Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সূর্যতামসী – কৌশিক মজুমদার

    কৌশিক মজুমদার এক পাতা গল্প289 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অষ্টম পর্ব— সোনালি সিংহের গান

    ১৭৯৯ সালে নির্মাণ শুরু হয়ে ১৮০৩ সালে কলকাতায় তৈরি হয় পেল্লায় রাজভবন। তৈরির বরাত পেয়েছিলেন চার্লস ওয়েট নামের এক স্থপতি। লেগেছিল তখনকার দিনেই আশি হাজার পাউন্ড, আসবাবে আঠেরো হাজার পাউন্ড আর রাস্তা ইত্যাদিতে তিন হাজার পাউন্ড। এক লাটভবন বানাতেই কোম্পানির ফৌত হবার দশা। তবে হ্যাঁ, লোকে যখন যায়, দেখে বলে জিনিসের মতো জিনিস একখানা। মাথায় পতপত করে উড়ছে ইউনিয়ান জ্যাক, সামনে বন্দুকধারী উর্দিপরা সান্ত্রি, ব্যাপারই আলাদা। আজকে তো নিউ ইয়ার ডে-তে গোটা রাজভবন সাজানো হয়েছে কতরকম রংবেরঙের ফুলে। আজ দুপুরে মহাভোজ। ভোজের মেনুর মধ্যে একটা প্রধান জিনিস হল ‘বোরস্ হেড’ বা শুয়োরের মাথা, যা রোজমেরি, বে-লিফ আপেল আর অন্যান্য উপকরণ দিয়ে সাজিয়েগুছিয়ে পরিবেশন করা হয়। নানারকম খাদ্য পানীয় থরে থরে টেবিলে রাখা। আছে টার্কি, ডাক রোস্ট, প্লাম, পুডিং, যত রাজ্যের জিনিস দিয়ে তৈরি বিরাট পাই, ট্যাঞ্জারিন, লেবু, খেজুর, বাদাম, কিসমিস, চকোলেট, আরও কত কী!! বড়োলাট আজকের দিনে নিজে অতিথিদের আপ্যায়ন করেন। রাজভবনে ঢুকতে একটু সমস্যা হয়েছিল। সাইগারসনকে নিয়ে আপত্তি না থাকলেও প্রিয়নাথ, বিশেষ করে তারিণীকে নিয়ে দ্বাররক্ষীরা আপত্তি করছিল। তাও তো তারিণী আজকে সাহেবি পোশাক পরে এসেছে। টমসন সাহেব বুঝিয়েসুঝিয়ে তাদের রাজি করলেন। সাইগারসন পথে তাঁকে সব খুলে বলেছেন। প্রথমে টমসন রাজি হননি, পরে সাইগারসন তাঁকে বোঝান, তিনি এমন কিছু করবেন না যাতে বড়োলাট অসন্তুষ্ট হন। গোটা কেসের ঘটনাও টমসন সাহেবকে জানাতে হয়েছে। অগত্যা তিনি রাজি হয়েছেন।

    লাটভবনে পৌঁছে তারিণীরা দ্যাখে পার্টি শুরু হয়ে গেছে অনেকক্ষণ। পানীয়র গেলাস হাতে নিয়ে ঘুরছেন সাহেব মেমসাহেবরা। তারিণী আর প্রিয়নাথকে দেখে তাঁদের কয়েকজন অবাক হলেন, কয়েকজন ভুরু কোঁচকালেন বোঝা গেল। বিরাট বড়ো হলঘরের এক কোণে বড়োলাট ল্যান্সডাউন দাঁড়িয়ে। হাসিমুখে সবাইকে আপ্যায়ন করছেন। টমসন সাহেব সাইগারসনকে নিয়ে সোজা সেদিক পানে রওনা হলেন। পিছন পিছন তারিণী আর প্রিয়নাথ। প্রিয়নাথ ঠিকই শুনেছিল। বড়োলাট এই দিন হ্যান্ডশেকের সঙ্গে সঙ্গে দেশীয়দের কায়দায় আলিঙ্গনও করেন। তবে সেটা অবশ্যই ইউরোপীয়দের। তাদের কপালে করমর্দনও জুটবে কি না সন্দেহ। প্রথমেই টমসন করমর্দন করে আলিঙ্গন করলেন। বড়োলাট হেসে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানালেন। টমসন এবার সাইগারসনের সঙ্গে আলাপ করিয়ে দিলেন। প্রিয়নাথ দেখল, আলাপ করানোর পর বড়োলাটের কানের কাছে মুখ নিয়ে টমসন সাহেব কী যেন বললেন। শুধু “এঁর দাদা…” টুকু শোনা গেল। বড়োলাটের মুখে বিস্ময় ফুটে উঠল। সাইগারসনের দিকে হাত বাড়িয়ে বললেন, “কিন্তু আমি তো শুনেছিলাম…” “ভুল শুনেছিলেন” বলে সাইগারসন এগিয়ে এসে করমর্দন করলেন। এবার আলিঙ্গনের পালা। আলিঙ্গন করতে করতে বড়োলাট বললেন, “তারপর বলুন, আপনার কী সেবা করতে পারি?”

    “কিচ্ছু না, শুধু পলের রক্ত পরিবর্তনে দুর্ঘটনা ঘটায় কার্টার আর রিচার্ডকে কেন মরতে হল, সেটা বললেই চলবে।”

    ঘরে বাজ পড়লেও বুঝি বড়োলাট অনেক কম চমকাতেন। প্রিয়নাথ দেখল রাগ, অবিশ্বাস, আতঙ্ক সবকিছু একসঙ্গে তাঁর মুখে খেলা করছে। প্রথমে মনে হল এক্ষুনি তিনি তাদের তাড়িয়ে দেবেন। তারপর কোনওক্রমে নিজেকে সামলে বললেন, “এসব আপনি কী বলছেন, আমি তো কিছুই বুঝতে পারছি না!”

    সাইগারসন খুব নরম গলায় বললেন, “হুজুর, আমি জানি, যে ব্যক্তিগত শোক আপনার ওপর দিয়ে গেছে তার তুলনা নেই। কিন্তু আপনি তো আমার পরিচয় পেলেন। সত্যের একবারে গোড়া অবধি না পৌঁছে আমার শান্তি নেই। আপনি দয়া করে বলুন, ঠিক কী হয়েছিল। সঠিক উত্তর আপনি ছাড়া কারও কাছে নেই।”

    বড়োলাট খানিক থম মেরে দাঁড়িয়ে থাকলেন। তারপর টমসন আর সাইগারসনকে ডেকে বললেন, “আসুন আমার সঙ্গে। আমি জানতাম একদিন এই দিনটা আসতে চলেছে, তবে এত তাড়াতাড়ি আসবে সেটা ভাবিনি।” টমসন রওনা দিলেও সাইগারসন গেলেন না। “পরিচয় করিয়ে দিই, ইনি পুলিশ অফিসার প্রিয়নাথ মুখার্জি, টমসন সাহেবের অধস্তন। আর উনি এক আশ্চর্য মানুষ। প্রাইভেট ডিটেকটিভ তারিণীচরণ রায়। আজকে আমি যা জেনেছি, তা এঁদের সাহায্য ছাড়া জানা সম্ভব ছিল না। আমি যা জানি, এঁরাও তাই জানেন। আমি এঁদেরকেও সঙ্গে নেবার অনুমতি চাইছি।”

    বড়োলাট মুখে কিছু বললেন না। শুধু সম্মতিসূচক মাথা নাড়ালেন। হলঘরের পাশেই লাইব্রেরি ঘর। থরে থরে বই সাজানো তাতে। ঢুকে নিজের হাতে মোটা মেহগনি কাঠের দরজা বন্ধ করে দিলেন বড়োলাট। এগিয়ে গেলেন মাঝে রাখা টেবিলের দিকে। টেবিলে ছড়ানো বেশ কিছু বই, পাখির ছবি। নিজে বসলেন। ওঁদেরও বসতে বললেন। প্রিয়নাথ আর তারিণী তবু দাঁড়িয়েই রইল।

    —বলুন কী জানতে চান? তবে তাঁর আগে আমাকে একটা কথা দিতে হবে আপনাদের চারজনকে। আপনাদের জীবদ্দশায় বা আমাদের কারও জীবদ্দশায় এ কাহিনি যেন দিনের আলো না দ্যাখে। রাজি? কারণ এর অন্যথা হলে আমি ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হব, আর সেটা কারও জন্য ভালো হবে না।

    সবাই কথা দিল।

    —এই ঘটনার কোনও বিবরণ কেউ লিখে রেখেছেন?

    তারিণী স্বীকার করল সে ডায়রিতে লিখেছে। বড়োলাট আদেশ দিলেন টমসন যেন সত্বর সেই ডায়রির পাতাগুলো নিজের দখলে এনে নষ্ট করে দেন। টমসন রাজি হলেন। এবার বড়োলাট তাকালেন সাইগারসনের দিকে। তিনি প্রস্তুত হয়েই ছিলেন, বললেন,

    “গত ১২ ডিসেম্বর, আপনার ভাই পলের অপারেশনের সময় অতিরিক্ত ক্লোরোফর্ম প্রয়োগ আর রক্তমোক্ষণে সে মারা যায়। এমন দুর্ঘটনা হতেই পারে। তবু এই দোষে কার্টার আর রিচার্ডকে মরতে হল কেন?”

    দুঃখের একটা হাসি ফুটে উঠল বড়োলাটের মুখে, “আপনি কিছুই জানেন না ডিটেকটিভ। আপনি জানেন কত আদরের ভাই ছিল আমার পল? বাপ মা নেই। আমার চেয়ে ঢের ছোটো। আমিই বাবার মতো মানুষ করেছিলাম। ওর গায়ে একটা আঘাত লাগুক, তার চেয়ে নিজে সে আঘাত পিঠ পেতে নিতাম। বুদ্ধিমান, হাসিখুশি, ভালো ক্রিকেট খেলে, দারুণ গান করে। পলকে দেখতাম আর আমার গর্ব হত। আদর্শ ইংরেজ বলতে যা বোঝায় তাই। কিন্তু সুখ সইল না ওর কপালে। ওর মায়ের বংশে পাগলামো ছিল। সেটা উত্তরাধিকার সূত্রে পেল। দেখতে দেখতে ভাইটা আমার কেমন বদলে গেল। কথা শোনে না। কিছু বলতে গেলে মারতে আসে। ডাক্তার মার্টিনকে দেখালাম। উনিই বললেন ভবানীপুরে ভরতি করতে। খুব একটা লাভ হল না। শেষে শুনলাম ওর মাথার খুলি নাকি ফুটো করে দেবে। তখন আর রাখিনি ওকে। বাড়িতেই নিয়ে এসেছিলাম।”

    “রক্ত পরিবর্তনের কথা জানলেন কীভাবে?” সাইগারসন বললেন।

    “একদিন কথায় কথায় ডাক্তার মার্টিন বলে ফেলেছিলেন। আসলে রিচার্ডকে উনি আগে থেকেই চিনতেন। ওঁর অ্যাপোথেকারিতে কাজ করেই রিচার্ড বড়ো হয়েছে। এটাও বলেছিলেন এটা নিষিদ্ধ উপায়। আমি প্রথমে রাজি ছিলাম না। কিন্তু আমার স্ত্রী জানতে পেরে বারবার আমাকে অনুরোধ করতে থাকে, শেষে আমিও রাজি হয়ে যাই। পলকে ও নিজের ছেলেই মানত।”

    “তারপর?” আবার ধরিয়ে দেন সাইগারসন।

    খানিক চুপ থেকে শুরু করলেন বড়োলাট ল্যান্সডাউন, “রিচার্ডের নিজের স্বার্থ ছিল। ও মনেপ্রাণে চাইছিল বেডলামের চিফ সার্জেন হতে। কিন্তু বয়স কম। একমাত্র আমার সুপারিশে কাজ হতে পারত। আর তাই ও কার্টারের ম্যাজিক দলের সঙ্গে এ দেশে চলে আসে পলকে সারাতে। প্রথমে ডালান্ডা হাউসের কিছু পাগলের ওপর পরীক্ষা করা হয়। কয়েকজন মারা যায়, কিন্তু কয়েকজন সেরেও ওঠে। মার্টিন নিজে আমায় বলেন, এ চিকিৎসায় সুফল পাবার সম্ভাবনা প্রচুর। আমার স্ত্রীর জোরাজুরিতে আমি শেষ অবধি রাজি হলাম।

    যেমন ভেবেছিলাম, তেমন হল না। ১২ তারিখ সারাদিন কোনও কাজ করতে পারিনি। অপেক্ষায়। কী হয় কী হয় ভাব! সন্ধেবেলা রিচার্ড এল। সঙ্গে কার্টার। রিচার্ড জানাল অপারেশানে একটু ভুল হয়েছে। পল মারা গেছে। মাথায় বাজ ভেঙে পড়ল। তাও সেটা বুঝতে দিলাম না। বললাম, পলের দেহ এখন কোথায়? রিচার্ড জানাল ও নাকি বাধ্য হয়ে গোটা দেহ ছিন্নভিন্ন করে চিনা পাড়ায় ফেলে আসার ব্যবস্থা করেছে। না হলে নাকি সবাই জেনে যাবে ও বেআইনি অপারেশান করে। ভেবে দেখুন, যে ভাইয়ের মাথায় সামান্য ফুটো অবধি আমি সহ্য করতে পারিনি, তার দেহ এমনভাবে ছিঁড়েখুঁড়ে…”

    বড়োলাট খানিক চুপ করলেন। চোখের কোলে জল টলটল করছে। লাইব্রেরি নিস্তব্ধ। শুধু বাইরে থেকে মাতাল সাহেবদের উল্লাসের শব্দটুকু শোনা যাচ্ছে। বড়োলাট আবার শুরু করলেন, “রিচার্ডের হাড়ে হাড়ে ছিল শয়তানি। ও বুঝেছিল, এই ঘটনার পরে ওর আর বেডলামের প্রধানের পদ পাওয়া হবে না। তাই ও এসে সরাসরি আমায় ব্ল্যাকমেল করল। বলল, আমাকে ওর সুপারিশপত্র লিখে দিতে হবে। না হলে ও সবাইকে জানিয়ে দেবে আমি ওকে দিয়ে আমার ভাইয়ের রক্ত পরিবর্তনের কাজ করিয়েছি। এতে ওর থেকে আমার ক্ষতি বেশি।”

    “আপনিই বা রাজি হবেন কেন?” প্রিয়নাথ মুখ খুলল।

    “ওর কাছে প্রমাণ ছিল। পলের যৌনাঙ্গ, যেটার হদিশ অনেক খুঁজেও পুলিশ করতে পারেনি। আমাকে মানতেই হল। কিন্তু আমিও হেনরি ফিসমরিস ল্যান্সডাউন, প্রধানমন্ত্রী লর্ড সেলবার্নের নাতি। আমায় ধমকাবে ওই বস্তির ছোকরা? ঠিক করলাম কাঁটা দিয়েই কাঁটা তুলব। কার্টারকে লাটভবনে ডেকে পাঠালাম।”

    তারিণী ফিসফিস করে প্রিয়নাথকে বলল, “স্যার, এটা তাহলে সেই দিন, যেদিন নবীন মান্না হোটেলে এসেছিলেন।”

    প্রিয়নাথ কিছু বলল না। শুধু ওপরে নিচে ঘাড় নাড়ল।

    “কার্টার নিজে হ্যালিডেকে পছন্দ করত না। কিন্তু ওর মা বেডলামে ভরতি। তাই কিছু বলতেও পারছে না। সব বলল আমাকে। আমি ওকে অফার দিলাম, ও একটা ম্যাজিক শো অ্যারেঞ্জ করুক, সেখানে সবার চোখের সামনে হ্যালিডেকে মরতে হবে। শার্লির দায়িত্ব আমি নেব। ও পলের সঙ্গে যা করেছে, আর তারপরেও যে ব্ল্যাকমেল করে চলেছে, ওকে বাঁচতে দেওয়া যেত না। শনিবারের শো-তে তাই স্পেশাল হিসেবে ইন্ডিয়ান রোপ ট্রিক রাখা হয়। ঠিক হয়, ম্যাজিকে আমাদের দুজন লোক সাহায্য করবে, যেটা কার্টার জানবে, হ্যালিডে না। ম্যাজিকের একটা অংশে হ্যালিডে বেরিয়ে আসবে, তার জায়গায় একই পোশাকে দড়ি নিয়ে রাখহরি ভিতরে ঢুকবে। হ্যালিডে চলে যাবে সোজা সদর দরজায়। ম্যাজিক শেষে ক্লাইম্যাক্সে সে ঢুকবে দরজা খুলে। সেটাই হয়নি। আমার লোক ছিল। হ্যালিডে বেরোনো মাত্র তাকে টুঁটি টিপে খুন করে। শুধু করেই না, দেহটাকে নগ্ন করে পাতলা পাটাতনে রেখে দেয় যাতে সেটা ভেঙে পড়ে হলভরা লোক হ্যালিডেকে দ্যাখে। আমার ভাইয়ের সঙ্গে ও যা করেছে, তাতে এটুকু করাই যায়।”

    সবাই চুপ। প্রথম কথা বললেন সাইগারসন। “সেদিন আপনি নিজে কার্টারের হাতে একটা কাগজ গুঁজে দেন। কেন?”

    “কার্টারকে আমি কথা দিয়েছিলাম প্রতিশোধ আমার সামনেই হবে। আমি নিজে উপস্থিত থাকব। তখনই ও জানায়, আমি যদি শেষ মুহূর্তে মত বদল করি তাহলে যেন ওকে জানাই। মৃত্যু পরোয়ানাটা আমি নিজের হাতে লিখে দিয়েছিলাম। তাও এক চিনা চিহ্নে। চিহ্নটা আমাকে কার্টারই শিখিয়েছিল।”

    “আর তিনটে প্রশ্ন। এক, হ্যালিডেকে কে খুন করল? দুই, রাখহরিকে কেন খুন করা হল? আর শেষ প্রশ্ন, কার্টার তো আপনার সব কথা মেনে চলেছিল, তাকে খুন করালেন কেন?”

    “হ্যালিডেকে খুন করেছে ভাড়াটে খুনি। আমি তার নাম জানি না। জানার প্রয়োজনও নেই। ডাঃ মার্টিন ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন। পুরস্কারস্বরূপ তাঁকে দ্বিগুণ পেনশন দিয়ে দেশে ফেরত পাঠাচ্ছি। রাখহরিকে খুন করা হয়নি, শুধু মাথার সামনেটা ফুটো করে ঘিলুর একটু অংশ চেঁছে নেওয়া হয়েছে, যাতে ও কোনও উত্তেজনা আর দেখাতে না পারে। ওকে ডালান্ডা হাউসে নিয়ে রাখা হয়েছে। ওর উপরে পরীক্ষা হবে।”

    “হ্যালিডেকে কে খুন করেছে বোধহয় বুঝতে পারছি”, সাইগারসন বলল।

    “কে?”

    “হ্যালিডের গলায় আঙুলের দাগ স্পষ্ট। মঞ্চের পিছনের অন্ধকারে পিছন থেকে কেউ হ্যালিডের গলা টিপে ধরেছিল। আমি দেখেছি। নটা আঙুলের দাগ আছে…”

    “লখন!” প্রিয়নাথ অজান্তেই বলে উঠল।

    “হলে অবাক হব না। তাহলে হুজুর, শেষ প্রশ্নটা? কার্টারকে কেন মরতে হল?”

    “সে কী! কার্টার তো আত্মহত্যা করেছে, আপনারা জানেন না? আমি তো তাই জানি”, দেখেই বোঝা গেল বড়োলাটও অবাক হয়েছেন।

    “আপনি একটু ভুল জানেন হুজুর। কার্টারের বন্দুক ছিল ডান হাতে। ও বাঁহাতি। আমি ওকে সেদিন গ্রিনরুমে পৌঁছে দেবার পর ও ভিতর থেকে দরজা বন্ধ করে দেয়। তারপর কেউ একটা এসেছিল। যে তার বিশ্বস্ত। তাকে কার্টার দরজা খুলে দিয়েছিল। সেই এসে কার্টারকে খুন করে।”

    “কিন্তু আমি তো এ বিষয়ে কিচ্ছু জানি না! আমি তো ভাবতাম কার্টার আত্মহত্যা করেছে!” বড়োলাট বললেন।

    “তাহলে একটাই সিদ্ধান্তে আসা যায়, সে রাতে কার জন্য কার্টার দরজা খুলেছিলেন, সেটা আর কোনও দিনও জানা যাবে না।”

    “আমার জন্য।” পাশ থেকে গলা খাঁকরে বললেন টমসন।

    চার জোড়া চোখ তাঁর দিকে নিবদ্ধ। কী বলছেন তিনি?

    খুব ধীর গলায় টমসন বলতে থাকেন, “এই গোটা কেসে একটা জিনিসের কথা বারবার আলোচনায় এসেছে। কিন্তু সেটা যে কী বস্তু, তা কেউ দেখেনি, আমি দেখেছি।”

    “কী সেটা?”

    “কার্টারের লেখা সেই চিঠি, যেটা স্টেটসম্যান অফিসের ডাকবাক্সে ফেলে আসা হয়েছিল। আমি অনেক চেষ্টা করেছি। কিন্তু কে এই কাজ করেছে, সেটা বার করতে পারিনি। আপনারা কেউ জানেন?”

    সবার আগে পাশাপাশি মাথা নাড়ল তারিণী। তারপর বাকি দুজন। নবীন মান্নাকে কথা দিয়েছে তাঁর নাম কেউ জানবে না।

    “যাক, তাহলে ধরে নিতে হবে কার্টার নিজেই গেছিল ফেলতে। সেটা গুরুত্বপূর্ণ না। গুরুত্বপূর্ণ তাতে যা লেখা ছিল সেটা।”

    “কী ছিল তাতে?”

    পকেট থেকে একটা দোমড়ানো কাগজ বার করে দেখালেন টমসন। “এই সেই চিঠি। দেখুন এতে কী লেখা আছে।” সবাই দেখল চিঠিতে লেখা, “The dead body of Governor General’s cousin brother is supposed to be found Near Teritti Bazar, China town. Detailed information may be given on the basis of payment. Please contact Carter the Magician. Sharp.”

    স্টেটসম্যান খবরটা ছাপে, কিন্তু এই শেষ অংশটা বাদে। কিন্তু সম্পাদক আমার বন্ধু বলে চিঠিটা আমাকে দেখান। আমি আবার ইঁদুরের গন্ধ পাই। বুঝতে পারি কার্টার কম শয়তান না। টাকার লোভে সব করতে পারে। বড়োলাট আমায় সব খুলে বলেন। ফলে বুঝলাম এর সঙ্গে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের স্বার্থ জড়িয়ে আছে। হ্যালিডের ছিল ক্ষমতার লোভ আর কার্টারের টাকার। টাকার বদলে আজ নয় কাল ও যদি সব কথা বলে দেয়, তবে মহান ইংরেজ শাসনের ভিত কেঁপে যাবে। আমি কাউকে কিচ্ছু জানালাম না। ঠিক করলাম কার্টার বেঁচে থাকার অধিকার হারিয়েছে। সেদিন কার্টার অসুস্থ হয়ে গ্রিনরুমে গেল। মঞ্চে হইচই। কপাল ভালো ইনস্পেক্টর জেনারেল হেনরি নিজেই আমায় বললেন মঞ্চের পিছনে গিয়ে সহযোগীদের একত্র করতে। আমি সবার অজান্তে কার্টারের গ্রিনরুমের সামনে এসে দরজায় টোকা দিলাম। কার্টার জিজ্ঞেস করল, কে? নাম বলতে দরজা খুলে দিল। টেবিলেই ডুয়েলের পিস্তলটা রাখা ছিল। একটা গুলি মঞ্চে ব্যবহার করেছিল। জানতাম আর-একটা গুলি পিস্তলের ভিতরেই থাকবে… নিজের পুলিশি রিভলভারটা আর ব্যবহার করতে হল না। জানতাম না ও বাঁহাতি। ভাবলাম পারফেক্ট ক্রাইম। কেউ ধরতে পারবে না। এখন বড়োলাট বাহাদুর যদি আমায় দোষী বলেন, তবে যে শাস্তি দেবেন, মাথা পেতে নেব।”

    সাইগারসন লম্বা একটা নিঃশ্বাস ফেললেন। “অদ্ভুত খেলায় মেতেছিল এরা দুজন। লোভের খেলায়। যে খেলায় প্রাণ বাজি রেখে খেলতে হয়। খেলা শুরু হলে কারও রেহাই নেই…”

    তারিণী এতক্ষণে মুখ খুলল। একটাই কথা বলল সে। অনেকদিন আগে গণপতির মুখে শোনা। “সূর্যতামসী।”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআঁধার আখ্যান – কৌশিক মজুমদার
    Next Article নোলা : খাবারের সরস গপ্পো – কৌশিক মজুমদার

    Related Articles

    কৌশিক মজুমদার

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    কৌশিক মজুমদার

    আতঙ্ক সমগ্ৰ – কৌশিক মজুমদার

    January 3, 2026
    কৌশিক মজুমদার

    নোলা : খাবারের সরস গপ্পো – কৌশিক মজুমদার

    August 4, 2025
    কৌশিক মজুমদার

    আঁধার আখ্যান – কৌশিক মজুমদার

    August 4, 2025
    কৌশিক মজুমদার

    নীবারসপ্তক – কৌশিক মজুমদার

    August 4, 2025
    কৌশিক মজুমদার

    অগ্নিনিরয় – কৌশিক মজুমদার

    August 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }