Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সূর্যতামসী – কৌশিক মজুমদার

    কৌশিক মজুমদার এক পাতা গল্প289 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    প্রথম পর্ব— মনোসরণি

    আজ কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে বেশ সাজসাজ ব্যাপার। বছর শেষের দিন। ক্যালকাটা মেডিক্যাল সোসাইটির বার্ষিক সভা অনুষ্ঠিত হবে আজ। ১৮৭৯ সালের ২৪ নভেম্বর স্থাপিত হওয়া এই সোসাইটির প্রথম সভাপতি ছিলেন ডি.বি.স্মিথ। দারুণ মানুষ। নেটিভদের মধ্যে চিকিৎসাবিজ্ঞানের প্রতি আগ্রহ যাতে ছড়িয়ে পড়ে সেদিকে তাঁর নজর ছিল প্রথম থেকেই। মূলত তাঁর উদ্যোগেই শুরু হয় এই বার্ষিক সভা। ১৮৮০-তে শুরু হয়ে এবছর এই সভা বারো বছরে পড়ল। শুধু চিকিৎসাবিজ্ঞানের ছাত্ররাই না, বিজ্ঞানে উৎসাহী মানুষ মাত্রই এই সভায় যাবার জন্য মুখিয়ে থাকেন। যাঁরা অনুমতি পান না, তাঁরা চেষ্টা করেন সভার রিপোর্ট জোগাড় করার। এই বছরের সভায় একেবারে শেষের দিকে বসে আছেন আমাদের পরিচিত দুজন। বাঙালি ভদ্রলোকটি একটু উশখুশ করছেন। এ জাতীয় সভায় বসে থাকার চেয়ে অপরাধীর পিছু ধাওয়া করতেই তিনি অনেক বেশি স্বচ্ছন্দ। পাশে ফ্রক কোট পরা নাক লম্বা সাহেবটি অনেকক্ষণ ধরে কী যেন পড়তে ব্যস্ত। সভা এখনও শুরু হয়নি। তাঁরা এসেছেন একটাই কারণে। আলোচনার বিষয়বস্তু। আজকের মূল আকর্ষণ ডাক্তার গোপালচন্দ্র দত্তের ভাষণ। মনোবিজ্ঞানের নতুন দিক নিয়ে আলোচনা করবেন তিনি। এই গোপালচন্দ্রকে কিছুক্ষণের জন্য দেখেছিল প্রিয়নাথ, সেই লাশকাটা ঘরে। কিন্তু তাঁর ভাষণ শুনতে আসার কী দরকার, তা প্রিয়নাথের মাথায় ঢোকেনি। টমসন সাহেব এদিকে তাকে নির্দেশ দিয়েছেন সাইগারসনের সঙ্গে সঙ্গে থাকার।

    খানিক এদিক-ওদিক তাকিয়ে আর না পেরে প্রিয়নাথ জিজ্ঞাসা করল, “কী পড়ছেন সাহেব?”

    সাহেব যেন শুনতেই পাননি।

    আর-একবার জিজ্ঞাসা করতে গিয়েও চুপ করে গেল প্রিয়নাথ। একটা ছোট্ট পাতলা বই। মলাটে লেখা সাদার্ন লিটেরারি ম্যাগাজিন, রিচমন্ড ভার্জিনিয়া। বইটি বেশ প্রাচীন। পাতা হলুদ হয়ে এসেছে। সাহেব এর মধ্যে কী পেয়েছেন কে জানে, ডুবে আছেন পুরোপুরি। এদিকে মঞ্চসজ্জা চলছে। অনুষ্ঠান শুরু হতে খানিক সময় বাকি। বই থেকে মাথা উঠিয়ে সাইগারসন বললেন, “আপনি ব্যারন ভন কেম্পেলেনের নাম শুনেছেন?”

    মাথা নাড়ল প্রিয়নাথ। শোনেনি।

    “উলফগ্যাং ভন কেম্পেলেন ছিলেন হাঙ্গেরির ইঞ্জিনিয়ার। তবে পেশায় রানি মারি থেরেসার পরামর্শদাতা। একবার ১৭৬৯ সালে এক ফরাসি জাদুকর চুম্বকের নানা খেলা দেখিয়ে রানিকে চমকে দেয়। তখন ব্যারন বলেন যে তিনি হাতে সময় পেলে মাত্র ছয় মাসে এর থেকে অনেক ভালো খেলা বানাতে পারবেন। বানালেনও।”

    “কী সেটা?”

    “একটা পুতুল। অটোমেটিক। পুতুলটার মাথায় পাগড়ি, এক হাতে লাঠি, অন্য হাত দাবার বোর্ডে। পুতুলের নাম তুর্কি। কেউ চাল দিলে পুতুলটা ফিরতি চাল দেয়। চেনা চেনা লাগছে?”

    “এ কী!! এ তো…”

    “তৈমুর। তাই তো? অনেকটা তাই। আবার তা নয়ও। কেম্পেলেনের মৃত্যুর পর তাঁর ছেলের বন্ধু যোহান মেলজেল এই পুতুলের কারুকাজ জেনে নেন। আর একটু অদলবদল করে আমেরিকায় মেলজেল’স চেজ প্লেয়ার নামে এর খেলা দেখাতে থাকেন। তখনকার দিনে সব জাদুকরের কাছে এই পুতুল একরকম বিস্ময়ই ছিল। অনেকেই চেষ্টা করেছেন, কিন্তু কেউ এর রহস্যভেদ করতে পারেননি। শেষে ১৮৩৬ সালের এপ্রিল মাসে এই ম্যাগাজিনে Mäelzels’s Chess Player নামের এক প্রবন্ধে এক ভদ্রলোক রীতিমতো গবেষণা করে এই পুতুলের রহস্য ফাঁস করেন। এই সেই লেখা…” বলে প্রিয়নাথের সামনে বইটা মেলে ধরলেন সাইগারসন।

    “আরেহ! এডগার অ্যালান পো! ইনি তো…”

    “হ্যাঁ, দ্যুপঁ নামে এক গোয়েন্দাকে নিয়ে কিছু গল্প লিখেছেন বটে। খুব একটা সুবিধার না। দুপ্যঁ একটাই কায়দা জানত, অনেকক্ষণ চুপ থেকে আচমকা একটা কথা বলে বন্ধুকে চমকে দেওয়া। কিছু যুক্তিবুদ্ধি ছিল বটে, কিন্তু পো যতটা দেখিয়েছেন, ততটাও না। বরং এই লেখাটা বেশ ভালো। পো একের পর এক ছবি দেখিয়ে প্রমাণ করেছেন যে এই যন্ত্র আদৌ স্বয়ংক্রিয় না, এর ভিতরে মানুষ থাকে। কীভাবে থাকে সেটাও ডায়াগ্রাম এঁকে বুঝিয়েছেন। এই দেখুন…”

    “ঠিক এটাই তো সেদিন তারিণী আমাদের বলল!”

    “ভুল বলছেন। তারিণী বলেনি। বলেছে ওর সেই জাদুকর বন্ধু। তবে একবারমাত্র মঞ্চে দেখে যে প্রায় সত্তর বছর ধরে চলে আসা ধাঁধার সমাধান করে দেয়, সে বড়ো সাধারণ জাদুকর নয়!”

    “তৈমুরের প্ল্যানটা কার?”

    “কার্টারের। আমি যে বইটা পাঠ করি, ওটা কার্টারই আমায় দিয়েছিল। লেখকের নাম নেই। তবে প্রথম পাতায় সই আছে E.A. Poe। আমার বিশ্বাস ছিল ওটাও পো-র লেখা। কিন্তু নিশ্চিত ছিলাম না। এই ম্যাগাজিনেও দেখুন, শুরুতেই পো-র সই। কোনও কারণে পো-র ব্যক্তিগত সংগ্রহ কার্টারের হাতে আসে। সেখান থেকেই ও তৈমুরের আইডিয়া পায়।”

    “পো-র বই কার্টার পেল কীভাবে?”

    “পো প্রায় কপর্দকশূন্য হয়ে মারা যান। তাঁর সব জিনিস আমেরিকার চোরাবাজারে জলের দরে বিক্রি হয়ে যায়। রবার্ট হুডিন সেই সময় আমেরিকায় ম্যাজিক দেখাচ্ছেন। উনিই এসব নিয়ে এসেছেন। আর ওঁর মৃত্যুর পরে এরা কার্টারের দখলে আসে।”

    “কিন্তু এই ম্যাগাজিন আপনার কাছে!”

    একটা চোরা হাসি ফুটে উঠল সাইগারসনের মুখে। “জানি না, বলা উচিত হবে কি না, গতকাল রাতে আমি কার্টারের ঘরে ঢুকেছিলাম। ঘরটা পুলিশ সিল করে দিয়েছে জানি। তবে তাতে আমার খুব একটা অসুবিধে হয়নি। ঘরে একটা সিন্দুকে এই ম্যাগাজিনটা পেলাম। আর এই ম্যাগাজিনের মধ্যেই ছিল আসল জিনিসটা।”

    “আসল জিনিস? সেটা আবার কী?”

    “দাঁড়ান দেখাই”, বলে সাইগারসন কোটের পকেটে হাত ঢোকাতে না ঢোকাতে চারিদিকে হাততালির আওয়াজ। মঞ্চ তৈরি। অনুষ্ঠান এখুনি শুরু হবে।

    “পরে দেখাচ্ছি”, বলে সাইগারসন আবার সেটা পকেটেই গুঁজে রাখলেন।

    মঞ্চে একে একে উঠে এলেন মার্টিন সাহেব, উইলসন সাহেব আর গোপালচন্দ্র। দুই সাহেবকে প্রিয়নাথ চিনত না। সাইগারসন চেনালেন। এই মার্টিন সাহেব নাকি সম্পর্কে টমসন সাহেবের ভগ্নীপতি। এতদিন টমসনের কাছে থেকেও প্রিয়নাথ জানত না।

    শুরুতেই তাঁর বক্তব্য রাখলেন মার্টিন সাহেব। ক্যালকাটা মেডিক্যাল সোসাইটির স্থাপন, ইতিহাস, উদ্দেশ্য নিয়ে নানা কথা বলার পর নিজেই বললেন, “আজকাল আমি আর সোসাইটির কাজে মন দিতে পারি না। একদিকে মেডিক্যাল কলেজ, অন্যদিকে ভবানীপুর আর ডালান্ডা হাউসের দায়িত্ব সামলাতে হিমশিম খাচ্ছি। তবু আমি সোসাইটিকে ধন্যবাদ দেব, তাঁরা নিরন্তর তাঁদের গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন। মেডিক্যাল কলেজের সার্জিক্যাল বিভাগের দায়িত্ব দারুণভাবে সামলাচ্ছেন ডাঃ উইলসন। তিনি এবং তাঁর ছাত্ররা চিকিৎসাবিজ্ঞানের বিভিন্ন দিক নিয়ে যে গবেষণা চালাচ্ছেন, তা নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবি রাখে।” মার্টিন বেশি কিছু বললেন না। বোঝা গেল তিনি কোনও কারণে একটু অন্যমনস্ক। খুব সাদামাটা ভাবে গোপালচন্দ্রের পরিচয় দিলেন। এটাও বললেন, গোপাল সার্জিক্যালের ছাত্র হলেও মনোবিদ্যা নিয়ে ভালোই কাজ করছে। শেষে বললেন, “আমার অবর্তমানে এরাই চিকিৎসাবিজ্ঞানের গবেষণাকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। আমি আর বেশিদিন এই পদে থাকছি না। আমার শরীর ভালো না, আমি আগামী মাসেই বিলেত ফিরে যাব। তবে আমার থাকা না-থাকাতে কিছু হবে না। বিজ্ঞান এবং সত্যের জয় হবেই।”

    এরপরেই বলতে উঠল গোপালচন্দ্র। সে উঠতেই নেটিভ ছাত্রদের এক অংশ হাততালি দিয়ে উঠল। গোপাল তাহলে বেশ জনপ্রিয়, প্রিয়নাথ ভাবল। সামান্য ভদ্রতাসূচক ধন্যবাদ দিয়েই গোপাল নিজের গবেষণার বিষয়ে বলতে শুরু করল। তার বিষয় মনোরোগে সার্জারির ভূমিকা। সে শুরুই করল এই বলে, “মানুষ পাগল কেন হয়? লন্ডনের বিখ্যাত পাগলাগারদ বেডলামে রবার্ট হুক, রিচার্ড কিং সহ বিভিন্ন বিজ্ঞানী এই বিষয়ে একমত হয়েছেন যে মানব রক্তে হিউমর নামে একটি বস্তুর পরিমাণ বেড়ে গেলে রক্ত গরম হয়ে যায়। বিশেষ করে মস্তিষ্কের রক্ত। এই সমস্যা যেমন এদেশি নেটিভদের, তেমনি ইউরোপীয়দেরও। ইউরোপীয়দের ক্ষেত্রে ভয় বেশি, যেহেতু তাঁরা এই দেশের তাপমাত্রায় অভ্যস্ত নন। রক্ত গরম হয়ে গেলে মানুষ উত্তেজিত হয়ে যায়, রেগে যায় এবং এমন সব কাজ করে যা সুস্থ মানুষ করে না। এর কোনও ওষুধ নেই। উপায় একটাই। অস্ত্রোপচার। ইউরোপে বহু আগে থেকে ট্রেপ্যানিং নামে একটি অস্ত্রোপচার পদ্ধতি প্রচলিত ছিল। এতে একটি ড্রিল দিয়ে রোগীর মাথায় প্রথমে একটি ছোটো ফুটো করে দেওয়া হয়, যাতে গরম রক্ত থেকে হিউমরের বাষ্প বেরিয়ে যেতে পারে। অনেক সময় এতেই কাজ হয়। না হলে ছিদ্রের মাপ বাড়াতে হবে। এই ছিদ্রটি করতে হবে ক্রেনিয়াম বরাবর। কিন্তু আমি আরও এক ধাপ এগিয়ে যেতে চাইছি। আমি চাই আগে রোগীর মস্তিষ্কের ঠিক কোথায় সমস্যাটা সেটা নির্ধারণ করা হোক। যদি নির্ধারিত জায়গাটি চিহ্নিত হয়, তবে সেই ফুটো দিয়ে মস্তিষ্কের সেই অংশটা কেটে ফেলে দিলেই রোগী সুস্থ হয়ে যাবে। মস্তিস্কের কর্টেক্স অংশ, যা আমাদের যুক্তিবুদ্ধি নির্ধারণ করে, সেই অংশই এই অস্ত্রোপচারের আদর্শ স্থান। শুনেছি বেডলামে কিছু কিছু চিকিৎসক এই ধরনের কাজ করছেন। ভারত তথা এশিয়ায় এ ধরনের কাজ আজ অবধি হয়নি। আমরা বেডলামের ধাঁচে ডালান্ডা হাউসে এই পরীক্ষা করতে শুরু করেছি। আপনাদের জানাই ইতিমধ্যে দুজন রোগীর ক্ষেত্রে সুফল পাওয়া গেছে।

    আগে একটা সমস্যা ছিল। খুলি ফুটো করার ব্যথা অনেকে সহ্য করতে পারত না। অপারেশন টেবিলেই মারা যেত। আমরা সৌভাগ্যবান, ইদানীং ক্লোরোফর্ম নামে এক আশ্চর্য রাসায়নিক আবিষ্কার হয়েছে, যাতে রোগীকে অপারেশনের সময় অজ্ঞান রাখা যায়।”

    প্রায় এক ঘণ্টা বক্তৃতা দিল গোপালচন্দ্র। এবার প্রশ্ন-উত্তরের পালা। উঠে দাঁড়াল এক নেটিভ ছাত্র। গোপালকে অভিনন্দন জানিয়ে সে বলল, “কিন্তু ডাক্তার দত্ত, একটা ব্যাপার বলুন, ইদানীং নাকি বেডলামে অন্য একটি ব্যবস্থাতেও রোগীর চিকিৎসা হচ্ছে। ১৬৬৭ সালে জঁ ব্যাপ্তিস্তে ডেনিস প্রথম এই পদ্ধতিতে পাগলদের চিকিৎসার কথা বলেন। এতে নাকি হিউমর দূর করার জন্য বারবার খুলি ফুটো বা অস্ত্রোপচারের দরকারই নেই। রোগীর দেহের রক্ত পুরো বার করে অন্য রক্ত পুরে দিলেই রোগী সুস্থ হয়ে যাবে। ডেনিস নিজে পনেরো বছরের একটা ছেলের রক্ত বদলে ভেড়ার রক্ত দিয়ে তাকে সারিয়ে তুলেছিলেন। তারপরেও নাকি অনেক রোগী সুস্থ হয়েছেন। আপনি আপনার বক্তব্যে তো এই নিয়ে একটা কথাও বললেন না…”

    আগুনে যেন ঘি পড়ল। প্রিয়নাথ স্পষ্ট বুঝতে পারল গোপালচন্দ্র রাগে জ্বলে উঠেছে।

    “আপনি জানেন ডাঃ কৈলাসনাথ গুপ্ত, যে, এই কথার জন্য আপনি গ্রেপ্তার অবধি হতে পারেন? ব্লাড ট্রান্সফিউশান বা রক্ত পরিবর্তন একটা অপবিজ্ঞান এবং প্রমাণিত অপবিজ্ঞান। আপনার কি মনে হয়, আমি ডেনিসের কথা জানিই না? কিন্তু আপনি কি জানেন, তারপরে ডেনিস একই পদ্ধতিতে আরও দুজনের চিকিৎসা করেন, যারা দুজনেই মারা যায়! রক্ত এমন একটা পদার্থ, যেটা যার যার নিজস্ব। একজনের রক্তের সঙ্গে অন্যজনের রক্ত মেশে না। মিশলেও তা কাকতালীয়। রক্ত সমীক্ষার এই পদ্ধতিতে মৃত্যুর হার এতটাই বেশি যে স্বয়ং ইংরেজ সরকার বাহাদুর একে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছেন। আর আপনি এই বিজ্ঞানের সারস্বত মঞ্চে এইসব অপবিজ্ঞান নিয়ে আলোচনা করছেন? ধিক আপনাকে!”

    মার্টিন সাহেব উঠে দাঁড়ালেন। দেখেই বোঝা যাচ্ছে তাঁর শরীর খারাপ লাগছে। তিনি সকলের থেকে ক্ষমা চেয়ে মঞ্চ থেকে বিদায় নিলেন। সভাও আর বেশিক্ষণ চলল না। প্রিয়নাথ সাইগারসনের দিকে চেয়ে দেখল তাঁর চোখ জ্বলজ্বল করছে। চোয়াল দৃঢ়। মনে হল অনেকক্ষণ ধরে কিছু একটা খুঁজছিলেন, পেয়ে গেছেন।

    যেন সামনের বাতাসকেই বলছেন, এমনভাবে সাইগারসন বলে উঠলেন, “পল কিথ ফিলমোরিস ল্যান্সডাউন কীভাবে মারা গেলেন আমি জানি।”

    প্রিয়নাথের চোখ গোল গোল হয়ে গেছে, “কে মারল তাঁকে?”

    —কে মারল বলিনি তো! বললাম কীভাবে মারা গেলেন।

    —দুটো তো একই হল।

    —তাই কী? না বোধহয়। তবে এই প্রশ্নের উত্তর দেবার সময় আসেনি এখনও। আর দু-একটা সূত্র হাতে আসা বাকি। কয়েকটা জট পরিষ্কার করতে হবে। তাহলেই তিনটে খুন একেবারে এক সরলরেখায় চলে আসবে…

    —মানে কার্টার আর চিন-সু-লিনের মৃত্যুর সঙ্গে পলের মৃত্যুর যোগ আছে?

    —অবশ্যই। কুয়াশাটা প্রায় কেটে গেছে, আর-একটু আলো।

    —অনুষ্ঠান শুরুর আগে কী একটা দেখাবেন বলছিলেন?

    —ও হ্যাঁ, এই দেখুন। কাল কার্টারের আলমারিতে পেলাম।

    প্রিয়নাথ দেখল একটা ছবি। সাদা-কালো, কিন্তু তাতে তুলি দিয়ে রং করা। এই ধরনের ছবিকে এম্বেলিসড ফটোগ্রাফ বলে। ছবিতে এক মহিলা বসে আছেন। মলিন মুখ। ইউরোপীয় পোশাক, সোনালি চুল একঢাল। ছবির পিছনে একটা পেনসিল দিয়ে লেখা, ‘শার্লি জনসন, মাদার’। কার্টারের মা।

    “এবার আর-একটা জিনিস দেখুন”, বলে হাতের ম্যাগাজিন থেকে একটা পুরোনো পেপার কাটিং বার করলেন সাইগারসন। প্রায় পঁয়ত্রিশ বছর আগের পুরোনো একটা পেপার কাটিং। তাতে লেখা—

    The Cradle

    On the 20th ultimo, Miss Charlot Harley of Bradford Street gave birth of a beautiful boy. Mother and son doing well. Papers please copy.

    “কী বুঝলেন?” সাইগারসন শুধালেন।

    “একটা জিনিস অদ্ভুত লাগছে। মিস লেখা। মিসেস নয় কেন? আর পেপারে কেন?”

    “ঠিক ধরেছেন। লন্ডনে সবার জন্মপত্র বাধ্যতামূলক, যদি অবশ্য তাঁদের বাবা-মা দুজনেই থেকে থাকেন। শুধু মা থাকলে জন্মপত্র হয় না। সেক্ষেত্রে জনসংখ্যার হিসেব রাখতে পত্রিকার এই কলামে জন্মের খবরটা ছাপিয়ে দেওয়া হয়।”

    “তার মানে হ্যারি জনসন…?”

    “অবৈধ সন্তান। ছবি দেখেই সেটা আমি বুঝেছি।”

    “কীভাবে?”

    “শার্লির চোখের রং দেখুন। গাঢ় নীল। বুড়ো জর্জ আমায় বলেছে হ্যারির বাবার চোখের রং ছিল নীল। হ্যারির চোখের রং…”

    “বাদামি।”

    “একদম তাই। দুজন নীল চোখের মানুষের সন্তান সচরাচর বাদামি চোখের হয় না।”

    “কিন্তু বুড়ো জর্জের চোখের রং তো বাদামি…”

    সাইগারসন খুব ধীরে ধীরে প্রিয়নাথের দিকে ফিরলেন। আর সোজা তাকিয়েই রইলেন। প্রিয়নাথ দেখতে পেল এতক্ষণে তাঁর ঠোঁটের কোনায় একটা হাসি তিরতির করে কাঁপছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআঁধার আখ্যান – কৌশিক মজুমদার
    Next Article নোলা : খাবারের সরস গপ্পো – কৌশিক মজুমদার

    Related Articles

    কৌশিক মজুমদার

    আতঙ্ক সমগ্ৰ – কৌশিক মজুমদার

    January 3, 2026
    কৌশিক মজুমদার

    নোলা : খাবারের সরস গপ্পো – কৌশিক মজুমদার

    August 4, 2025
    কৌশিক মজুমদার

    আঁধার আখ্যান – কৌশিক মজুমদার

    August 4, 2025
    কৌশিক মজুমদার

    নীবারসপ্তক – কৌশিক মজুমদার

    August 4, 2025
    কৌশিক মজুমদার

    অগ্নিনিরয় – কৌশিক মজুমদার

    August 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Our Picks

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }