Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সুবৰ্ণ সমাধি – ডিউক জন

    ডিউক জন এক পাতা গল্প142 Mins Read0
    ⤷

    সুবৰ্ণ সমাধি – ১

    এক

    সিকামোর গাছটার ছাল-বাকল নেই। অনেক বড় আর পুরানো। ঠায় দাঁড়িয়ে আছে খামারবাড়ির আঙিনায়।

    এক পায়ে।

    নিরালা আকাশটাকে ছুঁতে চাইছে যেন মাথা।

    গাছটা একা নয়। তবে তার ভাই-বেরাদাররা একটু দূরে-দূরে নিজেদের সংসার পেতেছে। অভিজাত আর গরিব আত্মীয়ের মাঝখানের ফারাকটা যেমন হয়।

    প্রকাণ্ড মহীরুহটা যেন গার্ডিয়ান অ্যানজেল। নিজের ছায়ার নীচে আগলে রেখেছে এ-বাড়ির বাসিন্দাদের। ছায়াটা অদ্ভুতুড়ে। দূর থেকে দেখলে মনে হবে, রানশহাউসের পটভূমিতে গুটিসুটি মেরে বসে আছে একটা বিড়াল।

    ১৮২৬ সাল।

    বসন্তকাল।

    বাতাসে কেমন একটা সুগন্ধ। লোকাস্টের বনে ফুল ফুটেছে। অপরাহ্ণের শেষ আলো কাঁপছে তরুণ এলম গাছের পাতায়। বিকেলের সূর্যের ক্রম-ঘনায়মান লালিমাতে কী রকম একটা উদাস করা আমেজ। বুকের গহীন থেকে হু-হু অনুভূতি উঠে আসতে চায়।

    পোর্চে দাঁড়িয়ে রয়েছে রোজমেরি মিলফোর্ড। সাতচল্লিশ বছর বয়সী নীল চোখ জোড়ায় বিষাদের ধুপছায়া। দূর-দিগন্তে হারিয়ে গেছে দৃষ্টি।

    অনেক দূরের পথ পেরিয়ে নীলচে পাহাড়ের চূড়ায় তাঁবু গেড়েছে জিপসি মেঘের দল। প্রাগৈতিহাসিক কাল থেকেই তা-ই করছে। নীল-নীল, ধোঁয়া-ধোঁয়া মেঘ জমে থাকে ওখানে সব সময়। ঋতুর তোয়াক্কা করে না। পর্বতমালার আদিম নিঃসঙ্গতা তাতে কতটুকু ঘোচে, বুঝবার উপায় নেই। পাহাড়ের গম্ভীর চেহারা দেখে ঠাহর করা মুশকিল।

    ছোটখাটো গড়নের বনেদি চেহারার মহিলা রোজমেরি। একসময়কার মসৃণ ত্বক কমনীয়তা হারিয়েছে। সোনালী অরণ্যে দুই-এক গোছা চুল রূপালী রং পেয়েছে পোড় খাবার কারণে। তবে চোখ জোড়া আগের মতই অতলস্পর্শী।

    পেছনে রেখে আসা হিরণ্ময় দিনগুলোর হাতছানিতে স্মৃতিকাতর হয়ে আছে রোজমেরির মন। তা ছাড়া আজকের আবহাওয়াটাও জানি কেমন। ঠাণ্ডা। ভিজে-ভিজে।

    সচরাচর আলটা ক্যালিফোরনিয়াতে বেশ গরম পড়ে যায় এ সময়। বিকেলের দিকে ভাপ উঠতে থাকে মাটি থেকে। বাতাস ভারী করে তোলে।

    কোন্ নিরুদ্দেশ থেকে নস্টালজিয়ার আঘ্রাণ বয়ে আনছে বাতাস। হয়তো এই মুহূর্তে বৃষ্টি হচ্ছে পাহাড়ে। শেষ মার্চের বাউণ্ডুলে হাওয়ার তাড়া খেয়ে পাহাড়ের গায়ে আছড়ে পড়ছে মেঘের দঙ্গল। আত্মোৎসর্গ করতে বাধ্য হচ্ছে।

    গুঁড়ো-গুঁড়ো হয়ে ঝরে পড়া এই বৃষ্টির অপূর্ব একটা নাম দিয়েছে ইনডিয়ানরা- ঈশ্বরের অশ্রু।

    দক্ষিণে, অর্থাৎ পথের দিকে মুখ করে রানশহাউসটা।

    নামেই খামারবাড়ি।

    এই পরিবারটির রমরমা অবস্থা কখনওই ছিল না।

    রানশের ডানে ঘন হয়ে জন্মেছে ঝোপঝাড়। বাঁয়ে কাঁটাতারের বেড়া। চলে গেছে সমান্তরাল ভাবে।

    বেড়ার এপাশে পাতাবাহারের ঝাড়। প্রাকৃতিক আরেকটা বেড়া তৈরি করেছে। ধাতব কাঠিন্যে কোমল পরশ দেবার চেষ্টা। দেখলে মনে হয়, সবুজ পাতার ওপরে কোনও চিত্রকর হলুদ রং ছিটিয়েছে তুলি দিয়ে।

    বাড়ির চারধারে রক্তলাল বোগেনভিলিয়ার ছড়াছড়ি। রঙের ভারসাম্য রাখতে লাগানো হয়েছে।

    সব মিলিয়ে মেকসিকান* কান্ট্রিসাইডের এক টুকরো ছবি।

    [* ক্যালিফোরনিয়া- আজকের আমেরিকার এই স্টেট ১৮৪৮ সালের আগে মেকসিকোর অংশ ছিল।]

    এককালে হ্রদ ছিল এখানে। রানশটা তৈরি হয়েছে মৃত হ্রদের তলায়। বহুকাল আগে জোরাল ভূমিকম্পের ফলে দুই ভাগ হয়ে যায় লেকের তলদেশ। সমস্ত পানি ভূগর্ভে সরে যায়। ঠেলা খেয়ে উঁচু হয়ে যায় উত্তর দিকের পাড়।

    টেরেসের সিঁড়িতে বসে আছে জ্যাসন মিলফোর্ড। ছোট একটা হলদে পাখির দিকে তাকিয়ে আছে আনমনা হয়ে।

    ঠোকর দিয়ে একটা ঘাসফড়িং ধরেছে পাখিটা। কায়দা করে গিলছে জ্যান্ত সবুজ পোকাটাকে। ভেতরের দিকে মাথা।

    বেঁচে থাকবার অদম্য বাসনায় লম্বা পাগুলো ছুঁড়ছে হতভাগ্য পতঙ্গ।

    বৃথা।

    কোনও আশা নেই ওটার। মরণ লেখা হয়ে গেছে অদৃষ্টে।

    দারুণ একটা ভোজ শেষ করে তৃপ্তির সাথে এদিক-ওদিক তাকাচ্ছে পাখিটা। মানুষ হলে নির্ঘাত ‘ঘোউক’ করে ঢেকুর তুলত।

    মাকে দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেলতে শুনল জ্যাসন। মারলো ট্রাউজারের ঊরুতে ঠাণ্ডা হাত ঘষতে লাগল।

    ‘জেস, ওরা কি আসছে? দেখা যায়?’

    বারান্দার কাঠের রেলিং-এ এক পা উঠিয়ে দিয়েছে রোজমেরি। ঘরে বোনা পাতলা একটা সোয়েটার তার গায়ে। গলা পর্যন্ত বোতাম এঁটে দিয়েছে।

    গোল ফ্রেমের চশমাটা তর্জনি দিয়ে নাকের ওপরে ঠেলে দিল জ্যাসন। দাঁড়াবার জন্যে পিঠটা কুঁজো করতেই উড়ে গেল পাখিটা।

    সিধে হলো সে। কোল্টার শার্টের গোটানো আস্তিন খুলে সমান করতে শুরু করল। শীত লাগছে। বোতাম আটকাল কবজির। সামনে ছড়ানো ব্রোঞ্জ-রং জমির এমাথা-ওমাথা ঝাঁট দিয়ে এল ধূসর চোখের দৃষ্টি।

    প্যান্টের পকেটে হাত ভরল জ্যাসন। ‘না, মা। এখনও কাউকে দেখা যাচ্ছে না।’

    ‘আসবে।’ মলিন হাসল রোজমেরি। ‘এই দিনটার জন্য অনেকদিন ধরে অপেক্ষা করছে ট্যাটাম।

    ‘দাদা যদি থাকত এ সময়…’

    জ্যাসনের গলার স্বরে কনফিডেন্সের অভাব। শেষ বিকেলের রোদ লাগা নদীর মত চকচক করছে চোখ। কাতর দৃষ্টিতে বিষাদ।

    ছেলের অসহায়তা বুঝতে পারছে রোজমেরি।

    সরল, সাদাসিধে যুবক জ্যাসন। ব্যতিক্রম। ওর বড় ভাইয়ের মত নয়।

    যুগের হাওয়া দাবি করলেও মারমুখো রাগী ভাব নেই জেসের মধ্যে। চেহারাতে মায়া। আত্মসমর্পণের মেয়েলি একটা ধরন আছে। চোখে সব সময়ই খানিকটা খামখেয়ালিপনা লেগে থাকে।

    জ্যেষ্ঠ পুত্রের চেহারাটা ভেসে উঠল রোজমেরির মানসপটে। জোহান মিলফোর্ড তার বাপের মতই দেখতে হয়েছে। অনেকটা যেন কার্বন-কপি। ঝাড়া ছ’ফুট লম্বা। বিশাল কাঁধ আর প্রশস্ত বুক। মেদহীন শরীরে সবল পেশি।

    তার কাছ থেকে পেয়েছে কেবল চোখ।

    এমনকী স্বভাবও পেয়েছে জেরির। কঠিন ধাঁচের। তাই বলে কাঠখোট্টা নয়। বাকপটু। মিষ্টভাষী। আইরিশ ব্লু চোখের তারায় ঝিকমিক করে বুদ্ধির ছটা। উইটের সঙ্গে, সেন্স অভ হিউমারের মিশেল তার চরিত্রের কর্কশ অংশটা ঘষে ঘষে মসৃণ করে তুলেছে।

    সে থাকলে…

    বসুন্ধরা শক্তের ভক্ত, নরমের যম। এ-বাড়ির বড় কর্তা বেঁচে নেই। দুটো প্রাপ্তবয়স্ক ছেলের মা হলেও জো-ই তার অন্ধের যষ্টি।

    কিন্তু সে-ও তো থেকেও নেই!

    বারান্দার একটা পোস্টের গায়ে হেলান দিল রোজমেরি।

    ‘কী মনে হয় তোর, জেস? আইন কি আমাদের পাশে দাঁড়াবে?’ আশাবাদী হতে চাইছে মহিলা।

    ‘না, মা,’ দুরাশার সুর ধ্বনিত হলো জ্যাসনের কণ্ঠে। ‘মিস্টার অ্যালান ও’ব্রিয়েনের সাথে কথা বলেছি আমি…’

    ‘কে সে?’ কথায় বাধা দিল রোজমেরি। এই নামটা মহিলা আগে কখনও শোনেনি। লোকটার কী ভূমিকা, আন্দাজ করতে পারছে না।

    ‘তুমি চিনবে না, মা। আমার এক ছাত্রের বাবা,’ খোলাসা করল জ্যাসন।

    ‘ও।’

    ‘ভদ্রলোক ল পড়েছে, তবে শেষতক আর আইন-পেশায় যায়নি। আমি তার কাছে আইনী পরামর্শ চেয়েছিলাম…’

    মহিলার গ্রীবা সামান্য উঁচু হলো। ‘তো, কী বলল মিস্টার ও’ব্রিয়েন?’

    ঠোঁট ওল্টাল জ্যাসন। মাথা নেড়ে বলল, ‘কোনও ভরসা দিতে পারল না। এগ্রিমেন্টটা যদিও মৌখিক, অথেনটিসিটি নেই, তারপরও আইন ট্যাটামের পক্ষেই কথা বলবে।’

    ‘অন্য কোনও সাজেশন দেয়নি?’

    ‘নৌপ।’

    নীরবতা নেমে এল মা ও ছেলের মধ্যে।

    খানিক পরে রোজমেরি বলে উঠল, ‘জো নিশ্চয়ই একটা উপায় বের করে ফেলত,’ নিজেকেই নিজে প্রবোধ দিল যেন।

    ‘মিছেই আশা করছ তুমি, মা!’ গুঙিয়ে উঠল জ্যাসন। ‘আমি অনেক ভেবেছি। কোনও রাস্তা খোলা নেই আমাদের সামনে। এখন বরং ভাবতে হবে, কোথায় যাব আমরা।’

    ‘পারবি তুই যেতে?’ প্রশ্ন তো নয়, যেন চাবুক ছুঁড়ল রোজমেরি।

    ‘আর তো কোনও উপায় দেখছি না, মা!’ অসহায় একটা মুখভঙ্গি করে বলল জ্যাসন।

    ‘এখানে তোর বাবার কবর আছে…’ গলাটা কাঁপছে রোজমেরির, ‘পারবি তুই কতগুলো অনাত্মীয় লোকের মাঝে মানুষটাকে একলা ফেলে রেখে যেতে?’ ক্রন্দনের একটা স্রোত উথলে উঠতে চাইছিল, ঠোঁটে হাত চাপা দিয়ে নিজেকে সামলাল প্রৌঢ়া।

    এ কথার কোনও জবাব হয় না।

    বাড়ির পেছনে, ডুমুর গাছের ছায়ায় শুয়ে আছে সিনিয়র মিলফোর্ড। যেতে হলে তাকে রেখেই যেতে হবে। এ ছাড়া উপায়ই বা কী!

    ভাবাবেগের ঝড় বইছে রোজমেরির বুকের ময়দানে। ‘এ জায়গা ছেড়ে আমার পক্ষে অন্য কোথাও যাওয়া সম্ভব নয়। এটা তোর বাবার নিজের হাতে গড়া রানশ। এই বাড়ি… এই ঘর… এখানে জন্মেছিস তোরা দুই ভাই, বড় হয়েছিস। কত যে স্মৃতি এর প্রতিটা ইঞ্চিতে! …তুই বুঝবি না, জেস!’ নীচের ঠোঁট কামড়ে ধরল মিসেস মিলফোর্ড।

    ‘রুঝি, মা, বুঝি,’ মা ওকে ভুল বুঝছে দেখে আহত বোধ করছে জ্যাসন। ‘কিন্তু আইন আর জিল ট্যাটাম তোমার সেণ্টিমেণ্ট বুঝলে হয়!’

    আবার চুপ করে গেল দু’জনে। অলস কানে শুনতে লাগল গাছের সাথে বাতাসের ফুসুরফুসুর।

    লোকাস্টের চিরল পাতায় সিকাডার তীক্ষ্ণ দাঁত ঘ্যাচ-ঘ্যাচ শব্দে কোদাল চালাচ্ছে যেন। বিরামহীন, ছন্দবদ্ধ আওয়াজটা যেন বিকেলবেলার ধুন।

    দুই

    এবারও রোজমেরি নীরবতা ভাঙল, ‘কী ভাবছিস, জেস?’

    মায়ের দিকে তাকাল জ্যাসন। ‘ভাবছি, সোনার কিংবদন্তিটা যদি সত্যি হত!’

    ‘ওটা কিংবদন্তি নয়, জেস। সত্যিই।’

    ‘আমার সন্দেহ আছে, মা।’

    ‘আমি বলছি, জেস, ওটা সত্যি,’ জোর দিয়ে বলল মিসেস মিলফোর্ড। ‘আমি নিজের চোখে দেখেছি।’

    ‘নিজের চোখে দেখেছ মানে! কোথায়?’ চশমার কাচের ওপাশে বড়-বড় হয়ে উঠেছে জ্যাসনের চোখ দুটো।

    ‘তোর বাবার কাছে।’

    ‘বাবা–’ বলতে গিয়ে কথা আটকে গেল জ্যাসনের। চোয়াল ঝুলে পড়ল। তথ্যটা হজম করবার চেষ্টা করছে। কোনও রকমে উচ্চারণ করল, ‘বলো কী, মা!’

    ছেলের বিস্ময় দেখে হাসল রোজমেরি। ‘কেন, তোর কি একবারও মনে হয়নি, রানশটা দাঁড় করাবার টাকা এল কোত্থেকে?’

    ‘সোনা, তা ভাবিনি, ফাঁপা গলায় বলল জ্যাসন।

    ‘আমিও তোর মতন অবাক হয়েছিলাম,’ সান্ত্বনার সুরে বলল রোজমেরি, ‘যখন নিজের চোখে দেখলাম।’

    ‘দাদা জানে?’

    ‘না।’

    ‘স্ট্রেঞ্জ!’

    ‘কোন্‌টা?’

    ‘এই যে… এদ্দিন ধরে চেপে রেখেছ তোমরা ব্যাপারটা! কেন, মা?’

    ‘তোর বাবা চেয়েছিল, বিষয়টা গোপন থাকুক।’

    ‘এমনকী আমাদের কাছেও!’ আহত আত্মাভিমান প্রকাশ পেল জ্যাসনের কথায়।

    ‘রাগ করিস না!’ আত্মরক্ষার ভঙ্গিতে বলল রোজমেরি, ‘এখন তো বললাম!’

    ‘না, রাগ করছি না। আমার হাসি পাচ্ছে।’ কিন্তু হাসছে না জ্যাসন।

    ‘হাসি পাবার কারণ কী?’

    ‘হাসি পাবে না! কে-না-কে সোনা পেয়েছে বলে শুনে এসেছি এদ্দিন! এখন শুনছি, বাবাও তাদের একজন!’ এবার হাসল জ্যাসন। ঝকঝকে সাদা দাঁত ঝিলিক দিয়ে উঠল

    রোজমেরি হাসবে কি না, বুঝতে পারছে না।

    আড়ষ্ট একটা পরিবেশ।

    পরের কথায় যাবার আগে একটু বিরতি নিল জ্যাসন। ‘কবেকার ঘটনা এটা, মা?’

    মনের গুমোট ভাবটা কেটে যাবার সম্ভাবনা দেখে হাঁপ ছাড়ল রোজমেরি। ‘তোদের জন্মের আগে। এই রানশ তখনও তৈরি হয়নি। ছোট একটা লগ-কেবিনে থাকতাম আমরা।’

    পুরানো স্মৃতি মনে পড়াতে উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে জ্যাসনের মায়ের মুখ। রোমন্থনে মজে গেল মহিলা। ভাবছে, দিনগুলি মোর সোনার খাঁচায় রইল না!

    ‘মা!’ ডাক দিল জ্যাসন।

    ‘হুঁ?’ সম্মোহিত মানুষের গলায় সাড়া দিল রোজমেরি।

    ‘কোথায় হারিয়ে গেলে?’

    মহিলার মন থেকে আচ্ছন্নতা কেটে গেল পুরোপুরি। কই, এখানেই তো আছি।’

    ‘সোনার কথা বলো, মা!’ তাগাদা দিল জ্যাসন। ‘কোথায় সোনা পেয়েছিল বাবা?’

    ‘জানি না।’

    ‘কেন, জিজ্ঞেস করোনি তুমি?’

    ‘করিনি আবার! অনেকবার জিজ্ঞেস করেছি। বলেনি।’

    ‘কিন্তু কেন?’ বিস্ময়ের বহিঃপ্রকাশ ঘটল জ্যাসনের কথায়। এর উত্তর মিসেস মিলফোর্ডের কাছে নেই।

    জ্যাসনের উৎসাহে ভাটা পড়েনি। জিজ্ঞেস করল, ‘কী পরিমাণ সোনা পেয়েছিল বাবা?’

    ‘স্রেফ একটা পিণ্ড। বড় জোর রসুনের সমান হবে।’

    ‘মাত্র!’

    ‘সেটাই বা ক’জনে পায়!

    ‘তা অবশ্য ঠিক,’ সহমত প্রকাশ করে মাথা ঝাঁকাল জ্যাসন।

    ‘তোর বাবা একদিন বলল, সে কয়েকটা দিন বাড়িতে থাকবে না। জিজ্ঞেস করলাম, ‘কোথায় যাবে?’

    ‘বলল, ‘ফিরে এসে বলব।’

    ‘রহস্য করল কী জন্য? সারপ্রাইজ দিতে চেয়েছিল নাকি?’

    ‘মনে হয়।’

    ‘এরপর সোনা নিয়ে ফিরল, না?’ আন্দাজে ঢিল ছুঁড়ল জ্যাসন।

    ‘হ্যাঁ।’

    ‘কিন্তু বলেনি, কোথায় গিয়েছিল!’

    না-সূচক মাথা নাড়ল রোজমেরি। ‘তুমি জানতে চাওনি?’

    ‘চেয়েছি। এড়িয়ে গেছে,’ শুকনো গলায় বলল মহিলা।

    রেলিং-এর ওপরে নিতম্ব ঠেকিয়ে দাঁড়াল জ্যাসন। ‘জায়গাটার কথা লিখে রাখতে পারে কোথাও… কোনও ডায়েরি-টায়েরিতে …’

    ‘নেই।’

    ‘এত শিয়োর হচ্ছ কী করে?’

    ‘কারণ,’ কথার মাঝে সামান্য একটু যতি দিল রোজমেরি। ‘তোর বাবার সমস্ত ডায়েরি আর জার্নাল আমার পড়া। সোনা নিয়ে একটা কথাও লেখা নেই কোথাও।’

    ‘কোনও নোট-টোটও রেখে যায়নি? কোনও বইপত্র বা চিঠিতে?’ সূত্র ধরিয়ে দেবার চেষ্টা করল ছেলে। ‘কিচ্ছু না!’ মহিলা জোর গলায় বলল।

    অসমর্থনসূচক মাথা নাড়ল জ্যাসন। নিয়তির এই নির্মম পরিহাস মানতে পারছে না। ‘না, মা। কোনও-না-কোনও ব্লু নিশ্চয়ই আছে। তুমি ভাল করে মনে করে দেখো।’

    ‘আমি কেবল জানি, জায়গাটা উত্তরে কোথাও… পাহাড়ে,’ নিভু নিভু হয়ে পড়া আশার সলতে সামান্য একটু উসকে দিল মিসেস মিলফোর্ড।

    এটা একটা সূত্র। তবে ভাল সূত্র বলা যাবে না। খোলা মাঠে আলপিন খুঁজবার শামিল। তারপরও তো একটা নিশানা পাওয়া গেল!

    ‘ব্যস, এ-ই? আর কিছু নয়?’

    কী জানি মনে পড়ি-পড়ি করেও ধরা দিচ্ছে না।

    একটা নাম। পেটে আসছে। কিন্তু মুখে আসছে না রোজমেরির।

    চোখে জিজ্ঞাসা নিয়ে তার দিকে তাকিয়ে আছে ছেলে। চোখ দুটো জ্বলজ্বল করছে।

    সম্মুখপানে দৃষ্টি ফেরাল মিসেস মিলফোর্ড। অদৃশ্য হাতে মগজের কোষগুলো হাতড়ে দেখছে মন।

    এতক্ষণে মনে পড়া উচিত ছিল নামটা। পড়ছে না কেন! সহসা বিকন জ্বলে উঠল যেন রোজমেরির দুই চোখে। আলোটা ছড়িয়ে পড়ল চোখ থেকে মুখে।

    ‘আলভারো!’ প্রায় চেঁচিয়ে উঠল মহিলা।

    আরেকটা সূত্র?

    আশান্বিত হয়ে উঠল জ্যাসন। ‘কে এটা?’

    ‘লোকটা তোর বাবার সাথে ছিল।’

    ‘তুমি দেখেছ তাকে?’

    ‘না। তোর বাবার মুখে শুনেছি এই নাম। সোনা নিয়ে ফিরবার পর কথায় কথায় একদিন জেরি বলছিল, ট্রেইলটা কী রকম রুক্ষ। বলল, ‘জান বেরিয়ে গেছে আমাদের সেখানে পৌঁছাতে!’

    ‘আমাদের’ শব্দটা শুনে স্বভাবতই কৌতূহল হলো আমার। জ্ঞস করলাম, ‘তোমার সাথে কি আর কেউ ছিল?’

    ‘হ্যাঁ, মেরি। আলভারো,’ বলল তোর বাপ। জানতে চাইলাম, লোকটা কে। বলল, ‘ফ্রেণ্ড।’

    ‘এটুকুই জানি আলভারো সম্বন্ধে।’

    ‘নাম শুনে তো মনে হচ্ছে- মেকসিকান।’

    ‘স্প্যানিশও হতে পারে।’

    ‘ইতালিয়ান বা পর্তুগিজদেরও এরকম নাম হয়। নামের আগে-পরে কিছু নেই?’

    ‘আছে নিশ্চয়। আমার জানা নেই।’

    ‘তা হলে তো একটু মুশকিল হয়ে গেল।’ দুই হাত বুকের সাথে বাঁধল জ্যাসন। ‘একজন-দুইজন নয়, খুঁজলে এই নামে গোটা একটা দল পাওয়া যাবে বলে আমার বিশ্বাস।’

    তিন

    ধুলোর মেঘ দেখা যাচ্ছে দূরে। মিসেস মিলফোর্ডই দেখতে পেল প্ৰথমে।

    মায়ের চোখে উত্তেজনা আবিষ্কার করে সিধে হলো জ্যাসন। সে-ও দেখল। চেয়ে রইল কিছুক্ষণ।

    নী কাছিয়ে আসবার সাথে সাথে বড় হচ্ছে মেঘটা।

    ঘাসহীন ধু-ধু প্রান্তরে ধুলোর মেঘ সৃষ্টি হওয়া নিত্য নৈমিত্তিক ঘটনা। প্রায়ই দেখা যায়, একরাশ ধুলো পাক খেতে খেতে মাটিতে লেজ আছড়ে ছুটে যাচ্ছে অনিকেত প্রান্তরের ওপর দিয়ে।

    গরম বাতাসের ঢেউ তৈরি করে এই ধূলিমেঘ।

    তবে এটা ওই জিনিস নয়।

    ‘ওরা বোধ হয় চলে এসেছে!’ কথা বলে উঠল জ্যাসন।

    ‘আসতে দে।’

    নিষ্কম্প গলায় বলল বটে, কিন্তু পেটের মাঝে প্রজাপতির ওড়াউড়ি অনুভব করছে রোজমেরি। এক শ’ ছাপ্পান্নতম বারের মত উপলব্ধি করল, জিল ট্যাটামের কাছ থেকে চড়া সুদে ঋণ নেয়াটা অবিবেচকের কাজ হয়ে গেছে একদম।

    অবশ্য আর কোনও উপায়ও যে ছিল না!

    ছিল কি?

    সময়টা খারাপ। হাতে টাকা নেই। বীজ আর অন্যান্য জিনিস কিনবার জন্যে দরকার ছিল টাকা। সময়মত ফসল ফলাতে না পারলে মাঠে মারা যেত এবারের মরসুমটা। …যেচে টাকা ধার দিতে চাইল জিল ট্যাটাম।

    কিন্তু শেষ অবধি কী লাভ হলো? শূন্য গোলা তো শূন্যই রয়ে গেল!

    এরই মধ্যে কয়েকবার ঋণ পরিশোধের তাগাদা দিয়েছে ট্যাটাম। আজকে বোধ হয় লাস্ট ওয়ার্নিং দেবে।

    ধুলোর ব্যাকগ্রাউণ্ডে দৃশ্যমান হলো চারটে মূর্তি। দূরত্ব কমবার সাথে হাত, পা, মাথা গজাল তাদের। একসময় পরিপূর্ণ কাঠামো নিয়ে দৃষ্টিসীমায় উদয় হলো রাইডাররা। ঘোড়া ছুটিয়ে এগিয়ে আসছে।

    আরও কাছে আসতে পরিষ্কার দেখা গেল চার অশ্বারোহীর চেহারা। ক্ষণকাল পরে রানশের উঠানে দাঁড়িয়ে খুর ঠুকতে লাগল তাদের ধূলি-ধূসরিত ঘোড়াগুলো।

    নিজের সামাজিক অবস্থান বুঝিয়ে দেবার ব্যাপারে সর্বদাই সচেতন জিল ট্যাটাম। তিন পরত কাপড় গায়ে চড়িয়েছে সে। নিখুঁত ছাঁটের চমৎকার ব্লেজারের নীচে ম্যাডিসন ভেস্ট। সাদা শার্টের কলার থেকে ঝুলছে কালো স্ট্রিং টাই। একই রঙের স্ট্রাইপের সুইং প্যান্ট শরীরের নিম্নভাগের শোভাবর্ধন করছে। পায়ে স্প্যানিশ চামড়ার শু।

    তার পাশের লোকটা…

    বিরাট শরীরের জিল ট্যাটামের পাশে তাল পাতার সেপাইকে দেখে শীতল রক্ত বইতে লাগল জ্যাসনের ধমনিতে।

    চিন মুয়েলার!

    ফ্যাশনে চোস্ত ব্যবসায়ীর সাথে এই লোক কেন?

    দিশেহারা বোধ করল জ্যাসন।

    আজকেই সে প্রথম দেখল চিন মুয়েলারকে। কিন্তু বহুদিন ধরে তার কথা শুনে আসছে। বর্ণনা শুনতে শুনতে লোকটার বাহ্যিক চেহারা খোদাই হয়ে গেছে মনের মধ্যে— এমন ভাবে যে, দেখামাত্র চিনতে পেরেছে।

    পোশাক-পরিচ্ছদে বৈশিষ্ট্যহীন, তবে দেখবার মত চেহারা মুয়েলারের। বুলেটের মত সরু মাথা। ভাঙা নাক। চাউনি ধূর্ত। ক্ষুধার্ত শেয়ালের শঠতায় ভরা।

    লোকটা দো-আঁশলা। আধাআধি পরিমাণ ওলন্দাজ রক্ত বইছে শরীরে।

    মুয়েলার সম্পর্কে শোনা কয়েকটা কথা মনে পড়ল জ্যাসনের। মেয়েদের প্রতি নিষ্ঠুরতার সীমা নেই লোকটার। এক কথায়- স্যাডিস্ট। নির্যাতন করে মজা পায়।

    বদমাশটা আর তার সিক্সগান- দুটোই ভয়ানক চরিত্র। একসাথে মিলে অসংখ্য লোকের প্রাণ হরণ করেছে। সঠিক সংখ্যাটা কত, সেটা কেউই জানে না। টেকসাসের অসটিনে তো রীতিমত আতঙ্ক ছড়িয়ে দিয়েছিল এই খুনি। অথচ কোথাও কোনও প্রত্যক্ষ প্রমাণ ছিল না।

    শোনা কথায় নাকি কান দিতে নেই। কিন্তু সামনাসামনি চিন মুয়েলারকে দেখে এদ্দিন ধরে তার ব্যাপারে যা শুনেছে, তার কোনওটাই রটনা কিংবা অলীক কাহিনি বলে মনে হলো না জ্যাসনের।

    খুব কম লোকই জানে, কখন-কোথায় পাওয়া যাবে মুয়েলারকে। যেখানে-সেখানে চেহারা দেখায় না বলে এই নামটা প্রায় মিথ।

    আবার মনে হলো জ্যাসনের কথাটা। জিল ট্যাটামের সাথে তার কী?

    অনেকটা জোর করে মুয়েলারের ওপর থেকে দৃষ্টি তুলে নিল জ্যাসন। বাকি দুইজনের দিকে নজর দিল।

    দুইজনকেই চেনে সে।

    জেব্রা ডানের পিঠে যে বসে আছে, তার নাম ক্রিস টাকার। ভাসা ভাসা, ভাবলেশহীন বিড়াল-চোখের চাপাভাঙা চরিত্র।

    সে-ও ব্যবসায়ী। তার বৈধ ব্যবসাটা একটা ক্যামোফ্লাজ। সমাজে স্ট্যাটাস বজায় রাখবার খাতিরে এই অবগুণ্ঠন তৈরি করেছে লোকটা। কিন্তু যারা জানে, তারা জানে যে, আদতে সে স্মাগলার। তার জিগরি দোস্তদের প্রায় সবাই মার্কা মারা আউট-ল।

    ভেড়ার চামড়া দিয়ে তৈরি উঁচু কলারঅলা কোট ক্রিস টাকারের গায়ে। মাথায় সরু ব্রিমের হ্যাট।

    চতুর্থ লোকটার নাম শর্টি। ছদ্মনাম সম্ভবত। কারণ, নামের আগে-পিছে কিছু নেই। নিজের আকার-আকৃতির কারণেই হয়তো এ নাম পেয়েছে সে কারও কাছ থেকে। কালক্রমে সেটা স্থায়ী হয়ে গেছে।

    বাঁটকু। গাট্টাগোট্টা। মাথাটা শরীরের তুলনায় বড়। এমনিতেই কুৎসিত দেখতে, তার ওপরে ডান গালে একটা পুরানো জখম শর্টির চেহারাটা আর দর্শনযোগ্য রাখেনি। ছুরিকাঘাতের ফল। লম্বালম্বি ভাবে চিরে গেছে গালের চামড়া।

    গোটানো আস্তিনের নীচে রোমশ হাত লোকটার। চোখ দুটো এত ছোট, যেন সারাক্ষণ বুজে আছে।

    বাকস্কিন শার্ট আর খচ্চরের চামড়ার প্যান্ট শর্টির পরনে। টুপিটা দাবিয়ে পরেছে।

    দুশ্চিন্তার ভাঁজ পড়ল জ্যাসনের কপালে। চিন মুয়েলারের ঠোঁটে বাঁকা হাসি দেখে ভাঁজের সংখ্যা বাড়ল। ওর মায়ের দিকে তাকিয়ে রয়েছে লোকটা লোলুপ দৃষ্টিতে। অশ্লীল ভাবে জিভ বের করে শুষ্ক ঠোঁট ভেজাল।

    ‘মিস্টার ট্যাটাম,’ মুখ খুলল মিসেস মিলফোর্ড। ‘কোনও ফায়দা হবে না তোমার। আমাদের হাত একদম খালি।’

    মাদার হাবার্ড স্যাডল থেকে নামবার জন্যে ঝুঁকেছিল জিল ট্যাটাম, সেই অবস্থা থেকে ফের সোজা হলো। প্রত্যেকটা শব্দ অভিনিবেশের সাথে শুনল সে। দেখো-দেখি-কী-বলে গোছের একটা হাসি ফুটে উঠল তার সরু করে ছাঁটা গোঁফের নীচে।

    চওড়া ব্রিমের ফ্ল্যাট ক্রাউন হ্যাট সামান্য আলগা করে রোজমেরি মিলফোর্ডকে সম্মান দেখাল জিল ট্যাটাম। নিজের বক্তব্য শুরু করল সে, ‘তোমাদের ডিস্টার্ব করতে হলো বলে আমি খুবই শরমিন্দা।’ একটুও লজ্জিত মনে হলো না তাকে। ‘অনেক তো সময় দিলাম। আর কত?’

    দুর্ঘটনা যে বলে-কয়ে আসে না, তা তুমিও জানো, মিস্টার ট্যাটাম। কাটিয়ে উঠতে সময় লাগবে। একটু বিবেচনা করো!’

    ‘পারছি না, ম্যা’ম… সত্যিই পারছি না!’ অনুপায় ভঙ্গিতে বলল কেতাদুরস্ত ব্যবসায়ী। ‘এমনিতেই আমার ব্যবসার গুডউইলের বারোটা বেজে গেছে।’

    ‘এখন কোনও ভাবেই আমাদের পক্ষে টাকা শোধ করা সম্ভব নয়।’

    ‘আমার পক্ষেও আর অপেক্ষা করা সম্ভব নয়, মিসেস মিলফোর্ড। সম্ভব হলে দেড় শ’ মাইল পথ পাড়ি দিয়ে এখানে আসতাম না।’

    ‘আবার অতখানি পথ ভেঙে ফিরে যাও,’ রোজমেরির গলাটা একটু রূঢ় শোনাল।

    ‘কোনও বেটির কথায় যাই না আমরা,’ মাঝখান থেকে বলে উঠল মুয়েলার। গুড়গুড় করে মেঘ ডাকল যেন তার গলা থেকে। মুখের দিকে চেয়ে না থাকলে বিশ্বাসই করা যায় না, পাটকাঠির মত চিকন লোকটার মধ্যে থেকে এত মোটা আওয়াজ বেরোতে পারে।

    ‘ভদ্র ভাবে, চিন, ভদ্র ভাবে,’ সঙ্গীকে কপট শাসন করল জিল ট্যাটাম। এক চিলতে হাসি মুখে। ঠোঁট ছাড়া আর কোথাও পৌঁছাচ্ছে না তার হাসি।

    ‘এই বুড়ি আমাদের ইনসাল্ট করছে, জিল। এটা কি বরদাশত করা যায়?’ অসন্তুষ্ট মুয়েলারের গলা থেকে আবার জলদগম্ভীর আওয়াজ বেরিয়ে এল।

    ‘আমি দেখছি,’ আশ্বস্ত করবার ভঙ্গিতে এক হাত তুলল ট্যাটাম। মিসেস মিলফোর্ডের দিকে চেয়ে আকর্ণ বিস্তৃত হলো তার হাসি। ‘ফিরে যাবার কথা কী বলছ, ম্যা’ম! এতদূর থেকে এলাম। বসতে বলবে না?’

    ‘বদ লোকের জন্য আমার বাড়ির দ্বার কখনওই খোলা নয়, মিস্টার ট্যাটাম।’ রোজমেরির দৃষ্টি জিল ট্যাটামের সঙ্গীত্রয়ের ওপর দিয়ে ঘুরে এল।

    মায়ের নার্ভ দেখে আক্কেল গুড়ুম হয়ে যাচ্ছে জ্যাসনের। মা কি চিন মুয়েলারের নাম শুনেছে? শুনবার কথা নয়।

    সক্রিয় হবার তাড়না অনুভব করল সে। ‘দেখো, মিস্টার ট্যাটাম—’

    ‘ওই কানা, চুপ থাক!’ ধমক মেরে থামিয়ে দিল তাকে মুয়েলার।

    অজান্তেই ঢোক গিলল জ্যাসন।

    এবার আর লোকটাকে ভর্ৎসনা করল না ট্যাটাম। তার অবজ্ঞা মিশ্রিত হাসিতে মুয়েলারের প্রতি নীরব সমর্থন।

    হাসি হাসি চেহারায় দৃষ্টি বিনিময় করল টাকার আর শর্টি। মিসেস মিলফোর্ড আর্দ্র চোখে ছেলের দিকে তাকাল। লজ্জায় মায়ের দিকে তাকাতে পারল না জ্যাসন।

    মুখটা কঠোর হয়ে উঠল রোজমেরির। ‘আমাদেরকে আরও সময় দিতে হবে, মিস্টার ট্যাটাম।’

    সবিনয়ে হাসল ব্যবসায়ী। ‘তা কী করে হয়, ম্যা’ম! আমার তো একটা নীতি আছে, নাকি?’

    ‘তোমার টাকা তুমি পেয়ে যাবে, মিস্টার ট্যাটাম… সুদে- আসলে যা হয়েছে…’

    ‘কবে?’

    ‘যত তাড়াতাড়ি সম্ভব…

    সজোরে বাতাসে হাতের ঝাপটা দিল জিল ট্যাটাম। মাছি তাড়াল যেন। চরম বিরক্তির ছাপ তার চেহারাতে। ‘সেরেফ পরশু পর্যন্ত সময় দিতে পারি আমি। এর বেশি নয়। শোধ করতে পারলে ভাল। নইলে বাড়ি ছাড়তে হবে তোমাদের।’

    ‘যদি না ছাড়ি?’

    ভদ্রতার মুখোশ খসে পড়ল জিল ট্যাটামের মুখ থেকে। ‘সাধে কি তিন দোস্তকে সাথে করে এনেছি? মানুষকে বাড়িছাড়া করতে ওস্তাদ তারা। আজকে চেহারা দেখিয়ে গেলাম। পরশু দেখবে অ্যাকশন। কী বললাম, মনে রেখো, ম্যা’ম।’ শিক

    ঘোড়ার মুখ ঘুরিয়ে নিল সে। এবার আর নড করবার ধার ধারেনি।

    অন্য তিনজনও তা-ই করল। ফিরে যাচ্ছে।

    যতক্ষণ না পর্যন্ত বিন্দুর আকার নিল চার ঘোড়সওয়ার, মা- ছেলের কেউ কোনও কথা বলল না।

    চার

    ঝপ্ করে বসে পড়ল রোজমেরি। বারান্দার কড়িকাঠ থেকে ঝোলানো বেতের দোলনাটা দুলে উঠল।

    জিল ট্যাটাম ও তার সাঙ্গোপাঙ্গদের উপস্থিতিতে চেষ্টাকৃত ভাবে তৈরি মায়ের দৃঢ়তার বাঁধ সেই মুহূর্তে ভেঙে যেতে দেখল জ্যাসন।

    হাত দুটো অসহায় ভঙ্গিতে ঝুলে রয়েছে রোজমেরি মিলফোর্ডের কাঁধ থেকে।

    না দেখবার ভান করে দূরের পাহাড়ের দিকে দৃষ্টি নিবদ্ধ করল ছেলে। এমন ভাবে তাকিয়ে আছে, যেন নীল আর লাল মিশে বেগুনি হয়ে ওঠা চূড়াগুলোতে কোনও কিছুর অনুসন্ধান করছে তার চোখ।

    …তারপর সহসাই যেন খুঁজে পেল ভাষা।

    ‘সোনা পাবার ব্যাপারে যদি গ্যারান্টি দিতে পারতাম, তা হলে মিস্টার ট্যাটামকে আরও কয়েকদিন ঠেকিয়ে রাখা যেত।’

    ম্লান কণ্ঠে বলল রোজমেরি, ‘তুই কি সোনা খুঁজতে যাবার কথা ভাবছিস?’

    ‘এ ছাড়া আর কী ভাবব?’ পাল্টা প্রশ্ন রাখল জ্যাসন।

    ছেলের এ কথায় কোনও হেলদোল হলো না মিসেস মিলফোর্ডের মনে। মা সে। জ্যাসনকে তার চাইতে ভাল করে আর কে চেনে? ওর শুধু নামটাই গ্রিক পুরাণের নায়কের নামে।

    সেই জ্যাসন ছিল আরগোনটদের নেতা। তার ছেলের মধ্যে এই গুণটা নেই।

    সোনালী ভেড়ার খোঁজে অভিযানে নেমেছিল লোককাহিনির জ্যাসন। তার ঘরকুনো ছেলে কি স্বর্ণ-অভিযানে বেরোতে সাহসী হবে?

    রোজমেরি মিলফোর্ডের ভরসা হয় না।

    হ্যাঁ, থাকত যদি এখন বড় ছেলে…

    জ্যাসনের কথায় চটকা ভেঙে গেল তার।

    ‘পয়লা তো ভেবেছি- মিথ,’ অনেকটা স্বগতোক্তি করল যেন ছেলে। ‘এখন মনে হচ্ছে- সোনা থাকলেও পাচ্ছি কোথায়। বাবা তো সব রহস্য সাথে নিয়ে কবরে গেছে।’

    সকরুণ একটা দীর্ঘশ্বাস ছাড়ল সে।

    ‘জেস!’ খানিকটা আলো ফুটল মিসেস মিলফোর্ডের চেহারায়।

    ‘কী মা?’

    ‘“দুরন্ত ঈগল” কি এই ব্যাপারে কোনও সাহায্য করতে পারবে?’

    ‘ও জানে, ভাবছ?

    ‘না, তা নয়।’

    ‘তবে?’

    ‘ইনডিয়ানরা তো নানান তুকতাক জানে, মিসেস মিলফোর্ড বলল, ‘শুনেছি, ওরা নাকি সোনার গন্ধ পায়!

    ‘ওহ, এই কথা!’ জ্যাসন হাসল।

    ‘পারবে?’ অধীর আগ্রহে ছেলের মুখের দিকে চেয়ে আছে রোজমেরি।

    ‘তুমি এগুলো বিশ্বাস করো?’

    রোজমেরিও হাসল। ‘আমরা- আইরিশরা আরও অনেক কিছুই বিশ্বাস করি। আয়ারল্যাণ্ডে জন্ম হলে তুইও করতি।’

    হাসির প্রলেপে নিঃশেষে দূর হলো না বটে মনের ভার, তবে সামান্য হলেও মা-ছেলের স্যাঁতসেঁতে মনে প্রাণের ছোঁয়া লাগল।

    ‘সবাই না, মা,’ আগের প্রসঙ্গের সূত্র ধরল জ্যাসন। ‘একজন পারত।’

    ‘কে?’ জানতে চাইল মিসেস মিলফোর্ড। ‘পারত’ শুনে মনটা খানিক দমে গেছে।

    ‘ওদের ওঝা।’

    ‘লোকটা কি মারা গেছে?’

    ‘না-না… সে বহাল তবিয়তেই আছে।’

    ‘তা হলে?’

    ‘তার সব ক্ষমতা নাকি নষ্ট হয়ে গেছে!’ ভাঙল জ্যাসন।

    ‘তুই কীভাবে জানিস?’

    ‘দুরন্ত ঈগল বলেছে।’

    আবার হতাশা।

    কার ওপরে যেন অভিমান দলা পাকিয়ে উঠছে গলার কাছটাতে। কার ওপরে, রোজমেরি জানে না। স্বচ্ছ পানির পাতলা একটা স্তর তৈরি হলো গাঢ় নীল চোখে। পুরু হতে হতে চোখের তট ছাপিয়ে উঠল লবণাক্ত স্রোত। নেমে এল কপোল বেয়ে।

    বিচলিত বোধ করল জ্যাসন। শেষ কবে মাকে সে কাঁদতে দেখেছে, মনে করতে পারল না। এমনকী বাবার মৃত্যুতেও শক্ত ছিল মা। এক ফোঁটা চোখের পানি ফেলেনি।

    আগুনে পোড়া ফসলের মত জ্বলতে লাগল জ্যাসনের বুকের ভেতরটা। সেই যন্ত্রণা চাপা দিতে বলল, ‘এসো, মা, আরেক বার সবটা চিন্তা করি গোড়া থেকে।’ সিরিয়াস দেখাচ্ছে তাকে। উদ্যম জোগাল, ‘কিছু বেরোতেও পারে।’

    হাতের তালু দিয়ে গণ্ডদেশ মুছল মিসেস মিলফোর্ড। ‘বল।’

    শুরু করবার আগে তিন সেকেণ্ড চিন্তা করল জ্যাসন।

    ‘কবে গিয়েছিল বাবা ওখানে?’

    পরী ‘আমাদের বিয়ের ক’মাস পরে।’ পুরানো দিনের স্মৃতিতে ফিরে গেল মহিলা। ‘সময়টা ভাল যাচ্ছিল না তখন। টাকাপয়সার টানাটানি। তারপরও, সব কিছু নিয়ে সুখী ছিলাম। কিন্তু জো আমার পেটে আসবার আগেই অনিশ্চিত জীবন ছেড়ে থিতু হতে চাইল তোর বাপ। একদিন ঘোড়ায় চেপে রওনা দিল উত্তরে।’

    ‘একা?’

    ‘বাড়ি থেকে তো বের হয়েছিল একাই। বাড়তি একটা ঘোড়া নিয়েছিল কেবল।‘

    ‘স্যাডল বদল করবার জন্য?’ নিজেকে বুঝ দিল জ্যাসন, ‘তা হলে নিশ্চয় জায়গাটা অনেক দূরে। কয়দিনের খাবার নিয়েছিল?’

    ‘হপ্তা খানেকের মতন। তবে শিকারের বন্দুকটাও নিয়েছিল সাথে।’

    শিকার সম্পর্কে বলা বাবার একটা কথা মনে পড়ে গেল জ্যাসনের।

    “শিকারই হলো গে সত্যিকারের পুরুষমানুষের স্পোর্টস,” তাদের দুই ভাইকে বলেছিল একদিন মিস্টার মিলফোর্ড।

    ছোটবেলায় অনেকবার বাবার সাথে শিকারে গেছে দুই ভাই। তবে মাংসের জন্যে ছাড়া অহেতুক জানোয়ার খুন করত না জেরার্ড মিলফোর্ড।

    ঘুঘু ডাকছে কোথায় জানি। পাখিটার কণ্ঠে দিনান্তের গান রানশের গায়ে গা লাগিয়ে দাঁড়ানো কটনউড গাছের মর্মরধ্বনি কীসের বারতা পৌছে দিতে চাইছে যেন কানে।

    ছেলের মুখের দিকে তাকিয়ে থাকলেও রোজমেরির মনটা অন্য কোথাও, অন্য কোনওখানে। অতীতের ধুলো ঝেড়ে বের করে আনা স্মৃতির নেশাতে বিভোর হয়ে আছে প্রৌঢ়া।

    ‘এখানে আসবার পর প্রচণ্ড নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছিলাম। কারণ, আমরা বিদেশি। চারদিকে ইনডিয়ানদের বসতি। বহিরাগত কাউকে ওরা দেখতে পারে না। সেজন্য অবশ্য দোষ দেয়া যায় না তাদের। কীভাবে-কীভাবে জানি তাদের সাথে খাতির জমিয়ে ফেলল জেরি। লোকগুলো একটু চুপচাপ ধরনের। রক্ষণশীল। তবে মানুষ ভাল। স্ট্রাগলের সেই দিনগুলোতে অনেক উপকার করেছে তারা আমাদের। প্রায়ই মাছটা-মাংসটা পাঠিয়ে দিত। একদিন কী একটা পরবে দাওয়াত করল।

    ‘সেদিনই প্রথম দেখি আমি ওদের সর্দারকে।’

    রোজমেরি মিলফোর্ড চোখ বুজল। কতদিন আগের কথা!

    অথচ মনে হচ্ছে— এই তো, সেদিন!

    আবার যখন কথা শুরু করল, মায়ের চোখে অপার্থিব একটা জ্যোতি খেলা করতে দেখল জ্যাসন।

    ‘অনেক বয়স হয়েছিল লোকটার। ত্রিকালদর্শী। লম্বা, সাদা চুলগুলো দেখলে শন বলে মনে হয়। ভাঙাচোরা শরীর। কিন্তু চোখের দিকে তাকালে দৃষ্টি আটকে যায়। অদ্ভুত রকমের শান্ত। যেন ভয়-ডর কাকে বলে, জানে না।’

    কোলের ওপরে ফেলে রাখা দুই হাতের দিকে তাকাল মিসেস মিলফোর্ড। প্রেয়ারি স্কার্টের ওপরে উপুড় হয়ে থাকা তালু দুটো চিত হলো।

    ‘বুড়োর নাম “শকুনের ছায়া”। ওর মুখেই সেদিন সোনার গল্প শুনি আমরা।

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআলালের ঘরের দুলাল – টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    Next Article আর্সেন লুপাঁ ভার্সেস হার্লক শোমস

    Related Articles

    ডিউক জন

    ভ্যাঙ্কুভারের ভ্যাম্পায়ার – ডিউক জন

    August 19, 2025
    ডিউক জন

    অদেখা ভুবন – ডিউক জন

    August 19, 2025
    ডিউক জন

    আর্সেন লুপাঁ ভার্সেস হার্লক শোমস

    August 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }