Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সেই অজানার খোঁজে – আশুতোষ মুখোপাধ্যায়

    লেখক এক পাতা গল্প422 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সেই অজানার খোঁজে ১.২

    ২

    কলকাতায় এসে আমাদের তিন জনেরই মন অনেকটা সুস্থ। বিদায় নেবার আগে অবধূত আমার স্ত্রীকে বলেছিলেন, মা, আপনার প্রাণের জিনিসই তো জমা দিয়ে দিতে বাধ্য হয়েছেন—এবার দুঃখটুকুও জমা দিতে চেষ্টা করুন, তাতে আত্মা বলে যদি কিছু থাকে, তিনি বন্ধন মুক্ত হবেন।

    দিন পনেরো বাদে স্ত্রীকে বললাম, একবার কোন্নগর থেকে ঘুরে আসি, মনটা বড় টানছে।

    স্ত্রী তক্ষুণি সায় দিলেন।

    দিনটা রবিবার। ড্রাইভারের ছুটি। নিজেই গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে পড়লাম। ছুটির দিনে রাস্তা অনেকটাই ফাঁকা থাকবে আশা করা যায়। স্নান সেরে সকাল ন’টায় বেরিয়েছি। অবধূত বলে দিয়েছিলেন, যে-দিন আসবেন সকালেই চলে আসবেন—খেয়ে আসার অজুহাত শুনব না।

    না খেয়েই বেরিয়েছি। তাঁর কাছে অন্তত এ ব্যাপারে আর কোনো সংকোচ নেই। কোন্নগর স্টেশনের পথ থেকে তাঁর ডিরেকশন ধরে মিনিট পাঁচ-ছয় ড্রাইভ করতে একজন বাড়ি দেখিয়ে দিল।

    বেশ পুরনো ছাতল। পড়া একতলা বাড়ি। এক-নজর তাকালেই বোঝা যায় অনেক দিন সংস্কার হয়নি। ট্রেনের ফার্স্ট ক্লাস কামরায় যার সঙ্গে পরিচয়, যাঁর অমন পয়সাঅলা সব শিষ্য—এক দেড় দিনে ই’আড়াই হাজার টাকা প্রণামী পড়তে দেখেছি—শিষ্যের ডাকে যিনি দেরাদুনমুসৌরি যাতায়াত করেন—হরিদ্বারে ত্রিপাঠীর বিলাসবহুল ঘরে যাঁর সঙ্গে থেকে এসেছি—তাঁর নিজের এমন বাড়ি ভাবতে পারিনি।

    ছোট্ট আঙিনার মধ্যে বাড়িটা। সামনে কোমর উঁচু বাঁশের গেট তারের খাঁজে আটকানো। গেটের দু‘পাশে দুটো শ্বেত করবী আর লাল করবীর গাছ। এক দিকে ফুলবাগান, তাতে কিছু বুনো ফুল ফুটে আছে। অন্য দিকে দুটো জবা গাছ, ছোট বড় কয়েকটা কলা গাছ, মাঝারি সাইজের দুটো নারকেল গাছ আর একটা আম গাছ।

    গেটের সামনে গাড়ি থামিয়ে হর্ন দিলাম। দরজা খুলে যিনি সোজা গাড়ির দিকে তাকালেন, এমন এক সুদর্শনার অবস্থান এখানে আশা করিনি। কেউ আমাকে ভুল বাড়ি দেখিয়ে দিল কিনা এমন সন্দেহও হল। আমাকে দ্বিধান্বিত দেখে মহিলা দরজা ছেড়ে সামনের দাওয়ায় এসে দাঁড়ালেন। অগত্যা গাড়ি থেকে নেমে বাঁশের গেট সরিয়ে আমি এগিয়ে গেলাম। চোখে ধাঁধাই লাগছে।

    —এটা কালীকিংকর অবধূতের বাড়ি?

    —হ্যাঁ আসুন···তিনি একটু বেরিয়েছেন, আপনি আজ আসতে পারেন বলে গেছেন—এখুনি ফিরবেন মনে হয়।

    আবার একটু ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে গেলাম। আমি আজ আসতে পারি অবধূত সেটা অনুমান করতেও পারেন কিন্তু আমিই যে সেই লোক তা এই মহিলার আঁচ করা সম্ভব কি করে! তাছাড়া আমার আসা একেবারে হঠাৎ। সকালে চা খেতে খেতে ঠিক করেছি।

    দাওয়ায় দরজার দু‘দিকে দু‘জোড়া বেতের চেয়ার পাতা। একদিকের চেয়ার দেখিয়ে বললেন, বসুন। একটু ব্যস্ত পায়েই ভিতরে চলে গেলেন।

    আমি বিমূঢ়ের মতো বসে। খুব সাদাসিধে বেশবাসে এ আমি কোন দিব্যাঙ্গনাকে দেখলাম! মহিলা বলছি, মুখের অচপল গম্ভীর অভিব্যক্তি দেখে, নইলে বয়েস বড় জোর বছর ত্রিশেক হতে পারে, পরনে চওড়া লাল পেড়ে চকচকে কোরা শাড়ি—মুখের রঙ গায়ের রঙের সঙ্গে মিশে গেছে। গায়ে শেমিজ, টিকালো নাক, আয়ত-গভীর কালো চোখ, কপালে সিকি সাইজের টকটকে লাল সিঁদুর টিপ, সিঁথিতে মোটা করে টানা সিঁদুর, হাতে গলায় বা কানে গহনা নেই, বাঁ হাতে লোহা-বাঁধানো গোছের কিছু। দীর্ঘাঙ্গী, নিটোল স্বাস্থ্য, সুডোল বাহু—সব থেকে বাহারের বোধহয় চুল, পিঠে ছড়ানো চুল কোমর ছাড়িয়ে হাঁটুর কাছাকাছি। চলে যাবার সময় পায়ের দিকে চোখ গেছে, আলতা-পরা এমন দু‘খানি পা-ও যে রমণীর এক বিশেষ রূপ—কলকাতায় থেকে তা ভুলেই গেছি। …অবধূতের ঘরে এমন দিব্যাঙ্গনাটি কে? দিব্যাঙ্গনা ছাড়া অন্য শব্দ আমার মনে আসছে না। অবধূতের বয়েস যদি ষাট হয়, তাঁর মেয়ে হওয়াই সম্ভব। কিন্তু অবধূতের গায়ের রং বড় জোর উজ্জ্বল শ্যামবর্ণ বলা যেতে পারে। এ যদি মেয়ে হয় তো মা-টি অতি রূপসীই হবেন সন্দেহ নেই। আবার সচকিত আমি। মেয়েটির হাতে ( মেয়েটিই বলি ) পাথরের ডিসের ওপর বসানো বড় একটা পাথরের গেলাস। সামনে ধরতে মনে হল, গেলাসে গুড়ের সরবত। ব্যস্ত হয়ে বললাম, এক্ষুণি এর কি দরকার ছিল …অবধূতজী আসুন—

    —রোদের মধ্যে ড্রাইভ করে এসেছেন, ভালো লাগবে।

    গেলাসটা তুলে নিলাম। আঁখি গুড়ের সরবতই বটে, কিন্তু তাতে সুগন্ধ লেবু আর কিছু মশলার গুঁড়ো মেশানো। ভারী সুস্বাদু লাগল।

    যাঃ। গলা দিয়ে আপনিই বেরিয়ে এলো।

    ঠোঁটের ফাঁকে সামান্য হাসির আভাস।

    বললাম, অববৃতমশাই হয়তো আমি আসব ভাবেন নি…আর কারো কথা বলে গিয়ে থাকবেন—

    চাউনিটা স্পষ্ট, সোজা। আপনার কথাই বলেছেন… কলকাতা থেকে আসছেন তো?

    মাথা নেড়ে সায় দিলাম।

    —দেরাদুন যাবার সময় আপনার সঙ্গেই তো ট্রেনে পরিচয়?

    আর কোনো সন্দেহ থাকল না যে অবধূত আমিই আসতে পারি আশা করেছেন। জিগ্যেস করতে ইচ্ছে করল, উনি আশা করলেও তুমি জানলে কি করে যে আমিই সেই লোক। কিন্তু জিগ্যেস করা গেল না, বয়েস যা-ই হোক, রূপের সঙ্গে এমন এক শান্ত ব্যক্তিত্ব মিশে আছে যে চট করে তুমি বলতেও বাধে৷ দু‘চুমুকে সরবত খেয়ে জিগ্যেস করলাম, উনি কে হন?

    ঠোঁটের হাসি আবার একটু স্পষ্ট।আপনাদের অবধূত?

    পাল্টা প্রশ্নটা কি-রকম যেন লাগল। মাথা নাড়লাম।

    —হন্ কেউ একজন বলতে বলতে বাঁশের গেটের দিকে চোখ। আমিও দেখলাম। পেটো কার্তিক। হাতে বাজারের থলে। আমাকে দেখে ছোট-খাটো একটু হাঁ করে ফেলল। তারপরেই উল্লাসে ছুটে এলো।-আপনি এসে গেছেন সার! দাওয়ায় উঠেই ডান হাতের ব্যাগ বাঁ-হাতে নিয়ে ঝুঁকে একটা প্রণাম ঠুকে ফেলল।—বাবা তো ঠিকই বলেছেন মাতাজী উনি আজ আসতে পারেন, আমিই বরং ভাবছিলাম মাংস আনব কি আনব না—ভাগ্যিস এনেছি।

    পেটো কার্তিকের মুখে মাতাজী শুনে আমি বিমূঢ় হঠাৎ। স্থান-কাল ভুলে রমণীর দিকে তাকালাম। থলেটা কার্তিকের হাত থেকে নিয়ে উনি বলছেন ( মাতাজী শোনার পর উনি ছাড়া আর কি বলব! ), যা তো বাবা, বোসেদের ছেলের অসুখ, ওঁকে সেখানে ডেকে নিয়ে গেছে—কোথাও গিয়ে বসলে তো আর ওঠার নাম নেই—একটা খবর দে।

    পেটো কার্তিক তক্ষুণি ছুট লাগালো।

    পাথরের গেলাস মাটিতে নামিয়ে রাখতে যেতে মহিলা নিঃসংকোচে হাত বাড়ালেন। দ্বিধাগ্রস্ত মুখে গেলাস এগিয়ে দিলাম।

    —এবারে একটু চা করে আনি?

    ব্যস্ত হয়ে জবাব দিলাম, উনি আসুন—

    চলে গেলেন। আমার মনে হল চোখের গভীরে একটু কৌতুকের আভাস দেখলাম।…আমার মুখের অবস্থা দেখেই কি?

    …হরিদ্বারে রাতে ত্রিপাঠীর বাড়িতে বোতল-গেলাস নিয়ে বসে উনি যে কথাগুলো বলেছিলেন মনে পড়ল।…বলেছিলেন, কেউ বেঁধে ফেলছে মনে হলেই তাঁর পালানোর ঝোঁক-বন্ধন কাটানোর তাগিদ। আমি জিগ্যেস করেছিলাম, কিসের বন্ধন থেকে? গেলাসে চুমুক দিয়ে মুচকি হেসে জবাব দিয়েছিলেন, রমণীর বাহুবন্ধন থেকে।…আর বলেছিলেন, তাঁর অদৃষ্টে এই শেকল যে কি শেকল তা যদি জানতেন—সেটা ছেঁড়ার তাগিদে মাঝে মাঝে আমার মাথায় ভূত চাপত—পালাতাম! …এখন বুঝতে পারছি কি অমোঘ শেকলের কথা তিনি বলেছিলেন। কিন্তু আমার ভেতরটা একটু বিরূপ হয়ে উঠল। হতে পারে অবধূতের প্রতি এই মহিলার আকৃষ্ট হবার মতো মতিভ্রমই হয়েছিল, এ-লাইনের লোকদের বশ করার ক্ষমতা তো কিছু আছেই—তাই মহিলার চোখে বয়েসের তফাৎটা বড় বাধা না-ও হতে পারে। কিন্তু মেয়ের বয়সী একজনের বাহুবন্ধনে শেষ পর্যন্ত ধরা দিয়ে অবধূত পাষণ্ডের মতোই কাজ করেছেন।

    পেটো কার্তিকের সঙ্গে অবধূত মিনিট দশেকের মধ্যেই ফিরলেন। একমুখ হাসি।—-একলা যে, মা এলেন না?

    হেসে জবাব দিলাম, সবে তো শুরু।

    —ড্রাইভার দেখছি না, নিজে ড্রাইভ করে নাকি?

    —ড্রাইভারের রোববারে ছুটি থাকে।

    হাসছেন।—সকাল থেকেই কি-রকম মনে হচ্ছিল আপনি আসতে পারেন। হাঁক দিলেন, কই গো!

    —বসুন, ব্যস্ত হবেন না, ওঁর সঙ্গে আলাপ হয়েছে, আসার সঙ্গে সঙ্গে চমৎকার সরবত খাইয়েছেন!

    পেটো কার্তিক ভিতরে চলে গেছে। বেতের চেয়ারটা মুখোমুখি টেনে নিয়ে বসলেন। এক চোখ টিপে জিগ্যেস করলেন, সরবত বেশি মিষ্টি লাগল না ওঁকে?

    হাঁকের জবাবে মহিলা এসে উপস্থিত। অবধূতের রসালো প্রশ্ন কানে গেছে নিশ্চয়ই। কিন্তু লাজ-লজ্জার অভিব্যক্তি চোখে পড়ল না। অবধূতই আরো সরস হয়ে উঠলেন। স্ত্রীর দিকে চেয়ে বললেন, এসো, লেখককে জিগ্যেস করছিলাম, সরবত বেশি মিষ্টি লাগল না সরবতদাত্রীকে?

    বুড়ীকে নিয়ে এই এক ঢঙের কথা আর কতবার কত জনকে বলবে? আমার দিকে ফিরলেন, এবারে চা দিই?

    তা তো দেবেই। অবধূতের কড়া মেজাজের গলা।—আমার চিরযৌবনা স্ত্রীকে তুমি বুড়ী বলো কোন্ সাহসে? উনি আমারও পঞ্চাশের নিচে বয়েস ভেবেছিলেন সে ভিন্ন কথাতা বলে তোমার বেলায়ও ভুল হবে নাকি? আচ্ছা, আপনি তো মশাই একজন নামী লেখক…বেশ করে ওঁর মাথা থেকে পা পর্যন্ত দেখে বলুন তো, খুব বেশি হলে ওঁর বয়েস কত হতে পারে—আমি যে লোকের কাছে পঞ্চম পক্ষের স্ত্রী বলে পরিচয় দিই— সেটা খুব বেশি বলি কিনা? দেখুন না, লজ্জা কি, পাসপোর্ট তো পেয়ে গেছেন!

    প্রথম দর্শনে কোনো রূপসী মহিলাকে সোজাসুজি দেখতে যাওয়ার নানা বিড়ম্বনা। অনুমতি পেয়ে হাসি মুখে একটু ভালো করেই দেখলাম। ফলে মনে হল তিরিশের কিছু বেশিই হবে। অবধূতের কথায় আরো একটু গার্ড নিয়ে বললাম, মহিলারা এই প্রসঙ্গ সব থেকে অপছন্দ করেন শুনেছি— তবু ধরুন ওকে নিয়ে যদি আপনার লিখতে হয়, কত লিখবেন?

    —বছর পঁয়ত্রিশ।

    অবধূত হ-হা করে হেসে উঠলেন, আমার কথা শুনেই বাড়িয়ে বললেন তো? তেত্রিশ…

    ছদ্ম কোপে মহিলা বললেন, এরপর তোমার কাছে কেউ এলে আমি আর বাইরে আসব না। আমার দিকে ফিরলেন, শুনুন, আরো একত্রিশ বছর আগে আমার কুড়ি আর ওঁর ঊনত্রিশ বছর বয়সে আমাদের বিয়ে হয়েছে —তাহলে বুঝুন আমার বয়স কত— সকলের কাছে আমাকে ডেকে এনে এই ব্যাপার করা চাই।

    অবধূত বলে উঠলেন, বুঝুন ঠেলা, বিশ্বাস করবেন কিনা আপনিই বলুন। আমি বিমূঢ় একেবারে। একত্রিশ বছর আগে কুড়ি বছর বয়সে বিয়ে হয়েছে মানে এঁর বয়েস এখন একান্ন। বয়েস বেঁধে রাখারও কোনো জাদু আছে নাকি! হতভম্বের মতো খানিক চেয়ে থেকে মহিলাকে বললাম, আপনার কথা সত্যি হলে অবধূত মশাইয়ের কোনো দোষ নেই—এই দেশের সব মেয়েদের ডেকে ডেকে এনে আপনাকে দেখানো উচিত।

    অবধূত গম্ভীর মন্তব্য করলেন, ঢোকতে হয় না, আপনিই আসে—তবে মেয়েরা নয়, বেশিরভাগই ছেলে। হরিদ্বারে আপনি আমার বাড়ি আসবেন বলতে আপনাকে এই জন্যেই বলেছিলাম, এলে ভালো লাগবে—অনেকের লাগে।

    হালছাড়া রাগে মহিলা বলে উঠলেন, আচ্ছা, যারা এখানে আসে সকলে আমাকে মাতাজী বলে ডাকে—এভাবে বলতে তোমার মুখে আটকায় না?

    —মাতাজী বলে তাতে কি হলো, মাতাজীকে ভালো লাগতে পারে না? আচ্ছা মশাই আপনিই বলুন, একে দেখে আপনারও যে ভালো লেগেছে এ-তো চোখ-মুখ দেখেই বুঝতে পারছি—ভালো লাগাটা কি দোষের— এরপর আমার এখানে আসতে আপনার কি আরো ভালো লাগবে না? আমার হাঁসফাঁস মুখ দেখে ভদ্রমহিলা দ্রুত চলে গেলেন। অবধূত হাসছেন।

    আমি বললাম, কংগ্র্যাচুলেশনস—থাউজেণ্ড কংগ্র্যাচুলেশনস।… আপনি এই শিকল ছিঁড়ে পালাতে চেষ্টা করেছেন?

    —অনেকবার। শেষের বারে বিহারে টানা তিন বছর।

    —উনি জানতেনও না আপনি কোথায় আছেন?

    —নাঃ।

    —আপনি যত বড় অবধূতই হোন, আপনাকে নরাধম বলতে ইচ্ছে করছে। তিন বছর ধরে আপনি ওঁকে যন্ত্রণার মধ্যে রেখেছেন!

    নিঃশব্দ হাসিতে মুখখানা ভরাট শুধু নয়, সুন্দরও হয়ে উঠল। বললেন, আপনি তাহলে ওকে খুব বুঝেছেন।…আরে মশাই যন্ত্রণার মধ্যে আছে জানলে তো আমার পালানো সার্থক ভাবতাম! যন্ত্রণা দূরে থাক, একটু তাপ-উত্তাপও যদি দেখতাম। যেখানে যত দূরেই যাই, শেকলটা যে আমার গলায় পরানোই আছে সেটা উনি খুব ভালো করেই জানতেন। সেবারে ছাড়া পেয়েছি বিকেল চারটের পরে। সঙ্গে ড্রাইভার থাকলে রাতের আগে ছাড়া পেতাম না।

    সেই থেকে আমার কোন্নগরে যাতায়াত শুরু। পনেরো দিন বা তিন সপ্তাহে একবার করে যাই-ই। অবধূত নিজেই বলেছিলেন উনি ঘটনা দেখেন। আমি চরিত্র দেখে বেড়াই। সদ্য বর্তমানে এই একটি চরিত্র নিয়ে আমার আগ্রহের সীমা-পরিসীমা নেই। একটি নয়, আগ্রহ তাঁর স্ত্রীকে নিয়েও। দু‘জনেরই বিশেষ একটা অতীত আছে যার আভাস এখনো আমার কাছে খুব স্পষ্ট হয়ে ওঠেনি। হবে, আশা রাখি। কোন্নগরের এই বাড়িতে লোকের আনাগোনা লেগেই আছে। যে রবিবারে আমি প্রথম গেছলাম, বিকেল চারটের মধ্যে কম করে পনেরো-ষোলজন লোককে অবধূত ফিরিয়ে দিয়ে হতাশ করেছিলেন। সেটা আমার খাতিরে। পেটো কার্তিক আমাকে টিপ দিয়ে রেখেছিল। এর পরে এলে বুধবারে আসবেন, ওই একদিন বাবা অনেকটা ফাঁকা থাকেন, লোকের চিঠিপত্রের জবাব দেন, বা ওষুধ—টম্বুধ তৈরি করেন।

    লক্ষ্য করেছি অবধূতের কাছে বেশির ভাগ লোক কিছু না কিছু সংকট ত্রাণের আশা নিয়ে আসে। অবশ্য সংকটের রকমফের আছে। এদের ভিতর দিয়ে অবধূতকে বোঝার জন্য বুধবার ছেড়ে এক-একদিন অন্য বারেও এসে হাজির হয়েছি। সত্যিকারের সংকটে পড়েই অনেকে আসে বটে। কিন্তু ব্যতিক্রমের মধ্যেও অন্য যে আসে তার সংকট তার কাছে অন্তত বিষম। একবার এক মহিলাকে দেখলাম, অবধূতের সামনে বসে খুব কান্নাকাটি করছেন। ব্যাপার সাংঘাতিক বইকি। তাঁর বড় আদরের বেড়ালটি হারিয়ে গেছে। তাকে ফিরে না পেলে তিনি প্রাণে বাঁচবেন না।

    অবধূত গম্ভীর। চেষ্টা করে বিষণ্নও। —আপনার ছেলেপুলে নেই তো? —না বাবা, ওই পুষিই আমার সব।

    খুব দুঃখের কথা।…কিন্তু আপনাকে তাহলে কিছু ক্রিয়া করতে হবে। মহিলা আশায় উন্মুখ।—আমি সব করব, কি করতে হবে বলুন বাবা? —খুব গরিব দুঃখী একটা বা দুটো বাচ্চা ছেলে-মেয়ে আপনার চেনা—

    জানার মধ্যে আছে?

    ভাবলেন একটু।—আছে বাবা, আমাদের যে ঘর ঝাড়-মোছ করে ঠিকে ঝি-টা, তার গেদা বাচ্চা দু‘টো ছেলে মেয়ে আছে—স্বামীটা অন্ধ হয়ে যাওয়ার পরে বউটা কাজে বেরিয়েছে— দু‘বেলা খাওয়া জোটে না।

    —তাহলে ওই দুটো বাচ্চাকে আপনাকে পুষির মতো—না, পুষির থেকেও বেশি ভালো বাসতে হবে—আপনার ভালবাসা যত খাঁটি হবে—পুষির ফিরে আসার চান্স ততো বেশি।

    —কিন্তু বাবা পুষি গেল কোথায়? সে বেঁচে আছে তো, না কেউ মেরে—টেরে ফেলল?

    —বেঁচে না থাকলে আপনার কাছে আর ফিরছে কি করে? যান, যা বললাম, মনে-প্রাণে তাই করুন। পুষি ফিরে এলে আমাকে একটা খবর দেবেন।

    পায়ের কাছে দশটা টাকা রেখে প্রণাম করে চোখ মুছতে মুছতে ভদ্রমহিলা চলে গেলেন।

    আমি হেসে বলেছি, বেশ, পুষি যদি আজ-কালের মধ্যেই ফিরে আসে? অম্লানবদনে জবাব দিলেন, ওই জন্যেই ফিরে এলে খবর দিতে বললাম। ফিরে এলে উনি জানবেন, আমার অব্যর্থ ক্রিয়ার ফল, তখন ওই মানুষের বাচ্চা দুটোকে আরো বেশি ভালবাসতে বলতে হবে—নইলে পুষি আবার একদিন বরাবরকার মতো হারিয়ে যাবে।

    কথা শেষ হতে না হতে একটি বছর তেইশ-চব্বিশের ছেলে আর বছর উনিশের মেয়ে এসে উপস্থিত। দেখে আমার মনে হলো এই প্রথম আসছে। লাল চেলি দেখে চিনল, ভক্তিভরে প্রণাম করল।

    সঙ্গে সঙ্গে গম্ভীর মুখে অবধূত জিগ্যেস করলেন, দু’ জনেরই গার্জেনের আপত্তি!

    ওরা হকচকিয়ে গেল একটু। ছেলেটি বলল, আজ্ঞে ..?

    —বলছি, তোমাদের বিয়ের ইচ্ছেয় দু‘জনেরই গার্জেনের আপত্তি হয়েছে বা হবে?

    দু‘জনেই বিস্মিত এবং মুগ্ধ। ইতস্তত করে ছেলেটি একবার আমার দিকে তাকালো। অবধূত বললেন, উনিও একজন যোগীপুরুষ, ওইভাবে থাকেন —বেশি সময় দিতে পারব না, চটপট বলো—

    ছেলেটি বলল, আজ্ঞে আপনি ঠিকই বলেছেন— দু‘জনেরই বাবা-মায়ের আপত্তি। বিশেষ করে আমার বাবার —আপত্তি কেন? জাতে-বর্ণে তো মিল আছে দেখছি?

    তারা আরো মুগ্ধ—তোমার বাবা কি করেন?

    —উকিল।

    —তুমি এক ছেলে?

    — আজ্ঞে হ্যাঁ, তিনটি বোন আছে। আমার ছোট।

    —তুমি চাকরি-বাকরি করো?

    বাবার সঙ্গে প্র্যাকটিস শুরু করেছি।

    —তোমার বাবার কি ইচ্ছে, তোমার বিয়েতে অনেক টাকা পেয়ে তোমার পরের বোনের বিয়ের টাকা কিছুটা যোগাড় করে রাখবেন?

    মেয়ে উন্মুখ। ছেলেটি শ্রদ্ধায় নুয়ে পড়ছে।—আপনি ঠিকই বলেছেন… এখন একটা উপায় করে দিন।

    —উপায় তোমাদের হাতে। তোমাদের মতি স্থির থাকলে তবেই তোমাদের বাবা-মায়েদের মতি ফেরা সম্ভব। দু‘তিনটে বছর এই কঠিন পরীক্ষার মধ্যে কাটাতে হবে তোমাদের।… তোমরা এখানে এসেছ কাউকে না জানিয়ে, কোনো আত্মীয় বা তোমার বাবার কোনো বন্ধুর মারফৎ তোমার বাবাকে একবার আমার কাছে পাঠাতে চেষ্টা করো—তোমরা আমার খবর পেলে কি করে?

    ছেলেটি জানালো, এক মামা আমাকে খুব ভালবাসে—সে বলেছে আপনি কিছু করে বাবার মত ফেরাতে পারেন।

    তোমরা আমার কাছে এসেছ মামা জানেন?

    —না… তিনি কারোর কাছে আপনার ক্ষমতার কথা শুনে আমাকে বলেছিলেন।

    তোমরা এখানে এসেছ তাঁকেও বলবে না। গিয়ে তাঁকেই একবার আমার কাছে আসার জন্য ধরে পড়ো—সেটা পারলে তোমার বাবাকে এখানে আনাবার ব্যবস্থা আমি করতে পারব।

    ইতস্ততঃ করে ছেলেটি বলল, আপনি যদি কিছু ক্রিয়া করেন…

    —সেটি করতে হলে তোমার বাবাকে দরকার—ক্রিয়াটা তাঁর ওপর দিয়ে হবে। আর আবারও বলছি, সব নির্ভর করছে তোমাদের মতির ওপর—আপনি কি বলেন?

    আচমকা শেষের প্রশ্ন আমাকে। কোনোরকমে মাথা নেড়ে সায় দিলাম।

    এ ছাড়া আর কি করার আছে…।

    ওরাও একটা দশ টাকার নোট রেখে প্রণাম করে চলে গেল। ছেলেটি তার নাম ঠিকানা আর মামার নাম রেখে গেছে। তার আশা মামাকে পাঠাতে পারবে।

    অবধূত হেসে বললেন, কত রকমের কেস আমার জোটে দেখছেন?… তবে এই ছেলের বাবাকে একবার নাগালের মধ্যে পেলে এ কেস জলভাত— এই বিয়ে দিয়ে সে তার নিজের ফাঁড়া কাটিয়ে বাঁচাবে। ছেলের মতি ফেরানোর নাম করে মামাকে দিয়ে এই বাপটিকে একবার এখানে আনাতে হবে। আমার মন বলছে এই বিয়ে হবে, ছেলে-মেয়ে দু‘জনেরই কপালের লক্ষণ ভালো।

    মাতাজীর নাম কল্যাণী। তাঁর কাছে যারা আসে তাদের মধ্যে নানা বয়সের পুরুষের সংখ্যাই বেশি। মেয়ে ভক্তও অবশ্য কম নয় একেবারে। সকলেরই তিনি মাতাজী। তাদের শ্রদ্ধাভক্তিতে ভেজাল আছে মনে হয় না। কারো ওষুধ-বিদুধের দরকার হলে মাতাজী তাকে অবদূতের কাছে পাঠান। আর কেউ দীক্ষা নিতে চাইলে অবধূত তাকে মাতাজীর কাছে পাঠান। অবধূত নিজে কাউকে দীক্ষা দেন না। কল্যাণী দেবী আমাকে বলেছেন, এই জন্যেই আমার কাছে পুরুষের ভিড় বেশি, কারো মনে ডাক দিলেই সে দীক্ষা নেবার জন্য ব্যস্ত হয়, আর আপনাদের অবধূত তখন তাকে আমার কাছে পাঠিয়ে দিয়ে খালাস। দায় উদ্ধারের আশায় প্রথমে সকলেই আসে ওঁর কাছে, শেষে বিপাকে পড়ি আমি।

    অবধূত হেসে বলেন, বিশ্বাস করবেন না মশাই, আমার আসল শক্তি যে উনি এটা সকলেই টের পেয়ে যায়।

    অবধূতও আমার কলকাতার বাড়িতে বার কয়েক এসেছেন। আমি স্ত্রীকে আর মেয়েকে নিয়েও গেছি। অবধূতকে তাদের জানতে বুঝতে বাকি নেই। কল্যাণী দেবীকে দেখে দুজনেই মুগ্ধ। মেয়ে তাঁকে দেখে বলে উঠেছিল, আপ—নাকে তো আমি অনায়াসে আমার বড় বোন বলে চালিয়ে দিতে পারি। তাঁর সম্পর্কে আমার মুখে আগেই শুনেছিল। কল্যাণী হেসে বলেছেন, তুমিও আর ওই এক রা তুলো না—আমার ছেলেপুলে থাকলে তোমার থেকে বড় বই ছোট হত না।

    —কিন্তু এ বয়সেও আপনি এরকম স্বাস্থ্য আর শ্রী রাখলেন কি করে—আমাকে এটুকুই শিখিয়ে দিন।

    তিনি হেসে জিগ্যেস করেছেন, তুমি স্বাস্থ্য চর্চা মনের চর্চা করো?

    —না তো!

    —তাহলে কি করে হবে?

    —আপনি এক্সারসাইজ করেন নাকি?

    —করি বইকি…তবে আমার এক্সারসাইজ একটু অন্য রকমের। আচ্ছা এসো মাঝে মাঝে, যতটা পারি শিখিয়ে দেব।

    খুশি হবার মতো কথা আমার স্ত্রীকে বলেছিলেন নাকি। বলেছেন, মুখুজ্জে মশাই এলে ( অর্থাৎ আমি এলে ) উনি সব থেকে বেশি খুশি হন! কেন জানেন? এখানে স্বার্থ ছাড়া, বিপদ বা দায় উদ্ধারের আশা নিয়ে ছাড়া একজনও আসে না। কোনো স্বার্থ নেই এমন কেবল উনিই আসেন। কত লোকের কাছে ওঁর কথা বলেন উনি।

    তাঁর শুনে মনে মনে হেসেছি। স্বার্থশূন্য আমিও নই। আর আমার স্বার্থটা কি অবধূত তা একটুও আঁচ করতে পারেন না এমন মনে হয় না। তবু অন্তরঙ্গতাটুকু অকৃত্রিম।

    অন্তরঙ্গতার ফাঁক দিয়েই এই দম্পতীর অতীতের আভাস আমি মোটামুটি পেয়েছি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকাল তুমি আলেয়া – আশুতোষ মুখোপাধ্যায়
    Next Article সোনার হরিণ নেই – আশুতোষ মুখোপাধ্যায়

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }