Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সূর্যমন্দিরের শেষ প্রহরী – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প262 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সূর্যমন্দিরের শেষ প্রহরী – ৩

    ৩

    উকেয়ালি রিসর্টের ব্যালকোনিতে পাশাপাশি চেয়ার সাজিয়ে বসেছিল সুজয়রা। রিসর্টে ফিরতে সাড়ে চারটে বেজে গেছিল। তারপর নিজেদের ঘরে ঘণ্টা দেড়েক বিশ্রাম নিয়ে বারান্দায় এসে বসেছে সকলে। একটু আগেই বারান্দায় বসে সান্ধ্য জলযোগ সেরেছে। রিসর্টের লোক কফি আর খাবার দিয়ে গেছিল। খাবারটার নাম ‘পিকানটে-ডি-কুই’। স্থানীয় খাবার। শুকরের হার্ট, বিন আর নুডুলস দিয়ে বানানো। খেতে খুব একটা মন্দ লাগল না সুজয়ের।

    সুজয়ের রিস্টওয়াচে সাতটা বাজে। বারান্দার আলো নিভিয়ে দিয়েছে সুজয়রা। চাঁদ ধীরে ধীরে মাঝ আকাশে উঠছে। তার মৃদু আলো এসে পড়েছে বারান্দায়। আশেপাশের হোটেলগুলোর ঢালু কাঠের ছাদের মাথার ওপর দিয়ে চাঁদের আলোতে উঁকি দিচ্ছে আন্দিজের শিখর। সন্ধ্যা নামার সঙ্গে সঙ্গে ঠাণ্ডাও পড়তে শুরু করেছে। পাহাড়ি উপত্যকায় যেমন হয়। কোথা থেকে যেন মৃদু বাজনার শব্দ ভেসে আসছে। কাছের কোনো হোটেলের বলরুম থেকে হয়তো। এ ছাড়া অন্য কোনো সাড়া শব্দ নেই। সুজয়ের বেশ ভালো লাগছে পরিবেশটা। ইতিমধ্যে প্রফেসরের সঙ্গে তার কথা হয়ে গেছে যে তার সাথেই সুজয় মাচুপিচু রওনা হবে পরদিন ভোরে। সেখানে একদিন কাটাবে তারা। তারপর প্রফেসর আর সুজয় নিজ নিজ চিন্তাভাবনা অনুযায়ী নিজেদের কর্মপন্থা ঠিক করে নেবে।

    বেশ কিছুক্ষণ চুপ করে বসে থাকার পর সুজয় প্রফেসরকে বলল, ‘এখনতো আমাদের বসে থাকা ছাড়া অন্য কোনো কাজ নেই। আপনি বরং ইনকাদের গল্প বলুন। তাতে সময়টাও কাটবে আর গল্পের ছলে এখানকার ইতিহাস সম্বন্ধেও আমার আরও কিছু জানা হয়ে যাবে।’ সুজয়ের কথা শুনে বিলও বলল, ‘হ্যাঁ, ডিনারের জন্য ডাক আসবে সেই রাত ন-টায়। আপনি গল্প বলুন, শুনি।’

    মার্কেজ হেসে বললেন, ‘ইনকাদের ইতিহাস বেশ বিস্তৃত। তার কোন কাহিনি আপনাদের বলি বলুনতে? তার চেয়ে আমি আপনাদের ইনকা সভ্যতায় মানুষরা কেমন জীবন কাটাত সে সম্বন্ধে বলি। তাতে তাদের সম্বন্ধে আপনাদের একটা ধারণা হবে।’

    এই বলে একটু চুপ করে থেকে প্রফেসর মার্কেজ বলতে শুরু করলেন, ‘‘ওই যে চাঁদের আলোতে জেগে আছে আন্দিজ পর্বতমালা, ওই পর্বতমালাকে কেন্দ্র করে উত্তর থেকে দক্ষিণে ইকুয়েডর থেকে চিলি পর্যন্ত দীর্ঘ এলাকা নিয়ে গড়ে উঠেছিল এক সমৃদ্ধশালী সাম্রাজ্য, ইনকা সাম্রাজ্য। দক্ষিণের প্রশান্ত মহাসাগর, তারপর শুষ্ক মরুভূমি, তার গা দিয়ে উঠে যাওয়া আন্দিজ পর্বতমালা। আন্দিজের তুষারধবল শৃঙ্গ, তার পূর্ব দিকে পাহাড়ের ঢালে, আমাজান অববাহিকার গহীন জঙ্গল, এ সবই ছিল ইনকা সাম্রাজ্যের অন্তর্গত। প্রকৃতি দিয়েছিল অফুরন্ত সম্পদ। আর তাকে ব্যবহার করে সৎ পরিশ্রমী ইনকা গোষ্ঠী সাজিয়ে তুলেছিল তাঁদের সভ্যতাকে। ইনকা সভতা সত্যিই ছিল সোনার সভ্যতা। সমকালীন ইউরোপীয় সভ্যতার চেয়ে প্রকৃত অর্থেই অনেক এগিয়ে ছিল এ সভ্যতা। তাদের সমাজজীবনও ছিল নৈতিকতার দিক থেকে ইউরোপীয়দের থেকে অনেক বেশি সমৃদ্ধ। চুরি কাকে বলে তা বলতে গেলে জানা ছিল না ইনকাবাসীদের। কাজের জন্য কোথাও কেউ বাড়ি ছেড়ে গেলে সে তার ঘরের দরজা খোলা রেখে যেত। শুধু ঘরের মালিকের লাঠিটা শোয়ানো থাকত দরজার সামনে। যাতে অন্য কেউ এলে তা দেখে সে বুঝতে পারে যে ঘরের মালিক অন্যত্র গেছে। পিজরোর অনুচররা যখন ইনকা গ্রামে পা রাখে তখন এ ব্যাপারটা দেখে তারা ভীষণ আশ্চর্য হয়। ঘরে ভর্তি সোনার জিনিস, অথচ ঘরের দরজা হাট করে খোলা! ঘরের মালিক তখন হয়তো গেছে একশো মাইল দূরে আন্দিজের জঙ্গলে শিকার করতে! দৈবাৎ কেউ চুরি করলে তাকে কঠোর শাস্তি দেওয়া হত। তবে তার বিচারের সময় বিচারক দেখতেন তার চুরির কারণ। স্বভাবজাত না-অভাবজাত? প্রথমটা হলে কঠিন শাস্তি। কিন্তু দ্বিতীয়টা হলে চোরের পরিবর্তে শাস্তি দেওয়া হত গ্রাম প্রধানকে। কারণ, তাঁর শাসনকার্যের গাফিলতিতেই অভাবগ্রস্ত হয়ে লোকটা চুরি করতে বাধ্য হয়েছে। কৃষিভিত্তিক ইনকা সমাজে খাদ্যের কোনো অভাব ছিল না। প্রতিবন্ধী এবং বৃদ্ধদেরও তাদের ক্ষমতা অনুযায়ী শ্রমের বিনিময়ে খাদ্য দান সুনিশ্চিত ছিল। অনাহারে কারও মৃত্যু হত না ইনকা রাজ্যে। আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থা আজও পৌঁছোতে পারেনি এ উচ্চতাতে, যা করে দেখিয়েছিল ইনকারা। ভাবতে পারেন?’ কথাগুলো বলে মার্কেজ তাকালেন সুজয়ের দিকে।

    সুজয় বলল, ‘বাঃ সত্যিই বিস্ময়কর!’

    মার্কেজ আবার বলতে লাগলেন, ‘এই সমৃদ্ধশালী সভ্যতার শাসন কাঠামোও ছিল। বেশ কয়েকটি প্রদেশে বিভক্ত ছিল সাম্রাজ্য, তার কেন্দ্র ছিল কুজকো। প্রতিটি প্রদেশে ছিল গ্রাম দিয়ে ঘেরা নগর। সম্রাট বছরে অন্তত একবার বড়ো বড়ো নগর পরিদর্শনে যেতেন। সেসব নগরেও সম্রাটের প্রাসাদ থাকত। নগরীগুলো ছিল প্রাচুর্য আর বৈভবে পরিপূর্ণ। প্রত্যেক নগরীতে থাকত একটা করে সূর্যমন্দির আর মন্দির সংলগ্ন সূর্যকন্যাদের আবাস। আর যা থাকত তা হল সরকারি কোষাগার। সেখানে সঞ্চিত থাকত সোনা আর রুপো। তবে একটা ব্যাপার জেনে রাখা প্রয়োজন যে সোনা-রুপো কিন্তু কখনই ইনকাদের কাছে সে অর্থে লেনদেনের মাধ্যমে ছিল না। শ্রমদান ও তার বিনিময়ে খাদ্য এই ছিল সে-সময়ের ব্যবস্থা। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের ক্ষেত্রেও এই প্রথাই চালু ছিল। আসলে তাঁরা মনে করতেন যে সোনা হল সূর্যদেবের ঘর্ম আর রুপো হল চন্দ্রদেবের অশ্রু। তাদের বিশ্বাস ছিল যে এই দুটি ধাতু যার কাছে থাকবে, সূর্যদেব ও চন্দ্রদেবের আশীর্বাদ তত তার ওপর বর্ষিত হবে। অর্থনৈতিক কারণে নয়, এই ধর্মীয় বিশ্বাস থেকেই সম্রাট থেকে সাধারণ প্রজা সবাই সোনার প্রতি আকৃষ্ট হতেন। শহরের উন্নতি কামনায় সোনা দিয়ে সাজানো হত শহর।’

    মার্কেজ এই পর্যন্ত বলার পর বিল তাঁকে প্রশ্ন করল, ‘ইনকাদের যে স্বর্ণনগরী ‘এল ডোরাডো’-র গল্প শোনা যায় সে নগরী কি সত্যিই ছিল?’

    প্রফেসর তার কথা থামিয়ে বিলের দিকে তাকিয়ে বললেন, ‘না। ইনকা সাম্রাজ্যে সোনার তৈরি মন্দির-প্রাসাদ থাকলেও ওরকম সোনার তৈরি কোনো নগরী ছিল না। বিখ্যাত অভিযাত্রী আলেকজাণ্ডার ফন হুমবোল্ট মন্তব্য করেছিলেন, ‘ইনকাদের ‘এল ডোরাডো’ একটা মরীচিকা। যার পিছনে ছুটে বেড়িয়েছে স্বর্ণ সন্ধানী ইউরোপীয়রা।’

    সুজয়ও বিভিন্ন বইতে ‘এল ডোরাডো’-র কথা পড়েছে। তার মনের মধ্যেও একটা ধারণা ছিল, ইনকাদের এ নগরী হয়তো সত্যিই ছিল। মার্কেজের কথা শুনে সে জিজ্ঞেস করল, ‘তাহলে যুগ যুগ ধরে এ কাহিনি সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়ল? বহুবিখ্যাত বই সিনেমাওতো তৈরি হয়েছে ওই নগরীকে নিয়ে। এমনকি বিখ্যাত ফরাসি দার্শনিক তাঁর জগদবিখ্যাত উপন্যাস কাঁদিদ-এর পাত্র-পাত্রীকেও তো ‘এল ডোরাডো’তে নিয়ে হাজির হয়েছিলেন!’

    প্রফেসর মার্কেজ তার প্রশ্ন শুনে বললেন, ‘আপনার কথার উত্তর দিতে হলে আমাকে একটু প্রসঙ্গান্তরে যেতে হবে। তবু ব্যাপারটা আপনাকে বুঝিয়ে বলি—’

    ‘স্পেনীয়রা যখন ইনকা সাম্রাজ্যে লুন্ঠন শুরু করে তখন নগরীগুলোর সোনার প্রাচুর্যের কথা লোক মুখে মুখে ইউরোপে ছড়িয়ে পড়ে। যা পল্লবিত হয়ে জন্ম দেয় এক কল্পিত স্বর্ণনগরীর—যার পথের ধুলাও সোনা! এল ডোরেডো শব্দের উৎপত্তি হয় ষোড়শ শতাব্দীতে। আসল শব্দ হল, ‘EL INDIO DOREDO’। যার অর্থ ‘সোনার তৈরি ইন্ডিও’ বা ‘সোনার তৈরি মানুষ’। শহর নয়। সেই সময় ইনকা সাম্রাজ্যের অন্তর্গত কলম্বিয়ার বোগেটা অঞ্চলে চিবচা জনগোষ্ঠী এক ধর্মীয় উৎসব করত। প্রতি বছর নির্দিষ্ট দিনে একজন ইন্ডিয় যুবককে বলি দিয়ে তার দেহ সোনায় মুড়ে গিয়েনা অঞ্চলের এক হ্রদ বা নদীতে ফেলে দিত। ওই চিবচা জনগোষ্ঠী যে নগরীতে বাস করত তা সোনায় মোড়া বলে জনশ্রুতি ছিল। তারা নাকি সোনার তৈরি পোশাক পরতেন! কিন্তু ১৫৪২ খ্রিস্টাব্দে সানফ্রান্সিসকো পিজরোর ভাই গনজালো পিজরো ও ১৫৯০ খ্রিস্টাব্দে অভিযাত্রী আন্তেনিও বহু-সন্ধান চালিয়েও, সেই হ্রদ, সেই নগরী বা এমন কোনো ইন্ডিওদের সন্ধান পাননি যারা সোনার পোশাক পরেন।

    এবার বলি, এল. ডোরাডোর কথা ইউরোপ ছাড়িয়ে কীভাবে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়ল। বিখ্যাত ব্রিটিশ পুরুষ, স্যার ওয়াল্টার র‍্যালের নাম নিশ্চই আপনার জানা আছে। এল. ডোরাডোর অলীক কাহিনি বিশ্বব্যাপী প্রচারের কৃতিত্ব তাকেই দেওয়া যেতে পারে। গনজালো পিজরোর অন্বেষণ ব্যর্থ হয়েছিল ঠিকই, কিন্তু তিনি এ ব্যাপারে একটা মতামত দিয়ে যান। তিনি বলেন যে, তাঁর অনুমান গিয়েনা অঞ্চলে আমাজন নদী ও ওরিনাকো অঞ্চলের মাঝামাঝি কোনো স্থানে গভীর অরণ্যের মধ্যে সেই হ্রদ আর স্বর্ণনগরী লুকানো আছে। সেই স্থানের একটা কল্পিত ম্যাপও তিনি আঁকেন। কী’ভাবে যেন সেই ম্যাপ গিয়ে পড়ে স্যার র‍্যালের হাতে। ১৫৯৬ সালে স্যার র‍্যালে ওই ম্যাপের ওপর ভিত্তি করে এল. ডোরাডোর সম্বন্ধে একটি বই লেখেন। এমন বিশ্বাস যোগ্যতার সঙ্গে তিনি স্বর্ণনগরীর বাস্তবতা ওই বইতে উপস্থাপিত করেন যে সে বই পড়ে সারা পৃথিবী ব্যাপী সাড়া পড়ে যায়। সবাই বিশ্বাস করতে শুরু করে এল ডোরাডোর গল্প। এই সময় কি একটা ভিন্ন রাজনৈতিক কারনে ব্রিটেনে গ্রেপ্তার হল র‍্যালে। ব্রিটিশ সরকার এই শর্তে তাঁকে মুক্তি দেন যে তিনি ওই স্বর্ণনগরী অভিযানে যাবেন এবং সেখানে যা সোনা পাবেন তা তুলে দেবেন ব্রিটিশ সরকারকে। এ ঘটনায় নিশ্চই বুঝতে পারছেন যে র‍্যালের লেখা বই কী পরিমাণ বিশ্বাসযোগ্যতা তৈরি করেছিল ব্রিটিশ সরকারের মনেও! যাই হোক ১৬১৬ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত
    র‍্যালে গনজালোর ম্যাপে বর্ণিত স্থানে স্বর্ণনগরী আর সেই হ্রদ খুঁজতে যান। কিন্তু সেই নগরী বা হ্রদ কোনোটাই তিনি খুঁজে পাননি। ১৬১৮ সালে ব্যর্থ অভিযান শেষে র‍্যালে ব্রিটেনে ফিরে আসার সঙ্গে সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগে তাঁকে মৃত্যুদন্ড দেওয়া হয়। কিন্তু তার বই যুগযুগ ধরে এল ডোরাডো সম্পর্কে ভ্রান্ত ধারণা তৈরি করে রাখে মানুষের মনে।’

    এক টানা কথাগুলো বলে একটু থামলেন প্রফেসর। তারপর বললেন, ‘তবে, বেশ কিছু ইনকা নগরীতে প্রচুর পরিমাণ সোনা সঞ্চিত ছিল সে ব্যাপারে সন্দেহ নেই। কেউ কেউ বলেন যে, যে পরিমাণ সোনা পিজরো হস্তগত করেছিলেন তার চেয়ে অনেক বেশি পরিমাণ সোনা নাকি ছিল ইনকাদের।’

    ‘তাহলে সে-সব সোনা কোথায় গেল?’ প্রশ্ন করল বিল।

    তিনি বললেন, ‘পিজরোর লুন্ঠনের সময় ভীত ইনকারা নাকি সেসব সোনা পাহাড়-অরণ্যের মাঝে অবস্থিত বিভিন্ন ছোটো ছোটো নগরীতে লুকিয়ে ফেলে। দুর্গম স্থানে অবস্থিত সেসব নগরী খুঁজে বার করতে পারেনি পিজরো বাহিনী। কালের নিয়মে, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সে-সব সোনা আস্তে আস্তে হারিয়ে যায়। যদিও পিজরোর পরবর্তীকালে গত চারশো বছর বেশ কিছু অভিযান হয়েছে সেসব স্বর্ণসন্ধানে, কিন্তু উল্লেখযোগ্য সাফল্য তেমন কেউ পাননি। কেউ হয়তো পেয়েছেন, একটা আধ ভাঙা রূপার পাত্র, কেউ পেয়েছেন কর্ণকুন্ডলের সামান্য অংশবিশেষ। ব্যাস এ পর্যন্তই।’

    সুজয় এবার জানতে চাইল, ‘সোনার সন্ধান না-পাওয়া যাক, ওই সব হারিয়ে যাওয়া নগরের সন্ধান পাওয়া গেছে কি?’

    মার্কেজ উত্তর দিলেন, ‘মাচুপিচুই তো ওই রকম একটা স্থান। দুর্গম পর্বতমালা আর অরণ্যের মধ্যে অবস্থিত ছিল বলে স্পেনীয়রা তার সন্ধান পায়নি। ফলে ধ্বংসের হাত থেকে বেঁচে যায় জায়গাটা। ১৯১১ সালে মার্কিন প্রত্নতত্ত্ববিদ ‘হিরাম বিংগহ্যাম’ খুঁজে বার করেন ইনকাদের এই পবিত্র নগরীর ধ্বংসাবশেষ। মাচুপিচুর মতন বিরাট না-হলেও আরও কিছু ছোটো খাটো জনপদের ধ্বংসাবশেষও আবিষ্কৃত হয়েছে কিছু জায়গাতে, ঐতিহাসিক গবেষকদের কাছে সে-সব জায়গার কাঞ্চনমূল্য যথেষ্ট।’

    ‘আপনি সে-সব নগরীতে গেছেন কখনও?’ আবার প্রশ্ন করল সুজয়।

    মার্কেজ বললেন, ‘না। বিখ্যাত জায়গাগুলো দেখেছি ঠিকই। কিন্তু ওসব জায়গাতে যাওয়া হয়নি। আসলে ওসব জায়গায় যাওয়া একটু কষ্ট সাধ্য। পায়ে হেঁটে পাহাড়-জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে ট্রেক করে যেতে হয়। স্থানীয় কিছু মানুষ ওসব পথের সন্ধান জানে। মাচুপিচু যাবার পর এবার ওরকমই কোনো জায়গার সন্ধানে যাবার ইচ্ছা আমার। এ ব্যাপারে আমাকে খোঁজ খবর নিতে হবে।’

    ‘ওরকম একটা জায়গার সন্ধান কিন্তু আমার কাছে আছে।’

    মার্কেজের কথা শেষ হবার সঙ্গে সঙ্গে খুব কাছ থেকে ভেসে এল কথাগুলো। সুজয়রা তন্ময় হয়ে শুনছিল মার্কেজের গল্প। কথাগুলো কানে যেতেই সুজয় একপাশে তাকিয়ে দেখতে পেল একটু দূরে বারান্দায় আধো আলো-ছায়াতে একটা থামের গায়ে হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে একজন। লোকটার মুখ অন্ধকারে থাকলেও চাঁদের আলোতে তার পোশাক দেখে তাকে চিনতে পারল সুজয়। পর-মুহূর্তে থামের কাছ ছেড়ে তাদের সামনে এসে দাঁড়ালেন সিয়েরো পিনচিও! মাকসাহুয়ামানে আজ যাঁর সঙ্গে পরিচয় হয়েছে সুজয়দের।

    তিনি সামনে এসে দাঁড়াতে প্রফেসর মার্কেজ সৌজন্যবশত চেয়ার ছেড়ে উঠে দাঁড়িয়ে বললেন, ‘আসুন, আসুন মিস্টার…মিস্টার…’ মার্কেজ মনে হয় তাঁর নামটা মনে করতে পারছিলেন না। ‘সিয়েরো পিনচিও’, মার্কেজের অসম্পূর্ণ বাক্যটা সম্পূর্ণ করলেন পিনচিও নিজেই। তারপর একটা চেয়ার টেনে নিয়ে বসতে বসতে বললেন, ‘আপনাদের সঙ্গে একটু সময় কাটালে নিশ্চই আপনাদের আপত্তি হবে না। আসলে ঘণ্টাখানেক আগে রিসর্টে ফিরেছি। রুমে একলা সময় কাটছিল না। মনে হল, যখন আপনাদের সঙ্গে পরিচয় হলই, তখন আপনাদের সঙ্গে একটু দেখা করি। তাই চলে এলাম।’

    মার্কেজ চেয়ারে বসে বললেন, ‘ভালোই করেছেন। আমরাও সময় কাটাবার জন্য বসে বসে গল্প করছি।’

    সিয়েরো পিনচিও পকেট থেকে একটা চুরুট বার করে লাইটার দিয়ে জ্বালিয়ে নিয়ে মার্কেজের উদ্দেশ্যে বললেন, ‘আপনি কিন্তু বেশ গল্প বলেন। আমি দাঁড়িয়ে শুনছিলাম।’

    মার্কেজ জবাবে বললেন, ‘এখানকার ইতিহাস নিয়ে আমার কিছুটা পড়াশোনা আছে। আগে বার দুই এসেছি এখানে। আমার সঙ্গীরা শুনতে চাইল, তাই বলছিলাম।’ এরপর তিনি পিনচিওকে প্রশ্ন করলেন, ‘তা আপনি ইনকাদের প্রাচীন সন্ধান সম্বন্ধে কী জানা আছে বলছিলেন?’

    পিনচিও বললেন, ‘হ্যাঁ। মাচুপিচু থেকে নাকি দিন তিনেকের পথ সে-জায়গা। ইনকাদের ভাঙা ঘর বাড়ি, সূর্য মন্দির-টন্দির সেখানে আছে। সেখানে যারা বাস করেন তারা নাকি আজও ইনকা যুগে পড়ে আছে। মানে তারা নাকি সত্যিকারের ইনকা! ভিকুয়ার পশমের রঙচঙে পোশাক পরে, পায়ে কাঠের চটি, মাথায় পাখির পালক গোঁজে, বর্শা দিয়ে শিকার করে। তবে তাদের সোনা-দানা আছে কিনা জানি না।’

    মার্কেজ উৎসাহিত হয়ে বললেন, ‘সে-জায়গার নাম কী? আপনি রুট ম্যাপ জানেন?’

    চেয়ারে হেলান দিয়ে একরাশ ধোঁয়া ছেড়ে পিনচিও বললেন, ‘না সে জায়গার নাম বা রুট ম্যাপ আমার জানা নেই। আসলে, আজ করিকানচাতে আমার গাইড’ হুইকা, সূর্যমন্দিরের এক পুরোহিতের সঙ্গে আলাপ করিয়ে দিল। কথা প্রসঙ্গে তার কাছ থেকেই শুনলাম জায়গাটার কথা। বাইরের লোকজনের যাওয়া-আসা সেখানে নেই। দিন চারেক পর সেখানে কি একটা উৎসব হবে। করিকানচার পুরোহিত যাবেন সেখানে। পাহাড়-নদী-জঙ্গল পার হয়ে অনেক কষ্টে ওই স্থানে যেতে হয়।’

    এরপর একটু থেমে পিনচিও বললেন, ‘ওই পুরোহিত লোকটার নাম, ইল্লাপা। বংশপরম্পরায় সে সূর্যমন্দিরের পুরোহিত। হুইকা বলছিল, লোকটা নাকি এ অঞ্চলের অনেক কিছুর খোঁজ খবর জানে। তা ছাড়া সে নাকি জাদুবিদ্যারও চর্চা করে!’

    মার্কেজ শুনে বললেন, ‘ইনকা পুরোহিতদের অনেকেই এ বিদ্যার চর্চা করে থাকেন। স্থানীয় মানুষেরা এ কারণে তাদের বেশ ভয়ভক্তি করে থাকে। লোকটার সঙ্গে পরিচয় হলে কিছু খোঁজ খবর হয়তো পেতে পারতাম।’

    পিনচিও বললেন, ‘আমি কাল মাচুপিচু দেখতে যাচ্ছি। ওই পুরোহিত আমাকে অনুরোধ জানিয়েছে, আমার গাড়িতে সে পর্যন্ত তাঁকে নিয়ে যেতে। আমার সঙ্গে কাল সে যাবে। আপনারা যদি…’

    তাঁর কথা শেষ হবার আগেই মার্কেজ বললেন, ‘আমরাও তো কাল ওখানেই যাচ্ছি। পুরোহিত লোকটার সঙ্গে তাহলে নিশ্চই আপনি আমাদের পরিচয় করিয়ে দিতে পারবেন।’

    পিনচিও মৃদু হেসে জবাব দিলেন, ‘ও কাজটা মনে হয় করতে পারব।’

    এরপর পিনচিও অন্য প্রসঙ্গে চলে গিয়ে সুজয়দের উদ্দেশ্যে বললেন, ‘তা আজ যা যা দেখলেন, তার মধ্যে কোন জায়গাটা ভালো লাগল আপনাদের?’

    সুসান এতক্ষণ চুপচাপ বসে কথোপকথন শুনছিল। সম্ভবত সে তার প্রতি পিনচিওর দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্যই হঠাৎ শিশু সুলভ ভঙ্গীতে বলে উঠল, ‘করিকানচার সূর্যমন্দির।’

    পিনচিও তার দিকে তাকিয়ে বললেন, ‘বাঃ, তাই নাকি! তা ওখানে তোমার কী কী ভালো লেগেছে?’

    সুসান জবাব দিল, ‘মিউজিয়ামে মমি আর সূর্যদেবের ঘরটা। অনেকদিন আগে যেখানে একটা সোনার চাকতি আর পান্না রাখা ছিল। পিজরো বলে একটা লোক সেগুলো নিয়ে নিয়েছে।’

    পিনচিও আবার বললেন, ‘বাঃ, তুমিতো বেড়াতে এসে অনেক কিছু জেনে ফেলেছ দেখছি! গুড বয়!’

    প্রশংসা শুনে সুসান সলজ্জ ভঙ্গীতে বলল, ‘দাদু বলেছে’।

    এরপর পিনচিও মার্কেজের দিকে তাকিয়ে হঠাৎ বললেন, ‘আচ্ছা, ওই সোনার চাকতি আর পান্নার ব্যাপারে আপনার ইতিহাস কী বলে?’ মার্কেজ বললেন, পিজরো ও-জিনিসগুলো তাঁর এক জুয়ারি সঙ্গীকে দান করেছিলেন। সে জুয়ার আসরে ওগুলো খুইয়ে বসে।’

    ‘ও ব্যাপারটা সবার জানা, কিন্তু তারপর?’ আবার প্রশ্ন করলেন পিনচিও।

    ‘এর চেয়ে বেশি কিছু ইতিহাসে লেখা নেই’। ‘এটা একটা মিস্ট্রি বলতে পারেন,’—জবাব দিলেন প্রফেসর।

    পিনচিও কয়েক মুহূর্ত যেন কী চিন্তা করলেন। তারপর মৃদু হেসে চেয়ার ছেড়ে উঠতে উঠতে বললেন, ‘আমি এখন যাই। কাল দেখা হবে। গুড নাইট এভরিবডি।’ সুজয়রাও উঠে দাঁড়িয়ে তাঁকে বিদায় সম্ভাষণ জানাবার পর, যেমন হঠাৎ তিনি এসেছিলেন, তেমনই হঠাৎ চলে গেলেন পিনচিও।

    তিনি চলে যাবার পর মার্কেজ বললেন, ‘পিনচিও ভদ্রলোক কিন্তু বেশ মিশুকে। দু-দু-বার নিজেই পরিচয় করতে আর কথা বলতে এলেন।’

    বিল মন্তব্য করল, হ্যাঁ, তবে লোকটার একটু আড়িপাতার স্বভাব আছে। আপনারা যখন ওকে দেখলেন তার মিনিটপাঁচেক আগেই উনি এসে দাঁড়িয়েছিলেন থামের কাছে। আমি লক্ষ করেছি।’

    প্রফেসর পালটা কোনো মন্তব্য করলেন না তার কথা শুনে। এরপর তিনি আবার ফিরে গেলেন ইনকার গল্পে। চাঁদের আলোতে বসে সুজয়রা শুনতে লাগল সেই ফেলে আসা যুগের নানা কথা। টুকরো টুকরো ভাবে সেই সময় যেন মার্কেজের কথার মাধ্যমে ধরা দিতে লাগল সুজনের সামনে।

    ঠিক রাত ন-টায় নীচে ডাইনিংরুমে ডাক পড়ল তাদের। বিরাট ডাইনিং-এ ধবধবে সাদা চাদর বিছানো টেবিল। বেশ কিছু টেবিলে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে খেতে বসেছে টুরিস্টরা। হালকা আলো জ্বলছে ঘরে। সুজয়রা একটা টেবিলে বসল। পেরুভিয়ান খাবারই সার্ভ করা হল তাদের। তার একটা পদের নাম, ‘আন্দিয়ান পাঁচামানকা’। মাংস, বিন আর ওল জাতীয় কন্দ দিয়ে রান্না। অন্যটার নাম ‘লোমো সলতাদো’। মাংস, টম্যাটো ও পেঁয়াজ দিয়ে তৈরি। ভাত দিয়ে মেখে খেতে হয়। পেরুতেও যে ভাত খাওয়া হয় তা দেখে অবাক হল সুজয়। তার ধারণা ছিল ভাত জিনিসটা শুধু এশীয়দেরই খাবার। বেশ তৃপ্তি করে খেল সকলে।

    খাওয়া শেষ হবার পর যখন সুজয়রা তাদের ঘরের কাছে ফিরে এল তখন রাত দশটা বাজে। বিল আর সুজয় নিজেদের ঘরে ঢোকার আগে মার্কেজ জানিয়ে দিলেন, পরদিন সকাল সাতটার মধ্যে তৈরি হয়ে নিতে হবে মাচুপিচুতে যাবার জন্য। আর গাড়িতে ওঠার সময় হাত ব্যাগে গরম জামাকাপড় নিতে হবে, কারণ ও জায়গাটা একদম পাহাড়ের মাথায় অবস্থিত। এ হোটেল থেকে তল্পিতল্পা গুটিয়ে মাচুপিচুতে গিয়ে থাকবে তারা।

    অন্যদের থেকে বিদায় নিয়ে ঘরে ঢুকে বিছানায় শুয়ে সারাদিনের কথা ভাবতে ভাবতে কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘুমিয়ে পড়ল সুজয়।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅ্যাডভেঞ্চার ভয়ংকর – হিমাদ্রিকিশোর দাসগুপ্ত
    Next Article আঁধার রাতের বন্ধু – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }