    তবু–

    মায়ের সেই একলার সংসারেই বালিকা সুবৰ্ণলতার চোখেও ধরা পড়তো, তার মায়ের মধ্যে কোথায় যেন একটা তীব্ৰ জ্বালা, মানে বুঝতে পারত না। হয়তো এখনো সঠিক বোঝে না। মাঝে মাঝেই ভাবে, কেন বাবা অত ভালমানুষ—

    আবার ভাবে, হয়তো শুধুই ভালমানুষ। কিন্তু তাকে দিয়ে কি একটা মানুষের হৃদয় ভরাট হয়?

    সুবৰ্ণলতার স্বামীও তো এক এক সময় বশ্যতা স্বীকার করে, সুবৰ্ণলতা যদি তার মনের মত হতে পারতো, যদি সুবৰ্ণলতা কৃপণ হত, যদি সংকীর্ণচিত্ত হত, যদি স্বার্থপর হত, যদি স্বামীর কাছে মধুময়ী এবং অন্যের সম্পর্কে মুখরা হত, হয়তো সে বশ্যতা স্থায়ী হত।

    যাকে আর পাঁচজন আখ্যা দিত স্ত্ৰৈণ!

    কিন্তু অমূল্য কি স্ত্ৰৈণ!

    না।

    স্ত্রীর প্রতি অমূল্যর যে মনোভাব, তাকে বলা যায় সম্ভ্রম ভাব।

    এ কথাটা শুনলে দর্জিপাড়ার গলি হয়তো হাসিতে ফেটে পড়বে! বলবে, আহা তাই তো, জগতে ভক্তি-সম্ভ্রমের যুগ্য আর কে আছে? গুরু-গোসাঁই তুচ্ছ করে পাদ্য-অর্ঘ্য দাও গিন্নীকে।

    বলবে, নিশ্চিত এই কথাই বলবে।

    কারণ দর্জিপাড়ার সেই গলি সন্ধু কথাটার অর্থ জানে না। কারণ নিজেকে কোনোদিন সম্ভ্রম করে নি সে।

    এ সংসার সম্ভ্রম শব্দটার অর্থ জানে।

    এ সংসারে কোথাও কোনো জ্বালা নেই।

    যদিও সুবালা প্রতি পদে বলে, কী জ্বালা!

    বলে। ওটাই ওর মুদ্রাদোষ। সবাইকে বলে। সুবৰ্ণকে বলে, কী জ্বালা, মাত্তর ওই কটা মুড়ি খাবে তুমি? ওই আধ-ছটাকী বাটিতে?

    ভাইপো-ভাইঝিকে বলে, কী জ্বালা, চাষাভুষোর মত রোদে বেড়াতে শিখলি যে!

    শাশুড়ীকে বলে, কী জ্বালা, আবার আপনি এখন কাঁথা পেড়ে বসলেন? খাওয়া-দাওয়া হবে না?

    বরকে বলে, কী জ্বালা! তোমার জ্বালায় জ্বলে পুড়ে মরলাম যে! এই ভরসন্ধ্যোয় আবার বেরোচ্ছে তুমি?

    অমূল্যর বেরোনো অবশ্য বন্ধ হয় না। তাতে, হাসতে হাসতে বলে যায়, তা আমার জ্বালায় জুলবে না তো কি পাড়ার গয়লা বুড়োর জ্বালায় জুলবে? একজন আমার জ্বালায় আজন্ম জুলবে বলেই তো বিয়ে করে ঘরে পরিবার আনা।

    সুবালা হাড় বার করা মুখে হেসে ওঠে।

    এই ভয়ঙ্কর সত্যটা নিয়ে কৌতুক ওর। এইভাবে ওদের জ্বালায় গল্প।

    সুবৰ্ণ কি তবে ঈর্ষায় জ্বলবো?

    না না, সুবর্ণ এত নীচ নয়। সুবর্ণ এদের সুখ দেখে সুখী। তবু বুকের মধ্যে কোথায় যেন চিনচিন করে ওঠে।

    আবার আহ্লাদও হয়। সুবালা যখন তার বাউণ্ডুলে দ্যাওরটাকে বলে ওঠে, কী জ্বালা, এই এতখানি বেলায় এলে তুমি? ভাত যে পান্তো হয়ে উঠলো!

    আর অম্বিকাও ওর সুরাটা নকল করে বলে ওঠে, কী জ্বালা! ভাত পান্তো হয়ে উঠলো বলে দুঃখ? ঘরে ভাত থাকলে তবে তো সে পান্তো হবার অবকাশ পাবে?

    তখন ভারী একটা আহ্লাদে মনটা খুশি-খুশি হয়ে ওঠে সুবর্ণর।

    অথচ এতেও ঈর্ষার কারণ ছিল।

    দ্যাওর-ভাজের মধ্যে যে অনাবিল প্ৰীতির সম্বন্ধ, সেটাই বা কবে দেখলো সুবৰ্ণ? দেবীররা ভ্ৰাতৃজায়াদের ব্যাখ্যানা করবে, এটাই তো মুক্তকেশীর বাড়ির নীতি। তারা ব্যঙ্গ করবে, হুল ফোঁটাবে, নিন্দে করবে, এই তো নিয়ম। কে জানে এ নিয়ম শুধুই মুক্তকেশীর বাড়ির, না। আরো অনেক অনেক বাড়ির!

    কিন্তু এদের বাড়িতে—?

    হ্যাঁ, সুবালার বাড়িতে অন্য নিয়ম।

    আই না। অন্য ভুবন!

    এই অন্য ভুবনে অম্বিকা তার বৌদির কথায় বলে ওঠে, নাও কোথায় তোমার পান্তো-টান্তো আছে বার করো দেখি, পেটকে শান্ত করি। খাণ্ডবদাহন হচ্ছে সেখানে।

    বসে পড়ে নিজেই পিঁড়ি পেতে।

    সুবালা পরম যত্নে ভাত বেড়ে দিয়ে বলে, ভারী তো ছিরির রান্না, ভাতটা গরম থাকতে খেলে তবু-

    অথচ এ ছাড়া আর কিছু ব্যবস্থা হয়ও না।

    ঝি-চাকরের তো পাট নেই, সুবালাকেই বাসন মাজতে হয়, রান্নাঘর নিকোতে হয়, এতক্ষণ অবধি আলাদা গরম ভাতের তদ্বির নিয়ে থাকলে সময়ে কুলোয় না।

    অম্বিকা বলে, ছিরির মানে?… আচ্ছা মেজবৌদি, আপনার কি আপনার ননদের রান্না বিচ্ছিরি লাগে?

    সুবৰ্ণর হঠাৎ খুব ভালো কোনো কথা যোগায় না, তাই তাড়াতাড়ি বলে ওঠে, কী যে বলেন! আমার তো অমৃত মনে হয়।

    হুঁ, দেখুন! আমিও তো তাই বলি, অমৃততুল্য। আহা, যখন জেলের লিপসি খেয়ে দিন কাটবে, তখন আপনার ননদিনীর হাতের এই মৌরল মাছের ঝালের স্মৃতিতে মনটা কেঁদে কেঁদে উঠবে।

    থামো তো! সুবালা বকে ওঠে, সব সময় জেল জেল করো না।

    আহা, সইয়ে রাখছি। নচেৎ আচমকা ঘায়ে মুর্ছা-টুর্ছা যাবেন।

    সুবালা বোঝে সব, তবু বলে, বলি তুমি কি চোর-ডাকাত, না খুনে গুণ্ডা যে জেলে যাবে?

    তার থেকে কিছু কমও নয়।

    অম্বিকা কড়াই ডাল মাখা ভাতটা শাপ শপ করে মুখে তুলতে তুলতে বলে, বরং বেশি মাতৃভূমিকে মা বলা তো গুণ্ডামির অধিক!

    সুবালা বলে, এই হল শুরু। মেজবৌ, তুই শোন বসে বসে। তোর মনের মতন প্রসঙ্গ। আমি বরং ততক্ষণ ওই রাবণের গুষ্টির জলপানিগুলো গোছাই।

    সুবৰ্ণ আহত গলায় বলে, ওকি মেজ ঠাকুরবি, নিজের ছেলেদের ওই সব বলতে আছে?

    সুবালা হেসে হেসে বলে, সত্যি কথা বলতে দোষ কি? রাবণের গুষ্টি ছাড়া আর কি? ভগবান এক মনে দিয়েছে, আমি একমনে নিয়েছি, গোনাগুণতি করি নি। জ্ঞানচক্ষু হতে দেখি আধ কুড়ির কাছাকাছি!

    উঠে চলে যায়।

    সত্যিই কাজের তার অবধি নেই।

    তাছাড়া সুবর্ণ বসে থাকে বলে স্বস্তি থাকে একটু। বেটা ছেলে একা বসে খাচ্ছে, এটা তো আর হতে পারে না।

    সুবালা চলে যায়, অম্বিকা সুবৰ্ণর দিকে তাকিয়ে বলে, এই একটি মহিলা, একেবারে নিৰ্ভেজাল!

    সুবৰ্ণ বলে, আপনার মত মানুষের ধারে কাছে থাকতে থাকতে আপনিই বিশুদ্ধ হয়ে যায় মানুষ।

    হ্যাঁ, প্ৰবোধের সন্দেহকে করে। এইভাবেই একটা অপর পুরুষে বিমোহিত হচ্ছে সুবর্ণ।

    রোদে পোড়া রুক্ষ কালো শীর্ণ একটা ছেলে, তবু তাকে দেখলে সুবর্ণর মনটা আহ্লাদে ভরে ওঠে। তাকে অনেক উঁচু স্তরের মানুষ মনে হয়। মনে হয় কী সুন্দর!

    প্ৰশস্তি গাইতে ইচ্ছে করে তার।

    অম্বিকা বলে, সেরেছে! পুলিসে ধরে নিয়ে যাবে আপনাকে।

    একদিন হঠাৎ বলে বসলো, আচ্ছা, শুনেছি তো আপনার ন বছর বয়সে বিয়ে হয়েছিল, আরমনে করবেন না কিছু দাদার শ্বশুর বাড়িটিই যখন আপনার শ্বশুরবাড়ি, তখন সেখানেই স্থিতি, তবে এত সুন্দুকুর কথা লুড়ে খেলুড়ো করে বলুন তো?

    সুবৰ্ণ বিমূঢ়ভাবে বলে, সুন্দর করে?

    হ্যাঁ, তাই তো দেখি। যা কিছুই বলেন, বেশ বিদুষী-বিদুষী লাগে।

    সুবৰ্ণ হেসে উঠে বলে, ওঃ লাগে! যেমন পেতলকেও অনেক সময় সোনা-সোনা লাগে।

    অম্বিকা বলে, আপনার মত পেতল যদি আমাদের এই সোনার বাংলার ঘরে ঘরে থাকতো, দেশ উদ্ধার হয়ে যেত, বুঝলেন উদ্ধার হয়ে যেত!

    দেশ উদ্ধার!

    ব্যস, এই খাতে এসে পড়ে আবেগের বন্যা।

    সুবৰ্ণর চোখে এসে যায়। জল, মুখে ফুটে ওঠে। দীপ্তি।

    সুবৰ্ণ খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে জিজ্ঞেস করতে বসে স্বদেশী ছেলেদের কথা। কী তাদের কার্যকলাপ, কী তাদের পদ্ধতি, কী বা তাদের সাফল্য!

    অম্বিকা হাসে।

    গলা নামিয়ে বলে, এই মেজবৌদি, টিকটিকি পুলিসের মত অত জেরা করবেন না, সব কথার উত্তর দেওয়া সম্ভব নয়। দেওয়ালের কান আছে।

    সুবৰ্ণ লজ্জিত হয়।

    বলে, বড্ড ইচ্ছে করে সব জানি।

    তার মানে আপনি অনুভব করেন জিনিসটা। অম্বিকা বলে, বুঝতে পারেন। পরাধীনতার গ্লানি কি! সেটাই আশ্চর্য করে আমাকে।

    সুবৰ্ণ উদ্দীপ্ত হয়, বলে, আশ্চর্যের কি আছে? পিরাধীনতার যন্ত্রণা আমরা মেয়েমানুষরা বুঝবো না তো আর কে বুঝবে? আমরা যে চাকরেরও চাকরানী।

    রাণী হতে হবে। অম্বিকা জোর দিয়ে বলে, মেয়েদেরও এসে হাত মেলাতে হবে!

    নেবেন? নেবেন আপনারা? সুবৰ্ণ আরো উদ্দীপ্ত হয়, মেয়েমানুষকে নিতে রাজী আছেন আপনাদের দলে?

    দলে!

    অম্বিকা ধীর গলায় বলে, বলে কয়ে টিকিট কেটে দলে নেওয়া তো নয়। মেজবৌদি, যে আসতে পারবে সে এসেই যাবে। বৃষ্টি যখন পড়ে, হাজার হাজার গাছের একটা পাতাও শুকনো থাকে না, কিন্তু পাতা ধরে ধরে ভেজাতে গেলে?… দেশ জাগবে, মেয়েদের মধ্যে আসবে সেই প্ৰবল প্রেরণা, আপনিই দলে এসে পড়বে। করছে বৈকি, অনেক মেয়েই দেশের কাজ করছে—কিন্তু থাক। এ আলোচনা।

    সুবৰ্ণ হতাশ গলায় বলে, আলোচনাটুকুও যদি করতে নেই তো কি করে এগিয়ে যাবে মেয়েরা? আমি যদি আজ বলি সে প্রেরণা আছে আমার-

    অম্বিকা আরো আস্তে বলে, বুঝতে পারছি। অনুভব করছি আছে, কিন্তু আপনার পক্ষে অসম্ভব। আপনার ছেলেমেয়ে রয়েছে-

    সুবৰ্ণ হতাশ গলায় বলে, জানি, জানতাম! আমার যে সব দিক থেকে হাত-পা বাধা তা জানি!

    অম্বিকা ব্যথিত দৃষ্টিতে তাকায়।

    তারপর সহসাই হেসে উঠে বলে, আপনাকে দলে নিই, আর আমাদের মেজদা পুলিস লেলিয়ে দিয়ে আমাদের জন্যে ফাঁসির ব্যবস্থা করুন। ওনাকে তো দেখেই ভয় করছিল।

    সুবৰ্ণ ব্যঙ্গ হাসি হাসে।

    বলে, কেন? খুব তো সুকান্তি সুপুরুষ!

    সে কথা কোনো কাজের কথা নয়, অম্বিকা বলে, বাইরে ভেতরে এক, এ আর কজনের হয়? আমাদের সঙ্গে একটা ছেলে আছে, তাকে দেখলে মনে হবে দাঁড়কাক, কিন্তু তার ভিতরটা চাঁদের মত সাদা সুন্দর!

    সুবৰ্ণ খপ করে বলে বসে, আচ্ছা, আমাকে দেখলে আপনার কী মনে হয়? বাইরে ভিতরে দুরকম?

    অম্বিকা মাথা নিচু করে বলে, আপনার মত মেয়ে আমি আর দেখি নি মেজবৌদি। শুধু এই ভেবে দুঃখ হয়, আমাদের দেশের কত সম্পদের অপচয় হচ্ছে সর্বদা। আপনি যদি দেশের কাজে আসতে পারতেন–

    সুবৰ্ণ অভিমানে ফেটে পড়া মুখে বলে, ওসব আপনার মৌখিক কথা। এক কথায় তো নাকচ করে দিলাম। যার ছেলেমেয়ে ঘরসংসার আছে, সে একেবারে পতিত হয়ে গেছে, এই তো কথা!

    এভাবে সাড়া দিতে হলে যে সর্বস্ব পণ করতে হয়। মেজবৌদি, সর্বস্ব ত্যাগ করতে হয়।

    তুমি কি ভাবো-

    আবেগের মাথায় হঠাৎ তুমি বলে সুবৰ্ণ, তুমি কি ভাবো মেয়েরা পারে না তা? আমি এই বলে রাখছি, এই মেয়েদের কাছেই একদিন মাথা হেট করতে হবে তোমাদের।… বলতে হবে, এতদিন যা করেছি। অন্যায় করেছি। সত্যিই তোমরা শক্তিরূপিণী।

    অম্বিকা এবার মাথা তুলে বলে, আপনার কথা বেদবাক্য হোক। দেশ যেদিন একথা বলতে পারবে, সেদিন দেশ এই অপমানের কুণ্ডু থেকে ঝেড়ে উঠবে।… সত্যি ভাবুন, কী অপমান, কী অপমান! সমুদ্রের ওপার থেকে হাজার হাজার মাইল পথ পাড়ি দিয়ে এক মুঠো লোক এসে এই এত কোটি লোকের উপর প্রভুত্ব করছে, তাই দেখছি বসে বসে আমরা আর নিঃশ্বাস ফেলছি। একসঙ্গে সবাই যদি রুখে উঠতে পারতো! মেয়ে বলে নয়, ছেলে বলে নয়, দেশের সন্তান বলে—

    সুবৰ্ণ আরো ব্যগ্রভাবে কী বলতে যাচ্ছিল, অমূল্য এসে হাজির হয়। বলে, এই হয়েছে তো! জুটেছেন দুটি পাগলে!

    সুবৰ্ণর তো এখানে এসে খুব বাড় বেড়েছে। অমূল্যর সঙ্গে মুখোমুখি কথা বলে সে।

    বলে, পৃথিবীতে যা কিছু মহৎ কাজ, তা এই পাগলেরাই করে। যা কিছু বড় ঘটনা ঘটেছে, তার মূল মানুষই হচ্ছে পাগল, বুঝলেন?

    অম্বিকা সপ্ৰশংস দৃষ্টিতে তাকায়!

    অমূল্য হেসে উঠে বলে, বুঝলাম!… কিন্তু অম্বু, তুই যেন আবার তোর ওই মহৎ কাজের মধ্যে এই পাগলটিকে টেনে নিয়ে যেতে চেষ্টা করিস নি, তাহলে আমার সেই গুণ্ড শালা এসে তোর মাথা ফাটাবে!

    অম্বিকা বোঝে, দাদা তাকে সাবধান করছে। অম্বিকা জানে দাদার তাকে নিয়ে স্বস্তি নেই। তাই মৃদু হেসে বলে, সেই কথাই তো বোঝাচ্ছিলাম মেজবোঁদিকে। তবে দেশের কাজ তো মাত্র একটাই নয়! বাইরে থেকে যেমন এই দুশো বছরের পাপ ধ্বংস করতে হবে, ভেতর থেকে তেমনি আরো অনেক বছরের পাপ ধুয়ে সাফ করতে হবে।…মেয়েদের মধ্যে চেতনা জাগানোও একটা মস্ত কাজ মেজবৌদি। সে চেতনা জাগানো, তাদের বোঝানো কোনটা সম্মান কোনটা অসম্মান। বোঝানো শুধু খেয়ে পরে সুখে থাকাই মানুষের ধর্ম নয়। বোঝানো কেউ খেয়ে উপচে বসে থাকবে। আর কেউ না খেয়ে মরবে, এটা ভগবানের নিয়ম নয়। এই পৃথিবীর অন্ন সবাই সমান ভাগ-বীটোয়ারা করে খাবে, সবাই পৃথিবীর সন্তান।

    অমূল্য প্রশংসার গলায় বলে, বললি তো ভালো, শুনলাম ভালো, কিন্তু শুনছে কে?

    সুবৰ্ণও বলে, হ্যাঁ, সেই কথাই বলছি, শুনবে কে? পাথরে কি সাড় আসে?

    আনতে হবে। অম্বিকা বলে, অসাড় পাথরে প্রাণসঞ্চার করতে হবে। মাটি-পাথরের বিগ্রহে যেমন প্ৰাণ-প্ৰতিষ্ঠা!

    সুবৰ্ণ আস্তে মাথা নাড়ে।

    বলে, চন্দ্র-সূর্যের মুখ দেখলে রসাতল, পর্দার মধ্যে জীবন, তারা আবার কাজ করবে! শিক্ষা নেই দীক্ষা নেই–

    ঠিক! অম্বিকা বলে, এই জন্যেই আপনাকে আমার এত ভাল লাগে। আপনি সব বুঝতে পারেন। এই দেখুন, গলদের ঠিক মূলটি বুঝেছেন। আপনি। শিক্ষা, সকলের আগে চাই শিক্ষা। এই হতভাগা দেশের সব আছে, নেই খালি চোখের দৃষ্টি। সেই দৃষ্টি এনে দিতে হবে। আমার কোনো সুবিধে নেই, আমার হবে কি করে বললে চলবে না। মাটি কাটতে হয়, পাথর ভাঙতে হয়, তবে তো রাস্তা তৈরি হয়, তবে তো সেই রাস্তা দিয়ে জয়রথ চলে।

    ঠাকুরপো! সুবৰ্ণলতা ব্যাকুল গলায় বলে, জানো, একথা আমার মার কথা!

    আপনার মারে কথা?

    অম্বিকা একটু আশ্চর্য হয়ে তাকায়।

    সুবৰ্ণ তেমনিভাবে বলে, হ্যাঁ। মার স্মৃতি আমার কাছে ক্রমশই ঝাঁপসা হয়ে আসছে, তবু এ কথাটা মনে আছে। মা বলতেন এ কথা। আমি জন্মাবার আগে মা মেয়েদের পাঠশালায় পড়াতে যেতেন।

    পড়াতে যেতেন! আপনার মা! অম্বিকা অবাক গলায় বলে, তাজ্জব তো! সে তো আরো আগের ব্যাপার। সমাজ আরো কড়া ছিল। তবু নিশ্চয়ই তিনি আরো শক্তিমতী ছিলেন! কতদিন হল মারা গেছেন?

    সুবৰ্ণ শিউরে ওঠে।

    সুবৰ্ণ তাড়াতাড়ি বলে, মারা যান নি। আছেন, কাশীতে থাকেন।—আমার মায়ের কথা বলবো আপনাকে। আপনিই পারবেন বুঝতে।

    অম্বিকা ধীরে বলে, বুঝেছি, এই মন আপনি কোথায় পেলেন ভেবে অবাক হতাম, এখন বুঝতে

    অমূল্য বুদ্ধিমান।

    অমূল্য সমাজ-সংসারের জীব।

    অমূল্য তার এই স্বদেশী ভাইটার জন্যে সর্বদাই চিন্তিত। তাই দুজনের এই বিমুগ্ধ ভাবটা তাকে অস্বস্তিতে ফেলে। সন্দেহ নেই এই মুগ্ধতা অতি পবিত্ৰ, অতি নিৰ্মল, তথাপি এ থেকেও বিপদ আসতে পারে। আসা অসম্ভব নয়। সুবৰ্ণ স্বদেশী করে ক্ষেপে উঠলেই তো সর্বনাশ। সুবর্ণ তার বাড়ির অতিথি।

    সুবৰ্ণ সম্পর্কে তাকে বেশি অবহিত হতে হবে।

    তাই অমূল্য বলে ওঠে, হ্যাঁ, মেজবৌদির মা অন্য ধরনের ছিলেন। আমিও জানি কিছু কিছু, বলবো পরে। মা ভাল না হলে কি আর ছা ভাল হয়? কিন্তু বসে বসে গল্প করছিস, আজ তোর কোজ নেই?

    নাঃ, আজ বেরুব না। আজ শরীরটা একটু ইয়ে আছে।

    অমূল্য আর একটু বাঁধ দেয়।

    অন্তত ভাবে, বাঁধ দিচ্ছি।

    বলে, তবে আর কি, কোটরে বসে পদ্য লিখা গে।

    কিন্তু ফল বিপরীত হয়।

    এই উল্টো বাঁধে উপচে ওঠে নদীস্রোত। পদ্য? কবিতা লেখেন, আপনি? চমকে ওঠে সুবর্ণ।

    আপনি নয়, আপনি নয়, একটু আগে তুমি বলেছেন-

    ওমা, কখন আবার?

    বলেছেন। অজ্ঞাতসারে। তবে সেটাই বহাল থাক।

    আচ্ছা থাক তাই। আমি তো বড়ই। কিন্তু কথা চাপা দিচ্ছ তুমি! তুমি কবিতা বল নি তো?

    অম্বিকা হেসে ওঠে, মাইকেলের থেকে সামান্য কম, তাই আর বলি নি! দাদার যেমন কাণ্ড, কবিতা লেখে!

    অমূল্য বলে, আহা, কেন? লিখিস তো বাপু সেই ছেলেবেলা থেকে। বুঝলেন মেজুবৌদি, বারো-তেরো বছরের ছেলে, দেশমাতা নিয়ে ইহা বড় এক পদ্য!… তা আপনার ননদিনী তার গুরুদেব দ্যাওরটির গুণগরিমার কথা সব বলেন নি? তোলা আছে বোধ হয় সে পদ্য আপনার ননদের কাছে। দেখবেন?

    আমি সব কবিতা দেখবো। ঠাকুরপো, তোমার কবিতার খাতা দেখাতে হবে।

    খাতা!

    অম্বিকা হেসে ওঠে।

    খাতা কোথায় পাবো? ছেঁড়া কাগজের ফালি হচ্ছে আমার ভাবের বাহন। হাতের কাছে যখন যা পেলাম!

    তা তাই দেখবো।

    কে তুলে রেখেছে!

    দেখো, তুমি আমায় ঠকাচ্ছে। বেশ তো, নতুন একটা লেখো।

    এই সেরেছে। দাদা, বুঝতে পারছে? বিশ্বাস করছেন না। আমার বিদ্যে। হাতে হাতে প্ৰমাণ চান।

    মোটেই না। আমি শুধু দেখতে চাই।

    তবে তো লিখতেই হয়—, অম্বিকা হেসে ওঠে, দাদা আবার মাতালকে মদের বোতলের কথা মনে পড়িয়ে দিলেন!

    অমূল্য বলে, তবে যা, ঘরে বসে মাতাল হগে যা। চললাম। আমি। ভীষণ কাজ।

    দুজনকে বিভোর হয়ে গল্প করতে দিতে অস্বস্তি বোধ করে অমূল্য পাড়ার লোকের চোখের জন্যে। চোখগুলি তো ভাল নয়। সুবালার মত সরল আর কজন আছে?

    ভাইকে এই ইঙ্গিতটা দিয়ে কাজে চলে যায় অমূল্য।

    অনুমান করতে পারে না, খাল কেটে কুমীর এনে গেল।

    অনুমান করতে পারল না, ইঙ্গিতের মর্ম বুঝবে না। এরা। তার পাগলী শালাজ অম্বিকার সেই কোটরে গিয়ে উঠবে কবিতা হাতড়াতে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Article১০টি কিশোর উপন্যাস – আশাপূর্ণা দেবী
    Next Article বকুলকথা – আশাপূর্ণা দেবী

    Related Articles

    আশাপূর্ণা দেবী

    বিবাগী পাখি – আশাপূর্ণা দেবী

    April 7, 2025
    আশাপূর্ণা দেবী

    কুমিরের হাঁ – আশাপূর্ণা দেবী

    April 7, 2025
    আশাপূর্ণা দেবী

    ঠিকানা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 7, 2025
    আশাপূর্ণা দেবী

    ততোধিক – আশাপূর্ণা দেবী

    April 7, 2025
    আশাপূর্ণা দেবী

    ১. খবরটা এনেছিল মাধব

    April 7, 2025
    আশাপূর্ণা দেবী

    নতুন প্রহসন – আশাপূর্ণা দেবী

    April 7, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }