Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সুবর্ণলতা – আশাপূর্ণা দেবী

    আশাপূর্ণা দেবী এক পাতা গল্প627 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১.০৫ সুবৰ্ণলতার শ্বশুরবাড়ির আর কেউ

    না, সুবৰ্ণলতার শ্বশুরবাড়ির আর কেউ ছাতে ওঠবার সিঁড়িটার প্রয়োজন অনুভব করে নি। রান্নাঘরের নীচু ছাতটা তো রয়েছে দোতলায়, তা ছাড়া উঠোনটাও রয়েছে অত বড়, এতে আর গোরস্তর কাপড় শুকোতে দেওয়া, বিছানা রোদে দেওয়া, কি বড়ি আচার আমসত্ত্ব জারকলেবুর চাহিদা মিটবে না?

    মিটছে, অনায়াসেই মিটছে। সিঁড়ি থাকলেই বা কে ওই তিনতলার fi। মাথায় উঠতে যেতো। ওই সব বোঝা বয়ে?

    সুবৰ্ণলতার সবই ক্ষ্যাপামি।

    বলে কি না—আমি বইব। তোমরা সিঁড়ি কর, দেখো, সারা সংসারের সমস্ত ভিজে কাপড় কথা বিছানার বোঝা বয়ে নিয়ে যাব আমি। আচার, আমসত্ত্ব, বড়ি? তাও তসর মটকা পরে দিয়ে আসব, নামিয়ে আনব। কাউকে সিঁড়ি ভাঙতে হবে না।

    কিন্তু ওর এই ক্লেশ স্বীকারের প্রতিশ্রুতিতেও উৎসাহিত হয় নি কেউ। খাওয়া নয়, পরা নয়, কিনা ছাতে ওঠা! এর জন্য মানুষের খিদেতেষ্টার মত ছটফটানি ধরেছে এটা ন্যাকামির মতই লেগেছে ওদের কাছে। ন্যাকামি ছাড়া আবার কি?

    একটুকরো বারান্দা, ছাতে ওঠবার একটা সিঁড়ি, এ যে আবার মানুষের পরম চাওয়ার বস্তু হতে পারে, এ ওদের বুদ্ধির অগম্য।

    বরং সুবৰ্ণলতার স্বামীর তীক্ষ্ণবুদ্ধির কাছে আসল তথ্যটা ধরা পড়েছিল। সুবৰ্ণলতার এই আকুলতার পিছনে যে কোন মনোভাব কাজ করছে তা আর বুঝতে বাকী থাকে নি প্ৰবোধের।

    ছাদে উঠে পাঁচবাড়ির জানালায় বারান্দায় উঁকিঝকি দেওয়ার সুবিধে, নিজেকে আর দশজোড়া উঁকিঝকি মারা চোখের সামনে বিকশিত করার সুবিধে, আর বিশ্বাস কি যে চিল বেঁধে চিঠি চালাচালির সুবিধেটাও নয়?

    প্ৰবোধের তাই সিঁড়িতে প্ৰবল আপত্তি।

    সুবোধ বরং কখনো কখনো বলেছে, বোনাসের টাকাটা বেড়েছে, লাগিয়ে দিলে হয় সিঁড়িটা! প্ৰবোধের প্রতিবন্ধকতাতেই সে ইচ্ছে থেকে নিবৃত্ত হয়েছে সুবোধ।

    বুদ্ধিমান ভাই যদি বলে, মাথা খারাপ? ওই টাকাটা সংসারের সত্যিকারের দরকারী কাজে লাগানো যাবে। নিবিরোধী দাদা কি সে কথার প্রতিবাদ করে? না, করতে পারে?

    আর সত্যি, গোরস্তর সংসারে তো দরকারের অন্ত নেই। বিছানা বালিশ, জুতো জামা, র‍্যাপার চাদর, এ সবে তো ঘাটতি আছেই সব সময়। মুক্তকেশীর তীর্থখরচ বাবদও কিছু রাখা যায়। পাড়ার গিন্নীরা যখন দল বেঁধে তীর্থধর্ম করতে যান, মুক্তকেশী তাদের সঙ্গ না নিয়ে ছাড়েন না। তখন ছুটোছুটি করে টাকাটা যোগাড় করতে হিমসিম খেতে হয় ছেলেদের। হাতে থাকলে—

    এইসব দরকারী কাজ থাকতে, টাকা ঢালতে হবে ইটের পাঁজায়?

    অতএব সুবৰ্ণলতার কম্পিত আশার কুড়ির উপর পাথর চাপা পড়ে।

    কিন্তু সুবৰ্ণলতার চাওয়ার সীমানা কি ওইটুকু মাত্র? একটুকরো বারান্দা, ছাদে ওঠবার একটা সিঁড়ি? ব্যস? আর কিছু নয়? জীবনভোর শুধু ওইটুকুই চেয়েছে সুবৰ্ণলতা?

    না, তা নয়।

    বেহায়া সুবৰ্ণ আরো অনেক কিছু চেয়েছে। পায় নি, তবু চেয়েছে। চাওয়ার জন্যে লাঞ্ছিত হয়েছে, উৎপীড়িত হয়েছে, হাস্যাম্পদ হয়েছে, তবু তার চাওয়ার পরিধি বেড়েই উঠেছে।

    সুবৰ্ণলতা ভব্যতা চেয়েছে, সভ্যতা চেয়েছে, মানুষের মত হয়ে বাঁচতে চেয়েছে। সুবৰ্ণলতা বাইরের পৃথিবীর সঙ্গে নাড়ীর যোগ রাখতে চেয়েছে, দেশের কথা ভাবতে চেয়েছে, দেশের পরাধীনতার অবসান চেয়েছে।

    সুবৰ্ণলতাকে তবে পাগল বলবে না কেন তার স্বামী, শাশুড়ী, ভাসুর, দ্যাওর?

    ওরা বলেছে, বাবার জন্মে শুনি নি এমন কথা! বলেছে, সেই যে বলে সুখে থাকতে ভূতের কিল খাওয়া, মেজবৌয়ের হচ্ছে তাই! রাতদিন অকারণ অসন্তোষ, রাতদিন অকারণ আক্ষেপ!

    ওরা সুবৰ্ণলতার ওই চাহিদাটাকে অকারণ অসন্তোষ ছাড়া আর কোনো অ্যাখ্যা দেয় নি। ওদের বোধের জগৎটা ওদের তৈরী বাড়ির ঘরের মত। কোথাও•এমন একটা ভেন্টিলেটার নেই যেখান দিয়ে চলমান বাতাসের এক কণা ঢুকে পূড়তে পারে।

    দর্জিপাড়ার এই গলিটার বাইরে আর কোনো জগৎ আছে, এ ওরা শুধু জানে না তা নয় মানতেও রাজী নয়।

    ঘর বানবার সময় আওয়াজী (ভেন্টিলেটার) না রাখার যুক্তিটাই ওদের মনোভাব।

    কোনো দরকার নেই। অনর্থক দেয়ালটায় ফুটো রাখা। পাখীতে বাসা বানাবে, আর জঞ্জাল জড়ো হবে, এই তো লাভ?

    অনর্থক পাখীর বাসায় জঞ্জাল জড়ো করতে চায় নি। ওরা। তাতে শুধু লোকসানই দেখেছে।

    ওদের বোধের ঘরেও ভেন্টিলেটারের অভাব।

    কিন্তু সুবৰ্ণলতা কেন বহির্জগতে বহমান বাতাসের স্পর্শ চায়? এ বাড়ির বৌ হয়েও তার সমস্ত সত্তা কেন মুক্তির আকাঙ্ক্ষায় ছট্‌ফট করে? তার পরিবেশ কেন অহরহ তাকে পীড়া দেয়, আঘাত হানে?

    তা এ প্রশ্নের উত্তর একদা সুবৰ্ণলতার বিধাতাও চেয়ে পান নি।

    যেদিন আসন্ন সন্ধ্যার মুখে সুবৰ্ণলতার শেষ চিহ্নটুকু পৃথিবী থেকে লুপ্ত হয়ে গেল, চিতার আগুনের লাল আভায় আকাশের লাল আভায় মিশলো, ধোঁয়া আর আগুনের লুকোচুরির মাঝখান থেকে সুবৰ্ণলতা পরলোকে পৌঁছে গেলেন, সেদিন যখন চিত্রগুপ্তের অফিসে নতুন কেউ এসে পড়ায় ঘন্টিটা বেজে উঠল, বিধাতা-পুরুষ গলাঝাড়া দিয়ে বললেন, কে এল হে চিত্ৰগুপ্ত?

    চিত্ৰগুপ্ত গলাঝাড়া দিয়ে বলে উঠলেন, আজ্ঞে হুজুর, সুবৰ্ণলতা।

    সুবৰ্ণলতা? কোন সুবৰ্ণলতা? কাদের ঘরের?

    আজ্ঞে হুজুর বামুনদের। যে মেয়েটা সেই পনেরো বছর বয়ে থেকে মরণকামনা করতে করতে এই পঞ্চাশ বছরে সত্যি মালো!

    বিধাতাপুরুষ বললেন, তাই নাকি? তা জীবনভোর মরণকামনা কেন? খুব দুঃখী ছিল বুঝি?

    চিত্ৰগুপ্ত এ প্রশ্নে পকেট থেকে দূরবীক্ষণ যন্ত্র বার করে চোখে লাগিয়ে কিছুক্ষণ মর্ত্যধামের দিকে সন্ধানী দৃষ্টি নিক্ষেপ করে দ্বিধাযুক্ত স্বরে উত্তর দিলেন, তা তো ঠিক মনে হচ্ছে না। বরং ষোলো আনা সুখের অবস্থাই তো দেখছি।

    তবে?

    চিত্ৰগুপ্ত মাথা চুলকে বললেন, আজ্ঞে সে হিসেব দেখতে হলে তো সময় লাগবে। এসব গোলমেলে লোকেদের ডিপার্টমেন্ট আলাদা।

    বিধাতাপুরুষের কেরানী কবে আবিষ্কার করতে পেরেছিল সুবৰ্ণলতার উল্টোপাল্টা প্রকৃতির কারণ রহস্য, কবে সে বিবরণ পেশ করেছিল মনিবের দরবারে, কে জানে সে কথা!

    হয়তো করেই নি।

    হয়তো বিধাতা পুরুষও আর সে নিয়ে মাথা ঘামান নি। মুহূর্তে মুহূর্তে কত কোটি কোটি বার ঘণ্টি পড়ছে, কত হাজার কোটি লোক আসছে, বামুনদের সুবৰ্ণলতাকে কে মনে করে বসে থেকেছে?

    প্রশ্নটা তাই নিরুত্তর থেকে গেছে।

    শুধু সুবৰ্ণলতা যতদিন বেঁচে থেকেছে, অহরহ তাকে ঘিরে এ প্রশ্ন আছড়ে আছড়ে পড়েছে।

    সংসারসুদ্ধ সবাই খাচ্ছে ঘুমোচ্ছে হাসছে খেলছে ছেলে ঠেঙাচ্ছে ছেলে আদর করছে গুরুজনকে মান্য করছে গুরুজন রাগ করলে চোর হয়ে থাকছে, নিয়মের ব্যতিক্রম নেই, শুধু মেজবৌই রাতদিন হয় ঠিকরে বেড়াচ্ছে, নয় দীর্ঘনিঃশ্বাস ফেলছে। নয়তো এমন একটা কিছু কাণ্ড করে বসছে যা দেখৈ স্তম্ভিত হয়ে যাচ্ছে লোকে। কী করবে। লোকে এ বৌকে নিয়ে?

    গুরুলঘু জ্ঞানের বালাই নেই, কিছুতে সন্তোষ নেই।

    কেন?

    কেন?

    কী তুমি এমন রাজকন্যে যে কিছুতে মন ওঠে না? আর কথাই বা এত কটকটে কেন শুনি?

    প্রথম ছেলে।পুলে হচ্ছে, লজ্জায় মাথা হেঁট করে বসে থাকবি, তা নয়, আঁতুড়ঘরে ঢোকার মুখে বলে কিনা, এত সব ময়লা ময়লা কাপড় বিছানা দিচ্ছেন? ও থেকে অসুখ করে না বুঝি? উমাশশী সেই ছেঁড়া কথা কাপড়গুলো নামিয়ে এনে ধপ করে ফেলেই নাকটায় আঁচল দিয়েছিল, ওর থেকে লাফিয়ে ওঠা ধুলোর থেকে আত্মরক্ষা করতে।

    জায়ের কথা শুনে চমকে আঁচল ছেড়ে শঙ্কিত দৃষ্টি মেলে শাশুড়ীর দিকে তাকালো। হে ভগবান, যেন শুনতে না পেয়ে থাকেন!

    কিন্তু ভগবান উমাশশীর প্রার্থনা কানে নেবার আগেই মুক্তকেশীর কানে পৌঁছে গেছে তাঁর বধুমাতার বাণী।

    মুক্তকেশী। তখন ছেলের নাড়ী কাটবার জন্যে চ্যাঁচাড়ি গুছিয়ে রাখছিলেন। প্রসববেদনার বাড়াবাড়িটা হবার আগেই সব কিছু গুছিয়ে রাখেন সুগৃহিণী মুক্তকেশী। অবিশ্যি ইতিপূর্বে বৌয়ের আঁতুড় তুলতে তাঁকে হয় নি। বড়বৌমার মা গরীব দুঃখী বিধবা মানুষ হলেও প্রথম দ্বিতীয় দুবারই মেয়েকে কাছে নিয়ে গেছেন। মুক্তকেশী যা করেছেন নিজের মেয়েদের। তবে আসলে পোক্ত হয়েছেন জা ননদ ভাসুরঝি দ্যাওরঝিদের ওপর হাত পাকিয়ে। একান্নবতী সংসার ছিল তো আগে।

    তা ছাড়া হাঁড়ি ভেন্ন হলেও আপদে বিপদে সবাই সবাইয়ের করেছে। মুক্তকেশী বেশি করিৎকর্ম বলে বেশি করেছেন।

    কিন্তু মুক্তকেশী কি এতখানি বয়সে—এমন দুঃসাহসিক স্পর্ধার কথা শুনেছেন কখনো?

    না, জীবনে শোনেন নি।

    প্রসব-বেদনায় ছট্‌ফট করতে করতে যে কোনো ঝি-বৌ এতটা ঔদ্ধত্য প্রকাশ করতে পারে, এ মুক্তকেশীর ধারণার বাইরে, জ্ঞানের বাইরে, স্বপ্নের বাইরে।

    হাতের চ্যাঁচাড়ির সুয়ো হাতে ফুটিয়ে থ হয়ে গিয়ে বলে ওঠেন মুক্তকেশী, কি বললে মেজবৌমা?

    মেজবৌমা প্ৰায় গোল হয়ে শুয়ে উঃ আঃ করছিল, তবু ওর মধ্যেই বলে উঠল, শুনতে তো পেলেন। ওই ধুলো-ভর্তি ময়লা পুরনো বিছানা কাঁথায় অসুখ করবে, সেই কথা বলছি।

    মুক্তকেশী রান্নাঘরের বড় উনুনটার মতন গনগনিয়ে বলে ওঠেন, আমার এই কপালটা দেয়ালে ঠকে ফাটাতে ইচ্ছে করছে মেজবৌমা, নইলে কোনদিন নিজের আগুনে নিজেই ফেটে পড়বো! অ্যাঁ! বললে কী তুমি? বললে কী, পুরনো বিছানায় রোগ জন্মাবে তোমার? আঁতুড়ঘরে যে কথা কেউ না শুনেছে, সেই সব কথা আমায় শুনতে হচ্ছে পদে পদে? … তবে? কী করতে হবে তাহলে? নবাব-নন্দিনীর জন্যে সাটিনের বিছানার বায়না পাঠাতে হবে? তবে একটু ধৈর্য ধরে থাকো বাছা, এক্ষুণি ঘরের ডাক বাইরে আর বাইরের ডাক ঘরে করে বাড়ি তোলপাড় করো না। পেটের পো পেটে রেখে বসে থাকো, আমার ত্যাড়াকান্ত ছেলে আসুক আপিস থেকে, বলি তাকে বিছানার কাহিনী!

    সুবৰ্ণর তখন ছটফটানি শুরু হয়ে গেছে, তবু সুবৰ্ণ জবাব দিতে ছাড়ে না। মূর্খ সুবর্ণ, অবোধ সুবৰ্ণ, সংসার-জ্ঞানহীনা সুবৰ্ণ!

    বলে, যাক গে বাবা থাক! আমার তো মরণ হলেই মঙ্গল!

    মুক্তকেশী সহসা নিজের গালে ঠাস ঠাস করে দুটো চড় বসিয়ে বলে ওঠেন, তোমার মরণ হলেই মঙ্গল? অ্যাঁ! ও রাজু, মাথায় জল দে!

    রাজু অবশ্য জল আনল না, মুক্তকেশী বিনা জলেই চাঙ্গা হয়ে আবার বলেন, তাহলে এও বলি মেজবৌমা, এমন চ্যাটাং চ্যাটাং কথা বলতে তোমার মায়া হয় না? এ কী আমার করবার কথা? প্রেথম পোয়াতী শ্বশুরঘরে আঁতুড় পেতেছে শুনেছ। কখনো? না দেখেছি কখনো? বলি মা-ই না হয় তোমার কুলের ধ্বজা বাপ মিনসে তো আছে? বাপ আছে, ভাইভাজ আছে, কাছের গোড়ায় একটা পিসি রয়েছে, নিয়ে যেতে পারল না? নতুন সাটিন মখমলের বিছানায় শুইয়ে আঁতুড় তুলতো বাপ!

    আর উত্তর-প্রত্যুত্তরের ক্ষমতা ছিল না। সুবৰ্ণলতার, তবু শেষ একটা কথা বলে নেয়, বাবা যখন নিয়ে যেতে চেয়েছিলেন তখন তো কই পাঠান নি, এখন দোষ দিচ্ছেন কেন?

    সুবৰ্ণ যন্ত্রণায় ছটফট করছে, মুক্তকেশীও হাড়ি ধাই গঙ্গামণির আগমন আশায় ছটুফট করছেন, ৩ত্ৰাচ এই বাকযুদ্ধ।

    মুক্তকেশী অবাক গলায় যেন আর্তনাদ করে ওঠেন, বাবা নিয়ে যেতে চেয়েছিল? বলি কখন আবার নিয়ে যেতে চেয়েছিল মেজবোমা? স্বপ্ন দেখছ, না। স্বপ্ন দেখোচ্ছ?

    স্বপ্ন দেখব কেন মা? ইচ্ছে করলেই মনে পড়াতে পারবেন। বিয়ের পর নিয়ে যাবার কথা বলেন নি। বাবা? আপনারাই বলেছিলেন, কুসঙ্গে পাঠাব না–

    বলেছি, বলবই তো, একশোবার বলবো। মুক্তকেশী বলেন, নিত্যি যদি ওই হতচ্ছাড়া বাপের ঘরে যাওয়া-আসা করতে, তুমি কি আর এতদিন ঘরে থাকতে মা? কবে জুতো-মোজা পায়ে দিয়ে রাস্তায় বেরিয়ে পড়তে! খবরের কাগজ পড়া মেয়েমানুষ তুমি, সোজা কথা?

    বাবা রে গেলাম গো–সুবর্ণ কাতরে উঠে বলে, মায়া মমতা কী আপনাদের প্রাণে একেবারে দেন নি। ভগবান? মরে যাচ্ছে মানুষটা, তবু বাক্যযন্ত্রণা—

    প্রস্তর-প্রতিমা উমাশশী হাঁ করে চেয়েছিল তার ছোটজায়ের দিকে।

    কী ও?

    মেয়ে না ডাকাত?

    এত বড় দুঃসাহস কোথায় পেল ও? উমাশশীর যে দেখে শুনেই বুক কাপে, পেটের ভিতর হাত-পা সেঁধিয়ে যায়। সুবর্ণর শেষ কথায় হঠাৎ উমাশশীর সমস্ত স্নায়ূগুলো যেন একযোগে ছুটি চেয়ে বসলো।

    উমাশশী মুখে আঁচল চাপা দিয়ে হু-হু করে কেঁদে উঠল। কেন, তা সে নিজেই জানে না।

    এই আদিখ্যেতায় মুক্তকেশী কি বলতেন কে জানে, কিন্তু বিপদমুক্ত করলো একটি শানানো ধারালো গলা।

    এ গলা হাড়ি-বৌ গঙ্গামণির।

    সুবৰ্ণর যন্ত্রণা শুরু হতেই খুদু গিয়েছিল তাকে ডাকতে।

    বড়বৌয়ের কান্না শুনতে পেয়ে দালান থেকেই চিৎকার করে উঠেছে গঙ্গা, বলি হয়ে গেল নাকি? কান্নাকাটি পড়ে গেল যে?

    বেয়াড়া আস্‌পদ্দাবাজ বেঁটাকে যতই গালমন্দ করুন, তার জন্যে উদ্বিগ্ন হচ্ছিলেন বৈকি মুক্তকেশী, বিপদকাল বলে কথা! গঙ্গামণির গলার আওয়াজে মুক্তকেশী যেন হাতে চাঁদ পান!

    আর মুহূর্তে ভোল বদলে যায়। তাঁর। অভিমানের গলায় বলে ওঠেন, এতক্ষণে এলি গঙ্গা? বৌ এদিকে এখন তখন!

    গঙ্গা খরখারিয়ে ওঠে, তা কী করবো বাবু, তোমার নাতি হচ্ছে বলে তো আর এই গঙ্গামণি মরতে পারে না? পান সাজবো, দোক্তাপাতা গুঁড়োবো, পানদোক্তা গুলের কোটো আঁচলে বাধবো, দুয়োরে তালাচাবি নাগাবো, তবে তো আসবো!

    মুক্তকেশী আরও অভিমানী গলায় বলেন, এখানে কী তুই পানদোক্তা। পেতিস না গঙ্গা?

    হ্যাঁ, এদের কাছে মুক্তকেশী নোম নত। কারণ এদের নইলে আঁচল। এ বিপদের দিন তো আসবেই সংসারে। বছর বছরই আসবে।

    গঙ্গার হাতিযশের নামডাক আছে, তাই গঙ্গার দস্তরমিত অহঙ্কারও আছে। রীতিমত অহঙ্কার আছে। এতটুকু এদিকও-ওদিক হলেই খরখর করে। পাঁচকথা শুনিয়ে দেবে, তেমন রাগ হলে প্ৰসূতিকে ফেলে চলে যাবে। নয়তো ইচ্ছে করে অবস্থা খারাপ করে দেবে।

    তাই তোয়াজ করতেই হয়।

    তাই গদগদ গলায় বলতে হয়, ক-কুড়ি পান খাবি খ্যা না!

    খাব, পাঁচকুড়ি পান খাব। আগে তোমার নাতিকে পৃথিবীর মাটি দেখাই। কই গো বড়বৌমা, এক খুরি গরম জল দাও দিকি! হ্যাগা, তুমি কাঁদছ কেন? শাউড়ীর গাল খেয়েছ বুঝি? তা খেতে পারো, যা দজাল শাউড়ী! নাতি হলে ঘড়া বার করতে হবে, বুঝলে গিন্নী, ওর কমে ছাড়ব না!

    গঙ্গামণির একটি চোটপাট কথা মুক্তকেশীল গা-সহা। তাই মুক্তকেশী চটে ওঠেন না। চেষ্টা করে হেসে বলেন, আচ্ছা, আন তো আগে। হবে তো একটা মেয়ের টিপি, বুঝতেই পারছি।

    মেয়ে হলেও গামলা! মেজখোকার এই প্ৰেথম, তা মনে রেখো। গঙ্গামণি অতঃপর তার নিকষ-কৃষ্ণ বিপুল দেহখানি নিয়ে আসরে ওঠে।

    গরম দুধ দাও দিকি, একটু গরম দুধ দাও, জোর আসবে দেহে। ন্যাকড়াকানির পোটলা কই গো? বালিশ আছে? চ্যাঁচাড়ি? মজুত রাখো হাতের কাছে।… বলি মেজবৌমা, অমন হাত-পা ছেড়ে দিয়ে নীলবনু হয়ে আছ যে! বুকে বল আনো, পেরাণে সাহস আনো, কষ্ট নইলে কি আর কেষ্ট মেলে?

    কষ্ট নইলে কেষ্ট মেলে না!

    অতএব কেষ্ট চাইতে হলে কষ্ট করতেই হবে।

    কিন্তু শুধু যদি কষ্টই ওঠে ভাগ্যে, কেষ্টটি না মেলে?

    মুখপাত প্রথম সন্তান হলো কি না মাটির ঢিপি এক মেয়ে? ছিছি!

    মুক্তকেশী ক্রুদ্ধ গলায় বলে ওঠেন, জানতুম! গামলা পাবি না কচু পাবি!

    চলেছিল যমে-মানুষে টানাটানির পালা। দীর্ঘসময় এই কষ্ট হয়রানি উদ্বেগ উৎকণ্ঠা, তার ফলাফল কি না একটা মেয়ে! শাঁখ বাজবে না জেনেই বোধ করি চিলের মত চেচনির সাহায্যে পৃথিবীতে নিজের আগমনবার্তা নিজেই ঘোষণা করছে।

    গঙ্গামণিও যেন অপ্ৰতিভ হয়।

    নাতির ছলনা দেখিয়ে অনেক কথা বলে নিয়েছে! সত্যিই নাতিটি হলে মুখ থাকত!

    এই তো মুক্তকেশী বলে উঠলেন, তুমি আর সঙের মতন শাঁখ হাতে নিয়ে দাঁড়িয়ে থেকে না। বড়বৌমা, তুলে রেখে দাও গে! চোঁচানির শব্দ শুনেই বুঝেছি আসছেন একখানি নিধি!

    সুবৰ্ণ এত কথা শুনতে পায় না, সুবর্ণ যেন চৈতন্য আর অচৈতন্যের মধ্যবতীর্ণ একটা অবস্থায় নিমজ্জিত। সুবৰ্ণ যেন দেখতে পাচ্ছে সুবর্ণর মা এসেছে মাথার কাছে, বলছে, ছেলে-মেয়ে দুই-ই সমান সুবর্ণ, হেলা করিস না।

    সুবৰ্ণ হাত বাড়িয়ে মাকে ধরতে যায়, পারে না। হাত তুলতে পারল না বলে, না মা হারিয়ে গেল বলে?

    হারিয়ে গেল।

    সুবৰ্ণ আর তার মায়ের সেই দীর্ঘ ছাদের উজ্জ্বল মূর্তিটা দেখতে পেল না। শুধু সুবর্ণর সমস্ত প্ৰাণটা হাহাকার করতে থাকে।

    সুবৰ্ণ কি স্বপ্ন দেখছিল?

    কিন্তু মাকে কি সুবর্ণ এত বেশি মনে করে? মার উপর একটা রুদ্ধ অভিমান যেন সেই স্মৃতির দরজা বন্ধ করে রেখেছে। সুবর্ণর যে এদের সংসার ছাড়াও একটা অতীত ছিল, ভুলে থাকতে চেয়েছে সে কথা।

    হঠাৎ সেই অচৈতন্যলোক থেকে যেন জেগে উঠল সুবর্ণ।

    আর ঠিক সেই মুহূর্তেই যেন ধাক্কা খেলো।

    আবার?

    আবার সেই কাহিনী?

    সেই কথা আবার গঙ্গামণিকে বিশদ করে বলতে ইচ্ছে করছে মুক্তকেশীর—।

    হ্যাঁ, মুক্তকেশীরই গলা!

    শ্ৰোতা গঙ্গামণি।

    অ আমার পোড়াকপাল, জানিস না তুই? ওলো শোন তবে, মেজবৌ হচ্ছে আমার সাইমার নাতনী; সেই যে সেবার জিজ্ঞেস করলি, বারুইপুরে যোচ্ছ কেন গা? বললাম, সাইমার বাড়ি। তা সেই রকম গিয়েছি, দেখি এই ধিঙ্গী অবতার মেয়ে ঠাকমার কাছে বসে সোহাগ খাচ্ছে। রূপখানা মন্দ নয়, বাড়ন্ত গড়ন-মিথ্যে বলব না, চোখে লাগল, মনে ধরে গেল। ভাবলাম পেবোর সঙ্গে দিব্যি মানায়। তা সেই কথা বলতে সাইমা কপালে হাত চাপড়ালো। বললো, বিয়ে? বিয়ে কে দিচ্ছে ওকে? ওর বিদ্যুবৃত্তীৰ্ষক বিদ্যে শেখাতে ইস্কুলে পড়াচ্ছে। আরও পড়াবে, পাশের পড়া পড়বে মেয়ে।

    শুনে আমি হাঁ।

    বলি, হ্যাগো তুমি শাউড়ী থাকতে—বেটার বৌয়ের কথাই জয়ী হবে?

    সইমা বললো, না হয়ে উপায়! দেখিসনি তো আমার বৌটিকে! শুনে বুঝলি ঘেন্নায় যেন প্ৰাণ শতখান হল। খুব ধিক্কার দিলাম সইমাকে। তারপর পরামর্শ দিলাম, বৌকে না জানিয়ে নাতনীর বিয়ে দিয়ে ফেল। হয়ে গেল। তো আর ট্যা-ফোটি করতে পারবে না!

    গঙ্গামণির কণ্ঠকাসর বেজে ওঠে, মা কোথায় ছিল?

    ছিল? ছিল এই কলকাতায়। মেয়ে গরমের ছুটিতে আম খেতে গিয়েছিল বাপের সঙ্গে। আমি বলি, এই সুযোগ সইম! মেয়ের মাকে খবর দাও, হঠাৎ একটা সুপাত্তরের সন্ধান পাওয়া গেছে, হাতছাড়া করতে পারছি না, চলে এসো—মেয়ের বিয়ে আরম্ভ হচ্ছে। এই তো ব্যাপার, সরল সাদা ব্যবস্থা। আচ্ছা তুই বল গঙ্গা, কী এমন অনেয্য কাজটা হয়েছে?

    কে বলছে অনেয্য?

    কে? তা মিথ্যে বলব না, কেউ বলে নি। দশেধর্মে সবাই বললো ভাগ্যি বটে মেয়ের। যাচা পাত্তর এসে মেয়ে নিচ্ছে! অনেয্য বললেন আমার বেয়ানঠাকরুণ। তিনি কলকেতা থেকে এসেই যেন আকাশে পা তুললেন। এ বিয়ে আমি মানি না, এ বিয়ে ভেঙে দেব।

    অ্যাঁ! গঙ্গামণি শিউরে ওঠে, বে ভেঙে দেব বললে?

    বলল তো! মেয়ে-জামাইয়ের মুখ দেখল না, একটু আশীৰ্বাদ করল না, ভিটেয় পা দিল না, শুড়ীর সঙ্গে কথা কইল না, সোয়ামীকে ডেকে বলল, ভালো চাও তো মেয়ের বিয়ে ভাঙো, নইলে এই চললাম!

    বেয়াই আমার খুব দৈ-দস্তর কলাল, শুনলাম হাতজোড়া পর্যন্ত করল, মাগী একেবারে বজ্জর! শুনল না কথা, ঠকঠক করে গিয়ে গাড়িতে চড়ে বসে বলে গেল, তুমি যেমন আমায় ঠকিয়েছ, আমিও তার শোধ নিচ্ছি। তোমার সংসারে আর নয়। ব্যস, সেই উপলক্ষ। ঘর-সংসার ত্যাগ দিয়ে তেজ করে চলে গেল কাশীতে বাপের কাছে। ব্যস, আর এল না।

    এল না।

    গঙ্গামণি যেন শুনে পাথর।

    এল না কিগো সুবোধের মা, পাগল-ছাগল নয় তো?

    পাগল! হুঁ, পাগল করতে পারে মানুষকে! ওই বৌ নিয়ে তো আজন্ম সাইমা জ্বলে পুড়ে মরেছে। কী তেজ আস্‌পদ্দা! তা যেমনি মা, তেমনি ছা। আমার এই ধনীও তো তেজ-আস্‌পদ্দায় কম যান না!

    হ্যাঁগো, তা বাপের বাড়িতে আছে কে এখন?

    আছে সবাই। বাপ ভাই ভাঁজ, কাছেপিঠে পিসিও আছে একটা। কিন্তু আমার আর কী ইষ্টলাভ হল! এই তো প্রেথমবার, কোথায় মা-বাপ কাছ নিয়ে যাবে, সাধ-নেমন্তন্ন দেবে, তা নয়। আমার বুকে বাশ ডলছে!

    গঙ্গা বলে ওঠে, হ্যাগো, তা মা আর আসবে না?

    কি জানি ভাই! তেজ কখনো করলাম না, তেজের আস্বাদ জানলামও না। এল না তো এই এত বচছরে!

    মুক্তকেশী বলেন, ভগবান জানে, যার ধর্ম তার কাছে। তবে মনে হয় সেদিকে কিছু নয়, শুধু তেজ-আসূপদা। আমাকে না বলে আমার অনুমতি না নিয়ে আমার মেয়ের বিয়ে দিয়ে ফেলেছে, নেহি করেঙ্গা অমন সোয়ামীর ঘর। এই আর কি।

    তাজ্জব! তা বাপু বৌদিদি, বেয়ান যখন তোমার সাইমার পুতবৌ, তখন জানতে তো তার ধাতধরন। স্বেচ্ছাসুখে তার মেয়ে আনলে কি বলে?

    মুক্তকেশী কপালে হাত দিয়ে বলেন, অদেষ্ট!

    অদেষ্ট!

    সমস্ত নিরুপায়তার শেষ কথা!

    আদি অন্তকাল সেই অদৃষ্ট নামক অ-দৃষ্ট ব্যক্তিটিকেই আসামী খাঁড়া করছে লোকে, সমস্ত কিছুর চরমকালে।

    মুক্তকেশীও করলেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Article১০টি কিশোর উপন্যাস – আশাপূর্ণা দেবী
    Next Article বকুলকথা – আশাপূর্ণা দেবী

    Related Articles

    আশাপূর্ণা দেবী

    বিবাগী পাখি – আশাপূর্ণা দেবী

    April 7, 2025
    আশাপূর্ণা দেবী

    কুমিরের হাঁ – আশাপূর্ণা দেবী

    April 7, 2025
    আশাপূর্ণা দেবী

    ঠিকানা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 7, 2025
    আশাপূর্ণা দেবী

    ততোধিক – আশাপূর্ণা দেবী

    April 7, 2025
    আশাপূর্ণা দেবী

    ১. খবরটা এনেছিল মাধব

    April 7, 2025
    আশাপূর্ণা দেবী

    নতুন প্রহসন – আশাপূর্ণা দেবী

    April 7, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }