Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সূর্যমন্দিরের শেষ প্রহরী – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প262 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সূর্যমন্দিরের শেষ প্রহরী – ১৪

    ১৪

    অনেক রক্ষী রয়েছে জায়গাটাতে। তাঁদের দাঁড়িয়ে রয়েছে বিচামার মূর্তি ঘিরে। আর কিছু লোক জল দিয়ে ধোয়ামোছা করছে, চত্বর আর স্তম্ভগুলো। সম্ভবত পরদিনের ‘কাপাক সিতুওয়া’ অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। ইনকা পুরোহিত সুসানকে নিয়ে উপস্থিত হলেন বিচামার মূর্তির কাছে। রক্ষীদের ভিড়ের মধ্যে থেকে বেরিয়ে এসে সুসানদের সামনে এসে দাঁড়াল একজন। সে ঠিক অন্য রক্ষীদের মতো দেখতে নয়, আকারে একটু ছোটোখাটো। পরনে রক্তবর্ণের পোশাক। মাথায় সাদা রঙের পালকের সাজ, কানে স্বর্ণকুন্ডল, গলায় নানা রঙের পাথরের মালা। তার কোমরে একটা টুমি গোঁজা আছে। ইনকা পুরোহিত আর সুসান পাশাপাশি দাঁড়িয়ে আছে। লোকটা ইল্লাপার দিকে তাকিয়ে কী যেন বলল, তার উদ্দেশ্যে ঘাড়টা একটু ঝোঁকালেন ইল্লাপা। সেই লোকটা এরপর নতজানু হয়ে বসল সুসানের কাছে। একজন রক্ষী এরপর রেশমবস্ত্রে ঢাকা একটা থালা নিয়ে এসে দাঁড়াল সেই লোকটার সামনে। তাতে রাখা আছে একটা পাখির পালক। আর ছোট্ট টুমি। লোকটা সেই পালকটা গুজে দিল সুসানের কপালের সোনার চাকতিতে, আর টুমিটা ধরিয়ে দিল তার হাতে। পিনচিও চাপা স্বরে ইনকা পুরোহিতকে জিজ্ঞেস করল, ‘এ লোকটা কে?’ তিনি জবাব দিলেন, ‘বিচামার পুরোহিত। এই কাল নরবলি দেবে।’

    টুমিটা সুসানের হাতে দিয়ে বিড়বিড় করে তাকে কী একটা বলার পর উঠে দাঁড়াল বিচামা পুরোহিত। সুসান চারপাশে একবার ভালো করে তাকিয়ে পিনচিওকে বলল, ‘কই, দাদু, সুজয় আঙ্কল ওরা সব কই? ওদের তো দেখতে পাচ্ছি না!’

    পিনচিও বললেন, ‘ওরা কাছেই কোথাও হয়তো আছে। তুমি ঠিক দেখতে পাবে।’

    ইল্লাপা এরপর দুর্বোধ্য ভাষায় কথা বলতে শুরু করলেন বিচামা পুরোহিতের সাথে। সে ভাষার মর্ম বুঝতে পারলেন না পিনচিও বা হুইকো। দীর্ঘ সময় ধরে দুই পুরোহিতের মধ্যে কথা চলতে লাগল। লাল পোশাকের পুরোহিত কথা বলতে বলতে মাঝেমাঝেই তাকাতে লাগল, সুসান, পিনচিও আর হুইকোর দিকে। সুসানের চোখ খুঁজতে লাগল মার্কেজদের।

    কিছুক্ষণ পর সুসান দেখল, কয়েকজন লোককে একদল রক্ষী একটা গুহা থেকে বার করে ধাক্কা দিতে দিতে তাদের দিকে নিয়ে আসতে লাগল। রক্ষীরা তাদের এনে দাঁড় করাল দুই পুরোহিতের সামনে। দঁড়ি বাধা লোকগুলোও অসভ্য জাতির। তিনজন লোক। পরনে নামমাত্র পোশাক। উলঙ্গই বলা চলে! সর্বাঙ্গে উল্কি আঁকা। পুরোহিতদের সামনে দাঁড়িয়ে থরথর করে কাঁপতে শুরু করল অসভ্য তিনজন। যেন প্রবল মৃত্যুভয় গ্রাস করেছে তাদেরকে। দুই পুরোহিত সেই লোক তিনজনকে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখতে লাগল, আর সম্ভবত তাদের সম্বন্ধে আলোচনা করতে লাগল। ইল্লাপার লোকগুলোকে ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করার পর তাদের আবার ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হল। সম্ভবত পুরোহিতদের দেখানোর জন্যই তাদের নিয়ে এসেছিল রক্ষীরা।

    বন্দিরের নিয়ে তারা চলে যাবার পর লাল পোশাকের পুরোহিত আর ইল্লাপা সুসানদের নিয়ে এগোলেন চত্বরের অন্য প্রান্তে। সার সার পাথুরে ঘর দাঁড়িয়ে আছে সে দিকে। তাদের সাথে চলল একদল আমাজনীয় রক্ষী। সুসানের মনে হল, তারা যেন সকলে তার দিকেই তাকিয়ে আছে। ঘরগুলোর দিকে এগোতে এগোতে পিনচিও, ইল্লাপাকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘যে তিনজনকে রক্ষীরা বেঁধে আনল তারা কারা?’

    ইনকা পুরোহিত জবাব দিলেন, ‘ওরা মোচে উপজাতি গোষ্ঠীর অসভ্য। যারা আমাদের তাঁবু আক্রমণ করেছিল, সেই গোষ্ঠীর লোক। জঙ্গল থেকে কয়েক দিন আগে ওদের ধরে আনা হয়েছে কাপাক সিতুওয়া অনুষ্ঠানের জন্য।’

    পিনচিও শুনে বললেন, ‘তার মানে ওই তিনজনকেই…!!!’

    গম্ভীর ভাবে ইনকা পুরোহিত বললেন, ‘হ্যাঁ, ওদের তিনজনকেই উৎসর্গ করা হবে দেবতার উদ্দেশ্যে।’’

    বিচামা পুরোহিত সবাইকে এনে তুললেন চত্বরের একপাশে একটা ঘরের মধ্যে। মশাল জ্বলছে ঘরে। মাটিতে ঘাসে বোনা মাদুর পাতা। তাদের ঘরে ঢুকিয়ে দিয়ে ইনকা পুরোহিতের সাথে কয়েকটা কথা বলে বাইরে বেরিয়ে গেলেন লাল পোশাকের পুরোহিত। সকলে বসল মাদুরে। ইল্লাপা তার কাঁধের থেকে কনডোরের বাচ্চাটাকে মাটিতে নামিয়ে পিনচিওর মুখোমুখি বসলেন।

    পিনচিও ইনকা পুরোহিতকে বললেন, ‘ওই পুরোহিতের সাথে কথা বলে কী বুঝলেন? পরিকল্পনা মতো কাজ হবে তো?’

    ইনকা পুরোহিত বললেন, ‘দেখা যাক কী হয়। মন্দিরের ভিতরে কিন্তু আমি আর এই বাচ্চাটা ছাড়া কাউকে প্রবেশের অনুমতি দেবে না এরা। এমনকী বিচামা পুরোহিতকেও আমাজনীয় রক্ষীরা কোনোদিন প্রবেশ করতে দেয়নি মন্দিরের ভিতর। কারণ ও মন্দির এখন বিচামা নয়, সূর্যদেবের আবাসস্থল।

    ইল্লাপার কথা শুনে পিনচিও বললেন, ‘তাহলে আমরা কোথায় থাকব? আপনিতো আর ওই দরজা দিয়ে বাইরে আসবেন না!’

    ইনকা পুরোহিত বললেন, ‘একটু পরে রক্ষীরা এসে আমাদের এক জায়গাতে নিয়ে যাবে। সেখানে গিয়ে এ সব কথাবার্তা হবে। বাচ্চাটাকে কিন্তু কাল সন্ধ্যা নামার আগে পর্যন্ত একলা এ ঘরেই থাকতে হবে। দিনের বেলা আমরা কেউ বাইরে বের হতে পারব না। সন্ধ্যাবেলায় আমি ওকে নিতে আসব মন্দিরে নিয়ে যাবার জন্য। ও যেন আমার নির্দেশ মেনে চলে সে ব্যাপারটা ওকে বুঝিয়ে দিতে হবে। সম্ভবত মন্দিরের ভিতর ঢোকার আগে তোমাদের সাথে ওর আর দেখা হবে না।’ ইনকা পুরোহিত আরও কী যেন বলতে যাচ্ছিলেন, সুসান বুঝতে পারছিল না তাদের কথাবার্তা, তাদের কথাবার্তার মধ্যে হঠাৎ সে বলে উঠল, ‘আমার দাদু কোথায়? তার কাছে আমাকে কখন নিয়ে যাবে?’

    সুসানের কথা শুনে থেমে গেলেন ইনকা পুরোহিত। পিনচিও একবার তাকালেন পুরোহিতের দিকে, তারপর সুসানের উদ্দেশ্যে বললেন, ‘এই কথাইতো আমরা আলোচনা করছিলাম। এখানে এসে শুনলাম তোমার দাদু এখান থেকে একটা অন্য জায়গাতে গেছেন। আমাদের এখানে একটা কাজ আছে। সে কাজ না করে আমরা তোমাকে তোমার দাদুর কাছে নিয়ে যেতে পারব না। যদি তুমি সে কাজে আমাদের সাহায্য করো তাহলে আমরা তোমাকে তোমার দাদুর কাছে পৌঁছে দেব।’

    সুসান জিজ্ঞেস করল, ‘কী কাজ?’

    পিনচিও বললেন, ‘কাজটা খুব সামান্য। এখানে একটা মন্দির আছে, সেটা নিশ্চই তুমি দেখেছো? কাল রাতে ইনকা পুরোহিত তোমাকে সেই মন্দিরের ভিতর নিয়ে যাবেন। তারপর তিনি তোমাকে যা যা করতে বলবেন, সে কাজগুলো তুমি করে দিলেই আমাদের কাজ মিটে যাবে। আর তারপরই তোমার দাদুর কাছে পৌঁছে যাবে তুমি।’ এই বলে হাসলেন পিনচিও।

    হুইকোও হেসে সুসানকে বলল, ‘হ্যাঁ, হ্যাঁ, ঠিক তাই! তারপরই তুমি পৌঁছে যেতে পারবে সেখানে!’

    সুসান বলল, ‘এখন সেই মন্দিরে যাওয়া যায় না? তাহলে তো আজই আমি দাদুর কাছে যেতে পারি!’

    পিনচিও বললেন, ‘তাহলে তো আমাদেরও ভালো হত। কিন্তু এখানকার লোকগুলো আজ সেখানে তোমাদের ঢুকতে দেবে না। কাল সারাদিন তুমি এই ঘরের মধ্যে থাকবে। তারপর অন্ধকার হলে ইনকা পুরোহিত এসে তোমাকে মন্দিরে নিয়ে যাবেন।’

    সুসান কিছু বলল না, সে উঠে গিয়ে ঘরের জানলার সামনে দাঁড়াল। ঘরটা একদম খাদের কিনারে। বাইরে চাঁদের আলো ছড়িয়ে পড়েছে পাহাড়ের গায়ে। অনেক নীচ পর্যন্ত স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে সেই আলোতে। সে দিকে তাকিয়ে সুসান তার দাদুর কথা ভাবতে লাগল। ইনকা পুরোহিত, পিনচিও আর হুইকো নিজেদের মধ্যে কথাবার্তা বলতে লাগলেন।

    কিছুক্ষণ পর একদল রক্ষী এসে হাজির হল ঘরের বাইরে। তাদের মধ্যে একজন ঘরের ভিতর ঢুকে মাদুরের ওপর দুটো পাত্র নামিয়ে রাখল। মশালের আলোতে পাত্র দুটো ঝলমল করে উঠল। সম্ভবত সেগুলো সোনার তৈরি। সুসানের জন্য খাবার আর জল আছে তাতে। সেগুলো নামিয়ে রেখে সেই লোকটা ঘরের বাইরে গিয়ে দাঁড়াল। ইনকা পুরোহিত, পিনচিওকে বললেন, ‘এবার রক্ষীদের সাথে আমাদের যেতে হবে। ওরা সে জন্যই দাঁড়িয়ে আছে।’

    কথাটা বলে কনডোরের বাচ্চাটাকে আবার কাঁধে তুলে নিয়ে উঠে দাঁড়ালেন। পিনচিও আর হুইকোও উঠে পড়ল।

    ইনকা পুরোহিত এরপর হুইকোকে বললেন, ‘তোমার কাঁধের বন্দুকটা আমাকে দিয়ে দাও। আসলে, এই আমাজনীয় রক্ষীরা বন্দুকধারীদের সহ্য করতে পারে না। ওরা ভাবে বন্দুকধারী মানেই স্বর্ণ লুন্ঠনকারী স্পেনীয়। পিজরোর অভিযানের সময় থেকেই এ ধারণা তাদের মনে গেঁথে গেছে। ওটা তোমার সঙ্গে থাকলে বিপত্তি ঘটতে পারে।’

    ইনকা পুরোহিতের কথা শুনে নিতান্ত অনিচ্ছা সত্ত্বেও হুইকো রাইফেলটা তুলে দিল তাঁর হাতে।

    পিনচিও এরপর সুসানকে একবার স্মরণ করিয়ে দিলেন যে, কাল দিনের বেলায় সে যেন ঘর ছেড়ে বাইরে না যায়। কারণ, এখানকার পাখিরা মানুষের মাংস খায়!

    তিনি কথাগুলো বলার পর সুসানকে ঘরে একলা রেখে ইনকা পুরোহিতের সাথে হুইকোকে নিয়ে বাইরে বেরিয়ে গেলেন। তারা চলে যাবার পর সুসান এগিয়ে গেল মাটিতে নামিয়ে রাখা পাত্রগুলোর কাছে। একটা পাত্রে রাখা আছে অনেকটা আধপোড়া মাংস। বেশ খিদে পেয়েছিল তার। কয়েকটা বড়ো মাংসের টুকরো আর জল খেয়ে মাদুরের ওপর শুয়ে পড়ল সে। শুয়ে শুয়ে খোলা জানলা দিয়ে চাঁদটাকে স্পষ্ট দেখতে পেল সে। কী বিরাট বড়ো রুপোর থালার মতো চাঁদ। সেই চাঁদ যেন কাঁদছে নিঃসঙ্গ সুসানের দিকে তাকিয়ে। প্রাচীন ইনকাদের বিশ্বাস ছিল চাঁদের অশ্রু পৃথিবীতে ঝরে পড়ে জমাট বেঁধে তৈরি হয় রুপো। চাঁদের দিকে তাকিয়ে দাদুর কাছে শোনা গল্পটা সুসানের মনে পড়ে গেল। ‘সত্যিই ব্যাপারটা কি তাই?’ চাঁদের দিকে তাকিয়ে সে ভাবতে লাগল।

    কিছুক্ষণ পর দরজার বাইরে পায়ের শব্দ পেয়ে আবার উঠে বসল সুসান। দরজার বাইরে এসে দাঁড়িয়েছে দুজন রক্ষী। তাদের একজনের হাতে শিকলে বাঁধা বিরাট বড়ো একটা কালো বাঘ। বেশ ভয় পেয়ে গেল সুসান। ওরা সঙ্গে এই প্রাণীটাকে এনেছে কেন?

    সুসান তাদের দিকে তাকিয়ে রইল। লোক দুজন দরজার বাইরে হাঁটু গেড়ে বসে সুসানের উদ্দেশ্যে মাথা ঝুঁকিয়ে কী যেন বলতে লাগল! সুসান তাদের কথার মধ্যে একটা শব্দই শুধু বুঝতে পারল,—‘ইনকা’।

    বেশ কিছুক্ষণ একটানা কথা বলার পর লোকদুটো প্রথমে উঠে দাঁড়াল, তারপর দরজার বাইরে একটা পাথরের থামে বাঘের শিকলটা বেঁধে দিয়ে চলে গেল।

    তারা চলে যাবার পর বাঘটা এগিয়ে এল ঘরের দরজার দিকে। ভয় পেয়ে গেল সুসান। ও যে ঘরে ঢুকতে চাচ্ছে! টুমিটা শক্ত করে হাতে চেপে ধরল সুসান। বাঘটা ঘরের চৌকাঠে পা রাখতেই তার গলার শিকলে টান পড়ল। ঘরের ভিতর মাথা ঢুকিয়ে সুসানের দিকে তাকিয়ে গলা দিয়ে একটা ঘড়ঘড় শব্দ করল সে, তারপর ঠিক দরজার বাইরে থাবার ওপর মাথা রেখে শুয়ে পড়ল।

    ঘরের ভিতর মশালের আলো নিভে গেল একটু পরেই। জানলা দিয়ে আবছা চাঁদের আলো ভেসে আসছে ঘরে। বাঘটাকে আর ভালো করে চোখে পড়ছে না সুসানের। অন্ধকারের মধ্যে যেন সে মিশে গেছে। দরজার ঠিক সোজাসুজি বসে আছে সুসান। দূরে চত্বরটার একটা অংশ সুসান দেখতে পাচ্ছে ঘরের ভিতর থেকে। মশাল হাতে রক্ষীরা ঘুরে বেড়াচ্ছে সেখানে। নানা রকম অস্পষ্ট শব্দও ভেসে আসছে। সারা রাত ধরেই মনে হয় এ নগরীর লোকেরা কাজ করে। বসে থাকতে থাকতে এক সময় নিজের অজান্তেই সুসান মাদুরের ওপর ঘুমে ঢলে পড়ল।

    রাত তখনও শেষ হয়নি। আবার সুসানের ঘুম ভেঙে গেল। সুসান দেখল তার মুখের ওপর মশাল হাতে ঝুঁকে পড়েছেন ইনকা পুরোহিত। তার পাশে লাল পোশাক পরা বিচামা পুরোহিতও আছে। সুসান উঠে বসতেই ইনকা পুরোহিত তাকে ইশারায় বললেন তাকে তাদের সাথে বাইরে যেতে হবে। তাহলে কি তিনি এখনই সেই মন্দিরে যাবেন? ধীরে ধীরে সে উঠে দাঁড়াল। তারপর ইনকা পুরোহিতের পিছন পিছন পা বাড়ল দরজার দিকে। কিন্তু দরজার সামনে দাঁড়িয়ে পড়ে শিকল বাঁধা বিরাট বাঘটা হঠাৎই ইনকা পুরোহিতের দিকে তাকিয়ে গজরাতে শুরু করল। ব্যাপারটা বুঝতে না পেরে ইনকা পুরোহিত বিচামা পুরোহিতের দিকে তাকালেন। বিচামা পুরোহিত একটু তাচ্ছিল্যের ঢঙে হেসে ওই ভয়ঙ্কর প্রাণীটাকে পা দিয়ে ধাক্কা মেরে দরজার সামনে থেকে সরিয়ে দিল। অতবড়ো হিংস্র প্রাণীটা ঠিক যেন পোষা কুকুর! এর পর সে তার ভাষায় ইল্লাপাকে বলল, ‘আপনার কাঁধের পাখিটাকে দেখে ও এমন করছে। কনডোর আর এই বড়ো বিড়ালগুলো চিরশত্রু। এখানে মাঝেমাঝেই প্রচন্ড লড়াই হয় এদের মধ্যে।’ সুসান বিচামা পুরোহিতের কথা বুঝতে পারল না। শুধু ইনকা পুরোহিতের পিছন পিছন ঘরের বাইরে পা রাখার সময় ভয়ে ভয়ে বাঘটার দিকে তাকিয়ে দেখল, কালো প্রাণীটা যেন ক্রুদ্ধ দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে ইল্লাপার কাঁধে বসা পাখিটার দিকে। আর পাখিটাও ঘাড় ফিরিয়ে দেখছে তাকে।

    ইনকা পুরোহিত কিন্তু সুসানকে মন্দিরে নিয়ে গেলেন না। তাকে নিয়ে যাওয়া হল চত্বরের মাঝখানে এক জায়গাতে। সেখানে মশালের আলোতে দাঁড়িয়েছিল বেশ কয়েকজন লোক। তারা ঠিক সৈনিক নয়। রেশম বস্ত্রে আচ্ছাদিত কয়েকটা থালা ধরা আছে তাদের হাতে। বেশ কয়েকটা কাঠের বালতিতে জলও রাখা আছে সেখানে। ইনকা পুরোহিত সেখানে সুসানকে নিয়ে গিয়ে তার শিরোবস্ত্র, চাকতি সহ সেই কাপড়ের ফেট্টিটা মাথা থেকে খুলে নিলেন, তারপর তাঁকে স্নান করতে বললেন, ইচ্ছা না থাকলেও ভয়ে ভয়ে স্নান সেরে নিল সুসান। লোকগুলোর হাতে থালাতে রাখা ছিল তার পোশাক। একজন লোক তাকে সেই পোশাক পরিয়ে দিল। সে পোশাকের রংও লাল, তবে আরও উজ্জ্বল। সবশেষে তার মাথায় বেঁধে দেওয়া হল সোনার সুতোয় বোনা একটা জমকালো শিরোবস্ত্র বা লান্টু। ইনকা পুরোহিত সেই সোনার চাকতিটা আগের লান্টু থেকে খুলে নিয়ে সেটা লাগিয়ে দিলেন নতুনটাতে। এরপর তিনি সুসানকে ফিরিয়ে নিয়ে চললেন ঘরের দিকে। বিচামা পুরোহিত, আর দুজন রক্ষীও চলল তাদের সাথে। সে দুজনই বাঘটাকে বেঁধে গিয়েছিল সুসানের ঘরের সামনে। সম্ভবত তারা চলল বাঘটাকে ফিরিয়ে আনার জন্য। সুসান দেখল পুব আকাশে শুকতারা ফুটে উঠতে শুরু করেছে।

    সুসানরা ঘরের কাছে পৌঁছতেই বাঘটা তাদের দেখে উঠে দাঁড়াল। তার নাকের ডগা দিয়েই ইনকা পুরোহিতের সাথে ঘরের মধ্যে প্রবেশ করল। বিচামা পুরোহিত আর রক্ষীরা রইল ঘরের বাইরে। তাদের মধ্যে একজন রক্ষী এগিয়ে গেল পাথরের থেকে বাঘের শিকলটা খোলার জন্য। ইনকা পুরোহিত যখন সুসানকে ঘরে ঢুকিয়ে আবার ঘরের বাইরে পা রাখলেন ঠিক তখনই একটা অদ্ভুত কান্ড হল! কালো প্রাণীটা দাঁড়িয়ে ছিল দরজার পাশেই। ইনকা পুরোহিত তার দিকে পিছন ফিরে এক পা এগোতেই প্রাণীটা হঠাৎ দু-পায়ে ভর দিয়ে উঠে দাঁড়িয়ে কামড়ে ধরল পুরোহিতের পিঠের কাছে ঝুলতে থাকা কনডোরের লেজটা। কর্কশ চিৎকার করে পাখিটা লাফিয়ে উঠল, কিন্তু তার লেজটা রয়ে গেল বাঘটার মুখে। এক রাশ পালক উড়ল বাতাসে। লেজহীন পাখিটা চিৎকার করতে করতে পাক খেতে লাগল ইল্লাপার মাথার ওপর। তার চিৎকার শুনে জেগে উঠল নগরীর ঘরবাড়ি মন্দিরের ছাদে, পাহাড়ের কোটরে থাকা তার জাত ভাইরা। কর্কশ চিৎকারে শেষ রাতের আকাশ তারা বিদীর্ণ করে ফেলল। তাঁর আদরের পাখিটার দুর্দশা দেখে খেপে উঠলেন ইল্লাপা। যে লোকটা শিকল খুলছিল সে ব্যাপারটা দেখে শিকল না খুলেই হতভম্ব হয়ে দাঁড়িয়ে পড়েছিল। তার কোমরে ঝুলছিল একটা চামড়ার চাবুক। ডগায় ধাতুর টুকরো বাঁধা। সম্ভবত ওই দিয়েই এই কালো প্রাণীগুলোকে বশে রাখা হয়। ইনকা পুরোহিত রক্ষীর কাছে ছুটে গিয়ে তার কোমর থেকে চাবুকটা খুলে নিলেন, তারপর বাঘটার কাছে ফিরে প্রচন্ড জোরে চাবুক চালাতে লাগলেন প্রাণীটাকে লক্ষ্য করে। চাবুকের প্রথম আঘাতে আর্তনাদ করে কুঁকড়ে গেল অত বড়ো প্রাণীটা। কিন্তু থামলেন না ইনকা পুরোহিত। তিনি যেন পাগল হয়ে গেছেন। বাতাস কেটে চাবুকটা এসে পড়তে লাগল প্রাণীটার গায়ে। বিস্ফারিত সুসান দেখল প্রাণীটার কালো অঙ্গ লাল হয়ে যেতে শুরু করেছে। বাঘের আর্তনাদে আর কনডোর পাখিদের কর্কশ চিৎকারে নগরীর নিস্তব্ধতা খান খান হয়ে যেতে লাগল! বিচামা পুরোহিত আর রক্ষী দুজন পাথরের মতো দাঁড়িয়ে রইল। ইনকা পুরোহিত যে ভাবে চাবুক চালাচ্ছেন তাতে তাঁর দিকে এগোতে সাহস পাচ্ছে না কেউ। এরপর বাঘটা শুয়ে পড়ে গোঙাতে শুরু করল। তারপর ধীরে ধীরে এক সময় সেই শব্দটুকুও বন্ধ হয়ে গেল। অবশেষে প্রাণীটার আর সাড়া শব্দ নেই দেখে ক্ষান্ত হলেন ইল্লাপা। চাবুকটা তিনি ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে হাঁফাতে হাঁফাতে বিচামা পুরোহিতকে বললেন, ‘বড় বেয়াদপতো বাঘটা! ওকে ভালো করে শিক্ষা দিতে পারেনি?’

    বিচামা পুরোহিত ইল্লাপার কাছে এগিয়ে এসে বললেন, ‘ও বাঘ নয় বাঘিনী। মন্দিরের সবচেয়ে শিক্ষিত পাহারাদার। আসলে, একটা কারণে, ও কনডোর পাখিদের ব্যাপারে ক্ষিপ্ত হয়ে আছে। তাই এই ঘটনাটা ঘটিয়ে ফেলল!’

    ইল্লাপা বললেন, ‘সেটা কী ব্যাপার?’

    বিচামা পুরোহিত বলল, ‘সপ্তাহ দুই আগে ওর দুটো বাচ্চা হয়েছিল। বাচ্চা দেবার সময় হলে আমরা ওদের ছেড়ে দেই। ওরা এখানে যে গুহাগুলো আছে তার মধ্যে ঢুকে বাচ্চা দেয়। তারপর বাচ্চাগুলোর চোখ ফুটলে তাদের সেখান থেকে তুলে এনে আমরা তাদের মানুষ করি। চারদিন আগে, ওর পিছন পিছন একটা বাচ্চা কীভাবে যেন বিকালের দিকে গুহার বাইরে বেরিয়ে এসেছিল। কনডোরের ঝাঁক তখনও আকাশে। একটা পাখি ছোঁ মেরে ওর বাচ্চাটাকে তুলে নিয়ে গেল। আমরা ঘরের ভিতর থেকে ব্যাপারটা দেখলাম কিন্তু কিছু করতে পারলাম না। বাইরে গেলে আমাদেরও ছিঁড়ে খেত পাখিরা। ওই ঘটনার পর সেই যে গুহায় ঢুকল বাঘিনী, দু-দিন আর বাইরে এলো না। গতকাল ওর অন্য বাচ্চার খোঁজ নিতে গুহায় ঢুকেছিল রক্ষীরা। ওর দেখা পেলেও তন্ন তন্ন করে খুঁজেও বাচ্চাটার দুটোর সন্ধান মেলেনি। সম্ভবত সে বাচ্চাটাও দিনের বেলায় গুহার বাইরে বেরিয়ে ছিল, এবং তাদেরও একই পরিণতি ঘটেছে। এ ব্যাপারটা হয়তো কারও চোখে পড়েনি। সারা রাত জাগতে হয় বলে, সাধারণত আমাজনীয়রা সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত ঘুমিয়ে কাটায়। যাই হোক বাচ্চা না পাওয়াতে রক্ষীরা গতকাল ওকে গুহার বাইরে বার করে এনেছে। এ কারণে কনডোরের ওপর ওর এত রাগ!’

    কথাগুলো বলার পর একটু চুপ করে থেকে আকাশের দিকে তাকালেন মৃত্যু নগরীর পুরোহিত। চাঁদ ফ্যাকাশে হতে শুরু করেছে। কিছুক্ষণের মধ্যেই দেখা দেবে ভোরের প্রথম আলো। কিন্তু এ নগরীতে দিন হল রাতের সমার্থক। বরং রাতেই সামান্য হলেও কিছুটা প্রাণ স্পন্দন ফিরে পায় এই মৃত নগরী।

    কনডোরের বাচ্চাটা আবার এসে বসল ইনকা পুরোহিতের কাঁধে। বিচামা মন্দিরের পুরোহিত তারপর করিকাঞ্চার পুরোহিতকে বলল, ‘চলুন এবার ফেরা যাক। ভোর হয়ে আসছে, কনডোরের ঝাঁক উড়তে শুরু করবে। তাছাড়া নতুন বন্দিদের একবার দেখে যাই। আমার কাজ বেড়ে গেল। সারা দিন ঘরে বসে টুমি ঘসতে হবে পাথরে।’

    তার কথা শুনে, একটা ক্রুর হাসি ফুটে উঠল ইনকা পুরোহিতের ঠোঁটের কোণে। ঘরের ভিতর সুসানের দিকে একবার তাকিয়ে তিনি জায়গাটা ছেড়ে বিচামা পুরোহিতের সাথে পা বাড়ালেন। বাঘিনীটা আর রক্ষীদের সাথে নিয়ে যাবার মতো ছিল না। প্রাণীটাকে ফেলে রেখেই রক্ষী দুজনও পুরোহিতদের পিছু নিল।

    চলে গেল তারা। বাঘিনী নিঃস্তব্ধ হয়ে পড়ে আছে ঘরের দরজার সামনে। সুসান ব্যাপারটা দেখে বেশ ভয়ে পেয়ে গেছে। বাঘটাকে যখন ইনকা পুরোহিত মারছিলেন, তখন তাঁকে বাঘের চেয়েও বেশি ভয়ঙ্কর বলে মনে হচ্ছিল সুসানের। ইনকা পুরোহিত যেন একটা দানব! অত বড়ো বাঘটাকে তিনি একদম চুপ করিয়ে দিলেন!

    বাইরের অন্ধকার ফিকে হয়ে আসছে। ইনকা পুরোহিতরা চলে যাবার পর ঘরের কোণায় গুটিসুটি মেরে শুয়ে পড়ল সুসান। তারপর আবার সে ঘুমিয়ে পড়ল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅ্যাডভেঞ্চার ভয়ংকর – হিমাদ্রিকিশোর দাসগুপ্ত
    Next Article আঁধার রাতের বন্ধু – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }